30/12/2021
SSC result 2021
Appeared: 108,
Passed: 105,
Percentage of Pass: 97.22,
GPA 5: 11
It is the official page of Shohid Major Salah Uddin Momtaj Bir Uttam High School. Things related to this school will be shared in this page.
30/12/2021
SSC result 2021
Appeared: 108,
Passed: 105,
Percentage of Pass: 97.22,
GPA 5: 11
06/11/2020
আজ ০৬/১১/২০২০, প্রাক্তন শিক্ষার্থী পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত বিদায়ী শিক্ষকদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সফল হবে ইনশাআল্লাহ।
join official group- https://bit.ly/2U0yFA6
31/05/2020
SSC results 2020
06/05/2019
২০১৯ সালের SSC রেজাল্ট।
চলুন জেনে আসি ফেনীর কৃতী সন্তান শহীদ মেজর সালেহ্উদ্দিন মমতাজ বীর উত্তম সম্পর্কে.....
..
**শহীদ সালাহউদ্দিন মমতাজ
(জন্ম:১৯৪৫ - মৃত্যু: ৩১ জুলাই , ১৯৭১ )
.
**বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন
বীর মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার
সাহসিকতার জন্য
বাংলাদেশ সরকার তাঁকে বীর উত্তম
খেতাব প্রদান করে।
..
**জন্ম ও শিক্ষাজীবন:
সালাহউদ্দিন মমতাজের জন্ম ১৯৪৫
খ্রিস্টাব্দে, ফেনী জেলার সদর উপজেলায়
উত্তর চাড়িপুর গ্রামের মুক্তারবাড়ি।
তাঁর পিতার নাম শামসুদ্দিন আহমেদ এবং
মায়ের নাম খায়রুন নাহার। তাঁর পিতামহ
মমতাজ
উদ্দিন আহমেদ ছিলেন আকিয়াবের শেষ
মুসলিম জমিদার। মাতামহ মৌলভী আবদুর
রাজ্জাক ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের বঙ্গীয়
আইন সভার সদস্য (এমএলএ)। আলীগড়
মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ল' গ্র্যাজুয়েট
বাবার ওকালতি করার সুবাদে কোলকাতায়
সালাহউদ্দিনের শিক্ষাজীবন শুরু হয়।পরে
তিনি বাড়ির কাছে দেবীপুর
প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম
শ্রেণি এবং ফেনী সরকারি পাইলট উচ্চ
বিদ্যালয় থেকে মেট্রিক পাস করেন।
উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে তিনি কিছুকাল
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে এবং
পশ্চিম পাকিস্তানের লাহোর দয়াল সিং
কলেজে পড়াশোনা করেন। শেষে ফেনী
কলেজ থেকে আইএসসি পাস করেন।এই
কলেজে বিএসসি অধ্যয়নকালে পাকিস্তান
সেনা বাহিনীতে যোগ দেন।
**কর্মজীবন:
সালাহউদ্দিন মমতাজ ১৯৬৬
খ্রিস্টাব্দে ফ্লাইট ক্যাডেট হিসাবে
পাকিস্তান বিমান বাহিনীতে যোগ দেন।
পরে তিনি পাকিস্তান সেনা বাহিনীতে যোগ
দেন।
**মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা:
সালাহউদ্দিন ১৯৭১ সালে পশ্চিম
পাকিস্তানে পোষ্টেড ছিলেন। ৩ জুলাই
১৯৭১ শিয়ালকোট মারালা সীমান্তের
খরোস্রোতা মুনাওয়ার তাবী নদী
অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করেন।
সালাউদ্দিনকে ১১নং সেক্টরে যুদ্ধ
করতে প্রথম ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে
পাঠানো হয়। ভারতের মেঘালয়
রাজ্যের তেলঢালা ক্যাম্পে এই
রেজিমেন্টের অধীনে মুক্তিযোদ্ধাদের
ট্রেনিং চলছিল। এখানে পরে জেড
ফোর্স গঠিত হলে তাঁকে এই ফোর্সে
নিযুক্ত করা হয়।
ট্রেনিং শেষ হলে জেড ফোর্সের
কমান্ডার মেজর জিয়া প্রথম ইষ্ট
বেঙ্গল রেজিমেন্টের মাধ্যমে কামালপুর
বিওপি আক্রমণের সিদ্ধান্ত নেন।
সালাহউদ্দিনকে "চার্লি" কোম্পানীর
কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়।
২৮ জুলাই কামালপুর যুদ্ধের প্রস্তুতি
নিতে সালাহউদ্দিন মমতাজ ও
লেফটেন্যান্ট মান্নানকে কামালপুরে
পাকিস্তানি অবস্থান রেকি করার
দায়িত্ব দেওয়া হয়। এ সময় তারা দুজন
পাকিস্তানি সেনার সম্মুখে পড়ে।
একজন পাকিস্তানি সেনার সঙ্গে
সালাহউদ্দিনের ধস্তাধস্তি শুরু হয়।
মান্নান একটি গাছের নিচে অবস্থান
নিলেন। সুবেদার হাই রাইফেলের বাঁট দিয়ে
আঘাত করে পাকিস্তানি সেনার রাইফেল
কেড়ে নিলেন। নায়েক শফি পলায়নপর
পাকিস্তানি সেনাকে লক্ষ্য করে
গুলিবর্ষণ করল। পাকিস্তানি সেনার
বাংকার থেকেও গুলি বর্ষিত হলো।
সুবেদার হাই শত্রুর অবস্থান লক্ষ্য
করে গুলিবর্ষণ করতে করতে ক্যাপ্টেন
সালাহউদ্দিনের দিকে অগ্রসর হলো।হাই
সালাহউদ্দিনের বুকের ওপরে চড়ে থাকা
পাকিস্তানি সেনাকে স্টেনগান দিয়েআঘাত
করলে পাকিস্তানি সেনা তার রাইফেল
ফেলেই পালিয়ে যায়। এরপর সালাহউদ্দিন
ও মান্নান শত্রুর কাছ
থেকে ছিনিয়ে নেওয়া রাইফেল দুটিসহ
অন্যদের নিয়ে নিজ অবস্থানে ফিরে
আসে। সেদিন এভাবেই অল্পের জন্য
প্রাণে বেঁচে গেল। ৩০-৩১ জুলাই প্রথম
ইস্ট বেঙ্গল (সিনিয়র টাইগার) রাতের
আঁধারে রওনা হলো। প্রথমে
সালাহউদ্দিনের ডেল্টা কোম্পানী,
ফলোআপ কোম্পানী হলো ক্যাপ্টেন
হাফিজের ব্রেভো, যার পিছনে হল
ব্যাটালিয়ন 'আর' গ্রুপ এবং এই 'আর'
গ্রুপে ছিলেন মেজর মঈন এবং সাথে ছিলেন
জেড ফোর্সের কমান্ডার মেজর জিয়াউর
রহমান। মুক্তিবাহিনীর
প্রচণ্ড আক্রমণের মুখে পাকিস্তানি
সেনারা তাদের প্রথম সারির প্রতিরক্ষা
অবস্থান ছেড়ে পেছনে সরে যায়।
মুক্তিবাহিনীর সাহসী সৈনিকরা শত্রুর
বাংকার অতিক্রম করে কমিউনিটি
সেন্টারে ঢুকে পড়ে এবং হাতাহাতি যুদ্ধ শুরু
হয়। সুবেদার হাই এর নেতৃত্বে যে প্লাটুনটি
যুদ্ধ করছিল তারা মাইন
ফিলডের সামনে পড়ে যায়। এই প্লাটুনের
ডানে ছিলেন ক্যাপ্টেন সালাহউদ্দিন ও
তার সহযোগীগণ। পাকিস্তানি সেনারা
তখন পাল্টা আক্রমণের জন্যে তৈরি
হচ্ছে। সালাহউদ্দিন সুবেদার হাইকে ডানে
যেতে নির্দেশ দিলেন। নায়েক হাই এর হাত
বোমার আঘাতে উড়ে গেল।সালাহউদ্দিন
তখন পলায়নপর
পাকিস্তানি সেনাদের পেছনে ধাবমান।এই
সময় শত্রুবোমা সালাহউদ্দিনের
ঠিক সামনে এসে পড়ে এবং সালাহউদ্দিন
শহীদ হন..
(তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে নেয়া)
....RESULT Of 2014....
Total examinee 98
Pass:- 96
Failed:-02
Highest result: 4.88
A grade: 20
RESULT er khub ekta unnoti hoyni,
ki bolen apnara????
16/04/2014
▒█▓▓ পিতা-মাতার হক ১৪ টি,
৭ টি জীবিত অবস্থায়,
৭ টি মৃত্যুর পর।
জীবিত অবস্থায় ৭ টি হক:
১) আজমত অর্থাৎ পিতা-মাতার
প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া।
২) মনে-প্রাণে ভালোবাসা।
৩) সর্বদা তাদেরকে মেনে চলা।
৪) তাদের খেদমত করা।
৫) তাদের প্রয়োজন পূর্ণ করা।
৬) তাদেরকে সবসময়
সুখে শান্তিতে রাখার
চেষ্টা করা।
৭) নিয়মিত তাদের সাথে সাক্ষাত ও
দেখাশোনা করা।
মৃত্যুর পর ৭ টি হক:
১) তাদের মাগফেরাত এর জন্য
দোয়া করা।
২) সওয়ার পৌঁছানো।
৩) তাদের সাথী সঙ্গী ও
আত্মীয় স্বজনদের সম্মান করা।
৪) সাথী-সঙ্গী ও আত্মীয়
স্বজনদের
সাহায্য করা।
৫) ঋণ পরিশোধ ও আমানত আদায় করা।
৬) শরীয়ত সম্মত ওসিয়ত পূর্ণ করা।
৭) সাধ্যমত তাদের কবর
জিয়ারত করা।
পরীক্ষার হলে দুই বান্ধবীর কথোপকথন—
১ম বান্ধবীঃ এই, ৭নং লিখছিস?
২য় বান্ধবীঃ নারে,
৭নং টা ভালো করে পারি না।
১ম বান্ধবীঃ ৮ নং লিখছিস?
২য় বান্ধবীঃ না, ঐটা দিবো না।
১ম বান্ধবীঃ ৯ নং পারিস?
২য় বান্ধবীঃ নারে।
১ম বান্ধবীঃ ১০ নং লিখছিস?
২য় বান্ধবীঃ লিখছি। তবে বানিয়ে-
বানিয়ে লিখছি !!
এবার রেজাল্টের সময় ঐ দুই বান্ধবীর
কথোপকথন—
১ম বান্ধবীঃ কত পাইছিস?
২য় বান্ধবীঃ ভালোনারে . . .
১ম বান্ধবীঃ আহা, বলনা?
২য় বান্ধবীঃ ৯৫।
১ম বান্ধবীঃ ৯৫ পাইছিস, তাও বলছিস
ভালো না !! কিন্তু তোরে তো ৪টা প্রশ্ন
জিগাইছিলাম, তুই পারিস না বলছিলি।
এখন
৯৫ পাইলি ক্যামনে ???
পরীক্ষার হলে দুই বন্ধুর কথোপকথন—
১ম বন্ধুঃ দোস্ত, ৭ নং লিখছিস?
২য় বন্ধুঃ হুম।
১ম বন্ধুঃ দেখা।
২য় বন্ধুঃ এই যে ধর, খাতা দিয়া দিলাম।
যত খুশি দেখ। কিন্তু সাবধানে !!
১ম বন্ধুঃ থ্যাংকস দোস্ত। পাশ করমু
তো?
২য় বন্ধুঃ শালা, আমি পাশ করলে তুইও
করবি। এখন লেখ।
এবার রেজাল্টের সময় ঐ দুই বন্ধুর
কথোপকথন—
১ম বন্ধুঃ দোস্ত, থ্যাংকস !! তোর
কারণে পাশ
করছি রে . . .
২য় বন্ধুঃ শালা, না খাওয়াইলে তোর খবর
আছে !! কত পাইছিস?
১ম বন্ধুঃ ৯০ !!
২য় বন্ধুঃ আরে শালা, তুই তো আমার
খাতা কপি করছিলি। তাইলে আমার
চেয়ে ৫ কম পাইলি ক্যান? বানান ভুল
করছিলি নাকি ???
এখন আপনারাই বলেন, কাদের বন্ধুত্ব
বেশি মজবুত? মেয়েদের নাকি ছেলেদের ?
লাইক দিয়ে কমেন্টে মতামত জানান