সাবেক ছাত্র পরিষদ সুলতানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • Home
  • Bangladesh
  • Feni
  • সাবেক ছাত্র পরিষদ সুলতানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

সাবেক ছাত্র পরিষদ সুলতানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় Sultan Pur Govt. Primary School, Feni Sadar, Feni We want to communicate with each other of our organization. This is a educational oranization .

we want to develop the value of education of Sultanpur Govt Primary school . we worked here to develop students educational quiality. For this we give prize some student ofter every 3 month so that they can inspired . We take some exam to develop their skill. we worked here with the teacher of this school.They are helpfull.our moto is we can change the world by our activities.

08/07/2022

সুলতানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঈদগাহ কমিটির ০৮/০৭/২০২২ ইং তারিখে ঈদগাহের সভাপতি জনাব ফারুক হোসেন সোহাগের সভাপতিত্বে সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১০/০৭/২০২২ ইং তারিখের পবিত্র ঈদুল আযহার নামাজ সকাল ৭.৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, ২০০০ ইং সালে প্রতিষ্ঠিত অত্র ঈদগাহের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কমিটি এবং কমিটির বাহিরে থেকে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন এবং ঈদগাহের সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলন, বর্তমানে যারা আমাদের মাঝে বেঁচে নেই। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের নিকট তাঁদের আত্মার শান্তি কামনা করে ঈদের পরদিন ১১/০৭/২০২২ ইং রোজ সোমবার বাদ এশা'র ঈদগাহ্ ময়দানে মিলাদ ও দোয়ার আয়োজন করা হবে।

উক্ত দোয়া অনুষ্ঠানে সাবেক ছাত্র পরিষদের সকল সদস্যদের উপস্থিত থেকে এলাকার মৃত মুরুব্বিদের আত্মার শান্তি কামনায় মিলাদ ও দোয়ায় শরিক হয়ে অনুষ্ঠানকে সুশৃংখলভাবে পরিচালনায় সহযোগিতা করা এবং সাফল্যমন্ডিত জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হলো।

14/06/2022
২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত  সাবেক ছাত্র পরিষদের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে স্কুলের শিক্ষক,  ছাত্রছাত্রী,  স্কুল কমিটি,  সাবেক ছাত...
06/06/2022

২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত সাবেক ছাত্র পরিষদের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে স্কুলের শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী, স্কুল কমিটি, সাবেক ছাত্র পরিষদের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিয়ে একটা জমজমাট অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে চাচ্ছি। পাশাপাশি, করোনা মহামারীতে কিছুটা ঝিমিয়ে পড়া সাবেক ছাত্র পরিষদের কার্যক্রমের গতি আরো তরান্বিত করতে চাচ্ছি।

এই বিষয়ে সকালের গুরুত্বপূর্ণ মতামত কামনা করছি।

https://www.bbc.com/bengali/news-55816169
01/04/2021

https://www.bbc.com/bengali/news-55816169

মুসলিম লীগের আন্দোলনের ফলে ১৯৪৭ সালে জন্ম হয়েছিল পাকিস্তানের। কিন্তু জন্মের পরপরই পূর্ব পাকিস্তানের রাজনীতি ম...

সুলতানপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাবেক ছাত্র পরিষদের সম্মানিত উপদেষ্টা "মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন" ভাই বাংলাদেশ বঙ্গবন...
21/12/2020

সুলতানপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাবেক ছাত্র পরিষদের সম্মানিত উপদেষ্টা "মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন" ভাই বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু তথ্য প্রযুক্তিলীগ'এর যুগ্ন আহ্বায়ক হিসেবে মনোনীত হওয়ায় সাবেক ছাত্র পরিষদের সদস্যদের পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ।

13/05/2020

(সুলতানপুরের সামাজিক ব্যবস্থায় ষড়যন্ত্র তত্ত্ব, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে ভবিষ্যত ভাবনা)
==================================
১। পৃথিবীতে ইহুদী জনসংখ্যা ০.০২%। তারা আজ ৯৯.৯৮% মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করছে।
প্রশ্ন জাগতে পারে কিভাবে ? বাকী মানুষদের কি নেতৃত্ব দানের বা নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা নেই?

মধ্যপ্রাচ্যের মোট আয়তন প্রায় ৯০ লক্ষ বর্গকিলোমিটার। আর জনসংখ্যা ৪১ কোটির কিছু বেশি। তার মধ্যে ইসরায়েলের দখলীকৃত ভূমি মাত্র ২২,১৪৫ বর্গকিলোমিটার। ইসরায়েলের জনসংখ্যা ৮৮ লক্ষের কিছু বেশি।

মধ্যপ্রাচ্যের মোট ১৬ টি দেশের অবস্থান। একমাত্র ইসরায়েল হচ্ছে ইহুদী রাষ্ট্র। যদিও দখলকৃত ভূমিতে রাষ্ট্র গঠন করার কারণে অধিকাংশ মুসলিম দেশই স্বাধীন ইসরায়েল রাষ্ট্রের সার্ভবৌমত্বকে স্বকৃতি দেয়নি। ইসরায়েল ছাড়া বাকি ১৫ টি দেশই মুসলিম দেশ এবং অর্থনৈতিকভাবে প্রায় সব দেশই শক্তিশালী ও প্রাকৃতিকভাবে সুদৃঢ় ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত।

তুলনামূলক ক্ষুদ্র আয়তনের দেশ ও জনসংখ্যা নিয়ে একমাত্র ইহুদি দেশ ইসরায়েল শুধুমাত্র মধ্যপ্রচ্যের ১৫ টি দেশের জন্য নয় পুরো বিশ্বের জন্য হুমকিতে পরিণত হয়েছে। যার প্রতিচ্ছবি আমরা নিয়মিত দেখি বিশ্ব মিডিয়াতে।

প্রতিনিয়ত ফিলিস্তিনি জনগনের আত্মচিৎকার দেখি টিভির পর্দায় দখলদার ইসরায়েলের নির্যাতনের জন্য। অথচ এত বিশাল আয়তন, জনসংখ্যা ও অর্থনৈতিক সুদৃঢ় ভিত্তি নিয়েও বাকীদেশগুলো ইসরায়েলের দিকে চোখ রাঙ্গিয়ে কোন কথা বলার সাহসতো পায়ইনা বরং উল্টো অনেক দেশের শাসকরা তাদের ক্ষমতার মসনদ টিকিয়ে রাখতে সকল মানবিকতার জলাঞ্জলি দিয়ে ইসরায়েলের তোষামোদিতে ব্যাস্ত থাকে।

ফিলিস্তিনি শিশুদের চিৎকার ওইসব মুসলিম দেশগুলোর চোখের পর্দার আড়ালে রাখতে বাধ্য হয়। এইসব অত্যাচার নির্যাতন কিন্তু ফিলিস্তিনের জনগনের উত্তরাধীকার সূত্রে পাওয়া।
কারণ তাদের পূর্ব পুরুষেরা এই নির্যাতনের বীজ বপন করে গিয়েছিল অনেকটা সরলতা ও দূর দৃষ্টির অভাবে । তারা ১৯৪৮ সালে ইসরায়েলের জন্মের আগে যাযাবর অভিশপ্ত ইহুদিদের অনেক খাতির যত্ন করে, অতি মানবিকতা দেখিয়ে, সামান্য কিছু লাভের লোভে, (কথিত আছে ইহুদিদের সুন্দরী মেয়েদের সাথে বিবাহের লোভে) পরবর্তী প্রজন্মের কথা না ভেবে স্বীকৃত ষড়যন্ত্রকারী, মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সঃ) এর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী এবং স্বয়ং রাসুলুল্লাহ (সঃ) এর অভিশাপ প্রাপ্ত জাতী ইহুদিদের আশ্রয় দিয়েছিলো।

আজ তাদের সেই ভুল তাদেরই উত্তরাধিকারীদের শুধু নয় বরং মধ্যপ্রাচ্য সহ সমগ্র মুসলিম জাহানকে চরম নির্যাতনের মাধ্যমে মূল্য দিতে হচ্ছে এবং আরো কতো যুগ দিতে হবে তার কোন ভবিষ্যত বাণী এখনো কোন রাষ্ট্র বিজ্ঞানিরা দিতে পারছেনা।

ইসরায়েল ও ইহুদীদের চরম বন্ধু পশ্চিমা দেশগুলোকে সাথে নিয়ে ফিলিস্তিনের নিরস্ত্র নিরীহ জনগোষ্ঠীর উপর অত্যাচারের ষ্টীমরোলার শুধু চলছেই না বরং দিন দিন নির্যাতনের মাত্রা, কৌশল ও দখলদারিত্বের পরিমাণ বেড়েই চলছে। যেখানে মধ্যপ্রাচ্যের বাকী ১৫ টি দেশ সহ বিশ্বের ৫৭ টি মুসলিম দেশগুলো প্রতিদিন নির্বাক চোখে তাকিয়ে অত্যাধুনিক মরণাস্ত্রের ঝনঝনানি ও চরম নির্যাতনের দৃশ্য দেখে। প্রতিরোধতো দূরের কথা অনেক মুসলিম দেশ তাদের মুসলমান ভাইবোন নারী শিশুদের নির্যাতনের প্রতিবাদও করতে পারেনা। কতটা অসহায় ও নির্বোধ এই মুসলিম জাতী আমরা।

২। গ্রাম্য সামাজিক বিচার কাঠামো বিশ্লেষণ করলে যুগে যুগে যে চিত্র পাওয়া যায় তা স্বাভাবিক ভাবে সমাজের নেতৃত্বে যারা থাকেন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপর বর্তায়। যেখানে বিচার প্রার্থী দুটি পক্ষই সমাজের কর্তাব্যাক্তিদের ও নির্বাচিত প্রতিনিধিদের উপর আস্থা রাখে। যদিও বিচার শেষে দুটি পক্ষের মধ্যে সবসময় হাসি ফুটে না। কারন কোন পক্ষের ত্রুটি বিচ্যূতির জন্য বিচারের রায় তার পক্ষে যাবে না এটা স্বাভাবিক। আবার যে বা যারা বিচারকের আসনে থাকেন তারাও মানুষ। তাঁদের ভুল ভ্রান্তির জন্য স্বভাবিক রায় অনেক সময় নাও আসতে পারে এটাকেও স্বাভাবিকভাবেই নিতে হয়। আবার সমাজের সালিসি বিচার ব্যবস্থা সব পক্ষকে যে মানতেই হবে তাও না যেভাবে আদালতের রায় চূড়ান্ত নিস্পত্তির পর সকলেই মানতে বাধ্য থাকেন।

৩। আমরা ফেনী পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের অর্ন্তগত সুলতানপুর গ্রামে বসবাস করি। গত দুই দিন যাবত সোশাল মিডিয়ায় এই গ্রামের একটি ঘটনা আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তাই আমার এই লেখনী। অনেকে এটাকে অনেকভাবে মূল্যায়ণ করতে পারেন এটা স্বাভাবিক। আমি শুধু আমার মত তুলে ধরার ও ভবিষ্যৎ চিন্তায় এই কয়েক লাইন সকলের সামনে তুলে ধরলাম।

ঘটনার বিবরণে যা জানতে পারলাম তা হল শিমুল আমিন নামে এক ব্যাক্তি চাঁদা না দেওয়ার জন্য নির্যাতিত হয়েছেন এবং আমাদের ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সহ কিছু মানুষের নাম উল্ল্যেখ করে ও আরো কিছু মানুষকে অজ্ঞাত রেখে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে এবং একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে উক্ত ব্যাক্তিবর্গের নামে বিচার চেয়ে ফেনীর মাননীয় এমপি মহোদয় ও ফেনীবাসির নিকট বিচার প্রার্থনা করেছে।

যদিও এমপি মহোদয় কে বিচার দেওয়ার আগেই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এটা হয়তোবা উক্ত বিচার প্রার্থী থানায় অভিযোগ দিয়ে বিচার পাবেন কিনা তা সন্দেহ করেছেন। তাই মাননীয় এমপি মহোদয়ের ও ফেনীবাসীর নিকট আবার ভিডিও বার্তার মাধ্যমে বিচার চেয়েছেন। অথবা এমপি মহোদয় ও ফেনী বাসির নিকট আস্থা নাই বিদায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

৪। কেউ কোনভাবে নির্যাতনের শীকার হলে তিনি সমাজে বা থানায় অভিযোগ দায়ের করতে পারেন এটা খুবই স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু উক্ত বিষয়ে তার বিচার প্রার্থনার চাইতে অন্যকোন মতলবের বা ষড়যন্ত্রের বিষয় থাকলে অথবা তাকে ব্যবহার করে অন্য কেউ কোন অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থের চেষ্টা করলে সেক্ষেত্রে বিষয়টা নিয়ে সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে বা ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়ে অন্য কেউ পরিস্থিতির স্বীকার হতে পারে যা করো জন্য মঙ্গলজনক নয়।

৫। বর্তমান ডিজিটাল যুগে প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে মানুষের প্রতিবাদের ক্ষেত্র অনেক প্রসারিত হয়েছে তেমনি প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে নানা অনিয়ম, গুজব ছড়ানো, কারো জন্য হানিকর বক্তব্য খুব সহজেই করতে পারে।
শিমুল আমিনের ভিডিও বার্তা, ফেইসবুক পোষ্টে কি সেই রকম কিছু ছিলো তা সামনে আসাটা জরুরি। তার ভিডিও বার্তায় আমরা শুনি তাকে ২ এপ্রিল চাঁদার জন্য বলা হয়েছে এবং চাঁদা না দেওয়াতে ৮ এপ্রিল তাকে রাতে তারাবির নামাজের পরে ডেকে এনে নির্যাতন করেছিলো। প্রশ্ন হলো ৮ এপ্রিল কিসের তারাবির নামাজ ছিলো। ৮ এপ্রিল যদি রমজানের তারাবির নামাজ পড়তো এতো দিনে রোযা ও ঈদ ও শেষ হয়ে যেতো।

আমরা ভিডিওতে যেটা দেখি তাকে মাঝেমধ্যে কেউ শিখিয়ে দিচ্ছে। তার পরেও তার ওই ভুল ভাল তারিখ বলা, কেউ শিখিয়ে দেওয়া এটা তার যে বিচার প্রার্থনা, সেটার যে সরল উদ্দেশ্য ছিলোনা এবং কোন ষড়যন্ত্রের বীজ বোপিত ছিলো তাহা বলার অপেক্ষা রাখেনা।
এখানে কিছুটা স্পষ্ট যে শিমুল আমিন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলো অথবা ষড়যন্ত্রের সহযোগী ছিলো এটা পরবর্তীতে আরো স্পষ্ট হলো তার ভিডিও বার্তায় ও থানায় অভিযোগ সম্পর্কিত যেসব পোস্ট নির্দিষ্ট কিছু ফেইসবুক আইডি থেকে দেওয়া হয়েছে সেগুলোর কমেন্ট বিশ্লেষণের মাধ্যমে।
যে সকল কমেন্টে কাউন্সিলরের পক্ষে দেওয়া হয় সেই সকল কমেন্ট ওই পোস্টকারী ডিলিট করে দেয়। শুধু যে সকল কমেন্ট কাউন্সিলরের বিপক্ষে যায় সেগুলো রেখে দেয়। কাউন্সিলরের পক্ষে পড়া ডিলিট করে দেওয়া কমেন্টের স্কিনশট রেখে আমাকে একজন পাঠিয়ে ঘটনার বিস্তারিত অবগত করেছে।
আরো উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো যারা কাউন্সিলরের পক্ষে কমেন্ট দিয়েছে তাদের অনেককেই ওই সকল কমেন্ট কেন দিচ্ছে তা জানতে চেয়ে এবং কাউন্সিলরের বিপক্ষে কমেন্ট করতে প্রলুব্ধ করে।

এই সকল ঘটনা থেকে স্পষ্ট যে, শিমুল আমিন ইচ্ছা করে অথবা কারো প্রলোভনে ক্ষোভ বা লোভের বশবর্তী হয়ে কাউন্সিলরসহ আরো কিছু ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে বা কোন গ্রুপের সাথে ষড়যন্ত্রের সহযোগী হয়েছে অথবা শিমুল আমিনের উপর ভর করে কেউ ফয়েদা লুটার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।

৬। এইবার আমি আমার ১ নং প্যারায় উল্লেখিত ইহুদী ষড়যন্ত্র তত্ত্বের যবনিকায় আসতে চাই। শিমুল আমিনকে আমি আগে চিনতাম না। খোঁজ নিয়ে জানলাম কয়েক বছর ধরে এখানে বাস করে আসছে। জায়গা জমির মাপামাপি সহ নানান ধরনের দালালি করে জীবিকা নির্বাহ করে। এই ধরনের লোকজন স্বভাবতই কিছুটা দূরন্ধর প্রকৃতির থাকে।
অনেকটা যাযাবর শ্রেণীর এই সকল লোকজনকে স্থানীয় কিছু লোকজন তাদের সামান্য ও সাময়িক স্বার্থে ব্যবহার করে। স্থানীয় কিছু মানুষের সমর্থনে এরা আরো ব্যাপক উগ্র হয়ে উঠে নানাবিধ অনৈতিক কাজে লিপ্ত হয়ে সামাজিক কাঠামোতে যে বিশৃঙ্খলার সৃস্টি করে তা বংশ পরমপরায় বসবাস করে আসা স্থানীয়দের মাধ্যমে করা সম্ভব নয় বললেই চলে।

কারণ স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যে ষড়যন্ত্রকারী ও
বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী থাকলেও তাদের দ্ধারা নিজ এলাকার সমাজে বড় ধরনের বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করতে কিছুটা হলেও ইতস্তবোধ হয়। যদিও তারা আড়ালে থেকে যাযাবর শ্রেণীর লোকজনদের উস্কানিদাতা হিসাবে লিপ্ত থাকে।

এই শ্রেনীর লোকজনদের সমর্থন ও উস্কানিতে সমাজের বহিরাগত যাযাবর শ্রেণীর লোকেরা যে বিশৃঙ্খলার জন্ম দেয় তার ফলে সমাজের যে ক্ষরণ সৃস্টি হয় তাতে উস্কানিদাতারা সাময়িক সুবিধা নিয়ে থাকলেও মহাক্ষরণের ফল সমাজের সকল মানুষের সাথে একপর্যায়ে উস্কানিদাতা বা তার উত্তরাধিকারীরাও প্রজন্মের পর প্রজন্ম ভোগ করতে হয়। যাহা ফিলিস্তিনের বর্তমান প্রজন্ম হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে।
রোহিঙ্গাদের ও বাংলাদেশের মানুষ সাদরে গ্রহন করেছিলো মুসলিম ভ্রাতৃপ্রেমী হিসেবে। আজ সেই রোহিঙ্গারা আমাদের জন্য গলার কাটা হয়ে আছে।

এখন ভাবতে হবে আমাদের, আমরা কি ক্ষুদ্র ইহুদী দের মতো যাযাবর গোষ্ঠীর কাছে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বিলিয়ে দিয়ে ফিলিস্তিনের মতো শোষিত হতে থাকবো নাকি একটি মর্যাদাশীল সমাজের সদস্য হয়ে মাথা উঁচু করে সামনে এগিয়ে যাবো।

আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের কথা চিন্তা করে বসে থাকলে চলবে না। শুধু প্রতিবাদ নয় তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলার কোন বিকল্প নেই আর। যাযাবর ও তাদের স্থানীয় সহযোগীদের সঠিক পথে আনতে না পারলে সমাজে যে কোন সময় ঘোর অন্ধকার নেমে আসতে পারে।

বিশ্বের প্রায় সবকটি দেশের সচেতন জনতা আজ বাঙ্কারে লুকিয়ে, গৃহবন্দি। চারিদিকে পিনপতন নিস্তব্ধতা।বেশী সাহসী বা বলদামিতে একট...
13/04/2020

বিশ্বের প্রায় সবকটি দেশের সচেতন জনতা আজ বাঙ্কারে লুকিয়ে, গৃহবন্দি। চারিদিকে পিনপতন নিস্তব্ধতা।

বেশী সাহসী বা বলদামিতে একটু বিলম্ব হলেই শুধু আপনিই না, আপনার-আমার পরিবার, আমাদের পরিবারের বয়ো বৃদ্ধরা তার মাশুল দিবে জীবন দিয়ে।।

দাঁতে দাঁত চেপে বাঙ্কারে লুকিয়ে থাকুন, শুধু ১ বেলা খেয়ে হলেও ঘরে থাকুন, সামাজিকতা এড়িয়ে নিজেকে প্যাকেটে মোড়ান, ইটালিতে ১ম মৃত্যু হয় ২২ শে ফেব্রুয়ারি!! আর আজ??

আর যারা বলে “জীবাণু হল সৃষ্টিকর্তার গজব, আমাদের কিছুই হবে না, করোনা এদেশে চলবে না” বলে বেড়াচ্ছে, সেই কাঠবলদ-দেরকে এড়িয়ে চলুন। তারা ঠিকই পকেটে এন্টাসিড নিয়ে ঘোরে, সামান্য জ্বরেও মুড়ির মতো এন্টিবায়োটিক খায়। বাঁচতে চাইলে তাদেরকে রশি দিয়ে বেঁধে হলেও ঘর বন্ধ রাখুন।

মানবজাতি আজ আতংকিত, হতভম্ব, তবে পরাজিত নয়। সবাই পাখির চোখে তাকিয়ে আছে কখন কোন গবেষকদের দল 'ইউরেকা' বলে চেঁচিয়ে উঠে বাঁচিয়ে দিবে মানবসভ্যতা। আমি নিশ্চিত তারা সফল হবে, যেমনটি এর আগেও হয়েছিল ।

যুদ্ধটা একজন-আরেকজনের পাশে দাঁড়িয়ে, কাঁধে-কাঁধ লাগিয়ে না, বরং সবার থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে বাকি সবাইকে বাঁচানোর লড়াই, নিরাপদে রাখার লড়াই।

এখনো যথেষ্ট সুযোগ আছে সময়ের মূল্য দেওয়ার। আরো সচেতন হওয়ার। নিজেকে, নিজের পরিবারকে, সমাজকে ও দেশকে নিরাপদ রাখার।

Address

Feni

Telephone

+8801721177994

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সাবেক ছাত্র পরিষদ সুলতানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to সাবেক ছাত্র পরিষদ সুলতানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়:

Shortcuts

Share