ছোবহানিয়া প্রাক্তন ছাত্র পরিষদ
ঐতিহ্যবাহী চরকালিদাস ছোবহানিয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা'র সাবেক সকল ছাত্রের প্লাটফর্ম।
যুক্ত হোন আর লিখুন এই মাদ্রাসায় থাকাকালীন আপনার সকল স্মৃতি।
04/02/2025
★আজকের হাদীস★
"জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ রা. থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
رَحِمَ اللَّهُ رَجُلاً سَمْحًا إِذَا بَاعَ ، وَإِذَا اشْتَرَى ، وَإِذَا اقْتَضَى
যে ব্যক্তি ক্রয়-বিক্রয় ও পাওনা তাগাদায় নম্র ব্যবহার করে, আল্লাহ তার ওপর রহম করুন।
সহীহ বুখারী,
হাদীস ২০৭৬
04/02/2025
★শিশুদের-রোযার-অনুশীলন★
শৈশব থেকেই শুরু হোক রোযার অনুশীলন
আপনার শিশুকে রোযায় অভ্যস্ত করার দায়িত্ব আপনারই!
"আপনি কি একজন সন্তানের পিতা কিংবা মাতা? আপনার সন্তান কি শৈশবের দূরন্ত সময় পার করছে? কিংবা আপনি কি একজন শিশুর অভিভাবক? তাহলে এই পোস্টটি আপনারই জন্য!
আল্লাহর ইচ্ছায় আপনিই পারেন আপনার অধীনস্থ শিশুটির মাঝে রোযা রাখার আমলটি জারি করে দিতে। আপনার আদর, স্নেহ, ভালোবাসা ও অনুপ্রেরণায় আপনার ছোট্ট শিশুটি যখন রোযা রাখবে। এর সওয়াবের অংশ কিন্তু আপনিও পাবেন।
অপর পক্ষে, পড়াশোনা-পরীক্ষা শরীর দুর্বল হওয়া ইত্যাদি অযুহাতে যদি আপনি আপনার সন্তানকে রোযা থেকে বিমুখ রাখেন। আল্লাহ না করুন সে যদি রোযাতে আর অভ্যস্ত না হতে পারে, এর দায়ভার কিন্তু বড়দের এড়ানোর সুযোগ নাই। হঠাৎ করে পুরো ১ মাস রোযা রাখা একটু কষ্টকর। এজন্য রোযা ফরজ হওয়ার আগে থেকেই প্রতি বছর কিছু কিছু করে রোযা রেখে প্র্যাক্টিস করা উচিত।
তাই ৫-৬ বছর বয়সী শিশুদেরকে কয়েক ঘন্টা করে রোযা রাখার অনুশীলন করা যেতে পারে। এমন না বলাই সম্ভবত ভাল যে, যতবার খাবার খাওয়া হবে ততটি রোযা হবে। বরং তাকে ছোট ছোট টার্গেট দেয়া যেতে পারে। বয়স অনুযায়ী ২ ঘন্টা বা ৩ ঘন্টার রোযা রাখা। যেন সত্যিকার রোযা রাখার অনুশীলন হয়। বয়সের সাথে সাথে অর্ধেক দিন, পূর্ণ দিন, ১টি ২টি করে আস্তে আস্তে রোযা ফরজ হওয়ার আগেই ৩০টি রোযা রাখার পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা। রমযান আসার আগেই আপনার সন্তানের সাথে বসে রোযা রাখার পরিকল্পনা করুন। রোযার ফজিলত বর্ণনা করুন। রোযা রাখলে এজন্য তাকে উৎসাহ দিতে কিছু উপহার দিতে পারেন। পছন্দের খাবার রান্না করা যেতে পারে। মোট কথা আপনার বাচ্চার জন্য যেভাবে ভাল হয় সেভাবে তাকে রোযা রাখতে উদ্বুদ্ধ করুন।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক ভাবে রোযা রাখার তাওফিক দান করুন। আমীন।
03/02/2025
★আজকের হাদীস★
"আবূ হুরায়রা রা. সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
اجْتَنِبُوا السَّبْعَ الْمُوبِقَاتِ قَالُوا : يَا رَسُولَ اللهِ وَمَا هُنَّ قَالَ الشِّرْكُ بِاللَّهِ وَالسِّحْرُ وَقَتْلُ النَّفْسِ الَّتِي حَرَّمَ اللَّهُ إِلاَّ بِالْحَقِّ وَأَكْلُ الرِّبَا وَأَكْلُ مَالِ الْيَتِيمِ وَالتَّوَلِّي يَوْمَ الزَّحْفِ وَقَذْفُ الْمُحْصَنَاتِ الْمُؤْمِنَاتِ الْغَافِلاَتِ.
সাতটি ধ্বংসকারী বিষয় থেকে তোমরা বিরত থাকবে। সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! সেগুলো কী? তিনি বললেন, (১) আল্লাহ্র সঙ্গে শরীক করা (২) যাদু (৩) আল্লাহ তা‘আলা যাকে হত্যা করা হারাম করেছেন, শরীয়ত সম্মত কারণ ব্যতিরেকে তাকে হত্যা করা (৪) সুদ খাওয়া (৫) ইয়াতীমের মাল গ্রাস করা (৬) রণক্ষেত্র থেকে পালিয়ে যাওয়া এবং (৭) সরল স্বভাব সতী-সাধ্বী মু’মিন নারীদের অপবাদ দেয়া।
রেফারেন্সঃ
সহীহ বুখারী
হাদীস ২৭৬৬
03/02/2025
এই শীতে আপনি সাদাকা করছেন তো?
আপনার ছোট্ট একটি দান হতে পারে দুস্থদের জন্য অনেক বড় পাওয়া
"সাদাকাহ এমন একটি আমল যা নফল ইবাদত হওয়ার পরও এর গুরুত্ব অনেক। সাদাকার মাধ্যমে গোনাহ মাফ হয়, রিযিক বৃদ্ধি হয়, বিপদ ও রোগ মুক্তি হয় এছাড়াও রয়েছে আখিরাতে উত্তম প্রতিদান।
সাদাকাহ'র কিছু সুন্দর টিপস:
====================
১। বাসার বারান্দায় একটি বাটিতে পানি রেখে দিন, পাখিদের জন্য। এটিও একধরণের সাদাকা।
২। তীব্র শীতে কষ্ট দেয়া মানুষদের জন্য কম্বল, শাল-চাদর কিনে দিতে পারেন।
৩। ছোট ছোট বাচ্চা যারা স্কুল-মাদ্রাসায় পড়ে, তাদের দিতে পারেন হুডি।
৪। সন্তানদের উত্তম শিক্ষা দিন, যাতে তারা ছোট থেকেই দান-সাদাকা গুরুত্ব বুঝতে পারে।
৫। অন্যদের সাদাকা করতে উৎসাহিত করুন।
৬। বৃক্ষরোপন করুন। এর অক্সিজেন, পাতা, ফুল, ফল মানুষ ও পশু-পাখির জন্য কল্যানকর।
৭। দেখা হলে অপর ভাইয়ের সাথে হাসিমুখে কথা বলা সহ যে কোনো ভাল কাজই সাদাকা।
03/02/2025
★আজকের হাদীস★
"‘উমর ইবনু আবূ সালামা রা. থেকে বর্ণিত,
كُنْتُ غُلاَمًا فِي حَجْرِ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَكَانَتْ يَدِي تَطِيشُ فِي الصَّحْفَةِ فَقَال لِي رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَا غُلاَمُ سَمِّ اللَّهَ وَكُلْ بِيَمِينِكَ وَكُلْ مِمَّا يَلِيكَ فَمَا زَالَتْ تِلْكَ طِعْمَتِي بَعْدُ.
আমি ছোট ছেলে হিসেবে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর তত্ত্বাবধানে ছিলাম। খাবার বাসনে আমার হাত ছুটাছুটি করত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন : হে বৎস! বিসমিল্লাহ বলে ডান হাতে আহার কর এবং তোমার কাছের থেকে খাও। এরপর থেকে আমি সব সময় এ পদ্ধতিতেই খাদ্য গ্রহণ করতাম। (অর্থাৎ যার যার কাছের থেকে আহার করা।)
রেফারেন্সঃ
সহীহ বুখারী
হাদীস ৫৩৭৬
02/02/2025
*শীতকালে'র অজু*
জেনে নিন শীতের কষ্ট উপেক্ষা করে ওজুর ফজিলত
শীতকালে হাতের কনুই ও পায়ের গোড়ালী সতর্কতার সাথে ধৌত করি
"শীতকালে গরম পানির ব্যবস্থা না থাকলে ওজু করা একটু কষ্টকর। যারা গ্রামে থাকেন, যেখানে শীতের তীব্রতা বেশি। সেখানে শীতকালে ওজু করা আরো বেশি কষ্টের। এই কষ্টের সময়েও যারা আমরা কষ্ট উপেক্ষা করে পরিপূর্ণ রূপে ওজু করে থাকেন, তাদের জন্য কী পুরস্কার আছে জানতে চান? চলুন একটি হাদীস পড়ে নেয়া যাক।
আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ) থেকে বর্ণিত: রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ আমি কি তোমাদের এমন কাজ জানাবো না, যা করলে আল্লাহ (বান্দার) পাপরাশি দূর করে দেন এবং মর্যাদা বৃদ্ধি করেন? লোকেরা বলল, হে আল্লাহর রসূল! আপনি বলুন। তিনি বললেনঃ অসুবিধা ও কষ্ট সত্ত্বেও পরিপূর্ণরূপে ওযূ করা, মাসজিদে আসার জন্যে বেশি পদচারণা করা এবং এক সালাতের পর আর এক সালাতের জন্যে প্রতীক্ষা করা; আর এ কাজগুলোই হল সীমান্ত প্রহরা।
(সহীহ মুসলিম, তাহারাত অধ্যায়। হাদীস নং ৪৭৫)
এর থেকে বুঝা যায় শীত বা অন্য যে কোনো কষ্টের সময়েও যদি আমরা উত্তম রূপে ওজু করে সালাত আদায় করি। এর মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা আমাদের পাপরাশি দূর করে দিবেন এবং মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন। সুবহানাল্লাহ!
শীতকালে ওজু সম্পর্কে একটি বিষয়ে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করা জরুরি মনে করছি। তা হলো: শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে শীতকালে আমাদের ত্বকও শুষ্ক হয়ে থাকে। ফলে সতর্ক ভাবে প্রতিটি অঙ্গে পানি পৌঁছানো না হলে আশংকা থেকে যায় ওজুর কিছু স্থান শুকনা থাকার। বিশেষ করে হাতের কনুই ও পায়ের গোড়ালির শক্ত চামড়ায় সহজে পানি পৌঁছে না। অন্য ঋতুতে যেভাবে হাত ধোয়া হয় শুধু সেভাবে ধুলে শীতকালে দেখা যায় কনুইয়ের কিছু অংশ শুকনা থেকে গেছে। তাই এ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে আমলে নিই।
আল্লাহ আমাদেরকে শীত-গ্রীষ্ম সকল ঋতুতে অল্প পানি দিয়ে উত্তম ভাবে ওজু করার তাওফিক দান করুন। আমীন।"
02/02/2025
রিযিক বৃদ্ধির কিছু পরীক্ষিত আমল
আল কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে
"আমরা কে না চাই যে, আমাদের রিযিক বৃদ্ধি পাক? হালাল রিযিক ও অভাব-ঋণগ্রস্ত অবস্থা থেকে রক্ষা চেয়ে রাসূল (সা) নিয়মিত দুআ করতেন। বিশেষ করে ঋণের থেকে হেফাজতে থাকার জন্য রাসূল (সা) আল্লাহর কাছে দুআ করতেন। তিনি ঋণগ্রস্ত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করা ব্যক্তির জানাজার সালাত পড়াতেন না।
আজকে আমরা কুরআন ও সুন্নাহের আলোকে হালাল রিযিক বৃদ্ধির দুইটি আমল সম্পর্কে জানব।
॥॥ তাকওয়া অবলম্বন করা ॥॥
আল্লাহর ভয় তথা তাকওয়া অবলম্বন করা। তাঁর আদেশগুলো পালন ও নিষেধ করা বিষয়গুলো বর্জন করা। রিযিকের জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানোর পাশাপাশি, ফলাফলের জন্য আল্লাহর ওপর ভরসা করা এবং আল্লাহ তায়ালার সিদ্ধান্ত বা অনুগ্রহে সন্তুষ্ট থাকা। তাওয়াক্কুল করা এবং রিজিক অন্বেষণে তাঁর সাহায্য প্রার্থনা করা। কারণ, যে আল্লাহর ওপর ভরসা করে তিনিই তার জন্য যথেষ্ট হয়ে যান। আল্লাহ তা‘আলা বলেনঃ
- فَإِذَا بَلَغْنَ أَجَلَهُنَّ فَأَمْسِكُوهُنَّ بِمَعْرُوفٍ أَوْ فَارِقُوهُنَّ بِمَعْرُوفٍ وَأَشْهِدُوا ذَوَىْ عَدْلٍ مِّنكُمْ وَأَقِيمُوا الشَّهٰدَةَ لِلَّهِ ۚ ذٰلِكُمْ يُوعَظُ بِهِۦ مَن كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْءَاخِرِ ۚ وَمَن يَتَّقِ اللَّهَ يَجْعَل لَّهُۥ مَخْرَجًا
وَيَرْزُقْهُ مِنْ حَيْثُ لَا يَحْتَسِبُ ۚ وَمَن يَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ فَهُوَ حَسْبُهُۥٓ ۚ إِنَّ اللَّهَ بٰلِغُ أَمْرِهِۦ ۚ قَدْ جَعَلَ اللَّهُ لِكُلِّ شَىْءٍ قَدْرًا
“আর যে আল্লাহকে ভয় করে, তিনি তার জন্য উত্তরণের পথ তৈরী করে দেন। এবং তিনি তাকে এমন উৎস থেকে রিযক দিবেন যা সে কল্পনাও করতে পারবে না। আর যে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে আল্লাহ তার জন্য যথেষ্ট। আল্লাহ তাঁর উদ্দেশ্য পূর্ণ করবেনই। নিশ্চয় আল্লাহ প্রত্যেক জিনিসের জন্য একটি সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন।”
(সূরা আত-তালাক, আয়াতঃ ২-৩)
॥॥ আত্মীয়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখা ॥॥
আত্মীয়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং তাদের হক আদায়ের মাধ্যমেও রিযিক বাড়ে।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ
\"যে লোক তার জীবিকা প্রশস্ত করতে এবং আয়ু বৃদ্ধি করতে চায়, সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করে।\"
(বুখারী ৫৯৮৫)
অর্থাৎ আমরা যদি আমাদের আত্মীয়ের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখি, তাদের হক্ব আদায় করি, তাদের জন্য সাধ্য মত খরচ করি, তাদের মধ্যে অভাবীদেরকে সহযোগিতা করি। তাহলে আমাদের হায়াত ও রিযিকে আল্লাহ বরকত দিবেন ইনশাআল্লাহ।
রাসূল (সা) এর সহীহ হাদীস থেকে পাওয়া যায় সাদাকা বা দানের মাধ্যমে সম্পদ বৃদ্ধি পায়। একটু পরীক্ষা করেই দেখুন না! আপনার কোনো অভাবী আত্মীয়দের জন্য, অভাবী বা কষ্টে থাকা বন্ধুদের জন্য সাধ্য মত খরচ করুন। দেখবেন আল্লাহ অকল্পনীয় উৎস থেকে আপনার রিযিকের ব্যবস্থা করে দিবেন। এটা বান্দার সাথে আল্লাহর ওয়াদা!
আল্লাহ আমাদের সকলের অভাব দূর করে দিন। প্রত্যেকের ক্যারিয়ারকে সফল করুন। রিযিক বৃদ্ধি করে দিন। আমীন।"
সংগ্রহে: মহিউদ্দিন রিয়াদ
বাংলাদেশের আকাশে আজ (৩০ জানুয়ারি ২০২৫) পবিত্র শাবান মাসের চাঁদ দেখা যায় নি। আগামীকাল ৩১ জানুয়ারি রজব মাসের ৩০তম দিন পূর্ণ হবে। ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ থেকে পবিত্র শাবান মাস গণনা শুরু হবে। ১৪ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার দিবাগত রাতে পালিত হবে লাইলাতুন নিসফ মিন শাবান বা মধ্য শাবানের রাত (শবে বরাত)। রমাদান মাস শুরুর সম্ভাবনা ২ মার্চ ২০২৫ রবিবার।
এ মাসের আইয়ামে বীজের তিনটি সিয়াম রাখতে হবে যথাক্রমে ১৩, ১৪ ও ১৫ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার)। নবীজি (সা) সব সময়ই চান্দ্র মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ সিয়াম পালন করতেন। মাসের যে কোনো ৩ দিন সিয়াম পালন করা সারা মাস সিয়াম রাখার সমতূল্য। কারণ প্রতিটি ভাল কাজের সওয়াব ১০ গুণ পর্যন্ত আল্লাহ তায়ালা বৃদ্ধি করে দেন। তাই আসুন আমরা রামাদানের প্রস্তুতির অংশ হিসাবে অন্তত এই তিনটি সিয়াম পালন করি।
***আইয়ামে-বীজ-রোজার-ফজিলত***
নবীজি (সা) শাবান মাসে এত বেশি সিয়াম পালন করতেন যে মনে হত; তিনি যেন সারা মাসই সিয়াম পালন করছেন। অর্থাৎ অনেক বেশি নফল সিয়াম রাখতেন। তাই আমাদের উচিত নিজেদের এবং পরিবারের অন্যান্য সবাইকে নিয়ে সাধ্য মত বেশি বেশি সিয়াম পালন করা। এটা ইনশাআল্লাহ রামাদানে আমাদেরকে আরও বেশি মুত্তাক্বী হওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে তাওফিক দান করুন।
এই মাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাত হচ্ছে লাইলাতুন নিসফ মিন শাবান বা শাবান মাসের মধ্য রজনী। যা আমাদের সমাজে শবে বরাত নামে প্রচলিত। শবে বরাতে হিংসা-বিদ্বেষ পোষণকারী এবং শিরককারী ব্যতীত সবাইকে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন। এ রাতের এই বিশেষ ফজিলতটি হাসিল করার জন্য আমাদের মনকে বিদ্বেষমুক্ত এবং শিরকমুক্ত করতে হবে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হিংসা ও শিরকমুক্ত হয়ে লাইলাতুন নিসফ মিন শাবানের ফজিলত হাসিল করার তাওফিক দান করুন।
অন্যান্য বিশেষ দিবস বা রজনীর মত এ রাতকে কেন্দ্র করে অনেক ভুল ধারণা এবং বিদআত সমাজে প্রচলিত আছে। এই রাতের ফজিলত, সুন্নাহ সমর্থিত আমল এবং বর্জনীয় বিদআতগুলো সম্পর্কে আমাদেরকে জানতে হবে।
আল্লাহ আমাদেরকে প্রচলিত ভুলভ্রান্তি থেকে মুক্ত থেকে, সুন্নাতের উপর আমল করার তাওফিক দান করুন। আমীন।
টাকা কামাই, টাকা পাঠাই
টাকার করি চাষ
থাকুক ভালো পরিবার আমার
সুখে করুক বাস।
দিন বুঝিনা, রাত বুঝিনা
কাজের পিছে ছুটি
যতক্ষণ না মৃত্যু এসে
ধরে আমার টুটি।
প্রিয় মানুষ, প্রিয় গ্রাম
ছেড়ে প্রিয় শহর,
প্রবাস নামের জেলখানায় দেই
সকল সুখের কবর।
১৬/০১/২০২৫
রিয়াদ,সৌদিআরব
আর যারা ঈমান আনে, সৎকর্ম করে, সালাত কায়েম করে ও যাকাত দেয়, তাদের জন্য তাদের প্রতিপালকের কাছে রয়েছে প্রতিদান। তাদের কোনো ভয় থাকবে না এবং তারা কোনো দুঃখও পাবে না।
আল-কুরআন
সূরা বাকারা
আয়াত: ২৭৭
07/11/2021
ঐতিহ্যবাহী চরকালীদাস ছোবহানীয়া ইসলামীয়া আলিম মাদরাসা এর প্রাক্তন অধ্যক্ষ জনাব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ ইমতিয়াজ সাহেবের পদোন্নতি জনিত বিদায় উপলক্ষে আগামী ১০-১১-২০২১ ইংরেজি রোজ বুধবার মাদরাসার হল রুমে এক বিশেষ বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হবে, উক্তি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন ১৩ নং ফরহাদ নগর ইউনিয়ন পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান ও অত্র মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি জনাব মোশারফ হোসেন টিপু সাহেব সহ ফেনী জেলার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গগন। উক্ত অনুষ্ঠানে @চরকালিদাস ছোবহানিয়া ইসলামিয়া আলিম মাদরাসার সকল সাবেক ও বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে।
পোষ্টটি লাইক, কমেন্ট, মেনশন, শেয়ারের মাধ্যমে মাদরাসার সাবেক ও বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে প্রচার করার জন্য অনুরোধ রইলো।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
3901