আজব কিছু শব্দ!
শব্দগুলো “ing” যুক্ত adjective:
Amusing (মজার), Alarming (ভীতিকর), Annoying (ঝামেলাপূর্ণ), Astonishing (চমকপ্রদ), Boring (ক্লান্তিকর), Captivating (মুগ্ধকর), Challenging (চ্যালেঞ্জিং), Charming (আকর্ষণীয়), Comforting (সান্ত্বনাদায়ক), Confusing (বিভ্রান্তিকর), Convincing (বিশ্বাসযোগ্য), Depressing (বিষণ্ণকর), Discouraging (মনোবল ভাঙানো), Disgusting (ঘৃণ্য), Distressing (কষ্টদায়ক), Disturbing (বিরক্তিকর), Embarrassing (লজ্জাজনক), Encouraging (উৎসাহব্যঞ্জক), Entertaining (বিনোদনমূলক), Exciting (উত্তেজনাপূর্ণ), Exhausting (ক্লান্তিকর), Fascinating (মনোহর), Frightening (ভীতিকর), Frustrating (হতাশাজনক), Fulfilling (তৃপ্তিদায়ক), Gratifying (সন্তোষজনক), Inspiring (অনুপ্রেরণাদায়ক), Insulting (অপমানজনক), Interesting (মজার), Overwhelming (চাপময়/বিপুল), Perplexing (জটিল/বিভ্রান্তিকর), Pleasing (পসন্দসই), Relaxing (আরামদায়ক), Relieving (উদ্বেগহীনকর), Satisfying (সন্তোষজনক), Shocking (বিস্ময়কর), Sickening (বিমারজনক/বিরক্তিকর), Soothing (প্রশান্তিদায়ক), Surprising (অবাককর), Tempting (লোভনীয়), Terrifying (ভীতিকর), Threatening (হুমকিস্বরূপ), Thrilling (রোমাঞ্চকর), Tiring (ক্লান্তিকর), Touching (হৃদয়স্পর্শী), Troubling (ঝামেলাপূর্ণ), Unsettling (অস্বস্তিকর), Worrying (উদ্বেগজনক)
শব্দগুলো সম্পর্কের না জানলে বা মুখস্থ না থাকলে কি ধরনের সমস্যায় পড়বে দেখে নাও:
সমস্যাঃ ০১
It is amusing. এটি কোন Tense?
হয়তো ভুল করে Present Continuous বলে ফেলবে | কিন্তু না এটি Present Indefinite Tense |
কৌশল:
Be verb (am/is/are) + উক্ত শব্দ = Present Indefinite Tense
Be verb (was/were) + উক্ত শব্দ = Past Indefinite Tense
সমস্যাঃ ০২
The news is alarming.
এখানে “alarming” শব্দটি কি?
a) Adjective b) Verb
অনেকে হয়তোবা এটিকে “Main verb”/verb ভেবে থাকবে, যার সাথে “ing” হয়েছে — কিন্তু না, শব্দটি ing যুক্ত Adjective | (উপরে শব্দটিকে পেয়ে যাবে)
সমস্যাঃ ০৩
Your presence is really annoying.
এখানে “annoying” শব্দটি কি?
a) Gerund b) Participle
আমি জানিনা এটার উত্তর তুমি কি দিতে?
তবে সঠিক উত্তর: Participle
কারণ verb-এর সঙ্গে “ing” যুক্ত শব্দটি adjective এর মত কাজ করলে তা participle হয় |
আর annoying শব্দটি adjective, তা তো উপর থেকে দেখে নিয়েছো
কৌশল:
Be verb (am, is, are, was, were) + adjective/participle
Study Point
.”ওঠো, জাগো, নিজে জেগে অপরকে জাগাও।“
18/05/2025
বৃষ্টি মানেই শুধু ঠান্ডা হাওয়া আর ভেজা মাটি নয় এতে লুকিয়ে আছে এক বিস্ময়কর গন্ধ, যেটা আমাদের মন ছুঁয়ে যায়।বৃষ্টির পর মাটির যেই চেনা গন্ধটা নাকে আসে, তার নাম পেট্রিকর (Petrichor)।এই গন্ধটা আসে একধরনের ব্যাকটেরিয়া থেকে, যার নাম অ্যাক্টিনোমাইসেটিস (Actinomycetes)।
এই ব্যাকটেরিয়া শুষ্ক মাটিতে বসবাস থাকে।বৃষ্টি পড়লেই মাটি ভিজে যায়, আর তখনই ব্যাকটেরিয়াগুলো জিওসমিন (Geosmin) নামক এক রাসায়নিক নিঃসরণ করে।জিওসমিনই সেই পরিচিত গন্ধের জন্য দায়ী, যেটাকে আমরা “বৃষ্টির গন্ধ” বলি।
মানুষের ঘ্রাণেন্দ্রিয় এই জিওসমিনের প্রতি খুবই সংবেদনশীল অল্প পরিমাণেই আমরা সেটা টের পাই।এই গন্ধ শুধু ভালো লাগা তৈরি করে না,অনেকের মনে ফিরিয়ে আনে শৈশব, স্মৃতি, ছুটির দিন কিংবা প্রথম প্রেমের বৃষ্টি!এটা একধরনের মানসিক প্রশান্তি, যেন প্রকৃতি নতুন করে শুদ্ধ হতে শুরু করেছে।বিজ্ঞান আর প্রকৃতির এই মেলবন্ধনই আমাদের পৃথিবীকে করে তোলে আরও রহস্যময় আর সুন্দর।
05/05/2025
একজন আইনজীবী একজন শিক্ষকের কাছে একটি কূয়ো বিক্রি করলেন। দুই দিন পর, আইনজীবী সেই শিক্ষকের কাছে এসে বললেন,
“আমি তো আপনাকে কূয়ো বিক্রি করেছি, কিন্তু কূয়োর ভিতরের জল তো বিক্রি করিনি! আপনি যদি জল ব্যবহার করতে চান, তবে অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে।”
শিক্ষক হেসে উত্তর দিলেন,
“হ্যাঁ, আমিও আপনাকে বলতে যাচ্ছিলাম—আপনার জল আমার কূয়ো থেকে নিয়ে যান, না হলে আগামীকাল থেকে আপনাকেই আমার কুয়োয় জল রাখার জন্য ভাড়া দিতে হবে।”
এটা শুনে আইনজীবী ঘাবড়ে গেলেন এবং বললেন,
“আরে না না, আমি তো মজা করছিলাম!”
শিক্ষক হেসে বললেন,“আমরাই আইনজীবী ও বিচারপতি তৈরি করি! শিক্ষকের সাথে একদম চালাকি নয়।
মুল গল্প আকবর এবং বিরবল থেকে সংগৃহীত এবং পরিমার্জিত।
05/05/2025
**যখন কাক অসুস্থ বোধ করে... তখন পিঁপড়ার সন্ধান করে।
কাক অসুস্থ বোধ করলে পিঁপড়ার বাসার কাছে গিয়ে বসে, ডানা মেলে দেয়, নিশ্চল হয়ে থাকে এবং পিঁপড়াদেরকে তার উপর আক্রমণ করতে দেয়।
কাক এটা করে কারণ পিঁপড়ারা কাকের শরীরে ফর্মিক অ্যাসিড ছড়িয়ে দেয়, যা একটি প্রাকৃতিক পরজীবী-নাশক হিসেবে কাজ করে। এই অ্যাসিড কাককে ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া এবং পরজীবী থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে, যাতে ওষুধ ছাড়াই এটি সুস্থ হয়ে উঠতে পারে।
এই আচরণকে "অ্যান্টিং" (Anting) বলা হয় এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখির মধ্যে এটি দেখা গেছে। এটি প্রাণীদের স্ব-চিকিৎসার একটি অবিশ্বাস্য উদাহরণ।
প্রকৃতি তার নীরব জ্ঞানের মাধ্যমে আমাদেরকে অবাক করে দেওয়া কখনই বন্ধ করে না!
04/05/2025
💖 সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে 💖
ইংরেজিতে কথা বলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু শব্দ!
21/04/2025
King Cobra VS বেজি: কে জিতবে ?
সাপ-বেজি এক অপরের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। কিং কোবরা যদি সাপের রাজা হয়, তাহলে বেজি ও নির্ভীক শিকারি। অন্যান্য সাপের সাথে বেজি সহজেই জিতে গেলেও, সাপের রাজার সাথে জিতবে কি না, এটা চরম আগ্রহের বিষয়।
কে জিতবে সেটা বলার আগে, উভয়ের তুলনা করা জরুরি।
🔴প্রথমেই আসি সাইজের তুলনায়:
লম্বায় গড়ে ১০–১৩ ফুট (সর্বোচ্চ ১৮ ফুট পর্যন্ত), ৯ কেজি ওজনের একটা কিং কোবরা, ৩-৪ ফুট পর্যন্ত দাঁড়িয়ে হুড মেলে ধরলে, অন্যান্য প্রাণীর ভয়েই আত্মায় কাঁপন ধরে যায়।
পক্ষান্তরে বেজি, লম্বায় মাত্র ১.৫–২ ফুট (লেজ সহ প্রায় ৩ ফুট), ওজন: ১.৫–২.৫ কেজি মাত্র।
👉সাইজের বিচারে বিজয়ী: কিং কোবরা।
🔵পর্ব ২: মুভমেন্ট—কে বেশি চটপটে?
কিং কোবরা সাইজে যেমন বড়, তেমনি দৌড়াতেও পারদর্শী। ঘণ্টায় ১৯ কি.মি. বেগে ছুটতে পারে। তবে বিশাল শরীর হওয়ায় ডানে বামে মুভমেন্ট কষ্টকর।
পক্ষান্তরে:
বেজি ঘণ্টায় ৩২ কি.মি. বেগে ছুটতে পারা অপ্রতিরোধ্য, ক্ষিপ্র, চটপটে শিকারি। কোবরার ছোবল এড়াতে যে গতির দরকার, তা বেজির শরীরে জন্মগতভাবেই থাকে। কিছু ক্ষেত্রে সেটা ৪৮ কি.মি. পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
👉সুতরাং মুভমেন্টে জয়ী: বেজি।
🟢পর্ব ৩: সেন্স—কে বেশি চতুর?
কিং কোবরার চমৎকার দৃষ্টিশক্তি আর কম্পন নির্ণায়ক ক্ষমতা আছে। শত্রুকে শনাক্ত করতে ওরা বেশ পারদর্শী। তবে একবার আক্রমণ চালানোর পর ওরা খানিকটা জড় পদার্থে পরিণত হয়। কোনটা ঠিক আর কোনটা ফাঁদ, বুঝতে সময় নেয়। এইজন্য বুঝে শুনে সিদ্ধান্ত নিতে কিছুটা সময় নেয়।
আর শিকারি স্বভাবের কারণে বেজির সেন্স ও রিফ্লেক্স বিদ্যুৎ গতির। পরিবেশের প্রতিটা আওয়াজ, গন্ধ, নড়াচড়া—সবই বোঝে দারুণ দক্ষতায়। আর সবচেয়ে বড় কথা—ওদের শেখার ক্ষমতা অসাধারণ! একবার কোবরার মুভমেন্ট বুঝে ফেললে, পরেরবার আরও নিখুঁত আক্রমণ করে।
👉বুদ্ধির খেলায় জয়ী: বেজি।
🔵সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তুলনা: বিষ ও বিষ প্রতিরোধ।
কিং কোবরা এক কামড়ে ৪০০ মি.গ্রা.+ নিউরোটক্সিন বিষ ঢালতে পারে, যা ১১ জন মানুষকে একসাথে মে-রে ফেলতেও সক্ষম। এমনকি রাজা মশাইয়ের এক ছোবলে হাতিও কাৎ হয়ে যায়।
কিন্তু বেজি হলো প্রকৃতির আশ্চর্য! ওদের শরীরে কোবরার বিষের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক প্রতিরোধ শক্তি থাকে। ওদিকে চটপটে মুভমেন্টের জন্য সহজে কামড়ও খায় না। হঠাৎ কামড় খেলেও কিছুক্ষণের জন্য অচেতন হয়ে পড়ে। কারণ, নিউরোটক্সিন বেজির এসিটাইলকোলিন রিসেপ্টরকে সহজে কাবু করতে পারে না। একে বলে "target site resistance"।
তাই কামড় খেয়েও আবার জেগে উঠে, যেন যুদ্ধ থামেনি—শুধু বিরতি নিয়েছিল। সেই সাথে ওদের চামড়ার পুরুত্বও অনেক, যা মাংসে বিষ পুশ করাতে বাধা দেয়।
সেই সাথে বেজির তীক্ষ্ণ দাঁত ও চোয়ালের প্রচুর শক্তিতে, কিং কোবরার মেরুদণ্ড ভেঙে ফেলতেও সক্ষম। তবে, একাধিক কামড়ে ঠিকমতো বিষ পুশ করতে পারলে বেজিও মা-রা যায়।
👉শেষ রাউন্ডেও বেজিকেই এগিয়ে রাখা যায়।
⛔ তাহলে কে জিতবে এই মহাযুদ্ধে? ⛔
৪ টি বিষয়ে তুলনামূলক আলোচনায় বেজিকেই এগিয়ে রাখতে হয়। যদিও বেজির সাথে অন্যান্য সাপের লড়াই নিয়মিত হলেও কিং কোবরার খুব কমই হয়। অনেক ক্ষেত্রে বেজিকেও হারতে হয়। তবে পার্সেন্ট বিবেচনায়, বেজির জয়ের পাল্লাই ভারী।
সুতরাং, কিং কোবরা সাপের মহারাজা হলেও, বেজির কাছে এই রাজত্বের দাম নেই।
লেখা: H M Khorshed Alam
[নির্বাহী সদস্য: WSRTBD পরিচালনা পর্ষদ ]
21/04/2025
কটকটে হলুদ রঙের যে বি-শা-ল গোলাকার বস্তুটা আপনি দেখতে পাচ্ছেন সেটা হলো সূর্য যা প্রতিদিন আপনার বাড়ির পূর্বে ওঠে আর পশ্চিমে অস্ত চলে যায়। তার নিচে তীর চিহ্নিত যে গোলাকার বস্তুটা আছে, সেটা হলো পৃথিবী যেখানে আমি, আপনি— আমরা সকলে বাস করছি।
শুধুমাত্র ছবির রেজুলেশানেই আপনি সম্ভবত আঁচ করতে পারছেন যে— বিশাল আকৃতির সূর্যের তুলনায় আমাদের পৃথিবী কতো ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র। তবু জানিয়ে রাখা ভালো— সূর্যের আকৃতি এতো বি-শা-ল যে— ১ মিলিয়ন পৃথিবী এর মধ্যে অনায়াসে ঢুকিয়ে রাখা যাবে!
আপনি নিশ্চয় মাথা চুলকে ভাবতে চেষ্টা করছেন কতো বিশাল আকৃতি এই সূর্যের, তাই না? একটু থামুন! আপনি জেনে বিস্মিত হবেন— মহাবিশ্বে এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে বড় নক্ষত্র হলো UY SCUTI যেটা ব্যাসার্ধের দিক থেকে আমাদের সূর্যের চেয়ে ১৭০০ গুণ বড়। মানে— সেই UY SCUTI এর মধ্যে ৫ বিলিয়ন (মিলিয়ন নয় কিন্তু) সূর্য অনায়াসে ঢুকে পড়তে পারবে!
মহাবিশ্বের যে ক্ষুদ্রতম অংশ আমরা জানতে পেরেছি তার খুব সংক্ষিপ্ত অংশের আলোচনা এটা৷ এর বাইরে পড়ে আছে কতো বিস্তৃত রহস্য, কতো অনুদঘাটিত ব্যাপারাদি তা মানবমস্তিষ্ক কল্পনাও করতে পারে না। এ বিশাল মহাবিশ্বের বিস্তৃতির সীমার দিকে চেয়ে এ দাবি করা একেবারেই অত্যুক্তি হবে না যে— UY SCUTI, যেটা ধারণ করতে পারবে ৫ বিলিয়ন সূর্যকে, মহাবিশ্বের অন্য অনেক জায়ান্ট নক্ষত্রের কাছে সেটা সমুদ্রের স্রেফ একটা বালির সমান!
এই যে এতো রহস্যময় মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তা এবং নিয়ন্ত্রক যিনি, আপনি কেবলমাত্র তাঁর-ই ইবাদাত করেন। কী চমৎকার, কী অভাবনীয় ব্যাপারটা, তাই না? আরো বিস্ময়ের ব্যাপার কী জানেন? তিনি এই গোটা সৃষ্টিলোক সৃষ্টিই করেছেন কেবলমাত্র আপনার জন্যে। তারচেয়েও দারুন ব্যাপার হলো— সেই মহা প্রতাপশালী সৃষ্টিকর্তা আপনাকে সম্বোধন করেন ‘আমার বান্দা’ বলে।
ভাবুন তো— সৃষ্টিরাজির মধ্যে কী সুমহান মর্যাদা তিনি আপনাকে দান করেছেন! সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি!
13/04/2025
09/04/2024
এই ছবিটা হয়তো ফেইসবুকে অন্য কোনো গ্রুপে বা পেইজে দেখেছেন । ছবিটার পেছনের গল্পটা জেনে নেওয়া যাক । ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী,
১৯৬২ সালে আমেরিকান প্রাণিবিদ থমাস হেডল্যান্ড তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে ফিলিপাইনের লুজন দ্বীপে গিয়েছিলেন সেখানকার আদিবাসী ও বন্যপ্রাণীদের দেখতে । তাঁরা লুজনের বনে 'আগতা' নামক এই কৃষ্ণাঙ্গ আদিবাসীদের সাথে ২৪ বছর কাটান । বনে যেখানে তাঁর ক্যাম্প ছিল সেখানে প্রায়ই অজগর চলে আসতো এবং সেগুলো ছিল Reticulated python বা গোলবাহার অজগর । হেডল্যান্ডের মতে তাঁর দেখা সবচেয়ে বড় গোলবাহার অজগরটি এই ছবিরটা । এই গোলবাহার অজগরটি ৬.৯ মিটার বা ২২.৬৪ ফুট লম্বা ছিল । হেডল্যান্ডের তোলা এই ছবির ডান দিকে দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তির নাম কেকেক আদুয়ানান যিনি এই সাপটাকে হত্যা করেছেন ।
তাঁর অনুসন্ধান অনুযায়ী 'আগতা' আদিবাসীর জনসংখ্যা তখন ৬০০ জন ছিল যার মধ্যে তিনি ১২০ সাথে কথা বলে জরিপ করেছেন । সেই জরিপে উঠে এসেছে বনে থাকায় তারা যেমন অজগর শিকার করে তেমন তারাও অজগরের আক্রমণের মুখে পড়েছে । বেশিরভাগই পুরুষরাই আক্রান্ত হয়েছে এবং দু এটা গিলে খাওয়ার ঘটনাও তাঁর অনুসন্ধানে উঠে এসেছে । ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের প্রতিবেদনে এই অজগরটা সে সময়ের তৃতীয় বৃহত্তম অজগর বলে উল্লেখ আছে ।
প্রসঙ্গত গোলবাহার অজগর বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে লম্বা সাপ । এখনও পর্যন্ত পাওয়া ও যাচাইকৃত সবচেয়ে লম্বা গোলবাহার অজগরটি ৭.৬৭ মিটার বা ২৫.২ ফুট লম্বা হয় । ২০১৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত সাপটার মানুষ গিলে খাওয়ার তিনটা বৈজ্ঞানিকভাবে রেকর্ড করা ঘটনা আছে । আরও বেশ কিছু ঘটনা থাকতে পারে যা হয়তো দৃষ্টিগোচর হয়নি বা উপযুক্ত প্রমাণ নেই ।
বাংলাদেশে গোলবাহার অজগর কেবল চট্টগ্রাম বিভাগে দেখতে পাওয়া যায় এবং বিরল সাপ ।
Copied from:- রাশিক আজমাইন
07/04/2024
বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত উত্তর সেন্টিনেল দ্বীপে কেউ ভ্রমণ করতে গেলে জীবন নিয়ে ফিরে আসার সম্ভাবনা প্রায় নাই। স্নেক আইল্যান্ডের মতো অন্যান্য বিপজ্জনক দ্বীপের চেয়েও এ দ্বীপ পর্যটনের জন্য অনেক বেশি বিপজ্জনক। এখানে পৃথিবীর সবচেয়ে বিচ্ছিন্ন আদিবাসী গোষ্ঠীর বসবাস যারা বহির্বিশ্ব থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন। পৃথিবীতে আজও অনেক বিচ্ছিন্ন আদিবাসী গোষ্ঠী আছে যাদের কোনো না কোনোভাবে বহির্বিশ্বের মানুষের সাথে যোগাযোগ ঘটে। কিন্তু এখানকার সেন্টিনেলিজ আদিবাসীরা এতটাই হিংস্র আক্রমণাত্মক স্বভাবের যে তারা বাইরের কোনো মানুষকে তাদের দ্বীপের ত্রিসীমানায় ঘেঁষতে দেয় না। বহিরাগতদের জন্য এদের একটাই নীতি—হত্যা।
সোর্স - রোয়ার মিডিয়া
07/04/2024
মাদার অফ ওয়াটার ( পানির মা)
সাহারা মরুভূমিতে শুষ্ক সোনালী বালির মাঝে এক পানির হ্রদ। এটি হচ্ছে মরুভূমির মাঝে এক মরুদ্যান। এর নাম উম এল মা। পাম গাছ দ্বারা বেষ্টিত এই বৃহৎ মরুদ্যানের জল ভূগর্ভস্থ অসংখ্য ঝর্ণা থেকে আসে এবং ভূপৃষ্ঠে পৌঁছায়।
হ্রদটিতে খুব বেশি প্রাচুর্য নেই, সর্বাধিক এখানে অসংখ্য প্রজাতির ছোট চিংড়ি রয়েছে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Feni
3920
Opening Hours
| Monday | 07:00 - 10:00 |
| Tuesday | 07:00 - 10:00 |
| Wednesday | 07:01 - 10:00 |
| Thursday | 07:00 - 10:00 |
| Saturday | 07:00 - 10:00 |
| Sunday | 07:00 - 10:00 |