Job & University exam preparation.

Job & University exam preparation.

Share

1. “Education is the most powerful weapon which you can use to change the world” –

2. “Teac

১. প্রতিদিন শিক্ষা মূলক পোস্ট করতে হবে।
২. চাকরির প্রস্তুতি মূলক পোস্ট করতে হবে।
৩. অপ্রয়োজনীয় পোস্ট করা যাবেনা।
৪. নিজে যা জানি তা অন্যকে সাহায্য করার উদ্দেশ্য শেয়ার করতে হবে।

06/03/2022

💡 ইউক্রেন সংকট: কারণ ও ভবিষ্যৎ

এই দশকে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা ধরা যায় রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণকে। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর স্নায়ু যুদ্ধের রেশ শেষ হয়ে যাওয়া নিয়ে যখন সারা বিশ্ব আত্মতৃপ্তির ঢেঁকুর তুলছিল, ঠিক তখনই রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণ যেন আবার সেই স্নায়ু যুদ্ধকে নতুন রূপে আমাদের সামনে এনে হাজির করলো। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা করোনা অতিমারী পরবর্তী পৃথিবীর কাঠামোগত পরিবর্তন নিয়ে অনেক তত্ত্ব নিয়ে ইতোমধ্যেই হাজির হয়েছেন। আর এমন সময়ে পুতিনের ইউক্রেন আক্রমণ যে আন্তর্জাতিক রাজনীতির গতিপ্রকৃতি নির্ধারণে একটা বড় প্রভাবক হিসেবে কাজ করবে তা অবশ্যম্ভাবীভাবেই বলা যায়।

এখন প্রেসিডেন্ট পুতিন কী কারণে ইউক্রেন আক্রমণের মত একটি বড় পদক্ষেপ নিলেন এই প্রশ্নটি সবার মনে। আমি এই লেখায় চেষ্টা করবো কারণগুলো নিয়ে আলোচনা করার। একইসাথে এই আক্রমণের যৌক্তিকতা ও ফলাফল নিয়েও নিজস্ব মতামত ব্যাখ্যা করবো।

1️⃣ ভ্লাদিমির পুতিনের সাইকোলজি: যেকোনো রাষ্ট্রপ্রধানের সাইকোলজি, তাঁর নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি অনেকাংশেই সেই রাষ্ট্রের গতিপ্রকৃতি ঠিক করে দেয়। ভ্লাদিমির পুতিন গত ২৩ বছর যাবৎ বিভিন্ন রূপে রাশিয়ার নেতৃত্বে আছেন। এর তিনি ছিলেন দুনিয়া কাঁপানো গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবির এজেন্ট। স্নায়ু যুদ্ধের প্রভাব যে তাঁর মনোজগতে বেশ ভালোভাবেই বিধিবদ্ধ তা পুতিনের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পলিসিতে বেশ ভালোভাবেই বোঝা যায়। আর এ কারণেই ২০০৮ এর জর্জিয়া যুদ্ধ, ২০১৪ এর ক্রিমিয়া দখল আর এবারে ইউক্রেন আক্রমণ প্রত্যেকটি জায়গায় যে ব্যাপারটি সবার সামনে মূর্ত হয়ে উঠেছে তা হল ভ্লাদিমির পুতিনের সোভিয়েত জাতীয়তাবোধ। এ কারণে অনেকেই আশংকা করছেন এই যুদ্ধের শেষ কি ইউক্রেনে যেয়েই হবে নাকি এই দাবানল আরো অনেক দিকে অগ্রসর হবে? যদি হয়, তাহলে ইউরোপ যে আবারো একটি যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হবে তা বলাই বাহুল্য।

2️⃣ আমেরিকার অর্থনীতিতে মিলিটারি ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্সের প্রভাব: সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে আমেরিকার দিন ভালো যাচ্ছে না। আফগানিস্তানে দীর্ঘ ২০ বছরের বেকার যুদ্ধ যেন আরেকটি ভিয়েতনাম যুদ্ধের লজ্জা লেপন করলো বিশ্ব পরাশক্তিদের গায়ে। তারোপর করোনা অতিমারীতে আমেরিকা যে পরিমাণ ভুক্তভোগী হয়েছে নিজের দেশেই বিশ্ব পরাশক্তিরা এখন ইমেজ সংকটে। আর বিশ্ব অর্থনীতিতে চায়নার উত্থান এবং করোনা অতিমারী ভালোভাবে সামাল দেয়া যেন আমেরিকার বৈশ্বিক ইমেজকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

আমেরিকার অর্থনৈতিক কাঠামোতে মিলিটারি ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্সের বেশ বড় প্রভাব রয়েছে। ব্যাপারটা একটু সহজ করে ব্যাখ্যা করি। আমেরিকার অর্থনীতি অনেকটাই অস্ত্র বেচা-বিক্রির ওপর নির্ভরশীল। তাই বিশ্বে কোনো জায়গায় যুদ্ধ লাগাটা আমেরিকার অর্থনীতি চালিয়ে রাখার জন্যই দরকার। আমরা যদি ইউক্রেন সংকটে রাশিয়াকে একপক্ষীয়ভাবে দোষারোপ করে থাকি তাহলে ভুল হবে। কারণ, আমেরিকা খুব ভালো করেই রাশিয়ার ইন্সিকিউরিটির কথা জানে। ন্যাটো যদি রাশিয়ার দোরগোঁড়ায় চলে যায় তাহলে রাশিয়া সেটাকে কোনোভাবেই ভালোভাবে নিবে না এটা আমেরিকা ভালোই জানে। এমনকি এই একই ব্যাপার আমেরিকার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। ১৯৬২ সালে কিউবান মিসাইল ক্রাইসিসের সময় তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন তো এই একই কাজই করতে চেয়েছিল। এখন কিউবাতে সোভিয়েত ইউনিয়নের মিসাইল থাকা আমেরিকার জন্য যেরকম থ্রেট ঠিক একইরকম থ্রেট তো ইউক্রেনে আমেরিকার মিসাইল থাকা! ১৯৬২ সালে আমরা দেখেছি কীভাবে আমেরিকা রাশিয়ার বিরুদ্ধে রিয়্যাক্ট করেছে। সেই সময় একটি নিউক্লিয়ার যুদ্ধ বেঁধে যায় যায় এমন অবস্থায় কিন্তু হয়েছিল। তবে জন এফ কেনেডি এবং নিকিতা ক্রুশ্চেভের রাজনৈতিক প্রজ্ঞায় সংকটটি যুদ্ধে রূপান্তরিত হয়নি।

এত কিছু জেনেও আমেরিকা কিন্তু একবারও বলেনি তারা ইউক্রেনকে ন্যাটোর অন্তর্ভুক্ত করবে না। কারণ তারা নিজেরাও রাশিয়াকে যুদ্ধের জন্য প্রলুব্ধ করতেই চেয়েছিল। আর যুদ্ধ হলেই অস্ত্র বিক্রি এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে রাশিয়াকে কোনঠাসা দুটোই করা যাবে। আমেরিকা তার ন্যাশনাল ইন্টারেস্টের লক্ষ্য পূরণে এখানে অনেকটাই সফল। শুধুমাত্র বেশকিছু বেসামরিক মানুষের জীবন আর সম্পদ নষ্ট হল। আমেরিকার ভাষায় তো এটাকেই বলে ‘Collateral Damage’.

3️⃣ ইউক্রেনের ভুল: যদিও এখন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জিয়েলেন্সকি জাতীয় বীরে পরিণত হয়েছেন তবে তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞার যথেষ্ট ঘাটতি এখানে প্রকাশ পেয়েছে। প্রতিটা রাষ্ট্রের বোঝা উচিত সে কোন বাস্তবতায় অবস্থান করে। একটি নিউক্লিয়ার সুপারপাওয়ারের সাথে সীমানা শেয়ার করে সেইখানে তারই রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর সাথে যোগ দেয়ার চিন্তা করা রাজনৈতিক প্রজ্ঞার অভাবেরই বহিঃপ্রকাশ। এখানে ইউক্রেন খুব স্বাভাবিকভাবে একটি শান্তিপূর্ণ ‘বাফার স্টেটের’ মত আচরণ করতে পারতো। ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরীতা নয়’ এই স্ট্র্যাটেজিতে থাকলে সেটি ইউক্রেনের জন্যও ভালো হত। এখন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট যখন বলেন বিভিন্ন দেশের নেতাদের ফোন দিয়ে কারো কাছ থেকে সহায়তা পাননি - তখন এই ধরনের অভিযোগ অনেকটাই শিশুতোষ, এই ধরনের আবেগের জায়গা বিশ্ব রাজনীতি নয়। এসব কথা বলে পপুলিস্ট নেতা তিনি হতে পারবেন, এই সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে তাঁর জনপ্রিয়তাও অনেক বেড়ে গেছে। কিন্তু দেশ হিসেবে ভুক্তভোগী হল ইউক্রেন।

🟥 পুতিনের ইউক্রেন আক্রমণ কি আসলেও যুক্তিযুক্ত?

সকল যুদ্ধ তত্ত্ববিদ-যেমন সান জু, চাণক্য, ক্লসউইটজ, একটা ব্যাপারে একমত। আর সেটা হল যুদ্ধ করতে হলে আগে ঠিক করা প্রয়োজন, ‘আমি কেন যুদ্ধ করছি? কী জন্য যুদ্ধ করছি?” নেপোলিয়ন বলেছিলেন, “If you want to take Vienna, take Vienna.” অর্থাৎ যা জেতার জন্য আসছো তাই নিয়ে সন্তুষ্ট থাকো। এর বাইরে যেও না। রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের ক্ষেত্রে বারবার এই প্রশ্নটাই আমার কাছে এসেছে,"রাশিয়া কেন যুদ্ধ করছে? এই যুদ্ধ থেকে সে কি জিততে চায়?" যদি ইউক্রেনকে ভয় দেখানোই উদ্দেশ্য হয় তাহলে রাশিয়া-ইউক্রেন বর্ডারে ২ লক্ষ সৈন্য জড় করে রাখা ইউক্রেনকে কিংবা পশ্চিমা শক্তিকে ভয় দেখানোর জন্য যথেষ্ট। যুদ্ধের মত একটা বড় পদক্ষেপে যাওয়ার কোনো যৌক্তিকতা ছিল না। এরকম একটা সময়ে যুদ্ধের মত বড় কোনো পদক্ষেপে যাওয়ার আগে এই প্রশ্নগুলোর পরিষ্কার উত্তর থাকা দরকার ছিল। আর এরকম শক্তিশালী কারণের অভাবে যুদ্ধে যাওয়ার জন্য রাশিয়াকে যে মূল্য পরিশোধ করতে হবে তা রাশিয়া কতটুকু করতে পারে এখন সেটাই দেখার বিষয়।

🟥 রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের ভবিষ্যৎ:

রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণ আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক কাঠামোতে নতুন স্নায়ু যুদ্ধের সূচনাবিন্দু হিসেবে কাজ করবে। তবে এই স্নায়ু যুদ্ধের মূল খেলা যতটা না আমেরিকা বনাম রাশিয়া থাকবে তার চেয়ে বেশি থাকবে আমেরিকা বনাম চীন। রাশিয়ার অর্থনৈতিক অবস্থা এমনিতেও বিশেষ ভালো ছিল না। এই যুদ্ধের পর বিভিন্ন অর্থনৈতিক অবরোধ রাশিয়াকে মোটামুটি একঘরে করে ফেলবে। এতে যেটি হবে রাশিয়া আরো বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়বে চীনের ওপর। আর রাশিয়ার বিপুল জ্বালানি ভাণ্ডার চীনের বিশাল জ্বালানি ক্ষুধা মেটাতে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এতে পূর্ব ইউরোপে চীনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে। বিশ্ব রাজনীতিতে আমেরিকার এখন সবচাইতে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী চীন, আর রাশিয়ার চীনের ওপর নির্ভরতা এই প্রতিযোগিতাকে আরো বাড়িয়ে দিবে। তবে সবার মনে যে প্রশ্ন, এই যুদ্ধ কি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা ঘটাবে কি না? কারণ, একটি রাশিয়ার মত একনায়কতান্ত্রিক দেশে যুদ্ধে যাওয়াটা যতটা সহজ, ইউরোপের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোর জন্য ততটা সহজ নয়। আর আমেরিকা নিজেই চাইবে না এখন একটি ফুল স্কেল যুদ্ধে যেতে। এর চেয়ে অস্ত্র বেচে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়া আর রাশিয়াকে ইউক্রেনকে সামনে এগিয়ে কোণঠাসা করে দেয়া আমেরিকার জন্য রথ দেখা আর কলা বেচার মতই লাভজনক। তাই আমার মতে, এই মুহূর্তে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা করার সময় আসেনি। তবে, আন্তর্জাতিক রাজনীতি সবসময় আনপ্রেডিক্টেবল। প্রেডিক্টেবল হলে তো আর দুটো বিশ্বযুদ্ধ হত না!

লেখক:

- কে. এম. রাফসান রাব্বি
সাবেক সহকারী পরিচালক,
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

31/01/2022

থামুন কথা গুলা একবার শুনুন। জিবনে অনেক উপকারে আসবে।

31/01/2022

সকলের জানা উচিৎ -

০১. আপনার পাকস্থলী কখন ভীত; যখন আপনি সকালে ব্রেকফাস্ট করছেন না।

০২. আপনার কিডনি কখন আতঙ্কিত; যখন আপনি ২৪ ঘন্টায় ১০ গ্লাস পানি পান করতে ব্যর্থ হচ্ছেন।

(সতর্কতাঃ বয়ষ্ক ব্যক্তিরা ডাক্তারের পরামর্শে পানি পানের মাত্রা কমিয়ে আনবেন। নইলে ইউরোলজিক্যাল সমস্যায় পড়তে পারেন।)

০৩. গলব্লাডার ভীত; যখন আপনি রাত ১১টার মধ্যে ঘুমাতে এবং সূর্যোদয়ের সাথে সাথে বিছানা ছাড়তে ব্যর্থ হচ্ছেন।

০৪. ক্ষুদ্রান্ত্র আতঙ্কিত; যখন আপনি ঠান্ডা এবং বাসী খাবার খাচ্ছেন।

০৫. বৃহদান্ত্র আতঙ্কিত; যখন আপনি ভাজা-পোড়া এবং ঝাল মশলাযুক্ত খাবার বেশি খাচ্ছেন।

০৬. ফুসফুস আতঙ্কিত; যখন আপনি ধোঁয়া, ধুলা এবং বিড়ি ও সিগারেটের বিষাক্ত আবহাওয়ায় থাকছেন।

০৭. লিভার ভীত; যখন আপনি অতিরিক্ত ভাজা, জাঙ্কফুড এবং ফাস্টফুড খাচ্ছেন।

০৮. হৃদপিন্ড ভীত; যখন আপনি বেশি লবণ এবং কোলেস্টরলযুক্ত (প্রাণীজ চর্বীযুক্ত) খাবার খাচ্ছেন।

০৯. প্যানক্রিয়াস আতঙ্কিত; যখন আপনি সহজলভ্য এবং সুস্বাদু বলে প্রচুর মিষ্টিজাত খাবার খাচ্ছেন।

১০. আপনার চোখ আতঙ্কিত; যখন আপনি অন্ধকারে মোবাইলের আলো এবং কম্পিউটার স্ক্রীনের আলোয় কাজ করছেন।

১১. আপনার মস্তিষ্ক ভীত; যখন আপনি নেতিবাচক চিন্তাকে প্রশ্রয় দেয়া শুরু করেছেন।

সুতরাং আপনার শরীরের অঙ্গ প্রতঙ্গসমূহের যত্ন নিন।

©️

19/01/2022

Dog দিয়ে Idiom
✪ Dog fish =ছোট হাঙ্গর।
✪ Dog sleep =পাতলা ঘুম।
✪ Dog age=ব্যাপক সময়।
✪ Dog days = গরম দিন
✪ Dog trick= খারাপ কৌশল।
✪ Dog end=সিগারেটের শেষ প্রান্ত।
✪ Cats and dogs = মুষলধারে
✪ Three dog night- খুবই ঠান্ডা।
✪ Like a dog with two tails- খুব সুখী

17/01/2022

#বিসিএস_অডিটর_এবং_প্রাইমারির_জন্য_গুরুত্বপূর্ণ_সাধারণ_জ্ঞান:-

১। সংসদে সাংবাদিকদের আসন কতটি ?
উত্তরঃ ৮০টি
২। ১৪৪ ধারা কি ?
উত্তরঃ মানুষ চলাচল এবং আচরণের কর্মকান্ডের নিষেধজ্ঞা
৩। তিতুমীর কে ছিলেন?
উত্তরঃ ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম শহীদ বাঙ্গালী বীর
৪। উয়ারী বটেশ্বর কোথায় অবস্থিত ?
উত্তরঃ নরসিংদী
৫। দেশের ১১তম শিক্ষা বোর্ড কোথায় হতে যাচ্ছে ?
উত্তরঃ ময়মনসিংহ
৬। বাংলাদেশের সরকারি নাম ইংরেজিতে লিখুন?
উত্তরঃThe people’s Republic of Bangladesh
৭। গ্রীনিচ থেকে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
উত্তরঃ ৯০ ডিগ্রি পুর্ব দিকে।
৮। বাংলাদেশের কোন জেলায় মধুপুর ও ভাওয়াল গড় অবস্থিত?
উত্তরঃ টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, গাজীপুর।
৯। বাংলাদেশের কোন জেলা সমতল থেকে সবচেয়ে উঁচুতে অবস্থিত?
উত্তরঃ দিনাজপুর।
১০। ঢাকার প্রতিপাদ স্থান কোথায়?
উত্তরঃ চিলির নিকটে প্রশান্ত মহাসাগরে।
১১। বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলের দৈর্ঘ কত?
উত্তরঃ ৭১১ কি.মি.
১২। সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড কি?
উত্তরঃ বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি খাত(প্রস্থ ১৪ কি মি)
১৩। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নামসহ উচ্চতা কত?
উত্তরঃ তাজিংডং বা বিজয়, ১২৩১ মিটার বা ৪০৩৯ ফুট।
১৪। আয়তনের দিক দিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে কত?
উত্তরঃ ৯৪তম (দক্ষিন এশিয়ার ৫ম)
১৫। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসিমা কত?
উত্তরঃ ১২ নটিক্যাল মাইল।
১৬। ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তি জেলা কতটি?
উত্তরঃ ৩০টি
১৭। পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলা কতটি?
উত্তরঃ ৩টি।
১৮। পার্বত্য চট্টগ্রামের কোন জেলার সাথে ভারতের সীমানা নেই?
উত্তরঃ বান্দরবান।
১৯। ঢাকার সাথে নদী পথে কোন জেলার সরাসরি যোগাযোগ নেই?
উত্তরঃ রাঙ্গামাটি।
২০। বরিশাল বিভাগের জেলার সংখ্যা কত?
উত্তরঃ ৬টি।
২১। বাংলাদেশের সর্বপূর্বে স্থানের নাম কি?
উত্তরঃ আখাইন্ঠং
২২। বাংলাদেশের আয়তনে সবচেয়ে বড় থানা কোনটি?
উত্তরঃ শ্যামনগর (সাতক্ষিরা)
২৩। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ছিটমহল বিনিময় চুক্তি কার্যাকর হয় কবে?
উত্তরঃ ১ আগষ্ট, ২০১৫ইং
২৪। ছিটমহল বেষ্ঠিত জেলা বলা হয় কোন জেলা কে?
উত্তরঃ লালমনিরহাট
২৫। কোন পাহাড় হিন্দুদের তীর্থস্থানের জন্য বিখ্যাত?
উত্তরঃ চন্দ্রনাথ পাহাড়(সীতাকুন্ড, চট্টগ্রাম)
২৬। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপটির নাম কী এবং বর্তমানে মালিকানা কোন দেশের?
উত্তরঃ দক্ষিন তালপট্টি দ্বীপ, ভারত
২৭। নিঝুম দ্বীপটি কোন নদীর মোহনায় অবস্থিত?
উত্তরঃ মেঘনা (নোয়াখালী)
২৮। দ্বীপ জেলা বলা হয় কোন জেলাকে?
উত্তরঃ ভোলা।
২৯। ভবদহ বিল কোথায় অবস্থিত?
উত্তরঃ যশোর
৩০। ক্রিসেন্ট লেক কোথায় অবস্থিত?
উত্তরঃ ঢাকা(জাতীয় সংসদ ভবনের পাশে)
৩১। বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে হাওড়ের সংখ্যা বেশী?
উত্তরঃ সিলেট
৩২। বাংলাদেশের সাগর কণ্যা বলা হয় কোন স্থানকে?
উত্তরঃ কুয়াকাটা, পটুয়াখালী
৩৩। বাংলাদেশের প্রথম হাইটেক পার্ক নির্মান করা হচ্ছে কোথায়?
উত্তরঃ কালিয়াকৈর, গাজীপুর
৩৪। বাংলাদেশে একমাত্র শীতলপানির ঝর্ণা কোথায় অবস্থিত?
উত্তরঃ হিমছড়ি, কক্সবাজার
৩৫। বিল ডাকাতিয়া কোথায় অবস্থিত?
উত্তরঃ খুলনা।
৩৬।‘দুবলার চর’ কোথায় অবস্থিত?
উত্তরঃ সুন্দরবনের দক্ষিনে।
৩৭। বাংলাদেশের প্রথম নারী এভারেস্ট বিজয়ীর নাম ও তারিখ লিখুন?
উত্তরঃ নিশাত মজুমদার, ২১ মে, ২০১২
৩৮।SPARSO কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে?
উত্তরঃ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
৩৯। বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগৃহে কেন্দ্রে কোথায় স্থাপিত হয়?
উত্তরঃ বেতবুনিয়া রাঙ্গামাটি।
৪০। বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান জন্মে?
উত্তরঃ ময়নসিংহ
৪১। রাবার বাগানের জন্য বিখ্যাত স্থান কোনটি?
উত্তরঃ রামু, কক্সবাজার।
৪২। সম্প্রতি বাংলাদেশের উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ধানের জাতের নাম কি?
উত্তরঃ সুপার রাইস।
৪৩। নদী ছাড়া যমুনা কী?
উত্তরঃ উন্নত জাতের মরিচের নাম।
৪৪। মাছ গবেষনা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
উত্তরঃ চাদপুর।
৪৫। বাংলাদেশের জাতীয় ও একক বৃহত্তম বনভূমি কোনটি?
উত্তরঃ সুন্দরবন।
৪৬। সুন্দরবনকে ‘বিশ্ব ঐতিহ্যের’ অংশ হিসেবে কোন সংস্থা কত তারিখ ঘোষণা করে?
উত্তরঃ ইউনেস্কো, ৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭(৭৯৮তম)
৪৭। সুনেত্র গ্যাস ক্ষেত্রটি কোথায় অবস্থিত?
উত্তরঃ সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনা
৪৮।‘Black Gold’ কি?
উত্তরঃ তেজস্ক্রিয় বালু(কক্সবাজারে পাওয়া যায়)
৪৯। তিতাস গ্যাস ক্ষেত্রটি কোথায় অবস্থিত?
উত্তরঃ ব্রাক্ষ্মনবাড়িয়া
Sh Sakil
৫০। বাংলাদেশের কোথায় কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে?
উত্তরঃ বড়পুকুরিয়া, দীঘিপাড়া, দিনাজপুর
৫১। বাংলাদেশের একমাত্র জ্বালানী তেল শিধানাগারের নাম কি?
উত্তরঃ ইস্টার্ণ রিফাইনারী লিঃ, চট্টগ্রাম
৫২। দেশের সবচেয়ে বড় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নাম ও অবস্থান?
উত্তরঃ ভেড়ামারা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র, কষ্টিয়া
৫৩। ভারত – বাংলাদেশের পানি চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়?
উত্তরঃ ১২ ডিসেম্বর, ১৯৯৬
৫৪। বাংলাদেশের নাব্যতম ওঁ প্রশস্ততম নদীর নাম?
উত্তরঃ মেঘনা।
৫৫। বাংলাদেশ ও ভারতকে বিভক্তকারী নদী কোনটি?
উত্তরঃ হাড়িয়াভাঙ্গা।
৫৬। পদ্মার অপর নাম?
উত্তরঃ কীর্তিনাশা
৫৭। পদ্মা ও যমুনা কোথায় মিলিত হয়েছে?
উত্তরঃ গোয়ালন্দ
৫৮। পদ্মা নদীর উৎপত্তি স্থল কোথায়?
উত্তরঃ হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিম্বাহ থেকে
৫৯। মংলা সমুদ্রবন্দর কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
উত্তরঃ পশুর।
৬০। বাংলাদেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্পের নাম কি?
উত্তরঃ তিস্তা সেচ প্রকল্প
৬১। জনসংখ্যার দিক দিয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান?
উত্তরঃ ৮ম।
৬২। চাকমা উপজাতির বসবাস বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে বেশি?
উত্তরঃ পার্বত্য চট্টগ্রামে
৬৩। বাংলাদেশের প্রথম নিরক্ষরমুক্ত গ্রামের নাম কি?
উত্তরঃ কৃষ্টপুর, কচুবাড়ি, ঠাকুরগাও
৬৪। বাংলাদেশের কোন জেলায় শিক্ষার হার বেশি?
উত্তরঃ বরগুনা।
৬৫। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম মুসলমান ও উপমহাদেশের প্রথম ভি সি কে?
উত্তরঃ স্যার এ.এফ. রহমান
৬৬। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন হলে এক সময়ে সংসদ কার্যক্রম হত?
উত্তরঃ জগন্নাত হল
৬৭। দক্ষিন এশিয়ার সবচেয়ে বড় ডায়বেটিক্স হাসপাতালের নাম কি?
উত্তরঃ বারডেম।
৬৮।‘মূসক’ দিবস কবে পালন করা হয়?
উত্তরঃ ১০ জুলাই।
৬৯। বাংলাদেশ কবে ভ্যাট চালু হয়?
উত্তরঃ ১৯৯১ সালের ১ জুলাই
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖

১. দ্বৈত শাসন + ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ানি লাভ ⇒ ১৭৬৫;
২. ছিয়াত্তরের মন্বন্তর ⇒ ১৭৭০;
৩. আমেরিকার স্বাধীনতা লাভ ⇒ ১৭৭৬ ;
৪. ফরাসি বিপ্লব ⇒ ১৭৮৯;
৫. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা ⇒ ১৮০০;
৬. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগ চালু ⇒ ১৮০১ ;
৭. ওয়াটার লুর যুদ্ধ ⇒ ১৮১৫ ;
৮. লর্ড বেন্টিং কর্তৃক রাজা রামমোহন রায়ের প্রচেষ্টায় সতীদাহ প্রথা রহিতকরণ + ঢাকা বিভাগ চালু ⇒ ১৮২৯;
৯. তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা নির্মান ⇒ ১৮৩১;
১০. লর্ড ডাল হৌসি কর্তৃক উপমহাদেশে রেল চালু ⇒ ১৮৫৩;
১১. ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজির বাংলা বিজয় ⇒ ১২০৪ সালে;
১২. ষাট গম্বুজ মসজিদের প্রতিষ্ঠা ⇒ ১৪৫৯;
১৩. কম্ববাসের আমেরিকা আবিষ্কার ⇒ ১৪৯২;
১৪. ভাস্কোডা গামার ভারত বর্ষে আসার জলপথ আবিষ্কার ⇒ ১৪৯৮ ;
১৫. পানি পথের ১ম যুদ্ধ ⇒ ১৫২৬;
১৬. বাংলা সাল গণনা শুরু + পানি পথের ২য় যুদ্ধ+ সম্রাট আকবরের সিংহাসন লাভ⇒ ১৫৫৬;
১৭. সর্বপ্রথম ঢাকা বাংলার রাজধানী ⇒ ১৬১০ ;
১৮. পলাশীর যুদ্ধ ⇒ ১৭৫৭ সালে;
১৯. পানি পথের ৩য় যুদ্ধ ⇒ ১৭৬১ ;
২০. বক্সারের যুদ্ধ ⇒ ১৭৬৪;
Sh Sakil
২১. লর্ড ডাল হৌসি কর্তৃক হিন্দু বিধবা আইন পাশ ⇒ ১৮৫৬;
২২. বাংলা ভাষার প্রথম উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল প্রকাশ + সিপাহী বিদ্রোহ + কাগজের মুদ্রা চালু + বাংলাদেশে বাণিজিক ভাবে চা চাষ শুরু ⇒ ১৮৫৭ সালে;
২৩. নীল বিদ্রোহের অবসান + নীল দর্পন নাটকের প্রকাশ ⇒ ১৮৬০;
২৪. রবী ঠাকুরের জন্ম ও মাইকেলের মেঘনাথ বধ কাব্যে প্রকাশ + আমেরিকা গৃহ যুদ্ধ শুরু – ১৮৬১ ;
২৫. বাংলাদেশে রেল চালু ⇒ ১৮৬২;
২৬. যুক্তরাষ্ট্রের দাসপ্রথা বিলুপ্ত+ মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি ⇒ ১৮৬৩ ;
২৭. বাংলা সাহিত্যের ১ম সার্থক উপন্যাস দুর্গেশ নন্দিনী প্রকাশিত ⇒ ১৮৬৫;
২৮. রোকেয়ার জন্ম ⇒ ১৮৮০;
২৯. পৃথিবীতে প্রথম নিউজিল্যান্ডের নারীরা ভোটাধিকার পান ⇒ ১৮৯৩ ;
৩০. আধুনিক অলিম্পিকের যাত্রা শুরু ⇒ ১৮৯৬ ;
৩১. কাজী নজরুল ও জীবনানন্দের জন্ম ⇒ ১৮৯৯ ;
৩২. নোবেল পুরস্কার দেওয়া শুরু ⇒ ১৯০১;
৩৩. বঙ্গভঙ্গ শুরু এবং ঢাকা প্রাদেশিক রাজধানী ⇒ ১৯০৫ সালে;
৩৪. মুসলীম লীগ প্রতিষ্ঠিত ⇒ ১৯০৬ সালে;
৩৫. চর্যাপদ আবিষ্কৃত ⇒ ১৯০৭ সালে;
৩৬. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কৃত ⇒ ১৯০৯ সালে;
৩৭. গীতাঞ্জলি প্রকাশ ⇒ ১৯১০;
৩৮.বঙ্গভঙ্গ রদ ⇒ ১৯১১ সালে;
৩৯. টাইটানিকের ডোবা ⇒ ১৯১২ ;
৪০. গীতাঞ্জলির জন্য রবীর নোবলে + যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক পানামা খাল খনন শুরু ⇒ ১৯১৩;
Sh Sakil
৪১. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু + সবুজ পত্র পত্রিকা প্রকাশ ⇒ ১৯১৪;
৪২. চর্যাপদ + শ্রীকৃষ্ণকীর্তন প্রকাশিত + লক্ষ্নৌ চুক্তি ⇒ ১৯১৬;
৪৩. লেনিনের রুশ বিপ্লব/বলশেবিক /অক্টোবর বিপ্লব দ্বারা রাশিয়ায় জারতন্ত্রের অবসান + পুলিৎজার পুরস্কার শুরু + যুক্তরাষ্ট্রের ১ম বিশ্ব যুদ্ধে অংশগ্রহণ + বেলফোর ঘোষণা( ইহুদি রাষ্ট্র) ⇒ ১৯১৭;
৪৪. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ + ব্রিটেনের নারী ভোটাধিকার পায় + সওগাত পত্রিকা প্রকাশ ⇒ ১৯১৮ ;
৪৫. লিগ অব ন্যাশনস প্রতিষ্ঠা +আইএলো প্রতিষ্ঠা + রবী ঠাকুরের নাইট উপাধি বর্জন+ জালিওয়ানবাগ হত্যাকাণ্ড ⇒ ১৯১৯ ;
৪৬. বঙ্গবন্ধুর জন্ম ⇒ ১৯২০;
৪৭. কল্লোল পত্রিকা + ইন্টারপোলের কার্যক্রম শুরু+ বেঙ্গল প্যাক্ট(হিন্দু মুসলমান ঐক্য) + ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ম সমাবর্তন ⇒ ১৯২৩;
৪৮. মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠা ⇒ ১৯২৬ ;
৪৯. শিখা পত্রিকা ও মাসিক মোহাম্মাদী পত্রিকা প্রকাশ ⇒ ১৯২৭;
৫০. আলেকজান্ডার ফ্লেমিং কর্তৃক পেনিসিলিন আবিষ্কার ⇒ ১৯২৮ ;
৫১. বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু ⇒ ১৯৩০ ;
৫২. ২য় বিশ্বযুদ্ধ শুরু ⇒ ১৯৩৯;
৫৩. শেরে বাংলা কর্তৃক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন + টিভির বাণিজি্যক উৎপাদন ⇒ ১৯৪০ সালে;
৫৪. রবী ঠাকুরের মৃত্যু + জাপান কর্তৃক পার্ল হারবার আক্রমণ ⇒ ১৯৪১;
৫৫. পঞ্চাশের মন্বন্তর ⇒ ১৯৪৩ ( বাংলা ১৩৫০);
৫৬. বিশ্ব ব্যাংক ও আইএম এফ (ব্রিটেন উডস ইনস্টিটিউশন) + ডি ডে ⇒ ১৯৪৪ ;
৫৭. ২য় বিশ্বযুদ্ধ শেষ + ইউনেস্ক + জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা + জাপানে পারমাণবিক বোমা ফেলা + সবুজ বিপ্লব ⇒ ১৯৪৫;
৫৮. ভারত বর্ষ বিভক্ত ( পাকিস্তান ও ভারতের স্বাধীনতা) + এসকাপ প্রতিষ্ঠা + আইএম এফের কার্যক্রম শুরু ⇒ ১৯৪৭ সালে;
৫৯. আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ঘোষণা + সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন+ ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত + ফিলিস্তিনের মাতৃভূমিতে ইসরাইল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা + বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রতিষ্ঠা + উত্তর কোরিয়া – দক্ষিণ কোরিয়া , শ্রীলংকা+ মিয়ানমারের স্বাধীনতা + ট্রানজিস্টর আবিষ্কার +বিশ্ব শান্তি রক্ষী বাহিনী গঠন ⇒ ১৯৪৮;
৬০. আওয়ামী লীগ +ন্যাটো প্রতিষ্ঠা , জেনেভা কনভেনশন + চীনের বিপ্লব + কমনওয়েলথ প্রতিষ্ঠা ⇒ ১৯৪৯;
৬১. পূর্ববঙ্গ জমিদারী দখল ও প্রজাস্বসত্ত্ব আইন প্রণীত + মংলা সমুদ্র বন্দর + UNHCR প্রতিষ্ঠা ⇒ ১৯৫০ ;
৬২. ভাষা আন্দোলন + এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠা + শহীদ মিনার প্রতিষ্ঠা ⇒১৯৫২ সালে;
৬৩. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা + ডিএনএ ডাবল হেলিক্স + শেরপা- হিলারির এভারেস্ট জয় + কর্ণফুলী কাগজ কল (বাংলাদেশের ১ম) ⇒ ১৯৫৩ ;
৬৪. যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনে জয়লাভ + জাতীয় প্রেস ক্লাব + গণপরিষদে বাংলা ভাষাকে স্বীকৃতি + পূর্ব বাংলায় কেন্দ্রীয় শাসন জারি ⇒ ১৯৫৪;
৬৫. বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা, বান্দং সম্মেলন (ন্যাম গঠন) + মুসলিম আওয়ামীলীগ থেকে মুসলিম বাদ ⇒ ১৯৫৫;
৬৬. মিশরের সুয়েজ খাল জাতীয়করণ + বাংলা ভাষাকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান ⇒ ১৯৫৬;
৬৭. বাংলাদেশের প্রথম গ্যাস উত্তোলন আরম্ভ+ ভাসানির কাগমারি সম্মেলন + ইইসি + ম্যাগসেসে পুরস্কার + স্পুটনিক -১ ভূ-উপগ্রহ কক্ষপথে নিক্ষেপ ⇒ ১৯৫৭ ;
৬৮. পাকিস্তানে সামরিক অবস্থা জারি ⇒ ১৯৫৮ ;
৬৯. বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রদান শুরু ⇒ ১৯৬০;
৭০. শিক্ষা আন্দোলন- ১৯৬২ ;
৭১. বার্লিন প্রাচীর গঠন , ন্যামের ১ম সম্মেলন , আমেনেষ্টি ইন্টারন্যাশনালের গঠন ⇒ ১৯৬১ ;
৭২. ছয়দফা পেশ ⇒ ১৯৬৬ সালে;
৭৩. আগরতলা মামলা ⇒ ১৯৬৮ সালে;
৭৪. গণঅভ্যুত্থান ⇒ ১৯৬৯ সালে;
৭৫. স্বাধীন বাংলাদেশ ⇒ ১৯৭১ সালে;
৭৬. বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ⇒ ১৯৭২;
৭৭. ভারত -বাংলাদেশ মৈত্রী চুক্তি ⇒ ১৯৭২;
এই রকম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পেতে আমাকে ফলো করতে পারেন।
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
বিষয়: (সীমারেখা + প্রনালী)
🔻সীমারেখা
★ লাইন অব কন্ট্রোল --- ভারত ও পাকিস্তান
★ ডুরান্ড লাইন --- পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
★ ম্যাকমোহন লাইন --- ভারত ও চীন
★ ম্যাজিনো লাইন --- জার্মান ও ফ্রান্স
★ ব্লু লাইন --- ইসরায়েল ও লেবানন
★ সনোরা লাইন --- যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
★ ওডারনিস লাইন --- জার্মানি ও পোল্যান্ড
★ ৩৮ তম অক্ষরেখা --- উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া
★ গ্রীণ লাইন --- সিরিয়া ও ইসরায়েল
★ Radcliffe Line --- বাংলাদেশ ও ভারত
★ লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল --- চীন ও ভারত
★ ম্যাকনামারা লাইন --- উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম

🔻প্রণালী যেসব দেশকে পৃথক করেছ
★ পক প্রণালী --- ভারত ও শ্রীলংকা
★ জিব্রাল্টার প্রণালী --- আফ্রিকা ও ইউরোপ, স্পেন ও মরক্কো
★ মালাক্কা প্রণালী --- ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া
★ বেরিং প্রণালী --- এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা
★ ফ্লোরিডা প্রণালী --- ফ্লোরিডা ও কিউবা
★ সুন্দা প্রণালী --- সুমাত্রা ও জাভা
★ ডোভার প্রণালী --- ফ্রান্স ও ব্রিটেন
★ বসফরাস প্রণালী --- এশিয়া ও ইউরোপ
★ ইংলিশ চ্যানেল --- ব্রিটেন ও ফ্রান্স।
★ মেসিনা প্রণালী --- সিসিলি ও ইতালি
★ বাব-এল-মানদেব --- এশিয়া ও আফ্রিকা,
★ হরমুজ প্রণালী --- ওমান ও ইরান
★ দার্দানেলিস প্রণালী --- এশিয়া ও ইউরোপ

🔻সাগর ও মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে
★ পক প্রণালী --- ভারত মহাসাগর ও আরব সাগর
★ মালাক্কা প্রণালী --- বঙ্গোপসাগর ও জাভা সাগর
★ বেরিং প্রণালী --- উত্তর সাগর ও বেরিং সাগর
★ সুন্দা প্রণালী --- ভারত মহাসাগর ও জাভা সাগর
★ ডোভার প্রণালী --- ইংলিশ চ্যানেল ও উত্তর সাগর
★ বসফরাস প্রণালী --- মর্মর সাগর ও কৃষ্ণ সাগর
★ ইংলিশ চ্যানেল --- আটলান্টিক মহাসাগর ও উত্তর সাগর
★ বাব-এল-মানদেব --- এডেন সাগর ও লোহিত সাগর
★ হরমুজ প্রণালী --- পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগর
★ জিব্রাল্টার প্রণালী --- উত্তর আটলান্টিক ও ভূমধ্যসাগর
★ ফ্লোরিডা প্রণালী --- মেক্সিকো উপসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগর
★ দার্দানেলিস প্রণালী --- এজিয়ান সাগর ও মর্মর সাগর
★ মেসিনা প্রণালী --- টিরহেনিয়ান সাগর ও আইওনিয়ান সাগর
এই রকম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পেতে আমাকে ফলো করতে পারেন।
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
✅বঙ্গবন্ধুর 7 ই মার্চের ভাষণকে কোন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ঐতিহাসিক ভাষণ হিসেবে
স্বীকৃতি দেয়?-ইউনেস্কো
✅ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কারের নাম কি?--স্বাধীনতা পুরস্কার
✅বর্তমানে বাংলাদেশে মােট কতগুলাে সিটি কর্পোরেশন রয়েছে?--১২টি
✅নীলগিরি নামক পর্যটন স্থান টি বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?--বান্দরবান
✅'SDG'এর পূর্ণরূপ কি?--Sustainable Development Goal
✅ মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে ঢাকা কত নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল?-২নং
✅2019 সালের একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বিশ্বকাপ প্রতিযােগিতায় রানার্স আপ হয়
কোন দেশ?--নিউজিল্যান্ড
✅ কোন সালটি অধিবর্ষ?-2016 সাল
✅ভাওয়াইয়া বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে প্রচলিত পল্লীগীতি?--রংপুর
✅ বাংলাদেশের বিজয় দিবস পালিত হয় কোন তারিখে?--১৬ই ডিসেম্বর ation]
✅নিচের কোন দেশকে হাজার দ্বীপের দেশ বলা হয়?--ফিনল্যান্ড
✅বিভিন্ন দেশের শিশুদের উন্নতি, নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে
জাতিসংঘের কোন প্রতিষ্ঠানে কাজ করে?--ইউনিসেফ
✅ থাইল্যান্ডের মুদ্রার নাম কি?-- বাথ
✅সীতাকোট বিহার কোথায় অবস্থিত--দিনাজপুর
✅জিম্বাবুয়ের দেশটি কোন মহাদেশে অবস্থিত?--আফ্রিকা
✅বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা গােয়েন্দা সংস্থার সদর দপ্তর কোন এলাকায় অবস্থিত--
সেগুনবাগিচা
✅বাংলাদেশের সবচেয়ে খরস্রোতা নদী কোনটি?--কর্ণফুলী
✅বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপিত হবে কোন সালে?-২০২১ সালে
✅নিচের কোন স্থানের ভৌগলিক উপনাম ১২ আউলিয়ার দেশ?-- চট্টগ্রাম
✅আয়তনের ভিত্তিতে বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা কোনটি?---রাঙ্গামাটি

➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖

মাননীয় & মহামান্য এর মধ্যে পার্থক্য কী? Confusing ২০টি প্রশ্নের উত্তর।
=============================================

০১। Pupil ও Student এর মধ্যে পার্থক্য কী?

সাধারণত কোনো শিক্ষকের সরাসরি তত্ত্বাবধানে শিক্ষা গ্রহণকারী বা নিচের শ্রেণীর শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে Pupil আর স্কুল (মাধ্যমিক), কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে Student ব্যবহৃত হয়।

০২। হাওর, বাওর এবং বিল, ঝিল এর পার্থক্য কী ?

উত্তর- হাওর হচ্ছে বিশাল গামলা আকৃতির জলাশয় যা ভূ-আলোড়নের ফলে সৃষ্টি হয় এবং সেখানে অনেক পানি জমে। যেমনঃ হাকালুকি।

অন্যদিকে বাওর হল পুরাতন নদীর গতিপথ পরিবর্তনের মাধ্যমে সৃষ্ট জলাশয়। বিল পুরাতন নদীর গতিপথের ধার ঘেঁষে সৃষ্টি হয়। যেমন চন্দা।

ঝিল হচ্ছে নদীর পরিত্যাক্ত খাত। সাধারনত ঝিলকে অশ্বক্ষুরাকৃতি হৃদ হিসেবে নির্দেশ করা হয়।

০৩। প্লুটো কেন গ্রহ নয়?

ভর, আকৃতি (ছোট) এবং অনিয়মিত কক্ষপথ – প্রধানত এ তিন বিষয়ের কারণেই প্লুটোকে গ্রহের মর্যাদাচ্যুত করা হয়।

০৪। মাননীয় & মহামান্য এদের মধ্যে পার্থক্য কী?

★মাননীয়ঃ

* যাকে মান্য করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য
যেমন: প্রধানমন্ত্রীকে সম্মোধনের ক্ষেত্রে মাননীয় ব্যবহার করা হয়।

★মহামান্যঃ

* যাকে মান্য করা প্রত্যেক নাগরিকের অবশ্য কর্তব্য এবং যিনি আইনের ঊর্ধ্বে অবস্থান করেন।
যেমন: রাষ্ট্রপতিকে সম্মোধনের ক্ষেত্রে মহামান্য ব্যবহার করা হয়।

০৫। চন্দ্রমুদ্রা বা Moon Money কী?

প্রাচীনকালে চীনে প্রচলিত এক ধরনের বিনিময় মাধ্যম হলো ‘ চন্দ্রমুদ্রা ‘। তামার তৈরি এ মুদ্রাটি দেখতে অর্ধ চন্দ্রাকার হওয়ায় এর এরূপ নামকরণ করা হয়।

০৬। ১, ২, ৫ টাকার কয়েন গুলো কেন সরকারি মুদ্রা ?

★আমরা সবাই জানি ১, ২, ৫ টাকার কয়েনগুলো সরকারি মুদ্রা কারণ এগুলোতে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থেকে আর বাকি নোটগুলোতে থাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের ।

মূলত দেশের টাকা ছাপানোর দায়িত্ব হলো বাংলাদেশ ব্যাংকের । এজন্য ৫ থেকে ১০০০ হাজার টাকার নোট ছাঁপানোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে যতটাকা ছাঁপাবে তত টাকার সমান টাকা বা gold বা ডলার মজুদ রাখতে হয় ফরেন রিভার্জ সিরিকিউরিটি হিসেবে ।

অপর পক্ষে ১ ২ ও ৫ টাকার কয়েন ছাঁপানোর জন্য সরকারকে কোন Gold রিজার্ভ রাখতে হয় না । ফলে বহুল ব্যবহৃত এসব কয়েন সরকার ইচ্ছামতো পরিমাণে বানাতে পারে , এতে দেশের অনেক সময় মুদ্রাস্ফীতির লাগাম টেনে ধরা যায় । সেজন্য বহুলব্যবহৃত এসব কয়েনকে সরকারি মুদ্রা বলা হয়।

০৭। Holy See (হলি সী) কী?

রোমান ক্যাথলিক চার্চের আইনগত ও প্রতিকী প্রতিভূ হলো হলি সী,যার সর্বোচ্চ পদে থাকেন পোপ। এটা দ্বারা অনেক সময় নগর ভ্যাটিকানকেও বোঝানো হয়।

০৮। খ্রিষ্টাব্দ কী? এর প্রচলন কখন থেকে শুরু হয়?

যীশু খ্রিস্টের জন্ম থেকে গননা করা বর্ষপঞ্জী হলো খ্রিস্টাব্দ। ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৫৮২ পোপ ত্রয়োদশ গ্রেগরির এক আদেশানুসারে এ বর্ষপঞ্জীর প্রচলন ঘটে।

০৯। নাইলন (Nylon) কী?

কতিপয় কৃত্রিম প্লাস্টিক জাতীয় পদার্থের সাধারণ নাম হলো নাইলন। এটা খুব শক্ত ও স্থিতিস্থাপক পদার্থ।
কয়লা, বাতাস,পেট্রোলিয়াম,চুনাপাথর, বায়োগ্যাস ইত্যাদি উপাধানের সাহায্যে এক জটিল প্রক্রিয়ায় এটা তৈরি করা হয়।

১০। প্রতি চার বছর অন্তর লিপ ইয়ার হওয়া সত্ত্বেও বাংলা নববর্ষ কিভাবে ১৪ এপ্রিলই হয়?

বঙ্গাব্দকে আধুনিক করতে ১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দের ১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলা একাডেমী কর্তৃক ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়।

গঠিত কমিটির প্রস্তাব অনুসারে বছরের ১ম পাঁচ মাস ৩১দিনের ও বাকী মাসগুলো ৩০দিনের এবং লিপইয়ারের ক্ষেত্রে ফাল্গুন মাসে ১দিন যোগ করা হয়। এ কারনে বাংলা নববর্ষ প্রতি বছর ১৪ এপ্রিলই হয়।

১১। চেকবুক কূটনীতি কী ?

অবকাঠামোসহ বিভিন্ন খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ করে কোনো দেশকে কাছে টানতে চাওয়ার কূটনীতি।

১২। সার্কুলার নোট কী?

পর্যটকদের দেয়া যে হুন্ডি (নির্দিষ্ট পরিমান অর্থ)ব্যাংকের বিদেশস্থ কোনো শাখায় ভাঙবার সুযোগ রয়েছে,তাকে সার্কুলার নোট বলে।এটা এক ধরনের প্রত্য্যপত্র বা লেটার অব ক্রেডিট (LC)।

১৩। কত তারিখ থেকে বাবার নামের সাথে মায়ের নাম লেখা শুরু হয়?

১৯৯৮ সালের ৯ ডিসেম্বর রোকেয়া দিবসে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মায়ের নাম লেখার ঘোষণা দেন এবং ২০০০ সালের ২৭ আগস্ট কার্যকর হয়। আর সার্টিফিকেটে পিতার নামের সাথে মায়ের নাম লেখা চালু হয়-২০০৪ সালে।

১৪। হিসপানিক কি?

হিসপানিক হলো ঐ সকল অভিবাসী জনগোষ্ঠী যারা স্পেনের ভাষা, সংস্কৃতির সাথে যুক্ত ।

১৫। “সরকারি সফর” এবং “রাষ্ট্রীয় সফর” এর মধ্যে পার্থক্য কী?

রাষ্ট্র প্রধান (রাষ্ট্রপতি), মন্ত্রিপরিষদ প্রধান (প্রধানমন্ত্রী) এর সফর হলো – রাষ্ট্রীয় সফর।

অন্যদিকে সরকারের মন্ত্রী, এমপি, আমলাদের সফর হলো – সরকারি সফর ।

১৬। আইটি পার্ক ও হাইটেক পার্কের মধ্যে পার্থক্য কী?

আইটি পার্ক মূলত সফটওয়ার ডেভেলপমেন্ট কিংবা আউটসোর্সিং কাজের সাথে সম্পর্কিত । যেমন :স্যামসাং, অ্যাপল ইত্যাদির ক্যাম্পাস।

আর হাইটেক পার্ক হল উন্নতটেকনোলজিরর সাথে রিসার্চ ডেভেল’পমেন্ট এবং প্রোডাকশন ইত্যাদির সমন্বয়।
যেমন: সুইজারল্যান্ডের রোল্যাক্স আর ইসরাইলের চিকিৎসা আর সামরিক ইন্ডাস্ট্রি।

১৭। Mbps ও MBps এর মধ্যে পার্থক্য কী?

Mbps এর পূর্ণরূপ Megabits per second, যা সাধারণ ডাউনলোড ও আপলোড স্পিড। আর MBps এর পূর্ণরূপ Megabytes per second, যা সাধারণ ফাইল সাইজ বা ডেটার পরিমাণ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। উলেখ্য, ১ বাইট সমান ৮বিট।

১৯। মনোকালচার কী?

কোনো জমিতে সকল ধরনের চাষাবাদ বাদ দিয়ে শুধু একটি শস্যের চাষ করাকে বলা হয় মনোকালচার বা একক কৃষি।

২০। ভায়াডাক্ট কী?

ভায়াডাক্ট এক ধরনের বিশেষ সেতু, যেখানে ধারাবাহিকভাবে পাশাপাশি দুই পিলারের ওপর ধনুক আকৃতির কাঠামো তৈরি করে তার ওপর সড়ক বা রেলপথ স্থাপন করা হয়।
সংগৃহীত

14/01/2022

িক্ষা ---
1. Anytime - যেকোনো সময়।
2. Anyway - যেকোনো ভাবে।
3. Anyone - যে কেউ।
4. Anything - যেকোনো জিনিস।
5. Anywhere - যেকোন স্থানে।
6. Anyhow - যেকোনো ভাবে।
7. Anybody - যে কেউ।
8. Any - যেকোনো।
9. How to - কিভাবে।
10. What's mean - মানে কি।
11. I am strange - আমি অবাক।
12. How strange - অদ্ভুত।
13. Don't see - দেখো না।
14. Let's go - চলো যাই।
15. Every morning - প্রত্যেক সকালে।

11/01/2022

আদর্শ লিখিতে পড়া ছোটবেলার সেই কবিতা👇

🏵আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে?
When will born the boy in our country
🏵কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে।
Who will not be great for talk rather great for his action
🏵মুখে হাসি বুকে বল, তেজে ভরা মন,
Smile face,strong heart,energetic mind
🏵মানুষ হতেই হবে এই যার পণ
Who has the promise to must be an authentic human being
🏵বিপদ আসিলে কাছে হও আগুয়ান
When trouble comes just go ahead
🏵নাই কি শরীরে তব রক্ত মাংস প্রাণ?
Don't you have the blood, flesh ,heart?
🏵হাত পা সবারই আছে মিছে কেন ভয়?
Everyone has hands, legs so why you afraid?🏵চেতনা আছে যার সেকি পড়ে রয়?
Who has a consciousness does he stopped himself ?
🏵সে ছেলে কে চাই বল
Who want the boy
🏵কথায় কথায় আসে যার চোখে জল, মাথা ঘুরে যায়?
Always who cry and feel giddiness?
🏵মনে প্রাণে খাটো সবে, শক্তি কর দান
Give effort from your heart and soul,and give your strength
🏵তোমরা মানুষ হলে দেশের কল্যাণ
If ।you will be an authentic human being, the country will be benefited

🖤🖤Write Done🖤🖤

10/01/2022

🤐ভালো লাগলো গল্পটা✅

অনেক বড় এক কোম্পানী হঠাৎ করে ব্যবসায় লোকসান করে বসলো।এক দুপুরে সেই কোম্পানীর কর্মচারীরা বাইরের ক্যান্টিনে লাঞ্চ করে ফেরার সময় অফিসের প্রবেশমুখে একটি নোটিশ দেখতে পেল।নোটিশে লেখা ছিল,

'আমাদের কোম্পানীর লোকসানের জন্য যে ব্যক্তিটি দায়ী যে গতকাল মারা গেছে।সেমিনার রুমে একটি কফিনে তার লাশ রাখা হয়েছে।যে কেউ তা দেখতে চাইলে আমন্ত্রিত।'

একজন সহকর্মীর মত্যুর খবর শুনে প্রথমে লোকেরা দুঃখ পেল।তবে এরপর তারা কৌতুহলী হয়ে উঠলো এই ভেবে যে আসলে কে হতে পারে সেই ব্যক্তি।

তারা সবাই সেমিনার রুমে এসে একত্রিত হলো,সবাই ভাবতে লাগলো,'আসলে কে সেই লোক যে আমাদের সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল? তবে সে যেই হোক, এখন অন্তত সে আর বেঁচে নেই।

একে একে তারা যখন কফিনের কাছে গেল এবং ভেতরে তাকালো হঠাৎ তারা কেমন যেন বাকশূন্য হয়ে গেল, হতভম্ভ হয়ে গেল। যেন তাদের খুব আপন কারো লাশ সেখানে রাখা ছিল।

কফিনের ভেতর আসলে রাখা ছিল একটা আয়না।যেই ভেতরে তাকিয়েছিলো সে তার নিজে চেহারাই দেখতে পাচ্ছিলো।আয়নার একপাশে একটা কাগজে লেখা ছিল

তোমার সাফল্যের পথে বাধা দিতে সক্ষম শুধুমাত্র একজনই আছে গোটা পৃথিবীতে, আর সে হচ্ছো 'তুমি' নিজে।

তুমিই সেই একমাত্র ব্যক্তি যে তোমার জীবন পরিবর্তন আনতে পারে, তোমাকে সুখী করতে পারে, তোমাকে সাহায্য করতে পারো,সুখী করতে পারো।তোমার জীবন তখন বদলে যায় না যখন তোমার অফিসের বস বদলায়,যখন তোমার অভিভাবক বদলায়,তোমার বন্ধুরা বদলায়, তোমার জীবন তখনই বদলায় যখন তুমি নিজে বদলাও।তোমার সক্ষমতা সম্পর্কে তোমার নিজের বিশ্বাসের সীমাটা যখন তুমি অতিক্রম করতে পারো, শুধু তখনই তোমার জীবন বদলায়,পূরন হয় জীবনের লক্ষ্য গুলো।। নিজের আলোয় আলোকিত করো চারপাশ।।

10/01/2022



, , lot of, , rest of

✅ Many
Countable noun এর সাথে many ব্যবহৃত হয়।
Examples:
✪ তার অনেকগুলি বল আছে। - He has many balls.
✪ এখানে অনেক বই আছে। - There are many books here.
✪ আমি অনেকগুলি ফল এনেছি। - I have brought many fruits.
✪ তাকে অনেক নিয়ম মানতে হয়। - She has to follow many rules.

✅ Much
Countable noun এর ক্ষেত্রে অনেক বোঝাতে Many ব্যবহৃত হয়। কিন্তু uncountable noun এর ক্ষেত্রে একই অর্থে Much ব্যবহৃত হয়।
Examples:
✪ আমি অনেক বেশি স্বস্তি বোধ করেছিলাম - I felt much more relaxed.
✪ এই পুকুরে অনেক পানি আছে - There is much water in this pond.
✪ তোমার কাছে কি অনেক টাকা আছে - Do you have much money with you?
✪ তুমি যত চাও তত নাও - Take as much as you want to.

✅ How much
কোন কিছুর দাম জিজ্ঞাসা করতে কিংবা কোন কিছুর সঠিক পরিমাণ জানতে চাওয়ার ক্ষেত্রে How much ব্যবহৃত হয়।
Examples:
✪ ক্যামেরাটির দাম কত? - How much is the camera?
✪ এই পোশাকটির দাম কত? - How much is this dress?
✪ তুমি কতক্ষন টেলিভিশন দেখো? - How long do you watch TV ?
✪ তুমি কি পরিমান সময় ফেসবুকে ব্যয় কর? - How much time do you spend on Facebook?

✅ A lot of
কোন কিছু প্রচুর পরিমাণে বোঝাতে A lot of ব্যবহৃত হয়।
Examples:
✪ Can he earn a lot of money? - সে কি প্রচুর পরিমাণ অর্থ উপার্জন করে?
✪ We drank a lot of soft drinks. - আমরা প্রচুর সফট ড্রিঙ্কস পান করলাম।
✪ I have a lot of friends. - আমার অনেক বন্ধু আছে।
✪ There are a lot of students in this classroom. - এ শ্রেণীকক্ষে অনেক ছাত্রছাত্রী আছে।

✅ How many
কোন কিছুর নির্দিষ্ট সংখ্যা জানতে বা জিজ্ঞাসা করতে How many ব্যবহার করা হয়।
Examples:
✪ সেখানে কতগুলি আপেল আছে? - How many apples are there?
✪ আকাশে কতগুলি তারা আছে? - How many stars are in the sky?
✪ তোমার পরিবারে কতজন লোক আছে? - How many people are in your family?
✪ তুমি প্রতি সপ্তাহে কতদিন কাজ করো? - How many days do you work each week?
✅ Little
Uncountable noun এর ক্ষেত্রে ”খুবই কম” বা ”নেই বললেই চলে” অর্থে Little ব্যবহৃত হয়।
Example:
✪ আমাদের অল্প পরিমাণ পানি ছিল - We had a little water.
✪ আজ শীত নেই বললেই চলে - It’s a little cold today.
✪ এ বিষয়ে আমার অল্প জ্ঞান আছে - I have a little knowledge about this.
✪ আমি আরো অল্প একটু ঘুমাতে চাই - I want to sleep a little more.

✅ The rest of
কোন কিছু বাকি বা অবশিষ্ট বোঝাতে The rest of ব্যবহৃত হয়।
✪ বাকি লোকগুলি কাজটি করছিল - The rest of the people were doing the work.
✪ বাকি আমগুলি তাকে দেওয়া হয়েছিল - The rest of the mangoes were given to him.
✪ বাকি বইগুলি ছিল উপন্যাস - The rest of the books were novel.
✪ বাকি বন্ধুগুলি কক্সবাজার গিয়েছিল - The rest of the friends went to Cox’sbazar.

Want your school to be the top-listed School/college in Feni?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address

Feni Town
Feni
710931