ফদিরপুর শহর বা আশে পাশে লাইটিং ব্যানার মেরামত করেন এমন কেউ আছেন? বা এমন কারো নম্বর দিলে উপকৃত হতাম।
Ad-Doha Ideal Madrasah
মাদরাসাতুদ-দোহা আল ইসলামিয়্যাহ
02/06/2026
সাত-আটদিন আগে ময়লার ভাগাড়ের মতো এই ঘরে মরে পচে গেছেন এমন এক বৃদ্ধা, যার এক ছেলে বুয়েট-শিক্ষক, আরেক ছেলে যুগ্ম-সচিব, অন্য ছেলে কানাডা-প্রবাসী।
এদেশের অধিকাংশ বাবা-মা সন্তানকে কথিত সফলতার যে স্বপ্নচূড়ায় দেখতে চান, বৃদ্ধার তিন ছেলেই জাগতিক সাফল্যের সেই স্বর্ণচূড়া স্পর্শ করেছে।
কিন্তু মাঝখানে একটা ঈদ গেল, মা বেঁচে আছে নাকি মরে গেছে, ক্যারিয়ারের পেছনে ছুটতে থাকা সন্তানদের খোঁজ নেয়ার হয়তো সুযোগটুকুও ঘটেনি। একাকী ঘরের মধ্যে মরে শরীরের মাংস খসে খসে পড়েছে বৃদ্ধার।
যে সফলতা বাবা-মার ভালোবাসা ভুলিয়ে দেয়, যে সফলতা মৃত্যুর সময়ও এক আঁজলা পানি নিয়ে মায়ের মাথার কাছে বসার ফুরসত দেয় না, আমাদের প্রয়োজন নেই এমন সফলতার।
দীন, মূল্যবোধ, নৈতিকতা এবং মানুষ হওয়ার শিক্ষাকে পাশ কাটিয়ে যতদিন আমরা শুধু বস্তুবাদ ও বৈষয়িক সফলতার পেছনে ছুটব, ততদিন এই ধরনের অনাকঙ্ক্ষিত ঘটনা আমাদের দেখে যেতে হবে।
আসুন, শিক্ষিত হওয়ার আগে মানুষ হই। সন্তানকে শিক্ষিত বানানোর আগে মানুষ বানাই।
সেক্যুলার শিক্ষাব্যবস্থা ব্যর্থ। শুধু আপনার শ্রম চায়, সার্ভিস। আপনাকে মানুষ বানানো এর উদ্দেশ্য না। সন্তানরা সবাই পুঁজিবাদী ভোগবাদী শিক্ষাব্যবস্থার প্রোডাক্ট শিক্ষিত জানোয়ার। একজন সচিব, একজন ভার্সিটি প্রফেসর, একজন কানাডাপ্রবাসী। আলেমদের শত দোষ থাকতে পারে, কখনও কোন আলেমের মা-বাপের এমন পরিণতি দেখবেন না।
বাবামায়েরা এমন দেখতে না চাইলে, বাচ্চাকে দীন শেখান। আল্লাহ কে, নবিজি কে, মাবাপ কি, এসব না শেখায়ে টাকা-চাকরি-ডাক্তার হব এসব শিখিয়েন না। তাহলে বড় চাকরি করবে, ডাক্তার প্রফেসর হবে, কিন্তু আপনাকে এভাবো মরতে হবে। আরে যে তার রবকে চেনে না, সে বাপমায়ের হক কি চিনবে?
02/06/2026
ঢাকার মিরপুরে একটা বাসা থেকে এক বৃদ্ধার পচা-গলা লা'শ উদ্ধার করেছে পুলিশ।ধারণা করছেন বৃদ্ধা সাত-আট দিন আগে মা'রা গিয়েছেন৷ শরীর পচে পোকা ধরে গিয়েছে!
অথচ এই হতভাগা নারীর চার সন্তানের সবাই উচ্চশিক্ষিত, সবাই সমাজে প্রতিষ্ঠিত। একজন বুয়েটের শিক্ষক, একজন যুগ্ম সচিব, আরেকজন কানাডা প্রবাসী। মিরপুরে থাকতেন মেয়ের সাথে। সেই মেয়ের জামাইও সাবেক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক!
যে মেয়ের সাথে থাকতেন, সে মেয়েও নাকি জানে না পাশের রুমে তার মা ম'রে পড়ে আছে! অনেকদিন সাড়াশব্দ না পেয়ে নার্স ডেকে আনে। নার্স এসে তাকে মরা লা'শের খবর দেয়। পুলিশ এসে দেখে বৃদ্ধার রুমে দীর্ঘদিনের অযত্ন, অবহেলার ছাপ স্পষ্ট। পরিচর্যার অভাব বোঝা যায় রুমে ঢুকলেই।
অথচ বৃদ্ধা নিশ্চয়ই তার বয়সকালে ছেলেমেয়েদেরকে শিক্ষিত করতে যত্ন-পরিচর্যার কোনো অভাব রাখেন নাই। নাহলে তো তারা এই পর্যায়ে আসতে পারতো না। বুকে আগলে বড়ো করেছেন। শিক্ষিত করেছেন৷ কিন্তু মানুষ হয়তো বানাতে পারেন নাই!
শিক্ষিত হলেই সবাই মানুষ হয় না।
সন্তানকে শিক্ষিত বানান, সাথে মানুষও বানান
—সংগৃহীত
29/05/2026
এই পোস্টটি লিখতে গিয়ে বুক ফেটে যাচ্ছে। সারা দেশ যখন রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে উত্তাল, সেইসময়েই ঘটেছিল আরেকটি হৃদয়বিদারক ঘটনা। রাজধানীর বনশ্রীর একটি মাদরাসার বাথরুম থেকে মাত্র ১০ বছর বয়সী শিশু আবদুল্লাহর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
এই জঘন্য ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পাবনা থেকে শিহাব (১৮) নামে ওই মাদরাসারই এক বড় ছাত্রকে আটক করেছে পুলিশ। মাদরাসা অভ্যন্তরে এই ধরণের অপরাধের প্রবণতা সাধারণ মানুষকে পুরো মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি বিতৃষ্ণ করে তুলছে। এগুলো আলেম সমাজ ও দ্বীনি শিক্ষার জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাই, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এই ঘটনার পেছনের সত্য উন্মোচন করে অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক। এই ধরণের জঘন্য অপরাধীদের পাশে মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থা কিংবা আলেম সমাজ কখনোই দাঁড়াতে পারে না।
এখানে একটি বিষয় বিশেষভাবে লক্ষণীয়—আটককৃত শিহাব বনশ্রীর সি-ব্লকের ৩ নম্বর রোডের ‘আলোকিত কুরআন ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসা’র শিক্ষার্থী। সাধারণত হিফজখানাগুলোতে কোনো ছাত্রের বয়স বেশি হয়ে গেলে তাকে নতুন করে হিফজ বিভাগে ভর্তি না নেওয়ার একটি অলিখিত নিয়ম বা বিধান থাকে এবং এটিই বাঞ্ছনীয়। অথচ এই মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ১৮ বছরের এক যুবককে হিফজখানায় ভর্তি রেখে এমন একটি অপরাধের পথ সুগম করে দিয়েছে। এই গাফিলতির জন্য মাদরাসা কর্তৃপক্ষকেও জবাবদিহিতা ও শাস্তির আওতায় আনা উচিত। হিফজখানা ও আবাসিক মাদরাসাগুলোর জন্য এখনই বোর্ড থেকে একটি সমন্বিত ও কঠোর নীতিমালা প্রণয়ন করা সময়ের দাবি।
মাদরাসার ছাত্র হোক কিংবা শিক্ষক—যারাই এই ধরণের জঘন্য অপরাধে জড়িত হবে, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের দলমত নির্বিশেষে সোচ্চার হতে হবে। "মাদরাসার বদনাম হবে"—এই অজুহাতে অপরাধ লুকিয়ে রাখার যে অসৎ প্রবণতা কিছু জায়গায় দেখা যায়, তা আল্লাহর দরবারে যেমন মহাপাপ, তেমনি নৈতিকতার বিচারেও চরম প্রতারণা। মাদরাসার ভেতরে এই ধরণের অপরাধী ও তাদের পৃষ্ঠপোষকদের কোনো প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। এমন অন্যায় চলতে থাকলে পুরো মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থাই আল্লাহর আজাবের সম্মুখীন হবে।
মহিলা মাদরাসা কিংবা আবাসিক মাদরাসা—যেখানেই ধর্ষণ বা বলাৎকারের মতো জঘন্য ঘটনা ঘটবে, সেই অপরাধীদের সাথে দেশের মূলধারার মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থা ও আলেম সমাজের কোনো সম্পর্ক থাকতে পারে না। ইসলাম ও মাদরাসা শিক্ষা সবসময়ই এই ধরণের পাপাচারের বিরুদ্ধে কঠিন অবস্থান নেয়।
ইসলামি শরিয়া আইনে এই ধরণের অপরাধীদের জন্য কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বিধান রয়েছে। আমরা শরিয়া আইন অনুযায়ীই এদের সর্বোচ্চ শাস্তি কামনা করি। যেহেতু আমাদের দেশে প্রচলিত আইনি ব্যবস্থা কার্যকর, তাই সরকারের কাছে আমাদের জোর দাবি—দেশের প্রচলিত আইনেই যেন এই নরপশুদের দ্রুততম সময়ে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হয়।
আমরা আবদুল্লাহ হত্যার বিচার চাই। নিরাপদ হোক প্রতিটি শিশুর শিক্ষাজীবন।
—@সাধারণ আলেম সমাজ
আ:রহমান সাফওয়ান তার উস্তাদজীকে জোর করে নিজের বাসায় নিয়ে যেতে চাই, ছোটদের ভালোবাসায় কোন লৌকিকতা নেই।
তার অভিভাবক না আসার কারনে উস্তাদজী তাকে রাস্তা পার করিয়ে দিতে গিয়েছিল, মাঝে মাঝেই সাফওয়ান উস্তাদজীকে দাওয়াত করে কিন্তু উস্তাদজী যায় না, আজ সুযোগ পেয়েছে, তাই উস্তাদজীকে আজ ছাড়বে না।
আল্লাহ তাকে দুনিয়া ও আখেরাতে সফল করুন।
প্রিয়দের আরবী সংখ্যা গণনা
ছোটদের মুখে প্রিয় নবী সা. এর হাদিস
ছোট্টদের মুখে প্রিয় নবী সা. এর হাদিস
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Faridpur