15/08/2026
বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা উন্নত করতে শুধু নতুন কারিকুলাম নয়, শিক্ষার পুরো পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনার উন্নতি দরকার। গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো—
১. মুখস্থনির্ভরতা কমানো — বুঝে শেখা, যুক্তি, সৃজনশীলতা ও সমস্যা সমাধানকে গুরুত্ব দিতে হবে।
২. শিক্ষকের মান উন্নয়ন — নিয়মিত প্রশিক্ষণ, শ্রেণিকক্ষ পর্যবেক্ষণ এবং শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন করতে হবে।
৩. প্রাথমিক শিক্ষায় মৌলিক দক্ষতা নিশ্চিত করা — প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে নির্দিষ্ট শ্রেণির মধ্যে বাংলা পড়া, লেখা ও মৌলিক গণিতে দক্ষ করে তুলতে হবে।
৪. পরীক্ষার পদ্ধতিতে পরিবর্তন — শুধু পরীক্ষার নম্বর নয়; ক্লাসের কাজ, ব্যবহারিক দক্ষতা, সৃজনশীল চিন্তা ও ধারাবাহিক মূল্যায়নকে গুরুত্ব দিতে হবে।
৫. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জবাবদিহি বাড়ানো — শিক্ষক, প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা প্রশাসনের কাজের নিয়মিত মূল্যায়ন থাকতে হবে।
৬. প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার — ডিজিটাল কনটেন্ট, স্মার্ট ক্লাস ও AI ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে প্রযুক্তি যেন শিক্ষকের বিকল্প না হয়ে শিক্ষাকে সহায়তা করে।
৭. দরিদ্র শিক্ষার্থীদের বিশেষ সহায়তা — বৃত্তি, শিক্ষা উপকরণ, পুষ্টি সহায়তা এবং প্রয়োজনে পরিবহন সুবিধা দিয়ে ঝরে পড়া কমাতে হবে।
৮. কারিগরি ও জীবনমুখী শিক্ষা বাড়ানো — মাধ্যমিক পর্যায় থেকেই কম্পিউটার, যোগাযোগ, আর্থিক সচেতনতা, কারিগরি দক্ষতা ও কর্মমুখী শিক্ষা দিতে হবে।
৯. রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা — বারবার নীতি ও কারিকুলাম পরিবর্তনের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা পরিকল্পনা গ্রহণ করে ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।