🌙 আরাফাতের দিনের বিশেষ আমল 🌙
আরাফাতের দিন হলো বছরের সবচেয়ে ফজিলতপূর্ণ দিনগুলোর একটি। 🤍
এই দিনে আল্লাহ অসংখ্য বান্দাকে ক্ষমা করেন এবং দোয়া কবুল করেন।
📌 আরাফাতের দিনের গুরুত্বপূর্ণ আমলসমূহ:
✨ ১. বেশি বেশি দোয়া করা
রাসূল ﷺ বলেছেন,
“সর্বোত্তম দোয়া হলো আরাফাতের দিনের দোয়া।” 🤲
✨ ২. রোজা রাখা (যারা হজে নেই)
আরাফাতের এক দিনের রোজা
আগের ১ বছর ও পরের ১ বছরের গুনাহের কাফফারা হয়। 🌸
✨ ৩. বেশি বেশি তওবা ও ইস্তিগফার
“আস্তাগফিরুল্লাহ” বেশি পড়ুন।
আল্লাহ ক্ষমা করতে ভালোবাসেন। 🤍
✨ ৪. তাকবির, তাহলিল ও জিকির করা
✨ ৫. কুরআন তিলাওয়াত করা
এই বরকতময় দিনে কুরআনের সাথে সময় কাটান। 📖
🤲 আল্লাহ আমাদের সবাইকে আরাফাতের দিনের ফজিলত অর্জনের তাওফিক দান করুন। আমিন।
#আরাফাত #আরাফাতের_রোজা #ইসলামিক_পোস্ট #কুরআনের_আলো
এসো কোরআনের আলোয় আলোকিত হই।
Female
আসসালামু আলাইকুম ।
আপনাদের সবার জন্য আজকের কুইজ।
প্রশ্ন: কোরআনের সবচেয়ে ছোট সূরার নাম কি?
ক-সুরা কাউসার
খ-সূরা ইখলাস
গ-সূরা আসর
ঘ-সূরা নাস
ইনশাআল্লাহ সবাই কমেন্টে উত্তরটি লিখে ফেলুন।
আসসালামু আলাইকুম।
****বোনেরা সামনে রমজানের উদ্দেশ্যে আমরা যদি আমাদের সালাতটি শুদ্ধ ভাবে পড়ার নিয়ত রাখি তাহলে কেমন হয় বলুন তো?****
***চলুন না আমরা সবাই মিলে আমাদের সালাত টিকে শুদ্ধ করার নিয়ত করি***
***আমরা কিছু ক্লাসের মাধ্যমে সালাতের সকল তাকবীর, সূরা, দোয়া শুদ্ধ করি ফেলি****
***ক্লাস করতে চাইলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। ইনশাআল্লাহ আমিও শিখব আপনাদের কেউ ও শেখাবো****
***নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবা কবুলকারী দোয়া কবুলকারী।***
***আল্লাহ আমাদের কে উত্তম ভাবে বিশুদ্ধ রূপে নামাজ আদায় করার তৌফিক দান করুন। আমিন। ইয়া রব্বুল আলামিন***
আসসালামু আলাইকুম।
আমরা আজকে দোয়ার শক্তি সম্পর্কে জানব ইনশাআল্লাহ।
একজন মুমিনের জন্য দোয়া হচ্ছে হাতিয়ার। অনেক সময় আমরা যা চিন্তা করি তেমনটা আমাদের জীবনের সাথে ঘটে না। তাহলে কি আমরা মুমিন হিসেবে নিরাশ হয়ে যাব? কখনোই না! আমরা যদি মুমিন হয়ে নিরাশ হয়ে যাই তাহলে শয়তান খুশি হয়ে যাবে। মুমিন হিসেবে আমাদেরকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে। নিশ্চয়ই আমাদের একজন রব রয়েছেন। যিনি না চাইতেই আমাদেরকে কত কিছুই না দান করেছেন। তাহলে একবার ভাবুন তো তার কাছে চাওয়ার মত চাইলে আপনাকে তিনি না দিয়ে কখনোই পারবেন না। আল্লাহ তাআলা এমন এক সত্তা যার কাছে চাইলে তিনি খুশি হন। তার কাছে চাইলে তিনি কখনো তার বান্দাকে খালি হাতে ফিরান না। তাই আমরা বেশি বেশি করে তার কাছেই চাইবো আর মনে বিশ্বাস রাখতে হবে যে তিনি আমাদেরকে দিবেনি। দোয়া কবুলের জন্য কিছু উত্তম সময় আছে।
ক) আজান আর ইকামতের মধ্যবর্তী সময়টা।
খ) বৃষ্টি পড়ার সময়
গ) আরাফার দিনে
ঘ) জুম্মার দিনে অর্থাৎ আসর থেকে মাগরিবের সময়টা
ঙ) তাহাজ্জুদের সময় অর্থাৎ রাতের শেষ অংশে
ইনশাআল্লাহ আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করব এবং দোয়া কবুলের জন্য অপেক্ষা করবো কখনো নিরাশ হয়ে যাব না।
আসসালামু আলাইকুম ।
আপনাদের সবার জন্য আজকের কুইজ।
প্রশ্ন: কোরআনের সবচেয়ে দীর্ঘতম বা বড় সূরার নাম কি?
ক-সুরা কাহাফ
খ-সূরা বাকারা
গ-সূরা নাবা
ঘ-সূরা আলে ইমরান
ইনশাআল্লাহ সবাই কমেন্টে উত্তরটি লিখে ফেলুন।
একজন নারী সন্তানসম্ভাবা হবার পর স্বামীর কাছে এক অদ্ভুত আবদার করেন। তিনি স্বামীর কাছে জ্ঞানার্জনের অনুমতি চান।
আজ থেকে প্রায় ১১০০ বছর আগের ঘটনা।
খোরাসানে একজন আলেম হাদীসের দারস দিতেন। তার নাম ইমাম আব্বাস ইবনে হামযাহ রাহিমাহুল্লাহ।
একজন গর্ভবতী নারী জীবনের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তে সেই আলেমের হাদীসের দারসে যাবার জন্য স্বামীর কাছে অনুমতি চান। নারী-পুরুষের পর্দার ব্যবস্থা ছিলো। আলাদাভাবে ক্লাস হতো।
মুহাম্মদ ইবনে আহমদ তার স্ত্রীকে অনুমতি দিলেন।
সেই নারী একটানা দশদিন ক্লাস করে ঐ কোর্স শেষ করেন। দশমদিন ইমাম আব্বাস ইবনে হামযাহ সমাপনী ক্লাসে সবাইকে নিয়ে দু'আ করেন।
মুহাম্মদ ইবনে আহমদের স্ত্রী দু'আ করেন- "আল্লাহ! আমার গর্ভে একজন আলেম সন্তান দান করো।"
একদিন রাতে তিনি স্বপ্নে দেখেন কেউ একজন তাঁকে বলছে- "আল্লাহ তোমার দু'আ কবুল করেছেন। তোমার সন্তান আলেম হবে এবং তোমার বাবার সমান হায়াত পাবে।"
সেই নারীর গর্ভে যে সন্তান জন্মগ্রহণ করেন, তিনি হলেন খোরাসানের ফক্বীহ, সেই যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস ইমাম আবুল ওয়ালিদ হাসসান রাহিমাহুল্লাহ।
তাঁর মা তাঁকে গর্ভধারণ করে হাদীসের ক্লাস করেন, আল্লাহ কাছে দু'আ করেন।
তিনি সবার কাছে মায়ের গল্পটি যখন বলেন, তখন তার বয়স ৭২ বছর। তার নানাও ৭২ বছর হায়াত পেয়েছিলেন।
ঘটনাটি বলার ৪ দিন পর ইমাম আবুল ওয়ালিদ হাসসান রাহিমাহুল্লাহ ইন্তেকাল করেন।
নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, "নেককার লোকের ভালো স্বপ্ন নবুওয়াতের ৪৬ ভাগের একভাগ।"
পূর্বেকার নারীগণ যখন গর্ভধারণ করতেন, তখন আল্লাহর কাছে দু'আ করতেন- আল্লাহ যেনো তাকে আলামের মা বানান।
মুসলিম ইতিহাসে এমন অসংখ্য আলেম ছিলেন, যাদের আলেম হবার পেছনে সবচেয়ে বড়ো অনুঘটক ছিলো মায়ের দু'আ।
ইতোমধ্যে যারা মা হয়েছেন বা মা হবেন, একবার ভাবুন তো- আপনি কোনোদিন এমন দু'আ করেছেন?
লেখাটি নিড-Need থেকে সংগৃহিত
কপি
আসসালামু আলাইকুম।
****রোজা নিয়ে কিছু কথা****
--রোজা কি শুধু পানাহার থেকে বিরত থাকার নাম বলুন তো??
---না রোজা শুধু পানাহার থেকে বিরত থাকার নাম নয়। রোজা হচ্ছে আল্লাহর নৈকট্য লাভের একটি মাধ্যম।
---রোজার মাধ্যমে আল্লাহর উপর তাকওয়া সৃষ্টি হয়।.(তাকওয়া মানে আল্লাহর প্রতি ভয় )
--এই তাকওয়া আমাদেরকে রোজার সময় সকল প্রকার পানাহার থেকে বিরত রাখে
--রোজার মাধ্যমে আমাদের অন্তরে ইয়াকিনের সৃষ্টি হয়। (ইয়াকীন অর্থ আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস)।
--রোজার মাধ্যমে পুরস্কারের আশা করা। (আল্লাহ তালা বলেছেন রোজাদার কে তিনি নিজেই পুরস্কারে পুরস্কৃত করবেন)***নিশ্চয় আল্লাহ উত্তম পুরস্কার দানকারী***
***চলুন আমরা তাকওয়ার সাথে মনে ইয়াকিন সৃষ্টি করে পুরস্কারের আশায় আল্লাহর আদেশক্রমে রোজা পালন করি***
***আল্লাহ আমাদেরকে নেক নিয়াতে তার আদেশ (রোজা') উত্তম রূপে পালন করার তৌফিক দান করুক ।আমিন ইয়া রাব্বুল আলামিন।****
***এই রমজানে আমরা যেন ইসলামের আলোয় আলোকিত হতে পারি***
***প্রথম পর্ব***
আসসালামু আলাইকুম বোনেরা।
***একজন মুসলিমের জন্য ইলম বা জ্ঞান অর্জন করা ফরজ।***
***আমরা ছোট ছোট পর্বে কিছু জ্ঞান অর্জন করব ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ আমাদের কবুল করুক সবাইকে আমিন।***
***আমরা আজকে ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভ নিয়ে আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ।
---প্রথমেই জেনে নিই ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভ হল
--কালেমা
--নামাজ
--রোজা
--হজ
--যাকাত
---*এই পাঁচটি বিষয়ের উপর বিশ্বাস স্থাপন করা প্রত্যেক মুসলমানের ওপর ফরজ। একসাথে প্রথম তিনটির ওপর আমল করা মুসলমানের জন্য ফরজ। আর শেষের দুটো সামর্থ্য অনুযায়ী আদায় করা ফরজ।
****আল্লাহ পাক নিশ্চয়ই উত্তম প্রতিদানকারী এবং ন্যায় বিচারক****
**পরের পর্বে আমরা কালেমা সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করব ইনশাআল্লাহ।**
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Faridpur
7800