Shakespeare Society & Oratory Club

Shakespeare Society & Oratory Club

Share

We have formed Shakespeare Society & Oratory Club with a view to expanding the horizon of art and literature. Our aim is to create a society that will be g

The Aims and Objectives of Shakespeare Society & Oratory Club:

The Aims and Objectives of "Oratory Club":
1.To enhance the power of eloquence both in English and vernacular.
2.To enhance the ability of speaking English & Bangla in formal situations.
3.To furnish a lecture on selected topics.
4. Speaking extemporaneously.
5. To arrange a speech contextually.
6. Knowing the fundamentals of articu

11/01/2026

MAAPS Study Care
"আলোকিত হই, আলো ছড়াই"

অভিজ্ঞ শিক্ষকদের দ্বারা পরিচালিত #চতুর্থ_থেকে_দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত একাডেমিক প্রস্তুতি কোচিং

অফিস : চন্দ্রপাড়া রোড, গ্রামীণ ব্যাংক সংলগ্ন (সদরপুর সরকারি কলেজের পিছনে), সদরপুর, ফরিদপুর

যোগাযোগ :
01714-412141
01517-800155
01300-973105

Follow us on page : MAAPS Study Care
Follow us on Facebook Group : MAAPS Study Care - ম্যাপস স্টাডি কেয়ার



#সদরপুর
#ম্যাপস_স্টাডি_কেয়ার

28/01/2024

ফরিদপুরে ইংরেজি ভাষা শিক্ষার্থীদের (বিশেষ করে SSC, HSC ও Honours Compulsory) ও চাকরি প্রত্যাশীদের জন্য নতুন দ্বার উন্মোচিত হলো -এর শুভ উদ্বোধনের মাধ্যমে।

এছাড়াও কম্পিউটার ও ইন্টারনেটভিত্তিক ফ্রিল্যান্সিং-এ দক্ষতা বৃদ্ধি ও সনদ প্রাপ্তির ব্যাপারে সেবার নিশ্চয়তা দিতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ Prime Career Care ।

➤ বি.দ্র: Prime Career Care সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিডিওটি দেখুন : https://fb.watch/pS9Ik8Pkpc/?mibextid=Nif5oz

যোগাযোগ :
কাউসার খান, মোবাইল : 01750-943715
সোহেল মোল্লা, মোবাইল : 01754-588371

19/09/2023

We are really happy that our highly popular, esteemed and constant shadow of English Literature Prof. has been appointed as Principal in Government Huseyn Shaheed Suhrawardy College, Magura. All of the students are very happy to know his undisputed success. During my student life, I got to know and see him very closely because I had a little affinity with him for doing different things at different times, so, it is like a qualified person has been appointed in his deserved place. Hope that he will be able to keep the signature of his talent and aesthetics in the current workplace.

I wish my dear and respected teacher continuous success and well-being.

We are really proud of you Sir. Please keep us in touch in your prayers also__❤️

07/03/2023

The time we cannot forget but be thrilled whenever we recollect the time.

It's not a status, it's the words of my feeling, the words of my heart. Before 52 years, we were ruled by the barbaric West Pakistan. After dividing the Indian Sub-Continent on the basis of two-nation theory, West Pakistan always showed their dominating attitude towards us. Even they always tried to keep us aloof from our Fundamental Rights. Only because of their brutal attitude, the Bengalis realized their fair rights, they got inspired and became united to sn**ch their rights. At that juncture, a man of Brave-Heart and a man of Honor came forward to lead a backward and absorbed-bleeding nation. And definitely he is the pioneer of freedom, he is none other . On 7th March 1971, his inflammatory speech motivated the dwellers of East Pakistan to build a Anti-Pakistan Sentiment and Movement and for that reason, East Pakistan raised their voice, took up weapons instead of spades and sn**ched their freedom from barbaric West Pakistan. Today this fiery and inspirational speech is considered as one of the most famous speeches all over the world. Even his speech is compared with the speech of Gettysburg Address of Abraham Lincoln.

On 30 October 2017, UNESCO recognized the Speech as "Documentary Heritage".

An intelligence report by the Pakistan Army also referred to Sheikh Mujib as "shrewd". An intelligence officer said in the report, "Sheikh Mujib tactfully declared independence, but we could do nothing."

The speech of Bangabandhu Sheikh Mujib was 18 minutes. But this 18 minute-speech kept a huge impact on the way to freedom of Bangladesh. As a consequence, the people of Bengalis took their preparation mentally for the Liberation War. And subsequently they became triumphant.

Today is the 7th March 2023. But whenever I listen to this inflammatory speech of 52 years old, I even though get thrilled today on the spur of the moment. I feel that if I would jump to the battlefield. May be the time we couldn't see but comprehend it from the deep of our heart heavily. I pay huge respect to the people who took part in the Liberation War and sacrificed their valuable lives and also who came back alive from the battlefield and brought to the victory for the subsequents. We must admit it, their contribution is unprecedented and beyond description.
© NU Prince

Photos from Shakespeare Society & Oratory Club's post 11/01/2023

নাট্যকলার অভ্যুদয় ও বিকাশ
©Rezvi Zaman

প্রাচীন গ্রিসে নাট্যকলা বিকশিত হয় মদ, নৃত্য ও বিনোদনের দেবতা ডায়োনিসাসের উৎসবের মধ্য দিয়ে। এ উৎসবে বিনোদনের অংশ হিসেবে নাচ-গানের মধ্য দিয়ে নাটক পরিবেশিত হতো। তখন নাটকে প্রকৃতপক্ষে দেবতাদের বিশেষ করে ডায়োনিসাসের স্তুতি করা হতো। গ্রিক নারী-পুরুষ এটি ভীষণভাবে উপভোগ করতো। ধীরে ধীরে সমাজ-জীবন, পারিবারিক জীবন নাট্যকলার প্রভাব বলয়ে চলে আসে। যাপিত জীবন নাটকে উপস্থিত হলেও ধর্মীয় বিশ্বাসের জায়গা থেকে নাটক সম্পুর্ণ বিচ্যুত হয় নি।গ্রিকরা তাদের প্যাগান ধর্মাচারকে যাপিত জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ মনে করতো। সফোক্লিস, ইস্কিলাস, ইউরিপিডিস, অ্যারিস্টোফানিসের হাতে নাটক পূর্ণতা লাভ করে।পরবর্তীতে রোমান নাটক বিকশিত হয় বিশেষত সেনেকার হাত ধরে। ক্লাসিক্যাল নাটক গ্রিকো-রোমান সমাজে নির্মল বিনোদনের মাধ্যম হয়ে ওঠে।

ক্লাসিক্যাল ( গ্রিক ও রোমান) নাটকের উপজীব্য বিষয় ও নির্মাণ শৈলীতে তৎকালীন নাট্যকারদে সূক্ষ্ম শৈল্পিকবোধ লক্ষনীয়। নাটকের উপজীব্য বিষয়ের মধ্যে রয়েছে নিয়তির অপ্রতিরোধ্য শক্তি, মানব সমাজে দেব-দেবীর অন্তর্ভুক্তি, প্রথা-বিরুদ্ধ যৌনাচার, প্রতিশোধ, দৈব-শক্তিতে বিশ্বাস, উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত পাপাচার। নির্মাণশৈলীতে ছিল ছন্দের ব্যবহার, কাব্যিকতা, কোরাসের ব্যবহার,কালের ঐক্য, স্থানের ঐক্য ও ঘটনার ঐক্য।সেই সাথে প্রচুর মেলোড্রামাটিক এ্যাকশান লক্ষণীয়- যেমন লোমহর্ষক বিষয়ের উপস্থাপন, ভয়-ভীতি, ষড়যন্ত্র, রক্তপাত ইত্যাদি।সফোক্লিস ও ইস্কিলাসের নাটক অপেক্ষা ইউরিপিডিস এবং সেনেকার নাটকে মেলোড্রামার উপস্থিতি অপেক্ষাকৃত বেশী। অ্যারিস্টোফানিস কমিক্যাল এ্যাকশানকে গুরুত্ব দিয়েছেন বেশি। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন গ্রিকরা কমেডি অপেক্ষা ট্রাজেডির গুরুত্ব বেশি দিতো।ট্রাজেডিতে জীবনের রহস্যময়তা বেশি ফুটে ওঠে বলে তারা মনে করতো।মহামতি অ্যারিস্টটলও তাঁর কাব্যতত্ত্বে ট্রাজেডির গুরুত্ব বেশি দিয়েছেন।

ক্যাসিক্যাল নাটকে প্যাগান-বিশ্বাসের পাশাপাশি মানুষের অসহায়ত্বের চিত্রটি বেশি ফুটে উঠেছে। তাদের দেব-দেবীও মনুষ্য প্রজাতির চেয়ে খুব বেশী উন্নত নয় নৈতিক দিক থেকে। তারা দেবদেবীকে হিউম্যান ফর্মে চিন্তা করেছেন। তাঁদেরও রয়েছে জৈবিক কামনা-বাসনা। কিন্তু তাদের রুষ্টতায় মানবজীবন ধ্বংসের দোরগোড়ায় পৌঁছে যায়। তারপরও যাপিত জীবনের চাওয়া-পাওয়া নাটকে পুরোপুরি উপস্থিত। গ্রিকরা নিয়মিত নাটক মঞ্চস্থ করতো এবং তা উপভোগ করতো।

রোমানরা নাট্যকলার চর্চা করলেও অচিরেই সম্রাট কন্সট্যানটাইন নাট্যকলা বাতিল করে দেন। শুরু হয় ক্রিশ্চিয়ান যুগ এবং চার্চের দোর্দণ্ড প্রতাপ।চার্চের প্রভাব বলয়ে চলে আসে সবকিছু ।মধ্যযুগ পুরোটাই চার্চের দখলে ছিল। চার্চের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোয়কতার বেড়ে ওঠে থিও-সেন্ট্রিক বা ধর্ম-কেন্দ্রিক জীবন ব্যবস্থা। এ সময় তিন প্রকার নাটকের আবির্ভাব হয় যার মূল ভিত্তি ছিলো বাইবেল। এ সময়ে মিস্ট্রি প্লে, মিরাকেল প্লে ও মরালিটি প্লে-র উদ্ভব হয়। মিস্ট্রি প্লে-র মূল উপজীব্য ছিলো বাইবেলে বর্ণিত সৃস্টি রহস্য, স্বর্গ নরকের ধারণা, মনুষ্য প্রজাতি সৃষ্টি, ঈশ্বরের শ্রেষ্ঠত্ব ইত্যাদি। মিরাকেল প্লে-র উপজীব্য ছিল প্রফেটদের ঐশ্বরিক ক্ষমতার বর্ণনা। মরালিটি প্লে-র উপজীব্য ছিল পাপ-পূণ্য, ন্যায়-অন্যায়, শুভ-অশুভের বর্ণনা। মরালিটি প্লে-তে পাপ-পূণ্যকে মানুষের চেহারায় উপস্থাপন করা হতো। এ সব নাটকের ভিত্তিভূমি ছিলো বাইবেল। ধর্মশিক্ষার অংশ হিসেবে চার্চের সামনে খোলা প্রাঙ্গণে এ জাতীয় নাটক মঞ্চস্থ হতো। তবে ধর্মীয় ও গুরুগম্ভীর জিনিষ দেখতে দেখতে দর্শকরা ক্লান্ত হয়ে যেতো বলে এ সব নাটকের মাঝখানে বিরতি দিয়ে জাগতিক জীবনের প্রেম-প্রীতিনির্ভর নাটিকা নাচ-গানের মাধ্যমে বর্ণনা করা হতো। এটিকে বলা হতো ইন্টারলিউড।পরবর্তীতে এ ইন্টারলিউড থেকেই নাটকে স্যেকুলার বিষয় অঙ্গীভূত হয়েছে।

পঞ্চদশ শতকে রেনেসাঁর আবির্ভাবের পর থেকে স্যেকুলার এজুকেশন জনপ্রিয় হয়ে পরে। থিও-সেন্ট্রিক বা ধর্মকেন্দ্রিক জ্ঞানচর্চার জায়গায় বেড়ে ওঠে এ্যান্থ্রপো-সেন্ট্রিক বা মানব-কেন্দ্রিক জ্ঞানচর্চা। এ সময় নাটকে ইহজাগতিকতা প্রাধান্য লাভ করতে থাকে। আমরা জানি, রেনেসাঁ দুই শো বছর ধরে ইউরোপের জীবনব্যবস্থাকে প্রভাবিত করে এবং জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রকে প্রসারিত করে। এলিজাবেথান যুগে (১৫৫৮-১৬০২)রেনেসাঁর ঢেউ ইংল্যান্ডে ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে পরে। রেনেসাঁর পাশাপাশি প্রোটেসট্যান্ট রিফরমেশন মুভমেন্ট ইউরোপের মানুষের মনোজগতে ব্যাপক পরিবর্তনের সূচনা করে। এ সময় রাণী এলিজাবেথের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় ইংল্যান্ড সাহিত্য, শিল্প, নন্দনতত্ত্ব , ললিতকলায় ভীষণভাবে সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে। শুরু হয় থিয়েট্রিক্যাল মুভমেন্ট যেখানে অংশ নেয় ইউনিভার্সিটি উইটস নামে খ্যাত ৭ জন নাট্যকার।তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন জন লিলি, টমাস কিড এবং ক্রিস্টোফার মার্লো।তাঁদেরকে প্রি-শেক্সপিরিয়ান ড্রামাটিস্টও বলা হয়ে থাকে। এঁরা অক্সফোর্ড ও কেম্ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সম্পৃক্ত থাকায় এঁদেরকে ইউনিভার্সিটি উইটস বলা হতো। তাঁরা যাযাবরের মতো জীবন যাপন করতেন, নাটক পড়তেন, সমালোচনা করতেন, নাট্যমঞ্চে অভিনয় করতেন। তাঁদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণে এবং রাণী এলিজাবেথের সক্রিয় পৃষ্ঠপোষকতায় ইংল্যান্ডে টেমস নদীর নর্থ ব্যাংক এবং সাউথ ব্যাংকে নির্মিত হয় নাট্যশালা। ব্যাপকভাবে নাট্যচর্চা চলতে থাকে। এ সময়ের নাট্যকারদের সবচেয়ে বড় অবদান হচ্ছে নাটককে ধর্মীয় প্রভাব-বলয় থেকে বের করে নিয়ে আসা, থিওলজির জায়গায় হিউম্যানিজমকে নিয়ে আসা।

এর পরেই এলেন উইলিয়াম শেক্সপিয়র। ইউনিভার্সিটি উইটসদের দ্বারা তিনি প্রভাবিত ছিলেন কিন্তু তাঁর প্রতিভার স্বকীয়তা কখনো ম্লান হয় নি। তিনি তাঁর জন্মস্থান স্ট্রাটফোর্ডে থাকাকালীন কিং এডওয়ার্ড গ্রামার স্কুলে ভর্তি হলেও লেখাপড়া চালিয়ে যেতে পারেন নি।ধনাঢ্য পিতার সন্তান হলেও তিনি স্কুলের প্রচলিত শিক্ষায় খুবই অমনোযোগী ছিলেন এবং নিয়মিত স্কুল থেকে পালিয়ে যেতেন। তবে, গ্রামার স্কুল থেকে তিনি গ্রিক এবং ল্যাটিন ভাষায় দক্ষ হয়ে ওঠেন। এ জন্য ক্লাসিক্যাল মিথ, ক্রনিকল, লিজেন্ড, নাটক, কবিতা ও দর্শন পাঠ করার সুযোগ পান যা পরবর্তিতে তাঁর সাহিত্য সাধনার দ্বার উন্মোচন করে।এছাড়াও তিনি ইংল্যান্ড , স্কটল্যান্ড, অয়ার্ল্যান্ডের রূপকথা ও ইতিহাস ব্যাপকভাবে পাঠ করেন। যৌবনে স্ট্রাটফোর্ড ছেড়ে লন্ডনে চলে আসেন এবং নাট্য আন্দোলনে যোগ দেন শেক্সপিয়র। প্রথম দিকে ইউনিভার্সিটি উইটসদের কৃপাদৃষ্টি পেলেও পরবর্তীতে তাঁরা শেক্সপিয়রের প্রতি ঈর্ষাপরায়ন হয়ে ওঠেন।শেক্সপিয়রকে বার্ড অফ অ্যাভন বলা হতো। সেটিকে তাঁরা প্যারোডি করে শ্লেষাত্নকভাবে তাঁকে বলতেন ক্লাউন অফ অ্যাভন এবং তাঁর দর্শকদের বলতেন মেঠো দর্শক। কিন্তু শেক্সপিয়রের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা তাঁরা ঠেকাতে পারেন নি।নাটক এবং সনেট রচনায় চিনি অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠেন। ট্রাজেডি, কমেডির পাশাপাশি ট্রাজি-কমেডি নামে ট্রাজিক ও কমিক এ্যাকশানের মিশ্রণে এক ধরনের নাটক নির্মাণ করেন এবং এ ধরণের নাটক ভীষণ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। শেক্সপিয়র এক সময় গ্লোব থিয়েটারের মালিক হয়ে ওঠেন। তিনি নিজেও নাটকে অভিনয় করেছেন।

এলিজাবেথান যুগে রিভেঞ্জ ট্রাজেডি নামে এক ধরণের নাটক ভীষণ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। রোমান নাট্যকার সেনেকা-কে অনুসরণ করে এ জাতীয় নাটকের উদ্ভব হয় টমাস কিড, জন ওয়েবস্টার এজাতীয় নাটককে জনপ্রিয় করে তোলেন। টমাস কিডের “দ্য স্প্যানিশ ট্রাজেডি”-র আদলে শেক্সপিয়র রচনা করেন রিভেঞ্জ ট্রাজেডি “হ্যামলেট” যদিও “হ্যামলেট”-কে নিরেট রিভেঞ্জ ট্রাজেডি হিসেবে দেখলে চলে না। শেক্সপিয়র ইতিহাসভিত্তিক নাটকও নির্মাণ করেন।এ যুগে কমেডি অফ হিউমর নামে এক ধরণের ব্যাঙ্গাত্মক কমেডিও প্রসিদ্ধি লাভ করে।বেন জনসন এ ধরণের হাস্যরসাত্মক কমেডিকে জনপ্রিয় করে তোলেন।

এলিজাবেথান যুগ পার হয়ে আসে জ্যাকোবিয়ান যুগ। এ যুগে সাহিত্যকর্মে ডেকাডেন্স বা অধপতন নেমে আসে। নাটকেও তার প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।পরবর্তীতে ইংল্যান্ডে সিভিল ওয়ার হয়। গৃহযুদ্ধ-পরবর্তী অবস্থায় সাহিত্য চর্চায় আরেকবার আসে ভাটার টান। কারণ, অলিভার ক্রোমওয়েল কয়েক বছর পিউরিটানদের রক্ষণশীল ধর্মীয় ধারায় রাজ্য শাসন করেন। এ সময়ের সাহিত্য ক্রিশ্চিয়ানিটির প্রভাব অত্যাধিক। জন মিল্টন “স্যামসন এ্যাগোনিস্টিস” নামে একটি বাইবেলের কাহিনীনির্ভর নাটক রচনা করেন। অলিভার ক্রোমওয়েলের মৃত্যুর পর রাজতন্ত্র পুণঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। এ যুগকে রেস্টোরেশন যুগ (১৬৬০-১৭০০) বলা হয়। এ যুগে ইংল্যান্ডে ফরাসি নাটকের ধারা অনুসরণ করে কমেডি অফ ম্যানার্স নামে এক ধরণের নাটকের উদ্ভব হয়। নাটকের বিষয়বস্তুর মধ্যে ছিল অভিজাত সমাজের ইন্দ্রিয় তৃপ্তির বাসনা, ঢিলেঢালা নৈতিকতা, ষড়যন্ত্র, বিবাহবহির্ভূত যৌনাচার, লোভ-লালসা, স্থুল রুচিবোধ ইত্যাদি।কংগ্রিভ, উইচারলি, ভ্যানবার্গ এ যুগের জনপ্রিয় নাট্যকার।

অষ্টাদশ শতকে নাট্য সাহিত্য পিছিয়ে পড়ে। তখন বিকশিত হয় গদ্য সাহিত্য। উপন্যাস, প্রবন্ধ, সাময়িকী বেড়ে উঠতে থাকে। শিল্পায়ন ও নগরায়ন বাড়তে থাকে। এ সময় নাটক অপেক্ষা গদ্যসাহিত্য এবং শ্লেষাত্মক রচনা বিশেষভাবে জনপ্রিয় হয়। হুইগ এবং টোরি দুটি রাজনৈতিক দলের দ্বন্দ্ব-সংঘাতও সাহিত্যে জায়গা করে নেয়। নাট্যকলায় শুরু হয় ভাটার টান।রোমান্টিক যুগে ( ১৭৯৮-১৮৩২) কবিতার চর্চা বেড়ে যায়। উপন্যাস রচিত হলেও তা ছিল যতসামান্য। ভিক্টোরিয়ান যুগের ( ১৮৩২–১৯০১) শেষ দিকে জর্জ বার্নার্ড শ এক ধরণের নাটক নাটক রচনার কাজে হাত দেন যা ড্রামা অফ আইডিয়া নামে খ্যাত। এ জাতীয় নাটকে ঘটনার চেয়ে দার্শনিক সমস্যা বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তিনি নরওয়েজিয়ান নাট্যকার হেনরিখ ইবসেনকে অনুসরণ করে নাটকে রিয়েলইজম এবং ন্যাচারালইজম- এর প্রয়োগ ঘটান। বার্নার্ড শ-এর নাটকে সমাজের প্রচলিত ধারণাকে ভেঙে ফেলে নতুন ধারণা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। তিনি মূলত প্রথাবিরুদ্ধ এবং বিপ্লবী মানসিকতা প্রদর্শন করেছেন তাঁর নাটকে। এ সময়ে সাধারণ মানুষের জীবন-নির্ভর নাটক তৈরি হয়েছে। রাজকীয় ব্যক্তিবর্গ বা অভিযাততন্ত্রের হাত থেকে নাটক মুক্তি পেয়েছে এবং শ্রমজীবী মানুষ নাটকের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে।

আমেরিকান সাহিত্যে নাটকের প্রসার ঘটেছে ইউজিন ও’নিল ও আর্থার মিলারের হাত ধরে। তাঁরা নাটকে এক্সপেশনিজম নামে এক ধরণের টেকনিক অবলম্বন করেছেন যেখানে চরিত্র ও সংলাপের পাশাপাশি আরও অনেক অবজেক্ট ব্যবহার করে নাটকের উপজীব্য বিষয়কে উপস্থাপন করা হয়েছে। এঁদের পর ইউজিন ইয়োনেস্কো, টেনেসি উইলিয়ামস, পিরান্ডেলো নাট্যকলার উন্নয়ন সাধন করেন। তাঁদের কেউ কেউ অ্যাবসার্ড নাটকও রচনা করেন। ক্রমবিকাশমান পুঁজিবাদী সমাজে মানুষের নৈতিক অধপতনের চিত্র আমেরিকান নাটকের প্রধান উপজীব্য। আমেরিকান নাটকে ব্রাত্যজন বা শ্রমজীবী মানুষের জীবন সংগ্রামের উপস্থিতি ভীষণভাবে পরিলক্ষিত হয়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর নাটকে সংশয়বাদ, হতাশা, অস্তিত্বের সংকট, জীবনের অন্তসারশূণ্যতা প্রাধান্য পেয়েছে। স্যামুয়েল বেকেট-এর “ Waiting for Godot “ বা “গডোর প্রতীক্ষায়” কিংবা হেরল্ড পিন্টারের “ The Caretaker “ বা “ তদারককারী” নাটকে এর প্রমান মেলে। জন অসবর্ন-এর “ Look Back in Anger” বা আক্রোশে ফিরে দেখা” নাটকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর হতাশার চিত্র, মানবিক সংকট, অস্তিত্বের সংকট ভীষণভাবে লক্ষণীয়।

বাংলা নাটক মূলত বেঙ্গল রেনেসাঁর পটভূমিতেই বেড়ে উঠেছে। ইউরোপীয় সাহিত্য বাংলা সাহিত্যকে ভীষণভাবে প্রভাবিত করে। শেক্সপিয়রের নাটকের আদলে বাংলার যাত্রাশিল্প বেড়ে উঠেছে।মাইকেল মধুসূদন দত্তের “ শর্মিষ্ঠা” ইউরোপীয় ট্রাজেডির আদলে নির্মিত। প্রহসন “ বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ” ইউরোপীয় ট্রেন্ডের বাইরে নয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনেক নাটকে শেক্সপিয়র কিংবা হেনরিখ ইবসেনের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। শেক্সপিয়রের নাটকের অনুবাদও তিনি করেছেন।ঠাকুর পরিবারে ইংরেজি সাহিত্য নিয়মিত চর্চা হতো। মীর মশাররফ হোসেন এবং দীনবন্ধু মিত্র নাটকে ইংরেজ শাসন বা সামন্তবাদের বিরোধিতা করলেও নাটকের নির্মান শৈলীতে ইউরোপীয় প্রভাব বিদ্যমান ।

বাংলা সাহিত্যে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত মুনীর চৌধুরীর “ কবর” নাটক জার্মান নাট্যকার বেরটল্ট ব্রেখট্- এর নাটকের আদলে তৈরি করা হয়েছে। পরবর্তীকালে প্রচুর নাটক রচিত হয়েছে আমাদের গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে। সৈয়দ শামসুল হকের নাটক “ পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়” এ্যাবসার্ড নাটকের আদলে রচিত চমৎকার একটি নাটক। এ সময় অনেক গল্প উপন্যাসকে নাট্যরূপ দান করা হয়েছে এবং সেগুলি মঞ্চস্থ হয়েছে।নাট্য আন্দোলনের মাধ্যমে আমাদের সমাজপ্রগতি, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তুলে ধরতে নিরন্তর কাজ করেছেন আব্দুল্লাহ আল মামুন, মামুনুর রশীদ এবং সেলিম আল দীন। মহিলা সমিতির মঞ্চে, গাইড হাউস মিলনায়তনে, বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে নিয়মিত নাটক মঞ্চস্থ করে এদেশে প্রগতিশীল সংস্কৃতিচর্চার দ্বার অবারিত ও উন্মুক্ত হয়েছে। বাংলা নাটকে এখনও শেক্সপিয়র, জার্মান নাট্যকার ব্রেখট,ফরাসি নাট্যকার মলিয়ের, আইরিশ নাট্যকার স্যামুয়েল বেকেট, নরওয়েজীয় নাট্যকার হেনরিক ইবসেন, আমেরিকান নাট্যকার ইউজিন ও’নিলের প্রভাব পাওয়া যায়। তবে প্রেক্ষাপট হিসেবে আমাদের সমাজ, দেশ, রাষ্ট্র, সংস্কৃতি বা যাপিত জীবনের ছবি অনুপস্থিত নয়।

09/07/2022

❤️__ঈদ মোবারক__❤️

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সবাইকে জানাই আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা। ঈদ সকলের জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল উচ্ছ্বাস ও আনন্দ।

পবিত্র ঈদুল আজহার প্রকৃত শিক্ষা লালন করি সকলে। ঈদুল আজহা হোক নিজের মনকে পবিত্র করা ও মনের পশুত্বকে কোরবানি করার প্রতিশ্রুতি। কোরবানি হোক মহান আল্লাহ পাককে খুশি করার জন্য, মাংস খাওয়ার জন্য নয়। ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত ও উদ্ভাসিত হয়ে উঠুক আমাদের সকলের অনাগত জীবন।

꧁ঈদ মোবারক꧂

❤️__ Eid Mubarak __❤️

On the occasion of the holy Eid-ul-Azha, I convey my sincere love and best wishes to all. May Eid bring endless excitement and joy in everyone's life.

Let us all cherish the true teachings of the holy Eid-ul-Azha. May Eid-ul-Azha be a promise to purify one's mind and sacrifice one's be******ty. Sacrifice should be made to please Allah, not to eat meat. May the future life of all of us be glorified and manifested in the glory of sacrifice.

"Eid Mubarak"

19/06/2022

We have formed "Oratory Club " and
"Shakespeare Society " with a view to
expanding the horizon of art and literature. Our
aim is to create a society that will be guided by
reason, intellectuality,erudition, aestheticism,
humanism, liberalism and democratic values.
The Aims and Objectives of "Oratory Club "
1.To enhance the power of eloquence both in
English and vernacular.
2.To enhance the ability of speaking English &
Bangla in formal situations.
3.To furnish a lecture on selected topics.
4. Speaking extemporaneously.
5. To arrange a speech contextually.
6. Knowing the fundamentals of articulation.
7. To enable the targeted segment to present a
speech publicly.
8. To attain the power of conducting a
programme.
9.To know the techniques of hosting an
interactive programme.
10.To make a questionaire.
11.To know the art of moderating a
programme.
12. To know the art of taking an interview.
13. Effective lessons on manner and etiquette.
The Aims and Objectives of "Shakespeare
Society "
1.Extensive analysis, interpretation and
practice of Shakespearean Literature.
2. Holding discussion on diverse aspects of
Shakespearean Drama & sonnets.
3.Holding seminar and symposium on
Shakespeare.
4.Observing the birth/death anniversary of
Shakespeare.
5. Arranging literary programmes under the
banner of Shakespeare Society.
6. Staging some extracts of Shakespearean
Drama.
7. Archiving the criticisms on Shakespeare.
8. Creating awareness about art and literature.

02/05/2022
01/02/2022

MACBETH [aside]
The Prince of Cumberland! That is a step
On which I must fall down, or else o'erleap,
For in my way it lies. Stars, hide your fires;
Let not light see my black and deep desires.
The eye wink at the hand; yet let that be
Which the eye fears, when it is done, to see. (1.4.55-60)

Want your school to be the top-listed School/college in Faridpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

1, Khan Bahadur Ismail Hossain Road, Charkamlapur
Faridpur
7800