২০১৯-২০ সেশনে মেডিকেলে চান্সপ্রাপ্ত সকল জুনিয়রদের অভিনন্দন।
☺☺☺
অনুপ্রাণন
অনুপ্রাণন
2018-19 session এ মেডিকেল কলেজে চান্স প্রাপ্ত সব পিচ্চি আপু-ভাইয়াদের অভিনন্দন। 😊
welcome to White -coat family.
জুনিয়র ভাইয়া ও আপুরা,
প্রতিবারের মতো এবারও ফরিদপুর এর এইচএসসি প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষ এর শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি কর্মশালা আয়োজন করা হচ্ছে।
তারিখ: আগামী 12জুন,২০১৮(মঙ্গলবার)
ভেন্যু: ফরিদপুর জিলা স্কুল।
সময়: আনুষ্ঠানিক আয়োজন শুরু হবে সকাল ৯ টার মধ্যে।
ভর্তি পরীক্ষা,এইচএসসি সহ যেসব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি তোমাদের হতে হবে,সেগুলোর সাথে মানিয়ে নিতে পারা একটা দক্ষতা।আমাদের উদ্দেশ্য এই দক্ষতা তোমাদের সবার মধ্যে গড়ে তোলা।
তোমাদের জন্যই অনুষ্ঠান, তোমাদের জন্যই আয়োজন, তোমাদের উপস্থিতিই আমাদের অনুপ্রেণনা।কর্মশালায় উপস্থিত থাকবো আমরা,যারা দেশব্যাপী বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ,ইঞ্জিনিয়ারিং ভার্সিটিতে অধ্যয়নরত আছি,যারা তোমাদের মত অবস্থানে থেকে ভর্তি যুদ্ধে সফল হতে পেরেছি।আমরা চাই আমাদের সকল অভিজ্ঞতার কথা তোমাদের সাথে শেয়ার করতে।
কর্মশালায় থাকবে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে আলোচনা,ডেমো এক্সাম,এক্সাম টেকনিক নিয়ে আলোচনা সহ তোমাদের সকল প্রশ্নের উত্তর।
আগামী 12 তারিখেও অন্যান্য বছরের মতো তোমাদের আগ্রহী প্রিয় মুখগুলো দেখতে চাই, তোমরা সবাই তোমাদের বন্ধুবান্ধব নিয়ে 12 জুন,২০১৮ তারিখ সকাল ৯:০০টায় ফরিদপুর জিলা স্কুলে চলে এসো।
আশা করি, তোমাদের সবার সাথে দেখা হবে।সবাইকে অগ্রীম ঈদের শুভেচ্ছা।stay blessed,keep connected...
- অনুপ্রাণন।
Dear All,
Good day. Hope you all are well and healthy!
Need a favor!
Need emergency AB(-ve) blood...
If you are interested please contact with Amit Mondal on 01711-043259 this number.
Everyone's prayer is needed.
কারো কোনো পরিচিত লোক/ গ্রুপ থাকেল শেয়ার করে দাও। It's Emergency!
** উনি আছেন BIRDEM এর ICU তে...
** Patient: মিশন স্কুলের আইরিন দিদির মেয়ের শাশুরি..
আজকে টিউশনি তে হাইজেনবার্গ নীতি নিয়ে আলোচনা করছিলাম।
খেয়াল করলাম হাইজেনবার্গ নীতি বিষয়ে সাধারণ ছাত্র/ছাত্রী (এমনকি উচ্চ শিক্ষিত অনেকেও) কনফিউজড।
অনেকের একটা সাধারণ যুক্তি এরকম- "অতীতে এক সময় মানবদেহের ভেতরে কি হচ্ছে দেখা সম্ভব ছিল না কিন্তু বর্তমানে প্রযুক্তির সহায়তায় এখন সেইটা খুবই সম্ভব একটা বিষয়।সো একই প্রবাহমাফিক বর্তমানে মানুষের হাতে এমন কোন প্রযুক্তি নেই যা দিয়ে ইলেকট্রনের মত পার্টিকেলের ভরবেগ,অবস্থান একসাথে মাপা যায়,কিন্তু হয়ত অদূর ভবিষ্যতে এমন যন্ত্র অচিরেই আবিষ্কার হবে! "
এমন কোন আবিষ্কার হবে না কখনোই!! হাইজনবার্গ নীতি ভরবেগ/অবস্থান পরিমাপ বিষয়ক কোন থিওরি না,এটা ইলেকট্রন সহ যেকোন কোয়ান্টাম কণার মৌলিক একটা প্রোপার্টি।এসব পার্টিকেল যখনই অব্জার্ভ করা হয়,তখনই তারা নিজেদের পজিশন,এনার্জি,মোমেন্টাম সবকিছুতে পরিবর্তন নিয়ে আসে।
আরো বিস্তারিত ব্যাখা লিখে বলা বেশ স্ট্রেসফুল কাজ। কিন্তু এইটুকু সবার জেনে রাখা উচিৎ।
হাইজেনবার্গ নীতি হচ্ছে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের ভিত্তি।কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য হাইজেনবার্গ(সত্যি বলতে গোটা কোয়ান্টাম মেকানিক্স) সাধারণ মানুষের কাছে counter intuitive(কমনসেন্সের উলটা)।একারণে এটা one of the most misunderstood.
Hope this elaborated post somehow broadens your horizon. :)
07/01/2018
অনুপ্রাণন কর্মশালা'১৮
দিকনির্দেশনায় '১০,'১১,'১২ ব্যাচের অ্যালামনাইবৃন্দ
আয়োজনে '১৩ ব্যাচ,সার্বিক সহযোগিতায়-'১৪,'১৫,'১৬,'১৭ ব্যাচ
ভেন্যু -ফরিদপুর হাই স্কুল
একই ছবিতে '১৩-'১৭ ব্যাচের আমরা কয়েকজন।রোজার মাসে আবারো দেখা হবে সবার সাথে :)
05/01/2018
আরেকটি সফল প্রোগ্রামের পরে ১৬/১৭ ব্যাচের সদস্যদের একাংশ। প্রোগ্রামের পেছনে তাদের সবার পরিশ্রম/অবদান অসামান্য।অনুপ্রাণনের সিনিয়র সদস্যদের পক্ষ থেকে অভিনন্দন এবং ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা রইলো।
জুনিয়র ভাইয়া ও আপুরা,
প্রতিবারের মতো এবারও ফরিদপুর এর এইচএসসি প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষ এর শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি কর্মশালা আয়োজন করা হচ্ছে।
তারিখ: আগামী ৫ জানুয়ারি,২০১৮(শুক্রবার)
ভেন্যু: ফরিদপুর হাই স্কুল।
সময়: আনুষ্ঠানিক আয়োজন শুরু হবে সকাল ৯ টার মধ্যে।
ভর্তি পরীক্ষা,এইচএসসি সহ যেসব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি তোমাদের হতে হবে,সেগুলোর সাথে মানিয়ে নিতে পারা একটা দক্ষতা।আমাদের উদ্দেশ্য এই দক্ষতা তোমাদের সবার মধ্যে গড়ে তোলা।
তোমাদের জন্যই অনুষ্ঠান, তোমাদের জন্যই আয়োজন, তোমাদের উপস্থিতিই আমাদের অনুপ্রেণনা।কর্মশালায় উপস্থিত থাকবো আমরা,যারা দেশব্যাপী বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ,ইঞ্জিনিয়ারিং ভার্সিটিতে অধ্যয়নরত আছি,যারা তোমাদের মত অবস্থানে থেকে ভর্তি যুদ্ধে সফল হতে পেরেছি।আমরা চাই আমাদের সকল অভিজ্ঞতার কথা তোমাদের সাথে শেয়ার করতে।
কর্মশালায় থাকবে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে আলোচনা,ডেমো এক্সাম,এক্সাম টেকনিক নিয়ে আলোচনা সহ তোমাদের সকল প্রশ্নের উত্তর।
আগামী ৫ তারিখেও অন্যান্য বছরের মতো তোমাদের আগ্রহী প্রিয় মুখগুলো দেখতে চাই, তোমরা সবাই তোমাদের বন্ধুবান্ধব নিয়ে ৫ জানুয়ারি,২০১৮ তারিখ সকাল ৯:০০টায় ফরিদপুর হাই স্কুলে চলে এসো।
আশা করি, তোমাদের সবার সাথে দেখা হবে।
- অনুপ্রাণন।
আগামীকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় 'ক' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা এবং পরদিন বুয়েট ভর্তি পরীক্ষা। এতে অংশগ্রহণকারী সবাইকে অনেক অনেক শুভ কামনা। যে কোন প্রয়োজনে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পার। ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত তোমাদের যে কোন ধরনের সমস্যায় আমরা পাশে আছি। দোয়া করি, ফরিদপুর থেকে এইবার সর্বোচ্চ সংখ্যক পরীক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বুয়েটে মেধা তালিকায় থাকবে :)
02/10/2017
medical admission test,17
wish u good luck juniors.
just b patient n confident.
কোনো rumour এ কান দেয়া দরকার নাই(as my opinion).
আর বেসরকারি মেডিকেল এ ভর্তির আগে ভালোভাবে খোঁজ নিয়ে নিয়ো।
24/06/2017
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ বাংলাদেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী সরকারী মেডিকেল কলেজ। এটি বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে পুরাতন ঢাকায় অবস্থিত। এর পূর্ব নাম "মিটফোর্ড হাসপাতাল"। ১৮৫৫ সালের পূর্বে এটি "ওলন্দাজ কুঠি" ছিল যা ব্যবসার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হত।১৮৫৮ সালে এই হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয়। ঢাকার কালেক্টর এবং পরবর্তীতে ঢাকার তৎকালীন সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি রবার্ট মিটফোর্ড এর রেখে যাওয়া টাকা হতে তার ট্রাস্টীগণ এই হাসপাতাল নির্মাণ করেন।
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ তথা তৎকালীন মিটফোর্ড হাসপাতাল তৈরি উদ্যোগ নেয়া হয় প্রথম ১৮২০ সালে। ঢাকার সেসময়ের কালেক্টর রবার্ট মিটফোর্ড এই উদ্যোগ নেন। ১৮৩৬ সালে তার মৃত্যুর সময়ে তিনি তার সম্পত্তি এই হাসপাতালের জন্য দান করে যান। পরে লর্ড ডালহৌসি এই সম্পত্তির উপর হাসপাতাল নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেন। তার দান কৃত সম্পত্তির মূল্য ছিল তখনকার ১,৬০০০০ টাকা। আরো পরে ১৯৫৪ সালে মিটফোর্ড হাসপাতালের যাত্রা শুরু হয়। আরো অনেকে তখন এই হাসপাতালের জন্য অর্থ সাহায্য প্রদান করেন।চার বছর ধরে এর নির্মাণ কাজ চলে। একটি মহিলা এবং দুইটি পুরুষ ওয়ার্ড নিয়ে এর শুরু। প্রথমে বেড ছিল ৯২ টি।
বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে প্রায় ১২.৮ একর জায়গা জুড়ে বর্তমান হাসপাতালটি অবস্থিত। হাসপাতালটি ইনডোর এবং আউটডোর ট্রিটমেন্টের পাশাপাশি প্যাথোলজিক্যাল ও ডায়াগনস্টিক সার্ভিস প্রদান করে থাকে। বর্তমানে হাসপাতালটি প্রতিদিন প্রায় ২৫০০ আউটডোর রোগীকে চিকিৎসাসেবা প্রদান করছে। প্রতিদিন প্রায় ১০০০ জনেরও বেশি ইনডোর রোগী হাসপাতালে অবস্থান করে।
বর্তমানে প্রায় ২০০জন স্টুডেন্ট এখানে এমবিবিএস কোর্সের জন্য ভর্তি হতে পারে। শিক্ষার্থীদের পছন্দের তালিকায় ঢাকা মেডিকেল কলেজের পরেই স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেলের অবস্থান। বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের নানা দেশ যেমন যুক্তরাষ্ট্র,কানাডা, পাকিস্তান, ইন্ডিয়া, নেপাল,মালয়েশিয়া, ভূটান থেকেও স্টুডেন্টরা এখানে পড়তে আসে।
কার্টেসি- কাব্য (পেজ অলিন্দম)
Click here to claim your Sponsored Listing.