অথঃ গায়ত্রী মন্ত্রাঃ
Prodip Kumar pkp
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Prodip Kumar pkp, Faridpur.
04/09/2022
রাধার নামটি আসিল কোথা হইতে ?
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর "কৃষ্ণচরিত্র" গ্রন্থে প্রশ্ন করেছেন- এই রাধা আসিলেন কোথা হইতে, আর আমি আজকে প্রশ্ন করছি- রাধার নামটি আসিল কোথা হইতে ?
শ্রীকৃষ্ণের যে প্রামাণ্য জীবনী- হরিবংশ এবং মহাভারত, সেখানে রাধার নামের কোনো অস্তিত্ব নেই। এ প্রসঙ্গে বলে রাখি হরিবংশ এবং মহাভারত একে অপরের পরিপূরক গ্রন্থ, শ্রীকৃষ্ণ সম্পর্কে যে তথ্য হরিবংশে আছে, সেটা মহাভারতে নেই, আবার মহাভারতে যে তথ্য আছে, সেটা হরিবংশে নেই। এজন্য হরিবংশে শ্রীকৃষ্ণের জন্ম থেকে বাল্যলীলার সবকিছু আছে, কিন্তু মহাভারতে আছে তার বাল্য ও কৈশোর লীলার পরবর্তী ঘটনাগুলো। প্রশ্নটি আমার নয় সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর।
তিনি তাঁর সুদীর্ঘ 15 বছরের Researche এর পর যে জগদ্বিখ্যাত গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন যার নাম হলো, "কৃষ্ণচরিত্র"। প্রথম প্রকাশনা ১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দে।
এই গ্রন্থটিতে ঠিক এই প্রশ্নটিই তিনি করেছিলেন।
গ্রন্থটি online এ বাংলাতে Available আছে। পড়ে দেখুন।
আমাদের পরম পুরুষ শ্রীকৃষ্ণের জীবন কে রাধা নামক এক ঐতিহাসিক অস্তিত্ব বিহীন নারীর সঙ্গে এবং 18 হাজার গোপিনীদের সঙ্গে জড়িয়ে দিয়ে, শ্রীকৃষ্ণের চরিত্র কে Polygamous বা ব্যভিচারি বানানোর যে ই #স #লা #মি #ক শাসকদের যে কতো বড় চক্রান্ত, তা জানলে আজকের প্রজন্মের যুবাদের রীতিমতো চমকে উঠতে হবে.....।
"কৃষ্ণ চরিত্র" Original গ্রন্থটি আমার কাছে আছে। আজ থেকে 30 বছর আগে আমার পিতা আমাকে কিনে দিয়েছিলেন। তৎকালীন "বসুমতী সাহিত্য মন্দিরের প্রকাশন ছিলো এই মহান গ্রন্থটি। বইটির প্রতিটি পাতা আজ কালের গতীতে লালচে হয়ে গেছে। কিন্তু আজও আমার Collection এতে আছে।
রাধা-কৃষ্ণের প্রেম, সত্য না কল্পকাহিনী.......???
মূল মহাভারত, চার বেদ, ১০৮টি উপনিষদ, গীতার ১৮টি অধ্যায়ের ৭০০ শ্লোক এবং বিষ্ণু পুরান- কোথাও
রাধার কোনো উল্লেখ নেই। এই সমস্ত বিষয়,
বিচার-বিশ্লেষণ করে, সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তার “কৃষ্ণ চরিত্র” গ্রন্থে এক বিশাল প্রশ্ন উত্থাপন
করে বলেছেন,
“তাহা হইলে, এই রাধা আসিলেন কোথা হইতে...?”
রাধার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মহাপুরুষ শ্রীকৃষ্ণের
চরিত্রে যথেষ্ট কালিমা লেপন করা হয়। শ্রীকৃষ্ণের চরিত্র কে ই #স #লা #মি #ক শাসকরা সুপরিকল্পিত ভাবে ষড়যন্ত্র করে একটি "পলিগেমাস" বা ব্যভিচারি চরিত্রে রূপান্তরিত করে।
যাতে করে তাদের ই #স #লা #ম # মজহব্ এর দ্বারা সমর্থিত মু #স #ল #মা #ন পুরুষের বহু বিবাহ প্রথা এবং পুরুষ এর "পলিগ্যামাস" বা ব্যভিচারি চরিত্র কে যে ভয়ংকর ভাবে সমর্থন করা হয়েছে, সেই বিষয়টি কে ভারতীয় হিন্দু জনমানসেও শ্রী কৃষ্ণ নামক মহাপুরুষের চরিত্রের সঙ্গে জড়িয়ে দিয়ে মু #স #ল #মা #ন #দে #র ব্যভিচারি জীবন যাত্রাকে এবং তাদের ই #স #লা #ম নামক মজহব্ এর গ্রহণযোগ্যতাকে তৈরী করা।
এর জন্যে তৎকালীন মু #স #ল #মা #ন শাসকরা কিছু অর্থ লোলুপ হিন্দু পন্ডিতদের মাধ্যমে পুরানের মধ্যে এমন কিছু কাহিনী কে শ্রীকৃষ্ণের সমন্ধে ঢুকিয়ে দিয়েছে যা পরবর্তী প্রজন্ম একেই সত্য বলে মেনে নিয়েছে।
একটি কথা সর্বদা মনে রাখবেন, "চন্দ্র বংশীয় রাজা শ্রী রাম" এবং "যাদব বংশোদ্ভূত দ্বারকা রাজ
শ্রীকৃষ্ণ" দুজনেই ছিলেন ঐতিহাসিক পুরুষ।
শ্রীকৃষ্ণের জন্ম :- 19 শে জুলাই,3328 খ্রিস্ট পূর্বাব্দ এবং মৃত্যু :- 18 ই ফেব্রুয়ারী, 3102 খ্রিস্ট পূর্বাব্দ।
এর পাশাপাশি আমাদের চতুর্থ প্রকার বেদ, উপনিষদ বা বেদান্ত এবং গীতা হলো ঐতিহাসিক প্রামাণ্য গ্রন্থ। কিন্তু সেখানে "পুরান" হলো সম্পূর্ণ মন গড়ন "কল্পকাহিনী"।
কোনো নারী যদি কোনো ব্যক্তির জীবনে থেকে থাকে, আর সেই ব্যক্তিকে নিয়ে যদি একাধিক গ্রন্থ থাকে, তাহলে বিভিন্ন গ্রন্থে সেই নারীর কাহিনী থাকবে, এক কথায় ঐ নারীকে নিয়ে ঐ ব্যক্তির জীবনে অনেক বাস্তব ঘটনা থাকবে, যেটা প্রমাণ করবে যে ঐ ব্যক্তির জীবনে ঐ নারীর অস্তিত্ব ছিলো। কিন্তু শ্রীকৃষ্ণের জীবনে রাধাকে নিয়ে এমন কোনো ঘটনা বাস্তবিক আকারে নেই, যেটা প্রমাণ করে যে শ্রীকৃষ্ণের জীবনে রাধা নামক কোনো নারীর অস্তিত্ব ছিলো, যার সাথে শ্রীকৃষ্ণের প্রেম ভালোবাসা বা যৌনতার সম্পর্ক ছিলো।
শ্রীকৃষ্ণের মা ছিল দুইজন। জন্মদাত্রী দেবকী, আর পালক মাতা যশোদা। দেবকীর ভাই কংস, যাকে শ্রীকৃষ্ণের নিজে হত্যা করেন। কংসের যেহেতু অন্য কোন ভাই ছিল না, সেহেতু এই দিক থেকে শ্রীকৃষ্ণের অন্য কোন মামা থাকা সম্ভব নয়। বাকি রইলো রাধার কথিত স্বামী আয়ান ঘোষ যে নাকি যশোদার ভাই। সেই ব্যাপারে, শ্রীমদ্ভাগবত, যেটা শ্রীকৃষ্ণের প্রামান্য জীবনী এবং মহাভারত, যাতে কৃষ্ণের জীবনের সমস্ত কাহিনীই লিপিবদ্ধ আছে, এই দুটো গ্রন্থে কোন তথ্য আছে কি....???
না, নেই.......।।
তাহলে আপনারা কিভাবে বলছেন যে- রাধা, শ্রীকৃষ্ণের মামী....?
শ্রীকৃষ্ণের জন্মদাত্রী মাতা দেবকীর একটিই বড় ভাই ছিলো তার নাম কংস। কিন্তু আর কোনো ভাই আয়ান ঘোষের নাম প্রামাণ্য কোনো গ্রন্থে পাওয়াই যায় না।
তাহলে মামাই যখন নেই, তাহলে রাধা নামক মামী এলো কোথার থেকে....???
আশা করি বোঝাতে পারলাম।
আর একটি কথা, রাধার স্বামী হিসেবে যাকে বলা হয়, সেই আয়ান ঘোষ যে একটা কাল্পনিক চরিত্র, তার অন্যতম প্রমান হলো তার "ঘোষ" পদবী; এই ঘোষ পদবী মধ্যযুগের উৎপত্তি, যখন ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণে এই আজগুবি কাহিনীগুলি লেখা হয়। কৃষ্ণের সময় ঘোষ পদবী বলে কিছু ছিল না। কারণ, কৃষ্ণের যুগে কোন পুরুষের নামের সাথে ঘোষ পদবী ছিল না, যদিও বৃন্দাবনের সবার পেশাই ছিল বর্তমানের ঘোষদের মতোই।
হিন্দু ধর্মকে সাংস্কৃতিকভাবে ধ্বংস করার জন্য ভারতে মুসলমান শাসন শুরু হওয়ার পর, বহু পুরাণ রচয়িতা "বেদব্যাসের" নাম ব্যবহার করে তাদের রচনা করা "ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণ" এবং তাতে প্রথম রাধা-কৃষ্ণের প্রেমের আবির্ভাব ঘটানো হয়। মু #স #ল #মা #ন # শাসকদের এই কৌশল এবং চক্রান্ত বুঝতে না পেরে, ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণের কাহিনী অবলম্বন করে পরবর্তী কালে জয়দেব সংস্কৃতে রচনা করেন "গীত গোবিন্দ" এবং বড়ু চণ্ডীদাস বাংলায় রচনা করেন "শ্রীকৃষ্ণীর্তন কাব্য" এবং তারপর চৈতন্যদেব এর আগে এবং পরেও লেখা হয়, "বৈষ্ণব পদাবলী"। এই কাব্য গ্রন্থ গুলোর কারণে রাধা-কৃষ্ণের প্রেম হিন্দুদের মাথায় শিকড় গেড়ে বসে যায়।
এমনকি "গৌতমবুদ্ধ"কে নারায়ণের অবতার বলা হয়েছে, যে গৌতমবুদ্ধের জন্ম, বেদব্যাসের অন্তত ২৭০০ বছর পর, তাহলে সেই গ্রন্থ কিভাবে কৃষ্ণদৈপায়ন বেদব্যাসের হাতে রচিত হয়...???
তাছাড়াও এমন কাহিনি প্রচলিত আছে যে- ভাগবত রচনা করে কৃষ্ণদৈপায়ন বেদব্যাস তার পুত্র শুকদেবকে শোনান। শুকদেব, রাজা পরীক্ষিতকে শোনান, কিন্তু মহাভারতের তথ্য অনুসারে, কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের অনেক আগেই শুকদেব মারা গিয়েছিলেন, তাহলে সেই শুকদেব কিভাবে পরীক্ষিতকে ভাগবতের কাহিনী শোনায়....???
এই ভাগবতেই আছে রাসের নামে কৃষ্ণের যৌনলীলার কাহিনী, কিন্তু রাসের সময় কৃষ্ণের বয়স ছিলো মাত্র ৭ বা ৮ বছর, এই বয়সী একটি শিশু কিভাবে যুবতী নারীদের সাথে যৌনক্রিয়া করতে পারে, বা তার মাথায় এই ধরণের চিন্তা আসতে পারে ?
তাই বিভিন্ন গ্রন্থে শ্রীকৃষ্ণের জীবনে যেসব যৌনক্রিয়া বা লাম্পট্যের ঘটনা আছে, সেগুলো যে সত্য নয়, এটা খুব সহজেই অনুমান করা যায়। এসব সনাতনধর্ম ও কৃষ্ণ বিরোধী ই #স #লা #মে #র শাসনকালে এই মিথ্যা প্রচারণার কাহিনী।
রাধার অস্তিত্ব বা কৃষ্ণের জীবনে প্রমাণ করবার জন্যে যেসব রেফারেন্স গুলো সব থেকে ব্যবহার করা হয়, সেগুলোর মধ্যে একটি হলো- নারায়ণ গীতি স্তোত্রের ১০ নং শ্লোক, সেখানে বলা হয়েছে-
"রাধাধর মধু রসিকা রজনী-কর-কূল-তিলকাঃ।
নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে।
নারায়ণ নারায়ণ জয় গোপাল হরে।"
এটা কোনো সংস্কৃত শ্লোক নয়, এটি সম্পূর্ণ বাংলা শ্লোক, যা বৈষ্ণবদের দ্বারা রচিত।
যে বৈষ্ণবদের কোনো কথাকে বিশ্বাস করা যায় না, এরা সনাতন ধর্মের সমস্ত সিস্টেমকে ধ্বংস করেছে, আজও করে চলেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে "ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণ" কোনো ভাবেই ১২০০ খ্রিষ্টাব্দের আগের রচিত নয়।
রাধা-কৃষ্ণের প্রেম সম্পর্কে যা বলা হয়, তা যে 100% পার্সেন্ট মিথ্যা, তার প্রমান স্বরূপ একটি মাত্র ক্লু দিই। প্রচলিত মত অনুসারে, রাধার সাথে শ্রীকৃষ্ণ প্রেম করেছে যৌবনকালে এবং তা বৃন্দাবনে। কিন্তু হরিবংশ ও মহাভারতের কাহিনী সাক্ষী দিচ্ছে যে, ১০ বছর ২ মাস বয়সে শ্রীকৃষ্ণ, কংসকে হত্যা করে ধর্ম রাজ্য প্রতিষ্ঠার জন্য বৃন্দাবন ছেড়ে মথুরায় যান এবং আরো পরবর্তী কালে দ্বারকায় এবং তারপর শ্রীকৃষ্ণের কোনদিনই বৃন্দাবনে ফিরে যান নি, তাহলে যুবক শ্রীকৃষ্ণের সাথে যুবতী রাধা প্রেম হলো কখন এবং কোথায়....???
চৈতন্যপন্থীরা তো বরাবরই মূর্খ, এরা প্রকৃত সত্যকে ধরতে পারে না, আর প্রকৃত সত্যকে বোঝেও না। এজন্যই তো এরা হরিবাসর বা হরিসভার নামে রাধা-কৃষ্ণের প্রেম সম্পর্কিত লীলাকীর্তনের প্রচার করে হিন্দুসমাজটাকে রসাতলে নিয়ে গেছে এবং যাচ্ছে। এদের হাতে রচিত গ্রন্থ দ্বারা আমার ও আপনার মতো সাধারণ হিন্দুরা কৃষ্ণের জীবনে রাধার অস্তিত্বকে প্রমাণ করার চেষ্টা করে চলেছি বা করে চলেছেন। এই ৮০০ বছরের ই #স #লা #মি #ক চক্রান্তের প্রকৃত সত্যকে উপলব্ধি করার ক্ষমতা কি আদৌ আছে আর যদি থাকেও তাহলে সেটি যে কতটুকু নিরপেক্ষ, সেটা কি আমরা কখনো বিশ্লেষণ করে দেখেছি।
শ্রী কৃষ্ণের মতো একজন দুর্ধর্ষ পলিটিশিয়ান এবং যোদ্ধা যাকে ঘিরে তৎকালীন ভারতবর্ষের সমস্ত রাজনীতি আবর্তিত হতো। যিনি কিনা মহাভারতের যুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ নেতৃত্ব দান করেছিলেন কোনো প্রকার অস্ত্র ধারনা না করেই শুধু মাত্র অর্জুনের রথের সারথি হয়ে। যার তীক্ষ্ম বুদ্ধির সামনে বিশাল কৌরব বাহিনী এবং পিতামহ ভীষ্ম, দ্রৌনাচার্য, কৃপাচার্য, অশ্বথমা, কর্ন, শকুনি এবং বহুবিধ তৎকালীন ভারত বিখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বগন খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়েছিল। এহেন একজন বিশ্ব মানের রাষ্ট্র নেতা তিনি বৃন্দাবনে বাঁশি হাতে শুধু মাত্র রাধার সঙ্গেই নয় ১৮ হাজার গোপীনেদের সাথে প্রেমলীলাতে মগ্ন, এমন এক প্রেমিক পুরুষটি হটাৎ করে এক দুর্ধর্ষ যোদ্ধা এবং বিশাল এক পলিটিশিয়ানে রূপান্তরিত হয়ে যায়, এমনটি হয় কখনো......???
1) রাধা আসলো কোথা থেকে
https://drive.google.com/file/d/10pBSyG8sKupCGrQm5xYclS-nVGSizcsK/view
2) রাধার ক্রম বর্ধমান https://drive.google.com/file/d/1PGOXSL3J8-sfwwYhlXCNFQ0usHSP_JUt/view?usp=drivesdk
3) বেদ মন্ত্রে রাধা নাম ও তার বাস্তবিক অর্থ https://back2thevedas.blogspot.com/2016/07/blog-post_71.হতমল
4) রাধা কৃষ্ণের প্রেম সত্য নাকি কষ্টকল্পনা https://back2thevedas.blogspot.com/2016/07/blog-post_22.হতমল
5) কাল্পনিক রাধা চরিত্র https://back2thevedas.blogspot.com/2016/07/blog-post_13.html এই লিংকগুলো লিখে আপনি ও এই পিডিএফ ফাইল থেকে সত্য সত্য অর্থ জানতে পারবেন।🔥🧘 তাই মানব কল্যাণে আপনারাও আপনাদের ছেলে মেয়ে আপনজনের কাছে এটি শেয়ার করুন।🌍🙏
🕉️ওম্ নমস্তে🙏 ভারতমাতা কি জয় 🚩 ওম্ শান্তি শান্তি শান্তি শান্তি🌍🛕🔥🧘🤱👨👩👧👧👪
01/09/2022
কি অপরাধ ঝুমন দাসের.....???
নিজ মন্দিরের গেইটে অন্য ধর্মের দানবাক্স ঝুলানো রয়েছে। এটা নিয়ে প্রতিবাদ করলে কিভাবে ধর্ম অবমাননা হয়? বরং ধর্ম অবমাননা তো করলো তারা যারা মন্দিরের গেইটে দানবাক্স ঝুলিয়েছে।
"আজকে কোর্টে হাজির করার পর জানতে পারলাম উনার (ঝুমন দাশ আপন) নামে ১৬৪ ধারায় মামলা করা হয়েছে। আজব এক খেলা শুরু হয়েছে আমার সাথে। ১৩ ঘন্টা ৩০ মিনিট পরে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হল। এটা আমাকে শুধু বিভ্রান্তিতেই ফেলে দেয় নি বরং আমাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আমার মানসিক ও শারীরিক অবস্থা এখন খুব খারাপ হচ্ছে। কি করবো আমি, সেটা ঠিক করতে পারছি না। আমার এই ধরনের ক্ষতিপূরণ সরকার বহন করবে কি না আমি জানতে চাই। সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।"
-------ঝুমন দাশ আপনের স্ত্রী সুইটি রানী দাশের বক্তব্য
ঝুমন দাশ আপনের দ্বিতীয়বার গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনাটা শুধুমাত্র ঝুমনকে হয়রানির উদ্দেশ্যে নয় বরং তার স্ত্রী এবং শিশুপুত্রের প্রতিও চরমতম মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে দেখছি। অত্যন্ত দূঃখজনক এবং নিন্দনীয়। অবিলম্বে ঝুমন দাশ আপনের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানাচ্ছি। এইভাবে বার বার একটা মানুষকে কেন চরম হয়রানি করা হচ্ছে? কেন এই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন শুধু হিন্দুদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হচ্ছে? যদি ঝুমন দাসকে মুক্তি দিতে না পারেন,তাহলে আমাকেও গ্রেফতার করুন। কারণ,আমিও প্রতিবাদ জানিয়েছি।
ধর্মীয় অনুভূতি কোনো খেলার বিষয় নয়। হিন্দুদেরও ধর্মীয় অনুভূতি আছে। তারাও তাদের ধর্মকে ভালোবাসে,শ্রদ্ধা করে।
01/09/2022
প্রশ্নঃ ভগবান আর ঈশ্বরের মধ্যে পার্থক্য কি❓
উত্তর– ভগবান আর ঈশ্বরের মধ্যে অনেক পার্থক্য, যেমন কাহারও রূপ থাকলে তিনি রূপ'বান, ধন থাকিলে ধন'বান, বীর্য থাকিলল বীর্য'বান, জ্ঞান থাকিলে জ্ঞান'বান ক্ষমতা থাকিলে ক্ষমতা'বান তদ্রূপ কাহারও কাছে 'ভগ' থাকিলে তিনি ভগবান,
যথা ঐশ্বর্য, বীর্য, শ্রী, যশ, জ্ঞান, ও বৈরাগ্য এই (৬ টি) গুণ যাঁর মধ্যে পূর্ণ তিনিই ভগ'বান।
কিন্তু ঈশ্বর নন, কেন না ঈশ্বর এই কয়েকটা মাত্র গুণে সীমাবদ্ধ নয়, তিনি তো সমস্ত গুণের অধিকারী, তাঁহাকে যদি এই কয়েকটা গুণে বিচার করি তবে বেপার টা মুর্খামি হয়ে গেলো না? পরন্তু যাঁরা ভগবান আর ঈশ্বর সম্পর্কে অবগত না হয়ে নিজের অল্পজ্ঞতার কারণে মুর্খতা বশত ভগবান আর ঈশ্বরকে এক করে ফেলেছে, সেটা তাঁদের অজ্ঞানতা ছাড়া আর কিছু নয়❗
প্রশ্ন– ব্রহ্ম, পরমাত্মা, ঈশ্বর, , এগুলো কি আলাদা স্ব স্ব ঈশ্বর বুঝয়া না❓
উত্তর– না! ব্রহ্ম, পরমাত্মা, ঈশ্বর, ইত্যাদি নাম গুলো এক স্রষ্টারই বিভিন্ন নাম মাত্র।
✍------সুভাষ দেব নাথ।
♦ হিন্দু ধর্মে বিভেদের ষড়যন্ত্র করছেন কারা? বৈদিকরা না অন্য কেউ: একটি সমীক্ষা ♦
প্রথমেই বলে রাখি, হিন্দু বলে কোনো ধর্ম নেই যেমন আর্য বলে কোনো জাতি নেই।
হিন্দু নাম বিধর্মীদের দেওয়া।
হিন্দু শব্দের অর্থ, ফার্সী অভিধানে লেখা আছে,চোর, ক্রীতদাস ইত্যাদি।
বিশ্বাস না হলে, গুগল সার্চ করে দেখে নেবেন।
সিন্ধু নদের তীরে বসবাস করার জন্য সিন্ধু থেকে হিন্দু হয়েছে এটা নিতান্তই হাস্যকর যুক্তি!
সিন্ধু নদের তীর ছাড়া আমাদের পূর্ব পুরুষ আর্যরা কি অন্য কোত্থাও বসবাস করতেন না?!!
নীচের শ্লোকটি দেখুন:-
আসমুদ্রাত্তু বৈ পূর্বাদাসমুদ্রাচ্চ পশ্চিমাৎ।
তয়োরেবান্তরং গির্যোরার্যাবর্তং বিদুর্বুধাঃ।।
মনু স্মৃতি_2.22
অনুবাদ _ পূর্বে ও পশ্চিমে যথাক্রমে পূর্ব-সমুদ্র ও পশ্চিম-সমুদ্রের দ্বারা এবং উত্তর-দক্ষিণে হিমালয় ও বিন্ধ্যগিরির মধ্যবর্তী ভূখণ্ডকে বিদ্বানগণ্ আর্যাবর্ত নামে অভিহিত করে থাকেন।
এছাড়াও, পতঞ্জলি তাঁর মহাভাষ্যে, (পাণিনি কৃত অষ্টাধ্যায়ী ব্যাকরণের,2.4.10 এর উপর )আর্যাবর্তের সীমা নির্দেশ করছেন এইভাবে:-
আর্যাবাতের পূর্বে প্রয়াগ,
পশ্চিমে আদর্শ (আরাবল্লী) পর্বত, দক্ষিণে বিন্ধ্য পর্বত এবং উত্তরে হিমালয় পর্বত।
আমাদের প্রাচীন বৈদিক গ্ৰন্থগুলোতে আর্য নাম পাওয়া যায়, হিন্দু বলে কোনো শব্দ নেই।
আমাদের দেশের নাম ছিল আর্যাবর্ত।
আর্যাবর্তে বসবাসকারী বিদ্বান ও সভ্য মানুষদের আর্য বলা হত।
সুতরাং, "হিন্দু" শব্দটাই হল অপমানজনক!!
তেমনি, আর্যও কোনো জাতি নয়।
আর্য হল গুণবাচক নাম।
বিদ্বান ও ভদ্র মানুষদের আর্য বলা হয়।
যাইহোক, মূল প্রসঙ্গে আসি।
অনেকেই আজকাল বলছেন,বৈদিকরা হিন্দু ধর্মে বিভাজন সৃষ্টি করছেন!
সত্যিই কি তাই?!!
এর পূর্বে হিন্দুরা বুঝি এক ছিলেন?
হিন্দু সম্প্রদায়ের এক হবার নমুনা দেখুন:----
♦জাতিবাদ_কোনোদিন আপনারা পাত্র পাত্রীর বিজ্ঞাপন খবরের কাগজে দেখবেন!
তাহলে বুঝতে পারবেন, জাতিভেদের তীব্রতা।
হিন্দু সমাজ,ছোট জাত বড় জাত যথা,ব্রাহ্মণ-বৈদ্য-কায়স্থ-মাহিষ্য- নমঃশূদ্র ইত্যাদিতে শতধা বিভক্ত।
নিজেকে বড় জাতি ভেবে ছোট জাতির মানুষদের ঘৃণা করা হিন্দুদের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য।
♦গুরু বাদ_ তথাকথিত হিন্দু ধর্মে, গুরু ও অবতারের ছড়াছড়ি।
প্রতিটি গুরুদেব হয় অবতার অথবা স্বয়ং ঈশ্বর।
এক গুরুর শিষ্য অন্য গুরুর শিষ্যদের সহ্য করতে পারেন না।
♦সম্প্রদায়গত বিভাগ_ হিন্দুদের মধ্যে কেউ শৈব,কেউ শাক্ত, কেউ বৈষ্ণব, কেউ তান্ত্রিক, কেউ হাফ-মুসলিম গুরু পরম্পরার অনুসারী (যেমন, অনুকূলচন্দ্র, রামপাল,সত্য সাঁই),
কেউ ফুল মুসলিম কবীর পন্থী বা
শিরডী সাঁই পন্থী,
কেউ মতুয়া কেউ আবার পীর বাবার পুজো করেন,
কেউ আবার বাউল ধারা মেনে চলেন!
প্রধান সম্প্রদায়গুলো আবার অসংখ্য
উপ-সম্প্রদায়ে বিভক্ত।
যেমন, বৈষ্ণবদের অসংখ্য ভাগ আছে।
যথা , রামানুজ,মধ্ব, গৌড়ীয়, ইস্কন-গৌড়ীয়, নিম্বার্ক,
প্রভু জগদ্বন্ধু,নৃত্যগোপাল,
রাম ঠাকুর ইত্যাদি।
এনারা সব সময় পরস্পরের নিন্দা করেন।
এমনকি,এক সম্প্রদায়ের উপদল'গুলোও পরস্পরকে সহ্য করতে পারেন না।।
♦দেবতা বাদ_ দূর্গা,কালি,রাম, হনুমান, শ্রীকৃষ্ণ,রাধা,শনি,শিব, গণেশ
আদি দেবতাদের প্রত্যেকের আলাদা আলাদা ভক্ত আছেন এবং এদের নামে রচিত পুরাণ'গুলোতে পরস্পরের বিরুদ্ধে বিষ ছড়ানো হয়েছে।
যেমন,শৈব পুরাণে বৈষ্ণবদের ও বিষ্ণুকে ছোট করে দেখান হয়েছে আবার বৈষ্ণব পুরাণে,শিব ও শৈবদের ছোট করা হয়েছে।
♦ধর্ম গ্ৰন্থ_ আপনার প্রধান ধর্ম গ্ৰন্থ কি জিজ্ঞেসা করলে,কেউ বলেন, রামায়ণ-মহাভারত, কেউ বলেন গীতা, কেউ বেদ বলেন।
বৈষ্ণবরাতো ধর্ম গ্ৰন্থ বলতে বোঝেন, ভাগবত পুরাণ, চৈতন্য চরিতামৃত চৈতন্য ভাগবত।
রামকৃষ্ণ আদি গুরুর শিষ্যরা তাঁদের গুরুর বচন যে বইতে লেখা থাকে সেটাকেই পবিত্র জ্ঞান করেন!
মূর্খ গুরুরা নিজেরাই বেদ জানেন না,শিষ্যদের শেখাবেন কি!
অথচ, কোনো মুসলিম বা খ্রীষ্টান'কে জিজ্ঞাসা করুন তাঁদের ধর্ম গ্ৰন্থ কি এক কথায় উত্তর পেয়ে যাবেন!
♦আশ্চর্যের বিষয় হল এই যে,
মুসলিম ধর্মগুরু হতে হলে, কোরআন শরীফ ও হাদিস জানতেই হয়, খ্রীষ্টান ধর্মগুরুদের বাইবেল জানতেই হয় কিন্তু বেদ না জেনেও ও বেদের নিন্দা করেও হিন্দু ধর্মগুরু হওয়া যায়!
একতার জন্য একটাই ধর্ম গ্ৰন্থ(বেদ) হওয়া
একান্তই প্রয়োজন।
♦রাজনীতি:- রাজনৈতিক নেতারা তাঁদের নিজস্ব রাজনৈতিক স্বার্থ পূরণের জন্য হিন্দুদেরকে সবসময় বিভাজিত করে রাখেন।
তাছাড়া, হিন্দুরা রাজনীতি নিয়ে পরস্পরের সাথে দাঙ্গা করে মারপিট করেন, ও বিপক্ষ পার্টির হিন্দু লোকজনকে সহ্য করতে পারেন না।
সুতরাং,জাত-পাত, অবতার ও গুরুবাদ,
দেবতাবাদ, রাজনীতি ইত্যাদিতে হিন্দুরা শতধা বিভক্ত।
ধনী হিন্দু গরীব হিন্দুদের ঘৃণা করেন,শহরের হিন্দু গ্ৰামের হিন্দুদের নিয়ে উপহাস করেন, এইগুলো নয় ছেড়েই দিলাম।
সুতরাং,সনাতনী মানুষেরা শতধা বিভক্ত হয়েই আছেন।
আগেও এক ছিলেন না, বর্তমানেও এক নয়।
♦এবার আসি বৈদিকদের প্রসঙ্গে:-
বৈদিকরা এক ঈশ্বরের কথা বলেন।
♦একেশ্বরবাদ কি নব্য কোনো মতবাদ:-
এক নিরাকার ব্রহ্মের উপাসনা উপনিষদেই পাওয়া যায়।
উপনিষদের উপর ভিত্তি করেই রাজা রামমোহন রায় তাঁর ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সুকুমার রায় ইত্যাদিরা ব্রাহ্ম ছিলেন।
ঋগ্বেদের এই মন্ত্রটি দেখুন:-
ইন্দ্রং মিত্রং বরুণমগ্নিমাহুরথো দিব্যঃ
স সুপর্ণো গরুত্মান্।
একং সদ্বিপা বহুধা বদন্ত্যগ্নিং যমং
মাতরিশ্বানমাহুঃ।।
ঋগ্বেদ_1.164.46
ইন্দ্র,মিত্র,বরুণ,অগ্নি,যম, সুপর্ণো,গরুড়, মাতরিশ্বা ইত্যাদি নাম হল সেই এক ঈশ্বরেরই নাম।
সুতরাং, একেশ্বরবাদ বেদ দ্বারাই সমর্থিত।
♦বৈদিকদের লক্ষ্য:-
সনাতনী মানুষদের এক করা সম্ভব একমাত্র সঠিক ধর্মীয় আদর্শ দ্বারা।
♦এক ধর্ম গ্ৰন্থ:-বেদ।
♦এক ঈশ্বর:-নিরাকার,ব্যাপক,
যিনি জন্ম গ্ৰহণ বা শরীর ধারণ করেন না। (যজুর্বেদ-40.8)
♦ঈশ্বরের প্রধান নাম:-ওম্।
♦এক মহামন্ত্র:-গায়ত্রী।
♦বৈদিকদের দোষ এটাই যে,তাঁরা বৈষ্ণবদের মত প্রতারণা করে বলতে পারেন না,আজকে শ্রীকৃষ্ণের রাজভোগ হবে,এক হাজার টাকা থেকে দশ হাজার টাকা দিন!!
♦বৈদিকরা এটাও বলতে পারেন না যে, ওম্ বা গায়ত্রী মন্ত্র উচ্চারণ দ্বারা সব পাপ বিনষ্ট হবে!
♦বৈদিকরা আপনাদের কাছ থেকে টাকা-পয়সা আদি কিছুই চান না।
বৈদিকরা চায়,আপনারা সত্যি জানুন এবং এক হয়ে চলুন।
নাহলে, ভবিষ্যতে সনাতন ধর্মের অস্তিত্ব থাকবে শুধুমাত্র ইতিহাসের পাতায়।
বেদের পথে না ফিরলে এক হওয়া সম্ভব নয়।
বেদের পথে না ফিরলে, নতুন নতুন দেবতা জন্ম নেবেন!
নতুন নতুন অবতার আসতেই থাকবেন!!
আশানন্দ বাপু, রামপাল,রাম রহিম,
সদগুরু(যিনি নিজেকে শিবের অংশ বলেন!) আদি গুরুরা আসবেন, আপনাদের প্রতারণা করে নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধি করে চলে যাবেন।
ইস্কনের প্রতিষ্ঠাতা প্রভুপাদও ধীরে ধীরে অবতার হয়ে যাচ্ছেন!!
এত অবতার ও দেবতা অতীতেও ছিল, বর্তমানেও আছে এবং ভবিষ্যতেও হবে।
কিন্তু,এত দেবতা ও অবতার থাকা সত্ত্বেও তথাকথিত হিন্দুদের সংখ্যা ক্রমশঃ কমে যাচ্ছে!!
তাই আসুন,বেদের পথে ফিরে,
আমরা সবাই এক হই।
05/08/2022
নমস্কার,
মাত্র ৫০ টাকার (কুরিয়ার চার্জসহ ৮০ টাকা) এই বইটি আপনাকে শাশ্বত সনাতন ধর্মের প্রাথমিক জ্ঞান অবগত করাবে৷ বইটি সকলের জন্যই প্রয়োজন মনে করি। ক্রয় করতে পারেন, ঠকবেন না।
অর্ডার করতে কল করুন-
01822310609
01933090898
01673012197
03/08/2022
আমাদের প্রথম ও প্রধান ধর্মগ্রন্থ হচ্ছে বেদ। এ সম্পর্কে কিছু শাস্ত্রীয় প্রমান-
🔴বেদ হল ধর্মের মূল। ধর্মের বিষয়ে বেদ স্বতঃ প্রমাণ। [মনুস্মৃতি ২/৬]
🔴বেদের চেয়ে বড় কোনো শাস্ত্র নেই। [অত্রিস্মৃতি ১৫০]
🔴বেদ সকল জ্ঞানের ভান্ডার। [মনুস্মৃতি২/৭]
🔴যজ্ঞের বিষয়ে,তপস্যার বিষয়ে,শুভ কর্মের জ্ঞানার্থ দ্বিজের জন্য বেদ পরম কল্যাণের সাধন। [যাজ্ঞবল্ক্য স্মৃতি ১/৪০]
বাংলাদেশ অগ্নিবীর
সত্য প্রকাশে নির্ভীক সৈনিক
Click here to claim your Sponsored Listing.