Tuition Service Dinajpur

Tuition Service Dinajpur

Share

Arabic academic ,Varsity admission, English or Bengali medium school &college student. We are given teacher. play to twelve.

30/11/2025

সরাসরি প্রতিষ্ঠানে গিয়ে অথবা ইমেইল, ডাকযোগে দরখাস্ত পাঠাতে পারেন।দিনাজপুরের সুনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আন-নুজুম ইসলামিক একাডেমি তে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শিক্ষক -শিক্ষিকা ও কর্মচারী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।

10/11/2025

ঠগ সবচেয়ে বেশি ঠকে

কেউ যদি আপনাকে অতি গোপনেও ঠকায়, পৃথিবীর কেউ যদি তা না জানে—এমনকি আপনিও না জানেন—তবুও সেই অন্যায় বিনিময়হীন যায় না। কাউকে ঠকানো, হৃদয় খুঁড়ে ব্যথা দেওয়া, কিংবা কারো অধিকার কেড়ে নেওয়া—সবকিছুরই প্রতিদান এই আলোর দুনিয়াতেই দিতে হয়। আপনি হয়তো দেখবেন না, কিন্তু প্রকৃতির বিচার ন্যায্যতার নীতির বাইরে যায় না। কোথাও ঠকালে, কোথাও না কোথাও ঠকতেই হবে। অন্তত এমন অনুশোচনা আসবে যা হৃদয়ের প্রশান্তি কেড়ে নেবে—তবুও প্রায়শ্চিত্তের পথ মিলবে না। এই অনন্ত দহনের মর্মজ্বালা সাংঘাতিক; যে পুড়েছে, সে-ই জানে!

আপনি যদি কারো দীর্ঘশ্বাসের অংশ হয়ে যান, তবে আপনার পতন ঠেকাতে পারবে কে? ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে কষ্ট দেওয়া, প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত করা—এসব আপনার বিরুদ্ধে জমে থাকা পুঁজির মতো। আপনি পৃথিবীর বদ্ধতম কুঠুরিতেও বসে কারো ক্ষতি ভাবলে, আপনার ক্ষতির জন্য আরও শক্তিশালী প্রতিক্রিয়ার আয়োজন শুরু হয়। এই দুনিয়ায় ঠগ সবচেয়ে বেশি ঠকে! সরাসরি শাস্তি না পেলেও ভাবার সুযোগ নেই যে কিছুই হবে না—বহুকিছু হবে, বহুপথে পাবেন। একসময় দেখবেন, সম্ভাবনা ফুরিয়ে গেছে, পথ রুদ্ধ হয়ে গেছে, মানসিক শান্তি হারিয়ে ফেলেছেন।

"এটা না পেয়ে যদি ওটা পেতাম..."—এই অস্থির চিন্তাটাই কখনও কখনও আমাদের ভুলের প্রতিশোধ। মানসিক প্রশান্তির অনুপস্থিতির চেয়ে বড় শাস্তি আর কী হতে পারে? সর্বদা দুশ্চিন্তায় থাকা, হতাশায় নিমজ্জিত হওয়া, কারো হাসির কারণ না হতে পারা—এসবই ভেতরের আগুন। আপনি যাকে কষ্ট দিয়েছেন, তার কান্নার ঢেউ একদিন উল্টোদিক থেকে আপনাকেই ভেজাবে। যতোটা ভেজাবেন, অন্তত ততোটাই ভেজার প্রস্তুতি রাখুন—হয়তো আরও বেশি, হয়তো ডুবেও যাবেন।

ক্ষমতা, শক্তি কিংবা সুযোগ আছে বলে যা খুশি করা যায় না। অন্যের অধিকার গিলে খাওয়া মানে নিজের জন্য পাপের বৃক্ষ রোপণ করা। আর সে বৃক্ষের পতনেই একদিন আপনাকে চাপা পড়তে হবে। এমন অনেক অপরাধ আছে, যার পরিতাপেরও সুযোগ থাকে না। কারো মনে প্রচণ্ড আঘাত দিলে সেই ক্ষতিপূরণ কী দিয়ে মেটে? তাই জিহ্বাস্ত্র বা হস্তাস্ত্র ব্যবহারের সময় সাবধান থাকতে হবে; মনের গোপন অস্ত্র দমন করে রাখুন—শুধু ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, স্নেহ আর সম্মানটুকু প্রকাশ করুন।

কারো উপকার করতে না পারাটা অপরাধ নয়; কিন্তু কারো ক্ষতি করা নিঃসন্দেহে অপরাধ। এমন কিছু বলা বা করা উচিত নয় যা কাউকে ব্যথা দেয়। নীরবতার মধ্যেও মঙ্গল আছে, সুচিন্তার মধ্যেও কল্যাণ! আপনার পা এই মাটিতে চিরস্থায়ী নয়—তবু এমন কিছু পদচিহ্ন রেখে যান, যা আলোয় পৃথিবী ভরিয়ে দেবে। আপনাকে স্মরণ করাবে।

পৃথিবী ঠিক ততোটাই সুন্দর, যতোটুকু সুন্দর আপনি নিজে। তাই ক্ষতির নয়, ভালো রাখার মানসিকতা গড়ুন। কারণ ভালো রাখার সঙ্গেই ভালো থাকা জড়িয়ে।

07/11/2025

জীবন এমন এক নদী, যার স্রোত কেউ ধরে রাখতে পারে না। আমরা যত ভাবি সামনে গিয়ে একটু বিশ্রাম নেব, ততই নতুন এক মোড় এসে পড়ে। কোথাও সংসারের বাঁধ, কোথাও পড়াশোনার চাপ, বেকারত্বের দীর্ঘ অবসাদ, কোথাও সমাজের চাপে জমে থাকা ঘূর্ণি। বয়স বেড়ে গেলে সময় আর নিজের থাকে না, শরীরও আগের মতো সাড়া দেয় না। একদিন হঠাৎ দেখা যায়, যে বইগুলো পড়ার স্বপ্ন দেখেছিলে, সেগুলো ধুলোয় ঢাকা পড়ে আছে বুকশেলফে; যে নামাজে মনোযোগী হওয়ার ইচ্ছে ছিল, তা ভেসে গেছে পড়ালেখার ব্যস্ততা আর কোচিং শেষে ক্লান্ত সন্ধ্যার অন্ধকারে।

আমাদের জেনারেশন ভাবে, তারা আগে পড়াশোনা করবে, চাকুরী করবে, সংসার করবে তারপর জীবনের শেষ প্রান্তে নামাজ-কালামে মনোযোগী হবে, অনেক অনেক বই পড়বে, লেখালেখি করবে, হজ্জ, উমরা করবে, দাওয়াতের কাজ করবে ইত্যাদি। কিন্তু বাস্তবতায় পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। বিশেষ করে বাংলাদেশে থেকে স্বাভাবিক ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থাতে আসতেই জীবনের অর্ধেক পেরিয়ে যায়। বাকী অর্ধেকে ইচ্ছা থাকলেও আগ্রহ থাকে না।

মানুষ মনে করে সময় একদিন তাকে সুযোগ দেবে। একটি নিরব বিকেল, একটুখানি অবসর, একান্তে বসে ভাবার মতো কিছু মুহূর্ত সে নিশ্চয়ই পাবে। কিন্তু সময় কখনো দয়া করে না। সময় কারও জন্য থেমে থাকে না, কারও ক্লান্তি বোঝে না, কারও অসম্পূর্ণতা পূরণ করে না। সে শুধু চলে যায়, নিজের স্রোতে টেনে নিয়ে যায় তোমার শক্তি, তোমার আকাঙ্ক্ষা, তোমার স্বপ্নের দীপ্তিটুকুও।

মানুষের জীবন বড় আশ্চর্য। আমরা যতই পরিকল্পনা করি, জীবনের ছক কখনোই আমাদের কলমে আঁকা পথে চলে না। আমরা ভাবি, এই পরীক্ষাটা শেষ হলে একটু স্বস্তি পাবো, ভার্সিটিতে চান্সটা হয়ে গেলেই আর কিছু লাগবে না, এই চাকরিটা পেলে কিছুটা অবকাশ মিলবে, এই সংসারের চাপ সামলে নিলেই নিজের জন্য সময় বের করতে পারবো। কিন্তু বাস্তবতা হল, জীবন কখনো থামে না। একটা দায়িত্ব শেষ হতেই অন্যটা এসে দাঁড়ায় দরজায়। সন্তান বড় হয়, কিন্তু উদ্বেগও বড় হয়। পদোন্নতি হয়, কিন্তু শান্তি কমে যায়।

আমরা এমন এক ভবিষ্যতের প্রতীক্ষায় থাকি, যে ভবিষ্যত আসলে কেবল কল্পনায়ই শান্ত। বাস্তব ভবিষ্যত সবসময় কোলাহলে ভরা, অসমাপ্ত কাজের বোঝায় ভারী, আর মানসিক ক্লান্তির জালে আটকে থাকে। সময় নিঃশব্দে আমাদের প্রাণশক্তি চুরি করে নিয়ে যায়। আমরা বুঝতেও পারি না কখন আমাদের দিন থেকে রাত হয়ে গেল, কখন উদ্যম থেকে উদাসীনতা এসে বসলো মনে।

যে বয়সে আমরা ভাবি, “এখন সময় নেই, পরে করবো” সেই “পরে” কখনও আসে না। বয়স বাড়ে, কিন্তু শক্তি কমে। চিন্তা বাড়ে, কিন্তু একাগ্রতা হারায়। তখন নামাজে মনোযোগ আসে না, বইয়ের পৃষ্ঠা ভারী লাগে, ভালো কিছু করতে ইচ্ছে হয়, কিন্তু শরীর সাড়া দেয় না। মানুষ ভাবে, অবসরে এসে ভালো কাজ করবে। অথচ অবসর আসার আগেই মন অবসন্ন হয়ে পড়ে। জীবনের শেষ প্রান্তে গিয়ে তার এক নির্মম উপলব্ধি জাগে “আমি চেয়েছিলাম, কিন্তু শুরু করিনি।”

তাই এখনই শুরু করো। যখন মন চায়, তখনই শুরু করা উচিত। কারণ সময় কখনোই সহজভাবে পাওয়া যায় না, সময়কে আদায় করে নিতে হয়। যে নিজের সময়কে জোর করে নিজের আয়ত্তে আনে, তার জীবনেই সার্থকতা আসে।

আরেকটা বিষয় মনে রাখো, জীবন কখনো পুরোপুরি সুশৃঙ্খল হবে না। সবকিছু ঠিকঠাক হওয়ার অপেক্ষায় থাকলে তুমি সারাজীবন শুধু অপেক্ষাই করবে। জীবনের প্রতিটি পর্বেই কিছু না কিছু অসম্পূর্ণ থাকবে। বাড়তি কাজ, মানসিক ক্লান্তি, পারিবারিক টানাপোড়েন। তবুও এই অসম্পূর্ণতার ভেতর দিয়েই মানুষকে অর্থ খুঁজে নিতে হয়।

একটু ভেবে দেখো, যে মানুষ আজ নামাজ শুরু করতে চায় না কারণ সময় নেই, সে কালও বলবে, “আজ শরীর ভালো না।” যে বই পড়া পিছিয়ে দিচ্ছে আজ, সে একদিন পড়তে চাইবে কিন্তু চোখের দৃষ্টি দুর্বল হবে। যে কাজটা তুমি আজকে পারছো, সেটাই একদিন অসম্ভব হয়ে যাবে।
তাই এই মুহূর্তটাই তোমার আসল সময়। আগামীকাল নয়, অবসর নয়, বয়স বাড়লে নয়, আজ। আজ তোমার হাতে আছে শক্তি, আছে চিন্তা, আছে স্বপ্ন। আজই শুরু না করলে কাল তোমার মনই তোমার শত্রু হয়ে যাবে।

শায়খ আবদুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ রহ. তার দীর্ঘ জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে বলেছেন,
"অনেকেই মনে করে ভবিষ্যতে তাদের হাতে অনেক সময় থাকবে, মনোযোগের ব্যাঘাত কমবে, আর চিন্তা হবে স্বচ্ছ-কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ উল্টো। আমি তোমাকে অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণ থেকে বলছি, বয়স যত বাড়ে, দায়িত্বও তত বাড়ে। সামাজিক সম্পর্ক বৃদ্ধি পায়, সময় কমে যায়, শক্তি হ্রাস পায়, স্বাস্থ্য দুর্বল হয়, আর কর্তব্য বেড়ে যায়। বার্ধক্যে সময় আরও সীমিত হয়ে পড়ে, শরীর দুর্বল হয়, স্বাস্থ্য ভেঙে পড়ে, শক্তি ক্ষীণ হয়, আর দায়িত্ব হয় আরও ভারী।

তাই জীবনের সময়কে কাজে লাগাও যতক্ষণ তা তোমার হাতে আছে। এমন ভবিষ্যতের ওপর নির্ভর করো না যা হয়তো আসবেই না। জীবনের প্রতিটি পর্বই নিজস্ব দায়িত্ব, বাধা-বিপত্তি ও অপ্রত্যাশিত ঘটনার ভারে পরিপূর্ণ।"

লেখক :মো:মাহমুদুল হাসান।

30/10/2025

Big shout out to my newest top fans! B A B  U ツ, Sharmin Hossain

24/10/2025

কোনো কোনো ছাত্র বা ছাত্রীকে দেখে আপনার মনে হয়, আরে, এ তো জিনিয়াস, লাইফে নিশ্চয়ই বড় কিছু হবে।

আবার কাউকে কাউকে দেখে আপনি নিশ্চিত হয়ে যান, এটা একেবারেই অপদার্থ, জীবনে কিছুই করতে পারবে না!

বাস্তব ঘটে উল্টোটা। যাকে আপনি "বিরল প্রতিভা" ভেবেছিলেন, সে ছাপোষা কেরানি, ভবঘুরে বা মাদকাসক্ত হয়ে দিন কাটায়, আর যাকে "কোনো কাজের না" মনে করেছিলেন, সে একদিন উচ্চ পদাধিকারী, পাবলিক ফিগার বা শিল্পপতি হয়ে ওঠে।

কখনো কি ভেবে দেখেছেন কেন এটা হয়? এমনটা ঘটার কারণ আর কিছুই না, আপনি যাকে অপদার্থ ভেবেছিলেন তার IQ (পড়া মুখস্থ করার সামর্থ্য) কম হলেও EQ (দায়িত্বশীল হয়ে ওঠার যোগ্যতা), SQ (অন্যদের সাথে নেটওয়ার্ক তৈরি করার ক্ষমতা) ও AQ (হাল ছেড়ে না দেবার মানসিকতা) অনেক বেশি। আর যাকে মেধাবী ভেবেছিলেন তার মধ্যে শুধু IQ ছাড়া আর কিছুই নেই!

গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের মধ্যে উচ্চ EQ, SQ ও AQ আছে তারা, যাদের উচ্চ IQ আছে তাদের তুলনায় জীবনে এগিয়ে যায়, যদিও আমাদের দেশের বেশিরভাগ স্কুল ছাত্রছাত্রীদের IQ বাড়ানোর জন্য সচেষ্ট হলেও EQ, SQ ও AQ এর উন্নতির দিকে নজর দেয় না।

আপনি জানলে অবাক হবেন, পেশাগত জীবনে প্রায় ক্ষেত্রেই উচ্চ IQ সম্পন্ন একজন মানুষ, উচ্চ EQ, SQ ও AQ সম্পন্ন একজনের অধীনে কাজ করে। বিশ্বের বেশিরভাগ সফল মানুষের IQ সাধারণ মানের। উদাহরণস্বরূপ, একটি কোম্পানির কর্মচারীদের IQ অনেক বেশি হয়, পক্ষান্তরে ওই কোম্পানির মালিকের IQ কম থাকলেও EQ, SQ ও AQ বেশি থাকে। IQ কম থাকলেও আপনি জীবনে কোনো না কোনোভাবে উতরে যাবেন, কিন্তু EQ, SQ ও AQ কম থাকলে আপনি জীবনে প্রতি পদে পদে ধরা খাবেন।

আপনার সন্তানকে পড়াশুনার পাশাপাশি জীবনের অন্যান্য দিকগুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দিন। তার মধ্যে কায়িক শ্রমের অভ্যাস গড়ে তুলুন, তাকে অভাবের মধ্যে চলতে শেখান, খেলাধুলা, বিজ্ঞান, শিল্প, সাহিত্য ইত্যাদির প্রতি তার আগ্রহ তৈরি করুন।

মোদ্দা কথা, তার মধ্যে IQ এর পাশাপাশি EQ, SQ এবং AQ এর বিকাশ ঘটান, যেন সে বড়দের মুখাপেক্ষী না হয়ে থেকে স্বাধীনভাবে কিছু করতে সক্ষম হওয়ার মতো বহুমুখী চরিত্রের মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে।

Photos from Tuition Service Dinajpur's post 11/10/2025

Mathematics department subject Code :551
Solution part.

29/09/2025

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সময়সীমা বৃদ্ধি ৭-১০-২৫ তারিখ পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

24/09/2025

১৪৩টি বিজনেস আইডিয়া, বেছে নিন আপনার স্বপ্নের উদ্যোগ

1. প্যাকেটজাত পণ্য
2. মোবাইল এন্ড কম্পিউটার পার্স
3. অর্গানিক খাদ্য সরবরাহ। মাছ মাংস থেকে শুরু করে শাক সবজি ফলমূল, স্থানীয় উৎপাদিত পন্য শহুরে সরবারহ করা যেতে পারে ।
4. অনলাইনে বই বিক্রি
5. একটার সাথে আর একটার সেইন কানেকশান
6. বৃষ্টির পানি সংগ্রহ ও রিফাইন করে সেল
7. বোতল রিসাইকেলিং
8. ফরমালিন মুক্ত খাবার উৎপাদন থেকে শুরু করে পৌঁছে দেয়া
9. আবর্জনা দিয়ে বিদ্যুৎ, গ্যাস তৈরী করা
10. Cosmetics
11. Handcraft
12. বিভিন্ন জেলার বিখ্যাত খাবার
13. চা বাগানে কি কি বিজনেস সার্ভিস দেয়া যায়...
14. Export and Import
15. ঘি
16. মসলা জাতীয় গাছের চাষ
17. চকবাজার থেকে প্রডাক্টস কিনে
18. মাছ একোরিয়ামে
19. ইট
20. তাঁতের পোশাক শিল্প
21. ফুল
22. হোম মেড বিভিন্ন খাবারের আইটেম
23. অনলাইন ট্রেনিং সেন্টার: আইটি
24. চট্টগ্রাম পাহারী অন্চল থেকে হলুদ, মরিচ, পেয়াজ নিয়ে এসে ঢাকাতে বিক্রি করা,
25. ফ্রেস জুস
26. গিফট আইটেম
27. বিনোদন পার্ক
28. বাচ্চাদের যত আইটেম
29. অটো কার ওয়াশ
30. ইন্টরিয়র ডিজাইন
31. গ্যারেজ
32. কাগজের বাক্স, শপিং ব্যাগ ডিজাইন ও তৈরি
33. পার্লার
34. কুরিয়ার বিজনেস
35. গহনা
36. সিরামিক টাইলস
37. ফার্নিচার
38. দেশি মুরগীর খামার
39. প্লাস্টিক থেকে সুতা
40. ওয়ান টাইম প্লেট ও গ্লাস তৈরি
41. ট্রাভেল এবং ট্যুরিজম ব্যবসা
42. ডিটারজেন্ট
43. এলোব্যারা ও মাশরুম চাষ
44. ফুড কার্ট
45. এগ্রো ফার্ম
46. মসল্লার চাষ
47. সবজি রপ্তানি
48. ফল রপ্তানি
49. মাছ রপ্তানি
50. লাইভ ফিস
51. নিজ জেলায় ডাক্তার এপায়ন্টমেন্ট এপস
52. নিজ জেলায় অনলাইনে পণ্য বিক্রি
53. ককংক্রিটের ব্যবসা
54. ফুলের চাষ
55. তাত নিয়ে কাজ
56. হোম মেড খাবার নিয়ে কাজ
57. আইস্ক্রিম তৈরি
58. হাসের খামার
59. মুরগীর খামার
60. কবুতরের খামার
61. বায়োগ্যাস
62. কয়েলের ব্যবসা
63. মোমবাতি তৈরি
64. গিফট আইটেম সেল
65. বেবী খেলনা ইম্পোর্ট করা
66. নিজ জেলায় ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট
67. স্যানেটারি ন্যাপকিন
68. কসমেটিক্স ইম্পোর্ট
69. নিজ থানায় বাচ্চাদের আইটেম নিয়ে দোকান
70. ডেইরি ফার্ম
71. জুয়েলারি ব্যবসা
72. কার ওয়াশ
73. লন্ড্রি অনলাইন সার্ভিস
74. ইন্টরিয়ার ডিজাইন
75. ইলিশ মাছের বিভিন্ন আইটেম নিয়ে খাবারের দোকান
76. নন ওভেন টিস্যু ব্যাগ তৈরি
77. কাগজের ব্যাগ তৈরি
78. কাগজের প্যাকেট তৈরি
79. প্রিন্টিং ব্যবসা
80. স্টক লটের ব্যবসা
81. আধুনিক ফার্মেসী
82. গুড়া মসল্লার ব্যবসা
83. ফার্নিচার তৈরি
84. ফার্নিচার হোলসেল
85. চিড়ার ফ্যাক্টরি
86. মুড়ির ফ্যাক্টরি
87. সিরামিক টাইলস এর দোকান
88. সিরামিক সামগ্রী
89. বিশুদ্ধ পানি সাপ্লাই ব্যবসা
90. ঠিকাদারি ব্যবসা
91. ম্যান পাওয়ার সাপ্লাই
92. বিভিন্ন ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং
93. চা পাতার ব্যবসা
94. ঘরে তৈরি খাবারের ব্যবসা
95. কফি শপ
96. ফাস্ট ফুড
97. লেদার নিয়ে কাজ করা
98. নিজ জেলায় বিভিন্ন পণ্য হোলসেল দেওয়া
99. ড্রাগন চাষ
100. খেজুর চাষ
101. নারিকেল চাষ
102. কাকড়া চাষ ও রপ্তানি করা
103. ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি
104. ভ্রাম্যমাণ রেস্টুরেন্ট
105. চকলেটের দোকান
106. চকলেট ইম্পোর্ট করা
107. বেকারি ব্যবসা
108. পুরাতন ঐতিহ্যবাহী খাবারের ব্যবসা
109. বিল্ডিং তৈরির বিভিন্ন সরজামাদি সাপ্লাই দেওয়া
110. শোপিস তৈরির ব্যবসা
111. নিজ এলাকায় আইটি ফার্ম
112. অনলাইনে রেল, এয়ার ও বাসের টিকেট ব্যবসা
113. স্পোর্টস আইটেমের দোকান
114. স্কুল ব্যাগের ব্যবসা
115. আধা রসুনের পেষ্ট তৈরি
116. পটেটো চিপস তৈরি
117. ডেলিভারি ম্যান বা সিকিউরিটি বয় সার্ভিস
118. এপসের মাধ্যমে ক্লিনার ও কাজের বুয়া সার্ভিস
119. ডিম উৎপাদনে মুরগির খামার
120. চেইন শপের ব্যবসা
121. মৌমাছি পালন
122. সেলুন ব্যবসা
123. একুরিয়াম শপ
124. খাতা বানানোর কারাখানা
125. মানি ব্যাগ তৈরি
126. ডে-কেয়ার সার্ভিস
127. বাঁশ ও বেতের তৈরি সামগ্রী
128. ঝিনুক থেকে চুন
129. বিভিন্ন ফলের বীজ সংগ্রহ ও বিক্রি
130. সবজির বীজ সংগ্রহ ও বিক্রি
131. জিম আইটেম সেল
132. জিমনিসিয়াম দেওয়া নিজ এলাকায়
133. পার্লার ব্যবসা
134. জি আই পাইপ তৈরি
135. মিনি সুগার মিল
136. আটা, ময়দা ও সুজির মিল
137. সয়াবিন রিফাইন
138. শতরঞ্জি, শাল, ব্যাগ, ফ্লোরম্যাটসহ বিভিন্ন পাটজাত পণ্য
139. শার্ট, প্যান্ট, পাঞ্জাবি, স্যুটের কাপড়
140. শর্ষের তেল,
141. পেপার মিল,
142. ইটভাটা
143. ঠিকাদারি ব্যবসা

আপনার কোনটা?

ও ১৪টি অনলাইন বিজনেস আইডিয়া:
ব্যবসা? পুঁজি লাগবে না? না, এই অনলাইনের যুগে একটি কম্পিউটার আর ইন্টারনেট কানেকশন থাকেন পুঁজি ছাড়াই আজ থেকেই আপনি ব্যবসায় নামতে পারেন। আসুন দেখে নেওয়া যাক এমন ১৪টি অনলাইন বিজনেস আইডিয়া।

০১. এসইও কনসালটেন্ট : আপনি কি সার্চ ইঞ্জিনের বিষয়ে অভিজ্ঞ? মানে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সম্পর্কে জানেন; কিন্তু কোথাও কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন না। প্রতিষ্ঠানের আশায় বসে না থেকে অনলাইনেই শুরু করুন এসইও সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া। অনেক প্রতিষ্ঠান পাবেন যারা আপনার পরামর্শ নেওয়ার জন্য বসে আছে। বিভিন্ন ফ্রিল্যান্স সাইটে এমন কাজ পাবেন। না হলে সোজা গুগল সার্চ দিন।

০২. বিজনেস প্রশিক্ষণ : আপনার ব্যবসা সম্পর্কে ভাল ধারণা থাকতেই পারে। কিন্তু পয়সার অভাবে নিজের স্বপ্ন অনুযায়ী একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করতে পারছেন না। আপনার এই অভিজ্ঞতা বসে বসে নষ্ট করার কোন মানে নেই।
অনলাইনে এমন অনেককে পাবেন যারা নতুন ব্যবসা শুরু করতে চাইছে। লিংকডইনে যান, সেখানে আপনি ব্যবসা সংক্রান্ত আর্টক্যাল লিখতে পারবেন। এর দ্বারা সেখানে আপনি অনেক ক্লায়েন্ট পাবেন। তাদের সদুপদেশ দিয়ে নিজের মেধা এবং অভিজ্ঞতা ঝালিয়ে নিতে পারবেন। সেই সঙ্গে টু-পাইস ইনকাম তো আছেই।

০৩. স্পেশালাইজড রিটেইলার : বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও অনলাইনে পণ্য কেনাবেচা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এখন দেশের সব বড় শহরগুলোতেই স্পেশালাইজড শপ বা সুপারশপ আছে। এদের মধ্যে অনেক ছোট বড় প্রতিষ্ঠান আছে যারা অনলাইনে নিজেদের প্রতিষ্ঠানের প্রচার এবং বিজনেস শুরু করতে ইচ্ছুক। সেই সব প্রতিষ্ঠানের কোন একটির সঙ্গে চুক্তি করে আপনি তাদের পণ্যসম্ভার দিয়ে একটি অনলাইন শপ চালু করে ফেলতে পারেন। ঘরে বসে হয়ে যান রিটেইলার শপার।

০৪. সোশ্যাল মিডিয়া পরামর্শক : তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে সোশ্যাল সাইটগুলো চরম উত্কর্ষ অর্জন করেছে। জীবনের সব সমস্যার সমাধান যেন হয়ে উঠছে ফেসবুকের মত মাধ্যমগুলো। নিত্য নতুন ফিচারের পাশাপাশি বাড়ছে সোশ্যাল সাইট হ্যাক করে বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে ব্যবহার করার মত ঘটনা। আপনার যদি সোশ্যাল সাইটগুলোর ব্যবহারবিধি, নিরাপত্তাসহ ফ্রেন্ড-ফলোয়ার বৃদ্ধির বিভিন্ন ট্রিকস জানা থাকে হবে আপনি হয়ে যেতে পারেন সোশ্যাল মিডিয়া কনসাল্টেন্ট। এমনটা করলে অনেক ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাজ পেতে পারেন।

০৫. ওয়েব ডিজাইন : বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত বিজনেস এটা। এখন একটি ছোটখাট প্রতিষ্ঠানও চিন্তা করে তাদের একটা ওয়েবসাইট থাকা দরকার। আপনার যদি ওয়েব ডিজাইন জানা থাকে তবে বসে থাকার কোন মানে নেই। ফ্রিল্যান্স সাইটগুলোতে নিজের পোর্টফোলিও পোস্ট করুন। একটি নমুনা ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে রাখুন। বাজারদর বিবেচনা করে সাশ্রয়ী পারিশ্রমিক ঘোষণা করুন। আপনাকে আর ঠেকায় কে?

০৬. আবেদনপত্র/কভার লেটার লেখা : আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে অনেক শিক্ষিত মানুষ সুন্দর করে একটি চাকরির আবেদনপত্র লিখতে জানে না। কিন্তু চাকরিক্ষেত্রে একটি সুন্দর গ্রহণযোগ্য আবেদনপত্র কিংবা কভার লেটার অন্যদের সঙ্গে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। আপনার এই বিষয়ে অভিজ্ঞতা থাকলে লিংকডইন কিংবা সোশ্যাল সাইটগুলোয় এই বিষয়ে ক্লায়েন্ট খুঁজতে পারেন। ক্লায়েন্ট যে পাবেন এতে কোন সন্দেহ নেই।

০৭. টাস্ক ম্যানেজার/সহকারী : আপনার যদি ভাল অর্গানাইজিং দক্ষতা থাকে তবে আপনি এই ব্যবসার উপযুক্ত। আপনি কি অনলাইনের বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধান দিতে পারেন? তবে আপনার এই দক্ষতা একজন ব্যাক্তিগত সহকারী কিংবা অনলাইন টাস্ক ম্যানেজার হিসেবে কাজে লাগাতে পারেন। TaskRabbit কিংবা Zirtual এর মত কোম্পানীগুলো টাকার বিনিময়ে আপনার মত মানুষকেই খুঁজে থাকে। এসব সাইটে আপনি ডাটা রিসার্চ, ভার্চুয়াল অ্যাসিস্টেন্ট সহ বিভিন্ন কাজে সহকারীর দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

০৮. প্রফেশনাল ফ্রিল্যন্সার : ফ্রিল্যান্সিং বলতে সাধারণত অবসর সময়ের কাজকেই আমরা বুঝে থাকি। কিন্তু সময়ের পাশাপাশি ধারণাও পাল্টে গেছে। এখন প্রচুর বেকার তরুণ-তরুণী ফ্রিল্যান্সিংকে মূল পেশা হিসেবে গ্রহণ করছেন। আপনি চাইলে পার্টটাইম কাজও করতে পারেন। বেকার বসে না থেকে আজই যুক্ত হোন ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে।

০৯. অনলাইন মার্কেটিং : আপনি যদি আমাজানের মত সাইটগুলোতে পণ্যের রিভিউ লেখায় অভ্যস্ত থাকেন তবে এখনই তা বন্ধ করুন। কারণ বিনামূল্যে কেন আপনি কোন পণ্যের মার্কেটিং করবেন? ওয়ার্ড অব মাউথ-এর মত অনেক কোম্পানী আছে যারা নিজেদের প্রোডাক্ট অনলাইনে প্রমোট করার জন্য আপনাকে পয়সা দেবে। আপনার যদি প্রচুর ফলোয়ার সমৃদ্ধ সাইট কিংবা সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট থাকে তবে তো সোনায় সোহাগা। আজই লেগে যান কাজে।

১০. ই-বুক লেখক : আপনার লেখালেখির হাত, ভাষার দক্ষতা এবং টাইপিং স্পীড যদি ভাল থাকে তবে আপনি অনায়াসে একজন ই-বুক রাইটার হতে পারেন। এটি অনেক সহজ একটা কাজ। ই-বুকের চাহিদা এত পরিমাণে বাড়ছে যে ই-বুক রাইটার খুঁজতে পাবলিকেশন্সগুলো হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। অনলাইনে এমন গ্রাহক খুঁজে নিতে পারেন সহজেই।

১১. প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান : অনেক ছোটখাট কোম্পানী আছে যাদের কোন আইটি স্পেশালিস্ট নেই। তাদের প্রযুক্তিগত কোন সমস্যা হলে বাইরের লোক ডাকতে হয়। আপনি এই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে অনলাইনে বসেই শুরু করতে পারেন প্রযুক্তগত পরামর্শ প্রদান। সমস্যা হলে তারা আপনাকে জানাবে এবং আপনি ঘরে বসেই সমাধান দিয়ে দেবেন। আর কী চাই?

১২. ভার্চুয়াল চালান : শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এই কাজটি আপনি নিজেই অহরহ করে থাকেন ব্যাংক কিংবা কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে। আপনার একটি নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকলে সেখানে গুগল চেকআউটের মত ট্রানজেকশন হ্যান্ডল করতে পারেন। বিভিন্ন ব্র্যান্ড তাদের অনলাইন চালানসমূহ অর্গানাইজ করার জন্য আপনাকে খুঁজে নেবে। আপনি তাদের সাইট থেকে পণ্যের ছবি বিবরণ কপি করে নিজের ওয়েবসাইটে আনুন। তারপর নির্দিষ্ট আর্থিক চুক্তির বিনিময়ে নেমে পড়ুন পণ্য বিক্রয়ে।

১৩. হস্তশিল্প বিক্রেতা : অটোমেটিক মেশিনের যুগে হস্তশিল্পের কদর মোটেই কমেনি। বরং প্রচারের অভাবে এই প্রাচীণ শিল্প মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারছে না। আপনি এমন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হতে পারেন। তাদের পণ্য আপনি অনলাইনে বিক্রি করবেন। গ্রাহকের কাছ থেকে নির্দিষ্ট সার্ভিস চার্জ নিয়ে আপনি কুরিয়ারের মাধ্যমে পণ্য পৌঁছে দিতে পারেন তাদের কাছে।

১৪. অ্যাপ ডেভলপার : স্মার্টফোনের যুগে অ্যাপের ছড়াছড়ি। মানুষ এখন কম্পিউটারে বসে সাইট ব্রাউজ করার চাইতে স্মার্টফোন অ্যাপেই কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। তাই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এখন অ্যাপ ডেভলপিংয়ে আগ্রহী। আপনি যদি কোডিং সম্পর্কে ভাল জেনে থাকেন তবে লেগে পড়ুন অ্যাপ ডেভলপিংয়ে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করতে পারেন। এছাড়া বিভিন্ন সফওয়্যার ডেভলপার কোম্পানীও অনলাইনে ডেভলপার চায়। প্রথমে নিজে একটি আকর্ষণীয় অ্যাপ তৈরি করে নমুনা হিসেবে দেখান এবং যৌক্তিক পারিশ্রমিক দাবি করুন। আপনার কাজ পাওয়া নিশ্চিত।

#উদ্যোক্তা

15/09/2025

Job circular.

Want your school to be the top-listed School/college in Dinajpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address

Suihari, Sadar Road
Dinajpur
5200