09/10/2024
হিফজ বা কুরআন মুখস্থ করা একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত এবং ইসলাম ধর্মের বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ একটি কাজ। এটি কুরআনের সম্পূর্ণ অংশ মুখস্থ করার প্রক্রিয়া। হিফজ করা বা হাফেজ হওয়া অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ কাজ, তবে এর জন্য ধৈর্য, সময় এবং কঠোর পরিশ্রম প্রয়োজন।
#এখানে হিফজ পড়া নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা:
১) ইখলাস (নিয়তের বিশুদ্ধতা) :
হিফজ করতে হলে প্রথমে নিয়ত বিশুদ্ধ করতে হবে। এটি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে করতে হবে, লোক দেখানোর জন্য নয়।
২) নির্দিষ্ট সময় :
হিফজ করার নির্দিষ্ট সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে কুরআন মুখস্থ করতে চেষ্টা করা উচিত, এবং বারবার পুনরাবৃত্তি করলে স্মৃতিতে দৃঢ়ভাবে গেঁথে যাবে।
৩) উস্তাদ বা শিক্ষকের প্রয়োজনীয়তা:
একজন দক্ষ শিক্ষক বা হাফেজের তত্ত্বাবধানে হিফজ করা উত্তম। একজন শিক্ষক আপনাকে তাজবীদের সাথে কুরআন সঠিকভাবে মুখস্থ করতে সাহায্য করবেন।
৩) দু'আ এবং আল্লাহর উপর ভরসা করা:
হিফজ করার প্রক্রিয়ায় আল্লাহর সাহায্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত দু'আ করা এবং আল্লাহর উপর ভরসা রাখা উচিত।
৫) পুনরাবৃত্তি:
সামনের সবক মুখস্থ করার পাশাপাশি পিছনের পড়াগুলোর পুনরাবৃত্তি বা ইয়াদ এবং তেলাওয়াত করা অতিজরুরী । প্রতিদিন কিছুটা সময় নতুন অংশ মুখস্থ করার পাশাপাশি পিছনের পড়া ইয়াদ করা উচিত।
৬) ধৈর্য এবং ধীরগতি :
হিফজ ধীরে ধীরে করা উচিত। সময়ের সাথে সাথে মুখস্থ করার গতি বাড়বে। ধৈর্য হারালে কাজটি কঠিন হয়ে যেতে পারে, তাই মনোবল দৃঢ় রাখা প্রয়োজন।
৭) হিফজের ফজিলত:
যারা কুরআন হিফজ করে, তাদের আল্লাহর নিকট বিশেষ মর্যাদা রয়েছে। কেয়ামতের দিন হাফেজদের জন্য আল্লাহ বিশেষ পুরস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
এই সমস্ত বিষয় মাথায় রেখে হিফজের যাত্রা শুরু করলে, ইনশাআল্লাহ আল্লাহ আপনার প্রচেষ্টাকে সহজ করবেন।