17/08/2025
ডুয়েট এডমিশন নাকি সরাসরি জব প্রিপারেশন?
ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউটের ৭ম পর্বের প্রায় সব শিক্ষার্থীই এক ধরনের দ্বিধায় পড়ে—ডুয়েট এডমিশনের প্রস্তুতি নেবে নাকি সরাসরি জব প্রিপারেশন করবে?
আমার ব্যক্তিগত কিছু অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধি শেয়ার করছি:
ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, ম্যাথ ভালোভাবে না বুঝলে ডিপার্টমেন্টে কখনোই ভালো করা সম্ভব নয়।
যারা ডুয়েট এডমিশনের প্রস্তুতি নেয়, তারা ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, ম্যাথ ও ইংরেজিতে বেসিক ক্লিয়ার করে ফেলে। সেই সাথে তারা প্রচণ্ড পরিশ্রমী হয়ে ওঠে। দৈনিক ১০-১২ ঘণ্টা পড়াশোনা করাও তাদের কাছে স্বাভাবিক হয়ে যায়।
অপরদিকে, যারা সরাসরি জব প্রিপারেশন শুরু করে তারা প্রথমে ১২-১৪ ঘণ্টা পড়াশোনা করলেও ধীরে ধীরে তা নেমে আসে ২-৩ ঘণ্টায়। কারণ, জব প্রিপারেশনের নির্দিষ্ট কোনো সিলেবাস নেই, তাই তারা সঠিকভাবে কীভাবে এগোবে, তা বুঝতে পারে না।
যে শিক্ষার্থীরা দ্রুত সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার পদে চাকরি পেয়েছে, তাদের মধ্যে প্রায় ৯৫% হয় ডুয়েটিয়ান অথবা ডুয়েট এডমিশনের অভিজ্ঞতা রয়েছে।
কিন্তু ডুয়েট এডমিশন না দিয়ে শুধুমাত্র জব প্রিপারেশনে ভালো করেছে—এমন উদাহরণ প্রায় চোখে পড়ে না।
অনেকের মতে ডুয়েট এডমিশন মানেই সময়ের অপচয়। কিন্তু আমি মনে করি, যারা প্রপারলি এডমিশনের প্রস্তুতি নেয়, তারাই দ্রুত চাকরির সুযোগ পায়। কারণ—
ডিপ্লোমার সকল ল্যাকিংস এখানে কেটে যায়,
বেসিক অনেক শক্তিশালী হয়,
অমানুষিক পরিশ্রম করার মানসিকতা তৈরি হয়,
যা সরাসরি জব প্রিপারেশনে নামা শিক্ষার্থীদের থেকে তাদের অনেক এগিয়ে রাখে।
মো: রিয়াজ মাহমুদ
অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার
ডেসকো