শিশু অধিকার - Child Rights

শিশু অধিকার - Child Rights

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from শিশু অধিকার - Child Rights, Education, Kashba, Pulhat, Dinajpur.

24/05/2026

দয়াকরে সবাই সাবধান হই!!
সন্তানকে নিজে সময় দেই।
একবার রান্না করে নাহয় নাই খেলাম। সেই সময়টা সন্তান কে নিজেই দিলাম।
তবুও বাইরে অন্যের সাথে খেলা নয়!!!

23/05/2026
Photos from শিশু অধিকার - Child Rights's post 23/05/2026

রান্নাঘরে মাছ ধুতে গিয়ে হঠাৎ নখের ভেতরে কাঁটা ঢুকে যায়…
এক ফোঁটা রক্ত বের হয়, তারপর কয়েকদিন ধরে সেই আঙুলটা টনটন করে ব্যথা করে।
তবুও কাউকে কিছু বলা হয় না।
কারণ এই ছোট ছোট ব্যথাগুলোর জন্য আলাদা কোনো ওষুধ থাকে না… শুধু সহ্য করে নিতে হয়।
🥲

মাছগুলোতে মসলা মাখিয়ে গরম তেলে ছেড়ে দিতেই কয়েক ফোঁটা তেল ছিটকে এসে হাতে, গলায় কিংবা জামা ভেদ করে পেটে লাগে।
হঠাৎ ঝলসে ওঠা সেই জ্বালায় চোখ বন্ধ হয়ে আসে, তবুও চুলার সামনে দাঁড়িয়ে রান্নাটা শেষ করতে হয়।
কারণ সংসারের রান্না মাঝপথে থেমে থাকে না…
আর এই কয়েক ফোঁটা পোড়ারও কোনো ওষুধ নেই, শুধু সহ্য করার অভ্যাস আছে।

বাচ্চা ঘুমিয়ে যাওয়ার পর সারাদিনের জমে থাকা কাজগুলো শেষ করতে গিয়ে হঠাৎ খাটের কোণায় পায়ের ছোট আঙুলে প্রচণ্ড একটা ধাক্কা লাগে।
উফ!
চোখে পানি চলে আসে…
ইচ্ছে করে জোরে চিৎকার করতে, কিন্তু করা যায় না — বাচ্চা উঠে যাবে।
তাই দুই সেকেন্ড চুপ করে বসে থেকে আবার খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে কাজে ফিরে যেতে হয়।
ব্যথাটা দুই-একদিন ঠিকই থাকে, তবুও থেমে থাকা যায় না…
কারণ এই ব্যথারও কোনো ছুটি নেই।

তরকারি কাটতে গিয়ে আঙুলে বড় একটা আচড় লাগে, সামান্য রক্তও বের হয়।
তারপরও কাটাকাটি থামে না, রান্নাটাও শেষ হয়।
পেঁয়াজ কাটলে জ্বলে, পানিতে ভিজলে জ্বলে, খাবার খেতেও জ্বলে…
তবুও সেই আঙুলে ব্যান্ডেজ জড়ানো হয় না।
কারণ সংসারের কাজের মাঝে এইটুকু ব্যথাকে গুরুত্ব দেওয়ার সময় কোথায়!
এই ব্যথাগুলোর কোনো ওষুধ হয় না… শুধু সহ্য করতে হয়।

নারীরা আসলে অনেক ব্যথা লুকিয়ে বেঁচে থাকে…
শরীরের ছোট ছোট ক্ষতগুলো কেউ দেখে না, অনুভবও করে না।
কারণ তারা অভ্যাস করে ফেলেছে —
চুপচাপ সহ্য করে যেতে।

মনের আঘাতের গল্পটা,,,,,,,
c

21/05/2026

এক্কেবারে মনের কথা

Photos from শিশু অধিকার - Child Rights's post 21/05/2026

চাইল্ড রে*প ও রেপিস্টদের নিয়ে একটা চমৎকার অস্ট্রেলিয়ান শর্ট ফিল্ম আছে।
The Disappearance of Willie Bingham (২০১৫)

অনেকেই হয়তো দেখেছেন,আবার অনেকেই দেখেননি।যারা দেখেননি তাদের জন্য আমি মূল কাহিনীটা বলছি।(অবশ্যই কাল্পনিক কাহিনী)

​এই সিনেমার মূল চরিত্র উইলি বিংহাম।একজন অপরাধী,যার অপরাধ এক নিষ্পাপ বাচ্চা মেয়েকে ধর্ষণ ও নির্মমভাবে খুন করা।

কিন্তু প্রচলিত ফাঁসি তার হবেনা।কারণ দেশ থেকে মৃত্যুদন্ড তুলে নেওয়া হয়েছে।সে জেলেই থাকবে এবং ভালো থাকবে জানে।তাই আদালতে সে নির্বিকার হাসিমুখে আছে।
কিন্তু আদালত ও আইন চাইলোনা এম্ন অপরাধীকে শুধু জেলে রাখতে। কিন্তু ফাঁসিও দেওয়া নিষিদ্ধ। তাহলে কি করা যায়?

আইন নতুন এক শাস্তির চিন্তাভাবনা করলো।যে শাস্তি পৃথিবীতে আগে হয়নি।এবং এই শাস্তির ফলাফল কি হয় অপরাধীদের মধ্যে দেখতে চাইলো আইন।

তাই নতুন এক আইন অনুযায়ী, তাকে দেওয়া হলো তার শাস্তি—'এক এক করে অঙ্গচ্ছেদ'।তবে ব্যাথাহীনভাবে।সার্জারীর মাধ্যমে।

ভুক্তভোগী পরিবারের ইচ্ছানুযায়ী ঠিক করা হবে অপরাধীর শরীরের ঠিক কোন অংশটি কখন কেটে ফেলা হবে!

ভুক্তভোগী পরিবার এই আইনে রাজি হলো।কাহিনীর শুরু।

​​জেলের অন্ধকার কুঠুরিতে বসে ছিল উইলি। হঠাৎ ভারী বুটের আওয়াজ এগিয়ে এল। দরজা খুলে ভেতরে ঢুকলেন জর্জ মরটন নামের এক সরকারি কর্মকর্তা। শান্ত গলায় তিনি উইলিকে শোনালেন তার ওপর নেমে আসতে চলা সেই শাস্তির কথা।

এবার শাস্তি শুনে আর উইলির মুখে সেই নির্বিকার হাসি থাকলো না।

নিজের ভবিষ্যৎ শুনে ভয়ে-আতঙ্কে ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠল উইলির, সেখানেই সে বমি করে দিল। সে চিৎকার করে মিনতি করল—তাকে যেন একবারে মেরে ফেলা হয়, বিষ দেওয়া হয় বা ফাঁসি দেওয়া হয়। কিন্তু আইন নিষ্ঠুর,তার মৃত্যুর আবেদন সরাসরি খারিজ হয়ে গেল।মৃত্যুদন্ড নিষিদ্ধ।

​শুরু হলো প্রথম অস্ত্রোপচার। অবশ করার পর নির্মমভাবে কেটে বাদ দেওয়া হলো তার ডান হাত আর বাঁ পা।অপারেশনটি গ্লাসের অপর পাশ দিয়ে দেখলো রে*প হওয়া বাচ্চাটার পুরো পরিবার।

এই পঙ্গু শরীর নিয়েই কয়েক মাস ধরে তাকে হুইলচেয়ারে করে নিয়ে যাওয়া হতে লাগল বিভিন্ন অবাধ্য ও বখাটে কিশোরদের সামনে। রক্তাক্ত, ক্ষতবিক্ষত উইলিকে দিয়ে দেওয়ানো হলো বক্তৃতা—যাতে তার এই পরিণতি দেখে অন্য কোনো কিশোর অপরাধ করার সাহস না পায়।

তবে উইলি বিংহামের এখনো সাহস অবশিষ্ট ছিলো।এখনো সে জোর দিয়ে কথা বলতো,হাসতো,জেদ দেখাতো।

​কিন্তু শাস্তি তো কেবল শুরু হয়েছিল। কয়েক মাসের ব্যবধানে একে একে কেটে ফেলা হলো তার বাঁ হাত, ডান পা, একটা কিডনি, এমনকি ফুসফুসের একটা অংশও!

আস্তে আস্তে তার ভয়াবহ আতংকিত কান্নাকাটি ও পংগু শরীর বাচ্চা মেয়েটার পরিবারও সহ্য করতে পারছিলোনা।শুধু বাবা প্রতিবার আসছিলো,সাইন করছিলো অনুমতি পত্রে ও নির্বিকার চোখে গ্লাসের অন্যপাশে দাঁড়িয়ে সার্জারী দেখছিলো।

এই সার্জারিগুলোর ভিডিও আবার উইলিকে দেখানো হত রেকর্ড করে করে।

কিন্তু বাইরে সাধারণ মানুষ এই অমানবিক শাস্তির বিরুদ্ধে রাজপথে নামলো, উঠলো প্রতিবাদের ঝড়।এই শাস্তি অমানবিক।থামাও একে।হয় ফাঁসি দাও দ্রুত নাহয় জেল।

কিন্তু আইনের চাকা থামেনি, স্তব্ধ হয়নি সার্জারির ধারালো ছুরির শব্দ।
​দ্রুত মৃত্যু বা জেলের আরাম কোনো শাস্তি চাইল্ড রে*প ও মার্ডারের জন্য আর হবেনা।আইন কঠিন হয়ে রইলো।

​পাঁচ মাস পরের ঘটনা। এবার পঞ্চম অস্ত্রোপচারের পালা। যখন জানানো হলো এবার তার যৌনাঙ্গ কেটে ফেলা হবে, উইলি তখন কান্নায় ভেঙে পড়ল। পাগলের মতো কাকুতি-মিনতি করতে লাগল সে।

কিন্তু কাচের ওপাশে দাঁড়িয়ে থাকা ভুক্তভোগী মেয়েটির বাবার চোখে তখন শুধুই প্রতিশোধের আগুন। তিনি ঠান্ডা মাথায় বুড়ো আঙুল উঁচিয়ে সম্মতি দিলেন। অ্যানেস্থেশিয়ার ইঞ্জেকশন পুশ করা হলো উইলির শরীরে... চিরতরে হারিয়ে গেল তার পুরুষত্ব।

​এই অপারেশনের পর উইলির ভেতরের মানুষটা পুরোপুরি ভেঙে চুরমার হয়ে গেল। সে আর কোনোদিন একটা শব্দও উচ্চারণ করেনি, তার চোখে-মুখে আর কোনোদিন কোনো অনুভূতির লেশমাত্র দেখা যায়নি। সে বেঁচে থেকেও একটা জ্যান্ত লাশে পরিণত হলো।

​এরপরের সার্জারীর দিন যখন উপস্থিত হলো, তখন তার দুই কান, নাক এবং জিহ্বার অগ্রভাগ কেটে ফেলা হলো। লেজার দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হলো শরীরের অবশিষ্ট চামড়া। উইলি তখন যন্ত্রণারও অতীত। তার নিজের বলতে আর কোনো ইচ্ছাশক্তি অবশিষ্ট ছিল না।সে শুধু মনে মনে চাচ্ছিলো মৃত্যু।

​অপারেশন থিয়েটারের টেবিলে পড়ে থাকা মাংসপিণ্ডটার দিকে তাকিয়ে অবশেষে তৃপ্ত হলেন সেই মৃত মেয়ের বাবা।এরপরের সার্জারীর জন্য সে অনুমতি দিলে উইলির হার্ট বা ব্রেন অপারেশন করা হবে।উইলির মৃত্যু ঘটবে।শাস্তি শেষ হবে।

কিন্তু না,বাবা আর পরবর্তী সার্জারীর জন্য সাইন দিলেন না।তিনি বললেন তিনি সন্তুষ্ট।এখন সার্জারি বন্ধ করতে চান।

তিনি জর্জ মরটনের বাড়িয়ে দেওয়া ফাইলে সই করে জানিয়ে দিলেন—তিনি আর অস্ত্রোপচার বাড়াতে চান না। যাওয়ার আগে শেষবারের মতো এক তীব্র ঘৃণার দৃষ্টি ছুড়ে দিলেন উইলির দিকে।

​​আজ উইলি বিংহাম জেলের সবচেয়ে ওপরের তলার একটা ঘরে বন্দি। চব্বিশ ঘণ্টা তীব্র আলো জ্বলে সেই ঘরে, যেখানে অন্ধকারেরও কোনো অনুমতি নেই।

সে এখন এক জীবন্ত হুইলচেয়ারের সাথে চিরতরে আটকে যাওয়া এক মাংসের স্তূপ। সে শুনতে পায় না, ঘ্রাণ পায় না, স্বাদ পায় না, নড়াচড়া করার ক্ষমতা তো বহুদূরের কথা।

​সারাদিন শুধু ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে ঘরের সিলিংটার দিকে। শুধু মাসের শেষ সপ্তাহে তার এই জড়দেহের একটু নড়চড় হয়।

জর্জ মরটন তাকে হুইলচেয়ারে বসিয়ে ঠেলতে ঠেলতে নিয়ে যান বিভিন্ন হাইস্কুলে। অবাধ্য ছাত্র-ছাত্রীদের সামনে এনে দাঁড় করান সেই বিকলাঙ্গ, বীভৎস অবয়বকে—অপরাধের এক জীবন্ত, ভয়ঙ্কর ও চিরন্তন স্মারক হিসেবে।

সবাই আতংকে আতকে ওঠে।তাদের শ্বাস প্রশ্বাস থেমে যায়।মাথায় গেথে যায় চাইল্ড রে*প ও মার্ডারের শাস্তি চিরদিনের মত।
C

18/05/2026

সুস্থ ভাবে বাঁচতে চাইলে নিজে কামলা দিন, বাচ্চাদের পরিশ্রমের মধ্যে গড়ে তুলুন....

#নিয়মিত_কায়িক_পরিশ্রম

রক্তনালী ব্লকের স্থিরচিত্র...

Photos from শিশু অধিকার - Child Rights's post 17/05/2026

৪+ শিশু শ্রেণীর শিক্ষার্থী!

16/05/2026

চীনে নাকি দুর্ঘটনা হয় না!!!

Want your school to be the top-listed School/college in Dinajpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Kashba, Pulhat
Dinajpur
5200