Math Allrounder

Math Allrounder

Share

Dreaming to crack BCS/BANK or other competitive Government exams, we welcome you to "Math Allrounder".

We will be the path finder to make your exam preparation journey as smooth as we can and let you secure a Government job by your strong determination.

29/03/2026

চারিদিকে কেবল মৃত্যুর মিছিল। পানিতে ডুবে, ট্রেন দুর্ঘটনায়, বাস দুর্ঘটনায়, আগুনে পুড়ে। কেউ কেউ আবার হিংসা-বিদ্বেষের শিকার হয়ে, শয়তানের অনিষ্টে।

দুর্ঘটনা সত্য। জীবনের পথে এমন বিপদ আসবেই। আর সেটা যদি হয় বাংলাদেশে, তাহলে এর মাত্রা স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়। কারণ এ দেশের পরিবহন ব্যবস্থা নাজুক, শৃঙ্খলা ও দায়বদ্ধতার অভাব প্রকট।

তাই এসব দুর্ঘটনা থেকে বাঁচতে সর্বদা সতর্ক থাকা জরুরি। পাশাপাশি নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শেখানো এই দোয়াটি নিয়মিত পাঠ করা উচিত। এটি এ ধরনের বিপদ-আপদ থেকে হেফাজত করতে পারে, ইনশাআল্লাহ।

‎"اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَدْمِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ التَّرَدِّي وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْغَرَقِ وَالْحَرَقِ وَالْهَرَمِ وَأَعُوذُ بِكَ أَنْ يَتَخَبَّطَنِي الشَّيْطَانُ عِنْدَ الْمَوْتِ وَأَعُوذُ بِكَ أَنْ أَمُوتَ فِي سَبِيلِكَ مُدْبِرًا وَأَعُوذُ بِكَ أَنْ أَمُوتَ لَدِيغًا"

আবুল ইয়াসার (রা.) থেকে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ (সা.) এরূপ দোয়া করতেন—"হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে চাপা পড়ে মৃত্যুবরণ হতে আশ্রয় চাই। আশ্রয় চাই গহ্বরে পতিত হয়ে মৃত্যুবরণ হতে। আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই পানিতে ডুবে ও আগুনে পুড়ে মৃত্যুবরণ হতে, এবং অতি বার্ধক্য হতে। আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই মৃত্যুকালে শাইত্বানের প্রভাব হতে। আমি আশ্রয় চাই আপনার পথে জিহাদ থেকে পলায়নপর অবস্থায় মৃত্যুবরণ করা হতে। এবং আমি আশ্রয় চাই বিষাক্ত প্রানীর দংশনে মৃত্যুবরণ হতে।" (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ১৫৫২)

— মাহমুদ বিন নূর

14/03/2026

সাদ্দাম হোসেন কখনোই সেনাবাহিনীতে ছিলেন না। তাহলে কেনো সেনাবাহিনীর পোশাক পরতেন?

সাদ্দামের এক ভাই ছিল। তার জন্মের এক বছর আগেই ভাই মারা যায়। এরপর সাদ্দাম যখন গর্ভে, তখন তার বাবাও মারা যায়।

সাদ্দামের মায়ের জন্য পরপর দুজন প্রিয়জন হারানো ছিল বিরাট বড় ধাক্কা। উনি মনে করলেন, পেটের এই সন্তানই যত নষ্টের গোড়া। সে অলকণে। একারণ সাদ্দামকে পেটে থাকতেই নষ্ট করে দেওয়ার পরিকল্পনা করে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রতিবেশীদের মাধ্যমে কনভিন্স হয়ে আর বাচ্চা নষ্ট করে না।

সাদ্দামের জন্মের পর তাদের দারিদ্রতা আরো বৃদ্ধি পায়। তিন বছর পর্যন্ত শিশু সাদ্দামকে পালার পর তার মা সিদ্ধান্ত নেয় দ্বিতীয় বিয়ে করার। এর জন্য বাধ্য হয় সাদ্দামকে তার মামার বাড়িতে পাঠিয়ে দিতে।

সাদ্দামের মামা থাকতেন ইরাকের রাজধানী বাগদাদে। উনি একজন সেনা কর্মকর্তা ছিলেন। সাদ্দাম সেখানে তার বাড়িতে বড় হতে থাকে।

সেসময় ইরাকের ক্ষমতায় পাপেট সরকার। মানে সরকার দেশীয় হলেও সবকিছু করতো ব্রিটেনের ইশারায়। ফুললি কন্ট্রোলড। এই বিষয়টা তাদের সেনাবাহিনী পছন্দ করেনি। আস্তে আস্তে তারা প্যাপেট সরকারের বিরুদ্ধে বাহিনীর মধ্যে একটা ফোর্স গঠন করে। এরপর অভ্যুত্থান করে সরকার উৎখাত করে।

কিন্তু ব্রিটেন বিষয়টা ভালোভাবে নেয়নি। তারা সরাসরি হস্তক্ষেপ করে এবং সেনা সরকারকে সরিয়ে আগের প্যাপেট সরকার পুনরায় ইনস্টল করে।

এরপর অভ্যুত্থানের সাথে জড়িত সকল সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করে। এর মধ্যে ছিলেন সাদ্দামের মামাও। ফলে সাদ্দাম বাধ্য হয় মায়ের কাছে ফিরে যেতে।

সমস্যা হলো এখানে তার সৎ বাবা তাকে একদমই দেখতে পারত না। তাকে মারতো, স্কুল যেতে দিত না, কাজে পাঠাতো। এভাবে চলছিল।

এর মধ্যে সাদ্দামের মামা জেল থেকে ছাড়া পান। সাদ্দাম বিষয়টা জানতে পেরে সৎ বাবার থেকে পালিয়ে মামার কাছে চলে যায়। মামা তাকে স্কুলে ভর্তি করে দেয়। তখন তার বয়স ১০।

এরপর আস্তে আস্তে সাদ্দামের বুঝ হতে থাকে। সে তার মামাকে খুবই ভক্তি করতো৷ মামাও তাকে আদর করত। সে দেখে মামা কীভাবে বিপ্লবী চিন্তা পোষণ করেন। তার আইডিওলজিও মামাকে ঘিরে তৈরি হতে থাকে। যেহেতু তার মামা একজন সেনা কর্মকর্তা ছিলেন, সেহেতু তার মনে ব্যাপকভাবে সেনাবাহিনীর প্রতি প্রেম জন্মায়।

স্কুল পেরিয়ে কলেজে ওঠার পর সাদ্দাম স্টুডেন্ট লিডার হয়। কোন দলের? তৎকালীন সময়ে ওয়ান আরব ন্যাশন আইডিয়া নিয়ে তৈরি হয় আরব সোশিয়ালিস্ট বাথ পার্টি। মিশর, সৌদি আরব, ইরাক, ইয়েমেনসহ আরবের সব দেশকে নিয়ে একটি আরব রাষ্ট্র গঠন করে ব্রিটেনসহ পশ্চিমাদের তাড়ানো ছিল তাদের লক্ষ্য।

সাদ্দামের ইডিওলজির সাথে এই আইডিয়া খুব ভালোভাবে যায়। সে দলে জয়েন করে এবং খুব দ্রুতই বাগদাদে প্রমিন্যান্ট ফিগার হয়ে ওঠে। এসময়ে সে বহুবার আর্মি জয়েন করার চেষ্টা করে, পরীক্ষা দেয়। কিন্তু হতে পারে না, চান্স পায় না।

পরবর্তীতে বাথ পার্টির মাধ্যমেই সাদ্দাম হোসেন সরকারের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে, সরকার গঠন করে, ২টা যু'দ্ধ'ও করে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সরকার গঠনের পর তিনি ফিল্ড মার্শালদের মতো পোশাক পরে থাকতেন, কখনো জেনারেলের মতো। অথচ তিনি কখনোই আর্মিতে ছিলেন না। এর একটা কারণ জনগণের সামনে নিজেকে যু'দ্ধে'র সর্বাধিনায়ক হিসেবে উপস্থাপন করা, সেনাবাহিনীর কাছে লিডার হিসেবে উপস্থাপন করা।

কিন্তু মূল কারণ তার মামা। যে মামাকে ঘিরপ গড়ে উঠেছে তার ইডিওলজি। আর্মি অফিসার না হতে পারার খায়েশ তিনি পূরণ করেন আর্মির পোশাক গায়ে জড়িয়ে, আর্মিকে নেতৃত্ব দিয়ে।

09/03/2026

ইরান যু*দ্ধ করতে না চাওয়া প্রতিবাদ করে হাত ভাঙা প্রাক্তন মার্কিন মেরিন সার্জেন্ট ব্রায়ান ম্যাকগিনিস বলেন। ক্যাপিটাল হিলের সেই প্রতিবাদের সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি সত্য বলার চেষ্টা করেছিলেন, ঘটনার সময় তার হাত ভে-ঙে গিয়েছে! যু-দ্ধের প্রতিবাদ করায় এখন তিনি বিচারের মুখোমুখি।

তবুও তিনি প্রতিবাদ করবেন তিনি যু*দ্ধ চান না বলে দৃঢ় অভিমত ব্যাক্ত করেন, আমরা ইসরায়েলের যু*দ্ধ করতে চাই না। এটা ইসরায়েলের যু*দ্ধ আমরা আমাদের ছেলে মেয়েদের পাঠাতে চাই না। আমরা ইসরায়েলের জন্য যু*দ্ধ করতে চাই না, আমরা যু*দ্ধ চাই না।

মানবিক ব্রায়ান ম্যাকগিনিসের সাথে আমরাও বলতে চাই বিশ্বের মানুষও যু*দ্ধ চায় না শান্তি চায় ব্রায়ান।

আপনাকে ধন্যবাদ ব্রায়ান যু*দ্ধের প্রতিবাদ করার জন্য, আশাকরি প্রতিবাদ করেই যাবেন।

08/03/2026

যুদ্ধের ৯ দিন। ৪,৫০০ হামলা। তবুও ইরান এখনও পাল্টা আঘাত করছে। যা আপনাকে বলা হচ্ছে না, তা এখানে।

সাম্প্রতিক যে সবচেয়ে বিস্তারিত যুদ্ধক্ষেত্রের মানচিত্র প্রকাশ হয়েছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে অবিশ্বাস্য সব তথ্য।

মাত্র ৯ দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল মিলে ইরানের ভেতরে ৪,৫০০টি হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে ইরান ৩,৫০০টি আক্রমণ চালিয়েছে, যার মধ্যে ৯০৫টি ছিল ব্যালিস্টিক মিসাইল।

একবার ভাবুন ব্যাপারটা।

৪,৫০০টি হামলার পরেও ইরান এখনও পাল্টা আঘাত করে যাচ্ছে।
ইরানের ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কেও বড় দাবি করা হচ্ছে:
* ইরানের নৌবাহিনী: প্রায় ধ্বংস। বন্দর ও সমুদ্রে অনেক জাহাজ ডুবে গেছে।
* ইরানের বিমানবাহিনী মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। বেশিরভাগ বিমানঘাঁটি ধ্বংস হয়েছে।
* ইরানের নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র টার্গেট করা হয়েছে। সিদ্ধান্ত নেওয়ার অনেক কেন্দ্র আঘাত পেয়েছে।
* ইরানের তেল সংরক্ষণাগার আজ রাতেও একের পর এক লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।
* যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বেশ কয়েকটি ড্রোন ইরানের আকাশে গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে।

তবে অন্যদিকে ইরানও বড় ধরনের আঘাত করেছে:
* ইরান ৪টি AN/TPY-2 THAAD রাডার সিস্টেমে আঘাত করেছে, ফলে পুরো অঞ্চলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বড় অংশ অন্ধ হয়ে গেছে।
* ইরান আজারবাইজানের বেসামরিক বিমানবন্দরে হামলা করেছে, যার ফলে ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে একমাত্র সরাসরি আকাশপথ বন্ধ হয়ে গেছে।
* কুয়েতের বিমানবন্দর, বাহরাইনের বন্দর এবং উপসাগরীয় তেল অবকাঠামো বহু জায়গায় আগুন জ্বলছে।
* IRGC এর এখনও বহু অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা লক্ষাধিক সশস্ত্র সদস্য রয়েছে।
* হরমুজ প্রণালী এখনও বন্ধ।

যুক্তরাষ্ট্র দাবি করছে তারা ইরানের ৭০% মিসাইল লঞ্চার ধ্বংস করেছে। কিন্তু সমস্যা হলো, ইরানের ভূখণ্ড বিশাল এবং পাহাড়ি। ফলে অনেক লঞ্চার এমন জায়গায় লুকানো যেখানে স্যাটেলাইটেও ধরা পড়ে না। আর যেটা খুঁজে পাওয়া যায় না, সেটাকে বোমা মেরে ধ্বংস করাও সম্ভব না। তাই ইরানের পাল্টা হামলা চলতেই পারে।

মিডিয়ায় আমাদের দেখানো হচ্ছে ধ্বংস হয়েছে ইরানের বিমানঘাঁটি এবং বলা হচ্ছে “Victory”।

কিন্তু তারা এসব দেখাচ্ছে না:
* মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ভূমধ্যসাগর ছেড়ে দ্রুত সুয়েজ খাল পার হয়ে উপসাগরের দিকে যাচ্ছে, কারণ হরমুজ প্রণালী এখনও খোলা যায়নি।
* ১২টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে এবং পূর্ব ভূমধ্যসাগরে কমান্ড নিয়েছে, কারণ সেখানে শূন্যতা তৈরি হয়েছে।
* আরেকটি মার্কিন ক্যারিয়ার গ্রুপ শক্তিবৃদ্ধি হিসেবে পাঠানো হচ্ছে।
অথচ এর কোনো জাহাজ এখনো ঘটনাস্থলে নেই, তাদের দুইটি বিমানবাহী রণতরীই এখনও বন্দরে নোঙর করা।

প্রশ্ন উঠছে, যদি যুদ্ধ পরিকল্পনা অনুযায়ীই এগোতো, তাহলে পুরো পশ্চিমা নৌবহরকে কেন নতুন করে মোতায়েন করতে হচ্ছে?

আগামী সপ্তাহেই অনেক কিছু নির্ধারিত হবে:
- যুক্তরাষ্ট্রের কাছে কি যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার মতো যথেষ্ট গোলাবারুদ আছে?
- ইরান কি দীর্ঘ সময় ধরে পাল্টা হামলা চালিয়ে যেতে পারবে? - ইরানের ভেতরে কি গণবিক্ষোভ শুরু হবে, নাকি মানুষ সরকারকে সমর্থন করে একত্রিত হবে?
- Ford ক্যারিয়ার গ্রুপ কি সত্যিই হরমুজ প্রণালী আবার খুলতে পারবে?

উপসাগরীয় দেশগুলো তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে। তাদের অর্থনীতি দাঁড়িয়ে আছে তেল, বাণিজ্য এবং স্থিতিশীলতার উপর। মাত্র কয়েক দিনের যুদ্ধে সেই ভিত্তিই নড়বড়ে হয়ে গেছে।

ইরানের জন্য এই যুদ্ধ জেতা জরুরি নয়। তাদের লক্ষ্য হতে পারে যুদ্ধটাকে অর্থনৈতিকভাবে এত ব্যয়বহুল করে তোলা যে সেটি সহ্য করা অসম্ভব হয়ে যায় ওয়েস্টের জন্য।

উপসাগরের বিমানবন্দরগুলো জ্বলছে, তেল ডিপোতে হামলা হচ্ছে, আর যতদিন হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকবে, ততদিন যুদ্ধের খরচ বাড়তেই থাকবে।

৪,৫০০টি হামলার পরও ইরান এখনও পাল্টা আঘাত করছে।
এই যুদ্ধে হয়তো কেউ সরাসরি জিতছে না। কিন্তু নিশ্চিতভাবে বলা যায়, এর মূল্য পুরো পৃথিবীকেই দিতে হতে পারে।

25/02/2026

কেউ আপনার সামনে গীবত করলো।
আপনি যদি তাকে বাঁধা দেন, তাহলে কী লাভ?
রাসুল ﷺ বলেন!!
যে ব্যক্তি কাউকে গীবত করা থেকে বাঁধা দিবে,
ঐ ব্যক্তিকে জাহান্নাম থেকে মুক্ত করা আল্লাহর জন্য হক (জরুরি) হয়ে যায়!!
[ বায়হাকি, ৭৬৪৩ ]

18/02/2026

নামাজে যা পড়ি!! — তার বাংলা অর্থ!!
👉 নামাজে আমরা যা বলি, তার অর্থ জানলে নামাজে অন্য চিন্তা মাথায় আসবে না, যখন আমরা বুঝব যে, নামাজে আমরা কি পড়ছি। ❤️

১) নামাজে দাঁড়িয়ে প্রথমে আমরা বলি:
“আল্লাহু আকবার”
অর্থ: আল্লাহ মহান!

২) তারপর পড়ি সানা। সানায় আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি, নিজের জন্য দোয়া করি:
“সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা
ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়া তা‘আলা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা”

অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি পাক-পবিত্র, তোমারই জন্য সমস্ত প্রশংসা, তোমার নাম বরকতময়, তোমার গৌরব অতি উচ্চ, তুমি ছাড়া অন্য কেউ উপাস্য নেই।

৩) তারপর আমরা শয়তানের প্ররোচনা থেকে আশ্রয় চাই এবং বলি:
“আউযু বিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম”
অর্থ: বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

৪) আল্লাহর পবিত্র নাম দিয়ে আল্লাহর দয়া করার গুণ দিয়ে নামাজ এগিয়ে নিয়ে যাই এবং বলি:
“বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম”
অর্থ: পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে আরম্ভ করছি।

৫) এরপর আমরা সূরা ফাতিহা দিয়ে নামাজ শুরু করি (২ রাকাত / ৩ রাকাত / ৪ রাকাত, ফরজ / সুন্নতের নিয়ম অনুযায়ী):

৬) আমরা রুকুতে আল্লাহর উদ্দেশ্যে শরীর অর্ধেক ঝুঁকিয়ে দিয়ে মাথা নুইয়ে দিয়ে আল্লাহর প্রশংসা করি এবং ৩/৫/৭ বার বলি:
“সুবহানা রাব্বিয়াল আজীম”
অর্থ: আমার মহান রবের পবিত্রতা ও প্রশংসা বর্ণনা করছি।

৭) তারপর রুকু থেকে উঠে আমরা বলি:
“সামি‘আল্লাহু লিমান হামিদাহ”
অর্থ: আল্লাহ সেই ব্যক্তির কথা শোনেন, যে তাঁর প্রশংসা করে।

তারপর আবার আল্লাহর প্রশংসা করে বলি:
“আল্লাহুম্মা রাব্বানা ওয়ালাকাল হামদ”
অর্থ: হে আল্লাহ! যাবতীয় প্রশংসা কেবল তোমারই।

৮) তারপর আমরা সমস্ত শরীর নুইয়ে দিয়ে মাথাকে মাটিতে লুটিয়ে দিয়ে আল্লাহর নিকট সিজদা দেই।

হাদিস:
“যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য একটি সিজদা করে, আল্লাহ তার জন্য একটি নেকি লেখেন, একটি পাপ দূর করে দেন এবং তার মর্যাদার স্তর একটি বৃদ্ধি করে দেন।”

৩/৫/৭ বার “সুবহানা রাব্বিয়াল আ‘লা”
অর্থ: আমার মহান রবের পবিত্রতা বর্ণনা করছি।

৯) দুই সিজদার মাঝখানে আমরা বলি:
“আল্লাহুম্মাগফিরলি, ওয়ারহামনি, ওয়াহদিনি, ওয়াজবুরনি, ওয়াআফিনি, ওয়ারযুকনি, ওয়াফু আন্নি”

অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি আমাকে মাফ কর, আমাকে রহম কর, আমাকে হেদায়েত দান কর, আমাকে শান্তি দান কর এবং আমাকে রিজিক দাও।

১০) এভাবে নামাজ শেষে, মধ্য (২ রাকাত, ৪ রাকাত ভিত্তিতে) বৈঠক আর শেষ বৈঠকে তাশাহহুদ, আল্লাহর প্রশংসা করি। রাসূল (সা.) এর প্রতি দরুদ পেশ করে নিজেদের জন্য দোয়া করি।

তাশাহহুদ:
“আত্তাহিয়াতু লিল্লাহি ওয়াস সালাওয়াতু, ওয়াত তাইয়িবাতু। আসসালামু ‘আলাইকা আইয়ুহান নাবিয়্যু ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আসসালামু ‘আলাইনা ওয়া ‘আলা ‘ইবাদিল্লাহিস সালিহিন। আশহাদু আল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আবদুহু ওয়া রাসূলুহু।”

অর্থ: সকল সম্মান, ইবাদত ও পবিত্র কাজ আল্লাহর জন্য। হে নবী! আপনার প্রতি শান্তি, আল্লাহর রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। আমাদের ও আল্লাহর নেক বান্দাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর বান্দা ও রাসূল।

দরুদ:
“আল্লাহুম্মা সাল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিও ওয়া ‘আলা আলে মুহাম্মাদ, কামা সাল্লাইতা ‘আলা ইবরাহিম ওয়া ‘আলা আলে ইবরাহিম। আল্লাহুম্মা বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিও ওয়া ‘আলা আলে মুহাম্মাদ, কামা বারাকতা ‘আলা ইবরাহিম ওয়া ‘আলা আলে ইবরাহিম। ইননাকা হামিদুম মাজিদ।”

অর্থ: হে আল্লাহ! নবী মুহাম্মদ (সা.) ও তাঁর বংশধরের উপর রহমত বর্ষণ করুন, যেমন ইবরাহিম (আ.) ও তাঁর বংশধরের উপর বর্ষণ করেছিলেন। নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত, সম্মানিত।

দুয়া মাসুরা:
“আল্লাহুম্মা ইন্নি যলামতু নাফসি যুলমান কাছীরা, ওয়া লা ইয়াগফিরুয যুনুবা ইল্লা আনতা, ফাগফিরলি মাগফিরাতাম মিন ‘ইন্দিকা ওয়ারহামনি, ইন্নাকা আনতাল গাফুরুর রাহিম।”

অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আমার উপর অত্যাধিক জুলুম করেছি, তুমি ব্যতীত পাপ ক্ষমা করার কেউ নেই। সুতরাং তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও ও আমার প্রতি রহম কর। নিশ্চয়ই তুমি ক্ষমাশীল, দয়ালু।

১১) ২ কাঁধে সালাম দিয়ে আমরা নামাজ শেষ করি।

আল্লাহ! নামাজে আমরা কি পড়ি তার অর্থ বোঝার তৌফিক দান করুন। আমিন ❤️

Photos from Math Allrounder's post 13/01/2026

💥💥প্রাইমারির শিক্ষক নিয়োগ; ১০টি নমুনা ভাইভা!!

🟥 আগামী ১৮/২০ জানুয়ারির মধ্যেই প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হবে।

🟪 প্রতি শূন্যপদের জন্য ৩ জন পরীক্ষার্থী ভাইভা পরীক্ষায় অংশগ্রহন নিতে পারবে।

📌 আগামী ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ হতে পারে।

🟦 যাদের মার্ক ৬২-৬৫+ থাকবে তারা ভাইভার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেন। লিখিত ফলাফল প্রকাশের ৩/৪ দিন পরেই ভাইভা পরীক্ষা শুরু হবে।

🟩 মনে রাখবেন, ভাইভার জন্য তাত্ত্বিক পড়াশোনার থেকেও মানসিক ও বাহ্যিক প্রস্তুতি বেশি গুরুত্বপূর্ণ!!

29/12/2025

২ জানুয়ারি প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় এখান থেকে কয়েক নম্বর কমন আসতে পারে।

সাম্প্রতিক সাধারণ জ্ঞানঃ-

১.Cop-৩০ সম্মেলন হয় বেলেম শহর ব্রাজিলে।
২.FIFA-২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, মেক্সিকো
৩. বিশ্বকাপ ফুটবলের-২৩তম আসর।
৪. বিশ্বকাপ ফুটবলের নাম-ট্রাইওন্ডা (লাল, সবুজ, নীল রঙ)
৫. উদ্বোধনী ম্যাচ-১১জুন ২০২৬
৬. অংশগ্রহণকারী দেশ-৪৮টি
৭. ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন- ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
৮. বাংলাদেশে প্রথমবারের মত পোস্টাল ভোট চালু হবে- ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন থেকে।
৯. একই সাথে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে- ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে।
১০. বিপ্লবী শরীফ ওসমান হাদী শহীদ হন-১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
১১. বিপ্লবী শরীফ ওসমান হাদী'র তৈরি ইনকিলাব মঞ্চ
১২. বিপ্লবী শরীফ ওসমান হাদী গু'লিবি'দ্ধ হন-১২ ডিসেম্বর
১৩. বিপ্লবী শরীফ ওসমান হাদীকে কোথায় শায়িত করা হয়- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের
সমাধির পাশে, ঢাবি।
১৪. সম্প্রতি ২০২৫ অনুর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ জিতেছে-পাকিস্তান
১৫. ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়ার-উসমান দেম্বেলে
১৬. আসন্ন গণভোটের ব্যালট কোন রঙের হবে-গোলাপি
১৭. সুদানের কোন অঞ্চলে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের উপর হামলা হয়- অ্যাবেই অঞ্চল
১৮. জুলাই সনদ স্বাক্ষরিত হয়-১৭ই অক্টোবর ২০২৫
১৯. জুলাই সনদে স্বাক্ষর করে-২৫টি দল
২০. নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী- মারিয়া কোরিনা মাচাদো (ভেনিজুয়েলা)
২১. নোবেল সাহিত্য বিজয়ী-লাজলো ক্রাসনাহোরকাই (হাঙ্গেরি)

12/12/2025

🔥এখন থেকে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় কোন লিখিত পরীক্ষা হবে না। শুধুমাত্র প্রিলি ও ভাইভা হবে।
💫শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ ও প্রত্যয়ন বিধিমালার নতুন গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার।
🗞️বাছাই পরীক্ষায় পাশ নম্বর হবে মোট নম্বরের নূন্যতম ৪০% নম্বর।
👥 শূন্যপদের ১:২ অনুপাতে বিষয় ও পদভিত্তিক নির্বাচনি বা বাছাই পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

08/12/2025

বয়স মাত্র ১৫। ক্লাস টেনের ছাত্র।
সামনে দাঁড়িয়ে ভারতীয় ব্রিগেডিয়ার, প্রস্তাব দিলেন "কে যাবে নিশ্চিত মৃত্যুর মুখে? কে যাবে পাকিস্তানি ক্যাম্পের ভেতরে আত্মসমর্পণের চিঠি নিয়ে?"

​চারদিকে পিনপতন নীরবতা। হাজারো অভিজ্ঞ মুক্তিযোদ্ধা যেখানে ইতস্তত করছেন, সেখানে ভিড় ঠেলে এগিয়ে এল সেই রোগা-পাতলা কিশোর।
- "স্যার, আমি যাবো।"

ব্রিগেডিয়ার বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। ভাবলেন জোকস করছে। কিন্তু কিশোরের চোখেমুখে ইস্পাত কঠিন সংকল্প।

​ছেলেটির নাম বশির আহমেদ (বীর প্রতীক)। হাতে সাদা পতাকা আর চিঠি নিয়ে বুক চিতিয়ে সে হেঁটে গেল কামালপুর বিওপির সেই মরণকূপের দিকে। পাকিস্তানিরা তাকে গুলি করেনি, কিন্তু আটকে রেখেছিল।

​বশির ফিরছে না দেখে, পাঠানো হলো আরেক কিশোরকে। আনিসুল হক সঞ্জু (বীর প্রতীক)। এসএসসি পরীক্ষার্থী।

- "আমি মরেছি তো মরেছি, তুমি আসলে কেন?"

বশিরের এই প্রশ্নের উত্তরে সঞ্জু বলেছিল, "দেশের জন্য এসেছি।"

​আজ ৪ ডিসেম্বর। ৫৩ বছর আগে ঠিক আজকের দিনেই, এই দুই অকুতোভয় কিশোরের হাত ধরে পতন ঘটেছিল মুক্তিযুদ্ধের সবচেয়ে বিপজ্জনক রণাঙ্গন 'কামালপুর বিওপি'র। তাদের সাহসেই আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়েছিল ১৫০ জন পাকিস্তানি সেনা।

​ইতিহাস বইয়ে হয়তো অনেক বড় বড় যুদ্ধের নাম পড়েন, কিন্তু ক্লাস টেনের এই দুই দামাল ছেলের সাহসের গল্পটা কি জানতেন?

​স্যালুট বশির আহমেদ ও আনিসুল হক সঞ্জু। স্যালুট সেই ১৬ ডিসেম্বর আসার আগেই যারা ৪ ডিসেম্বর কামালপুরে উড়িয়েছিল বিজয়ের পতাকা।

🇧🇩

মূল ​লেখা: আহমাদ ইশতিয়াক

ছবি: মুক্তিযোদ্ধা হারুন হাবীব
(বামে বশির আহমেদ বীর প্রতীক,
ডানে আনিসুল হক সঞ্জু বীর প্রতীক)

03/12/2025

💥সমার্থক শব্দ মনে রাখার জাদুকরি টেকনিক: মেগা পোস্ট! এটা কয়েকবার রিভিশন দিন।

পৃথিবীকে ধরে রাখে পর্বত। তাই পৃথিবীর সমার্থক শব্দের সাথে 'ধর' যোগ করে দিলেই তা পর্বতের সমার্থক শব্দ হয়ে যাবে। যেমন:
পৃথিবী - ভূ, অবনী, ধরণী, ধরা, মহী, মেদিনী, ক্ষিতি, পৃথ্বী
পর্বত - ভূধর, অবনীধর, ধরণীধর, ধরাধর, মহীধর, মেদিনীধর, ক্ষিতিধর, পৃথ্বীধর

আবার মেঘ জল দান করে তাই পানির সমার্থক শব্দের সাথে দ বা 'ধর' যোগ করে দিলেই তা মেঘের সমার্থক শব্দ হয়ে যাবে। যেমন:
পানি - জল, নীর, অম্বু, বারি, পয়ো, তোয়
মেঘ: জলদ, নীরদ,অম্বুদ,বারিদ,পয়োদ,তোয়দ
মেঘ ২- জলধর, নীরধর, অম্বুধর, বারিধর, পয়োধর, তোয়ধর

আবার 'নিধি' শব্দের অনেকগুলো অর্থের মধ্যে একটি হচ্ছে আধার বা স্থান। তাহলে 'পানি'র সমার্থক শব্দের সাথে 'নিধি' যোগ করে দিলেই তা পানির মূল আধার বা স্থান সমুদ্রকে বুঝাবে। যেমন:
পানি - জল, নীর, অম্বু, বারি, পয়, তোয়
সমুদ্র- জলনিধি, নীরনিধি, অম্বুনিধি, বারিনিধি, পয়নিধি, তোয়নিধি

আবার সমুদ্র পানিকে ধরে রাখে তাই জলধি মানে সমুদ্র।আবার পানি শব্দের সমার্থক শব্দের সাথে ধি যুক্ত করলেও তা সমুদ্র শব্দের সমার্থক শব্দ হবে।
যেমন: জলধি, বারিধি , পয়োধি , তোয়ধি , অম্বুধি , নীরধি

সমার্থক শব্দ মনে রাখার আরও কিছু জাদুকরী কৌশল:

সূর্য:
রবি বার আফতাব,অর্ক ও অরুণের ছোট ভাই আদিত্যের সাথে দিনমণি,দিননাথের ছোট বোন সবিতার বিয়ের তারিখ ঠিক হয় ৷ বরের পক্ষে বিশেষ ৬ অতিথি হবে ভাস্কর, দিবাকর,দিবাবসু,বিভাকর,বিভাবসু ও প্রভাকর এবং কনের ৬ অতিথি হবে অংশুমালী, কিরণমালী, ময়ূখমালী,অর্ঘমা,পুষা ও মার্তণ্ড ৷ বিয়ের সকল দায়িত্বে থাকবে তপন, দিনেশ ও ভানু এবং বিবস্বান সুর বাজাবেন মিহির আলি ৷

সূর্যের সমার্থক শব্দ
(রবি,আফতাব,অর্ক, অরুণ, আদিত্য, দিনমণি,দিননাথ,সবিতা,ভাস্কর, দিবাকর,দিবাবসু,বিভাকর,বিভাবসু,প্রভাকর,অংশুমালী, কিরণমালী, ময়ূখমালী,অর্ঘমা,পুষা,মার্তণ্ড ,তপন, দিনেশ, ভানু,বিবস্বান ,সুর, মিহির)

অশ্ব:
তুরাগ তীরে তুরঙ্গে অশ্ববাজী খেলা হয় ৷ তুরঙ্গমের খেলা দেখতে ঘোড়ার হ্রেষায় চড়ে ঘোটক যেতে রাজি নয় ৷
অশ্ব সমার্থক শব্দ
(তুরাগ,তুরঙ্গ, অশ্ববাজী, হয়, তুরঙ্গম,ঘোড়ার, হ্রেষা, ঘোটক)

পর্বত:
অদ্রি,নগ ও নগেন্দ নীলগিরি পাহাড়ে উঠে শৈল প্রভাবে অচল হয়ে পড়ল ৷ ভুধর, মহীধর ও শূঙ্খধর শূঙ্খের (শূঙ্খী) শিখরে (শিখরী) উঠে তাদের উদ্বার করল ৷

পর্বত এর সমার্থক শব্দ:
(অদ্রি,নগ, নগেন্দ, নীলগিরি, পাহাড়,

Want your school to be the top-listed School/college in Dhanmondi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

Dhanmondi
Dhanmondi
1207