13/04/2026
চীনে নির্মাণকাজের কারণে সৃষ্ট ধুলো ও শব্দদূষণ কমাতে এক অভিনব প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়েছে, যা ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিকভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। দেশটির Jinan শহরে একটি বড় নির্মাণ প্রকল্পকে সম্পূর্ণভাবে ঢেকে দেওয়া হয়েছে বিশাল একটি ইনফ্ল্যাটেবল গম্বুজ দিয়ে। প্রায় ৫০ মিটার উচ্চতার এই স্বচ্ছ ডোমটি প্রায় ২০,০০০ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত, যা একাধিক ফুটবল মাঠের সমান।
এই গম্বুজের প্রধান উদ্দেশ্য হলো নির্মাণস্থল থেকে ছড়িয়ে পড়া ক্ষতিকর ধুলো এবং উচ্চ শব্দ নিয়ন্ত্রণ করা। সাধারণত বড় নির্মাণকাজের সময় বাতাসে বিপুল পরিমাণ সূক্ষ্ম ধূলিকণা ছড়িয়ে পড়ে, যা আশেপাশের মানুষের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। কিন্তু এই ডোম ব্যবহারের ফলে সেই ধুলো বাইরে বের হতে পারে না। এর ভেতরে বিশেষ ফিল্টারিং সিস্টেম, পানি স্প্রে প্রযুক্তি এবং শক্তিশালী বায়ুপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়, যা বাতাসকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।
একইসঙ্গে, এই কাঠামো শব্দদূষণ কমাতেও কার্যকর ভূমিকা রাখে। নির্মাণযন্ত্রের তীব্র শব্দ গম্বুজের ভেতরেই অনেকাংশে আটকে যায়, ফলে বাইরের পরিবেশ তুলনামূলকভাবে শান্ত থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের প্রযুক্তি শহরের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় নির্মাণকাজের প্রভাব কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ডোমটির আরেকটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো এর পুনর্ব্যবহারযোগ্যতা। নির্মাণকাজ শেষ হলে এটি সহজেই খুলে অন্য স্থানে ব্যবহার করা সম্ভব, যা একে অর্থনৈতিক ও পরিবেশবান্ধব করে তোলে। স্বচ্ছ উপাদানে তৈরি হওয়ায় প্রাকৃতিক আলো ভেতরে প্রবেশ করে, ফলে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারের প্রয়োজনও কমে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই প্রযুক্তি সফল হলে ভবিষ্যতে বিশ্বের অন্যান্য শহরেও এটি ব্যবহার করা হতে পারে, যা নগর উন্নয়নকে আরও পরিবেশবান্ধব করে তুলবে।
©️Science Galaxy
13/04/2026
ইরানের জেদটা দেখুন ! তারা পার-মাণবিক বানাবেই! তারা হরমুজ প্রণালী একাই নিয়ন্ত্রণ করবে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র চাইছে , হরমুজে দাদাগিরি করতে।
ইরান পারমাণবিক না বানাইতে! কিন্তু ইরানও সাহসের সাথে সাফ জানিয়ে দিছে, পারমাণবিক বানানোর নিষেধাজ্ঞা তারা মানবে না। হরমুজ প্রণালীতে আমেরিকার আধিপত্য মানবে না!
ইরানের শক্তির জায়গা হইলো চীন ,রাশিয়া আর উত্তর কোরিয়া! কারণ হরমুজ প্রণালী খোলে দেয়ার বিরুদ্ধে চীন ,রাশিয়া জাতিসংঘে ভেটো দিছে! বড় কারণ হইলো ,হরমুজ প্রণালী ইরানের সবচেয়ে বড় কৌশলের জায়গা।
এখানে যদি যুক্তরাষ্ট্র ঢুকে পড়ে চীন -রাশিয়া মোটামুটি বড় ধরনের বাঁশ খাবে। মানে অর্থনৈতিক যুদ্ধে পরাজিত হবে!
এবার আমেরিকার হাতে অপশন দুইটা!
১, যুদ্ধ কন্টিনিউ করা!
২, মধ্যপ্রাচ্য থেকে লেজগুটিয়ে চলে যাওয়া।
যুদ্ধ কন্টিনিউ চললে আমেরিকার সাম্রাজ্য পতন হতে পারে এমনকি তৃতীয় বিশ্ব-যু*দ্ধ পর্যন্ত হতে পারে।
কারণ পুরো পৃথিবীতে যুদ্ধের প্রভাব পড়বে ,আর আমেরিকার মিত্রদেশগুলো পর্যন্ত আমেরিকার বিরোধিতা করতে পারে। আর যদি কৌশলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে লেজগুটিয়ে নেয়। তাহলে চীন রাশিয়ার বলয়ে পুরো বিশ্ব ঢুকে পড়বে!
সব কথার বড় কথা ইরান মুসলিম বিশ্বকে শিখিয়ে গেছে, ইরান শত্রুর সামনে কখনো মাথা নত করে না। ইরান শুধু একবার মাথা নত করে, সিজদায় সৃষ্টিকর্তার সামনে!
©️
12/04/2026
ফার্স নিউজ আরও জানায়, হরমুজ প্রণালি, ইরানের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা–সংক্রান্ত বেশ কিছু বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবিগুলো ছিল ‘অতিমাত্রায় উচ্চাভিলাষী’, যা তেহরান মেনে নেয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের আলোচকেরা ইরানকে এমন শর্ত দিয়েছে, যা তারা যুদ্ধের মাধ্যমেও আদায় করতে পারেনি।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আলোচনার পর এক্সে দেওয়া বিবৃতিতে ইরান জানিয়েছে, এখন উচ্চপর্যায়ের আলোচনা থেকে বিষয়টি কারিগরি পর্যায়ে চলে গেছে। সেখানে উভয় পক্ষ লিখিত প্রস্তাব ও বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের খসড়া বিনিময় করছে। কিছু বিষয়ে মতপার্থক্য থাকলেও আলোচনা অব্যাহত রাখার ইঙ্গিত দিয়েছে তেহরান।
©️
11/04/2026
নাসা এটিকে 'বিশ্বের জন্য একটি উপহার' হিসেবে বর্ণনা করেছে
11/04/2026
আশ্চর্যজনক হলেও সত্য, বিশ্ব বাণিজ্য অল্প কিছু সরু সমুদ্রপথের ওপর নির্ভরশীল, যেগুলোকে প্রায়ই সামুদ্রিক "বটলনেকস বা চলাচলের সরু পথ" বলা হয়ে থাকে
10/04/2026
Who is your Favourite Economist...???
08/04/2026
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ইরানের দশ শর্ত
08/04/2026
Newspaper Analysis March
Source: Royel Economics club
08/04/2026
৪ দিনে ইরানে 'রেজিম চেঞ্জ' করতে নেমে, ৪০ দিন পর পরাজয় মেনে নিল যুক্তরাষ্ট্র। আর আর আপনি মানেন আর না মানেন, "ই*রা*নিরা আসলেই সা*হসী🔥
ইরান এখন একটি স্বীকৃত পরাশক্তি!🇮🇷
©️
08/04/2026
♥️যুদ্ধবিরতি( Ceasefire )
আসলে ট্রা*ম্প ইরানকে ধ্বংস করে দিবে বলে হুমকি দিয়ে নিজেই যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করে এটা বুঝাতে চেয়েছে যে, ইরান এই Ceasefire এ সম্মত হয়েছে। মূলত সে নিজে চাপে পড়ে এই চুক্তি করতে বাধ্য হয়েছে। কারণ, সে জানে,
১. একরাতে ই*রানে বোম্বিং করে ধ্বংস করা অসম্ভব। এত বিশাল দেশ, যা বাংলাদেশের মত ১২টি দেশের সমান।
২. আমেরি*কা যেদিন বোম্বিং করবে, সেদিন অন্তত মিডল ইস্টের সকল পানি শোধনাগার আর জ্বালানি ডিপো সব ধ্বংস করে দিবে ইরান। এতে ট্রা*ম্প এসবের জন্য দ্বায়ী থাকবে & মিডলইস্ট দীর্ঘ দিনের জন্য পানি সংকটে আর বিশ্ব জ্বালানী সংকটে অন্ধকারে চলে যাবে।
আর একটু গভীরে গিয়ে ভাবলেই দেখবেন, ট্রা*ম্প নিজেই বলেছে, যুদ্ধ বিরতির পর আলোচনা হবে ইরানের দেয়া ১০ দফা পরিকল্পনার উপর ভিত্তি করে..😀
যাই হোক,দেখা যাক ১০ এপ্রিল পাকিস্থানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তি আলোচনার জল কতটা গড়ায়..