09/04/2026
Alo Child Development & Wellbeing
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Alo Child Development & Wellbeing, Childcare service, Uttara, Dhaka.
Alo Child Development and Wellbeing শিশুদের জন্য প্রমাণভিত্তিক থেরাপি, early learning এবং মানসিক আচরণ উন্নয়ন সেবা প্রদান করে পিতামাতা ও পরিবারকে সহায়তা করে নিরাপদ, যত্নশীল পরিবেশে শিশুদের শারীরিক মানসিক আবেগগত কল্যাণ বাড়ায়
09/04/2026
শিশুর অতিরিক্ত রাগ ও জেদ নিয়ন্ত্রণের উপায়
কিভাবে বুঝবো বাচ্চার কি স্পিচ ডিলে নাকি অটিজম? #অটিজম
Full video 👇 https://www.facebook.com/share/v/1GUAQHoAdT/
শিশুর স্ক্রিন টাইম ।। জানুন আন্তর্জাতিক গবেষণা কি বলে।
📱 শিশুর স্ক্রিন টাইম:
১️⃣ স্ক্রিন টাইম কী?
টিভি, মোবাইল, ট্যাব, কম্পিউটার, ভিডিও গেম—যে কোনো ডিজিটাল স্ক্রিন ব্যবহারের সময়কেই স্ক্রিন টাইম বলা হয়।
২️⃣ আন্তর্জাতিক গবেষণা কী বলে?
🔬 American Academy of Pediatrics (AAP) সুপারিশ:
👶 ০–১৮ মাস: স্ক্রিন এড়ানো (ভিডিও কল ছাড়া)
👶 ১৮–২৪ মাস: শুধুমাত্র উচ্চমানের শিক্ষামূলক কনটেন্ট, অভিভাবকের সাথে
🧒 ২–৫ বছর: দিনে সর্বোচ্চ ১ ঘণ্টা (co-viewing সহ)
👦 ৬+ বছর: নির্দিষ্ট সীমা, পর্যাপ্ত ঘুম, খেলাধুলা ও অফলাইন কার্যক্রম নিশ্চিত করা
🔬 WHO (2019) নির্দেশনা:
👶 ১ বছরের নিচে: কোনো স্ক্রিন নয়
👶 ২ বছর: স্ক্রিন নয়
🧒 ৩–৪ বছর: সর্বোচ্চ ১ ঘণ্টা (কম হলে ভালো)
৩️⃣ গবেষণায় পাওয়া সম্ভাব্য ঝুঁকি
🧠 ১. ভাষাগত বিলম্ব
অতিরিক্ত স্ক্রিন → কম কথোপকথন → শব্দভাণ্ডার কম বৃদ্ধি
(Research: Madigan et al., 2019 – JAMA Pediatrics)
🧠 ২. মনোযোগ সমস্যা
বেশি দ্রুতগতির কনটেন্ট → মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা কমে
(Christakis et al., 2004)
😴 ৩. ঘুমের সমস্যা
স্ক্রিনের ব্লু লাইট → মেলাটোনিন কমে → ঘুম ব্যাহত
😟 ৪. আচরণগত সমস্যা
অতিরিক্ত স্ক্রিন → রাগ, অস্থিরতা, সামাজিক বিচ্ছিন্নতা বৃদ্ধি
৪️⃣ ইতিবাচক ব্যবহার কেমন হওয়া উচিত?
সব স্ক্রিন খারাপ নয়—ব্যবহারের ধরন গুরুত্বপূর্ণ।
✔️ Co-viewing (অভিভাবকের সাথে দেখা)
✔️ ইন্টারঅ্যাকটিভ ও শিক্ষামূলক কনটেন্ট
✔️ নির্দিষ্ট সময়সীমা
✔️ স্ক্রিনের পর আলোচনা
৫️⃣ বাস্তবসম্মত প্যারেন্টিং গাইডলাইন
📌 ১. “No screen zone” তৈরি করুন
খাওয়ার সময়
ঘুমের ১ ঘণ্টা আগে
পরিবারের আলাপের সময়
📌 ২. স্ক্রিন বিকল্প দিন
আউটডোর খেলা
বই পড়া
আর্ট & ক্রাফট
সেন্সরি প্লে
📌 ৩. শিশুকে স্ক্রিন দিয়ে শান্ত করানোর অভ্যাস কমান
📌 ৪. রোল মডেল হন
অভিভাবকের স্ক্রিন ব্যবহারও গুরুত্বপূর্ণ
৬️⃣ কখন সতর্ক হবেন?
⚠️ স্ক্রিন না দিলে অতিরিক্ত রাগ
⚠️ সামাজিকভাবে আগ্রহ কমে যাওয়া
⚠️ ঘুমের সমস্যা
⚠️ ভাষা বিকাশে বিলম্ব
স্ক্রিন পুরোপুরি বন্ধ নয়—
👉 “Balanced, intentional and supervised use”
এই তিনটি শব্দই মূল।
Shabia Sultana Borsha
Child Behaviour Therapist
BSc & MSc – Child Development and Social Relationship (DU)
Training – Child Developmental Therapy (Bangladesh Shishu Hospital)
Early Childhood Education | ABA Therapy | Behaviour Support
আপনার শিশুর বিকাশ কি স্বাভাবিক বিকাশ নাকি আচরণগত চ্যালেঞ্জ?
10/02/2026
"শিশুকে যেভাবে নির্দেশনা দিলে আপনার কথা শুনবে"....
“না” শব্দের নেতিবাচক প্রভাব (বিশেষ করে শিশুর ওপর)
আমরা অনেক সময় না ভেবেই বারবার “না” বলি—কিন্তু শিশুর ব্রেইন এটা কীভাবে নেয়, সেটাই আসল বিষয় 🧠
👉ব্রেইনে চাপ ও স্ট্রেস বাড়ায়
বারবার “না” শুনলে শিশুর ব্রেইন এটাকে থ্রেট বা বিপদ হিসেবে ধরে নেয়।
ফলে—
🔸কর্টিসল (stress hormone) বাড়ে
🔸শেখার ক্ষমতা কমে
🔸শিশু ডিফেন্সিভ হয়ে যায়
👉আত্মবিশ্বাস কমে যায়
যখন শিশুর প্রায় সব চেষ্টার জবাবে “না” আসে—
🔸“আমি পারি না” ভাব তৈরি হয়
🔸নিজের ওপর বিশ্বাস কমে
🔸নতুন কিছু চেষ্টা করতে ভয় পায়
👉আচরণগত সমস্যা বাড়তে পারে
অতিরিক্ত “না” শুনে শিশু—
🔸জেদি হয়ে উঠতে পারে
🔸রেগে যেতে পারে
কথা না শোনা বা ইচ্ছাকৃতভাবে উল্টো কাজ করতে পারে
কারণ ব্রেইন তখন fight or flight mode-এ চলে যায়।
👉ভাষা ও চিন্তাশক্তি বিকাশে বাধা
“না করো”, “না যেও”, “না ছুঁও”—
এগুলো নেগেটিভ কমান্ড।
শিশুর ব্রেইন আগে “কী করবে না” শুনে, কিন্তু “কী করবে” সেটা পরিষ্কার পায় না।
❌ “ওখানে যেও না”
✔️ “এখানে এসে বসো”
🌱 তাহলে করবো কী?
“না” কমিয়ে পজিটিভ নির্দেশনা ব্যবহার করুন
🔹 “দৌড়িও না” → “ধীরে হাঁটো”
🔹 “চুপ করো” → “নরম গলায় কথা বলি”
🔹 “এটা না” → “এটা এভাবে করি”
🧠 পজিটিভ ভাষা শিশুর ব্রেইনকে safe + ready to learn অবস্থায় রাখে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka
1230
Opening Hours
| Thursday | 07:00 - 22:00 |
| Friday | 07:00 - 22:00 |