ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, “নিশ্চয় পাপ কাজে লিপ্ত হলে তার কারণে:
(১) অন্তরে অন্ধকার সৃষ্টি হয়,
(২) চেহারা কালো হয়,
(৩) শরীর দূর্বল হয়,
(৪) রিযিক কমে যায় এবং
(৫) তার প্রতি মানুষের ঘৃণা তৈরী হয়”।
~মাজমাউল ফাতাওয়া
দারুস সাআদাত
দারুস সাআদাত – অফিসিয়াল পেইজ
হাদীস, তাফসীর, ইলম ও আমল।
অনলাইন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান।
🔗 visit www.Darussaadat.com
01/02/2026
যার মধ্যে এই চারটি বিষয় পাওয়া যাবে সে খালিস মুনাফিক। যদি কোন একটি থাকে তাহলে নিফাকের কোন একটি স্বভাব থাকবে, যে পর্যন্ত না তা পরিত্যাগ করবে। ১.কথা বললে মিথ্যা বলে। ২.অঙ্গীকার করলে ভঙ্গ করে। ৩.চুক্তি করলে লঙ্ঘন করে। ৪.ঝগড়া বিবাদে গালি-গালায করে।
~কানযুল উম্মাল ৮৪৮
🌴 দারুস সাআদাত
01/02/2026
সিফাতুল মুনাফিকীন বা মুনাফিকদের স্বভাব চরিত্র বিষয়ক হাদীস ও রিওয়ায়াত সমূহ। পাঠ করুন আমাদের ওয়েবসাইট থেকে। লিংক কমেন্টে।
চাশতের নামাযের ফযীলত
এক লোক ইবনে শুবরুমাকে বলল: আমি অমুকের এটা করে দিয়েছি, ওটা করে দিয়েছি। তিনি তাকে বললেন:
«لا خير في المعروف إذا أُحصي»
উপকার যদি গণনা (হিসাব) করা হয়, তাহলে তাতে কোনো কল্যাণ নেই।
~উয়ূনুল আখবার
দু‘আ কবুলের ক্ষেত্রে আল্লাহর প্রতি সুধারণা রাখুন
যখন কোনো প্রয়োজন পূরণ হতে বিলম্ব হয়, তখন তুমি তোমার রবকে দোষারোপ করবে না। এ কথা বলবে না “কেন? কেন হে আমার রব?” বরং তোমার উচিত নিজের দিকে ফিরে আসা, নিজেকে হিসাবের আওতায় আনা। কেননা তোমার রব প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।
সুতরাং নিজের দিকে ফিরে তাকাও এবং ভেবে দেখো হয়তো তোমার মধ্যে কোনো গুনাহ বা অবাধ্যতা রয়েছে, যার কারনে দু‘আ কবুলে বিলম্বিত হচ্ছে।
আর আল্লাহ কখনো কখনো প্রার্থনাকারীকে তার চাওয়ার চেয়েও উত্তম কিছু দান করেন। আবার কখনো তার কাছ থেকে এমন কোনো অকল্যাণ দূর করে দেন, যা সে চেয়েছিল তার চেয়েও অধিক কল্যাণকর।
অতএব আল্লাহর ব্যাপারে উত্তম ধারণা রাখো, দু‘আ অব্যাহত রাখো এবং তাতে দৃঢ়ভাবে অবিচল থাকো। নিশ্চয়ই দু‘আর মধ্যে তোমার জন্য অনেক কল্যাণ রয়েছে।
• মূল: শাইখ ইবনু বায (রহিমাহুল্লাহ)
• অনুবাদ: রাকিবুল ইসলাম বিন হারুন।
• উৎস: মাজমূ‘ আল-ফাতাওয়া, (খণ্ড ৫, পৃষ্ঠা ৩০৪-৩০৫)
30/01/2026
উচ্চারণ
বিসমিল্লাহি আলা নাফসী ওয়া আহলী ওয়া মালী।
30/01/2026
হাদীস:
“مَنْ صَمَتَ نَجَا”
যে লোক চুপ থাকলো, সে নাজাত পেল।
এই হাদীসটি খুব সংক্ষিপ্ত কিন্তু অর্থে গভীর।
সহজ ব্যাখ্যা
এখানে “চুপ থাকা” মানে সব কথা একেবারে বন্ধ করে দেওয়া নয়।
বরং—
অনর্থক কথা না বলা
গুনাহের কথা থেকে জিহ্বাকে বাঁচানো
ঝগড়া, গীবত, মিথ্যা, অপবাদ, অহংকারপূর্ণ কথা এড়িয়ে চলা
এই অর্থে চুপ থাকা।
কেন চুপ থাকলে নাজাত?
কারণ মানুষের অধিকাংশ গুনাহ হয় জিহ্বা দিয়ে—
গীবত
মিথ্যা
ফিতনা ছড়ানো
কাউকে কষ্ট দেওয়া
অহেতুক তর্ক
নবী ﷺ বলেছেন:
মানুষকে সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে নিক্ষেপ করবে তার জিহ্বার ফসল।
তাই যে ব্যক্তি কথা বলার আগে ভেবে নেয়—
“এটা কি ভালো? দরকারি? আল্লাহকে খুশি করবে?”
সে অনেক গুনাহ থেকে বেঁচে যায়।
তাহলে কখন কথা বলবো?
ইসলাম নীরবতার দাওয়াত দেয় না, বরং সঠিক কথা বলার শিক্ষা দেয়।
হক কথা
নসিহত
ভালো কথা
যিকির
উপকারী জ্ঞান
নবী ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস করে, সে যেন ভালো কথা বলে, নতুবা চুপ থাকে।”
সারকথা
চুপ থাকা মানে দায়িত্বহীন নীরবতা নয়
বরং গুনাহ থেকে আত্মরক্ষা
ভালো কথা বলাই ইবাদত, আর খারাপ কথা থেকে চুপ থাকাই নাজাত।
29/01/2026
তালিমুল ইসলাম ২য় ভাগ। ইসলাম শিক্ষা বিষয়ক সহজ গ্রন্থ। পাঠ করুন আমাদের ওয়েবসাইট থেকে। লিংক কমেন্টে।
ইমাম সুফিয়ান সাওরী (রহ) বলেন,
আল্লাহ তোমার জন্য যে রিজিক নির্ধারণ করেছেন তা নিয়ে তুমি সন্তুষ্ট থাকো, তাহলে তুমি ধনী হয়ে যাবে এবং আল্লাহর ওপর ভরসা করো, তাহলে তুমি শক্তিশালী হয়ে যাবে।”
~হিলইয়াতুল আউলিয়া
© মানহাজুস সালাফ
29/01/2026
হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণনা করেন- রাসূলুল্লাহ (সা) ইরশাদ করেন-
كل أَمر ذِي بَال لَا يبْدَأ فِيهِ ب {بِسم الله الرَّحْمَن الرَّحِيم} أقطع
কোন গুরুত্বপূর্ণ কাজ বিসমিল্লাহ ব্যতীত শুরু করলে তা অপূর্ণ থেকে যায়।
~তাফসীর আদ দুররে মানসূর
🌴 দারুস সাআদাত
Click here to claim your Sponsored Listing.