CosmoBangla

CosmoBangla Broadcasting dream from the Cosmos

08/04/2026
28/03/2026

জানেন কি, আজ কেন সারা বিশ্বের মানুষ ১ ঘণ্টার জন্য সব আলো নিভিয়ে দেবে? 🌍

বাংলাদেশে এই সিস্টেম এখনও এত একটা জনপ্রিয় না হলেও প্রতি বছর মার্চের শেষ শনিবার ঠিক রাত ৮:৩০(আঞ্চলিক সময়) মিনিটে পৃথিবীজুড়ে কোটি কোটি মানুষ তাদের ঘরের অপ্রয়োজনীয় বাতিগুলো বন্ধ করে দেয়। কিন্তু কেন?

একে বলা হয় ‘আর্থ আওয়ার’ (Earth Hour)। আমাদের এই প্রিয় গ্রহ পৃথিবীকে জলবায়ু পরিবর্তনের হাত থেকে বাঁচাতে এবং প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা জানাতেই এই প্রতীকী উদ্যোগ। ২০২৬ সালে আজ, ২৮ মার্চ হল সেই দিন!

কেন আপনিও শামিল হবেন এই উদ্যোগে?
বিদ্যুৎ সাশ্রয় তো বটেই, তবে এর পেছনে রয়েছে আরও বড় এক আনন্দ। বাতি নেভানোর এই এক ঘণ্টা হতে পারে আপনার জন্য প্রকৃতির সাথে ফেরার সময়। শহরের কৃত্রিম আলো কমে গেলেই আকাশের আসল রূপ ফুটে ওঠে। ছাদে বা বারান্দায় দাঁড়িয়ে কালপুরুষ (Orion) কিংবা উজ্জ্বল সব নক্ষত্র খুঁজে নেওয়ার এটাই সেরা সময়।

আজ রাত ৮:৩০ থেকে ৯:৩০ পর্যন্ত অপ্রয়োজনীয় বাতি বন্ধ রাখুন। অন্ধকারেই খুঁজে নিন পৃথিবীর আসল সৌন্দর্য। 🌏

সবাইকে জানাই  ঈদ-উল-ফিতর এর শুভেচ্ছা, ঈদ মোবারক 🌙
20/03/2026

সবাইকে জানাই ঈদ-উল-ফিতর এর শুভেচ্ছা, ঈদ মোবারক 🌙

খালি চোখে চাঁদ না দেখা গেলেও কিভাবে নতুন আরবি মাস শুরু হয় বা ঈদ পালন হয় ?সহজ কথায় বলতে গেলে, আকাশ মেঘলা থাকার কারণে আম...
18/03/2026

খালি চোখে চাঁদ না দেখা গেলেও কিভাবে নতুন আরবি মাস শুরু হয় বা ঈদ পালন হয় ?

সহজ কথায় বলতে গেলে, আকাশ মেঘলা থাকার কারণে আমরা খালি চোখে চাঁদ না দেখলেও মহাকাশ বিজ্ঞানের (Astronomy) নিখুঁত হিসাব আমাদের জানিয়ে দেয় চাঁদ আসলে আকাশে আছে কি না। বিষয়টি অনেকটা মেঘের আড়ালে সূর্য থাকার মতো; সূর্য দেখা না গেলেও আমরা জানি যে দিন হয়েছে। নিচে সহজভাবে এর জ্যোতির্বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:

সহজ ভাষায় চাঁদের হিসাব
মহাকাশ বিজ্ঞানে 'কনজাংশন' (Conjunction) বা চাঁদের জন্ম একটি নির্দিষ্ট সময়ে হয়। যখন চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই লাইনে চলে আসে, তখন নতুন চাঁদের জন্ম হয়। আমাদের দেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর বা মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র (SPARRSO) গণিতের মাধ্যমে আগে থেকেই বের করে ফেলে যে, ঈদের আগের দিন সূর্যাস্তের সময় চাঁদ দিগন্তের কতটুকু উপরে থাকবে। অনেক সময় দেখা যায়, চাঁদ আকাশে ঠিকই আছে, কিন্তু সেটি আকারে এতটাই সরু যে মেঘ বা ধুলোবালির কারণে আমাদের চোখে পড়ছে না।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা তখন 'লুনার ক্যালকুলেশন' বা চাঁদের কক্ষপথের হিসাব মিলিয়ে দেখেন। যদি দেখা যায় যে সূর্যাস্তের পরেও চাঁদ দিগন্তের উপরে বেশ কিছুক্ষণ অবস্থান করছে, তখন ধরে নেওয়া হয় নতুন মাস শুরু হয়ে গেছে। এছাড়া বিজ্ঞানের কল্যাণে এখন অনেক শক্তিশালী টেলিস্কোপ আছে, যা দিয়ে মেঘের আড়ালে বা ঝাপসা আকাশেও চাঁদের অস্তিত্ব ধরা যায়।
সহজ কথায়, আমরা চোখে না দেখলেও বিজ্ঞানের ক্যালকুলেটর যখন বলে দেয় যে চাঁদ দিগন্ত রেখার উপরে আছে, তখনই ঈদের সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়।

বৃহস্পতির 'মহাজাগতিক কারুকাজ' আর 'ভয়ংকর ঝড়’প্রথমবার বৃহস্পতির ছবি দেখলে মনে হয় কোনো মার্বেল পাথরের তৈরি গোলক। এই যে বাদা...
15/03/2026

বৃহস্পতির 'মহাজাগতিক কারুকাজ' আর 'ভয়ংকর ঝড়’

প্রথমবার বৃহস্পতির ছবি দেখলে মনে হয় কোনো মার্বেল পাথরের তৈরি গোলক। এই যে বাদামি, কমলা আর সাদা রঙের ঢেউ খেলানো নকশাগুলো আমরা দেখি, এগুলো আসলে বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডলের উত্তাল সব ঝড়।

১. বায়ুমণ্ডলের জলরঙের খেলা: বৃহস্পতি মূলত হাইড্রোজেন আর হিলিয়াম গ্যাসের তৈরি হলেও এর ওপরের স্তরে আছে অ্যামোনিয়া আর সালফারের মেঘ। বৃহস্পতি খুব দ্রুত ঘোরে (মাত্র ১০ ঘণ্টায় একবার!), আর এই প্রচণ্ড গতির কারণে এর বায়ুমণ্ডলের গ্যাসগুলো বিভিন্ন সমান্তরাল স্তরে বিভক্ত হয়ে যায়। বিজ্ঞানীরা একে বলেন 'Jet Streams'। এই স্রোতগুলোই বৃহস্পতির গায়ে সেই চমৎকার বেল্ট বা ফিতার মতো নকশা তৈরি করে।

২. দ্য গ্রেট রেড স্পট: বৃহস্পতির সবচেয়ে বিখ্যাত কারুকাজ হলো তার সেই 'লাল চোখ'। এটি আসলে একটি দানবীয় ঘূর্ণিঝড়।
আয়তন: এই ঝড়টি এতই বিশাল যে এর ভেতরে আমাদের আস্ত পৃথিবীটা ঢুকে যাবে!
সময়কাল: মানুষ টেলিস্কোপ দিয়ে দেখার পর থেকে গত ৩৫০ বছর ধরে এই ঝড়টি একইভাবে চলছে। এর বাতাস প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৪০০ মাইল বেগে ঘোরে।

৩. ছোট-বড় হাজারো ঘূর্ণিঝড়: বৃহস্পতির উত্তর আর দক্ষিণ মেরুর ছবি দেখলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন! সেখানে শত শত ছোট-বড় নীলচে রঙের ঘূর্ণিঝড় জটলা পাকিয়ে থাকে, যা দেখতে অনেকটা ফুলের তোড়ার মতো লাগে। নাসা-র 'জুনো' (Juno) মহাকাশযান থেকে পাঠানো ছবিগুলো দেখলে মনে হয় এটি যেন কোনো বিমূর্ত চিত্রকর্ম (Abstract Art)।

আপনি কি জানেন বৃহস্পতির এই রঙিন মেঘগুলোর নিচে কোনো শক্ত জায়গা নেই। আপনি যদি এই কারুকাজের ভেতর দিয়ে নিচে নামতে চান, তবে এক সময় বাতাসের প্রচণ্ড চাপে আর তাপে যেকোনো মহাকাশযান বাষ্প হয়ে যাবে।

প্রকৃতির অদ্ভুত রসায়ন: বৃহস্পতির এই চমৎকার নকশাগুলো আসলে চরম বিশৃঙ্খলা আর ধ্বংসাত্মক ঝড়ের এক শান্ত প্রতিচ্ছবি।

২০২৬ সালের মহাকাশ গবেষণার ক্যালেন্ডারে গামা নরমিডস (Gamma Normids) উল্কাবৃষ্টি একটি আকর্ষণীয় ঘটনা। প্রতিবছর ফেব্রুয়ারির...
12/03/2026

২০২৬ সালের মহাকাশ গবেষণার ক্যালেন্ডারে গামা নরমিডস (Gamma Normids) উল্কাবৃষ্টি একটি আকর্ষণীয় ঘটনা।
প্রতিবছর ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে মার্চের শেষ পর্যন্ত এই উল্কাবৃষ্টি সক্রিয় থাকলেও, ২০২৬ সালে এর সর্বোচ্চ সক্রিয়তা বা পিক (Peak) দেখা যাবে ১৪ ও ১৫ই মার্চের রাতগুলোতে। মহাকাশ বিজ্ঞানের ভাষায় এই উল্কাবৃষ্টির উৎস বা রেডিয়েন্ট পয়েন্ট হলো দক্ষিণ আকাশের 'নরমা' (Norma) নক্ষত্রমণ্ডল। যদিও এটি মূলত দক্ষিণ গোলার্ধের আকাশ থেকে সবচেয়ে ভালো দেখা যায়, তবে বাংলাদেশসহ উত্তর গোলার্ধের নিম্ন অক্ষাংশের অঞ্চলগুলো থেকেও দিগন্তের নিচের দিকে তাকালে এই চমৎকার দৃশ্য উপভোগ করা সম্ভব।

২০২৬ সালের এই উল্কাবৃষ্টির অন্যতম বিশেষত্ব হলো চাঁদের অবস্থান। এই সময়ে চাঁদ থাকবে 'ওয়ানিং ক্রিসেন্ট' বা ক্ষীয়মাণ দশায় (প্রায় ১১-২৪% আলোকিত), যার ফলে আকাশে চাঁদের আলো খুব একটা বাধা সৃষ্টি করবে না। অন্ধকার ও পরিষ্কার আকাশ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় গড়ে প্রায় ৬টি উল্কা দেখা যেতে পারে। এই উল্কাগুলোর গতিবেগ সাধারণত মাঝারি থেকে দ্রুত (সেকেন্ডে প্রায় ৫৬ কিমি) হয়ে থাকে এবং মাঝে মাঝে অত্যন্ত উজ্জ্বল 'ফায়ারবল' তৈরি করে যা দেখার মতো এক দৃশ্য। যারা এটি পর্যবেক্ষণ করতে চান, তাদের জন্য পরামর্শ হলো শহরের কৃত্রিম আলো থেকে দূরে কোনো অন্ধকার জায়গায় গিয়ে দক্ষিণ দিগন্তের দিকে নজর রাখা। রাত ৩টার পর থেকে ভোরের ঠিক আগে পর্যন্ত সময়টি পর্যবেক্ষণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত।

আপনি যদি মহাকাশ নিয়ে কাজ করতে চান এবং বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন, তাহলে ১৪ই মার্চ দিবাগত রাত ৩টার পর থেকে ভোর পর্যন্ত সময়টি আপনার ডায়েরিতে টুকে রাখতে পারেন। আকাশ পরিষ্কার থাকলে আপনি দক্ষিণ-পূর্ব দিগন্তে নরমা নক্ষত্রমণ্ডলের কাছাকাছি এই উল্কাগুলোর বিচরণ দেখতে পাবেন।

সৌরজগতের বড় ভাই: বৃহস্পতি কেন এত বিশাল?বৃহস্পতি বা Jupiter-এর বিশালত্ব নিয়ে যখন আমরা কথা বলি, তখন সেটা কেবল বড় নয়, বরং অ...
08/03/2026

সৌরজগতের বড় ভাই: বৃহস্পতি কেন এত বিশাল?

বৃহস্পতি বা Jupiter-এর বিশালত্ব নিয়ে যখন আমরা কথা বলি, তখন সেটা কেবল বড় নয়, বরং অকল্পনীয় বড়! কল্পনা করুন, আমাদের পৃথিবী যদি একটা আঙুর হয়, তবে বৃহস্পতি হবে একটা বিশাল বাস্কেটবল! সৌরজগতের বাকি সব গ্রহকে যদি একসাথে জোড়া লাগানো হয়, তাও বৃহস্পতি তাদের চেয়ে আড়াই গুণ বড় থাকবে। কিন্তু কেন?

১. সুযোগের সঠিক ব্যবহার (The Early Bird Advantage): সৌরজগত যখন তৈরি হচ্ছিল (প্রায় ৪.৫ বিলিয়ন বছর আগে), তখন সূর্যের চারদিকে ধুলো আর গ্যাসের এক বিশাল চাদর ছিল। বৃহস্পতি ছিল প্রথম দিকের তৈরি হওয়া গ্রহ। সে সময় মহাকাশে প্রচুর পরিমাণে হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম গ্যাস ভেসে বেড়াচ্ছিল। বৃহস্পতি দ্রুত নিজের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি ব্যবহার করে সেইসব গ্যাস শুষে নিতে শুরু করে।

২. গ্যাসের দানব: পৃথিবীর মতো বৃহস্পতির কোনো শক্ত মাটি নেই। এর বেশিরভাগটাই গ্যাস দিয়ে তৈরি। যেহেতু গ্যাস অনেক জায়গা দখল করে, তাই বৃহস্পতি হু হু করে বাড়তে থাকে। সে মূলত সূর্য থেকে বেঁচে যাওয়া অবশিষ্ট উপাদানের সিংহভাগ নিজেই দখল করে নিয়েছিল।

৩. "ব্যর্থ" নক্ষত্র?
অনেকে বৃহস্পতিকে বলেন 'Failed Star' বা ব্যর্থ নক্ষত্র। কারণ, এর উপাদানগুলো অনেকটা সূর্যের মতোই (হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম)। বৃহস্পতি যদি গঠনের সময় আরও ৮০ গুণ বেশি বড় হতে পারত, তবে এর ভেতরেও সূর্যের মতো আগুন জ্বলে উঠত এবং এটি একটি নক্ষত্রে পরিণত হতো!

৪. শক্তিশালী মাধ্যাকর্ষণ: বিশাল ভরের কারণে বৃহস্পতির মাধ্যাকর্ষণ শক্তি প্রচণ্ড। এই শক্তিশালী টানই তাকে দূর-দূরান্ত থেকে গ্যাস এবং ধুলিকণা টেনে নিজের দেহের সাথে আটকে রাখতে সাহায্য করেছে, যা তাকে সময়ের সাথে আরও বিশাল করে তুলেছে।

একটি মজার তথ্য: বৃহস্পতির ভেতরে প্রায় ১,৩০০টি পৃথিবী অনায়াসেই এঁটে যাবে! এটি এতই বড় যে, এটি আসলে আমাদের পুরো সৌরজগতের ভারসাম্য রক্ষা করে তার মাধ্যাকর্ষণ শক্তি দিয়ে অনেক বিপদজনক গ্রহাণুকে (Asteroids) পৃথিবীর দিকে আসতে দেয় না।

#মহাকাশ

চাঁদ কেন মাঝে মাঝে দানবীয় বড় দেখায়?কখনো কি খেয়াল করেছেন, যখন চাঁদ মাত্র পাহাড় বা ঘরের পেছন দিয়ে উঁকি দেয়, তখন তাকে দেখতে...
05/03/2026

চাঁদ কেন মাঝে মাঝে দানবীয় বড় দেখায়?
কখনো কি খেয়াল করেছেন, যখন চাঁদ মাত্র পাহাড় বা ঘরের পেছন দিয়ে উঁকি দেয়, তখন তাকে দেখতে একদম বিশাল একটি ফুটবল বা বড় থালার মতো লাগে? কিন্তু কিছুক্ষণ পর যখন সে আকাশের মাঝখানে চলে যায়, তখন তাকে আবার ছোট দেখায়?
এর পেছনে লুকিয়ে আছে আমাদের চোখের আর মস্তিষ্কের একটি মজাদার খেলা!

১. (The Comparison Game)
মনে করুন, আপনার কাছে একটি আপেল আছে। আপেলটি কে যদি একটি পিঁপড়ার পাশে রাখা হয়, দেখবেন আপেলটিকে অনেক বড় মনে হবে। কিন্তু সেই একই আপেল যদি একটি হাতি বা বড় ট্রাকের পাশে রাখা হয়, তবে তাকে ছোট মনে হবে।
=> দিগন্তের কাছে: চাঁদ যখন গাছের সারি বা ছোট ছোট বাড়ির পাশে থাকে, তখন আমাদের মস্তিষ্ক ভাবে, "আরে! ঘরগুলোর চেয়েও চাঁদটা বড়!" তাই একে অনেক দানবীয় মনে হয়।
=> আকাশের মাঝখানে: যখন চাঁদ একলা আকাশে থাকে, তার পাশে তুলনা করার মতো আর কিছু থাকে না। তখন বিশাল আকাশের তুলনায় চাঁদকে ছোট্ট মনে হয়।

২. চোখের ধাঁধা (The Brain Trick)
আসলে চাঁদ কিন্তু বড় বা ছোট হয় না। এটি কেবল আমাদের চোখের একটি ধাঁধা বা ইলিউশন।
একটি মজার পরীক্ষা: চাঁদ যখন খুব বড় দেখাবে, তখন একটি কাগজ গোল করে পাইপের মতো বানান। সেই পাইপ দিয়ে চাঁদটিকে দেখার চেষ্টা করুন। দেখবেন হুট করেই চাঁদটি আবার ছোট হয়ে গেছে! কারণ তখন তোমার চোখ শুধু চাঁদকেই দেখছে, পাশের গাছ বা ঘরবাড়ি নয়।

৩. সুপারমুন: যখন চাঁদ সত্যি কাছে আসে
সবসময় কিন্তু চোখের ভুল নয়! মাঝে মাঝে চাঁদ সত্যিই আমাদের একটু কাছে চলে আসে। চাঁদ যে পৃথিবীকে কেন্দ্র করে একটি নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরছে তা একদম গোল নয়, কিছুটা ডিমের মতো। তাই কখনো সে দূরে যায়, আবার কখনো কাছে আসে। যখন সে পৃথিবীর একদম কাছে চলে আসে, তখন তাকে সাধারণ সময়ের চেয়ে একটু বেশি উজ্জ্বল আর বড় দেখায়। একে আমরা বলি 'সুপারমুন'। আর এই কারণেই সুপারমুন দেখতে অনেক উজ্জ্বল আর বড় দেখায়।

#মহাকাশ #বিজ্ঞান

২০২৬ সালের ৩ মার্চ একটি পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ (Total Lunar Eclipse) হতে যাচ্ছে। বিষয়টি মহাকাশপ্রেমীদের জন্য অত্যন্ত রোম...
01/03/2026

২০২৬ সালের ৩ মার্চ একটি পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ (Total Lunar Eclipse) হতে যাচ্ছে। বিষয়টি মহাকাশপ্রেমীদের জন্য অত্যন্ত রোমাঞ্চকর হলেও, বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটি খারাপ খবর হলো বাংলাদেশ থেকে এই পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণটি দেখা যাবে না। কেন? সেই বিষয়টি নিয়েই নিচে আলোচনা করা হলো। আমরা জানি যে পৃথিবী যখন ঠিক সূর্য আর চাঁদের মাঝখানে চলে আসে, তখন পৃথিবীর বিশাল ছায়া গিয়ে পড়ে চাঁদের ওপর। এই মহাজাগতিক ঘটনাটিই হলো চন্দ্রগ্রহণ। ৩ মার্চের এই বিশেষ দিনে চাঁদ পুরোপুরি পৃথিবীর ছায়ার গভীরে (যাকে বৈজ্ঞানিক ভাষায় 'Umbra' বলা হয়) হারিয়ে যাবে। এর ফলে চাঁদ একেবারে অদৃশ্য হয়ে যায় না, বরং পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল দিয়ে চুইয়ে আসা সূর্যের লাল আলো চাঁদের গায়ে প্রতিফলিত হয়ে তাকে এক মায়াবী তাম্রবর্ণ বা 'ব্লাড মুন' (Blood Moon)-এ পরিণত করবে। আর এটি উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা, পূর্ব এশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ার মানুষ এই অপার্থিব সৌন্দর্যের সাক্ষী হতে পারবেন।

কিন্তু বাংলাদেশ থেকে এটি দেখা যাবেনা কেন?
এর প্রধান কারণ হলো সময়ের পার্থক্য। যখন এই গ্রহণটি ঘটবে, বাংলাদেশে তখন দিনের বেলা। সূর্য দিগন্তের ওপরে থাকায় এবং চাঁদ দিগন্তের নিচে থাকায় আমাদের আকাশ থেকে এই দৃশ্য উপভোগ করার কোনো সুযোগ নেই। আচ্ছা বিষয়টি একটি বাস্তব উদাহরণ দিয়ে আর ভালো ভাবে বোঝা যাক:

মনে করুন, আপনি একটি বিশাল স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে বসে খেলা দেখছেন। মাঠের মাঝখানে একটি বড় স্ক্রিনে দারুণ একটি মুভি দেখানো হচ্ছে। কিন্তু আপনার বসার জায়গাটি এমন এক কোণায় যে, আপনার সামনে একটি বিশাল দেয়াল বা পিলার বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। মুভিটি কিন্তু ঠিকই চলছে, স্টেডিয়ামের অন্য পাশের দর্শকরা সেটি দেখে হাততালিও দিচ্ছে, কিন্তু আপনার পজিশন বা 'লোকেশন' ভুল হওয়ার কারণে আপনি সেটি দেখতে পাচ্ছেন না।
চন্দ্রগ্রহণের ক্ষেত্রেও ঠিক তাই ঘটে। পৃথিবী যেহেতু গোল এবং এটি নিজের অক্ষের ওপর ঘুরছে, তাই গ্রহণের সময় পৃথিবীর যে অংশটি চাঁদের দিকে মুখ করে থাকে (অর্থাৎ যেখানে তখন রাত), শুধুমাত্র তারাই গ্রহণ দেখতে পায়। ৩ মার্চ যখন গ্রহণ চলবে, তখন পৃথিবীর অন্য প্রান্ত চাঁদের দিকে মুখ করে থাকবে, আর আমাদের বাংলাদেশ থাকবে সূর্যের দিকে (অর্থাৎ দিন)। পৃথিবী নামক 'বিশাল দেয়ালটি' আমাদের আর চাঁদের মাঝখানে বাধা হয়ে দাঁড়াবে। ফলে গ্রহণ চলাকালীন চাঁদ আমাদের দিগন্তের নিচে থাকায় আমরা তা দেখতে পাব না।

চন্দ্রগ্রহণ কি ? চন্দ্রগ্রহণ কে আপনি মহাকাশে এক ধরনের ছায়ার খেলাও বলতে পারেন। এটি তখন ঘটে যখন সূর্য এবং চাঁদের মাঝখানে প...
28/02/2026

চন্দ্রগ্রহণ কি ?

চন্দ্রগ্রহণ কে আপনি মহাকাশে এক ধরনের ছায়ার খেলাও বলতে পারেন। এটি তখন ঘটে যখন সূর্য এবং চাঁদের মাঝখানে পৃথিবী চলে আসে। এর ফলে সূর্যের আলো সরাসরি চাঁদে পৌঁছাতে পারে না এবং পৃথিবীর বিশাল ছায়া চাঁদের ওপর গিয়ে পড়ে। এই ঘটনাটি শুধু পূর্ণিমা (Full Moon) তিথিতেই ঘটতে পারে, কারণ তখনই সূর্য, পৃথিবী এবং চাঁদ মহাকাশে এক সরলরেখায় অবস্থান করে। সূর্যগ্রহণের সময় যেমন আমরা বিশেষ চশমা ব্যবহার করি, চন্দ্রগ্রহণ দেখার জন্য তেমন কোনো বাড়তি সতর্কতার প্রয়োজন হয় না; এটি খালি চোখেই নিরাপদে দেখা যায়।
মহাকাশ বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে চন্দ্রগ্রহণ মূলত তিন ধরনের হয়ে থাকে:

১. পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ (Total Lunar Eclipse): এটি সবচেয়ে আকর্ষণীয় ঘটনা। যখন চাঁদ পুরোপুরি পৃথিবীর গভীর ছায়ার (Umbra) ভেতরে চলে যায়, তখন তাকে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ বলে। এই সময় চাঁদ পুরোপুরি অন্ধকার হয়ে যায় না, বরং পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল থেকে প্রতিসরিত সূর্যের লাল আলো চাঁদের ওপর পড়ে তাকে তামাটে বা লাল রঙের দেখায়। একে অনেক সময় 'ব্লাড মুন' বলা হয়।

২. আংশিক চন্দ্রগ্রহণ (Partial Lunar Eclipse): যখন সূর্য, পৃথিবী এবং চাঁদ পুরোপুরি এক সরলরেখায় থাকে না, তখন পৃথিবীর ছায়া চাঁদের মাত্র একটি অংশের ওপর পড়ে। দেখে মনে হয় যেন চাঁদের এক পাশ থেকে কেউ কামড় দিয়ে এক টুকরো নিয়ে গেছে। চাঁদের বাকি অংশটি স্বাভাবিক উজ্জ্বলই থাকে।

৩. উপছায়া চন্দ্রগ্রহণ (Penumbral Lunar Eclipse): এটি খুব সূক্ষ্ম এক ধরনের গ্রহণ। পৃথিবীর মূল ছায়ার চারপাশে একটি হালকা ছায়া থাকে, যাকে 'পেনাম্ব্রা' বা উপছায়া বলা হয়। চাঁদ যখন এই হালকা ছায়ার ভেতর দিয়ে যায়, তখন তাকে উপছায়া চন্দ্রগ্রহণ বলে। এই সময় চাঁদ খুব সামান্য অন্ধকার বা ঝাপসা দেখায়, যা সাধারণ চোখে খালি হাতে বোঝা বেশ কঠিন।

চাঁদ কি আসলেই নিজে আলো দেয়?রাতের আকাশে আমরা যে রূপালি ঝিলমিলে চাঁদ দেখি, তা দেখে মনে হতে পারে চাঁদ বুঝি প্রকাণ্ড কোনো লা...
26/02/2026

চাঁদ কি আসলেই নিজে আলো দেয়?

রাতের আকাশে আমরা যে রূপালি ঝিলমিলে চাঁদ দেখি, তা দেখে মনে হতে পারে চাঁদ বুঝি প্রকাণ্ড কোনো লাইট বাল্ব!
উত্তর হলো: না। চাঁদের নিজস্ব কোনো আলো নেই। তাহলে ওটা কি? চাঁদ আসলে একটা বিশাল আয়নার মতো কাজ করে। সূর্যের আলো যখন চাঁদের অন্ধকার পৃষ্ঠের ওপর পড়ে, তখন চাঁদ সেই আলো প্রতিফলন (Reflect) করে আমাদের দিকে পাঠিয়ে দেয়। সহজ কথায়, আমরা যেটাকে 'জোছনা' বা চাঁদের আলো বলি, তা আসলে ধার করা 'সূর্যের আলো'।
মজার তথ্য:
চাঁদ তার ওপর পড়া সূর্যালোকের মাত্র ৭% থেকে ১২% প্রতিফলন করে। অর্থাৎ চাঁদ যতটা উজ্জ্বল দেখায়, আসলে এটি তার চেয়েও অনেক বেশি অনুজ্জ্বল এবং অন্ধকার একটি বস্তু!

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when CosmoBangla posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share