15/06/2026
নারীর শত্রু সব সময় পুরুষ নয়; এদেশে অনেক নারীও পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার সবচেয়ে বিশ্বস্ত বাহক হয়ে ওঠেন- এরা পুরুষের চেয়েও বড় পুরুষতান্ত্রিক পোষা পালিত মানুষ। তারা নিজেরাই অন্য নারীর অধিকার, স্বাধীনতা ও মর্যাদার বিরুদ্ধে অবস্থান নেন- জুলুম করে। এই ব্যাধি পরিবার থেকে সমাজে এখন সংসদ পর্যন্ত চলে গেছে।
সংসদে বিরোধীদলীয় নারী এমপিদের হিজাব নিয়ে কটাক্ষ করা হলে, নারী সদস্যরাও হাততালি দিয়ে সেই বিদ্রূপকে সমর্থন করেন, তাহলে সেটি শুধু একটি ধর্মীয় পোশাকে অপমান করা নয়- সমগ্র নারীসমাজের মর্যাদাকেই ছোট করা। কে হিজাব পড়বে কে শাড়ি এটা নির্ধারণ করবে যে পড়বে সে নারী নিজে। এটা নিয়ে কোন গণতান্ত্রিক গন্ডার বিদ্রুপ মন্তব্য করতে পারেনা।
যে নারী অন্য নারীর অপমান দেখে নীরব থাকে, খুশি হয়, টেবিল থাপড়িয়ে সমর্থন দেন বা তাতে আনন্দ খুঁজে পায়, সে কেবল একজন দর্শক নয়; সে বৈষম্যের সংস্কৃতির অংশীদার।
নারীর মুক্তির সবচেয়ে বড় শত্রু নারী নয়, বরং সেই মানসিকতা- যে মানসিকতা নারীকে নারীর প্রতিপক্ষ বানিয়ে রাখে। আর সেই মানসিকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করাই আজ সবচেয়ে জরুরি। - ওমর অক্ষর
02/06/2026
প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়ার অ্যাকশন খুব ভালো লেগেছে-
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এবং ৫ জন কর্মকর্তার মশা নিধনের উপায় শিখতে ফ্লোরিডা (যুক্তরাষ্ট্র) যাওয়ার আবেদন করেছিলেন। সে প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী বাতিল করে- প্রস্তাব পত্রের লিখে দিয়েছেন-
"বিদেশে গিয়ে মশা মারা শেখার প্রয়োজন নেই; বরং দেশের জমে থাকা পানির ড্রেনে সন্ধ্যাবেলা ২-৩ ঘণ্টা বসে থাকলেই মশার উদ্ভাবনী সমাধান বের করা সম্ভব।" 😂
আরেকটি ভালো কাজ হল শোনা যাচ্ছে যে- শিলং মন্ত্রীকে বিশেষ আইনি ধারায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থেকে অব্যাহতি দিচ্ছেন- এই খবর এখনো প্রকাশিত হয়নি। কিন্তু এই সবজান্তা সমীপেষুর জন্য দ্বারা উপদারায় বাঁশ রেড়ি। যে বাংলাদেশের লক্ষ্যে- আমরা তার পক্ষে।
01/06/2026
পল্লবীর শিশু রামিসা হ'ত্যা মামলা: আদালতে চাঞ্চল্যকর বক্তব্য, ‘ডলার’ ঘিরে নতুন বিতর্ক-
“আমি শুধু বাচ্চারে দুই টু'ক'রো করেছি।”
এই একটি বাক্য- যা শুনলে স্বাভাবিকভাবেই যে কারও বুক কেঁপে উঠতে পারে।
রাজধানীর পল্লবীর ৮ বছরের শিশু রামিসা আক্তার হত্যা মামলায় আজ (১ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে চার্জ গঠন করা হয়েছে। বিচারক মাসরুর সালেকীন দুই আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। আগামীকাল মঙ্গলবার (২ জুন) মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে।
চার্জ গঠনের সময় আদালত কক্ষে ও বাইরে একাধিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়।
আসামিপক্ষের রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমুল্লাহ আদালতে আবেদন জানিয়ে বলেন, তদন্ত তড়িঘড়ি করে সম্পন্ন করা হয়েছে এবং মামলায় কোনো প্রত্যক্ষদর্শী নেই। তবে আদালত ওই আবেদন নাকচ করে চার্জ গঠন কার্যক্রম এগিয়ে নেন।
চার্জ পড়ে শোনানোর পর আসামি সোহেল রানা কথা বলতে চাইলে আদালত তাকে অনুমতি দেননি। পরে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ পড়ার সময় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। বিচারকের প্রশ্নে- তিনি নিজেকে দোষী মনে করেন কি না- স্বপ্না কাঁদতে কাঁদতে স্বামীর দিকে তাকিয়ে বলেন, “তুমি বলো আমি দোষী কি না?”
পরবর্তীতে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে সোহেল রানা আইনজীবীদের উদ্দেশে বলেন, “আমি ধ'র্ষ'ণ করি নাই, শুধু লা'শ কে'টে'ছি। ধ'র্ষ'ণ করেছে #ডলার নামে একজন।”
আদালত থেকে বের হওয়ার সময় প্রিজন ভ্যানে উঠতে উঠতে সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি আরও চিৎকার করে বলেন, “মিরপুর-১১ নম্বর লাইনে ডলারের বাড়ি। ধ'র্ষ'ণও ডলার করেছে, মা'র'ছেও ডলার। ডলার আমাকে দুই লাখ টাকা দিয়েছে। আমার কোনো DNA টেস্ট নেয়নি। আমি শুধু বা'চ্চা'রে দু'ই টু'ক'রো করেছি।”
এদিকে এই বক্তব্য ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে ‘ডলার’ নামের ব্যক্তিকে নিয়ে।
চার্জশিটে ‘ডলার’ নামে কোনো ব্যক্তির উল্লেখ নেই। তদন্ত কর্মকর্তাও এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে এর আগে ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সোহেল রানা হ'ত্যা'র কথা স্বীকার করেছিলেন, যা মামলার নথিতে রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, পল্লবীর মিল্লাত ক্যাম্প এলাকায় ‘ডলার’ নামে একজন মা'দ'ক ব্যবসায়ীর পরিচিতি রয়েছে। তবে আলোচিত ওই ব্যক্তি এবং আদালতে উল্লিখিত ‘ডলার’ একই ব্যক্তি কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
এ বিষয়ে Special PP আজিজুর রহমান দুলু বলেন, বিষয়টি “matter of trial”- বিচার চলাকালীন সাক্ষ্য ও প্রমাণের মাধ্যমে তা নির্ধারিত হবে।
এখন মূল প্রশ্নগুলোর উত্তর এখনও অমীমাংসিত-‘ডলার’ নামে সত্যিই কেউ আছে কি না, দুই লাখ টাকার কোনো লেনদেন হয়েছিল কি না, এবং DNA পরীক্ষা যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়েছে কি না?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর মিলবে আদালতের বিচার প্রক্রিয়াতেই।
তবে সমাজের সামনে বড় প্রশ্ন থেকে যায়- আমরা শুধু শাস্তি চাই, নাকি সত্য উদঘাটনসহ ন্যায়বিচার? - অক্ষর
01/05/2026
যারা বাপের খেয়ে নেতাদের পিছে শ্রম দেয়, গলা ফাটিয়ে স্লোগান দেয়, আর সমঝোতায় চাঁদা তোলে- নিজের পড়াশোনা বিসর্জন দিয়ে, নেতার ছেলে-মেয়েদের বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দেয়। সেই নিবেদিত প্রাণ ফুটফুটে সুন্দর ভাইদের প্রতি #শ্রমিক #দিবসের শুভেচ্ছা।
05/04/2026
#আইনে কোনো কিছুর #সংস্কার না করলেও, একটা জিনিস আইন করা খুবই জরুরি। পরবর্তীতে #বিপ্লব হলে, নেপাল-এর মতো সম্মানিত মন্ত্রীদের পানিতে চোবানো এবং রাস্তায় এলোপাথাড়ি লাথি যেন কেউ না দিতে পারে। এই আইনটা জরুরী তা না হলে জে-এনজি'রা লাথি দিতে দিতে বলবে এটা আইনে নাই।
- ছায়া সংসদ - Chaya Sangshad
14/03/2026
এই বেয়াদবদের বর্জন করা খুবই জরুরি।
এদের না থামালে সামনে বিপদ।
হাসনাত আব্দুল্লাহ, নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীরা যে নতুন ধরনের রাজনীতি শুরু করেছে, তা আমাদের বহু পুরনো ও সম্মানিত রাজনীতিবিদদের জন্য বেশ বিপজ্জনক ও অসম্মানজনক হয়ে উঠতে পারে।
🤔
ভাবুন তো, যদি সত্যিই জবাবদিহিতা আর সাহসিকতার এই রাজনীতি ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে আমাদের অনেক শ্রদ্ধেয় এমপি-নেতা হঠাৎ করেই বিপদে পড়বে। তিনারা এই সুন্দর রাজনৈতিকে তিলে তিলে রাজকীয় ব্যবসায়ী পরিণত করেছেন। আর এই ব্যবসায়ী যদি ধস নামে এই ব্যবসার সাথে জড়িতরা অনেকে বেকার হয়ে যাবেন। দেশে এমনিতেই বেকারের সংখ্যা কম নয়, তার উপর যদি এই নতুন বেকারদের দায়ভার যোগ হয়, তখন সেই দায় নেবে কে? এই হাসনাত আবদুল্লাহরা নিবে? তাদের তো নির্বাচন করতে টাকাও লাগে নাই, জনগণ টাকাও দিয়েছে ভোটও দিয়েছে। তাদের চুরি- চাঁদাবাজি না করলেও চলবে। কিন্তু হাজার হাজার লোকদের সাথে জড়িত তাদের পরিবারের কি হবে?
🙄
মাননীয় এমপিরা কোটি কোটি টাকা খরচ করে এমপি হয়েছেন জনগণকে জবাবদিহিতা দেওয়ার জন্য? তারা তো সরকারি দলের প্রতিনিধি। সরকারি প্রকল্পের টাকা যেমন ইচ্ছা খরচ করবেন, এতে আবার জবাবদিহিতা কেন থাকবে! ব্যাংকে কোটি কোটি টাকা ঋণ থাকার পরও আরও কোটি টাকা খরচ করে এমপি হয়েছেন- পরিবারের ভবিষ্যতের জন্যই তো। বিদেশে বাড়ি-গাড়ি থাকবে, ছেলে-মেয়েরা বিদেশে পড়াশোনা করবে- এতে তো দেশেরই সুনাম বাড়ে।
🤗
তারপর ধরুন, বিদেশ থেকে ত্রাণের খেজুর, দুম্বার মাংস বা নানা সামগ্রী আসে- এসব তো মানুষেরই জিনিস। মানুষ বলতে অবশ্যই আত্মীয়স্বজন, ঘনিষ্ঠজন, পরিচিতজন সবাই পড়ে। মাঝে মাঝে নিজেরাও একটু স্বাদ নিতে চাইতেই পারেন। এতে নতুন অল্প বয়সের এমপিদের এত জ্বালা কেন?
🙃
একটা ভালো কাজ অবশ্য হয়েছে- নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীকে ফেল করিয়ে দেওয়া গেছে। এই ছেলেটার সমস্যা ছিল, না হলে সংসদে হিসাব চেয়ে গ্যাঞ্জাম লাগিয়ে দিত। কঠিন হস্তে চাঁদাবাজ দমন করত। এভাবে চলতে দিলে সারা দেশে লাখ লাখ চাঁদাবাজ একদিন সত্যিই বেকার হয়ে যেত!
আরেকটা বড় চিন্তার বিষয় আছে। এলাকায় এলাকায় যারা রাজনীতিকে পেশা বানিয়ে বালুঘাট, অটোরিকশা, ফুটপাতের দোকান, নতুন বাড়ি বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের “চাঁদা” তুলে সংসার চালায়- তাদের ভবিষ্যৎ কী হবে? এলাকার এসব নেতারা তো কোনো কাজ শেখেনি, কোথাও চাকরি করে না। জীবনটাকে চাঁদা টেন্ডারবাজি করে রাজনীতিতে উৎসর্গ করে দিয়েছে। এসব আয়ের পথ যদি বন্ধ হয়ে যায়, বাইকে তেল ভরবে কেমনে? একবার ভাবছেন, কত পরিবার যে বিপদে পড়বে তার কোনো হিসাব আছে?
😉
তার উপর আবার হাসনাত আব্দুল্লাহ জনগণের সামনে বরাদ্দের হিসাব দিচ্ছেন, বিদেশি ত্রাণের খেজুর কে পেল, কোথায় খরচ হলো- এসব দেখাচ্ছেন। এগুলো যদি সত্যিই অভ্যাস হয়ে যায়, জবাবদিহিতার সংস্কৃতি যদি শুরু হয়ে যায়, তাহলে তো বড় বিপদ। জনগণ যদি একদিন সত্যি সত্যিই সবার কাছে সরকারি প্রকল্পের হিসাব চাইতে শুরু করে, তখন হিসাব দেবে কে? প্রকল্পের কিছু পারছেন যদি না চুরি করতে পারে চলবে কেমনে রাজনীতি? এরা কি এই রাজনীতির ধ্বংস করতে চায়?
🙃
অনেকেই তো এখনো মোবাইল ঠিকমতো চালাতে পারেন না- তারা হাসনাত আব্দুল্লাহর মতো স্মার্টলি ডিজিটাল মনিটরে দাঁড়িয়ে হিসাব বুঝিয়ে বলবেন কীভাবে! তখন জনগণ এই মুরুব্বীদের চটকানা দিবে না?
তাই দেশের শান্তি-শৃঙ্খলার স্বার্থেই মনে হয় এই নতুন তুর্কিদের থামানো দরকার। নইলে না জানি একদিন সত্যিই মানুষ জেগে উঠবে- ভয় ভেঙ্গে #চাঁদা ঘুষ দিয়া বন্ধ করে দিবে। আর তখন পরিস্থিতি সামলানো বড়ই কঠিন হয়ে যাবে। এই বেয়াদবদেরকে এখনই প্রতিরোধ করুন, তা না হলে ঘরে ঘরে একদিন বেয়াদব সৃষ্টি হবে।
কলমে [] Omar Akkhor
Nasiruddin Patwary Hasnat Abdullah #খেজুর_চুরি #চাঁদাবাজ
13/03/2026
“দুদকের করা ‘এতিমের টাকা মেরে খাওয়া’ মামলায় খালেদা জিয়া জেলে যান। আর তখন দুদকের চেয়ারম্যান ছিলেন সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। এমনি বললাম আর কি।”