মুফতি মুহাম্মাদ আবদুল মালেক সাহেবের ভক্তবৃন্দ

মুফতি মুহাম্মাদ আবদুল মালেক সাহেবের ভক্তবৃন্দ

Share

এই পেইজটি মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক সাহেবের ভক্তবৃন্দদের দ্বারা পরিচালিত

মুফতি মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক (জন্মঃ ১৯৬৯) বাংলাদেশের একজন ইসলামী ব্যক্তিত্ব। তিনি ঢাকার ইসলামী গবেষণামূলক উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মারকাযুদ্ দাওয়াহ আল ইসলামিয়ার উলূমুল হাদীস অনুষদ এবং রচনা ও গবেষণা বিভাগের প্রধান এবং মাসিক আলকাউসারের তত্ত্বাবধায়ক।[১][২] এছাড়াও তিনি ২০১২ সালে সরকারের গঠিত বাংলাদেশ কওমী মাদ্রাসা শিক্ষা কমিশনের সদস্য এবং হাদীসশাস্ত্রের বিশেষজ্ঞ গবেষক ও পণ্ডিৎ ব্যক্তিত্ব।[৩][৪]

তা

22/09/2025

কবুলিয়াতের প্রথম এবং শেষ শর্ত হচ্ছে ইখলাস। তালাবাদের উচিত তারা যখন ভর্তি ফরম পূরণ করে তখন ফরমের একটি ফটোকপি নিজেদের কাছে রেখে দেওয়া।

কারণ ফরমে যেসব শর্ত ও নিয়মনীতি থাকে সেগুলোর উপর দস্তখত করার পর তারা সেগুলো পূরণ করার উপর অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়ে যায়। যার ফলে সেগুলোর কোনোটা লঙ্ঘন করলে তা ওয়াদাভঙ্গের অন্তভুর্ক্ত হবে। অথচ কুরআনে ইরশাদ হয়েছে

‘নিশ্চয়ই প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে কৈফিয়ত তলব করা হবে।’
(বনী ইসরাঈল : ৩৪)

তালিবে ইলমরা যদি এ বিষয়টির প্রতি খেয়াল রাখে তো তারা সফলকাম হবে এবং ক্রমান্বয়ে উন্নতির দিকে এগিয়ে যেতে পারবে। পরিচালক যিনি থাকবেন তার উচিত হবে নিজেকে মাদরাসা এবং তালিবে ইলমদের খাদেম মনে করা, কখনো আত্মগরিমার শিকার না হওয়া।

তারপর বললেন, এটা বড় আশ্চর্যের বিষয় যে, সব মাদরাসার লোকেরাই বিজ্ঞাপন কেলেন্ডারে অত্যন্ত গর্বের সাথে একথা প্রচার করে যে,

”আমাদের মাদরাসায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মেহমানদের সংখ্যা এত!

বলুন তো মাদরাসাগুলোতে তালাবাদের সাথে একজন সাধারণ মেহমানের মতো আচরণও কি করা হয়?

আপনি যেরকম লেখেন তাদের সাথে সেরকম আচরণ করুন। ভালো তালীম, ভালো খাবার, ভালো পোশাক, ভালো বসার জায়গা, ভালো নিবাসের ব্যবস্থা করুন। ভালো তরবিয়তের ব্যবস্থা করুন। তাদেরকে মেহমানে রাসূলের মতো প্রাণের চেয়ে প্রিয় জানুন।

====================

হযরত হারদুঈ : যে শিক্ষাগুলো ব্যাপক হওয়া দরকার
মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক

09/09/2025

"ঈদে মিলাদুন্নবী" নিয়ে স্পষ্ট আলাপ জেনে নিন।
জাযাকুমুল্লাহ আহসানাল জাযা

06/09/2025

মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক সাহেব বলেন,

প্রচলিত জলসাজুলুস, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘ঈদে মীলাদুন্নবী’, এটা শুরু হয়েছে সপ্তম শতাব্দীতে।

প্রচলিত মীলাদের সমর্থকরাও স্বীকার করে যে, ইরবিল অঞ্চলের শাসক আবু সাঈদ মুযাফফারুদ্দীন (৫৪৯-৬৩০ হি.) হচ্ছে মীলাদের প্রবর্তক। এ জন্যই হুঁশ-জ্ঞান আছে এমন ব্যক্তিমাত্রই মীলাদের পক্ষে লিখতে গিয়ে প্রথমেই এটি বিদআত হওয়া স্বীকার করে নেয়। এরপর একে বিদআতে হাসানা বলে জান বাঁচানোর চেষ্টা করে। মোটকথা বিষয়টি বিদআত ও নব উদ্ভাবিত হওয়ার ব্যাপারে কারো দ্বিমত নেই।

মীলাদের প্রচলনকালে এর সমর্থকরা এমন একটি কথা চালু করেছিল যার দ্বারা এর হাকীকত একদম স্পষ্ট হয়ে যায়। কথাটি হল,
‘যখন ক্রশধারীগণ অর্থাৎ খৃস্টান জাতি তাদের নবীর জন্ম-রজনীকে বড় ঈদ সাব্যস্ত করেছে তখন মুসলিম জাতি তো তাদের নবীর সম্মানের অধিক হক্বদার’।

-আততিবরুল মাসবুক, সাখাভী পৃ. ১৪; আননি’মাতুল কুবরা (মাখতুত)

হিন্দুস্তানের মশহুর মৌলভী আব্দুছ ছামী রামপুরী ‘আনওয়ারে ছাতিআ’ নামক ‘কেতাবের’ ১৭০ নং পৃষ্ঠায় স্বীকার করেছেন যে,
ভারত উপমহাদেশে খৃষ্টান ইংরেজরাই ১২ই রবীউল আউয়ালকে মীলাদুন্নবী নির্ধারণ করেছিল এবং ওই দিনে তারা ছুটি ঘোষণা করেছিল।

মীলাদ অনুষ্ঠানের ইতিহাস প্রসঙ্গে উপরোক্ত দু’টি স্বীকারোক্তির পর এ বিষয়ে আর কী বলার থাকে? তবু জেনে রাখা দরকার যে, মীলাদ পন্থীদের সমর্থিত অনুষ্ঠানের আদিরূপ ছিল এই-

১. মীলাদের তারিখে একস্থানে সমবেত হওয়া

২. কুরআনে কারীম থেকে তেলাওয়াত করা

৩. বিশুদ্ধ বর্ণনার ভিত্তিতে নবীর জন্মবৃত্তান্ত আলোচনা করা

৪. তবারক ও আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা।

[আলহাভী লিলফাতাওয়া; সুয়ূতী ১/২৫১]

বলাবাহুল্য যে, এখানে প্রথমটিকে বাদ দিলে, অন্য তিনটাতে আপত্তির কিছু ছিল না, কিন্তুু বর্তমানে তা বাড়াবাড়ির এমন পর্যায়ে পেঁৗছেছে যা চক্ষুষ্মান সকলেই দেখতে পাচ্ছেন। এ অবস্থায় এটি অবশ্য বর্জনীয় হওয়ার ব্যাপারে মীলাদ প্রেমিকদের পক্ষেও দ্বিমত প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

--------------------------------------
মওলুদখানী, হক্ব আদায়ের না-হক পন্থা, ইতিহাস ও বর্ণনার সঠিক পর্যালোচনা
মাসিক আল কাওসার
সফর ১৪২৮ || মার্চ ২০০৭

04/09/2025

#এডমিন_পোস্ট
"আমি জানি আপনি এই দাবির আন্দোলনে যেতে পারেননি"
"আমি জানি আপনি কাজের ব্যস্ততায় খেয়াল ও করেননি"
"আমি জানি আপনি এই কাজের চাপে এটাও জানেননা যে আপনার সন্তান কতটা নাজুকভাবে বড় হচ্ছে"
"আমি জানি আপনি আপনার সন্তানকে ভালবাসেন"
"আমি এও জানি আপনি আখিরাতমুখি"
"আমি এও জানি যে আপনি বিপদে পড়লে আল্লাহ তায়ালাকেই স্মরন করেন"
"আমি এও জানি আপনি চান কমপক্ষে আপনার সন্তান যেন আপনার জন্য দোয়া করে কবরে চলে গেলে"
তাহলে স্কুলে ইসলামী শারিয়াহ এর শিক্ষা চালু ও শিক্ষক নিয়োগের দাবি করুন।
এটা আপনার হক। নাগরিক অধিকার।

02/09/2025

মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক সাহেব বলেন,

রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র সীরাতের চর্চার বিভিন্ন পন্থা রয়েছে।

এক. নিজের জীবন ও কর্ম, কথা ও কাজ, চরিত্র ও আচরণ, মোটকথা, জীবনের প্রতিটি অংশকে রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদর্শে গড়ে তোলা এবং চিন্তা ও অনুভূতিকে তাঁর সুন্নতের আলোকে আলোকিত করা।

দুই. তাঁর শিক্ষা ও তাঁর সুন্নতের পঠন-পাঠন ও প্রচার-প্রসারের প্রতি মনোযোগী হওয়া। এর একটি ধারা হল কুরআন ও হাদীসের শিক্ষাকে সমাজে ব্যাপক থেকে ব্যাপকতর করার প্রচেষ্টা গ্রহণ করা এবং দ্বীনী গ্রন্থাদির শিক্ষাদানের ব্যবস্থা অবলম্বন করা, যেগুলো কুরআন সুন্নাহর আদেশ-নিষেধ, বিধিবিধান ও ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ উপস্থাপনের উদ্দেশ্যে রচিত ও সংকলিত হয়েছে। আর দ্বিতীয় ধারা হল, দাওয়াত-তাবলীগ, ওয়াজ-নসীহত এবং এ জাতীয় অন্যান্য পন্থায় এগুলোকে ব্যাপকতর করার চেষ্টা করা।

তিন. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের গুণ ও বৈশিষ্ট্য এবং জীবন ও চরিত্র অধিক পরিমাণে আলোচনা করা। তা হতে পারে ব্যক্তি পর্যায়ে, ঘরোয়া পর্যায়ে এবং সামজিক পর্যায়ে। মোটকথা, নিজের ও অন্যের অন্তরে তাঁকে সমুজ্জ্বল করে তোলার জন্য তাঁর আলোচনার বারংবার পুনরাবৃত্তি জরুরি।

সীরাতচর্চার এই সবগুলো পন্থাই অনুসরণীয়। সালাফে সালেহীন-সাহাবা, তাবেয়ীন, তাবেতাবেয়ীন, আইম্মায়ে হুদা এবং পরবর্তী যুগের আকাবির ও মাশাইখ সবাই উপরোক্ত সকল পন্থা অবলম্বন করেছেন। এজন্য তাঁদের প্রতিটি মজলিস ও মাহফিল ছিল কোনো না কোনো পর্বে নবী জীবনের চরিত্রের নূরানী আলোচনায় নূরান্বিত। এবং তাঁদের প্রতিটি আচরণ ও উচ্চারণ ছিল সীরাতের জ্ঞান ও অন্তর্জ্ঞান লাভের উদ্দেশ্যে নিবেদিত।

--------------------------------------
মওলুদখানী, হক্ব আদায়ের না-হক পন্থা, ইতিহাস ও বর্ণনার সঠিক পর্যালোচনা
মাসিক আল কাওসার
সফর ১৪২৮ || মার্চ ২০০৭

01/09/2025

মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক সাহেব বলেন,

তবলীগী বিশ্ব ইজতিমার বৈশিষ্ট্য ও ফলাফল সম্পর্কে চিন্তাভাবনা করলে অনেকগুলো শিক্ষণীয় বিষয় বের হয়ে আসে। যথা :

১. অসংখ্য সৌভাগ্যবান ব্যক্তি এমন থাকেন যারা এই তিন দিনের ইজতিমায় অংশগ্রহণ করেন। এরপর সেখান থেকেই চিল্লা, তিন চিল্লার জন্য বের হয়ে যান। এই সামান্য সময়ের মেহনতের মাধ্যমে তাদের জীবনে আমূল পরিবর্তন আসে। অন্তত এটুকু তো অবশ্যই হয়ে থাকে যে, তাদের মধ্যে নিজেদের সংশোধনের চিন্তা এবং ইবাদাত ও অন্যান্য জরুরি নেকআমলের জন্য সময় বের করার মানসিকতা সৃষ্টি হয়। এদের এই পরিবর্তন দেখে তাদের সঙ্গী ও সহকর্মীদের ঈর্ষা হওয়া উচিত, এবং এই চিন্তা আসা উচিত যে, আমরাও কেন তাদের মতো কিছু সময় বের করে নিজেদের জীবন ও কর্মকে সজ্জিত করছি না।

২. অনেক দ্বীনদার মানুষ তাদের পরিবারের কোনো সদস্য, কোনো আত্মীয়, কিংবা কোনো প্রতিবেশীর ব্যাপারে চিন্তিত থাকেন। তাদের কীভাবে দ্বীনদার বানানো যায় এর কোনো সহজ পদ্ধতি তারা খুজে পান না। তারা এই সহজ ব্যবস্থাটি পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। যদি বুঝিয়ে শুনিয়ে কোনোভাবে তাদেরকে এই কাজে বের করা যায় তবে এটা সমস্যার একটি সহজ সমাধান এবং পরীক্ষিত ব্যবস্থা।

৩. যাদের অন্তরে এই বদ্ধমূল ধারণা রয়েছে যে, বাজেট ছাড়া কোনো বড় কাজ সম্পন্ন হতে পারে না এবং প্রচার-প্রচারণা ও আধুনিক প্রচার মাধ্যম ব্যবহার করা ছাড়া কোনো বৃহৎ ইজতিমায়ী কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব নয়, তারা এই ইজতিমা থেকে শিক্ষা নিতে পারেন। কাজের মূল শর্ত ইখলাস, ইত্তেবায়ে সুন্নত, ইনাবত ইলাল্লাহ বা আল্লাহঅভিমূখী হওয়া আর আসল জিনিস হল, আল্লাহ তাআলার মদদ ও নুসরত। এটি হাসিল হলে অন্য সব উপকরণ ‘মিন হাইছু লা ইয়াহতাসিব’ অকল্পনীয়ভাবেই ব্যবস্থা হয়ে যায় এবং বিনা চাওয়ায় দ্বীনী উদ্দেশ্য হোক বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে, অনেক মানুষ, অনেক রাজনৈতিক দল ও প্রতিষ্ঠান, বরং সর্বশ্রেণীর মানুষ ও ক্ষমতাসীন ব্যক্তিবর্গ এর ব্যবস্থাপনাগত সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত হয়ে যায়। যদিও যে সব ব্যক্তি বা দল এ ধরনের দ্বীনী কাজের সহযোগিতায় কোনো দুনিয়াবী উদ্দেশ্যে, বিশেষত রাজনৈতিক স্বার্থে অগ্রসর হয়, তাদের দুনিয়াও বরবাদ আখেরাতও বরবাদ।

৪. এত বড় ইজতিমার প্রস্তুতির জন্য স্বতঃস্ফূর্ত খেদমত প্রদানকারীদের পরিশ্রম ও আন্তরিকতা এবং এত বড় ইজতিমা শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকার অন্তর্নিহিত কারণ সম্পর্কে যদি ক্ষমতাসীন ব্যক্তিবর্গ চিন্তা ভাবনা করেন তবে তারা বুঝতে পারবেন, মানুষের অন্তরের উপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারাই আসল কর্তৃত্ব। আর এর একমাত্র পদ্ধতি ঈমান ও আমানত এবং ত্যাগ ও ন্যায়পরায়ণতা অর্জন করে ইনসান হওয়া এবং মানুষকে আল্লাহভীতির তালকীন করে তাদের মাঝে ইনসানিয়াতের রূহ ফুঁকে দেওয়া।

৫. সাধারণত মানুষ ইজতিমার বিশাল উপস্থিতি দ্বারা প্রভাবিত হয়। কেননা তারা বাহ্যদর্শনে অভ্যস্থ। কিন্তু কাজের সঙ্গে জড়িত প্রাজ্ঞজনদের দৃষ্টি থাকে অভ্যন্তরের দিকে। তারা বহ্যিক সংখ্যাধিক্য দেখেন না, দেখেন এর বৈশিষ্ট্য ও ফলাফল। তারা লক্ষ করেন, উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ এখান থেকে কী নিয়ে ফিরছেন। তাদের মধ্যে কতজন সময় লাগানোর জন্য তৈরি হলেন এবং সময় লাগানোর পর তাদের মধ্যে কী কী পরিবর্তন সূচিত হল। তাদের কর্ম, তাদের জীবন, তাদের লেনদেন, তাদের আকীদা এবং রুচি ও প্রকৃতি কতটুকু বিশুদ্ধ হল। দ্বীনের আগ্রহ সৃষ্টি হওয়ার পর দ্বীনী বুঝ অর্জন করার জন্য তারা আলেমদের শরনাপন্ন হন কি না? সময় লাগানো অবস্থায় উসূলের পুরোপুরি পাবন্দী না করার কারণে তাদের মধ্যে কোনো ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হয়েছে কি না এবং হয়ে থাকলে তার সংশোধনের কী পন্থা হতে পারে।

৬. যারা প্রজ্ঞাবান ব্যক্তিবর্গের এই সব অনুভূতির মানদণ্ডে নিজেদেরকে বিচার করেন এবং কাজের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করতে থাকেন তারাই এই কাজের উপকারিতা লাভ করতে সক্ষম হন। এ জন্য এই কাজের প্রতিষ্ঠাতা হযরত মাওলানা ইলিয়াস রহ.-এর মালফুযাত ও মাকতুবাত-এ উল্লেখিত নির্দেশনা ও নীতিমালা খুব বেশি বেশি চর্চা করা প্রয়োজন এবং তার সময়ের মত সফরে ইলম ও যিকিরের প্রতি খুব বেশি পরিমাণে মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন। ওয়াপেসীর পর কাজের সঙ্গে সর্ম্পক রাখার পাশাপাশি উলামায়ে কেরাম ও মাশায়েখে কেরামের সাহচর্য গ্রহণ করার প্রতিও মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন। হযরত রহ. এই বিষয়গুলোর প্রতি খুব তাকিদ করতেন।

অনেক মানুষ শুধু ইজতিমার মুনাজাতে অংশগ্রহণ করে থাকে। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে,কোনো দ্বীনী মাজমায় এ ধরনের উপস্থিতিরও ছওয়াব ও উপকারিতা রয়েছে, কিন্তু আসল কাজ হল পুরো তিনদিন বা সম্ভাব্য বেশি থেকে বেশি সময় ওখানে নেককার ব্যক্তিদের সংস্পর্শে কাটানো এবং উলামায়ে কেরামের বয়ান শুনে কাজের হাকীকত বোঝার চেষ্টা করা এবং নিজের মধ্যে দ্বীনের তলব ও সংশোধনের পিপাসা সৃষ্টি করা।

যাদের ব্যাপারে ধারণা করা হয় যে, তারা ইজতিমায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অংশগ্রহণ করেন যদি বাস্তবতা তাই হয় তবে তাদের খেদমতে আরজ থাকবে তারা যেন নিয়ত শুদ্ধ করে তাওবার নিয়তে সেখানে শরিক হন। হতে পারে এই ওসিলায় আল্লাহ তাআলা তাদের অন্তরে হেদায়েত ঢেলে দিবেন। ফলে তাদের জীবন লক্ষ্যে পৌঁছবে এবং বেরা পার হবে। আল্লাহ তাআলা বস্তুবাদী মানসিকতার বিনাশ করুন।

এই মানসিকতা ইসলামী ইবাদাত,নিদর্শন ও ইসলামী পরিভাষা ইত্যাদি সকল বিষয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যকে দাখিল করেছে। ফলে এখন অনেকের হজ্ব উমরা পালনও রাজনৈতিক হয়ে গেছে। বিভিন্ন দ্বীনী ইজতিমায় অংশ গ্রহণের উদ্দেশ্য রাজনৈতিক হচ্ছে এবং শহীদের বিভিন্ন প্রকারের মধ্যে এক নতুন প্রকার রাজনৈতিক শহীদও উদ্ভাবিত হয়েছে। আল্লাহ তাআলা সকল মুসলমানকে ইখলাস, ঈমান, আমানত ও তাকওয়া নসীব করুন এবং দ্বীনের নিদর্শনাদি বরং যে কোনো দ্বীনী আমলকে দুনিয়াবী স্বার্থ হাসিলের মাধ্যম বানানোর মানসিকতা থেকে রক্ষা করুন। আমীন।

--------------------------------------
একটি ব্যতিক্রমী ইজতিমা
মাসিক আল কাওসার
মুহাররম ১৪২৮ || ফেব্রুয়ারি ২০০৭

01/09/2025

মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক সাহেব বলেন,

হযরত মাওলানা ইলিয়াস রহ. কুরআন ও হাদীসের অনেক বড় মুহাক্কিক আলেম ছিলেন। তিনি ছিলেন হিন্দুস্তানের সর্বাধিক প্রসিদ্ধ দুই দ্বীনী শিক্ষাকেন্দ্র-দারুল উলূম দেওবন্দ ও মাজাহিরুল উলূম সাহারানপুর মাদরাসার ফসল। তিনি কিতাব ও সুন্নাহ গভীরভাবে অধ্যয়ন করেছেন। নবীচরিত ও সাহাবাচরিত ব্যাপকভাবে অধ্যয়নের পাশাপাশি তাঁদের জীবনের দাওয়াত অংশটি অত্যন্ত মনোযোগের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করেছেন।

পরবর্তী দায়ীগণের দাওয়াতের ইতিহাসও পড়েছেন। বড়দের সঙ্গে মশোয়ারা ও মতবিনিময় করেছেন। এরপর একটি কর্মপদ্ধতি প্রস্তুত করেছেন। কাজ আরম্ভ করে যতই সামনে অগ্রসর হয়েছেন ততই অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং কাজের মধ্যে মজবুতী এসেছে। তাঁর ব্যথিত হৃদয়ের আহাজারি ও আল্লাহর বান্দাদের প্রতি তাঁর দরদ আল্লাহ তাআলা কবুল করেছেন। ফলে তাঁর কাজ পুষ্পিত ও পল্লবিত হয়েছে।

আজ পর্যন্ত লক্ষ-কোটি মানুষ এই মেহনতের মাধ্যমে সিরাতে মুস্তাকীমের সন্ধান পেয়েছে। এরপর যে ব্যক্তি যে পরিমাণ উসূলের পাবন্দী করেছেন এবং হক্কানী উলামা মাশাইখের সঙ্গে নিজেকে সংযুক্ত রেখেছেন তিনি তত বেশি উন্নতি করতে সক্ষম হয়েছেন।

এই কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল, জিলাভিত্তিক দেশভিত্তিক তিনদিনের বাৎসরিক ইজতিমা। এই ইজতিমাগুলোতে মানুষকে তাজদীদে ঈমান তথা ঈমান পুনর্জীবিত করার প্রয়োজনীয়তা প্রসঙ্গে আলোচনা করা হয়। সীরাতে নববী ও হায়াতে সাহাবার ঘটনাবলি শোনানো হয় এবং এই বিষয়টির উপর গুরুত্বের সঙ্গে জোর দেওয়া হয় যে, কিছু সময়ের জন্য দুনিয়ার ব্যস্ততা থেকে মুক্ত হয়ে মসজিদের পরিবেশে নেককারদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে ঈমান ও আমলের সবক তাজা করা উচিত, যাতে দুনিয়ার ব্যস্ত-তার মাঝে থাকা অবস্থায়ও আল্লাহ তাআলার স্মরণ থেকে গাফেল না হওয়ার অনুশীলন হয়ে যায়। সময় বের করার জন্য তাশকীল করা হয়, যা এই কাজের প্রাণ।

এই ধরনের একটি ইজতিমা আমাদের দেশেও হয়ে থাকে, যা প্রতি বছরই যথানিয়মে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যা কেবল একটি দেশভিত্তিক ইজতিমার নয়; বরং বিশ্ব ইজতিমার রূপ গ্রহণ করেছে। এই ইজতিমাগুলো এবং এ ধরনের অন্যান্য দ্বীনী ইজতিমা, তা ইলম, আমল, দাওয়াত কিংবা ওয়াজ ও মোযাকারা যে লাইনেরই হোক না কেন সবগুলোর লক্ষ্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সেই শিক্ষার বাস্তবায়ন যার প্রতিধ্বনি মুয়ায রা.-এর নিন্মোক্ত কথায় বিদ্যমান রয়েছে।

তিনি তার সঙ্গীদের লক্ষ করে বলতেন,
“আমাদের সঙ্গে বস। কিছুক্ষণ ঈমান তাজা করি।”
-সহীহ বুখারী

--------------------------------------
একটি ব্যতিক্রমী ইজতিমা
মাসিক আল কাওসার
মুহাররম ১৪২৮ || ফেব্রুয়ারি ২০০৭

01/09/2025

মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক সাহেব বলেন,

“বর্তমান পৃথিবীতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা করার জন্য সংঘ, সংগঠন এবং সম্মেলনের কোনো অভাব নেই। দেশীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এত বেশি সভা-সমাবেশ ও সম্মেলন নিয়মিতভাবে কিংবা কোনো কারণে তাৎক্ষণিকভাবে অনুষ্ঠিত হয় যার হিসাব রাখাও অসম্ভব। যদি এগুলোর উদ্দেশ্য অন্তত মানুষের পার্থিব কল্যাণ ও উপকার সাধনও হত, তবুও একটা কথা হত।

কিন্তু বিষয়টি এমন নয়। এসব সম্মেলনের উদ্দেশ্যই হয়ে থাকে শক্তিমানের কতৃত্ব প্রতিষ্ঠা এবং দুর্বলের ক্ষতি সাধন। যেখানে সম্মেলন ও সংঘবদ্ধতার উদ্দেশ্য হওয়া উচিত কল্যাণের কাজে পরস্পর সহযোগিতা করা এবং অসহায় দুর্বলের সাহায্য করা সেখানে এসব সংগঠন ও সম্মেলনগুলোর উদ্দেশ্য হয়ে থাকে ঠিক এর উল্টো।

অর্থাৎ শক্তিমান জালিমদের প্রতি সমর্থন প্রদান করা এবং দুর্বল নিপীড়িতদের অসহায়ত্বকে দীর্ঘায়িত করা। আর তা এমনই সুক্ষ্ম কৌশলে যে, নিপীড়িতজনের ‘আহ’ করার কিংবা তার প্রতি কৃত অন্যায়কে অন্যায় হিসাবে অনুভব করারও পথ থাকবে না।

এটাই হল বর্তমান সময়ের সংঘ ও সংগঠনগুলোর কর্মনীতি। এসবের মধ্যে সৌভাগ্যবশত দু’একটি সংগঠন যদি এমন পাওয়া যায় যারা সেবামূলক মানসিকতা নিয়ে কাজ করে থাকে, তবে তাদেরও উদ্দেশ্য হয় কেবল মানুষের পার্থিব উন্নতি। অথচ এই উন্নতির সম্পর্ক শুধু মানুষের দেহের সঙ্গে। প্রশ্ন হয়, রক্ত-মাংসের এই দেহটাই কি মানুষ? তাহলে মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর মধ্যে পার্থক্য কী থাকল?

মনুষ্যত্বই তো মানুষের বৈশিষ্ট্য। আজ বস্তুবাদী মানসিকতা এবং অর্থ ও পদের লালসা এতটাই প্রবল হয়ে উঠেছে যে, প্রায় সকল মানুষই, বিশেষত ক্ষমতার মসনদে আসীন ব্যক্তিবর্গ মানুষের মনুষ্যত্ব বিকাশের এই মূল সমস্যাটির কথা একেবারে ভুলেই গেছেন। তাদের সকল চিন্তা-ভাবনা ও দৌড়-ঝাঁপ এই আসল সমস্যার বাইরেই আবর্তিত হয়। অথচ এই মনুষ্যত্বের সমস্যাই বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় সমস্যা।

এই সমস্যার যথার্থ সমাধান হওয়া ছাড়া কোনো জাতীয় ও আর্ন্তজতিক সমস্যার সমাধান তো দূরের কথা, কোনো সমাজিক, পারিবারিক বা ব্যক্তিগত সমস্যার সমাধানও সম্ভব নয়।”

--------------------------------------
একটি ব্যতিক্রমী ইজতিমা
মাসিক আল কাওসার
মুহাররম ১৪২৮ || ফেব্রুয়ারি ২০০৭

30/08/2025

আলহামদুলিল্লাহ হুজুরের বয়ান চলে এসেছে। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে কবুল করুন। ইনসাফ ফাউন্ডেশনের লিংক কমেন্টে দেওয়া আছে। আগ্রহীরা ফলো দিয়ে রাখতে পারেন।
জাযাকুমুল্লাহু আহসানাল জাযা।

25/08/2025

মুহতারাম আব্দুল মালেক সাহেব [দা:বা:] হুজুরের সবচেয়ে আন্তরিক বন্ধুবর হযরত মাওলানা আব্দুল গাফফার সাহেব [দা:বা:]। গত শনিবার ২৩-০৮-২০২৫ ইং তারিখে কৃষি ইন্সটিটিউটে INSAF Foundation এর কার্যক্রম ও পরিচিতি তুলে ধরেন। মুহতারাম আব্দুল মালেক সাহেব হুজুর তার বয়ানে বলেছেন "ইনসাফের বিষয়ে মুহতারাম আব্দুল গাফফার সাহেব যতটুকু বলেছেন এটাই যথেষ্ট আলহামদুলিল্লাহ"।
আসুন দেখি ইনসাফের পরিচয় কত চমৎকার করে হুজুর বললেন। আসুন দেখি ও শুনি।

Photos from মুফতি মুহাম্মাদ আবদুল মালেক সাহেবের ভক্তবৃন্দ's post 23/08/2025

''নারীর অধিকার ও মর্যাদাসহ সকল শ্রেণী, পক্ষ ও ব্যক্তির যথাযথ অধিকার পৌঁছে দেওয়াই ইসলামের শিক্ষা''

মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক
খতিব বায়তুল মোকাররম

আজকের আলোচনায় নারীর অধিকার, মর্যাদা বিষয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, অবশ্যই নারীদেরকে তাদের প্রাপ্য অধিকার, সম্মান ও নিরাপত্তা দেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের যত্নবান হতে হবে। এটাই ইসলামের শিক্ষা। আমাদের সমাজে এখন অধিকারের আলোচনা হয় একপাক্ষিক। এর ফলে অধিকার প্রদানের যে ভারসাম্য তা রক্ষা হয় না। এটা কাম্য নয়। ইসলামের শিক্ষা হলো, সকল পক্ষকেই তাদের অধিকার বুঝিয়ে দেয়া। কেবল শ্রমিক নয়, মালিকও অধিকার পাবে। কেবল নারী নয়, পুরুষও তার অধিকার পাবে। সকল পক্ষ ও ব্যক্তিকেই তার অধিকার বুঝিয়ে দিতে হবে। এছাড়াও ইনসাফ একটি শতভাগ ইসলামী সংস্থা। তাই অমুসলিমরাও তাদের শতভাগ অধিকার এখান থেকে বুঝে পাবে।
২৩ আগস্ট শনিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে নারীর মর্যাদা, নিরাপত্তা ও সচেতনতার জন্য গঠিত সংগঠন ইনসাফ ফাউন্ডেশন-এর আত্মপ্রকাশমূলক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কথাগুলো বলছিলেন জাতীয় মসজিদ বাইতুল মুকাররমের খতীব মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল মালেক।

এতে সভাপতিত্ব করেন ইনসাফ INSAF Foundation -এর সভাপতি বিশিষ্ট আলেম, সিনিয়র মুহাদ্দিস ও খতীব মুফতি মাহমুদুল হাসান। তিনি বলেন, কেবল ওলামায়ে কেরাম নন, সমাজের সকল শ্রেণী-পেশার ব্যক্তিবর্গকে নিয়েই আমরা নারীদের অধিকার মর্যাদা ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করতে চাই, গণমানুষকে সচেতন করতে চাই। ইনসাফ-এর পরিচিতিমূলক বক্তব্য প্রদান করেন বিশিষ্ট লেখক, সিনিয়র মুহাদ্দিস ও খতীব মাওলানা আব্দুল গাফফার। তিনি বলেন, নারীর মর্যাদা, নিরাপত্তা ও সচেতনতার জন্য এই প্রতিষ্ঠানটি গঠিত হয়েছে। নারীর অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় যা যা করা দরকার এই সংস্থার মাধ্যমে তা করতে আমরা সচেষ্ট থাকব।
"নারীর অধিকার ও মর্যাদা: বাস্তবতা ও আমাদের করণীয়" শীর্ষক প্রবন্ধ পাঠ করেন ইনসাফ-এর সাধারণ সম্পাদক শাইখুল হাদীস, লেখক ও গবেষক মাওলানা আবুল বাশার মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম। প্রবন্ধে তিনি বলেন, আজকের সমাজে বাবা কর্তৃক মেয়েকে আর্থিকভাবে বঞ্চিত করার ঘটনা বিচ্ছিন্ন কিছু নয়। যেই মা নিজ উদরে বহন করেছেন, বুকের অমৃত পান করিয়ে নির্ঘুম প্রতিপালন করেছেন, তিনিও পর্যন্ত সম্পত্তির বেলায় অনেকক্ষেত্রে পুত্রঘেষা। আর বোনের ন্যায্য অধিকার বুঝিয়ে দেওয়ার বেলায় তার প্রিয় সহোদরদের আমরা কেমন জায়গায় দেখছি? অনেক ক্ষেত্রে ঘটছে শারীরিক সহিংসতা। আজ এটা এক লোমহর্ষক বাস্তবতা! এ অবস্থা থেকে বের হতে হবে, সমাজকে বের করতে হবে। নারীর অধিকার ও মর্যাদার বিষয়ে এবং দাম্পত্য জীবনের সৌহার্দ্য ও সৌন্দর্যের যে শিক্ষা ইসলাম দিয়েছে, এগুলো ছড়িয়ে দিতে হবে।
সেমিনারে কুষ্টিয়া ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ড. এবিএম হিজবুল্লাহ বলেন, বিবাহকে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে বিভিন্নভাবে। তালাক ও পরকীয়ার মতো বিষয়গুলোতে গণসচেতনতা তৈরিও ইনসাফের কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত। বিয়ের পূর্বে পাত্র-পাত্রী উভয়ের জন্য সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ করানো উচিত।
অন্যরকম গ্রুপের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান সোহাগ বলেন, নারীবাদ সূক্ষ্ম গোলক ধাঁধা তৈরি করে পুরুষের বিপক্ষে নারীকে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। এর ফলে যে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়েছে তার মধ্যে দিয়ে নারীর প্রতি জুলুমের ক্ষেত্রই সম্প্রসারিত হয়েছে। নারীবাদের নামে পশ্চিমা ব্যবস্থা আসার পরে পৃথিবীতে সর্বোচ্চ পরিমাণ নারী নির্যাতনের শিকার হয়েছে। মানবসভ্যতার ইতিহাসে এত নারী-নির্যাতন কখনোই ঘটেনি।
এডিডিআই আইজিপি নাজিবুর রহমান (অব.) বলেন, ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করতে পারবে পুলিশ প্রশাসন। তাই পুলিশ, প্রশাসন ও বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত সবাইকে এই কাজে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসার অনুরোধ করছি। বুয়েট-এর সাবেক অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ড. লুতফুল কবীর বলেন, শুধু সচেতনতামূলক কার্যক্রম নয়, বিবাদপূর্ণ দম্পতিগুলোর মাঝে বিপদ ঘটে যাওয়ার আগে চলমান ঘটনাগুলোকেও গুরুত্বের সাথে নেওয়া উচিত। উপযুক্ত ব্যক্তিদের মাধ্যমে ব্যক্তিগতভাবে দম্পতিদের সাথে সেশন করা, তাদের কাউন্সিলিং করাকে গুরুত্বের সাথে ইনসাফের কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। এতে আরো বক্তব্য রাখেন মাকতাবাতুল আশরাফের সত্ত্বাধিকারী মাওলানা হাবিবুর রহমান খান ও বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা ও নিউইয়র্ক মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা আহমাদুল হক প্রমুখ। সেমিনার শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন বর্ষিয়ান আলেমেদীন হাফেজ মাওলানা ইয়াহইয়া জাহাঙ্গীর।

|| প্রেস বিজ্ঞপ্তি

22/07/2025

পোষাকের সুন্নাহ কি ? আরবীতে কথা বলা সুন্নত কোন হাদীস দ্বারা প্রমাণিত নেই..!?

মুফতি আব্দুল মালেক সাহেব হাফিজাহুল্লাহ
খতীব জাতীয় বাইতুল মাকারাম মসজিদ ঢাকা।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address

Dhaka