23/02/2026
দেশ কি তবে এক গভীর নীল নকশার কবলে? সার্বভৌমত্ব আর ন্যায়বিচার আজ খাদের কিনারে!
গত কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে প্রশাসনে যা ঘটছে, তা কেবল রদবদল নয়—বরং দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে এক ভয়াবহ অশনি সংকেত। একের পর এক দেশপ্রেমিক ও দক্ষ ব্যক্তিদের সরিয়ে দেওয়ার পেছনে কার ইশারা কাজ করছে, তা বুঝতে আর রকেট সায়েন্স লাগে না।
১. সেনাবাহিনীর মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা?
সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি এলো সেনাবাহিনীতে। লেফটেন্যান্ট জেনারেল কামরুল হাসান, যাকে ভাবা হচ্ছিল পরবর্তী সেনাপ্রধান এবং যিনি সেনাবাহিনীকে ভারতীয় বলয় থেকে বের করে আনতে সবচেয়ে বেশি সচেষ্ট ছিলেন।
পাকিস্তান সফরে গিয়ে ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সাথে বৈঠক করে JF-17 যুদ্ধবিমান ক্রয় ও সামরিক প্রশিক্ষণের যে সাহসী পদক্ষেপ তিনি নিয়েছিলেন, তা ছিল আমাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার বড় ধাপ।
অথচ আজ তাকে সেনাবাহিনী থেকে সরিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হলো! দেশপ্রেমের পুরস্কার কি তবে নির্বাসন?
২. ভারত-প্রীতি বনাম দেশপ্রেম:
একদিকে দেশপ্রেমিকদের ছাঁটাই করা হচ্ছে, অন্যদিকে দিল্লিতে কর্মরত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাফিজুর রহমানকে মেজর জেনারেল বানিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হচ্ছে।
প্রশ্ন জাগে—ভারত সফর করে এলেই কি তবে প্রমোশন নিশ্চিত?
কেউ ৯ বছর ভারতে থেকে এসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হচ্ছেন, কেউ অমিত শাহকে কুর্নিশ করে অর্থমন্ত্রী হচ্ছেন! আমরা কি তবে আজও বিদেশের নাটাইয়েই চলছি?
৩. গুম-খুনের বিচার কি তবে ভেস্তে যাবে?
শেখ হাসিনার আমলের নৃশংস গণহত্যার বিচারের সবচেয়ে বিশ্বস্ত কারিগর ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম। ইন্টারিম পিরিয়ডে সবচেয়ে সফল এই মানুষটিকে এখন সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে! তাকে নাকি অন্য কোনো কমিশনের দায়িত্ব দেওয়ার 'অফার' করা হয়েছে। এর অর্থ পরিষ্কার—খুনিদের বিচারের পথ রুদ্ধ করা এবং তাকে মূল প্রক্রিয়া থেকে দূরে রাখা।
৪. টাইমিং ও মাস্টারপ্ল্যান:
দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বিদায়, সন্ধ্যায় সেনাবাহিনীতে নজিরবিহীন রদবদল, আর রাতে চিফ প্রসিকিউটরকে সরানোর খবর! এই সবকিছুর নিখুঁত টাইমিং কি কোনো সুদূরপ্রসারী 'I HAVE A PLAN'-এর অংশ? আধিপত্যবাদী শক্তির সাথে আঁতাত করে কি আবারও লিগ রেজিমের সেই পুরনো অন্ধকার দিনগুলো ফিরে আসছে?
উপসংহার:
দেশপ্রেমিকদের বিতাড়িত করে ভারতঘেঁষা নীতিতে দেশ পরিচালনা করা মানেই বিপ্লবের সাথে বেইমানি। নাটাইয়ের সুতা যদি আজও দ