05/05/2026
اللهمَّ عافِني في بدني، اللهمَّ عافِني في سمعي، اللهمَّ عافِني في بصري، اللهمَّ إني أعوذُ بك من الكُفرِ والفَقرِ، اللهمَّ إني أعوذُ بك من عذابِ القبر، لا إلهَ إلّا أنت...
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from রশীদ আহমাদ তাকী ইবরাহীমী, Tutor/Teacher, 78/4 G, Kajlarpar, Demra Road, North Jatrabari, Dhaka.
Rashid Ahmad Taqi Ibrahimi
Talibul Elm, Teacher, Author
| Founder, Creative Atfaal's Institute
| শিক্ষাসচিব,
• জামিয়া রশীদিয়া ঢাকা
• Ar-Rashid Islamic School
| নায়েবে মুহতামিম, জামিয়া ইব্রাহীমিয়া মহিলা মাদ্রাসা
| ব্যবস্থাপক, মাকতাবাতুল কাসেম
05/05/2026
اللهمَّ عافِني في بدني، اللهمَّ عافِني في سمعي، اللهمَّ عافِني في بصري، اللهمَّ إني أعوذُ بك من الكُفرِ والفَقرِ، اللهمَّ إني أعوذُ بك من عذابِ القبر، لا إلهَ إلّا أنت...
02/05/2026
Creative Atfaal's Institute
সৃজনশীলতায় গড়ি আগামীর প্রজন্ম!
Creative Atfaal's Institute একটি ব্যতিক্রমী শিক্ষামূলক উদ্যোগ, যেখানে শিশুদের মেধা ও মননশীলতাকে সৃজনশীলতার মাধ্যমে বিকশিত করা হয়। আমরা বিশ্বাস করি, প্রতিটি শিশুর মাঝে লুকিয়ে আছে সুপ্ত প্রতিভা। আমাদের লক্ষ্য হলো গতানুগতিক শিক্ষার পাশাপাশি শিল্পকলা, ভাষাগত দক্ষতা, ধর্মীয় জ্ঞান এবং নৈতিক মূল্যবোধের সমন্বয়ে শিশুদের একটি আলোকিত ও সৃজনশীল ভবিষ্যৎ উপহার দেওয়া।
✅ আমাদের মূল লক্ষ্য ও বৈশিষ্ট্য:
* ধর্মীয় শিক্ষা: শিশুদের হৃদয়ে ইসলামের মৌলিক জ্ঞান প্রোথিত করা। এর মধ্যে রয়েছে সহীহভাবে কুরআন তিলাওয়াত শিক্ষা, দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় মাসনূন দুআ ও মাসআলা-মাসায়েল এবং নবী-রাসূল ও সাহাবায়ে কিরামের জীবনীর মাধ্যমে দ্বীনি বুনিয়াদ গঠন।
* নৈতিক শিক্ষা ও শিষ্টাচার: উন্নত চরিত্র গঠনের লক্ষ্যে শিশুদের ছোটবেলা থেকেই সততা, আমানতদারি, বড়দের শ্রদ্ধা ও ছোটদের স্নেহ করার মতো মানবিক গুণাবলি ও সামাজিক আদব-কায়দা শিক্ষা দেওয়া।
* সৃজনশীল বিকাশ: চিত্রাঙ্কন, ক্যালিগ্রাফি ও হস্তশিল্পের মাধ্যমে শিশুদের শৈল্পিক চিন্তার উন্নয়ন এবং সুপ্ত মেধার বিকাশ ঘটানো।
* ভাষাগত দক্ষতা: শুদ্ধ উচ্চারণ, পঠন অভ্যাস এবং সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে ভাষার প্রতি মমতা ও দক্ষতা সৃষ্টি।
* অভিভাবক সচেতনতা: শিশুদের সঠিক লালন-পালনে অভিভাবকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও রিসোর্স প্রদান।
— যেখানে আপনার শিশুর প্রতিটি ভাবনা পায় নতুন রূপ।
✍️ রশীদ আহমাদ তাকী ইবরাহীমী
প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, ক্রিয়েটিভ আতফাল'স ইন্সটিটিউট
সম্প্রতি বাশশার আওয়াদ মা'রুফের একটা ভিডিও ক্লিপ খুব প্রচার হচ্ছে যেখানে তিনি মাহদীর আগমন সংক্রান্ত সকল রেওয়াযেতকে অপ্রমাণিত বলেছেন। দলিল হিসেবে তিনি যা বলেছেন তার সারমর্ম হলো, মাহদীর আগমন সংক্রান্ত কোনো রেওয়ায়েত সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে নেই। আর যেই মাসআলার একটি হাদীসও বুখারী মুসলিমে নেই ঐ মাসআলার সকল হাদীস দূর্বল। কারণ তা সহীহ হলে বুখারী মুসলিম অবশ্যই তাকে তাদের কিতাবে আনতেন। এটা খুবই অযৌক্তিক যে এমন গুরুত্বপূর্ণ একটা মাসআলার হাদীস প্রমাণিত হবে আর বুখারী মুসলিম তাদের কিতাবে তা আনবেন না।
তার বক্তব্য হলো,
هل من المعقول أن هذه القضية التي يؤمن فيها الناس لم يذكر فيها البخاري ومسلم حديثا واحدا! كيف!! أنا أقول لك: كل حديث فيه حكم شرعي عقدي أو عبادي أو إرشادي من أحاديث النبي في مسألة من المسائل، ليس له حديث واحد في صحيح البخاري، فهو حديث ضعيف
বাশশার আওয়াদ মা'রুফের এই বক্তব্যে শুনে যারপরনাই আশ্চর্য হয়েছি। হাদীস ও সুন্নাহর খেদমতে সারা জীবন কাটিয়ে দেওয়া একজন ব্যক্তির পক্ষে উপরোক্ত বক্তব্য দেওয়া কীভাবে সম্ভব। যা হোক, তার এই বক্তব্যের উপর প্রথমেই যে প্রশ্ন উঠানো জরুরী তা হলো, 'বুখারী মুসলিমে যেই মাসআলর ব্যাপারে কোনো হাদীস নেই সেই মাসআলর সকল হাদীস দূর্বল' এই দূর্বল হওয়াটা কার নিকট?
১. স্বয়ং বুখারীর নিকট?
২. নাকি হাদীসের অন্যান্য ইমামগণের নিকট?
৩. নাকি বাশশার আওয়াদের নিকট?
এই প্রশ্নটা আগে উঠাতে হবে। এরপর বলতে হবে, যদি প্রথমটা উদ্দেশ্য হয় তাহলে বুখারী রহ. এর এমন কোনো বক্তব্য উল্লেখ করতে হবে যেখানে বুখারী রহ. এই দাবি করেছেন। কিন্তু তিনি তা উল্লেখ করেননি। কেউ উল্লেখ করেছেন বলেও জানা যায় না। বুখারী রহ. এমন কোনো বক্তব্য দিয়েছেন বলেও তার কোনো কিতাবে পাওয়া যায় না। বরং এর বিপরীত তার ও অন্যদের এমন বক্তব্য আছে যা থেকে বুঝা যায়, তিনি তার নিকট প্রমাণিত অনেক হাদীস সহীহ বুখারীতে উল্লেখ করেননি। আর অন্যান্য ইমামদের মতে সহীহ কিন্তু বুখারীতে নেই এমন থাকার বিষয়টি তো বলাই বাহুল্য।
যদি দ্বিতীয়টা উদ্দেশ্য হয়, তাহলে ইমামগণের সেই বক্তব্যগুলো কোথায়? ইমামগণ একটি হাদীসকে শুধু এই জন্যে অপ্রমাণিত কোথায় বলছেন যে, এই হাদীস ও বা তার বিষয়ের অন্য কোনো হাদীস বুখারী মুসলিমে নেই? এর বিপরীতে ইমামগণ বুখারী মুসলিমে না থাকা সত্ত্বেও কত হাজার হাজার হাদীসকে সহীহ বলেছেন শুধু সহীহর শর্তে উত্তীর্ণ হওয়ায় কারণে! অথচ কেউ কোথাও সাথে এটা যুক্ত করেনি যে, এই হাদীসটি সহীহর শর্তে উত্তীর্ণ হওয়ার পাশাপাশি তাতে বর্ণিত মাসআলাটির অন্যান্য হাদীস যেহেতু বুখারী বা মুসলিমে আছে তাই এটি সহীহ!! বাস্তব কথা হলো, কখনোই সম্ভব নয় এটা প্রমাণ করা যে, ইমামগণ কোনো মাসআলার হাদীস বুখারী মুসলিম না থাকলে ঐ মাসআলার সকল হাদীসকে দূর্বল মনে করতেন।
আর যদি তৃতীয়টি উদ্দেশ্য হয় অর্থাৎ বুখারী মুসলিমে না থাকলে বাশশার আওয়াদের নিকট দূর্বল (আর এই উদ্দেশ্য ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যও নেওয়া যাচ্ছে না) তাহলে বলবো, এটা উনার একটি মত যা হাদীসের ইমামগণের বিপরীত। এ জাতীয় মতামত কারো কারো থাকতে পারে। আমরা তাদের মতামতই গ্রহণ করবো যাদের মতামত ইমামগণের লালিত ও চর্চিত মতামত ও উসূলের আলোকে সমর্থিত হয়। ইবনুস সাইয়্যিদ বাতালয়ুসী রহ. এর চমৎকার একটা বক্তব্য আছে যা তিনি তার رُبَّ বিষয়ক রিসলাতে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন,
وقد يَتعيَّن على المُنصِف إذا رأَى رأيًا يُخالِف ما رآه المبرِّزون في صناعة من الصنائع أن يَتَّهِم رأْيه، ولا يَتسرَّع في تخطئتهم، وإنما يَنبغِي أن يَلتمِس مَعرِفة حقيقة ما قالوه
যা হোক, বাশশার আওয়াদ এই মতামতে কীভাবে পৌঁছালেন? তিনি কি বুখারী মুসলিমের বাহিরের পৃথিবীর সকল হাদীস তাহকীক করে এই মতামতে পৌঁছেছেন? অর্থাৎ তার মতামতের ভিত্তি কি ইসতিকরা? যদি এমনটাই হয় তাহলে তো সুস্পষ্ট যে তার ইসতিকরা ইমামগণের ইসতিকরার সাথে সাংঘর্ষিক। কারণ ইমামগণ বুখারী মুসলিমের বাহিরের অনেক হাদীসকে সহীহ বলছেন। আর যদি তার এই মতামতের ভিত্তি হয় শুধুই বুখারী মুসলিমের মর্যাদা ও মাহাত্ম্যের দিকে তাকিয়ে যে, 'একটা মাসআলার হাদীস সহীহ হবে অথচ ঐ মাসআলার কোনো হাদীস বুখারী মুসলিম আনবেন না এটা বুখারী মুসলিমের শানে যায় না' (তার মতামতের ভিত্তি এমনটাই মনে হয়) তাহলে বলবো, এটা বুখারী মুসলিমকে নিয়ে অযথা বাড়াবাড়ি যা থেকে স্বয়ং বুখারী মুসলিম এবং বুখারী মুসলিম ও উলূমুল হাদীসের ব্যাপারে বাশশার আওয়াদ থেকেও অধিক অবগত জ্ঞানী ইমামগণ এ থেকে পবিত্র ছিলেন।
আমি যে কথাগুলো বললাম তার জন্য খুব দূরে যেতে হবে না।شروط الأئمة الستة وشروط الأئمة الخمسة وتعليقات الشيخ عبد الفتاح أبو غدة عليهما، و(باب الصحيح من) مقدمة ابن الصلاح وفروعه خاصة النكت للزركشي وابن حجر، وفتح المغيث وتدريب الراوي وتوضيح الأفكار এই কিতাবগুলোতেই পেয়ে যাবেন।
এবার আসি আরেকটা কথায়। বাশশার আওয়াদ যে দাবি করেছেন তার সমর্থনে একজন ইবনুল আখরামের একটা বক্তব্য ও ইবনে আব্দুল বার রহ. এর দুটি বক্তব্য উল্লেখ করেছেন। একটি সরাসরি তামহীদ থেকে। আরেকটি ইবনে হাজারের হাওলায়। তিনি লিখেছেন,
ما زال العلماء يعلون الحديث بعدم إخراج الشيخان له
قال إمام المغرب ابن عبد البر الأندلسي في كتابه "التمهيد" (27810) عن بعض الأحاديث: ولم يخرج البخاري ولا مسلم بن الحجاج منها حديثاً واحداً. وحسبك بذلك ضعفاً لها». ونقل ابن حجر عن ابن عبد البر قوله: «أن البخاري ومسلماً إذا اجتمعا على ترك إخراج أصل من الأصول، فإنه لا يكون له طريق صحيحة. وإن وجدت، فهي معلولة».
وقال الحافظ ابن الأخرم: « قل ما يَفُوتُ البخاري ومسلماً مما يثبت من الحديث».
দলিল দিতে গিয়ে এই লোক গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় এড়িয়ে গেছেন অথবা হয়ত ছলচাতুরি করেছেন। ইবনুল আখরামের বক্তব্য বাশশারের আওয়াদের পক্ষে না গিয়ে বরং তার দবির বিপরীতে যায়। কারণ ইবনুল আখরাম বলেছেন, قلما يفوت। অর্থাৎ বুখারী মুসলিমের বাহিরেও সহীহ হাদীস আছে যদিও তা অল্প। এখন সেই অল্পের মধ্যে এমন হাদীস আছে কিনা যার বিষয়ে কোনো হাদীস বুখারী মুসলিমে নেই তা তিনি স্পষ্ট করেননি। কিন্তু বাশাশর আওয়াদ তো কোনো রাখঢাক না রেখেই দূর্বল বলে দিচ্ছেন। আরেকটা বিষয় হলো, ইবনুল আখরামের এই বক্তব্যকে ইবনে হাজারসহ অনেক ইমাম ব্যাখ্যা করতে গিয়ে مما يثبت এর পর على شرطهما যুক্ত করেছেন। এমনটা হলে তো এই কথা বাশশারের দাবির বিলকুল বিপক্ষে যায়।
এবার আসি ইবনে আব্দুল বারের বক্তব্যে। তার ولم يخرج البخاري ولا مسلم بن الحجاج منها حديثاً واحداً এই বক্তব্যটি খণ্ডিত। আগে পরের আলোচনা দেখলে সুস্পষ্ট বুঝে আসে, বাশশার আওয়াদের দাবির জন্য ইবনে আব্দুল বারের এই বক্তব্য দলিল হতে পারে না। ইবনে আব্দুল বারের পূর্ণ বক্তব্য হলো,
وإذا احتملت هذه الآثار من التأويل ما ذكرنا لم يجز لمسلم أن يذهب إلى سقوط فرض الجمعة عمن وجبت عليه لأن الله عز وجل يقول {يا أيها الذين آمنوا إذا نودي للصلاة من يوم الجمعة فاسعوا إلى ذكر الله} ولم يخص الله ورسوله يوم عيد من غيره من وجه تجب حجته، فكيف بمن ذهب إلى سقوط الجمعة والظهر المجتمع عليهما في الكتاب والسنة والإجماع بأحاديث ليس منها حديث إلا وفيه مطعن لأهل العلم بالحديث، ولم يخرج البخاري ولا مسلم بن الحجاج منها حديثا واحدا وحسبك بذلك ضعفا لها
এখানে بذلك এর মুশারুন ইলাইহ শুধু عدم إخراج البخاري ومسلم নয় যেমনটা খণ্ডিত উদ্ধৃতি থেকে বুঝে আসে। বরং এর মুশারুন ইলাইহ হলো مجموع كون تلك الأحاديث مخالقة لما اجتمع عليه الكتاب والسنة والإجماع وكونها لا تخلو من مطعن أهل العلم بالحديث وكونها لم يخرجها البخاري ومسلم
এবার আসি উনার দ্বিতীয় বক্তব্যে যা ইবনে হাজারের সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে অর্থাৎ أن البخاري ومسلماً إذا اجتمعا على ترك إخراج أصل من الأصول، فإنه لا يكون له طريق صحيحة. وإن وجدت، فهي معلولة। এই বক্তব্যটি আমরা অনেক খোঁজ করার পরও ইবনে আব্দুল বারের কিতাব সমূহে পাইনি। যেই ইবনে হাজারের হাওলায় ইবনে আব্দুল বারের কথা বর্ণনা করা হয়েছে সেই ইবনে হাজারই ইবনে আব্দুল বারের কথা উল্লেখ করে খণ্ডন করেছেন। তিনি النكت على ابن الصلاح কিতাবে লিখেছেন,
وقد بالغ ابن عبد البر فقال: ما معناه أن البخاري ومسلما إذا اجتمعا على ترك إخراج أصل من الأصول فإنه لا يكون له طريق صحيحة وإن وجدت فهي معلولة.
وقال في موضع آخر: "وهذا الأصل لم يخرج البخاري ومسلم شيئا منه وحسبك بذلك ضعفا".
هذا وإن كان لا يقبل منه فهو يعضد قول ابن الأخرم والله أعلم
আর ইবনে হাজারের এই বক্তব্য যা আমরা শব্দে শব্দে উল্লেখ করেছি তা থেকে বুঝা যায় তিনি ইবনে আব্দুল বারের হুবহু বক্তব্য উল্লেখ করেননি। তিনি মূলত মর্ম উল্লেখ করেছেন। এখানে হুবহু বক্তব্যটা খুব জরুরী। কারণ প্রথম বক্তব্যটি উল্লেখ করতে গিয়েও ইবনে হাজার রহ. এর একটা ত্রুটি হয়েছে যা একটু আগে স্পষ্ট হয়েছে। হতে পারে এই বক্তব্যটি উল্লেখ করতে গিয়েও এমন কিছু হয়ে থাকবে। তথাপি একটু অনুসন্ধান করলেই এমন অনেক হাদীস পাওয়া যাবে যাকে ইবনে আব্দুল বার সহীহ বলেছেন কিন্তু কোথাও শর্ত হিসেবে বলেননি যে, তার বিষয়ের অন্য কোনো হাদীস বুখারী মুসলিমে আছে। উদাহরণস্বরূপ তামহীদ ও ইস্তিযকারে যে সকল হাদীসকে তিনি সহীহ বলেছেন যার সংখ্যা অনেক তা শামেলা বা অন্য কোনো মাধ্যমে একত্র করুন। তারপর দেখুন, এর মধ্যে কতগুলো হাদীস এমন যার বিষয়বস্তু সংশ্লিষ্ট কোনো হাদীস বুখারী মুসলিমে নেই।
এবার আসি, আসলেই মাহদীর আগমন বিষয়ে কোনো রেওয়ায়েত প্রমাণিত আছে কিনা। অবশ্যই আছে। আব্দুল আলীম বাস্তবী মাহদী সংক্রান্ত হাদীস নিয়ে বিস্তর গবেষণা করেছেন। তিনি الموسوعة في أحاديث المهدي الضعيفة والموضوعة ও المهدي المنتظر في ضوء الأحاديث والآثار الصحيحة وأقوال العلماء والفرق المختلفة নামে দুটি কিতাব লিখেছেন। তিনি প্রমাণ করেছেন, মাহদীর আগমন বিষয়ে সাহাবা তাবেয়ীদের অসংখ্য আসার প্রমাণের পাশাপাশি নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত বেশ কয়েকটি হাদীসও প্রমাণিত। যদিও গত শতাব্দীর রশিদ রেজা, আহমাদ আমীন থেকে নিয়ে শুরু করে এই শতাব্দীর আদাব মাহমুদ উলূমুল হাদীসের প্রতি ভ্রুক্ষেপ না করে বা উলূমুল হাদীসের বিকৃতি ঘটিয়ে ও নিজের মন মত ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করে এই সকল হাদীসকে অপ্রমাণিত বলতে চেয়েছেন। মাহদী বিষয়ে বাংলা ভাষায় মাওলানা ইবরাহীমের 'ইমাম মাহদী ও দাজ্জাল: ভ্রান্তি নিরসন ও বাস্তবতা উম্মোচন' কিতাবটিও বেশ উপকারী। সেখানেও আপনারা মাহদী সংক্রান্ত অনেক সহীহ রেওয়ায়েত পেয়ে যাবেন।
© উস্তাদজী হযরত মাওলানা আবু রাফ‘আন সিরাজ হাফি.
সবুজের সমারোহ প্রকৃতিকে অসম্ভব সুন্দর করে তোলে!
💚💚💚
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
🤍
15/04/2026
অমূল্য বচন বললেন শায়খ মহিউদ্দিন ফারুকী হাফি.
“শিক্ষকতার মহান দায়িত্বকে নেয়ামত মনে করুন। শিক্ষার্থীকে উৎসাহ প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষা দিন। শিক্ষকতায় নিজেকে দারোগা নয়, বরং মালী ভাবুন।”
© محيي الدين الفاروقي حفظه اللّٰه ورعاه
15/04/2026
🌙 যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনের বিশেষ আমল পরিকল্পনা ✨
যিলহজ্জের এই ১০টি দিন মহান আল্লাহর কাছে বছরের শ্রেষ্ঠ সময়। এই দিনগুলোর প্রতিটি মুহূর্ত ইবাদতের মাধ্যমে উজ্জ্বল করার জন্য নিচের আমলগুলো আমরা আমাদের দৈনন্দিন রুটিনে যুক্ত করতে পারি:
১. ফরয ও নফল সালাতে বিশেষ যত্ন
সব ইবাদতের মূল হলো পাঁচ ওয়াক্ত সালাত। এই দিনগুলোতে প্রতিটি সালাত জামাতের সাথে, পূর্ণ মনোযোগ ও খুশু-খুযুর সাথে আদায়ের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা। ফরযের পাশাপাশি *তাহাজ্জুদ, ইশরাক এবং সালাতুদ দুহা (চাশতের নামাজ)* আদায়ের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের চেষ্টা বাড়ানো।
২. যিকিরে জিহ্বাকে সজীব রাখা
রাসূলুল্লাহ ﷺ এই দিনগুলোতে বেশি বেশি তাকবীর, তাহমীদ ও তাসবীহ পড়তে উৎসাহিত করেছেন। কাজ করতে করতে, হাঁটাচলা কিংবা অবসরে মনে মনে পড়ুন:
* সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার।
* বিশেষ করে ৯ই যিলহজ্জ ফজর থেকে ১৩ই যিলহজ্জ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরয নামাজের পর
* তাকবীরে তাশরীক (আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদ) পাঠ করা ওয়াজিব।
৩. কুরআন তিলাওয়াত ও খতমের পরিকল্পনা
এখন থেকেই লক্ষ্য স্থির করুন যেন এই ১০ দিনের মধ্যে অন্তত একবার কুরআন খতম করা যায়। যদি তা সম্ভব না হয়, তবে প্রতিদিন নির্দিষ্ট একটি অংশ অর্থসহ পড়ার চেষ্টা করুন যাতে কুরআনের হেদায়েত অন্তরে প্রবেশ করে।
৪. সিয়াম বা রোজা পালন
যিলহজ্জের প্রথম ৯ দিন রোজা রাখা অনেক সওয়াবের কাজ। যারা সব দিন পারবেন না, তারা অন্তত *৯ই যিলহজ্জ 'আরাফার দিনের' রোজা* যেন মিস না করি। এই একটি রোজার বিনিময়ে আল্লাহ বিগত এবং আগামী—এই দুই বছরের গুনাহ মাফ করে দেন।
৫. তাওবাহ ও ইস্তিগফার
গুনাহমুক্ত জীবন গড়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো তাওবা। অতীতের সব ভুলের জন্য লজ্জিত হয়ে বারবার পড়ুন— *আস্তাগফিরুল্লাহ*। অন্তরের কলুষতা দূর করার এটাই সেরা সময়।
৬. দান-সদকা ও মানুষের সেবা
সামর্থ্য অনুযায়ী গরিব-দুঃখীদের পাশে দাঁড়ানো। অল্প হলেও প্রতিদিন কিছু সদকা করার অভ্যাস করা, কারণ এই দিনগুলোর যেকোনো নেক আমল আল্লাহর কাছে অন্য সময়ের চেয়ে অনেক বেশি প্রিয়।
৭. কুরবানীদাতার জন্য বিশেষ আমল
যারা কুরবানী করার নিয়ত করেছেন, যিলহজ্জের চাঁদ দেখার পর থেকে কুরবানী সম্পন্ন না করা পর্যন্ত নিজেদের চুল, নখ ও চামড়ার কোনো অংশ না কাটা মুস্তাহাব। এটি হজ্জের ইহরামের সাথে একটি আধ্যাত্মিক সাদৃশ্য তৈরি করে।
৮. আত্মশুদ্ধি ও আচরণের পরিবর্তন
কেবল পশু কুরবানী নয়, নিজের ভেতরের অহংকার, ক্রোধ, হিংসা এবং লোকদেখানো মানসিকতাকেও কুরবানী দিতে হবে। কারো হক নষ্ট করে থাকলে তা ফিরিয়ে দেওয়া, আত্মীয়তার সম্পর্ক জোড়া লাগানো এবং কথাবার্তায় নম্রতা বজায় রাখা জরুরি।
৯. দোয়ার বিশেষ মুহূর্তগুলো কাজে লাগানো
আরাফার দিন হলো বছরের শ্রেষ্ঠ দোয়ার দিন। নিজের জন্য, পরিবারের জন্য এবং মজলুম মুসলিম উম্মাহর জন্য একটি 'দোয়া লিস্ট' তৈরি করে ফেলুন এবং নিভৃতে আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করুন।
১০. পরিবারে ইবাদতের পরিবেশ
ঘরের সবাইকে এই দিনগুলোর গুরুত্ব জানান। সন্তান ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে একসাথে যিকির বা দ্বীনি আলোচনা করুন, যেন পুরো ঘর আল্লাহর রহমতে ভরে ওঠে।
হে আল্লাহ! আপনি আমাদের এই বরকতময় দিনগুলোতে সর্বোত্তম আমল করার এবং আপনার প্রিয় বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার তাওফীক দান করুন। আমীন।
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 17:00 |
| Saturday | 09:00 - 17:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |