20/03/2024
এভাবেই বিয়ের পর বাঘেরা বিড়াল হয়ে যায় 😆
মানুষকে ভালবাসতে শিখুন। জীবনটা আরো সুন্দর হয়ে যাবে।
20/03/2024
এভাবেই বিয়ের পর বাঘেরা বিড়াল হয়ে যায় 😆
19/01/2023
বাবা হয়ে বাধ্য হয়েই নিজের মেয়ের বাসর ঘরে সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে দিয়ে গেল। লজ্জায় মরে যাচ্ছে অধরা। তৃতীয়বারের মতো বাসর ঘরে বসে আছে সে । গায়ে ভারি গয়নায় সাজ। একটা মেয়ে এতটা সৌন্দর্য্যের অধিকারিণী হতে পারে, যে অধরাকে দেখেনি সে কখনো বিলিভ করতে পারবে না। ঘরের মাঝে মনে হচ্ছে পূর্ণিমার চাঁদের উদয় হয়েছে।
একটু পরেই বর আসবে। অধরা আরেকটা লাশ দেখার অপেক্ষায় আছে। কারণ বাসরঘরে যে একবার স্বামী সেজে ভেতরে ঢুকে তার বের হতে হয় লাশ হয়ে। অধরার এসব ভেবেই কান্না পাচ্ছে সে জানে না সে কি এমন অপরাধ করেছিল যার জন্য এত বড় শাস্তি আল্লাহ তায়ালা তাকে এতটা কষ্ট দিচ্ছে।
অধরা কাঁদছে! হঠাৎ কে যেন বলল বর এসে গেছে! অধরার বর আসার কথা শুনে, ' ওয়াশরুমে ফ্রেশ হতে ঢুকল।
ফ্রেশ হওয়ার এক পর্যায়ে বুঝতে পারল তার মিনস শুরু হয়ে গেছ।
- বাসর রাতে মিনস! ভাবতেই বুকের ভেতরটা কেমন যেন ছ্যাঁত করে ওঠল। প্রতিবার বাসর রাতেই হুট করে মিনস হয় তার। সে বুঝতে পারছে কোন এক অদৃশ্য মায়া তাকে আগলে রেখেছে। অধরা কোনরকম ফ্রেশ হয়ে খাটের উপর গিয়ে বসলো।
- এদিকে অধরার বর আয়াশ বাসায় এসেই অধরার বাবাকে সালাম করে নিল। অায়াশ সবকিছু জেনেই অধরাকে বিয়ে করতে রাজি । সে জানে তার আগেও দু'জন বাসর রাতেই মারা গিয়েছিল। কিন্তু আয়াশ অধরাকে প্রথম দেখায় ভালোবাসে ফেলে। আর অধরা তার বাবার একমাত্র মেয়ে হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি! সব আয়াশের হয়ে যাবে। সবকিছু ভেবেই বিয়েটা করা।
- আয়াশ বাসর ঘরে ঢুকেই দরজাটা লাগিয়ে দেয়।দরজাটা লাগাতেই অধরার বুকের ভেতরটা কেমন যেন কেঁপে ওঠল! আয়াশ আস্তে আস্তে অধরার পাশে এসে বসল।
- এদিকে অধরার বাবা সিসি ক্যামেরার সামনে বসে আছে। নিজের অনিচ্ছা সত্ত্বেও নিজের মেয়ের ফুলশর্য্যা তাকে দেখতে হবে এভেবেই কয়েকফোটা জল গড়িয়ে পড়ে। জন্মের সময় অধরার মা মারা যায়।
- সে দুঃসহ স্মৃতির কথা মনে হলে তিনি এখনো ঘুমাতে পারে না। অধরা তার সংসারে আসার পর ব্যবসা বাণিজ্য উত্তর উত্তর উন্নতি শুরু হয়!
- এদিকে অধরা ভয়ে কাপছে। আয়াশ ঘুমটা খোলার সাথে সাথেই চমকে গেলো। ঠিক একটা পূণিমা চাঁদকে মনে হচ্ছিল কালো মেঘের ঘুমটাই আড়াল করে রাখা হয়েছিল। আয়াশ যেন নিজেকে সংযত রাখতে পারছে না। ফুলদানিতে রাখা ফুলটাকে ছোঁয়ার ইচ্ছা প্রবল আকারে কাছে টানছে।
- আয়াশ যখন অধরাকে ছুঁতে যাবে ঠিক তখনি অধরা বলে উঠল,' প্লিজ ছুবেন না আমাকে। '' আমার পিরিয়ড চলতেছে! কথাটা বলে...continue
07/01/2023
ফ্রেন্ড রিকুয়েষ্ট পাঠাতে হলে নিজের নামে পাঠাবেন😒
ভাঙ্গা হৃদয়, কষ্টের জীবন, অবুঝ মন, এ্যান্জেল পরি, ডেভিল কিং, আঁব্বুঁরঁ পঁরিঁ, আঁম্মুঁরঁ জিঁনঁ😑😑
এসব কি ভাই??🥴
02/01/2023
🤣
Friend k mention more tader k hasar sujog kore din!
মানুষটির ইচ্ছা,আশা,প্রতিশ্রুতি বদলে যায় যখন মানুষটি বদলে যায়।হাজারো গভীর বাক্য তখন বিদঘুটে মনে হতে লাগে।খুব আগ্রহ নিয়ে বলা প্রতিশ্রুতি তখন আর মনে পড়ে না।কয়েকটি অসীম আশা তখন পানসে মনে হয়।
বদলে যাওয়া খুব বাজে গুণ।তবুও মানুষ বদলে যায়।সুখি হওয়ার এবং সুখে থাকার প্রতিযোগীতায় বদলে যায়।
বইয়ের দাম বাড়তেছে, বাড়তেছে সব কিছুর দাম
শুধু বাড়েনি মধ্যবিত্ত ফ্যামিলির বাবার ইনকাম😿💔
সম্পুর্ন বাস্তব ভিত্তিক একটা গল্প
গল্প : একটি রোড এক্সিডেন্ট
.
--স্যার কাগজ
--এখানে রেখে যা
--জি স্যার এই এই যে আপনার কাগজ
খবরের কাগজটা দিয়েই ছেলেটা হাটা দিলো ।
--কিরে বস চা খেয়ে যা ?
--নাহ্ স্যার কইছেন এইটাই বেশি ।
আমাগো মতো গরিবের কি কোনহানে বইসা চা
খাওনের সময় আছে ?
কথাটা শুনে স্তব্ধ হয়ে গেলাম ।
যদিও নিত্যসাধারন একটা কথা ।
কিন্তু ছেলেটা কথাগুলো বলেছিলো এক অন্য আবেগে
।
--আচ্ছা যা তাহলে ।
কাল আবার সময় মত আসিস কিন্তু ?
--জি স্যার আসমু ।
আপনের কাগজ দিতে আমার কহনো ভুল হয়না ।
চলে গেলো রতন নামের নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের
দায়ভার বহন করা এক হতভাগা হকার ছেলে ।
ছেলেটাকে নিয়ে এতবড় বর্ণনা দেয়ার কারন হলো
ওর জিবন ।
গরীব মানুষদের জীবন এমনই হয় ।
আমিও গরীব ছিলাম ।
ভাগ্য আর নিজের উদ্যমে আজ প্রতিষ্ঠিত ।
তাই আমিও গরিবের কষ্টটা বুঝি ।
ছেলেটাকে অনেক দিন ধরে চিনি ।
সেই যখন আমি ভার্সিটিতে পড়ি তখন থেকে ।
ছেলেটা অনেক ভালো সৎ ও বটে ।
রোযকার মতো চা খেয়েই অফিসের পথে রওনা হলাম
।
.
সারাদিন কাজের শেষে বাড়িতে ফিরলাম ।
.
টিভিটা অন করেই চোখে পরলো
একটা বিশেষ অনুষ্ঠান ।
নাম ছিলো
'হকারের জীবন'
খুব মনযোগ দিয়ে দেখলাম অনুষ্ঠানটা ।
চোখের জল ধরে রাখতে পারলাম না ।
ডায়েরি থেকে একটা নাম্বার খুজে বের করলাম ।
সেই রতন নামের হকার ছেলেটার নাম্বার ।
--হ্যালো রতন
--কে ?স্যার ?
--কিরে কি করে চিনতে পারলি ?
--সে যাউগ্গা ।
স্যার কিছু বলবেন ?
--হ্যা তোকে একটা কথা বলার ছিলো
--স্যার এইভাবে বলে আমাকে ছোট কইবেন না ।
আপনে আমার স্যার ।
আপনে আমারে যা খুশি বলেন ।
--চাকরি করবি ?
--কি যে কন স্যার ।
আমাগো কেডা চাকরি দিবো ?
--আমি দিবো ।
তুই করবি কি না তাই বল ।
--হ স্যার করমু তো ।
--তাহলে কাল আমার অফিসে চলে আয় ।
সকাল ৯ টায় ।
--আচ্ছা স্যার আসমুনে ।
স্যার আপনেরে সালাম করতে মোন চাইতাছে ।
--আরে বোকা তেমন কিছুই হয়নি ।
কাল চলে আয় কেমন ?
ভালো থাকিস ।
ফোনটা কেটে দিয়ে শুয়ে পরলাম ।
খুব ক্লান্ত লাগছে ।
আজ অনেক ধকল গেছে ।
পরের দিন সকালে ছেলেটা আর খবরের কাগজ নিয়ে
এলোনা
যাই হোক প্রতিদিনের মত সকালে চা খেয়েই রওনা
হলাম ।
অফিসের খুব কাছাকাছি গাড়ি চলে এসেছে
এমন সময় কোন এক পরিচিত কন্ঠ শুনতে পেলাম
--স্যার একটু দাড়ান
এ তো সেই হকার ছেলেটা
গাড়িটা একপাশে দাড় করালাম
যানজটপূর্ন রাস্তার মধ্য দিয়ে দৌড় দিলো ছেলেটা
যেন আমার কাছে পৌছানোটা খুবই জরুরী
ছেলেটা দৌড়ে আসছে আর আমি তা চেয়ে চেয়ে
দেখছি
কিছুক্ষনের জন্য কেন যেন মনে হলো
সবকিছু স্লো মোশনে চলছে
সবই যেন হঠাৎ ধির গতির হয়ে গেছে
আর সেই স্লো মোশন গতিতে ছেলেটা যেন অনেক সময়
নিয়ে একটু একটু করে আমার দিকে এগোচ্ছে
জায়গাটা মাঝরাস্তা
এমন সময়
দুম ।
যেন একটা বিষ্ফোরন হলো
সবকিছু এখন পুরোপুরি থমকে গেছে
গাড়ি থেকে নেমে সামনে এগিয়ে যেন পাথর হয়ে
গেলাম
নিথর একটা রক্তাক্ত দেহ পড়ে আছে মাঝ রাস্তায়
প্রানটা তখনও আছে
আমার দিকে হাতটা বাড়িয়ে দিতে চাইছে
আমিও হাতটা ধরতে যাবো কিন্তু না এবার আর সেই
হাতে জোড় নেই
হাতটা আর আমার দিকে আসতে চাইছে না ।
বুঝতে পারলাম না এত দ্রুত সব কি হয়ে গেল
কিন্তু আমার কাছে মনে হচ্ছিলো অনন্ত সময় নিয়ে
ঘটনাটা ঘটেছিলো
নিশ্পলক তাকিয়ে রইলাম সেই নিথর দেহটার দিকে
একটা পরিবারের আশা আকাঙ্খা সব এক নিমিষে
শেষ
রক্তাক্ত শরীর
পরে আছে সেই ছেলেটা
হকার ছেলেটা
এ এক নির্মম রোড এক্সিডেন্টের কাহিনী
এরকমই আরো রোমাঞ্চ আনকমন স্টরি চাইলে অবশ্যই লাইক কমেন্ট করে জানাবেন
22/12/2022
এডা চুলা নাকি আলিফ লায়লার শ য় তা ন 🤔🤣
22/12/2022
ট্রফির প্রতি মেসির ভালবাসা অবিরাম!
22/12/2022
হ ভাই আমার ভাগ্য এমনই!