13/04/2026
(জিনস) جِنْسُ এর আলোচনা
----------------------------------------
জিনস মোট ১৫ প্রকার
১. সহীহ (صَحِيح), ২. মাহমুযে ফা (مَهْمُوْزِ فاء),
৩. মাহমুযে আইন (مَهْمُوزِ عين),
৪. মাহমুযে লাম (مَهْمُوز لام)
৫. মিছাল (مِثَال),
৬. আযওয়াফ (اَجْوَف),
৭. নাকিস (نَاقِص),
৮. লাফিফে মাকরুন (لَفِيْف مَقْرُون),
৯. লাফিফে মাফরুক (لَفِيْف مَفروق),
১০. মুতালে ওয়াও (واوي),
১১. মুতালে আলিফ (الف),
১২. মুতালে ইয়া (يائي),
১৩. মুযআফে সুলাসী (مُضَاعَف ثُلَاثِي),
১৪. মুযআফে রুবাঈ (مُضَاعَف رُبَاعِي) ,
১৫. মুরাক্কাব (مُرَكَّبٌ)।
বিস্তারিত আলোচনা-
১. সহীহ (صَحِيح) এর আলোচনা
সহীহ (صَحِيح) : হামযাহ, হরফে ইল্লত এবং এক মুযাপ থেকে মুক্ত হওয়াকে সহিহ বলে।
যেমন- جَلَسَ، قَعَدَ، طَلَبَ
২. মাহমুয (مَهْمُوز) এর আলোচনা:
মাহমুয (مَهْمُوْز): যে শব্দের মূল অক্ষরে হামযাহ পাওয়া যায় তাকে মাহমুয বলে।
যেমন- أنف، سأل، قرأ
মাহমুয (مَهْمُوز) তিন প্রকার-
ক. মাহমুযে ফা (مَهْمُوْزِ فاء),
খ. মাহমুযে আইন (مَهْمُوزِ عين),
গ. মাহমুযে লাম (مَهْمُوز لام)।
মাহমুযে ফা (مَهْمُوْزِ فاء): শব্দের মূল অক্ষরের “ফা” কালিমায় হামযাহ থাকলে তাকে “মাহমুযে ফা” বলে।
যথা- أنف، أكل
মাহমুযে আইন (مَهْمُوزِ عين): শব্দের মূল অক্ষরের “আইন” কালিমায় হামযাহ থাকলে “মাহমুযে আইন” বলে। যথা- سأل
মাহমুযে লাম (مَهْمُوز لام): শব্দের মূল অক্ষরের “লাম” কালিমায় হামযাহ থাকলে তাকে “মাহমুযে লাম” বলে।
যথা- قرأ، نبأ
৩. মু‘তাল (مُعْتَل) এর আলোচনা:
মু‘তাল (مُعْتَلْ): যে শব্দের মূল অক্ষরে (حرف علة)হরফে ইল্লাত পাওয়া যায় তাকে মু‘তাল বলে।
হরফে ইল্লাত তিনটি- واو، الف، ياء
(ওয়াও, আলিফ, ইয়া)।
মুতাল مُعْتَل চার প্রকার-
(১) مِثَال(মিছাল), (২) اَجْوَف(আযওয়াফ),
(৩) نَاقِص(নাকিস), (৪) لَفِيف (লাফিফ)।
ক. শব্দের মূল অক্ষরের “ফা” কালিমায় হরফে ইল্লাত আসলে তাকে مثالমিছাল বলে।
যেমন- ولد، يسر
খ. শব্দের মূল অক্ষরের “আইন” কালিমায় হরফে ইল্লাত আসলে তাকে اَجْوَفআযওয়াপ বলে।
যেমন- كيد، قول
গ. শব্দের মূল অক্ষরের “লাম” কালিমায় হরফে ইল্লাত আসলে তাকে ناقصনাকিছ বলা হয়।
যেমন- هدي، خزي
ঘ. لَفِيْف লাফিফ: শব্দের মূল অক্ষরে দুটি হরফে ইল্লাত থাকলে তাকে “লাফিফ” বলে।
যেমন- وقي، ولي، وصي