20/09/2026
ইশয়েক শাহরিয়া অপ্রিতম!
বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের মাত্র ১৩ বছরের ছেলে যদি কিশোর গ্যাংয়ের একজন টিম লিডারের সঙ্গে নিয়মিত চলাফেরা করে, আড্ডা দেয় কিংবা বাইক রাইডে যায়—তাহলে বিষয়টি শুধু শিশুটির আচরণ হিসেবে দেখলে চলবে না; অভিভাবকদের দায়িত্বের দিকটিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।
১৩ বছরের একটি শিশু এখনো বয়স ও অভিজ্ঞতার দিক থেকে অনেকটাই অপরিণত। কার সঙ্গে বন্ধুত্ব করা উচিত, কার সঙ্গ এড়িয়ে চলা উচিত, কোন পরিবেশ নিরাপদ আর কোনটি ঝুঁকিপূর্ণ—এসব বিষয়ে তার সিদ্ধান্ত সবসময় পরিণত নাও হতে পারে।
তাই মা-বাবার দায়িত্ব হলো সন্তানের বন্ধু-বান্ধব কারা, কোথায় যায়, কার সঙ্গে সময় কাটায়, কী ধরনের আড্ডায় থাকে এবং কী ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছে—এসব বিষয়ে নিয়মিত খোঁজখবর রাখা।
সন্তানকে শুধু ভালো স্কুলে পড়ানো বা প্রয়োজনীয় অর্থ-সুবিধা দেওয়াই যথেষ্ট নয়। তার বন্ধুত্ব, চলাফেরা, অনলাইন-অফলাইন পরিবেশ এবং মানসিক বিকাশের প্রতিও নজর দেওয়া জরুরি।
সন্তান ছোট—তাই তাকে শুধু দোষারোপ না করে ভালো-মন্দ বোঝানো, সঠিক সঙ্গ বেছে নিতে শেখানো এবং প্রয়োজনে দৃঢ়ভাবে সীমারেখা নির্ধারণ করাও অভিভাবকের দায়িত্ব।
সন্তানের নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজ—সবারই দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন।
©