25/05/2026
নয় যিলহজ্বের রোযা, অগণিত ফযীলতের এক আমল...!!
------------------------------------------------------------------
যিলহজ্বের প্রথম দশক আল্লাহর নিকট অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ।
এর মধ্যে ৯ যিলহজ্ব তথা ইয়াওমে আরাফা বিশেষ ফযীলতপূর্ণ দিন।
কেউ যদি পুরো নয় দিন রোযা রাখতে পারে, তবে তা অনেক বড় সৌভাগ্য।
আর যদি সবগুলো সম্ভব না হয়, অন্তত ৯ যিলহজ্বের রোযা যেন হাতছাড়া না হয়।
রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন—
> صِيَامُ يَوْمِ عَرَفَةَ، أَحْتَسِبُ عَلَى اللهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِي قَبْلَهُ، وَالسَّنَةَ الَّتِي بَعْدَهُ
অর্থঃ
“আরাফার দিনের রোযা সম্পর্কে আমি আল্লাহর কাছে আশা করি, তিনি এর মাধ্যমে আগের এক বছর ও পরের এক বছরের গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন।”
📖 Sahih Muslim — হাদীস: ১১৬২
তবে মনে রাখতে হবে, এই রোযা মূলত যারা হজে নেই তাদের জন্য। হাজীদের জন্য আরাফার ময়দানে রোযা না রাখাই উত্তম। উম্মুল ফযল রা. বর্ণনা করেন, আরাফার দিন নবী ﷺ উটের উপর অবস্থায় দুধ পান করেছিলেন। এতে সাহাবাগণ বুঝতে পারেন, তিনি সেদিন রোযা ছিলেন না।
📖 Sahih Muslim — হাদীস: ১১২৩
সুতরাং, আমাদের দেশে চাঁদ অনুযায়ী যেদিন ৯ যিলহজ্ব হবে, সেদিনই আরাফার রোযা রাখা হবে; অন্য দেশের তারিখ অনুসরণ করে নয়।
মাত্র একদিনের রোযা, অথচ দুই বছরের গুনাহ মাফের সুসংবাদ!
আল্লাহর রহমতের এ দরজা বারবার আসে না।
তাই আসুন, ইয়াওমে আরাফার এই মহামূল্যবান আমলটি আন্তরিকতার সাথে আদায় করে আল্লাহর ক্ষমা ও নৈকট্য লাভের চেষ্টা করি।