Red Leaf Academy

Red Leaf Academy

Share

চাকরি ও একাডেমিক পড়াশোনা বিষয়ক পরামর্শ প্রদান করা হয়।

02/05/2026

ইউটিউবের প্রথম ভিডিও এটা। ভিডিওতে যাকে দেখছেন তিনি ইউটিউবের তিনজন প্রতিষ্ঠাতার একজন। তাঁর নাম জাওয়েদ করিম, তিনি একজন বাংলাদেশী আমেরিকান।

হুম ঠিকই পড়েছেন। এটাই ইউটিউবের প্রথম ভিডিও। 'Me at the zoo' শিরোনামে আজ থেকে ২১ বছর আগে জাওয়ে করিম এই ভিডিওটি আপলোড করেন। তখন হয়তো এতো দূর ভাবেননি তাঁরা।

জাওয়েদ করিমের বাবা নাইম করিম বাংলাদেশী। ১৯৭২ সালে ম্যাট্রিক পরীক্ষায় সম্ভবত তিনি মেধাতালিকায় প্রথম হয়েছিলেন। উচ্চশিক্ষার জন্য জার্মানিতে গিয়ে জার্মান নারীকে বিয়ে করে সেখানেই স্থায়ী হন। জাওয়েদ করিমের জন্মও জার্মানিতে।

পরবর্তীতে তাঁরা আমেরিকায় পারি জমান। একসময় চ্যাড হার্লি, স্টিভ চেন এবং জাওয়েদ করিম মিলে তৈরি করেন ইউটিউব।

28/04/2026

"তোমাদেরকে স্বাগত জানানো যাচ্ছে না। আমার মা গতকাল থেকে রান্নাঘরে কাজ করছে। খেয়ে সোজা বাড়ি চলে যাও!"

রান্না করতে মায়ের কষ্ট দেখে সৌদি আরবের একটা ভাইরাল ভিডিওতে ছোট্ট বাচ্চা মেহমানদের ঠিক এভাবেই বলতেছিল। মেহমানদারি অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। সামাজিক বন্ধনের জন্যও এটা অপরিহার্য। কিন্তু সমস্যা অন্যখানে...

মেহমানদারি নাকি আইটেমদারি??

একটা সময় মেহমান আসলে প্রথম বেলায় ঘরে যা থাকতো তা দিয়েই খাওয়ানো হতো। এরপর পরের বেলায় একটা মুরগি জবাই হতো, আলু ছোট ছোট করে কেটে বেশি করে ঝোল দিয়ে রান্না করা হতো। সাথে একটা মাছ থাকতো, হয়তো সেমাই থাকতো শেষে।

আইটেম কম, স্বাদ বেশী আর আন্তরিকতা ছিল শতভাগ। মেহমান আসলে মানুষ তখন খুশি হতো। সপ্তাহ-দশদিন থাকলেও মোটামুটি তেমন অসুবিধা হতো না কারো।

আস্তে আস্তে মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো হতে লাগলো। শুরু হলো আইটেম বাড়ানোর প্রতিযোগিতা; আট-দশ-পনেরো আইটেম ছাড়া মেহমানদারি করাই যায় না!

মেহমান আসার তিন দিন-সাত দিন আগে থেকে শুরু হয় আয়োজন। ঘরের পুরুষের জীবন শেষ হয় বাজারের ব্যাগ নিয়ে ঘুরতে ঘুরতে, নারীর জীবন শেষ হয় রান্না করতে করতে, আর মেহমানের জীবন শেষ হয় এসব বাড়তি খাবার খেতে খেতে!

খাবার টেবিলে তিনজনই খুশী খুশী ভাব নিয়ে থাকলেও ভিতরে ভিতরে একটা বড় দীর্ঘশ্বাস আর ক্লান্তি থাকে তিন পক্ষের শরীর-মনে! ফেক অনুভূতি নিয়ে শেষ হয় একটা অসুস্থ সামাজিকতা!

মেহমান আসলে মুখে হাসি দিলেও মনে মনে অনেকেই ভূত দেখে। পারতপক্ষে কেউ কাউকে এখন আর দাওয়াত দেয়না। অনেক পুরুষের পিতৃপক্ষ তার বাসার সীমানাও কখনও দেখার সুযোগ পায়নি!

সমাজের সুন্দর সুন্দর অনুশীলনগুলো অযথা আয়োজনে আমরা নষ্ট করে ফেলেছি। দুটি-তিনটি আইটেম এর খাবারের তৃপ্তি কি দশটি-বিশটিতে পাওয়া যায়?

আয়োজক -অতিথি দুজনেরই উপরে হাসি আর ভিতরে খুশি থাকতে হলে আইটেম দুই-তিনটিই উপযুক্ত। এর বেশি হলে সিনেমার ডায়ালগের মতো বলতে হবে-

আইটেম(দেহ) পাবি, মন পাবি না 🙃

সবার বোধোদয় হোক...

25/04/2026

ভয়াবহ অবস্থা 😢

সবই মরিচিকা!

কোথাও মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নেই। লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে আঙ্কারা, জোহানেসবার্গ থেকে ঢাকা; সবখানেই মানুষ মরছে, মানুষ মারছে!

22/04/2026

ইংলিশে কীভাবে প্রো লেভেল এ পৌছাবেন?

মো: তানজিলুর রহমান
প্রশাসন ক্যাডার (৪৪তম বিসিএস)

কিছুদিন আগে একজন জাপানিজ ইনভেস্টরের সাথে আমার কথা হচ্ছিল। কী যে সুন্দর করে যে বাংলা বলে ভাই! আমি অবাক হয়ে গেলাম। আমি জিজ্ঞেস করলাম, বাংলা ভাষায় এত সুন্দর দক্ষতা তুমি কীভাবে অর্জন করেছ? সে বললো, ব্যাবসায়িক কাজে অনেক বাঙালি কমিউনিটির সাথে মেশা হয়েছে, তাদের সাথে কথা বলতে বলতে শিখে ফেলেছি। আমি বললাম, বাংলা ব্যাকরণ, ভোকাবুলারি এসব পড়ো নাই? অথবা কোনো বাংলা কোর্স করো নাই? সে বলল, না, এসব কিছুই করে নাই। চিন্তা করেন! মানুষের সাথে জাস্ট কথা বলতে বলতে বাংলা শিখে ফেলেছে। আর আমরা ২০-৩০ বছর ধরে ইংরেজি শিখতে পারছি না, ইংরেজিতে বেসিক কথাবার্তা বলতে পারিনা। আসলে এটা আমাদের দোষ না। সমস্যা হচ্ছে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার। ইংলিশ শেখার ক্ষেত্রে আমাদের ছোটোবেলা থেকে খুব বাজেভাবে গ্রুমিং করা হয়। আমাদের বছরের পর বছর গ্রামার আর ভোকাবুলারি শেখানো হয়। তার উপরেই পরীক্ষা হয়। এতে আমাদের মধ্যে ধারণা জন্মে যায় যে, গ্রামার আর ভোকাবুলারি শেখা মানেই ইংরেজি শেখা। তাই তো বুড়ো হয়েও আমরা কোথায় Has been বসবে আর কোথায় Had been বসবে এই নিয়ে মারামারি করি, কিন্তু ইংলিশ আর শেখা হয়ে ওঠে না। এর চেয়ে বড়ো সেলুকাস আর কী হতে পারে?

পৃথিবীর যে-কোনো ভাষার সৃষ্টি হয়েছে আমাদের মনের ইচ্ছাগুলোকে প্রকাশ করার জন্য, আপনি যা কল্পনা করেন তা অন্যকে বোঝানোর জন্য। সেই আদিম সমাজ থেকেই মানুষ নিজেদের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ভাষা ব্যবহার করে আসছে। এরা কেউ কোনোদিন গ্রামার শেখে নাইরে ভাই। গ্রামার তো দুইদিন আগের আবিষ্কার। আমাদের দেশে কোটি কোটি মানুষ বাংলায় কথা বলে। এদের মধ্যে কয়জন বাংলা গ্রামার জানে? তারা কমিউনিকেশন, লিসেনিং বা এক কথায় চর্চার মাধ্যমে বাংলা শিখেছে। বাংলাদেশি কাউকে যদি জিজ্ঞেস করেন- "তোমাকে আমি ভবিষ্যতে ভালোবেসেছিলাম" এই বাক্যে ভুল কী? যে কেউই বলে দিতে পারবে ভুল কোথায়। এটাই হচ্ছে ভাষার দক্ষতা। ইংরেজিও একটি ভাষা মাত্র। যে-কোনো ভাষা ভালোভাবে রপ্ত করতে গেলে সেই ভাষায় শুধু গ্রামার আর ভোকাবুলারি শিখলেই হবে না, সে ভাষায় কথা বলতে হবে, লিখতে হবে, শুনতে হবে, পড়তে হবে, এমনকি সে ভাষাতে কল্পনা করাও শিখতে হবে। তাহলেই বলা যাবে আপনি সে ভাষাটা যথাযথভাবে শিখেছেন।

অর্থাৎ ভাষা শেখার জন্য শুধু Grammar আর Vocabulary নিয়ে পড়ে থাকলে হবে না। এর পাশাপাশি আপনাকে Listening, Reading, Speaking, Writing আর Imagining এর চর্চা করতে হবে প্যারালালি। প্রত্যেকটা ধাপে নিজেকে কীভাবে প্রস্তুত করবেন, আমার অভিজ্ঞতার আলোকে শেয়ার করছি-

👉 Vocabulary

আমাদের দেশের যে পরীক্ষা ব্যবস্থা এতে বেসিক ভোকাবুলারি আর গ্রামার না শিখে উপায় নাই। ভোকাবুলারির জন্য Google Play store থেকে ডাউনলোড করুন Magoosh এর GRE vocabulary Flashcards. খেলতে থাকুন এই ফ্লাশ কার্ড। প্রত্যেক শব্দের নীচে থাকে দুইটি অপশন “I Knew this word or I didn’t know this word.” Word না পারলে দ্বিতীয় অংশে ক্লিক করবেন। তাহলে ঘুরে ঘুরে না পারা শব্দটা আবারও সামনে আসবে। যতক্ষণ না মুখস্থ হচ্ছে ঐ শব্দটা ঘুরে ঘুরে সামনে আসতেই থাকবে। না পারা শব্দ একটা নির্দিষ্ট ইন্টারভ্যাল এ সামনে আসাটা ব্রেইনে স্থায়ী হওয়ার জন্য উৎকৃষ্ট উপায়। এছাড়া, এখানে প্রত্যেকটা Word এর ইউজ কেমন হবে, তা বোঝানোর জন্য সুন্দর সুন্দর বাক্য দেওয়া থাকে। খুব খেয়াল করে Word গুলো বাক্যে কীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে তা শেখার চেষ্টা করবেন। এটা শেষ করে Magoosh এর Vocabulary Builder- Test Prep একটা অ্যাপ আছে। ওটা দিয়ে এই যে ভোকাবুলিরাগুলো শিখলেন, তা দিয়ে টিক/ MCQ খেলবেন। একদিকে Vocabulary শিখছেন। অন্যদিকে তা দিয়ে MCQ খেলছেন। দারুণ কেমিস্ট্রি। শব্দগুলো শুরুতে শিখতে আপনার কষ্ট হবে। কিন্তু এই শেখার ফল অনেক মিষ্টি।

👉 Grammar

গ্রামার অংশের জন্য Cliffs TOEFL আর Common Mistakes in English by T.J. Fitikides বই দুইটি মাস্টারপিস। গ্রামার অংশটা ভালো করে দেখে নেবেন এখান থেকে। আর আমাদের মাঝে বহুল প্রচলিত Master/ English for Competitive Exam এই বইগুলোও যথেষ্ট ভালো। এগুলো থেকেও হেল্প নিতে পারেন।

👉 Listening

এক্ষেত্রে একটু ট্যাকটিক্যাল হতে হবে। চাকুরির প্রস্তুতি আর ইংলিশ শেখার মাঝে সেতুবন্ধন সৃজন করতে হবে। যারা বিসিএস বা অন্যান্য সরকারি চাকুরি-এর প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তারা পছন্দের টপিকগুলো YouTube এ ইংলিশ-এ সার্চ দিয়ে দিয়ে দেখবেন, শুনবেন। এতে ঐ বিষয়ে প্রস্তুতিও হলো, আবার ইংলিশ লিসেনিং শেখাও হলো। পাশাপাশি সাম্প্রতিক ও বৈশ্বিক বিষয়াবলি নিয়ে নিজেকে আপডেট রাখার জন্য কোন কোন চ্যানেল ফলো করবেন? প্রথমেই বলি, আমাদের উপমহাদেশের কোনো মানুষের কণ্ঠে সুন্দর ইংলিশে বিশ্বকে জানতে চাইলে দেখুন Firstpost চ্যানেলটি। এখানে প্রতিদিন সময় করে Vantage by Palki Sharma দেখবেন। Palki Sharma এর ইংলিশ টোন এত সুন্দর মাশাল্লাহ। আমার কাছে একসময় Vantage by Palki Sharma কী যে ভালো লাগত! কিন্তু ইদানীং আমার কাছে মনে হচ্ছে এই এপিসোডটাকে জাতীয় উগ্রবাদী আদর্শ ধীরে ধীরে গিলে ফেলছে। যাই হোক, ইংলিশ লিসেনিং এর জন্য এখনো ভালো অপশন।

বিশ্ব ইতিহাস ও সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে BBC, DW, Timeline - World History Documentaries এর ডকুমেন্টরিগুলো দেখবেন। দারুণ লাগবে। মনটা প্রশান্তিতে ভরে যাবে। যেমন- Timeline - World History Documentaries এর একটা ডকুমেন্টরি আছে নেলসন ম্যান্ডেলাকে নিয়ে “How Mandela Changed South Africa | From Prison To President”। আহ! কী দারুণ! এগুলো দেখলে মনে হয়, আরে বিসিএস ক্যাডার হয়ে আর কী হবে? জীবনে এরকম একখান ডকুমেন্টরি বানাতে পারতাম যদি!

FRANCE 24 এ দেখবেন বিভিন্ন সমসাময়িক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে পডকাস্ট। ধীরে সুস্থে দেখবেন সুন্দর সুন্দর বিষয় নিয়ে অতিথিরা কথা বলছে। ভালো লাগবে।

আর কোনো বিষয়ে গভীর বিশ্লেষণের জন্য দেখবেন “VisualPolitik”। খুব দারুণ অ্যানালাইসিস করে এরা।

👉 Reading

নিয়মিত আপডেট এর জন্য Google Play Store থেকে ডাউনলোড করে নিন The Business Standard, The Daily Star, Reuters, Al Jazeera, The Guardian, The Economist, BBC, DW, NYTimes, Washington Post অ্যাপগুলো। সবগুলো অ্যাপ একটি সিংগেল ফোল্ডার করে মোবাইলের হোম স্ক্রিনে রাখুন। ফ্রি সময় পেলেই এগুলোতে চোখ বুলাবেন। সব খুটে খুটে কারো পক্ষে পড়া সম্ভব না। সব পড়ার দরকার নাই। আপনার যা ভালো লাগে তাই পড়ুন। পরীমনিকে নিয়ে ভালো লাগলে তাই পড়েন। তাও সমস্যা নাই। কিন্তু বিসিএস/ অন্যান্য সরকারি চাকুরির সিলেবাসের সাথে বিষয়টা কম্প্যাটিবল- এরকম টপিক পড়লে বেটার। আর পলিটিক্যাল অ্যানালাইসিস-এর জন্য উপর্যুক্ত নিউজপেপারের Opinion, Editorial, Analysis অংশগুলো তো পড়বেনই। পাশাপাশি গভীর অ্যানালাইসিস এর জন্য The Atlantic আর The Diplomat পড়বেন। যখন যে বিষয় নিয়ে দেখবেন বিশ্ব গরম, সাথে সাথে এই দুইটায় সেই বিষয়ে সার্চ দিয়ে পড়ে নিবেন। চমৎকার সব লেখা পাবেন।
কিন্তু কিন্তু এখানে একটা সমস্যা আছে। আমি উপরের যে সোর্সগুলোর কথা বললাম সবগুলো ফ্রিতে পড়তে পারবেন না। কিছু আছে খালি টেহা চাইবে। ভাই, চাইলে টাকা ছাড়াও এগুলো পড়ার উপায় আছে। বিষয়টা আইনসিদ্ধ নয় দেখে আমি পাবলিক পোস্টে শেয়ার করছি না। কিন্তু এখনকার যুগে এগুলো কঠিন কিছু না। কষ্ট করে উপায় খুঁজলে কেষ্ট মিলবেই।

👉 Writing

উপরের সোর্সগুলো থেকে যাই দেখবেন বা পড়বেন, দিনে অন্তত আধাঘণ্টা লিখবেনই মাস্ট। যেই টপিক পড়ে বা শুনে মনে হবে বিসিএস এর সিলেবাসের সাথে relevant, তার উপরে নিজের ইচ্ছা মতো ঘড়ি ধরে লিখে ফেলুন। এবার এটাকে ছবি তুলে পিডিএফ করে ফেলুন। আপলোড করুন ChatGPT অথবা Gemini তে। তাকে বলুন এই লেখাটা আরো কীভাবে সুন্দর করে লেখা যেত? তুলনা করুন। প্রতিদিন নিজেকে ডেভেলপ করুন। আর গ্রামার চেকিং এর জন্য পিসিতে লিখুন অথবা ফোনের জিমেইলে লিখুন আর গ্রামারলি অন করে রাখুন। নিজের ভুল নিজেই বুঝতে পারবেন। ৩০ মিনিটে কতটুকু লিখছেন হিসাব রাখুন। প্রতিদিন নিজের প্রগ্রেস নিজের সাথে মেলান। প্রতিদিন প্রতি মুহূর্তে নিজেকে ছাড়িয়ে যান।

👉 Speaking

স্পিকিং নিয়ে হেল্প নিন AI এর। Gemini/ChatGPT এর Advanced voice mode এ গিয়ে যখন ইচ্ছা তখন AI এর সাথে কথা বলুন।

👉 Imagining

এখন থেকে মনে মনে যে দুশ্চিন্তাগুলো করেন, যেমন- বিসিএস না হলে কী করব? জিএফ কি আমারে ছাড়ি যাইবে গা? অমুকের পিছনে লাগবো কোন স্টাইলে? – এসবও চিন্তা করবেন ইংরেজিতে। "What should I do if I don’t succeed in BCS?", "Is my girlfriend going to leave me?, "In what style should I go after that person?" – এভাবে কল্পনা করা শিখতে হবে। আপাতত ইংলিশ হবে আপনার জীবন ব্যবস্থার একটি অংশ।

কেউ কেউ বলবে “এত ইংরেজি শিখে হবে কি! এর কোনো মানে আছে? হ্যান ফ্যান অনেক কিছু! কিন্তু মনে রাখবেন, বিসিএস বা সরকারি চাকুরির জগতে যখন আপনি পা দিয়েছেন, ইংলিশ ই হবে আপনার সবচেয়ে বড়ো অস্ত্র।

পরিশেষে, নিজেকে নিয়ে কিছু বলি। আপনাদের কাজে লাগবে। বিশ্বাস করেন ভাই, ইংরেজিতে এক সময় আমার অবস্থা খুবই শোচনীয় ছিল। এতই শোচনীয় ছিল যে, বুয়েটে ফার্স্ট ইয়ারের ফার্স্ট সেমিস্টারে আমাদের একটা ইংলিশ কোর্স ছিল- সেটাতে আমি ফেইল করেছিলাম। আমার খুব মেজাজ খারাপ হলো।এর পরে ভার্সিটিতে থাকা অবস্থাতেই আমি ইংলিশে নিজেকে ডেভেলপ করা শুরু করি। ইংলিশে ভাংগা ভাংগা জ্ঞান নিয়েই আমি টুকটাক ইংলিশ বই ও পত্রিকা পড়া শুরু করি। কিছু বুঝতাম, কিছু বুঝতাম না। কিন্তু পড়ে গেছি। যাই হোক, শেষ বর্ষের ফাইনাল সেমিস্টার পরীক্ষা দেওয়ার সময়ে বিসিএস পরীক্ষা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। সেমিস্টার শেষ হওয়ার সাথে সাথে আমি ইংলিশে নিজেকে ডেভেলপ করার জন্য জোরেশোরে কাজ শুরু করলাম। কারণ প্রশ্ন Analysis করে দেখলাম, ইংলিশে সুপার ডুপার প্রিপারেশন না থাকলে কোথাও ভালো করা যাবে না। এর পরে আমি উপর্যুক্ত উপায়ে বেসিক ভোকাব আর গ্রামার শেখার পরে লিসেনিং, রিডিং, রাইটিং এ ব্যাপক জোর দিই। আমি আমার জীবনে যে পরিমাণে ইংলিশ নিউজ, আর্টিকেল আর বই পড়েছি, তা দিয়ে মনে হয় একটা বড়োসড়ো লাইব্রেরি বানানো যাবে। আমি ঘণ্টার পর ঘণ্টা YouTube এ ইংরেজি নিউজ শুনেছি, ডকুমেন্টরি দেখেছি। আমি সময় পেলেই ইংলিশে লিখেছি। এর পরে আর পিছে ফিরে তাকানো লাগে নাই। আপনারা জানেন, আমি বাংলা ভার্শনের ছাত্র হওয়া সত্ত্বেও ৪৪তম বিসিএস ইংলিশ ভার্শনে পরীক্ষা দিয়েছি। আমি আমাদের দেশের বিনিয়োগকে প্রমোট করার জন্য বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ইংরেজিতে Presentation দিই। এগুলো একদিনে হয় নাই। সত্যি বলতে আমার এখন গ্রামারের কোনো রুলস মনে নাই। এগুলোর কোনো প্রয়োজনও হয় না। একটা বাক্য দেখলেই বুঝতে পারি এখানে সমস্যা আছে কীনা; এটারে কীভাবে ভাবে ঠিক করা লাগবে। একটা প্যাসেজ এ যতই অজানা ভোকাবুলারি থাকুক, পড়া মাত্রই থিমটা বুঝতে পারি। যা মনে চাই নির্ভুলভাবে লিখতে পারি।

যথাযথভাবে ইংলিশ যদি শিখতে চান, পালটে ফেলুন জীবনে চলার স্টাইল। মননে, চলনে, স্বপনে রাখুন ইংরেজিকে। ভালোবাসুন ইংরেজিকে।

[পরবর্তী কোনো এক স্লটে ম্যাথ নিয়ে লেখার চেষ্টা করবো]


21/04/2026

বলেন দেখি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কৃষক কে?

নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। তবে পৃথিবীর বড় কয়েকজন কৃষকের একজন ছবির এই ভদ্রলোক।

অবাক হচ্ছেন? বিল গেটস এর কথা ই বলছি। মাইক্রোসফট এর প্রতিষ্ঠাতা, পৃথিবীর শীর্ষ ধনীদের একজন এবং লম্বা সময় ধরে শীর্ষ ধনী থাকা বিল গেটস একজন বড় কৃষকও!

তাঁর কৃষিজমির পরিমাণ শুনলে আপনার মাথা ঘুরতে পারে। ২ লক্ষ ৭৫ হাজার একর! আমাদের ফেনী জেলার ক্ষেত্রফল ২ লক্ষ ৫৫ হাজার একর। তার মানে বিল গেটস এর কৃষিজমির পরিমাণ ফেনী জেলার চেয়ে ২০ হাজার একর বেশি!

বিল গেটস প্রধানত আলু, সয়াবিন, গাজর, গম, ভূট্টা, তুলা ও ধান চাষ করে।

আমরা যেহেতু এখন মার্কিন কৃষিপণ্য আমদানি করছি, হয়তো আমাদের প্রতিদিনের কোন খাদ্যের চাষি বিল গেটস 🙂

কমেন্ট এ এ সম্পর্কিত কিছু ফটো কার্ড এবং খবরের লিংক দিচ্ছি। আগ্রহীরা দেখতে পারেন।

সবার জন্য শুভকামনা 🙂

19/04/2026

Wow

ছবিতে আছেন রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশ, তাঁর মা কবি কুসুমকুমারী দাশ, বাবা প্রাবন্ধিক সত্যানন্দ দাশ, বোন সুচরিতা দাশ।

আজকের লেখা কবি জীবনানন্দ দাশ ও তাঁর পরিবার নিয়ে...

"শেষবার তার সাথে যখন হয়েছে দেখা মাঠের উপরে
বলিলাম: ‘একদিন এমন সময়
আবার আসিয়ো তুমি, আসিবার ইচ্ছা যদি হয়!–
পঁচিশ বছর পরে!
--- জীবনানন্দ দাশ

বাংলা কবিতায় তাঁর মতো প্রভাব মনে হয় আর কারো নেই। তাঁকে বলা হয় 'রূপসী বাংলার কবি', চিত্ররূপময় কবি, নির্জনতার কবি, ধূসরতার কবি, তিমির হননের কবি, প্রকৃতির কবি, বিপন্ন বিস্ময়ের কবি!

অন্নদাশঙ্কর রায় তাঁকে অ্যাখ্যায়িত করেছেন 'শুদ্ধতম কবি' বলে। এতো উপমা, এতো কাব্যিক নাম আর কোন কবির ভাগ্যে জুটেছে বলে মনে হয় না।

অথচ তাঁর জীবনটাই ছিল দুর্ভাগ্যের, অভাবের, অখ্যাতির। বলা হয়ে থাকে তিনি কবি হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছেন মরে যাওয়ার বেশ পরে! কলকাতার রাস্তায় ট্রামের নিচে পরে যখন তিনি এ দুনিয়া ত্যাগ করেছেন তখনো তিনি জানেন না তাঁর কবিতা কেউ পড়বে!

আর ভালোবাসা; সেটা তিনি কখনোই পাননি! তবু তিনি লিখে গেছেন মনের আনন্দে। ভিন্ন চোখে দেখেছেন রক্তকরবি, হিজল আর কলমি ফুলের সৌন্দর্য! এক অনন্য সুন্দর অবয়বে অসাধারণভাবে তুলে ধরেছেন সাধারণ সব জিনিসকে!

জীবনানন্দ দাশের রক্তেই ছিল কবিতা। আমাদের শৈশবের প্রিয় লাইন-

"আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে,
কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে।"

কবি কুসুম কুমারী দাশের বিখ্যাত কবিতা আদর্শ ছেলের লাইন। কবি কুসুম কুমারী দাশ ছিলেন জীবনানন্দ দাশের মা। জীবনানন্দ দাশ তাঁর মায়ের আদর্শ ছেলের মতোই কাজে বড় হয়েছিলেন।

তাঁর পিতা সত্যানন্দ দাশও ছিলেন প্রাবন্ধিক, শিক্ষানুরাগী। জীবনানন্দ দাশ বিয়ে করেছিলেন কলকাতার লাবণ্য গুপ্তকে। দুটি সন্তান ছিল তাঁদের, মেয়ে মঞ্জুশ্রী ও ছেলে সমরানন্দ। পারিবারিক জীবনে তিনি ছিলেন চির অভাবী, হতদরিদ্র ও চরম অসুখী একজন মানুষ।

বাংলা সাহিত্যের শুদ্ধতম কবি জীবনানন্দ দাশ জন্মেছিলেন ১৮৯৯ সালে এবং তাঁর ৫৫ বছরের অতৃপ্ত জীবনাবসান হয়েছিল ১৯৫৪ সালে।

কে জানে হয়তো এই অতৃপ্তি থেকেই সৃষ্টি হয়েছিল সাতটি তারার তিমির, বনলতা সেন বা রূপসী বাংলার মতো অমর সব সৃষ্টি!

জীবনানন্দ দাশের আবার আসিব ফিরে কবিতার শেষাংশ দিয়ে শেষ করছি-

হয়তো দেখিবে চেয়ে সুদর্শন উড়িতেছে সন্ধ্যার বাতাসে।
হয়তো শুনিবে এক লক্ষীপেঁচা ডাকিতেছে শিমুলের ডালে।
হয়তো খৈয়ের ধান সরাতেছে শিশু এক উঠানের ঘাসে।
রূপসার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক সাদা ছেঁড়া পালে
ডিঙ্গা বায় – রাঙ্গা মেঘে সাঁতরায়ে অন্ধকারে আসিতেছে নীড়ে,
দেখিবে ধবল বক; আমারে পাবে তুমি ইহাদের ভীড়ে।।

ফিরে এসো প্রিয় কবি ❤️

16/04/2026

বাংলা নববর্ষের উৎপত্তি বা শুরু করা হয় আরবি বা হিজরী নববর্ষ থেকে। হিজরি বর্ষ হলো মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর হিজরতের বছর থেকে গণনা শুরু করা বছর। এটি চালু করেন হযরত ওমর (রাঃ)।

হিজরি বর্ষ ৩৫৪ দিনে। এটি চাঁদের হিসেবে গণনা করা হয় (১২ টি চাঁদের মোট সময়কাল)। এজন্য হিজরি সনকে চন্দ্র বর্ষও বলে।

মুঘল সম্রাট আকবরের নির্দেশে বাংলার কৃষকদের থেকে খাজনা আদায়ের সুবিধার জন্য বাংলা নববর্ষ চালু করা হয়। বিশিষ্ট জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ ফতেহউল্লাহ সিরাজী সম্রাট আকবরের নির্দেশনা পেয়ে এটি তৈরি করেন।

হিজরি ৯৬৩ সালকে বাংলা ৯৬৩ সাল ধরে বাংলা নববর্ষ শুরু হয়। শুরুতে বাংলা সনও হিজরি সনের মতো চাঁদের হিসেবে গণনা করা হতো। ৩৫৪ দিনে বছর হওয়ায় পরবর্তীতে দেখা যায় ঋতু নির্দিষ্ট থাকছে না। ফসলের সময় ও খাজনা আদায়ে বেশ অসুবিধা শুরু হয়।

এ থেকে পরিত্রাণ পেতে এরপর ৩৫৪ দিনের পরিবর্তে সূর্যের পরিভ্রমণ হিসেব করে ইংরেজি সনের মতো ৩৬৫ দিনে বছর ধরে বাংলা সন গণনা শুরু হয়। ফসলের হিসাব ও খাজনা আদায়ের জন্য তৈরি বলে একে ফসলী সনও বলা হয়।

সম্রাট আকবরের সময়ে বাংলা ছাড়া ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যান্য অনেক অঞ্চলেও এ ধরণের পঞ্জিকা চালু করা হয় যদিও বাংলা পঞ্জিকাই সবচেয়ে গৌরবে এখনো টিকে আছে।

হিজরি সন ১১ দিন কমে হয়। এজন্য ৯৬৩ সাল বাংলা ও হিজরি একই থাকলেও আজ বাংলা ১৪৩৩ সাল শুরু হয়েছে যেখানে এখন হিজরি সন ১৪৪৭ সাল।

এবার আরেকটা আলোচনায় আসি। আকবর কী নতুন করে বাংলা নববর্ষ চালু করেছেন নাকি সম্রাট শশাঙ্ক তৈরি করা বাংলা সন পুনঃ প্রবর্তন করেছেন? এই আলোচনাটা ইদানিং ভালোই হচ্ছে।

আমি সামান্য যতটুকু পড়াশোনা করে বুঝেছি তার প্রেক্ষিতে কয়েকটা বিষয়-

১. শশাঙ্ক এই অঞ্চলের শাসক ছিলেন আনুমানিক ৫৯০/৬০০ থেকে ৬৩৭ সাল পর্যন্ত। বাংলা ভাষার উত্পত্তি হয় তারও অনেক পরে, আনুমানিক ৭০০ থেকে ১০০০ সালের দিকে। বাংলা ভাষার উত্পত্তির আগে কেউ বাংলা পঞ্জিকা তৈরি করাটা যৌক্তিক মনে হয় না আমার কাছে।

২. বাংলা সন চালু হয় ইংরেজি ১৫৮৪ সাল থেকে। যদিও সম্রাট আকবরের সিংহাসনে আরোহনের সাল ১৫৫৬ সাল থেকে হিসাব শুরু করা হয় (ব্যাক ক্যালকুলেশন)। ১৫৮৪ সালের আগে রচিত চর্যাপদ থেকে শুরু করে অসংখ্য শিল্প-সাহিত্য, দলিল দস্তাবেজ এখনো পাওয়া যায়। সেগুলোর কোনটিতে বাংলা সনের অস্তিত্ব পাওয়া যায় না। শশাঙ্ক যদি তাঁর সময়ে কোন পঞ্জিকা চালু করেও থাকে সেটা বাংলা পঞ্জিকা নয় এবং সেটা থেকে এখনকার বাংলা পঞ্জিকা আসেনি এটা নিশ্চিত।

৩. ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহসহ বেশিরভাগ ভাষাবিদ বাংলা সনের প্রবর্তক হিসেবে আকবরকেই চিহ্নিত করেছেন। শশাঙ্কের আলোচনাটা একেবারেই নতুন।

যাইহোক, একাডেমিক আলোচনা করলাম। ভাষাবিদ, ইতিহাসবিদগন হয়তো আরো গভীরে যাবেন। যেটা সঠিক সেটাই প্রতিষ্ঠিত হোক। ইতিহাস বিকৃতির অপসংস্কৃতি এই উপমহাদেশ থেকে বিদায় নিক। সবার জন্য শুভকামনা 🙂

শুভ নববর্ষ 🎉

12/04/2026

সংক্ষেপে চন্দ্র অভিযান আর্টিমিস-২

১. এই অভিযানটা ছিল মূলত ১১ লক্ষ ১৮ হাজার কিলোমিটারের একটা জার্নি। উপরের ছবিটা দেখেন। ১ নম্বর থেকে শুরু করে ওরিয়ন ক্যাপসুলটি ২, ৩.. এভাবে আবার ১২ তে এসে পৃথিবীতে থামে। ৭, ৮ এবং ৯ খেয়াল করুন। এই সময়টাতে নভোচারীরা চাঁদকে ৪০৭০ মাইল উপর থেকে পর্যবেক্ষণ করেন।

ক্যাপসুলটি যখন ৮ নম্বর পয়েন্টের কাছে ছিল তখন চাঁদের একপাশে ছিল নভোচারীরা, অন্য পাশে পৃথিবী। চাঁদের বাধার কারণে ঐ সময় প্রায় ৪৫ মিনিট নভোচারীরা পৃথিবী থেকে কোন সিগনাল পায়নি বা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল।

২. এই মিশনে স্বাভাবিক মানুষ পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দূরে যাওয়ার রেকর্ড করে। আগে যখন পৃথিবী থেকে চাঁদে মানুষ যায় তখন চাঁদের পৃথিবীর পাশের দিকটায় অবতরণ করে। এবার উল্টো পাশ দিয়ে ঘুরে আসার কারণে পৃথিবী থেকে ৪,০৬, ৭৭১ কিমি দূরে যায় মানুষ যা এযাবৎ কালে মানুষের সবচেয়ে দূরে গমন।

৩. প্রথমবারের মতো একজন নারী এবং একজন কৃষ্ণাঙ্গ চাঁদে গেছেন এই অভিযানে। নারী নভোচারী কিন্তু বেশ অভিজ্ঞ নভোচারী। তিনি এর আগে মহাকাশে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে ৩২৮ দিন অবস্থান করেন। আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন হলো পৃথিবী থেকে ৪০০ কিলোমিটার উপরে স্থাপিত একটা কৃত্রিম স্যাটেলাইট স্টেশন। এটা সবসময় পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে ঘুরছে। নভোচারীরা সেখানে গিয়ে থাকে এবং বিভিন্ন ধরণের গবেষণা করে।

৪. ওরিয়ন ক্যাপসুলটি সর্বশেষ প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণ করে। সাগরে অবতরণ করানোর কারণ অনেকগুলো। প্রথমত অত্যন্ত উচ্চ গতিতে নেমে আসা মহাকাশযান ভূমিতে নির্দিষ্ট স্থানে অবতরণ করানো প্রায় অসম্ভব। তাছাড়া অনেক গতি এবং বায়ুমণ্ডলের বাতাসের সাথে এর ঘর্ষণের ফলে এটি একটি অগ্নিকুণ্ডে পরিণত হয়। ক্যাপসুলের বাহিরের তাপমাত্রা প্রায় ৩০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পর্যন্ত পৌঁছে (ভিতরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়।)। সমুদ্রে অবতরণ করালে ঝুঁকি অনেক দিক দিয়ে কমে আসে।

৫. একটা অভিযান আমরা যেভাবে দেখি বিজ্ঞানীদের কাছে তা অত সহজ না। পুরো মিশনের প্রতিটা সেকেন্ড আগে থেকেই নিশ্চিত করা হয়। মিশন শুরুর আগেই নিশ্চিত করা হয় ১১ লক্ষ কিলোমিটার ঘুরে আসার পর কয়টা বেলুন ক্যাপসুলের উপরে ফুলে উঠবে বা তাঁদেরকে উদ্ধার করতে কোন কোন হেলিকপ্টার যাবে। বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের এই মহা কর্মযজ্ঞ করার জন্য কতশত রাত নির্ঘুম কাটিয়েছে হাজার হাজার কাজপাগল বিজ্ঞানী এটা আমরা জানি না।

৬. অশিক্ষিত জাতির কাছে এসব সবই অর্থহীন। শিক্ষিত জাতির কাছে অমূল্য অর্জন। কারো চোখে অর্থহীন এসব করতে করতেই ওরা রেডিও, টেলিভিশন, বিদ্যুৎ, রকেট, বিমান, কম্পিউটার, এক্সরে মেশিন, জলাতঙ্কের টিকা, পারমাণবিক বোমাসহ কত কত জিনিস তৈরি করলো!

আজ এখানেই থামি। সবার জন্য শুভকামনা 🙂

12/04/2026

?

সবসময় লেবাননের রাষ্ট্রপতি হবেন একজন খ্রিস্টান, প্রধানমন্ত্রী হবেন একজন সুন্নী মুসলিম এবং সংসদের স্পিকার হবেন একজন শিয়া মুসলিম..

অবাক করার মতো না! দেশটির জাতিগত ও ধর্মীয় সংঘাত কমানোর জন্য ঐতিহাসিক এই সমঝোতা করা হয় এবং মেনে চলা হয়। বর্তমান রাষ্ট্রপতি জোসেফ আউন, প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম ও স্পিকার নবিহ বেরি এই সমঝোতা ফলো করে নির্বাচিত।

আরবের ছোট দেশটি সিরিয়া, ভূমধ্যসাগর ও ইসরাইল বেষ্টিত। প্রায় ৫০ লাখ জনসংখ্যার দেশটিতে রয়েছে বিভিন্ন ধর্ম ও গোত্রের মানুষের বাস।

হিজবুল্লাহ দেশটির প্রভাবশালী সশস্ত্র গোষ্ঠী। শিয়া মুসলিম এই গোষ্ঠী লেবাননে সামরিক ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী। ১৯৯২ সাল থেকে হাসান নাসারুল্লাহ ছিলেন হিজবুল্লাহর প্রধান। ২০২৪ সালে তিনি বিমান হামলায় নিহত হন।

হিজবুল্লাহর সাথে ইসরাইলের দ্বন্দ্ব অনেক পুরোনো। ইরানের সাথে হিজবুল্লাহর সম্পর্কের কারণে হিজবুল্লাহও ইসরায়েলের টার্গেট এ থাকে সব সময়। আবার সীমান্তসহ অন্যান্য বিষয়ে লেবাননের সাথে ইসরায়েলেরও সমস্যা আছে। ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের মাঝেই লেবাননে ব্যাপক হামলা শুরু করে ইসরায়েল। হিজবুল্লাহও রকেট হামলা করে এর কিছু কিছু জবাব দিচ্ছে।

সর্বশেষ ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ বিরতি হুমকির মুখে পড়ে ইসরায়েল এর অব্যাহত লেবাননে হামলার কারণে। ইরান বলছে লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে তাঁরা যুদ্ধ বিরতি মানবে না...

আজ এই পর্যন্ত থাকুক। সবার জন্য শুভকামনা 🙂

08/04/2026
08/04/2026

OMG!

ছবিতে আছেন বর্তমান সংসদের সদস্য নায়াব ইউসুফ(১), তাঁর পিতা সাবেক মন্ত্রী চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ(২), চাচা সাবেক এমপি চৌধুরী আকমল ইবনে ইউসুফ(৩), দাদা পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য মোহন মিয়া বা ইউসুফ আলী চৌধুরী(৪), মোহন মিয়ার ভাই, পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী লাল মিয়া বা চৌধুরী আব্দুল্লাহ জহির উদ্দিন(৫), তাঁদের পিতা, জমিদার ময়েজ উদ্দিন(৮), মোহন মিয়ার স্ত্রীর ভাই জাতীয় পরিষদের সদস্য পীর দুদু মিয়া(৭)ও তাঁর নাতি বর্তমান এমপি পীরজাদা হানজালা(৬)।

বাংলাদেশের যেকোনো ইতিহাস বই পড়লে 'লাল মিয়া' ও 'মোহন মিয়া' নামের দুইজন বিখ্যাত রাজনৈতিক নেতার নাম পাবেন। যদিও লাল মিয়া ও মোহন মিয়া তাঁদের আসল নাম নয়, তবু এই নামেই তাঁরা বেশি পরিচিত ছিলেন।

চলেন আজকে ফরিদপুরের বিখ্যাত এই রাজ ও রাজনৈতিক পরিবার সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি...

নায়াব ইউসুফ বর্তমান সংসদের একজন সরকারদলীয় সদস্য।

তাঁর পিতা চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ ছিলেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময় এমপি; সাত্তারের সময় মন্ত্রী, ১৯৯১ সালে এবং ২০০১ সালে বেগম খালেদা জিয়ার সাথে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী।

চাচা চৌধুরী আকমল ইবনে ইউসুফ বিএনপি থেকে নির্বাচিত সাংসদ ছিলেন।

নায়াব ইউসুফের দাদা ছিলেন মোহন মিয়া বা ইউসুফ আলী চৌধুরী। মোহন মিয়া ছিলেন প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য।

মোহন মিয়ার ভাই লাল মিয়া বা চৌধুরী আব্দুল্লাহ জহির ছিলেন পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এখানে ছবিতে তিনি মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সাথে দাঁড়িয়ে আছেন।

তাঁদের পিতা জমিদার ময়েজ উদ্দিন ছিলেন ফরিদপুর, রাজবাড়ী অঞ্চলের জমিদার। অনেক বড় এলাকা ব্যাপি ছিল তাঁর জমিদারির মধ্যে।

মোহন মিয়া বিয়ে করেছেন পীর দুদু মিয়ার বোনকে। পীর দুদু মিয়া ছিলেন পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য।

পীর দুদু মিয়ার নাতি হলেন বর্তমান সংসদের আরেক সাংসদ পীরজাদা হানজালা। তিনি খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হিসেবে রিক্সা মার্কায় নির্বাচন করে এবার এমপি হন।

আজ এতটুকু পর্যন্ত থাকুক। সবার জন্য শুভকামনা 🙂

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Dhaka