13/02/2023
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=153819640802647&id=100085238364008&mibextid=Nif5oz
MIB (Made In Bangladesh) is a newly launched f-commerce store for different types of quality products. Near future MIB will add fresh protein foods.
The quality products lovers can find wide collections of products in the store. At present MIB is selling quality homedecor products, Kids learning toys (Homeschool-bd). The store is offering the cheapest price in the market with both home delivery and pick-up point’s options.
13/02/2023
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=153819640802647&id=100085238364008&mibextid=Nif5oz
My First Busy Book
31/05/2022
https://www.facebook.com/267049871838621/posts/444361854107421/
যে কারণে শিশুকে খুব বেশি বকাঝকা করা বা গায়ে হাত তোলা একদমই ঠিক না, আজই সতর্ক হনঃ
ছোট বাচ্চা আছে যাদের তাদের মেজাজ ঠিক রাখাটা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে প্রায়ই। তাই দেখা যায় যে, তাদের শান্ত করার জন্য বকা দেয়া হয়। সন্তান যখন কোন ভুল করে তখন অনেক পিতামাতাই বেশ কঠিন শব্দ ব্যবহার করে তাকে শাসন করার জন্য দ্বিতীয়বার চিন্তা না করেই।
কারণ তারা মনে করেন যে সন্তানকে বাথরুমে বা অন্ধকার কক্ষে আটকে রাখার চেয়ে তাকে মৌখিকভাবে শাসন করা ভালো। কিন্তু ভুলটা এখানেই! শিশুকে শারীরিকভাবে আঘাত না করেও মৌখিকভাবে বকা দিলেও তার আত্মবিশ্বাস কমে যায়। তাছাড়া শিশুকে কঠিন শব্দ ব্যবহার করে বকা দিলে তাদের যে ক্ষতি হয় সে বিষয়ে জেনে নিই চলুন।
নবজাতক থেকে এক বছরের শিশুদেরঃ
এই বয়সের শিশুদের দেখাশুনা করার ক্ষেত্রে প্রচুর ভালোবাসা, যত্ন, স্নেহ এবং ধৈর্য থাকা প্রয়োজন। যদি আপনি প্রসব পরবর্তী বিষণ্ণতায় ভুগে থাকেন তাহলে আপনার সন্তান লালন পালনের ক্ষেত্রে মেজাজ নিয়ন্ত্রণে নাও থাকতে পারে এবং আপনি হয়তো আপনার সন্তানের উপর চেঁচামেচি করতে পারেন। মনোরোগ বিশেষজ্ঞের মতে, এটি আপনাকে কোনভাবেই সাহায্য করবে না। আপনার ছোট শিশুটির কাছে বার্তা পৌঁছানোর জন্য যদি আপনি বকা দেন তাহলে আপনি শুধু একজন বিরক্তকর মানুষেই পরিণত হবেন।
এর প্রভাবঃ
এই বয়সের শিশুদের উপর চেঁচামেচি করা প্রাসঙ্গিক হতে পারে না। এতে তারা শুধু বিরক্তই হবে এবং এতে তাদের ঘুম চক্রে ব্যাঘাত সৃষ্টি হতে পারে।
যা করবেনঃ
শিশুকে শান্ত করার চেষ্টা করুন, তাকে জড়িয়ে ধরুন, তার সাথে খেলা করুন অথবা কথা বলুন। যাতে শিশু নিরাপদ ও স্বস্তি অনুভব করে এবং এর মাধ্যমে আপনার সাথে তার বন্ধন দৃঢ় হবে।
এক থেকে তিন বছরের শিশুদেরঃ
এই বয়সের শিশুরা খুবই নমনীয় হয় এবং এই সময়ে তাদের সাথে যে আচরণ করা হয় তা তাদের মনে যে ছাপ ফেলে তা দূর করা বেশ কঠিন হয়ে পরে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শিশুদের বকা দেয়া হয় তাদের শৃঙ্খলা শেখানোর চেয়েও তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য। শিশু যাতে ভেজা মেঝের উপর দিয়ে দৌড়াদৌড়ি না করে, টয়লেটের নিয়মকানুনগুলো যদি অনুসরণ না করে বা সে যদি খাবার খুব দ্রুত খায় তাহলে হয়তো আপনি আপনার শিশু সন্তানকে বকা দেন। কিন্তু সে এটি বুঝতেই পারে না।
এর প্রভাবঃ
এই বয়সের শিশুদের উপর চিৎকার চেঁচামেচি করলে তারা উদ্বিগ্ন হয়। অনেকবেশি বকাঝকা করলে তাদের মুক্ত চিন্তা এবং আত্মবিশ্বাস ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
যা করবেনঃ
এক্ষেত্রে আপনি আপনার সন্তানকে শান্ত করে বসিয়ে বুঝিয়ে বলুন কেন তাকে এই কাজটি করতে নিষেধ করছেন এবং কীভাবে তা তার ক্ষতি করতে পারে।
তিন থেকে পাঁচ বছরের শিশুদেরঃ
এই বয়সের শিশুরা নিয়মিত অন্যদের আচরণের সাথে নিজের আচরণের তুলনা করে থাকে। তাই আপনি তার সাথে যেভাবে কথা বলবেন বা বকাঝকা করবেন সে সেটা শিখবে। মনে রাখবেন এই বয়সে তারা বড়দের কাছ থেকে সম্মান আশা করে।
এর প্রভাবঃ
অনেকবেশি বকাঝকা দেয়া পিতামাতা ও সন্তানের বন্ধনের উপর চাপ সৃষ্টি করে। শিশু নিজেকে শুধরানোর চেষ্টা করে বাবা-মা যেমন চায় তেমন ভাবেই। কিন্তু এটি আত্ম-বিধ্বংসী একটি প্রক্রিয়া। এতে সে আপনার প্রতি নির্ভরশীল হয়ে পরে।
যা করবেনঃ
যদি কঠিন কথা বলেও ফেলেন তাহলে দ্রুতই তাকে বুঝিয়ে বলুন কেন বলেছেন এমন কথা। যদি গ্লাস ভাঙার কারণে বা দুধ ফেলে দেয়ার কারণে বকা দিয়ে থাকেন তাহলে দুজনে একসাথে পরিষ্কারের কাজটি করুন। তার ভুল কাজটি সঠিকভাবে করার জন্য তাকে যুক্ত করুন কাজটির সাথে। আপনি যখন তার কাজের সাথে যুক্ত হবেন তখন সে শেখার জন্য আগ্রহী হবে।
বকা দেয়ার ও প্রয়োজন আছেঃ
শিশুকে একেবারেই বকা না দিয়ে বড় করাও ক্ষতিকর। শিশুকে অনেক বেশি প্রশ্রয় দিলেও সে পরবর্তীতে আপনার কথা শুনতে চাইবেনা। পরবর্তীতে অর্থাৎ ৭-৮ বছর বয়সে আপনি যখন তাকে শৃঙ্খলা শেখাতে চাইবেন তখন সে বিদ্রোহ করবে। একটা সময়ে তার মধ্যে আত্ম-বিধ্বংসী অভ্যাস যেমন- ধূমপান, দেয়ালের সাথে মাথা ঠোকা এবং বিচ্ছিন্নতা ইত্যাদি গড়ে ওঠবে। তাই ভালো উপায় হচ্ছে কাজ এবং এর পরিণাম পরিকল্পনা করা। শিশুকে বকা দিলেও দিন শেষে তাকে জড়িয়ে ধরুন ও স্নেহের বাক্য বলুন।
©️
Homeschool-bd
24/05/2022
https://www.facebook.com/267049871838621/posts/439469531263320/
বিষয়ঃ সন্তানের প্রতি আজে-বাজে মন্তব্য না করা।
অনেক মা-বাবাই সন্তানদের প্রতি নানা রকম কমেন্ট বা মন্তব্য করেন।এতে ছেলে-মেয়েদের মন ছোট হয়ে যায়,তারা নিজেরা অপমানিতবোধ করে,কষ্ট পায়।তাদের নানা অপারগতার জন্য,দুষ্টামি ও বিভিন্ন রকমের ভুলের জন্য আমাদের উচিত সুন্দর করে বুঝিয়ে বলা।হঠাৎ তাদের কোন প্রশ্নে,কোন কাজে বা পরীক্ষার সম্ভাব্য নাম্বার না পেলে আমরা এমন কিছু মন্তব্য করে বসি যা একদম ঠিক নয়।এতে করে সন্তান এসব বাক্য নিজেরাও শিখে ফেলে এবং অন্যদের বলে বেড়ায়।
যুক্তরাষ্ট্রের চিলড্রেনস হসপিটাল অব উইসকনসিনের চিকিৎসক ডাক্তার কেনেথ এল গ্রিজেল তাঁর বৈজ্ঞানিক এক নিবন্ধে বলেন, ‘কৈশোরে মানসিক অশান্তির অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে মা-বাবার কোনো বিষয় নিয়ে “ঘ্যানঘ্যান” করা। সন্তানের প্রতি মা-বাবার এমন আচরণে ৯০ শতাংশ কিশোর-কিশোরী তাদের কৈশোরে কোনো না কোনো সময়ে মানসিক অবসাদ আর হতাশায় ভোগে।’
১৪ থেকে ২১ বছরের শতকরা ৭৬ ভাগ মানুষই মা-বাবার খুঁতখুঁতে আচরণের কারণে মা-বাবার ওপরে বিরক্তি প্রকাশ করে। এই বিরক্তির কারণে ৮০ শতাংশ সন্তানই বয়ঃসন্ধিকালীন সময়ে মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে নিজেকে জড়িয়ে ফেলে।’
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনের ইন্ডিয়ান জার্নাল অব সাইকিয়াট্রিতে এক তথ্যে বলা হয়েছে, প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে মানসিক অবসাদ আর হতাশার হার বাড়ছে। ২০২০ সালের মধ্যে পৃথিবীতে মানসিক হতাশাগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ৫ দশমিক ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।
নিম্নে কমন কিছু ভুল বাক্য দেয়া হলো যা আমরা বলে থাকি এবং যা বলা থেকে আমাদের উচিত বিরত থাকাঃ
১.তোকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না।
২.তুই একটা গাধা।
৩.তুই আস্ত একটা গর্দভ।
৪.তুমি একটা গরু/বলদ।
৫.তোর মাথা ভরা গোবর।
৬.তুই একটা ফালতু ছেলে/মেয়ে।
৭.তুই একটা অসভ্য।
৮.শয়তানের হাড্ডি একটা।
৯.তোর চেয়ে ওমুক অনেক ভালো।
১০.তুই না হইলেই ভালো হইত।
১১.হওয়ার সময় মরে গেলে বাচতাম।
১২.তোর কারণে আমাদের জীবনটা শেষ।
এমন অনেক বাক্যেই আমরা রাগের জন্য সন্তানদের বলে থাকি।রাগ শয়তানের বড় একটা ফাদ।
রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
প্রকৃতপক্ষে সে ব্যক্তিই শক্তিশালী, যে রাগের সময় নিজেকে সংবরণ করতে পারে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৬৮০৯)
যারা রাগ সংবরণকারী এবং মানুষের প্রতি ক্ষমাশীল; আর আল্লাহ মুহ্সিনদেরকে ভালবাসেন।(সূরা আলে ইমরান -১৩৪)
এসব থেকে অবশ্যই বুঝতে পারছেন আমাদের উচিত এমন বাক্য থেকে নিজেকে দূরে রাখা।
মনোচিকিৎসক ও গবেষকেরা সন্তানের সুস্থ মানসিক বিকাশের জন্য সচেতন মা-বাবা হিসেবে সন্তানকে নিজের মতো একটু সময় দিয়ে তাকে সহযোগিতার মনোভাব দেখানোর দিকে গুরুত্ব দেন।
সুতরাং, আপনার সন্তানের সমস্যা-দ্বিধা-অস্বস্তি আপনাকেই প্রথমে বুঝতে হবে। এ জন্য সন্তানের সঙ্গে যতটা সম্ভব বন্ধুসুলভ আচরণ করার চেষ্টা করুন।সন্তানের খারাপ দিক কিংবা ব্যর্থতার কথা সন্তানকে বারবার মনে করিয়ে কথা বলা থেকে বিরত থাকুন। এতে সন্তানের হতাশা আরও বেড়ে যায়।
©️
Homeschool-bd
05/05/2022
https://www.facebook.com/267049871838621/posts/427277119149228/
শিশুকে ১৮ মাস পর্যন্ত গরুর দুধ দিবেন না!!!
Homeschool-bd
01/05/2022
https://www.facebook.com/267049871838621/posts/424390006104606/
কিভাবে বাচ্চাদের মারধর করা বন্ধ করবেন??
ইদানিং প্রাকটিসে খুব কমন একটা ব্যাপার শুনি, মায়েরা অল্পতেই বিরক্ত হয়ে বাচ্চাদের মারধর করেন। কোন কোন মা মনে করেন, মারধরই বাচ্চাকে মানুষ করার একমাত্র মাধ্যম। কোন কোন মা বিরক্ত হয়ে মারতে মারতে একসময় বাচ্চাটি ঘুমিয়ে পড়লে বাচ্চার মারের দাগ দেখে মায়ের মন অস্থির হয়ে যায়, সারারাত ঘুমাতে পারেন না, যন্ত্রণায় মায়ের মন ছট ফট করতে থাকে, কেউ কেউ আবার নিজেকেও আঘাত করেন। অনেক মায়েরা বাচ্চাদের মারতে না চাইলেও নিজেকে থামাতে পারছেন না। আর কোন সমাস্যা না থাকলেও শুধু এই কারণেই অনেক দম্পতির মধ্যে দাম্পত্য কলহ লেগেই থাকে।
কি করা যায়ঃ শুধু মাত্র নিচের কৌশলগুলি অনুসরণ করে বাচ্চাদের মারধর করা কমাতে পারেন। যদিও আরো অনেক কৌশল আছে।
১) মারধর করা অপরাধঃ বাচ্চাদের মারধর করা কখনোই ভালো না। বর্তমানের শিশু আইন অনুযায়ী এটা অপরাধ। মারধর করলে বাচ্চার দীর্ঘমেয়াদি মানসিক ক্ষতি হতে পারে। এটি অপরাধ হিসেবে দেখলে এই আচরণ করার প্রবনতা কমে যাবে। অপরাধ মনে হলে আপনার মধ্যে এই আচরণ অনেক কমে যাবে ।
২) রাগের উৎস খুঁজে বের করুনঃ আপনি কোন কারণে আপনার আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না, তাই রেগে যাচ্ছেন আর আপনার সন্তানের উপর রাগের বহিঃপ্রকাশ করছেন। এই রাগের উৎস হতে পারে কোন মানসিক চাপ, দাম্পত্য সমস্যা, অশান্তি অথবা ব্যক্তিগত ক্ষোভ। এগুলো খুঁজে বের করে সমাধান করতে পারলে রাগ কমে যাবে।
৩) রাগ হলে ঘোষণা দিনঃ খুব বেশি রাগ হলে ঘোষণা করুন, আপনার রাগ হচ্ছে। বাচ্চারা অভ্যস্ত হয়ে গেলে সরে যাবে এবং আপনাকে বুঝতে পারবে।
৪) রাগ নিয়ন্ত্রণের কৌশল ব্যবহার করুনঃ রাগ হলে কিছুক্ষণ সরে থাকুন, রাগের আচরণগুলো করা থেকে বিরত থাকুন, রাগের চিন্তাগুলো এনালাইসিস করুন এবং রাগ থেমে গেলে রাগের বিষয়গুলো শেয়ার করুন। এভাবে রাগ নিয়ন্ত্রণের অভ্যাস হলে রাগ কমে যাবে।
৫) মেডিটেশন অনুশীলন করুনঃ নিয়মিত মেডিটেশন প্রাকটিস করতে পারলে মানসিকভাবে ভালো থাকা যায়। মাইন্ডফুলনেন্স বর্তমানে মেডিটেশন হিসেবে ভালো কাজ করে। অনলাইন থেকে মাইন্ডফুলনেন্স শিখে নিয়ে প্রতিদিন দুবার ১৫ মিনিট করে প্রাকটিস করতে পারেন।
৬) প্রফেশনাল সহায়তাঃ বাচ্চাকে মারধর করলে বাচ্চার বিকাশের উপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে, তাই যত দ্রুত এই সমস্যা থেকে বের হতে পারেন ততই ভালো। এসব প্রাকটিস করে রাগ নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারলে দ্রুত প্রফেশনাল সাইকোলজিষ্ট বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
©️
জিয়ানুর কবির
ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট।