Islamic history
Islamic history ইসলামের ইতিহাস বলতে ইসলাম ধর্মের উদ্ভবের পর থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত সময়কাল পঞ্জী অনুসারে এর বিভিন্ন ঘটনাসমূহকে বুঝানো হয়।
টাকাই সব মনে হয়
Safamarwa sai
28/06/2025
" তুর পাহাড়",
"তূর পাহাড়" (Mount Tur বা Mount Sinai) —যা ইসলামী ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান।
---
তূর পাহাড়ে হজরত মূসা (আঃ)-এর আল্লাহর সাথে কথা বলার ঘটনা
তূর পাহাড় (جبل الطور) হলো সেই পবিত্র স্থান, যেখানে আল্লাহ তায়ালা হজরত মূসা (আঃ)-এর সাথে সরাসরি কথা বলেছেন। এটি ইসলামী ইতিহাসের এক মহান এবং অলৌকিক ঘটনা।
📖 কুরআনের বর্ণনা:
> “আর যখন মূসা আমার নির্ধারিত সময়ে এলেন এবং তাঁর প্রভু তাঁর সাথে কথা বললেন, তখন তিনি বললেন, হে আমার প্রভু! আমাকে নিজের দর্শন দাও, আমি তোমাকে দেখব। আল্লাহ বললেন, তুমি আমাকে দেখতে পারবে না, তবে পাহাড়ের দিকে তাকাও; যদি তা তার স্থানে স্থির থাকে, তবে তুমি আমাকেও দেখতে পাবে…”
— [সূরা আরাফ, 7:143]
হজরত মূসা (আঃ) তূর পাহাড়ে ৪০ দিন (আরবি: أربعين ليلة, arbaʿīn laylah) অবস্থান করেন, যেখানে তিনি তাওরাত লাভ করেন এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে ওহি পান। তিনি উম্মতের জন্য আল্লাহর বিধান সংগ্রহ করেন।
ঘটনা সংক্ষেপে:
হজরত মূসা (আঃ) যখন তূর পাহাড়ে যান, তিনি সেখানে তাওরাত লাভ করেন।
আল্লাহ তাঁর সাথে ওহির মাধ্যমে কথা বলেন।
মূসা (আঃ) আল্লাহকে দেখতে চেয়েছিলেন, কিন্তু আল্লাহ বললেন, "তুমি আমাকে দেখতে পারবে না"—তারপর তিনি পাহাড়ে নিজের জ্যোতির আভাস দেন।
পাহাড় ভেঙে পড়ে যায়, এবং মূসা (আঃ) সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন।
ইসলামে গুরুত্ব:
এই ঘটনা প্রমাণ করে যে, আল্লাহ তায়ালা ওহির মাধ্যমে নবীদের সাথে সম্পর্ক রাখেন।
এটি আল্লাহর মহানতা ও জ্যোতির সীমাহীন শক্তির একটি উদাহরণ।
তূর পাহাড়কে কুরআনে "পবিত্র" বলা হয়েছে:
> "والطور" (শপথ তূর পর্বতের) — [সূরা আত-তূর, আয়াত 1]
---
এই ঘটনা ইসলামের এক মহান নিদর্শন এবং নবী মূসা (আঃ)-এর জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুহূর্ত।
#ইসলামিকইতিহাস
#হজরতমূসা
#তূরপাহাড়
#পবিত্রকুরআন
#ইসলামেরপ্রকাশ
#ইসলামিকপোস্ট
#ইমানেরগল্প
#ইসলামিকইতিহাস
#ইসলামিকপোস্ট
#ইসলামেরগল্প
#ইমান
#মূসা
#তূরপাহাড়
#ইসলামিকরিমাইন্ডার
#পবিত্রকুরআন
> ধৈর্য ও সাহস <
-------------------------------------------
●●●●●●●●●●●●●●●●●●●
একদিন এক কৃষকের পুরনো গাধা একটি খোলা কূপে পড়ে যায়। গাধাটি দীর্ঘক্ষণ চিৎকার করতে থাকে, কিন্তু কৃষক কিছুই করতে পারে না।
অবশেষে, কৃষক সিদ্ধান্ত নেয় যে গাধাটি অনেক পুরনো হয়ে গেছে, এবং কূপটি ভরাট করাই ভালো। তাই সে তার প্রতিবেশীদের ডেকে কূপে মাটি ফেলে দিতে বলে।
প্রতিবেশীরা মাটি ফেলা শুরু করলে গাধাটি প্রথমে ভয় পেয়ে চিৎকার করতে থাকে।
কিন্তু কিছুক্ষণ পর, আশ্চর্যজনকভাবে, গাধাটি চুপ হয়ে যায়। কৃষক অবাক হয়ে দেখে, গাধাটি মাটির স্তরের ওপর উঠে দাঁড়িয়ে আছে।
প্রতিটি মাটির স্তর তার পিঠে পড়লে, সে তা ঝাঁকিয়ে ফেলে নিচে ফেলে দিচ্ছিল।
এভাবে, মাটির স্তর জমতে জমতে গাধাটি কূপের কিনারায় উঠে আসে
______________________________________
জীবনে যখন কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হই,
তখন ধৈর্য ও সাহসের সঙ্গে তা মোকাবিলা করতে হবে। প্রতিটি সমস্যা আমাদের জন্য একটি শিক্ষা হতে পারে, যদি আমরা তা সঠিকভাবে গ্রহণ করি।
বিশ বছর আমেরিকার সঙ্গে যুদ্ধ করে আমেরিকাকে পরাজিত করে আফগানিস্তান এখন আমেরিকার ডলার কে পেছনে ফেলেছে কিভাবে জানেন 🤔 কারণ আফগানিস্তানের মুক্তিযোদ্ধারা এখন রাস্তায় বসে কলা বিক্রি করে ফ্যামিলি চালায় 😍 আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইকেল চালিয়ে অফিস করতে যান 😍
14/07/2024
মান-ছাব্বা-নাবিয়্যান-ফাকতুলূ-হু⚔️
আওয়াজ উঠুক।
রসুল (সা.)'র অব-মান-নার শাস্তি চাই!
فداك أبي و أمي و روحي و قلبي يا رسول الله ﷺ
কুলা*ঙ্গার মাস*রুফ প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (ﷺ) এঁর পবিত্র শানে অবমাননার প্রতিবাদ গড়ে তুলতে হবে|
সকল বিষয়ে আপোষ হবে, কিন্তু রাসূল ﷺ 'র শানে আঘাত করলে তার সাথে কোন আপোষ হবে না!!
ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ , ফিদাকা আবী ওয়া উম্মি ওয়া রূহী ইয়া রাসুলুল্লাহ।
কুরবানীর জরুরি ৬৬ টি মাসয়ালা!
________________________________________________
১.কার উপর কুরবানী ওয়াজিব?
উঃ জিলহজ্জ মাসের ১০ সুবহে সাদিক থেকে১২ তারিখ
সূর্যাস্ত পর্যন্ত কারো কাছে যদি নিছাব পরিমাণ সম্পদ থাকে ৭ঃ৫ সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ অথবা সাড়ে ৫২ ভরি রুপা থাকে তার উপর কুরবানী ওয়াজিব।
২.নিছাবের মেয়াদ কত দিন?
উঃ ৩ দিন, জিলহজ্জ মাসের ১০,১১ এবং ১২ তারিখ সূর্যাস্ত পর্যন্ত।
৩. তিন দিনের মধ্যে কোন দিন কুরবানী করা উত্তম?
উঃ ১০ তারিখে প্রথম দিন।
৪.যদি নাবালক এর নিছাব পরিমাণ সম্পদ থাকে তার উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে কি ?
উঃ না।
৫.বালেক সুস্থ মস্তিষ্ক না নিছাব পরিমাণ সম্পদ আছে তার উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে কি ?
উঃ- না
৬.যদি নাবালেক এর নিছাব পরিমাণ সম্পদ থাকে এর পক্ষে থেকে কুরবানী দেওয়া কি?
উঃ মুস্তাহাব, ওয়াজিব না।
৭.দরিদ্র লোকের উপর কুরবানী কি ওয়াজিব?
উঃ- না, তবে যদি কুরবানির নিয়তে পশু ক্রয় করে
তখন সে পশু কুরবানী করা ওয়াজিব।
৮.কেউ যদি কুরবানির দিন গুলোতে কুরবানির দিতে না পারে তাহলে কি করবে, যদি সে নিছাব পরিমাণ সম্পদ আছে, কোন সমস্যায় দিতে পারে নি তাহলে কি করবে?
উঃ-একটা ছাগল যে কুরবানী উপযুক্ত সে ছাগলের সমপরিমাণ টাকা সদকা করে দিবে ন এটা হলো যারা পশু ক্রয় করতে পারেনি তাদের জন্য।
কিন্তু যারা পশু কিনেছেন কিন্তু তিন দিনের মাঝে কুরবানী দিতে পারেন নি তাহলে তার জন্য করণীয় হলো সে পশু সদকা করে দেওয়া।
আবার যদি কেউ তিন দিন পর জবাই করে ফেলে তাহলে সে ঐ পশুর গোশত ওজন করবে তারপর যদি ঐ পশুর ক্রয়ের টাকা থেকে কম হয় তাহলে গোশত সহ
যতো টাকার গোশত কম হয়েছে পুরো টাই সদকা করতে হবে। ধরনে আপনি ২০ হাজার দিয়ে কিনেছেন ওজন দিয়ে দেখলেন ১৮ হাজার টাকার গোশত হয়েছে
গোশতের আরও ২ হাজার টাকা সদকা করতে হবে।
৯.প্রথম দিন কখন থেকে কুরবানী করা যাবে?
উঃ যে এলাকায় জুমার নামাজ,এবং ঈদের নামাজ ওয়াজিব সে এলাকায় ঈদের নামাজের আগে কুরবানী করা জায়েজ নেই। তবে কোন প্রকার দুর্ঘটনা ঘটে গেলে
যদি ঈদের নামাজ না পড়া যায় তাহলে করনীয় হলো সূর্য মধ্যে আকাশ অতিক্রম করার পর কুরবানী করা জায়েজ হবে।
১০.রাতে কুরবানী দিলে কি হবে?
উঃ ১০,১১ তারিখে রাতে দিলে হবে ১২ তারিখ রাতে দিলে হবে না।
১১.কোন কোন পশু দিয়ে কুরবানী দেওয়া জায়েজ?
উঃ- গরু,উট,মহিষ,দুম্বা, ছাগল এবং ভেড়া।
১২.পশু দের লিঙ্গ ভেদ করতে হবে কি?
উঃ- না, পুরুষও মহিলা উভয় দিয়ে হবে।
১৩.পশুর বয়স সীমা কত?
উঃ উট কম পক্ষে ৫ বছর,গরু মহিষ ২ বছর
ভেড়া, দুম্বা ছাগল ১ বছর।
ভেড়া এবং দুম্বা ১ বছর হয়নি তবে বলিষ্ঠ মনে হয়
যে এক বছর হয়েছে তাহলে এটা দিয়ে কুরবানী হবে।
তবে ছাগল ১ বছরের নিচে কোন ভাবে হবে না।
১৪.শরীক সর্বোচ্চ কত জন হওয়া যাবে?
উঃ উট,গরু,মহিষে সর্বোচ্চ ৭ জন কমে হলে সমস্যা নেই তবে একা দেওয়া উত্তম । ছাগল, দুম্বা, ভেড়া তে একজন।
১৫.গোশত ভাগে কম বেশি হলে?
উঃ- কারো কুরবানী সহীহ হবে না।
১৬. শরীকের মাঝে কেউ যদি গোশত খাওয়ার নিয়তে দেয় তাহলে?
উঃ- কারো কুরবানী হবে না।
১৭.কুরবানীর পশুতে আকিকা দেওয়া যাবে?
উঃ- হ্যাঁ, তবে উট, গরু,এবং মহিষে।
১৮. শরীক দার দের মাঝে যদি কারো অধিকাংশ বা পুরা টাকা হারাম হয় তাহলে কি কুরবানী হবে?
উঃ- না না না! কারো কুরবানী হবে না।
১৯. গরু, মহিষ উট একা কুরবানী নিয়তে কিনার অন্য কাউকে কি শরীক করা যাবে?
উঃ- ধনী হলে পারবে অর্থাৎ যার উপর ওয়াজিব , তবে গরিব ওয়াজিব না কুরবানী তার উপর। পশু কিনে ফেলছে কুরবানীর নিয়তে তাহলে শরীক করা যাবে না একাই দিতে হবে।
২০.কোন ধরনের পশু নির্বাচন করা উত্তম?
উঃ- রিষ্ট পুষ্ট, তাজা পশু নির্বাচন করা সুন্নত।
২১.যে পশু তিন পায়ে ভর করে চলে এমন পশু ধারা কি কুরবানী হবে?
উঃ- না
২২.রোগ্ন পশু দিয়ে কি কুরবানী হবে?
উঃ- না
২৩.দাঁত ছাড়া পশু দিয়ে কি কুরবানী হবে?
উঃ একটা দাত নেই এটা কোন ভাবেই হবে না ,অথবা কিছু আছে তবে ঘাস খেতে পারে না এমন পশু ধারা কুরবানী হবে না।
২৪. শিং ছাড়া পশু দিয়ে কুরবানী হবে কি ?
উঃ জন্মগত যে পশুর শিং নেই সেটা ধারা হবে।
তবে পরবর্তীতে যেটা ভেঙ্গে যায় আর তার ফলে মস্তিষ্কে ক্ষতি হয় এমন পশু ধারা হবে না। তবে অর্ধে হলেও হবে।
২৫.লেজ কাটা, কান কাটা পশু দিয়ে কুরবানি হবে কি?
উঃ যদি পশুর লেজ বা কান অর্ধেক বা তার বেশি কাটা হয় তাহলে সে পশু ধারা কুরবানী হবে না।
তবে অর্ধেকের কম হলে হবে।
২৬.অন্ধ পশু ধারা কুরবানী করা যাবে কি?
উঃ- না তবে যে পশুর এক চোখ ও অন্ধ সেটা দিয়েও হবে না।
২৭.কুরবানীর নিয়তে পশু ক্রয় করার পর হারিয়ে গেলে দাতা কি করবে?
উঃ- ধনী হলে আরেক টা ক্রয় করবেন।
এবং গরিব ওয়াজিব নয় এমন ব্যক্তি ক্রয় করতে হবে না
তবে কিনার পরে যদি আবার প্রথম পশু ফিরে পাওয়া যায় তাহলে ধনী ব্যক্তি যেকোন একটা কুরবানী করলে হবে, তবে দুটা করা উত্তম একটা করলেও হবে।
** আর গরিব ব্যক্তি যদি হয় তাহলে দুটাই দিতে হবে।
দুটাই দেওয়া তখন ওয়াজিব।
২৮.গর্ভবতী পশু কুরবানী করা কি জায়েজ আছে?
উঃ- হ্যা জায়েজ।
২৯.পশু জবাইয়ের পরে যদি বাচ্চা কে জীবিত পাওয়া যায় তাহলে কি করবে?
উঃ- বাচ্চা ও জবাই দিতে হবে।
৩০.জবাইয়ের আগ মুহূর্তে যদি পশু প্রসব অবস্থায় উপনীত হয় তখন করনীয় কি?
উঃ- সে পশু জবাই করা জায়েজ আছে, তবে মাকরূহ!
৩১.পশু ক্রয় করার পর যদি এমন কোন দোষ দেখা যায় যে দোষ গুলো থাকিলে কুরবানী হয় না তখন করনীয় কি?
উঃ- এই পশু ধারা কুরবানী হবে না।
তবে এখানে গরিব ব্যক্তির জন্য জায়েজ আছে
ধনী ব্যক্তির জন্য জায়েজ নয়।
৩২.আপনি কোন পশু ক্রয় করার সময় জিজ্ঞেস করলেন বয়স কত সে বললো ২ বছর যদি সেটার আসলে বয়স ২ বছর না হয় তখন কি করনীয় বা কুরবানী কি হবে?
উঃ- হ্যা হবে তবে যে বিক্রেতা মিথ্যা বলেছে তার গুনা হবে।
৩৩.পশু কোথায় জবাই করা উত্তম?
উঃ- যেখানে পরিবেশ দূষিত হওয়ার আশংকা কম থাকে।
৩৪. পশু কে জবাই করা উত্তম?
উত্তমঃ- নিজের পশু নিজে কুরবানী করা উত্তম।
৩৫.বন্ধা পশু ধারা কুরবানী হবে কি?
উঃ- হ্যা হবে ।
৩৬.অনেক সময় হুজুর জবাই করার পর দেখা যায় সম্পূর্ণ হয় নি আবার অন্য জন তরবারি হাতে নিয়ে
রগ বা শিরা কাটতে যায় এটা কি জায়েজ হবে?
উত্তরঃ- হ্যা জায়েজ আছে তবে উভয় ব্যক্তি বিসমিল্লাহি আল্লাহ আকবার না বললে কুরবানী হবে না।
একজন যদি না বলে সেক্ষেত্রে ও কুরবানী বাতিল হয়ে যাবে।
৩৭. কুরবানীর পশু ধারা উপকৃত হওয়া যাবে কি?
উঃ না এটা কোন ভাবে জায়েজ নেই।
৩৮.কুরবানীর পশু ধারা যদি আপনি হাল চাষ করে ফেলেন সেক্ষেত্রে করনীয় কি?
উঃ অন্য পশু ধারা করলে যে পারিশ্রমিক আসত সে পরিমান টাকা সদকা করে দেওয়া।
৩৯.কুরবানির পশুর,দুধ পান করা যাবে কি?
উঃ- না
৪০. যদি পশুর জবাইর আগে মন হয় দুধ দহন না করলে পশুর কষ্ট হবে তাহলে করনীয় কি?
উঃ- সে দুধ দহন করে সদকা করে দিতে হবে.
ভুলে খেয়ে ফেললেন তখন যে পরিমাণ পান করেছেন সে পরিমাণ অর্থ সদকা করতে হবে।
৪১.পশু ক্রয় করার পর শরীক মারা গেল তখন কি করবে?
উঃ- তার ওয়ারিশ রা যদি বলে কুরবানী করেন তাহলে
করতে পারবেন, আর যদি বলে না করতে পারবেন না তাহলে টাকা দিয়ে দিতে হবে।
তবে চাইলে পরবর্তী আরেক জন শরীক করতে পারবেন।
৪২.জবাইয়ের আগে পশু বাচ্চা দিলে কি করবেন?
উঃ- ঐ বাচ্চা জীবিত সদকা করে দিতে হবে।
সদকা না করলে পশুর সাথে জবাই করতে হবে।
এখানে জবাই করা বাচ্চার গোশত সদকা করে দিতে হবে, আপনে খেতে পারবেন না।
৪৩.মৃত্যু ব্যক্তির পক্ষ থেকে কি কুরবানী করা যাবে?
উঃ- হ্যা করা যাবে, তবে উসিয়ত করে গেলে গোশত সদকা করে দিতে হবে। উছিয়ত না করলে আপনে খেতে পারবেন।
৪৪.তিন দিনের বেশি কুরবানীর গোশত রাখা যাবে?
উঃ- হ্যা রাখা যাবে যতো দিন ইচ্ছে!
৪৫.অনুমান করে বন্টন করা কি জায়েজ আছে?
উঃ- না, পূর্ণ ওজন করে ভাগ করতে হবে।
৪৬. তিনের এক অংশ গরীব কে দেওয়া, যদি সেটা না দেই তাহলে কি কুরবানী হবে? (আমরা যেটা কে সমাজের গোশত বলি)
উঃ- হ্যা হবে তবে সেটা বড় কৃপ্রনতার পরিচয়।
৪৭.গোশত চর্বি বিক্রি করা যাবে কি?
উঃ- না।
৪৮.জবাইকারী বা কসাই কে গোশত দিয়ে পারিশ্রমিক দেওয়া যাবে কি?
উঃ না টাকা দিতে হবে, তবে পরে হাদিয়া হিসেবে গোশত দিতে পারবেন আগে পারিশ্রমিক দিতে হবে।
৪৯. জবাই করার অস্র কেমন হতে হবে?
উঃ দাড়ালো উত্তম।
৫০. জবাইয়ের কত সময় পর চামড়া আলাদা করা যাবে?
উঃ- নিসতেজ হওয়ার পর পশু।
৫১.এক পশু কে অন্য পশুর সামনে জবাই করা যাবে কি?
উঃ- যাবে তবে ঠিক না নবী কারীম সাঃ নিষেধ করেছেন?
৫২.কুরবানীর গোশত অন্য র্ধমের ব্যক্তি কে দেওয়া যাবে কি ?
উঃ- হ্যা তাতে কোন সমস্যা নেই।
৫৩.পশু মারা গেলে অথবা ছিনতাই হয়ে গেলে কি করনীয়?
উঃ- ধনী হলে আরেক টা ক্রয় করবেন।
গরিব হলে লাগবে না।
৫৪.মুসাফির এর উপর কুরবানী করা কি ওয়াজিব?
উঃ না।
৫৫.কুরবানী ওয়াজিব এমন ব্যক্তির পক্ষ থেকে কুরবানী করলে কি করনীয়?
উঃ- ঐ ব্যক্তি থেকে অনুমতি নিতে হবে।
৫৬.কুরবানী গোশত খাওয়া কি?
উঃ- মুস্তাহব, না খেলেও গুনা হবে না। তবে খাওয়া উত্তম।
৫৭.কুরবানী ওয়াজিব এমন ব্যক্তি যদি ঋণ নিয়ে কুরবানী করে কুরবানী হবে কি?
উঃ হবে তবে সুদের উপর ঋণ নিয়ে করলে হবে না।
৫৮.হাজীরা যদি মুসাফির থাকে তখন তাদের উপর কুরবানী কি ওয়াজিব?
উঃ- না।
৫৯.পাগল পশু ধারা কুরবানী কি হবে?
উঃ- না।
৬০.নবী কারীম সাঃ এর পক্ষ থেকে কুরবানী করা কি?
উঃ- উত্তম সামার্থ্যবান দের জন্য।
এটার গোশত সবায় খেতে পারবে।
৬১.খাসি কৃত পশু ধারা কুরবানী করা যাবে কি?
উঃ- হ্যা
৬২.বিদেশে অবস্থানে ব্যক্তির করনীয় কি?
উঃ- উনার পক্ষ থেকে দেশে কুরবানী দিলেও হবে
৬৩.পশুর চামড়া কি নিজে ব্যবহার করা যাবে?
উঃ- হ্যা,তবে বিক্রি করলে টাকা সদকা করতে হবে।
৬৪.জবাই কারী কে পারিশ্রমিক দিতে হবে কি?
উঃ উত্তম হাদিয়া দেওয়া।
৬৫.কুরবানীর দিনে মুরগী হাঁস জবাই করা যাবে কি?
উঃ- যাবে, তবে কুরবানী নিয়তে করা যাবে না।
৬৬. জীবিত ব্যক্তির পক্ষ হতে কুরবানী করা যাবে কি?
উঃ- হ্যা যাবে।
আলহামদুলিল্লাহ এই হলো ৬৬ টি মাসায়ালা
আল্লাহ সকল কে সঠিক নিয়ম মেনে কুরবানী করার তৌফিক দান করুন আমিন।
সংগৃহিত.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka