শয়তান & ঈমানদার

শয়তান & ঈমানদার

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from শয়তান & ঈমানদার, Education, Dhaka.

প্রতিটা ভিডিওতে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে শয়তানের ধোঁকা ও ঈমানদারের ঈমানের সুস্পষ্ট দৃষ্টান্ত দেখানো হয় ।
AI-generated Islamic reminders & short videos
Educational • Motivational • Faith-based

02/06/2026

জান্নাতের নেয়ামত সম্পর্কে ইসলামী বর্ণনায় বলা হয়েছে যে, সেখানে মুমিনদের জন্য এমন সম্মান, সুখ ও শান্তি থাকবে যা দুনিয়ার কোনো মানুষ কল্পনাও করতে পারে না। যারা ঈমান ও সৎকর্মের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করবে, তাদের জন্য জান্নাতে মর্যাদার আসন ও সম্মানের স্থান নির্ধারিত থাকবে। সেই আসনগুলো হবে সৌন্দর্য ও জ্যোতিতে ভরপুর, যেখানে থাকবে না কোনো কষ্ট, ভয় বা দুঃখ। জান্নাতবাসীরা সোনার ও মুক্তাখচিত প্রাসাদে অবস্থান করবে এবং আল্লাহর অসীম রহমত উপভোগ করবে। তারা একে অপরের মুখোমুখি বসে আনন্দের সাথে কথা বলবে এবং চিরস্থায়ী সুখে জীবন কাটাবে। জান্নাতের প্রতিটি নিয়ামত হবে মানুষের কল্পনার অতীতসেখানে থাকবে প্রবাহিত নদী, মনোমুগ্ধকর বাগান এবং অফুরন্ত শান্তি। সবচেয়ে বড় নেয়ামত হবে আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি ও তাঁর দীদার লাভ। তাই একজন মুসলিমের উচিত জান্নাতের আশা করে নেক আমল করা, আল্লাহর আদেশ পালন করা এবং পাপ থেকে বেঁচে থাকা। আল্লাহ আমাদের সবাইকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন

01/06/2026

সাহাবীদের যুগে কাবা শরীফের পাহারার দায়িত্ব মূলত মুসলিম রাষ্ট্রের শাসক ও প্রশাসনের অধীনে থাকতো। রাসুলুল্লাহ (সা.) এর জীবদ্দশায় এবং সাহাবীদের সময় কাবার নিরাপত্তা ছিল ঈমানদার মুসলমানদের দায়িত্বে। মক্কা বিজয়ের পর হযরত মুহাম্মদ (সা.) কাবাকে মূর্তিমুক্ত করে এর পবিত্রতা রক্ষা করেন। এরপর খলিফাদের যুগে কাবার পাহারার জন্য বিশেষ পাহারাদার ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়। হযরত আবু বকর (রা.) ও হযরত উমর (রা.) এর সময় কাবার নিরাপত্তা আরও সুসংগঠিত হয়। সাধারণত মক্কার দায়িত্বপ্রাপ্ত গভর্নর কাবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেন। রাতে ও দিনে নির্দিষ্ট সাহাবী ও পরবর্তীতে তাবেঈনরা পাহারা দিতেন। কাবার চারপাশে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন থাকতো যাতে কেউ কোনো অপবিত্র কাজ করতে না পারে। হজের মৌসুমে পাহারা আরও কঠোর করা হতো। হযরত উসমান (রা.) এর সময়ও এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় ছিল। হযরত আলী (রা. এর যুগেও কাবার সম্মান রক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হতো। পরবর্তীতে উমাইয়া যুগে এটি আরও সংগঠিত রূপ পায়। কাবার দরজা ও চাবির দায়িত্ব ছিল নির্দিষ্ট পরিবারের হাতে, যারা পাহারার সঙ্গে যুক্ত ছিল। সার্বিকভাবে সাহাবীদের যুগে কাবার নিরাপত্তা ছিল ঈমান, দায়িত্ববোধ ও শাসন ব্যবস্থার সমন্বয়ে গঠিত একটি পবিত্র দায়িত্ব

01/06/2026

কিয়ামতের দিন পশুপাখিদের অবস্থাও আল্লাহর ন্যায়বিচারের অংশ হিসেবে প্রকাশ পাবে। কুরআন ও হাদিসের আলোকে জানা যায়, আল্লাহ তাআলা সব প্রাণীকেই একত্র করবেন। প্রথমে তাদের মধ্যে যে পরিমাণ অন্যায় বা ক্ষতি হয়েছে তার বিচার করা হবে। অর্থাৎ কোনো পশু যদি অন্য পশুকে আঘাত করে থাকে, তার প্রতিদান দেওয়া হবে। এরপর আল্লাহ তাদের মধ্যে ন্যায়বিচার সম্পন্ন করার পর তাদেরকে ধূলিসাৎ করে দেবেন। তখন পশুপাখিরা বলবে, “হায়! আমরা যদি মানুষ হতাম তবে ভালো হতো।” তারপর তারা সম্পূর্ণরূপে মাটিতে পরিণত হবে এবং আর পুনরুত্থান করা হবে না। তাদের জন্য জান্নাত বা জাহান্নামের চূড়ান্ত জীবন নেই, কারণ তাদের ওপর শরিয়তের দায়িত্ব ছিল না। তবে তাদের মাধ্যমে আল্লাহর ক্ষমতা ও ন্যায়বিচারের পূর্ণতা প্রকাশ পাবে এই দৃশ্য মানুষকে শেখাবে যে, কোনো ক্ষুদ্র অন্যায়ও বিচার ছাড়া থাকবে না। মানুষ তখন নিজের আমল নিয়ে গভীর চিন্তায় পড়ে যাবে। যারা দুনিয়াতে অন্যায় করেছে তারা ভয় পাবে। আর মুমিনরা আল্লাহর রহমতের আশা করবে। কিয়ামতের এই ঘটনা আল্লাহর সর্বোচ্চ ন্যায়বিচারের একটি বড় নিদর্শন হবে

01/06/2026

জান্নাতে মুমিন পুরুষদের জন্য আল্লাহ তাআলা পবিত্র, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ স্ত্রী দান করবেন, যাদেরকে হুর বলা হয় এবং তাদের পাশাপাশি দুনিয়ার নেককার স্ত্রীরাও জান্নাতে উত্তম রূপে পুনরায় দেওয়া হবে। তারা হবে সম্পূর্ণ পবিত্র, তাদের মনে কোনো কষ্ট, দুঃখ, হিংসা বা ক্লান্তি থাকবে না। তাদের সৌন্দর্য ও চরিত্র হবে দুনিয়ার যেকোনো কিছুর চেয়ে অনেক বেশি উত্তম। জান্নাতের স্ত্রীদের মন হবে একেবারে পরিষ্কার এবং তারা সবসময় স্বামীর প্রতি সন্তুষ্ট থাকবে। সেখানে কোনো ধরনের ঝগড়া, বিরক্তি বা অবিশ্বাস থাকবে নাতারা চিরকাল শান্তি ও আনন্দের মধ্যে জীবন যাপন করবে। আল্লাহ তাদের এমন রূপ ও গুণ দেবেন যা মানুষের কল্পনার বাইরেও উত্তম। জান্নাতের পরিবেশে সবাই থাকবে পরিপূর্ণ সুখ ও নিরাপত্তায়। তাদের জীবনে থাকবে না কোনো কষ্ট, বেদনা বা দুঃখের স্মৃতি। প্রত্যেক নেককার স্বামী-স্ত্রী একে অপরের সাথে চিরস্থায়ী সুখে থাকবে। সেখানে সম্পর্ক হবে সম্পূর্ণ পবিত্র ও সম্মানজনক। আল্লাহ তাআলা তাদের এমন নেয়ামত দেবেন যা চোখ দেখেনি, কান শোনেনি এবং হৃদয় কল্পনাও করেনি। জান্নাতে সবাই থাকবে চিরযৌবনে ও সৌন্দর্যে। তাদের জীবন হবে সম্পূর্ণ শান্তি, ভালোবাসা ও আল্লাহর সন্তুষ্টিতে ভরপুর। এইটাই জান্নাতের সবচেয়ে বড় সুখ—চিরস্থায়ী শান্তি ও আল্লাহর

01/06/2026

হযরত ইউসুফ (আ.)-এর অসাধারণ সৌন্দর্যের একটি বিখ্যাত ঘটনা পবিত্র কুরআনের Quran সূরা ইউসুফে বর্ণিত হয়েছে। মিশরের প্রভাবশালী নারী জুলায়খা যখন ইউসুফ (আ.)-এর প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার কারণে সমালোচিত হন, তখন তিনি শহরের কিছু সম্ভ্রান্ত নারীকে একটি ভোজসভায় আমন্ত্রণ জানান। প্রত্যেকের হাতে একটি করে ফল ও ছুরি দেওয়া হয়। এরপর তিনি ইউসুফ (আ.)-কে তাদের সামনে উপস্থিত হতে বলেন। ইউসুফ (আ.)-কে দেখামাত্র নারীরা তাঁর সৌন্দর্যে এতটাই অভিভূত হয়ে পড়ে যে তারা নিজেদের অজান্তেই ফল কাটার পরিবর্তে হাত কেটে ফেলে। তারা বিস্ময়ে বলে ওঠে, “এ মানুষ নয়, এ তো এক মহান ফেরেশতা” এই ঘটনাটি ইউসুফ (আ.)-এর অনন্য সৌন্দর্যের প্রমাণ হিসেবে কুরআনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তাঁর প্রকৃত মর্যাদা ছিল তাঁর তাকওয়া, চরিত্র, ধৈর্য ও আল্লাহর প্রতি আনুগত্যে। তিনি কঠিন পরীক্ষার মুখেও পাপ থেকে নিজেকে রক্ষা করেছিলেন। এই ঘটনা আমাদের শিক্ষা দেয় যে বাহ্যিক সৌন্দর্যের চেয়ে ঈমান, চরিত্র ও আল্লাহভীতি অনেক বেশি মূল্যবান। ইউসুফ (আ.) ছিলেন সৌন্দর্য ও নৈতিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত, যার জীবন থেকে মুসলমানরা আজও শিক্ষা গ্রহণ করে

01/06/2026

হযরত আলী (রা.) ছিলেন ইসলামের ইতিহাসের অন্যতম সাহসী ও বীর যোদ্ধা। যুদ্ধের ময়দানে তিনি অসাধারণ সাহস, শক্তি ও ঈমানের পরিচয় দিয়েছেন। বদর, উহুদ, খন্দক ও খায়বারের মতো গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধে তিনি বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বিশেষ করে খায়বারের যুদ্ধে তাঁর সাহসিকতার ঘটনা মুসলিমদের কাছে অত্যন্ত প্রসিদ্ধ। তিনি কখনো শত্রুর সংখ্যা দেখে ভয় পাননি, বরং আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রেখে যুদ্ধ করেছেন। তাঁর হাতে বহু অত্যাচারী ও শক্তিশালী যোদ্ধা পরাজিত হয়েছিল। যুদ্ধের সময় তিনি শুধু বীরই ছিলেন না, ন্যায়বিচার ও মানবিকতারও উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। শত্রু মাটিতে পড়ে গেলে ব্যক্তিগত রাগে তাকে আঘাত করতেন না, বরং আল্লাহর সন্তুষ্টিকেই প্রাধান্য দিতেনতাঁর সাহস, তাকওয়া ও আত্মত্যাগ আজও মুসলিম উম্মাহর জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। তাই হযরত আলী (রা.)-এর জীবন আমাদের শেখায় যে সত্য ও ন্যায়ের পথে দৃঢ়তা ও সাহস নিয়ে অটল থাকতে হয়

31/05/2026

হযরত উমর (রা.) ইসলাম গ্রহণের আগে কেমন ছিলেন? | Umar ibn al-Khattab Story

31/05/2026

ইসলামের ইতিহাসে নারীরা শুধু ঘর-সংসারের দায়িত্বই পালন করেননি, প্রয়োজনের সময় সাহসিকতা, ত্যাগ ও বীরত্বের অনন্য দৃষ্টান্তও স্থাপন করেছেন। মহানবী Muhammad-এর যুগে অনেক সাহাবিয়া বিভিন্ন যুদ্ধে মুসলিমদের সহায়তা করেছেন। তাঁদের মধ্যে Nusaybah bint Ka'ab (উম্মে আম্মারা) বিশেষভাবে প্রসিদ্ধ; তিনি Battle of Uhud-এ নবীজিকে রক্ষা করতে তলোয়ার হাতে যুদ্ধ করেছিলেন। এছাড়া নারীরা আহতদের সেবা, পানি সরবরাহ, খাদ্য পৌঁছে দেওয়া এবং মনোবল বৃদ্ধি করার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতেন। ইসলাম নারীদের অযথা যুদ্ধের দিকে উৎসাহিত করে নাতবে দ্বীন, জীবন ও সমাজ রক্ষার প্রয়োজন দেখা দিলে তাঁদের সাহসিকতা ও আত্মত্যাগকে সম্মানের চোখে দেখে। মুসলিম নারী যোদ্ধাদের ইতিহাস আমাদের শেখায় যে ঈমান, ধৈর্য ও আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস মানুষকে অসাধারণ শক্তি দান করতে পারে। তাঁদের জীবন ইসলামের জন্য ত্যাগ, ন্যায় প্রতিষ্ঠা এবং মানবসেবার উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে আজও মুসলিমদের অনুপ্রাণিত করে

31/05/2026

ইসলামী বর্ণনা অনুযায়ী, ইমাম মাহদী (আ.)-এর আগমনের আগে পৃথিবীতে নানা ধরনের ফিতনা, অস্থিরতা ও অন্যায় বৃদ্ধি পাবে। মানুষ ধর্ম থেকে দূরে সরে যেতে শুরু করবে, সত্যবাদিতা কমে যাবে এবং মিথ্যাচার বেড়ে যাবে। অত্যাচার, হত্যা ও যুদ্ধ-বিগ্রহ বৃদ্ধি পাবে। সমাজে অশ্লীলতা ও অনৈতিকতা ছড়িয়ে পড়বে এবং আমানতের খিয়ানত সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়াবে। ধনী-গরিবের বৈষম্য বাড়বে এবং মানুষ দুনিয়ার মোহে বেশি নিমগ্ন হবে। অনেক মিথ্যা নেতা ও ভণ্ড দাবিদার আত্মপ্রকাশ করবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বিভিন্ন সংকট মানুষের জন্য পরীক্ষা হিসেবে আসতে পারে। মুসলিম উম্মাহর মধ্যে বিভক্তি ও মতভেদও বৃদ্ধি পাবে। তবে এসব ঘটনার সুনির্দিষ্ট সময় একমাত্র আল্লাহই জানেন। ইসলামে আমাদের দায়িত্ব হলো ভবিষ্যৎ নিয়ে অনুমান-নির্ভর বক্তব্যে মগ্ন না হয়ে ঈমান, তাকওয়া, সৎকর্ম, নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত এবং আল্লাহর আনুগত্যে অবিচল থাকা। কারণ ইমাম মাহদী (আ.)-এর আগমনের সময় নির্ধারণ করা কারও পক্ষে সম্ভব নয়, তবে একজন মুমিনের জন্য সর্বদা নিজেকে দ্বীনের ওপর দৃঢ় রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

31/05/2026

মহাকাশ গবেষণা করতে গিয়ে ইসলাম গ্রহণ করলেন বিজ্ঞানী! | Quran & Space Science

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Dhaka