আকাবির

আকাবির

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from আকাবির, Religious school, Dhaka.

The Akabir Organization (আকাবির ওআরজি) is a Bangladeshi non-profit formed to help educate Muslims the exemplary lives, practices, and paths anchored by the glorious first generations and God-fearing predecessors of Islam.

09/06/2026

সাহাবাদের জীবন থেকে - ০১

সায়্যিদুনা আবু বকর সিদ্দীক (রা.) (ওফাত: ১৩ হিজরি)

ইবনে আসাকির রহঃ আসমায়ী রহঃ থেকে বর্ণনা করেন,
যখন কেউ হযরত আবু বকর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) প্রশংসা করত, তিনি বলতেন:

আয় আল্লাহ! আপনি আমাকে আমার চেয়ে বেশি চেনেন। আর আমি আমাকে (যারা আমার প্রশংসা করছে ) তাদের থেকে বেশি জানি। হে আমার মালিক! আপনি আমাকে তাদের ধারণার অধিক উত্তম বানিয়ে দিন, তারা জানেনা এমন সকল ভুলগুলোর জন্য আমাকে মাফ করে দিন, আর তাদের প্রশংসার কারণে দয়াকরে আমাকে পাকড়াও করবেন না।
সূত্র: তারীখুল খুলাফা, ৮৬ - ইমাম সুয়ূতী রহঃ (ও:৯১১)

প্রাসঙ্গিক:

হযরত আবু বকর রা. এর এই সৎ ও সরল উক্তি বা প্রশংসার উপযুক্ত না হবার স্বীকারোক্তি কেবল অতুলনীয় বিনয়ের দৃষ্টান্তই নয়, সাথে সাথে আমাদের আকাবির বা পূর্বসূরীগণ কেমন ছিলেন তার বাস্তব নমুনা ও বটে। হযরত সিদ্দীকে আকবর রা: এর এই উক্তিটির বিশ্লেষন করতে গেলে ছোট কলেবরের একটা পুস্তিকা লেখা যেতে পারে। না, বাড়িয়ে বলছিনা।

প্রশংসা করার মাসআলা কী? কার প্রশংসা করা যাবে? কী বিষয়ে প্রশংসা করা যাবে? কী অবস্থায় করা যাবে? কার প্রশংসা করা যাবেনা, প্রশংসিত ব্যক্তির প্রতিক্রিয়া কেমন হওয়া উচিত? এগুলো আলোচনা করতে গেলে পুস্তিকা দীর্ঘ করাও সম্ভব।

যাইহোক, সর্দারে বনি আদম রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি বা সাল্লাম এর সর্বাধিক প্রিয় এই সাহাবীর উপরোক্ত উক্তির কয়েকটি শিক্ষণীয় দিক উল্লেখ করে এই পোস্টটির ইতি টানছি।

[ভালো লাগলে শেয়ার করতে পারেন। যদি না ভালো লাগে বা কোনো ভুল দৃষ্টিগোচর হয়, দয়া করে ভুলের জায়গাটা ধরিয়ে দিয়ে মেইল করবেন। ভুল শুধরে নেয়ার বা সময় করে জবাব দেয়ার চেষ্টা করবো]

ফাওয়ায়েদ:

১: হযরত আবু বকর সিদ্দীক রা. এর দৃষ্টি ও মনোযোগ সর্বদা মহান আল্লাহ তায়ালার দিকে নিবদ্ধ থাকতো। হজরতের এই বাক্য থেকে যা স্পষ্ট "আয় আল্লাহ! আপনি আমাকে আমার চেয়ে বেশি চেনেন।"।

আল্লাহ তায়ালার বিধান এবং তার স্মরণকে সবসময় সামনে রাখতে চাই আমরা। কিন্তু কাজের সময় বা বলতে পারেন সঠিক সময় তা আমরা নিয়মিতই ভুলে যাই। সবকাজে আল্লাহর স্মরণকে সামনে রাখা এই সিফাত টি অর্জন করতে নিরবিচ্ছিন্ন মুজাহাদা করা আর আল্লাহ তায়ালার অপার অনুগ্রহ পাওয়া ছাড়া সম্ভব না। যারা জানেন, তারা তো জানেনই, আর যারা বোঝেন, (বড়রা বলেন) তাদের সংখ্যা খুবই নগন্য। জি, এটাই মাকামে ইহসান।

২: হযরত সিদ্দীক রা: নিজের প্রতি সৎ ও নির্লোভ দৃষ্টি রাখতেন। নিজেকে প্রশংসার উপযুক্ত মনে করতেন না। এমন গুনের প্রশংসা নিতে তিনি প্রস্তুত ছিলেন না যে গুনকে তিনি নিজের মনে করতেন না।

বড়দের কাছে শুনেছি, মাকামে ইহসান এর একটা দুর্লভ বৈশিষ্ট হলো, আল্লাহর দয়ায় এই মাকামে যারা অধিষ্টিত হন তারা আল্লাহ তায়ালার একান্ত নৈকট্য লাভ করার কারণে সকল গুনের মালিক এবং দাতা সম্মন্ধে তাদের নির্ভুল এলম ও মারিফাত লাভ হয়। তারা নিজেদের মধ্যে যোগ্যতা দেখেন না আর পবিত্র শরীয়তের তাকাজা ছাড়া তারা কখনো কথায় বা কাজে নিজেকে গুণী বলে প্রকাশ করেন না।

নিজের যোগ্যতা বা দোষগুনের অবস্থা সবচাইতে ভালো জানে ব্যক্তি নিজে। এটা ভিন্ন কথা কেউ যদি নিচু ও অসৎ হয়, তাহলে মানুষের কাছে নিজেকে ভালো জাহির করতে করতে একসময় তার অন্তরচোখ দৃষ্টিহীন ও কপট হয়ে যেতে পারে। আল্লাহ হেফাজত করুন। আমীন।

৩: হযরত সিদ্দীক রা: নিজেকে গুনাহগার মনে করতেন এবং আল্লাহ তায়ালার ক্ষমার আশায় থাকতেন। বলা বাহুল্য, নবীদের সর্দার রাসূলে খোদা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সবচেয়ে কাছের সাহাবীর মর্যাদা আল্লাহ তায়ালার কাছে অনেক বেশি। কুরআনে পাকে তার প্রশংসা, অগণিত হাদিসে তার ফজিলত বর্ণিত হবার পরও তিনি নিজেকে গুনাহগারই মনে করতেন। কিন্তু কেন?

জবাব টিও বেশ গভীর, যার অনেক গুলো আশ্চর্য দিক আছে। আপাতত একটা কথা বুঝে নিতে পারি, আল্লাহ তায়ালা ও তার রাসূল সিদ্দীকে আকবর রা: এর প্রশংসা ও জান্নাতি হবার সুসংবাদ দেয়ার পেছনে একটা কারণই যথেষ্ট, সেটা হলো তিনি আমাদের মতো নন, তার জ্ঞান, চিন্তাধারা, ও বিবেচনার ধরণ আমাদের মতো ছিলোনা।

ভুল ক্ষমা হয়ে যাবার সম্ভাবনা বা সুসংবাদ মানে এই নয় যে ভুলগুলো ভুলে যেতে হবে বা অতীতের ভুলের কথা মনে করে অনুতাপ হবে না। যদি কখনো সুযোগ হয় এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যেতে পারে।

প্রকাশ পাওয়া ভুলগুলো ইচ্ছেকৃত হোক বা অনিচ্ছায় হোক, স্বার্থ-কেন্দ্রিক হোক বা গবেষণাগত, অথবা গুনাহ নয় এমন অনুত্তম কাজকে ভুল বা গুনাহ মনে করেই হোক না কেন, আকাবীরগণ নিজেদের ভুলগুলো ভুলে যান না।

আকাবির
06.09.2026

#সাহাবাদের_জীবন ু_বকর #ইসলামিক_শিক্ষা #বিনয় #আত্মশুদ্ধি #ইসলামিকপোস্ট

24/04/2026
11/04/2026

একটি হাদিস:

আবু সাঈদ আল-খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:

অর্থ: "হে আবু সাঈদ! যে ব্যক্তি আল্লাহকে রব হিসেবে, ইসলামকে দ্বীন হিসেবে এবং মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে নবী হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট হবে, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে।"

আবু সাঈদ (রা.) এতে বিস্ময় প্রকাশ করে বললেন, "হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি কথাটি আমাকে পুনরায় বলবেন?" তিনি (রাসূলুল্লাহ ﷺ) তা আবার বললেন। এরপর তিনি আরও বললেন: "আরেকটি কাজ আছে যার মাধ্যমে জান্নাতে বান্দার মর্যাদা একশ গুণ বৃদ্ধি করা হয়, যার প্রতি দুই স্তরের মধ্যবর্তী দূরত্ব আকাশ ও পৃথিবীর দূরত্বের সমান।"

আবু সাঈদ (রা.) জিজ্ঞাসা করলেন, "হে আল্লাহর রাসূল! সেটি কী?" তিনি বললেন: "আল্লাহর পথে জিহাদ, আল্লাহর পথে জিহাদ।"
(ইমাম মুসলিম, নাসায়ি, আহমাদ এটি বর্ণনা করেছেন।)

وعن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال:((يا أبا سعيد، من رضِيَ بالله ربًّا، وبالإسلام دينًا، وبمحمد نبيًّا، وجبت له الجنة، فعجِب لها أبو سعيد، فقال: أعِدْها عليَّ يا رسول الله، ففعل، ثم قال: وأخرى يرفع بها العبد مائة درجة في الجنة، ما بين كل درجتين كما بين السماء والأرض، قال: وما هي يا رسول الله؟ قال: الجهاد في سبيل الله، الجهاد في سبيل الله))؛
رواه الإمام مسلم (1884)، والنسائي (3131) وغيرهما

- আল্লাহ তায়ালা তাওফিক দিলে কোনো একদিন এই হাদিসের উদ্দেশ্য, চাহিদা, এবং আমাদের বাস্তব অবস্থা নিয়ে আলোচনা করবো। ইনশাআল্লাহ।

লিখনি ও ইমেজ ক্রিয়েশন: মাসউদ মুহিউদ্দীন (Masud Muhiuddin)
ব্যাকগ্রাউন্ড ইমেজ ক্রেডিট: Pixabay

31/03/2026

📌 আকাবির ১০১: আমাদের শুরু, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও কর্মপদ্ধতি

আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।

আকাবির অর্গানাইজেশনের পক্ষ থেকে আপনাদের সকলকে মোবারকবাদ জানাচ্ছি। আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে দুনিয়া এবং আখেরাতের সকল বিপদ থেকে হেফাজত করুন এবং সফলতার পথ সুগম করুন।

💡 আকাবির অর্গানাইজেশন কী?

আকাবির অর্গানাইজেশন একটি ইসলামী ইদারা (প্রতিষ্ঠান)। এটি কোনো রাজনৈতিক সংগঠন বা প্ল্যাটফর্ম নয়। বর্তমানে অর্থাৎ এই প্রারম্ভিক অবস্থায় এটি শুধু একটি ইসলামী অনলাইন প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। মহান আল্লাহ তাআলা তৌফিক দিলে ভবিষ্যতে একটি পূর্ণাঙ্গ নন-প্রফিট ইসলামিক অর্গানাইজেশন হিসেবে ইনশাআল্লাহ এর গঠন এবং কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

💡 উদ্দেশ্য:

আকাবির অর্গানাইজেশনের মূল উদ্দেশ্য হলো মুসলমান ভাই ও বোনদের দ্বীনি অবস্থাকে উন্নত করা। ঈমান-আকিদা থেকে শুরু করে জীবনের প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে আল্লাহ ও তাঁর পবিত্র রাসুলের আদর্শকে বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।

💡 কার্যক্রম:

আমাদের উদ্দেশ্য আকাবির অর্গানাইজেশনকে একটি পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ইদারা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। তবে অন্য সকল মহতী উদ্যোগের মতো আমরাও বাস্তব সীমাবদ্ধতাকে মেনে নিয়ে, খুবই অল্প পরিসরে, আল্লাহ তায়ালার ওপর ভরসা করে কিছু দ্বীনি কাজ দিয়ে শুরু করব ইনশাআল্লাহ। যেমন:

১. তাজকিরাতুল আকাবির:

উম্মতে মুসলিমার ঐতিহাসিক ব্যক্তিবর্গ অর্থাৎ আম্বিয়ায়ে কেরাম, সাহাবায়ে কেরাম, আইম্মায়ে এযাম এবং আল্লাহওয়ালা বুজুর্গানে দ্বীনসহ এমন সকল অনুসৃত আল্লাহ তায়ালার বান্দাদের জীবনী এবং তাঁদের বাণী সমগ্র নিয়ে আলোচনা করা।

২. সুন্নতের মুজাকারা:

সরদারে আম্বিয়া রাসুলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত নিয়ে আলোচনা করা। বিশেষ করে সংক্ষিপ্ত আকারে সহজ ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সুন্নতগুলো আলোচনা করা।

৩. দাওয়াত ও তাবলীগ:
(পর্যায়ক্রমে শুরু হবে ইনশাআল্লাহ)

৪. তারবিয়াতে তোলাবা:
(পর্যায়ক্রমে শুরু হবে ইনশাআল্লাহ)

৫. ইনফাক লিল্লাহ:
(পর্যায়ক্রমে শুরু হবে ইনশাআল্লাহ)

(পরবর্তী অংশ শীঘ্রই আসছে)

Note: যেহেতু এটি এই পেজের সর্বপ্রথম পোস্ট এবং এখন থেকে এটিই আমাদের 'পিনড পোস্ট' (Pinned Post) হিসেবে থাকবে, তাই আমি আপনাদের সকলকে এই পোস্টটির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি। আমি আমার সময় ও সুযোগ বুঝে এখানে পর্যায়ক্রমে 'আকাবির অর্গানাইজেশন'-এর সকল ক্যাটাগরির লক্ষ্য, মিশন এবং উদ্দেশ্যগুলো বিস্তারিত শেয়ার করব যে আমরা কীভাবে কাজ করতে যাচ্ছি। সেই সাথে এই দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যভিত্তিক ইসলামিক প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় সকল মৌলিক ও প্রাতিষ্ঠানিক নিয়মাবলিও এখানে তৈরি ও প্রকাশ করা হবে।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Dhaka