Prof. Dr. Mohammad Abdur Rob

Prof. Dr. Mohammad Abdur Rob Scholar, Educator, and Academic Leader in Geography, Environment, and Geopolitics.

  in our heart
21/09/2026

in our heart

জিন্নাহ বিতর্ক: ইতিহাসের পুনঃপাঠড. মোহাম্মদ আবদুর রবসাতচল্লিশের স্বাধীনতা আন্দোলন ও পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম নিয়ে উপমহা...
18/09/2026

জিন্নাহ বিতর্ক: ইতিহাসের পুনঃপাঠ
ড. মোহাম্মদ আবদুর রব

সাতচল্লিশের স্বাধীনতা আন্দোলন ও পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম নিয়ে উপমহাদেশে বহু আলোচনা, পর্যালোচনা ও বিতর্ক রয়েছে। এই বিতর্কের মূলে রয়েছেন একজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও বিলেতফেরত ব্যারিস্টার—মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ। তিনি মুসলমানদের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রকল্প নিয়ে চিন্তা করলেও তার রাজনৈতিক দর্শন, রাষ্ট্রচিন্তা এবং স্বাধীনতা আন্দোলন নিয়ে নানা ব্যাখ্যা প্রচলিত রয়েছে। তার রাষ্ট্রচিন্তা ও দ্বিজাতি তত্ত্ব শুধু পাকিস্তান সৃষ্টির ইতিহাসকেই প্রভাবিত করেনি, বরং পরবর্তী সময়ে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি ও রাষ্ট্রচিন্তার ওপরও গভীর ছাপ ফেলেছে।

মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ ভারতের হিন্দু ও মুসলমান—এ দুটি সম্প্রদায়কে তৎকালীন সময়ের রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও সামাজিক বিভিন্ন কারণ এবং ঘটনার প্রেক্ষাপটে দুটি পৃথক জাতি হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন। মুসলিম লীগের লাহোর অধিবেশনে দ্বিজাতি তত্ত্বের ভাবধারা বিশ্লেষণ করে তিনি বলেন, ‘আমরা দৃঢ়ভাবে মনে করি, জাতিতত্ত্বের যেকোনো সংজ্ঞা বিচারে ভারতের হিন্দু ও মুসলমান দুটি প্রধান ভিন্ন জাতি। ভারতের ১০ কোটি মুসলমান জনগণ, যাদের রয়েছে নিজস্ব স্বতন্ত্র সংস্কৃতি ও সভ্যতা, ভাষা ও সাহিত্য, শিল্পকলা ও স্থাপত্য, রীতিনীতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্য এবং এক ও অভিন্ন জীবনপদ্ধতি।’

লাহোর অধিবেশনে জিন্নাহ মুসলমানদের ধর্মীয় সম্প্রদায় না বলে আলাদা জাতি হিসেবে চিহ্নিত করেন। তিনি বলেন, ভুলবশত প্রায়ই বলা হয়, মুসলমানরা একটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়; আসলে তা নয়। যেকোনো সূত্রে তারা একটি জাতি। ভারতবর্ষ একটি জাতি বা দেশ নয়, বরং বহু জাতির সমন্বয়ে এই উপমহাদেশ গঠিত। তার মধ্যে হিন্দু ও মুসলিম দুটি প্রধান জাতি। দ্বিজাতি তত্ত্বটি এই তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয় যে, ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলমানরা ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক, সামাজিক এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা দিক থেকে হিন্দুদের থেকে আলাদা ও স্বতন্ত্র এবং তাদের অবশ্যই একটি আলাদা স্বাধীন মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যেখানে তারা স্বাধীনভাবে বসবাস করতে পারবে।

জিন্নাহর কাছে পাকিস্তান ছিল মূলত মুসলমানদের রাজনৈতিক আত্মনিয়ন্ত্রণের একটি প্রকল্প, যেখানে রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে আধুনিক সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক কাঠামো গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তিনি তার রাজনৈতিক জীবনের প্রথম দিকে কংগ্রেসের রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং উপমহাদেশে হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের মূর্তপ্রতীক হয়ে ওঠেন, যার কারণে তৎকালীন কংগ্রেস নেত্রী সরোজিনী নাইডু জিন্নাহকে ‘হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের দূত’ (Ambassador of Hindu-Muslim Unity) উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন। ১৯৩৭ সালে প্রাদেশিক নির্বাচনের পর কংগ্রেসের একক সরকার গঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’ গান বাধ্যতামূলক করা এবং হিন্দি ভাষার একচেটিয়া প্রচারের মাধ্যমে কংগ্রেস, হিন্দু মহাসভা ও আরএসএস নেতাদের হিন্দু রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার গোপন পরিকল্পনা একদিকে প্রকাশ হতে থাকে। অন্যদিকে অবহেলিত পশ্চাৎপদ মুসলমান ও দলিতদের দাবিদাওয়া এবং সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির জিন্নাহর প্রস্তাব কংগ্রেস নেতারা বারবার উপেক্ষা করেন। এর ফলে জিন্নাহ বুঝতে পারেন কংগ্রেসের মাধ্যমে মুসলমানদের অধিকার আদায় হবে না, তাই তিনি কংগ্রেস ছেড়ে মুসলিম লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন এবং পাকিস্তান আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। তার রাজনৈতিক দর্শনের ভিত্তি ছিল ‘দ্বিজাতি তত্ত্ব’ (Two-Nation Theory), যার মতে ভারতীয় উপমহাদেশে হিন্দু ও মুসলমান দুটি পৃথক জাতিসত্তা; ফলে মুসলমানদের রাজনৈতিক অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি স্বতন্ত্র রাষ্ট্র প্রয়োজন। এই ধারণার ভিত্তিতেই ১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের জন্ম হয়।

মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত থেকে দুটি রাষ্ট্রের জন্ম কেন হলো, সেজন্য আমাদের পাকিস্তানের স্বাধীনতা আন্দোলনের সেই প্রেক্ষাপট জানতে হবে। পাকিস্তান যে দ্বিজাতি তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সে প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ বা উপমহাদেশে এখনো প্রাসঙ্গিক কি না, সেটিও ইতিহাসের জরুরি আলাপ। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, জিন্নাহ ও দ্বিজাতি তত্ত্বের ইতিহাস আমাদের দেশে সযত্নে এড়িয়ে যাওয়া হয়, পাঠ্যক্রমেও দ্বিজাতি তত্ত্ব ও জিন্নাহকে নিয়ে তেমন কোনো পাঠ নেই। সাহিত্য বা ইতিহাসেও সেরকম বস্তুনিষ্ঠ আলোচনা নেই; অথচ জিন্নাহ ও দ্বিজাতি তত্ত্বের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সম্পর্ক ওতপ্রোতভাবে জড়িত। মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতেই ভারত ভেঙে পাকিস্তান সৃষ্টি হয়েছে এবং পাকিস্তান ভেঙে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছে। তাই বলা চলে, বাংলাদেশের জন্ম দ্বিজাতি তত্ত্বের পরোক্ষ ফল। দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে পাকিস্তানের জন্ম না হলে বাংলাদেশেরও জন্ম হতো না।

জিন্নাহ মনে করতেন, উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনের অবসানের পর অখণ্ড ভারত প্রতিষ্ঠিত হলে মুসলমানরা হিন্দুদের অধীনস্থ জাতিতে পরিণত হবে। তাই দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে ব্রিটিশ ভারত ভেঙে পাকিস্তানের জন্ম কেবল ভূখণ্ডের বিভাজন নয়; এটি ছিল একজন রাজনীতিবিদের নিজ জাতির ভবিষ্যৎ নিয়ে দূরদর্শী চিন্তা বাস্তবায়নের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ ছিলেন সেই চিন্তা ও রাজনৈতিক মাইলফলক বাস্তবায়নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। সেটা আমরা বুঝতে পারি আজকের ভারতের দিকে তাকালে। ভারত সেক্যুলার রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলেও বর্তমান ভারতের দিকে যদি আমরা তাকাই, তবে আমরা দেখতে পাই বিজেপি, আরএসএস ও শিবসেনার ছত্রছায়ায় উগ্র হিন্দুত্ববাদের আস্ফালন। ভারত আজ তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ জাতীয়তাবাদের বিপরীতে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে বিজেপির হিন্দুত্ববাদী সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। মুসলমান সম্প্রদায় আজ সেখানে নানাভাবে নিষ্পেষিত, বঞ্চিত, লাঞ্ছিত, নিপীড়িত, নির্যাতিত ও চরম বৈষম্যের শিকার।

সাংবিধানিকভাবে ধর্মনিরপেক্ষ ভারত সংঘপরিবারের হিন্দু রাষ্ট্র হয়ে উঠেছে। স্বাধীনতা লাভের পর থেকেই বিভিন্ন সময়ে ধর্ম ও ভাষা কেন্দ্র করে সংঘটিত হয়েছে একের পর এক দাঙ্গা, যার বলি হয়েছে মুসলমান সম্প্রদায়। গুজরাট দাঙ্গার প্রধান হোতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ঘটা করে কথিত রামমন্দির প্রতিষ্ঠা এবং নানা নতুন আইন করে সংখ্যালঘু মুসলমান সম্প্রদায়কে দমন করা—সব একসূত্রে বাঁধা। ১৯২৫ সালে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ বা আরএসএসের জন্মলগ্নে যা স্বপ্ন দেখেছিলেন সংঘ নেতারা, এত বছর পর তা বাস্তব হতে চলেছে। গরু কোরবানির কারণে মুসলমানদের পিটিয়ে কিংবা গায়ে আগুন লাগিয়ে হত্যা করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে ভারতে মুসলমানদের হত্যা করা, গণপিটুনি দেওয়া, নিশানা করে খুন করা, হেফাজতে হত্যা করা, ভুয়া ‘পুলিশ এনকাউন্টার’ এবং মিথ্যা অজুহাতে কারাগারে শাস্তি দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এখন সেই তালিকায় তাদের বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা যুক্ত হয়েছে বিজেপিশাসিত বিভিন্ন রাজ্যে। পাকিস্তানের জন্ম না হলে আজকের বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মুসলমানরা ভারতের হিন্দুত্ববাদীদের এসব নির্যাতনের শিকার হতেন, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

সাতচল্লিশের ইতিহাস যখন নতুন করে মূল্যায়নের চেষ্টা চলছে, তখন জিন্নাহ প্রশ্ন বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। যদিও কেউ কেউ রাষ্ট্রভাষা প্রসঙ্গ টেনে জিন্নাহকে খলনায়ক বানানোর চেষ্টা করে থাকেন, অথচ জিন্নাহ বাংলা ভাষার বিপক্ষে ছিলেন না। জিন্নাহ নিজেও উর্দুভাষী ছিলেন না। সে সময় পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রদেশে আলাদা আলাদা ভাষা চালু ছিল। তাই তিনি চেয়েছিলেন পাকিস্তানের সব প্রদেশের যোগাযোগ ও প্রশাসনিক সুবিধার্থে সাধারণ ভাষা বা লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা হিসেবে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চালু করতে। কারণ সমগ্র পাকিস্তানের সাধারণ ভাষা ছিল উর্দু। ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ ও ২৪ মার্চ ঢাকার দুটি ভাষণে জিন্নাহ স্পষ্ট করে বলেছেন, পূর্ব পাকিস্তানের দাপ্তরিক ভাষা কী হবে, তা ঠিক করবে এ অঞ্চলের মানুষ। কিন্তু সমগ্র পাকিস্তানের সব অঞ্চলের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য একটি সাধারণ ভাষা থাকবে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে এবং সেটা হবে উর্দু। পাকিস্তানের ক্ষেত্রে জিন্নাহ যেমন উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করতে চেয়েছিলেন, তেমনি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও হিন্দিকে সমগ্র ভারতের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব করেছিলেন। বাংলাদেশে জিন্নাহকে বাংলা ভাষাবিরোধী হিসেবে চিত্রিত করা হলেও রবীন্দ্রনাথকে কিন্তু সেভাবে চিত্রিত করা হয় না।

এভাবেই জিন্নাহকে বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশবিরোধী হিসেবে ন্যারেটিভ তৈরি করা হয়েছে। যিনি ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলমানদের কথা চিন্তা করেছেন, তাদের রাজনৈতিক মুক্তির কথা চিন্তা করেছেন, তাকেই খলনায়ক হিসেবে দেখানো হয় বাংলাদেশে।

জিন্নাহকে নিয়ে বিতর্ক কেবল ব্যক্তিগত মতপার্থক্যের ইতিহাস নিয়ে নয়; বরং এটি উপমহাদেশের মুসলিম রাজনীতি, জাতীয়তাবাদ ও রাষ্ট্রচিন্তা নিয়ে এক গভীর বুদ্ধিবৃত্তিক বিতর্ক হতে পারে।

Link: https://www.dailyamardesh.com/op-ed/sub-editorial/amdppryjvxb6k

সেন্টার ফর পলিসি স্টাডিজ (CPS)-এর উদ্যোগে আয়োজিত "রসুলুল্লাহ সা.-এর আদর্শে বাংলাদেশে কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার উপায়" শী...
05/09/2026

সেন্টার ফর পলিসি স্টাডিজ (CPS)-এর উদ্যোগে আয়োজিত "রসুলুল্লাহ সা.-এর আদর্শে বাংলাদেশে কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার উপায়" শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে আলোচক হিসেবে অংশগ্রহণ করতে পেরে আমি আনন্দিত।

আজ ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, কুরআন সেন্টার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই সংলাপে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রদর্শিত সুশাসন, সামাজিক ন্যায়বিচার ও সমতার নীতির আলোকে কীভাবে বাংলাদেশে একটি জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়, সে বিষয়ে অত্যন্ত সময়োপযোগী আলোচনা হয়েছে।

একটি বৈষম্যহীন ও কল্যাণকামী সমাজ গঠনের জন্য নীতিগত গবেষণা, নৈতিক মূল্যবোধ এবং দায়িত্বশীল নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। গুরুত্বপূর্ণ এই গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করার জন্য সেন্টার ফর পলিসি স্টাডিজ (CPS)-কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

02/09/2026

Honored to address our faculty, guests, and students at the inauguration of the MIU Moot Court Room at Manarat International University.

Practical legal education, sharp advocacy skills, and strong professional ethics are the bedrock of a successful legal career. A moot court provides the ideal environment for our law students to bridge theory with real-world practice.

My message to all our law students is simple: strive for academic and professional excellence, embrace hands-on learning, and always uphold the values of justice and the rule of law.

"জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের সাথে উপাচার্যের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত"মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ...
01/09/2026

"জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের সাথে উপাচার্যের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত"
মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ (JMS) বিভাগের একাডেমিক ও সার্বিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে বিভাগীয় শিক্ষকবৃন্দের সাথে এক বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত রেজিস্ট্রার এ. এইচ. এম. আবু সায়ীদ, জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত প্রধান মো: রফিকুজ্জামান, সহকারী অধ্যাপক রেহানা সুলতানা, সহকারী অধ্যাপক মামুন উদ্দিন এবং প্রভাষক তানভীর আহমেদ।

সভায় বিভাগের শিক্ষা কার্যক্রমের মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মিডিয়া সেক্টরের আধুনিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত করার লক্ষ্যে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষার্থীদের মানসম্মত মিডিয়া শিক্ষা প্রদান ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সর্বদা সচেষ্ট থাকবে।

"Guest of Honour at the Criminal Trial Advocacy Workshop 2026 Organised by Department of Law, MIU"Today, August 29, 2026...
29/08/2026

"Guest of Honour at the Criminal Trial Advocacy Workshop 2026 Organised by Department of Law, MIU"

Today, August 29, 2026, I had the privilege of attending as the Guest of Honour at the "Criminal Trial Advocacy Workshop-2026", organized by the Department of Law, Manarat International University. The central topic of the workshop was "The Art of Cross-Examination".

The event was graced by Mr. Md. Aminul Islam, Chief Prosecutor (Attorney General) of the International Crimes Tribunal Bangladesh, as the Chief Guest.

Practical advocacy skills, particularly mastering the art of cross-examination, are vital for law students to excel in their future legal careers. Programs like this play a significant role in bridging academia with real-world courtroom practices.

My heartiest congratulations to the Department of Law, MIU, for organizing such an enriching workshop.

"নাড়ির টানে গাঁয়ের বাড়ীতে: সহোদর ভাইদের সাথে কিছু মধুর মুহূর্ত"​ব্যস্ত জীবনের যান্ত্রিকতা ছেড়ে হৃদয়ের টানে ফিরে এলাম সিল...
27/08/2026

"নাড়ির টানে গাঁয়ের বাড়ীতে: সহোদর ভাইদের সাথে কিছু মধুর মুহূর্ত"

​ব্যস্ত জীবনের যান্ত্রিকতা ছেড়ে হৃদয়ের টানে ফিরে এলাম সিলেটের গোলাপগঞ্জে আমাদের নিজ গ্রামের বাড়ীতে।

​প্রকৃতির সবুজ আর পরম শান্তির মাখা পরিবেশে দুই শ্রদ্ধেয় ভাই, ড. আব্দুল হাই মিনার এবং অধ্যাপক আব্দুল মুজিব-এর সাথে কিছুটা একান্ত সময় কাটাতে পেরে মনটা ভরে গেল। শৈশবের স্মৃতিঘেরা এই মেঠোপথ আর শিকড়ের উষ্ণতা সবসময়ই মনে এনে দেয় এক ভিন্ন আনন্দ ও পরম প্রশান্তি।

​সবাই আমাদের পারিবারিক বন্ধন ও সুস্বাস্থ্যের জন্য দোয়া করবেন।

​

"A Heartwarming Reunion: Visiting the Department of Geography & Environment, University of Dhaka"Returning to the Depart...
24/08/2026

"A Heartwarming Reunion: Visiting the Department of Geography & Environment, University of Dhaka"

Returning to the Department of Geography and Environment at the University of Dhaka, a place where I spent nearly four decades of my academic career, is always a profoundly moving experience.

During my recent visit, I was warmly welcomed by my former students, who are now proudly serving as esteemed faculty members of the department. It was a wonderful moment connecting with the Chair of the Department, Dr. Fazlul Hoque, Professor Dr. Mahboob from the Department of Geography, Chittagong University, and other respectable faculty members.

The warmth, respect, and affection from my former students and colleagues served as a touching reminder of the timeless bond we share through education. Dhaka University will always hold a cherished place in my heart.

#𝐃𝐡𝐚𝐤𝐚𝐔𝐧𝐢𝐯𝐞𝐫𝐬𝐢𝐭𝐲

"কিশোর কণ্ঠ জাতীয় পাঠ প্রতিযোগিতা ২০২৫-এর জাতীয় পর্যায়ের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ"আজ ২২ আগস্ট ২০২৬, শনিবার বিক...
22/08/2026

"কিশোর কণ্ঠ জাতীয় পাঠ প্রতিযোগিতা ২০২৫-এর জাতীয় পর্যায়ের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ"

আজ ২২ আগস্ট ২০২৬, শনিবার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মিলনায়তনে 'নতুন কিশোর কণ্ঠ' কর্তৃক আয়োজিত "জাতীয় পাঠ প্রতিযোগিতা ২০২৫"-এর জাতীয় পর্যায়ের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার সৌভাগ্য হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সারা দেশ থেকে আগত বিজয়ী কৃতী কিশোর-কিশোরীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। নতুন প্রজন্মকে বই পড়ার প্রতি অনুরাগী করে তোলা এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

আমার বক্তব্যে আমি কিশোর-কিশোরীদের উদ্দেশে নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান জানাই। অপসংস্কৃতি ও প্রযুক্তির অপব্যবহার থেকে দূরে থেকে পাঠ্যাভ্যাসের মাধ্যমে নিজেদের মেধা ও চরিত্র গঠন করে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ তৈরিতে তরুণ প্রজন্মকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

সুন্দর ও সুশৃঙ্খল এই চমৎকার আয়োজনের জন্য 'নতুন কিশোর কণ্ঠ' পরিবার এবং পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। বিজয়ী সকল শিক্ষার্থীকে জানাচ্ছি শুভকামনা ও অভিনন্দন!

মেধা, সত্তা ও দেশপ্রেমে গড়ি ইনসাফের বাংলাদেশ: এসএসসি/দাখিল জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য ও পুরস্কার বিতর...
21/08/2026

মেধা, সত্তা ও দেশপ্রেমে গড়ি ইনসাফের বাংলাদেশ: এসএসসি/দাখিল জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য ও পুরস্কার বিতরণ"

আজ ২১ আগস্ট ২০২৬, শুক্রবার বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির গাজীপুর জেলা শাখা কর্তৃক আয়োজিত এসএসসি/দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের "এ+ সংবর্ধনা ২০২৬" অনুষ্ঠানে প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত থাকার সৌভাগ্য হয়েছে।

অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট ও মেধা স্মারক তুলে দেওয়ার পাশাপাশি তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গঠনে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করি।

আমার বক্তব্যে উল্লেখ করি যে, কেবল প্রাতিষ্ঠানিক ভালো ফলই যথেষ্ট নয়; বরং মেধা, সৎ চরিত্র, নৈতিক সত্তা এবং গভীর দেশপ্রেমের সমন্বয়ে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। জ্ঞান ও ইনসাফের ভিত্তিতে আগামী দিনের বাংলাদেশ গঠনে আজকের এই তরুণদেরকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

শিক্ষার্থীদের এই গৌরবোজ্জ্বল অর্জনে আমি তাদের এবং তাদের সম্মানিত অভিভাবকদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। চমৎকার এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করার জন্য আয়োজকবৃন্দকে ধন্যবাদ।


Address

Manarat International University
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Prof. Dr. Mohammad Abdur Rob posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share