Prof. Dr. Mohammad Abdur Rob

Prof. Dr. Mohammad Abdur Rob

Share

Scholar, Educator, and Academic Leader in Geography, Environment, and Geopolitics.

13/06/2026

"শিক্ষা বিস্তার ও সমাজ সংস্কারে নবাব স্যার সলিমুল্লাহর দূরদর্শী অবদান আজও আমাদের পথ দেখায়"
-প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আব্দুর রব

আজ ঢাকার শাহবাগে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল অডিটোরিয়ামে নবাব স্যার সলিমুল্লাহ বাহাদুরের ১৫৫তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত একটি বিশেষ সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলাম।

সেমিনারের মূল বিষয়বস্তু ছিল: "বাংলার মুসলিমদের শিক্ষা উন্নয়নে নবাব স্যার সলিমুল্লাহর অবদান"।

উপমহাদেশের বিশেষ করে বাংলার মুসলিম সমাজের শিক্ষা বিস্তার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং অনগ্রসর জনগোষ্ঠীকে আলোর পথ দেখাতে নবাব স্যার সলিমুল্লাহর যে ঐতিহাসিক ও দূরদর্শী অবদান ছিল, তা আজ অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়। সেমিনারে আমি তাঁর শিক্ষাদর্শন ও সমাজ সংস্কারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আমার সংক্ষিপ্ত আলোচনা তুলে ধরি। আমাদের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও এগিয়ে নিতে তাঁর মতো দূরদর্শী চিন্তার প্রতিফলন ঘটানো প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান। সেমিনারটির সভাপতিত্ব করেন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবুল মনসুর তালুকদার। এছাড়া মূল প্রবন্ধকার, প্রধান আলোচকসহ সমাজের গুণী ব্যক্তিবর্গ এবং নওয়াব পরিবারের প্র-পৌত্রগণ উপস্থিত ছিলেন।

এই আয়োজনের জন্য খোন্দকার নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

13/06/2026

হেরে গেলে বিভিন্ন কথা বলা আমাদের রাজনীতির সংস্কৃতি
- Dr Mohammad Abdur Rob

Courtesy: Public Investigation

05/06/2026

বাংলাদেশে আবারও জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে, যা সরাসরি মানুষের জীবনযাত্রার উপর প্রভাব ফেলবে।

02/06/2026

বাংলাদেশের জন্ম নদীকেন্দ্রিক ভূগোলের ভেতর। এদেশের ভূরাজনীতিতে নদী কেবল প্রকৃতির অনুষঙ্গ নয়, এটি সভ্যতা-সংস্কৃতি, অর্থনীতি, কৃষি, পরিবেশ ও জাতীয় নিরাপত্তারও অবিচ্ছেদ্য অংশ। অথচ দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম নদীগুলোর উজানে অবস্থানরত ভারত দীর্ঘদিন ধরে একতরফা পানি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নিম্ন অববাহিকার দেশ বাংলাদেশকে এক জটিল জলরাজনীতির মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। ‘হাইড্রো পলিটিক্স’ আজ কেবল পানি বণ্টনের প্রশ্ন নয়; এটি আঞ্চলিক বা আঞ্চলিক ক্ষমতা, কূটনৈতিক ভারসাম্য এবং অস্তিত্বের লড়াইয়ের প্রশ্নে রূপ নিয়েছে।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৫৪টি আন্তঃসীমান্ত নদী রয়েছে। কিন্তু এই বিশাল নদীনির্ভর সম্পর্ক সহযোগিতার চেয়ে দ্বন্দ্ব ও অবিশ্বাসের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। উজানের রাষ্ট্র হিসেবে ভারত দীর্ঘদিন ধরে পানি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে একধরনের কৌশলগত সুবিধা ভোগ করছে, আর ভাটির দেশ বাংলাদেশ ক্রমাগত পানি সংকট, নদীভাঙন, লবণাক্ততা ও পরিবেশগত বিপর্যয়ের মুখোমুখি হচ্ছে। বিশেষত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের পর পদ্মার পানিপ্রবাহে যে পরিবর্তন এসেছে, তা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি, নৌপথ, মৎস্যসম্পদ এবং পরিবেশে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। ১৯৭৫ সালে গঙ্গার পানিপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে ভারতের নির্মিত এই বাঁধ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জন্য এক দীর্ঘমেয়াদি সংকট সৃষ্টি করে। শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় কৃষি, মৎস্যসম্পদ, নৌপরিবহন ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। খুলনা ও সাতক্ষীরার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে লবণাক্ততা বেড়ে যায়, যা মানুষের জীবনযাত্রা ও খাদ্যনিরাপত্তার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এই বাঁধের কারণে দেশের দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলের আরো চার কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যদিও ১৯৯৬ সালের গঙ্গা পানি চুক্তি একটি কূটনৈতিক অগ্রগতি ছিল, বাস্তবে বাংলাদেশ ন্যায্য হিস্যা কখনো পায়নি।

বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের এত আলোচনা সত্ত্বেও পানি ইস্যুতে ন্যায়সংগত সমাধান আসেনি। মুখে যতই বন্ধুত্বের কথা বলুক, বাস্তবতা হলো উজানের দেশ ভারত তার আঞ্চলিক কৌশলগত নিরাপত্তা ও নিজস্ব উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে, যেখানে ভাটির দেশ বাংলাদেশের অধিকার ও উদ্বেগ ভারতের কাছে সব সময় গৌণ থেকে যায়। আন্তর্জাতিক নদী আইনের অন্যতম নীতি হলো অভিন্ন নদীর পানি ন্যায্য ও যৌক্তিকভাবে ব্যবহার করা। কিন্তু বাস্তবে দক্ষিণ এশিয়ায় শক্তির ভারসাম্য এতটাই অসম যে ছোট রাষ্ট্রগুলোর পক্ষে নিজেদের অধিকার আদায় কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের পানি বণ্টন ইস্যুতেও এর প্রতিফলন ঘটে। বাংলাদেশ-ভারত আন্তঃসীমান্ত নদীর পানিবণ্টনে ভারত আন্তর্জাতিক ন্যায্যতার নীতির তোয়াক্কা করে না। আন্তর্জাতিক নদী আইন অনুযায়ী, কোনো উজান রাষ্ট্র এমনভাবে পানি ব্যবহার করতে পারে না, যাতে ভাটির দেশের উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, ভারত আন্তর্জাতিক নীতির অনুসরণ না করে প্রায়ই অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক প্রয়োজন ও আঞ্চলিক কৌশলগত স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেয়। তিস্তা চুক্তি তার বড় উদাহরণ। তিস্তা নদী ইস্যু আরো স্পষ্টভাবে দেখিয়ে দেয়, দক্ষিণ এশিয়ায় পানি কেবল প্রাকৃতিক সম্পদ নয়; এটি রাজনৈতিক ক্ষমতারও প্রতীক। প্রায় দেড় দশক ধরে আলোচনার পরও তিস্তা চুক্তি ঝুলিয়ে রেখেছে ভারত পশ্চিমবঙ্গের আঞ্চলিক রাজনীতির দোহাই দিয়ে। একটি ফেডারেল কাঠামোর অজুহাতে নয়াদিল্লি কার্যকর সমাধান দিতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে বাংলাদেশকে প্রতি শুষ্ক মৌসুমে পানির তীব্র সংকট মোকাবিলা করতে হয়। অথচ উত্তরাঞ্চলের কোটি মানুষের কৃষি ও জীবনযাত্রা তিস্তার পানির ওপর নির্ভরশীল।

ফারাক্কা বাঁধ চালু হওয়ার দু’দশকেরও বেশি সময় পর ১৯৯৬ সালে ভারত ও বাংলাদেশ ৩০ বছর মেয়াদি ওই চুক্তি সম্পাদন করে। গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বরেই শেষ হচ্ছে। গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ নবায়ন করা হবে, নাকি দুই দেশের মধ্যে নতুন করে চুক্তি হবে, তা নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা না এলেও দুই দেশের কারিগরি দল এ বিষয়ে প্রাথমিক প্রস্তুতির কাজ শুরু করেছে। আর এই প্রস্তুতির মধ্যেই অনানুষ্ঠানিকভাবে ভারতের দিক থেকে নতুন চুক্তির ক্ষেত্রে নতুন ফর্মুলার কথা বলা হচ্ছে, যেটিকে বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞরা ‘অযৌক্তিক’ বলে মনে করছেন। ভারতের দিক থেকে নতুন করে যেসব বক্তব্য আসছে, তাতে চুক্তি নবায়নের বিষয়টি সংকটের মুখে পড়তে পারে। পানি বণ্টন চুক্তিতে রয়েছে, বাংলাদেশ ও ভারত কী পরিমাণ পানি পাবে, সেটা নির্ভর করবে উজানে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ, পানির প্রবাহ ও গতিবেগের ওপর। এখন গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে আসার প্রেক্ষাপটে কয়েক বছর ধরেই চুক্তির নবায়ন কিংবা নতুন চুক্তির ক্ষেত্রে নতুন প্রস্তাবের বিষয়টি আলোচনায় আসছে। চুক্তির নবায়ন ইস্যুতে ভেতরে ভেতরে যে প্রাথমিক প্রস্তুতি চলছে, তাতে ভারত চাইছে ফারাক্কা পয়েন্টে পানি প্রবাহের ভিত্তিতে চুক্তির ফ্রেমওয়ার্ক দাঁড় করাতে।

অন্যদিকে ফারাক্কা পয়েন্টে পানির গড় প্রবাহ কম থাকায় বাংলাদেশকে পুরো নদীর পানি প্রবাহকে বিবেচনায় নিয়ে পানি ভাগাভাগি করার শর্তে জোর দিতে হবে। কারণ উজান থেকে ভারত একতরফা পানি প্রত্যাহার করার কারণে ফারাক্কা ব্যারাজ-সংলগ্ন অঞ্চলে পানির প্রবাহ অনেক কম থাকে। এছাড়া দুই দেশ যেহেতু আগেই সম্মত হয়েছিল গঙ্গার পানি নদীর পরিমাণভিত্তিক ভাগ হবে, তাই বাংলাদেশকে এই পয়েন্টে শক্ত অবস্থান ধরে রাখতে হবে। নতুন চুক্তিতে পলির গুরুত্ব অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, কেননা পলি বদ্বীপের টিকে থাকা নিশ্চিত করবে। তাই নতুন চুক্তিতে পানির পাশাপাশি পলির বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, ভারতের বাঁধগুলোতে বাইপাস ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করতে হবে এবং নির্ধারিত সীমার বেশি পলি আটকে গেলে জরিমানাসহ পর্যবেক্ষণব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। ১৮ কোটি মানুষের বদ্বীপ রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের টিকে থাকা নির্ভর করছে পলির ওপর, যে পলি ভূমিকে সমুদ্রপৃষ্ঠের ওপরে ধরে রাখে।

অপরদিকে ফারাক্কা ব্যারাজের নেতিবাচক প্রভাব থেকে বাংলাদেশকে বাঁচাতে প্রথম পর্যায়ে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প হাতে নিচ্ছে সরকার। এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো শুষ্ক মৌসুমে পদ্মা নদীর পানি সংরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী ব্যবস্থায় স্বাদু পানির প্রবাহ নিশ্চিত করা। এর ফলে পদ্মায় শুষ্ক মৌসুমের পানি ধরে রাখা যাবে এবং তা দক্ষিণ-পশ্চিমে নদ-নদীতে প্রবাহিত করা যাবে। পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রায় ৩৭ শতাংশ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে এবং সুন্দরবন ও উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য হুমকিস্বরূপ লবণাক্ততা কমবে। প্রাণ ফিরে পাবে মৃতপ্রায় বিশেষত গড়াই, মধুমতী, বড়াল ও ইছামতীর মতো নদীগুলো। একই সঙ্গে কৃষি, মৎস্য ও পরিবেশে আসবে ইতিবাচক পরিবর্তন। তবে এর কিছু নেতিবাচক প্রভাবও সৃষ্টি হতে পারে, যেমন ব্যারাজের উজানে নদীতে পলিপতনের ফলে তলদেশ ভরাট হয়ে যেতে পারে এবং ব্যারাজের প্রস্তাবিত স্থান পাংশা থেকে রাজশাহী পর্যন্ত প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার নদীর দুই তীরে বন্যা এবং পাড়ভাঙন বৃদ্ধি পেতে পারে। এছাড়া প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারাজের মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে এই নদীর পানি দক্ষিণ-পশ্চিমে অপসারিত হলে দেশের মধ্যাঞ্চল এবং মেঘনা মোহনার জন্য পানি হ্রাস পাবে। এর ফলে আড়িয়াল খাঁসহ অন্যান্য নদীর প্রবাহ কমে যাবে এবং মেঘনা মোহনা দিয়ে লবণাক্ততা দেশের আরো ভেতরে প্রবেশ করতে পারে। এসব নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় কার্যকর পরিকল্পনা আগে থেকেই নিতে হবে, যাতে করে পরিবেশ, জনজীবন নিরাপদ থাকে এবং ব্যারাজের মাধ্যমে উপকৃত হতে পারে। দেশের ভেতরেও বাংলাদেশকে পলির কার্যকর ব্যবস্থাপনা করতে হবে—নদী খনন, শাখা নদী পুনরুদ্ধার এবং নিয়ন্ত্রিত প্লাবনের মাধ্যমে ভূমি গঠনের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। যে সমস্যার সমাধান চুক্তির মাধ্যমে হওয়ার কথা ছিল, তা মোকাবিলায় ৫০ হাজার ৪৪৩ কোটি টাকার অবকাঠামো নির্মাণ কূটনৈতিক ব্যর্থতারই প্রমাণ। তারপরও পদ্মা ব্যারাজ প্রমাণ করে, টিকে থাকার প্রয়োজন দেখা দিলে বাংলাদেশ বৃহৎ অবকাঠামো বাস্তবায়নের সক্ষমতা রাখে। এখন প্রশ্ন হলো, এই কাঠামো কি এমন সমাধান নিশ্চিত করবে, যা বদ্বীপের বাস্তবতাকে—অর্থাৎ পানি ও পলি উভয়কে—একসঙ্গে বিবেচনায় নেয়? নাকি এক সংকট সমাধান করতে গিয়ে আরেক সংকটকে ত্বরান্বিত করবে? নির্মাণকাজ শুরু হয়ে গেলে সময়ের সুযোগ দ্রুত সংকুচিত হবে।

ভারত ২০০৩ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে বরাক নদীর ওপর বিতর্কিত টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ শুরু করে, যা মণিপুরের চুরাচাঁদপুর জেলার টিপাইমুখ উপবিভাগে বরাক ও তুইভাই নদীর মিলনস্থলের কাছে অবস্থিত। ১৯৯৯ সালে ভারত সরকার প্রকল্পটি অনুমোদন করে। বরাক ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃসীমান্ত নদী। বাংলাদেশে প্রবেশের পর নদীটি সুরমা ও কুশিয়ারা নদীতে বিভক্ত হয়, যা পরে মেঘনা নদীতে মিলিত হয়ে গঙ্গা বদ্বীপের অংশে প্রবেশ করে। এই নদী ব্যবস্থা বাংলাদেশের বিশাল হাওরাঞ্চলকে টিকিয়ে রাখে, বিশেষ করে সিলেট বিভাগের হাওরগুলোয় মৌসুমি বন্যা, মৎস্যসম্পদ ও ধানচাষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের আশঙ্কা নদীর প্রবাহব্যবস্থায় পরিবর্তন এলে হাওরাঞ্চলের বন্যার সময় ও পরিমাণ প্রভাবিত হতে পারে। শুষ্ক মৌসুমে পানিপ্রবাহ কমে গেলে সেচ ও মাছের প্রজনন ব্যাহত হতে পারে। আবার শীতকালে অতিরিক্ত পানি আটকে রাখলে হাওরাঞ্চলে চাষাবাদের সময় কমে যেতে পারে। প্রায় ৬০ হাজার মানুষের জীবিকার সঙ্গে যুক্ত বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি টাঙ্গুয়ার হাওরকে বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। টিপাইমুখ প্রকল্পটি ভারত-বাংলাদেশ পানি কূটনীতির একটি বিতর্কিত ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। বাঁধ পরিচালনার অনিশ্চয়তা এবং আন্তঃসীমান্ত পরিবেশগত ঝুঁকির কারণে উদ্বেগ রয়ে গেছে। এ ছাড়া বাঁধস্থলটি ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় অবস্থিত, যা বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে জলাধারের কাঠামোগত নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটলে তা ভারত ও বাংলাদেশের ঘনবসতিপূর্ণ ভাটির অঞ্চলের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। এই বিশাল বাঁধ নির্মাণ এবং বরাক নদীর পানিপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা ও কুশিয়ারা নদী ব্যবস্থার ওপর দীর্ঘমেয়াদি বিরূপ প্রভাব ফেলবে, যা নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের পরিবেশ, প্রতিবেশ, কৃষি, জীববৈচিত্র্য, মৎস্যসম্পদ ও সামগ্রিক আর্থসামাজিক ব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করবে।

ভারতের ভেতরেও স্থানীয় বিরোধিতা প্রবল ছিল। বিশেষ করে হমার স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন এবং মণিপুর ও মিজোরামের বিভিন্ন নাগরিক সংগঠন অভিযোগ করে, বাঁধ নির্মাণ আদিবাসী জনগণের অধিকার লঙ্ঘন করবে এবং জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলগুলোকে হুমকির মুখে ফেলবে। টিপাইমুখ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পটির সম্ভাব্য পরিবেশগত ক্ষতির আশঙ্কায় দেশ-বিদেশে ব্যাপক প্রতিবাদ ও সমালোচনার মুখে নির্মাণকাজ স্থগিত করা হয়। ভারত সরকার দাবি করে আসছে, এই বাঁধের মূল উদ্দেশ্য বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন; নদীর পানি সেচের জন্য সরিয়ে নেওয়া নয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশ উত্থাপিত সব উদ্বেগ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে বলেও ভারত আশ্বাস দিয়েছে। ভারতের আশ্বাসে নির্ভরশীল না হয়ে বাংলাদেশকে এর প্রভাব পর্যালোচনা করেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ভবিষ্যতে প্রকল্পটির অগ্রগতি অনেকাংশে নির্ভর করবে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের অধীনে উভয় দেশের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি কাঠামো গড়ে ওঠার ওপর এবং কঠোর পরিবেশগত সুরক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবায়নের ওপর।

ফেনী নদীর উৎপত্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে হলেও এই নদীর ওপর একক আধিপত্য বিস্তার করে চলেছে ভারত। গত প্রায় এক যুগ ধরে ৩৭টি স্থানে পাম্প বসিয়ে ফেনী নদী থেকে অবিরাম পানি তুলে নিচ্ছে ভারত। শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদির মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় ভারত ফেনী নদী থেকে আরো ১ দশমিক ৮২ কিউসেক পানি প্রত্যাহার করতে পারবে। পক্ষান্তরে, নিজ দেশের নদীর পানি ব্যবহার করতে গেলে বাংলাদেশের কৃষকদের অস্ত্র উঁচিয়ে হুমকি দিচ্ছে বিএসএফ। ভারতের একতরফা উত্তোলনে পানি শুকিয়ে অসংখ্য চর জেগে উঠেছে ফেনী নদীতে। যেদিকে চোখ যায় শুধুই বালুচর; বলতে গেলে খরস্রোতা ফেনী নদী এখন মৃতপ্রায়। এ অবস্থায় ভারতে ইনটেক ওয়েল প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের দ্বিতীয় বৃহৎ মুহুরি সেচ প্রকল্প হুমকির মুখে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আর এ সমঝোতা স্মারকের প্রতিবাদ করায় বুয়েটের মেধাবী শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ ছাত্রলীগের একদল সন্ত্রাসীর নির্মম নির্যাতনে নিহত হন। যে ফেনী নদীর বুক চিরে একসময় বড় বড় নৌকা চলত, সে নদীতে এখন গোসল করারও পানি নেই। পানির অভাবে নাব্যতা হারিয়ে এককালের স্রোতস্বিনী ফেনী নদী রূপ নিয়েছে বালুচরে। বাংলাদেশকে অবিলম্বে বিগত আমলের সমঝোতা স্মারকটি পুনর্বিবেচনা করে দেশের স্বার্থে ভারতের সঙ্গে ফেনী নদীর পানিপ্রবাহ ঠিক রাখতে চুক্তি করতে হবে।

বর্তমান বিশ্বে পানি আগামী দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূরাজনৈতিক সম্পদে পরিণত হচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ায় এই বাস্তবতা আরো তীব্র। ফলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কেও নদী কেবল পরিবেশগত ইস্যু নয়, এটি কৌশলগত ক্ষমতার প্রশ্ন। বাংলাদেশ যদি সময়মতো কার্যকর পানি কূটনীতি গড়ে তুলতে না পারে, তবে ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তা, পরিবেশ এবং অর্থনীতি আরো বড় ঝুঁকির মুখে পড়বে। ভারতের সঙ্গে নদীর পানির হিস্যা পাওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বরাবরই সমঝোতা ও কূটনৈতিক সংলাপের পথ অনুসরণ করেছে। অথচ বাস্তবে দেখা যায়, সীমান্ত, বাণিজ্য কিংবা নিরাপত্তা সহযোগিতায় বাংলাদেশ ছাড় দিলেও পানি ইস্যুতে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি খুবই সীমিত। কেবল নমনীয়তা দেখিয়ে জাতীয় স্বার্থ রক্ষা সম্ভব নয়। বাস্তবতা হলো, জলরাজনীতিতে কূটনৈতিক সৌজন্যের পাশাপাশি প্রয়োজন কৌশলগত দৃঢ়তা। বাংলাদেশের উচিত আন্তর্জাতিক ফোরামগুলোয় বিষয়টি আরো জোরালোভাবে উত্থাপন করা এবং আন্তঃসীমান্ত নদী ব্যবস্থাপনায় বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক নীতিমালার পক্ষে বৈশ্বিক সমর্থন গড়ে তোলা।

বাংলাদেশসহ গোটা অঞ্চলের জন্য সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, পানি এখন ভবিষ্যৎ কৌশলগত স্বার্থ ও নিরাপত্তার প্রশ্নে পরিণত হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে নদীর প্রবাহ, বর্ষা ও খরার ধরন দ্রুত বদলে যাচ্ছে। হিমালয়ের হিমবাহের দ্রুত গলন, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত এবং নদীর পানি ধরে রাখা বা প্রবাহ পরিবর্তনে অতিরিক্ত বাঁধ নির্মাণ ভবিষ্যতে দক্ষিণ এশিয়াকে এক ভয়াবহ পানি সংকটের দিকে ঠেলে দিতে পারে। সেই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আন্তঃসীমান্ত নদী ব্যবস্থাপনায় পারস্পরিক সহযোগিতার বিকল্প নেই। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের সামনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ করণীয় রয়েছে। প্রথমত, বাংলাদেশের পানি কূটনীতিকে পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রীয় অগ্রাধিকার দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, নদী গবেষণা, তথ্য সংগ্রহ ও পানি ব্যবস্থাপনায় নিজস্ব সক্ষমতা বাড়াতে হবে। তৃতীয়ত, জাতিসংঘ, সার্ক এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ফোরামে বৈজ্ঞানিক তথ্য ও মানবিক প্রভাব তুলে ধরে আন্তর্জাতিক জনমত তৈরি করতে হবে। কেবল ভারতের সমালোচনা করলেই হবে না; নদী দখল, দূষণ এবং অব্যবস্থাপনার মতো অভ্যন্তরীণ সমস্যাগুলোও সমাধান করতে হবে। কারণ, দুর্বল অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা আন্তর্জাতিক আলোচনায় বাংলাদেশের অবস্থানকে দুর্বল করে।

বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় আন্তঃসীমান্ত নদীর ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করা আজ সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দাবি। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের প্রকৃত পরীক্ষার জায়গা হলো আন্তঃসীমান্ত নদী ব্যবস্থাপনা। কারণ বন্ধুত্বের প্রকৃত মূল্য বোঝা যায় তখনই, যখন শক্তিশালী পক্ষ দুর্বল পক্ষের ন্যায্য অধিকারকে সম্মান করে। পানি কোনো একক অবস্থানের সম্পত্তি নয়; এটি যৌথ প্রাকৃতিক উত্তরাধিকার। সেই বাস্তবতা যতদিন পর্যন্ত দক্ষিণ এশিয়ার জলরাজনীতিতে প্রতিফলিত না হবে, ততদিন অভিন্ন নদীগুলো সহযোগিতার সেতু না হয়ে বিরোধের উৎস হিসেবেই থেকে যাবে।

https://www.dailyamardesh.com/op-ed/sub-editorial/amddub4m2zdxs

27/05/2026

“ভেতরের অন্যায় ও স্বার্থপরতাকে কোরবানি দিয়ে সত্য ও ন্যায়ের শক্তিতে জাগ্রত হওয়ার আহ্বান।”

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমতুল্লাহ।

মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (MIU) পরিবারের সকল সম্মানিত শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, আমার প্রাণপ্রিয় ছাত্র-ছাত্রী এবং দেশবাসীকে জানাই পবিত্র ঈদুল আজহার আন্তরিক শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক!

ঈদুল আজহা আমাদের আত্মত্যাগ ও অনাবিল আনুগত্যের শিক্ষা দেয়। মহান আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে এবং সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে হযরত ইব্রাহিম (আঃ) তাঁর সবচেয়ে প্রিয় বস্তুকে কোরবানি দেওয়ার যে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন, তা চিরকাল মানবজাতির জন্য এক মহান আদর্শ।

কোরবানির এই পবিত্র আবহে পশুর সাথে সাথে আমাদের ভেতরের লোভ-লালসা, অন্যায়, স্বার্থপরতা, অহংকার ও হিংসা-বিদ্বেষকেও কোরবানি দেওয়াই হোক এবারের ঈদের মূল অঙ্গীকার।

আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ভাষায় বলতে হয়—

"হত্যা নয় ওরে সত্যাগ্রহ, শক্তির উদ্বোধন।"

আজকের এই বরকতময় দিনে মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করি, ত্যাগের এই মহিমা যেন সমগ্র মুসলিম উম্মাহর মধ্যে ঐক্য, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধকে আরও সুদৃঢ় করে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ত্যাগের আলোয় উদ্ভাসিত এবং সত্যের পথে চলার মানসিক শক্তিতে বলীয়ান করুন।

সকলের ঈদ কাটুক আনন্দময়, নিরাপদ ও শান্তিতে।

ধর্ষকের প্রকাশ্যে মৃত্যুদন্ড দেয়া উচিৎ ।। মানারাতের উপাচার্য ড. আব্দুর রব 24/05/2026

ধর্ষকের প্রকাশ্যে মৃত্যুদন্ড দেয়া উচিৎ
-প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আব্দুর রব

ধর্ষকের প্রকাশ্যে মৃত্যুদন্ড দেয়া উচিৎ ।। মানারাতের উপাচার্য ড. আব্দুর রব ধর্ষকের প্রকাশ্যে মৃত্যুদন্ড দেয়া উচিৎ ।। মানারাতের উপাচার্য ড. আব্...

Photos from Prof. Dr. Mohammad Abdur Rob's post 20/05/2026

মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আশুলিয়া স্থায়ী ক্যাম্পাসের অডিটোরিয়ামে আইন বিভাগের ৪০তম ব্যাচের (Department of Law, 40th Batch) বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলাম।

শিক্ষাজীবনের এই সমাপনী মুহূর্তটি একই সাথে আনন্দের এবং আবেগের। বিদায়ী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়ার পাশাপাশি তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য আন্তরিক দোয়া ও শুভকামনা জানাই। দেশের বিচার বিভাগ, আইন অঙ্গন এবং আইনি সেবার ক্ষেত্রে তারা সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরব বয়ে আনবে, এটাই আমার প্রত্যাশা।

অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন আইন বিভাগের প্রধান (ভারপ্রাপ্ত) ব্যারিস্টার মো. তাসনিম ফেরদৌস। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. এ.বি.এম. মাহবুবুল ইসলাম, অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার মো. আলমগীর হোসেনসহ বিভাগের সম্মানিত শিক্ষক মণ্ডলী ও কর্মকর্তাবৃন্দ।

আইন বিভাগের ৪০তম ব্যাচের সকল শিক্ষার্থীর আগামী পথচলা সফল ও সমৃদ্ধ হোক।

19/05/2026

আজ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কর্তৃক আয়োজিত "শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ও জাতীয় উন্নয়ন: প্রাক-বাজেট সংলাপ" শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় একজন আমন্ত্রিত আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলাম।

একটি দেশের টেকসই জাতীয় উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি হলো মানসম্মত শিক্ষা। আসন্ন বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দের যৌক্তিক বৃদ্ধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কাঠামোগত উন্নয়ন এবং গবেষণাকাজে প্রয়োজনীয় অর্থায়নের গুরুত্ব নিয়ে সংলাপে আমার ব্যক্তিস্বাধীন ও গঠনমূলক মতামত তুলে ধরি। একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে দলমত নির্বিশেষে শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া আজ সময়ের দাবি।

চমৎকার এবং সময়োপযোগী এই বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনার আয়োজন করার জন্য আয়োজকবৃন্দকে ধন্যবাদ জানাই।

18/05/2026

মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারের সঙ্গে মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভিসির দ্বিপাক্ষীয় বৈঠক

ঢাকাস্থ মালয়েশিয়া হাইকমিশনের মান্যবর হাইকমিশনার মুহাম্মাদ শুহাদা বিন ওসমানের সঙ্গে মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবদুর রবের এক দ্বিপাক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (১৭ মে ২০২৬) বিকেলে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে মালয়েশিয়ার তেরেঙ্গানু বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্পোরেট যোগাযোগ বিভাগের পরিচালক মি. জুকিফেরি বিন ইব্রাহিম উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষা খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি, গবেষণা সম্প্রসারণ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় এবং আন্তর্জাতিক একাডেমিক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা হয়।

এ সময় মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষা কার্যক্রম, সুনাম ও একাডেমিক অগ্রগতির প্রশংসা করেন।

জবাবে প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবদুর রব মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা এবং গবেষণার সুযোগ সৃষ্টিতে কাজ করে যাচ্ছে বলে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারকে আশ্বস্ত করেন।

একই সঙ্গে তিনি মান্যবর হাইকমিশনারকে সুবিধাজনক সময়ে মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানান।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকসের ডিন মোঃ মাহবুব আলম এবং সিজিইডি’র সহকারী অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিন সরকার উপস্থিত ছিলেন।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

Manarat International University
Dhaka
1212