আল্লাহ এক তার কোন শরীক নাই

আল্লাহ এক তার কোন শরীক নাই

Share

একমাত্র আমাকেই ভয় কর। ” [সূরা আল-বাক্ব?

18/03/2025

গা(যায় সাহরি খাচ্ছিলেন গা/(যাবাসী।
অমনিই বর্ব(/রদের হামলা।
শাহাদাতের শরাব পান করলেন চার শতাধিক মুসলিম।

হে যা()লিম!
জেনে রেখো,
যাদের রক্ত ঝরানো হয় অন্যায়ভাবে,
তারাই যমীনের মালিক হয়।
এই সমগ্র ভূখণ্ড একদিন আলিঙ্গন করবে
এই নিরীহ গা(/যাবাসীদের।
সেদিন সামান্য পাথর, গাছও তোমাদের আশ্রয় দিবেনা,
ইং শা আল্লাহ।

14/01/2022
07/07/2020

সম্ভবত তিনি একমাত্র আলেম যার কোন হেটার্স নেই!
তাকে হানাফী ভাইয়েরা ভালবাসেন, আহলে হাদীস ভাইয়েরাও ভালবাসেন। কওমিরা ভালবাসেন, আলিয়ারাও ভালবাসেন।

শুধু দুই-একটা (ভন্ড পীর) হয়ত বিরোধিরা করেছে।

ডা. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর স্যার তার সাবলীল বক্তব্য, মুক্তোঝরা হাসিমুখ আর সাধাসিধে জীবন দিয়ে খুব সহজভাবে দ্বীন বুঝিয়েছেন।
একজনও আলেমের বিরুদ্ধে কখনো খারাপ মন্তব্য করেননি। কিভাবে দাওয়াত সহজ করতে হয় সেটা তার চেয়ে সুন্দরভাবে কেউ বুঝাতে পারেনি।

প্রতিষ্ঠা করে গেছেন আস সুন্নাহ ট্রাস্ট। লিখে গেছেন অনবদ্য অসংখ্য বই। শিক্ষিত, অশিক্ষিত উভয় শ্রেণির লক্ষ লক্ষ মানুষকে দেখিয়েছেন হেরার আলো।

আল্লাহ এই মানুষটিকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুক।

(সংগৃহীত পোস্ট)

02/07/2020

এই ১০টি ফজিলতপূর্ণ আমল যা আপনার সারাবছরের_ই দৈনন্দিন রুটিনে থাকা উচিত :

⭕আমলঃ- ১ ★
🍁প্রত্যেক ফরজ নামাজ শেষে "আয়াতুল কুরসি' পাঠ করুণঃ-

🔘ফজিলতঃ-
"এতে মৃত্যুর সাথে সাথে জান্নাতে যেতে
পারবেন;
[সিলসিলাহ সহিহাহ, হাদিস নং- ৯৭২]🍁

⭕আমলঃ- ২ ★
🍂মাত্র বারো রাকাত; প্রতিদান হল "জান্নাতের মহল"

আয়েশা (রাযিঃ) হইতে বর্নিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি ১২ রাকাত সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ নিয়মিত আদায় করবে তার জন্য আল্লাহতায়ালা জান্নাতে মহল নির্মান করবেন।
৪ রাকাত যোহরের পূর্বে, ২ রাকাত যোহরের পর, ২ রাকাত মাগরিবের পর, ২ রাকাত ইশার পর, ২ রাকাত ফজরের পূর্বে।
[সুনানে নাসায়ী, তিরমিযী] 🍂

⭕আমলঃ- ৩ ★
🍁প্রত্যেক ওযুর পর কালেমা শাহাদত পাঠ করুণঃ-

"উচ্চারনঃ-আশহাদু আল্লাহ ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু ওয়াশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়ারাসুলূহু'

🔘ফজিলতঃ-
"যে ব্যাক্তি ওযু করার পড় কালিমায়ে শাহাদাত পাঠ করবে ঐ ব্যাক্তির জন্য জান্নাতের ৮টি দরজা খুলে দেওয়া হয় এবং যে কোন দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে:
[সহিহ মুসলিম, হাদিস নং-২৩৪]🍁

⭕আমলঃ- ৪ ★
🍂প্রত্যেক ফরজ নামাজ শেষেঃ-

🔘৩৩ বার সুবহানাল্লাহ,
🔘৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ্,
🔘৩৩ বার আল্লাহু আকবার

এবং ১বার এই দোয়াটি পড়া লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর পাঠ করে সর্ব মোট ১০০বার পূর্ণ করবে তার সমস্ত গুনাহ মাফ হইয়া যাবে যদিও তা সমুদ্রের ফেনার সমতুল্য হয় (মুসলিম, মিশকাত তাহকীক ৯৬৭/৩০৫)🍂

⭕আমলঃ- ৫ ★
🍁প্রত্যেক সকাল ও সন্ধ্যায় সাইয়িদুল ইস্তিগফার পড়া। ক্ষমার শ্রেষ্ঠ দুয়া।
~~~~~
রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে এই দো‘আ পাঠ করবে, দিনে পাঠ করে রাতে মারা গেলে কিংবা রাতে পাঠ করে দিনে মারা গেলে, সে জান্নাতী হবে’।
ﺍَﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺃَﻧْﺖَ ﺭَﺑِّﻰْ ﻵ ﺇِﻟﻪَ ﺇﻻَّ ﺃَﻧْﺖَ ﺧَﻠَﻘْﺘَﻨِﻰْ ﻭَﺃَﻧَﺎ ﻋَﺒْﺪُﻙَ ﻭَﺃَﻧَﺎ ﻋَﻠﻰ ﻋَﻬْﺪِﻙَ ﻭَﻭَﻋْﺪِﻙَ ﻣَﺎ ﺍﺳْﺘَﻄَﻌْﺖُ، ﺃَﻋُﻮْﺫُﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺷَﺮِّﻣَﺎ ﺻَﻨَﻌْﺖُ، ﺃﺑُﻮْﺀُ ﻟَﻚَ ﺑِﻨِﻌْﻤَﺘِﻚَ ﻋَﻠَﻰَّ ﻭَﺃَﺑُﻮْﺀُ ﺑِﺬَﻧْﺒِﻰْ ﻓَﺎﻏْﻔِﺮْﻟِﻰْ، ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﻻَﻳَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﺬُّﻧُﻮْﺏَ ﺇِﻻَّ ﺃَﻧْﺖَ -
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা আনতা রববী লা ইলা-হা ইল্লা আনতা খলাক্বতানী, ওয়া আনা ‘আবদুকা ওয়া আনা ‘আলা ‘আহদিকা ওয়া ওয়া‘দিকা মাসতাত্বা‘তু, আ‘ঊযুবিকা মিন শাররি মা সানা‘তু। আবূউ লাকা বিনি‘মাতিকা ‘আলাইয়া ওয়া আবূউ বি যাম্বী ফাগফিরলী ফা ইন্নাহূ লা~ ইয়াগফিরুয্ যুনূবা ইল্লা আনতা।
[সহীহ বুখারী ৬৩০৬]🍁

⭕আমলঃ- ৬ ★
🍂সুরা ইখলাস পাঠ করা – ১০ বার, না পারলে ৩ বার।

🔘ফজিলতঃ- আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, জনৈক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে রাতে বারবার সুরা আল-ইখলাস পড়তে শুনেছেন। অতঃপর সকালে মহানবী (সা.)-কে এ বিষয়টি অবহিত করা হলো। মহানবী (সা.) তখন বলেন, ওই সত্তার শপথ, যার হাতে আমার জীবন, অবশ্যই এ সুরা কোরআন মাজিদের এক-তৃতীয়াংশের সমান। (সহিহ বুখারি : ৫০১৩, আবু দাউদ : ১৪৬১, নাসায়ি : ২/১৭১, মুআত্তা মালেক : ১/২০৮🍂

⭕আমলঃ- ৭ ★
🍁১০০ বার সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি
যে ব্যাক্তি সকালে ও সন্ধ্যায় ১০০ বার করে ‘সুবহা-নাল্লা-হি ওয়া বিহামদিহী’ পড়বে।তার গোনাহ মাফ হইয়া যাইবে,যদিও তা সাগরের ফেনা থেকেও বেশী হয়’। (বুখারী ও মুসলিম)🍁

⭕আমলঃ- ৮ ★
🍂প্রতিরাতে সূরা মুলক পাঠ করুণ এতে কবরের শাস্তি থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন।
[সহিহ তারগিব,হাকিম ৩৮৩৯]🍂

⭕আমলঃ- ৯ ★
🍁সুরা বাক্বারার শেষ দুই আয়াত পড়া – রাতে ঘুমানোর আগে ১ বার (বিঃ দ্রঃ অনেকে মুখস্ত করেন নি। দ্রুত করে নিবেন।)

(এটার ফযিলত তাহাজ্জুদ নামায পড়ার সমতুল্য!!! আর কি চাই বলুন! এত মর্যাদাপূর্ণ ইবাদাত, না করতে পারলেও করার সমান সওয়াব হয়ে যাবে এটা পড়লেই!! সুবহান আল্লাহ্। কতই না বরকতময় এই দুই আয়াত! )🍁

⭕আমল- ১০ ★
রাতের_বেলা_একশো_আয়াত_তেলাওয়াত

ফজিলত
🍂তামীম দারী রা.থেকে বর্ণিত , নবী(সা:)বলেছেন,
যে ব্যক্তি একরাতে ১০০টি আয়াত তেলাওয়াত করবে,সেই ব্যক্তিরর আমলনামায় ঐ রাতের ইবাদত বন্দেগী ও নফল সলাত এর সোয়াব লিপিবদ্ধ করা হবে।

সূত্র আহমদ:১৬৯৫৮,নাসাঈ কুরবা:১০৫৫৩, ত্বাবারানী:১২৩৮,সিলসিলাহ সহীহ :৬৪৪

♦️OPTION 1♦️
সুরা ইখলাস (ক্বুলহু আল্লাহ) ২৫ বার পরলে ১০০ আয়াত পড়া হয়,,
এই ফজিলত পূর্ণ আমল টি করবেনতো??

♦️OPTION 2♦️
১.সূরা মুলক------------------------৩০ আয়াত।
২.সূরা কাহাফ----------------------প্রথম ১০ আয়াত
৩.সূরা ফাতিহা--------------------৭আয়াত।
৪.সূরা কাফিরুন--------------------৬আয়াত।
৫.সূরা ইখলাস(৩বার)---------- ---১২আয়াত।
৬.সূরা ফালাক(৩বার) -------------১৫ আয়াত।
৭.সূরা নাস(৩বার)-----------------১৮আয়াত।
৮.বাকারার শেষ (২আয়াত)--------২ আয়াত।
--------------------------------------------------------------------------
সর্বমোট =১০০আয়াত

✪বি:দ্র: যেকোনো সূরার যেকোনো আয়াত হলেই হবে।উপরের আয়াত গুলো দেওয়ার কারণ হলো ঐগুলোর আলাদা কিছু ফজিলতও আছে।

💜সবশেষে ১০টি আমলই রিপিট করা যাক :

১।আয়াতুল কুরসি

২।বারো রাকাত সুন্নাত নামাজ

৩।কালেমায়ে শাহাদত

৪।৩৩➤সুবহানাল্লাহ;৩৩➤আলহামদুলিল্লাহ ;৩৩➤আল্লাহু আকবার। এবং "লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর" এই দওয়া ১বার।

৫।সকাল ও সন্ধ্যায় সাইয়িদুল ইস্তিগফার
৬।সুরা ইখলাস

৭।১০০ বার সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি

৮।রাতে সূরা মুলক

৯।রাতে সুরা বাক্বারার শেষ দুই আয়াত

১০।রাতের বেলা ১০০ আয়াত তেলাওয়াত

21/05/2020

সবচেয়ে ভয়ংকর হাদিসগুলোর একটি নিচে দেয়া হলো। মনযোগ দিয়ে পড়ুন।

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, 'আমার উম্মতের অনেকের কথা আমি জানি, যারা কিয়ামাতের দিন তিহামা অঞ্চলের সাদা পর্বতমালা পরিমাণ নেকি নিয়ে উপস্থিত হবে, কিন্তু
আল্লাহ্ সেগুলোকে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত করে দেবেন।

এই কথা শুনে সাওবান (রা.) বললেন, "হে রাসূলাল্লাহ! তাদের পরিচয় দিন, আমরা যেন নিজেদের অজান্তে তাদের অন্তর্ভুক্ত না হয়ে যাই।"

তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তারা তোমাদেরই ভাই, তোমাদের সাথেই থাকে। তোমরা যেমন রাত জেগে ইবাদাত করো, তারাও করে।

কিন্তু যখন একাকী হয় তখন আল্লহর নিষিদ্ধকৃত হারামে লিপ্ত হয়।'

[ইবনে মাজাহ ৪২৪৫; হাদিসটি সহিহ]

আমরা যারা সুযোগ পেলেই দৃষ্টির খেয়ানত করি, লজ্জাস্থানের খেয়ানত করি, মানুষের অধিকার নষ্ট করি ও নির্জনে বিভিন্ন হারামে লিপ্ত হই - এই হাদিস আমাদের জন্য মহাসতর্কবার্তা। আল্লহ্ আমাদেরকে গোপন গোনাহ থেকে রক্ষা করুন।

11/05/2020

আল্লাহ আপনাকে জান্নাত দান করুক
আমিন।

22/01/2020

حَدَّثَنِي إِسْحَاقُ، حَدَّثَنَا النَّضْرُ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي جَمْرَةَ، سَمِعْتُ زَهْدَمَ بْنَ مُضَرِّبٍ، سَمِعْتُ عِمْرَانَ بْنَ حُصَيْنٍ ـ رضى الله عنهما ـ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ خَيْرُ أُمَّتِي قَرْنِي ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ ‏"‏‏.‏ قَالَ عِمْرَانُ فَلاَ أَدْرِي أَذَكَرَ بَعْدَ قَرْنِهِ قَرْنَيْنِ أَوْ ثَلاَثًا ‏"‏ ثُمَّ إِنَّ بَعْدَكُمْ قَوْمًا يَشْهَدُونَ وَلاَ يُسْتَشْهَدُونَ، وَيَخُونُونَ وَلاَ يُؤْتَمَنُونَ، وَيَنْذُرُونَ وَلاَ يَفُونَ، وَيَظْهَرُ فِيهِمُ السِّمَنُ ‏"‏‏.‏

ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমার উম্মাতের সর্বশ্রেষ্ঠ যুগ আমার যুগ। অতঃপর তৎপরবর্তী যুগ। অতঃপর তৎপরবর্তী যুগ। ‘ইমরান (রাঃ) বলেন, তিনি তাঁর যুগের পর দু’যুগ অথবা তিনি যুগ বলেছেন তা আমার স্মরণ নেই। অতঃপর এমন লোকের আগমন ঘটবে যারা সাক্ষ্য প্রদানে আগ্রহী হবে অথচ তাদের নিকট সাক্ষ্য চাওয়া হবে না। বিশ্বাস ভঙ্গের কারণে তাদেরকে কেউ বিশ্বাস করবে না। তারা মানত করবে কিন্তু তা পূরণ করবে না। তারা হবে চর্বিওয়ালা মোটাসোটা। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৩৭৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৩৮৫)


সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৩৬৫০
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
Source: আল হাদিস অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ, IRD

22/01/2020

ইনশাআল্লাহ প্রতিদিন অন্তত একটি করে হাদিস
পড়ব

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Dhaka
1209