পরবর্তী ভিডিয়ো হবে:
১) বিসিএস পরীক্ষাসংক্রান্ত ব্যাসিক তথ্য
২) ইন্টার্ন অবস্থায় প্রস্তুতি কৌশল (২টি প্রিলি পাসের অভিজ্ঞতার আলোকে)
৩) বুকলিস্ট।
এসংক্রান্ত কোনো প্রশ্ন থাকলে নিঃসংকোচে কমেন্ট/ মেসেজ করুন।
BCS with AN Kazi
Dr. AN Kazi,
৪৮তম বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত।
৫০তম লিখিত ফল প্রত্যাশী।
আপনার ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষুদ্র সহযোগী।
৫১তম বিসিএস কি স্পেসাল হচ্ছে? ফেসবুকের গুঞ্জনকে খণ্ডনের সামান্য ব্যক্তিগত প্রচেষ্টা।
কথক: Dr. AN Kazi
৪৮ তম বিসিএস (স্বাস্থ্য)
৫০তম লিখিত ফল প্রত্যাশী
#স্পেসাল_বিসিএস
30/05/2026
ফেজবুকে ভাসছে নানা গুঞ্জন। ৫১তম বিসিএস কি ডাক্তারদের স্পেসাল বিসিএস? আমার ব্যক্তিগত বিশ্লেষণ ও প্রস্তুতির কৌশল নিয়ে ভিডিয়ো আসছে। আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট/ ইনবক্স করুন।
09/05/2026
◾বিসিএস বাংলা প্রস্তুতি:
বিসিএস পরীক্ষায় বাংলা অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়৷
প্রিলিমিনারি এবং লিখিত দুই পরীক্ষাতেই বাংলা থেকে প্রশ্ন থাকে। প্রিলিতে বাংলায় ৩০ নাম্বার। এই নাম্বার শুধু প্রিলি. পাস করতে লাগে, মেধা তালিকা প্রণয়নে কাজে লাগে না। তবে রিটেনে জেনারেল ক্যাডারে ২০০, টেকনিক্যাল ক্যাডারে ১০০, বোথ ক্যাডারে ৩০০ নাম্বার থাকে। যেখানে ভালো নাম্বার অর্জন ক্যাডারপ্রাপ্তির অন্যতম সুযোগ।
বাংলার জন্য কী কী বই আমি পড়েছি:
১) কত নদী সরোবর বা বাঙলা ভাষার জীবনী
২) লাল নীল দীপাবলি বা বাঙলা সাহিত্যের ইতিহাস
এই বই দুটি বিসিএসের উদ্দেশ্যে লেখা হয়নি। তবুও এই বই দুটি সবার পড়া উচিত। ছোট অবয়ব হওয়ায় কয়েকদিনেই শেষ করা সম্ভব।
৩) অগ্রদূত বাংলা প্রিলি এবং রিটেন: আমি প্রিলি এবং রিটেনে একই বই পড়েছি। একই বই হওয়ায় প্রস্তুতি নেওয়াটা সহজ হয়েছে।
৪) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ( সৌমিত্র শেখর স্যার): এই বইটি আমি তৃতীয় বর্ষে উঠে পড়েছি। সহজ ভাষায় রচিত৷ তবে পরবর্তী সময় তেমন পড়া হয়নি।
৫) নবম-দশম শ্রেণির পুরাতন ও নতুন ব্যাকরণ বই। এদুটি বই-ই বেশ কয়েকবার (অন্তত ১০ বার) শেষ করেছি।
৬) শীকর গ্রন্থ-সমালোচনা: এটি শুধু লিখিত পরীক্ষার জন্য।
তবে গ্রন্থ সমালোচনা লেখার জন্য প্রথম আলো-তে একটি আর্টিকেল আছে। ঐটা দেখে লিখলে বেশ গুছানোভাবে লেখা সম্ভব।
----------------------------------------❌-------------------------------------
বি.দ্র: এর বাইরেও অনেক মানসম্পন্ন বই আছে৷ তবে আমি অন্যকোনো বই পড়িনি। বিশেষ করে ৪৭তম বিসিএস প্রিলিতে বাংলা এসব বই থেকে বেশি কমন আসেনি। কিন্তু ৪৮তম এবং ৫০তমতে প্রায় শতভাগ কমন ছিল। এখানে শুধু ব্যক্তিগত তথ্য উপস্থাপন করেছি।
⚠️মনগড়া প্রস্তুতি নিলেই হবে না৷ গৎবাধা নিয়মে পড়লে অনেক বার রিভিসন দিয়েও দেখবেন, পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর পারছেন না। এই জড়তা কাটাতে বারবার ডেমো পরীক্ষা দিতে হবে। অনলাইন এপসে পরীক্ষা দিয়ে যে টপিক ভুল করেছেন, তা পুরোটা রিভিসন দিবেন। মনোযোগ দিয়ে পড়লে ২ মাসেই বাংলা প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব।
ডা. এএন কাজী
৪৮তম বিসিএস স্বাস্থ্য (সুপারিশপ্রাপ্ত)
৫০তম লিখিত ফল প্রত্যাশী
29/04/2026
যারা বিসিএস পরীক্ষা দিতে চাচ্ছেন, তাদেরকে অবশ্যই সমন্বিত প্রস্তুতি নিতে হবে। প্রিলিমিনারির পরে মাত্র দুইমাস লিখিত প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত অপ্রতুল সময়৷ বিশেষ করে যারা অন্য চাকরি করেন, তাদের জন্য সিলেবাস শেষ করাটা অসম্ভব।
৭টা পরীক্ষা দেওয়ার জন্য ন্যূনতম ৪-৬ মাস সময় দরকার। কিন্তু প্রিলির দুইমাস পর লিখিত, তার তিনমাস(+) পর ভাইবা, এখন প্রতিষ্ঠিত নিয়ম। তাই যারা ক্যাডার চান, তাদের সমন্বিত প্রস্তুতির বিকল্প নেই৷
যারা গড়িমসি করেন, ঢিলাঢালাভাবে প্রস্তুতি নিবেন ভাবছেন, তাদের জন্য আসলে বিসিএস না। যাদের টার্গেট আগামী বিশ্বকাপ, তাদের অর্জন শুধু দীর্ঘশ্বাস।
13/03/2026
আপনি বিসিএসের প্রস্তুতি নিবেন কি-না সন্দিহান?
বিসিএস ছাড়া কী জীবন অচল?
অথবা কীভাবে কী শুরু করবেন বুঝতে পারছেন না?
🔰বিসিএস ছাড়া জীবন অচল নয়। এটিই জীবনে সাফল্যের একমাত্র চাবিকাঠিও নয়। তবে প্রথম শ্রেণির গেজেটেড অফিসার হতে চাইলে বিসিএসের বিকল্প নেই। এখানে আপনি নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে একদম মাঠপর্যায়ে জনসেবার সুযোগ পাবেন। আপনি বিসিএস দিবেন কি-না, সেটি আপনি নিজেই সিদ্ধান্ত নিন। যদি বিসিএস দেওয়ার সিদ্ধান্তে নিশ্চিত হন, তাহলে দ্রুতই প্রস্তুতি শুরু করুন। সিলেবাস দেখে যেকোনো একটি বিষয় দিয়ে আরম্ভ করুন। কয়েকদিন পড়লে নিজেই সব বুঝতে পারবেন। নিজে নিজে পড়তে চেষ্টা করুন। কিছু বুঝতে সমস্যা হলে, ইউটিউবে দেখুন। কোচিং-এ ভর্তি হলে তালমিলিয়ে চলা নতুনদের জন্য কষ্টকর হতে পারে। যা হতাশার জন্ম দিতে পারে। যারা রিডিং পার্টনারের সাথে পড়েন, তারা এভাবেই পড়বেন।
ডা. এএন কাজী
বিসিএস স্বাস্থ্য (৪৮তম)
৫০তম লিখিত প্রার্থী।
ইরান সংকট: ০১।
ইরান পরিচিতি
ফ্রাইডে টিপস-৩
নতুনদের প্রিলি. প্রস্তুতি (আমি যেভাবে পড়েছি)
ডা.আল নোমান কাজী
৪৮তম বিসিএস (স্বাস্থ্য)
৫০তম লিখিত পরিক্ষার্থী।
ফ্রাইডে টিপস-২: ভাইবা বোর্ডে যাওয়ার আগে জানা উচিত।
09/01/2026
ভূগোল কীভাবে পড়া উচিত?
আমরা সবকিছুর সর্টকার্ট খুঁজি। এটা কিছুক্ষেত্রে মারাত্মক ভুল। চাকরি পরীক্ষার্থীদের উচিত ভূগোল মানচিত্র দেখে পড়া। অনেক সময় বিসিএসে ভাইবা শুরুই হয় মানচিত্র থেকে। মানচিত্রে কোনো দেশের অবস্থান জানলে অন্তত ১ মিনিট বলা যায়। প্রণালী, আন্তঃসীমানা এসব অত্যাবশকভাবে মানচিত্র দেখে পড়া উচিত৷ আর ভূগোলের জন্য বড় ম্যাপ(ওয়াল ম্যাপ) পড়তে হবে (বইয়ের পাতার আংশিক চিত্র কনফিউসন তৈরি করবে)।
যেমন: আপনি বই দেখে কুড়িল/ শাখালিন দ্বীপ ( জাপান-রাশিয়ার বিরোধপূর্ণ দ্বীপ) পড়ে গেলেন। প্রিলিতে আসলে হয়ত পারবেন। কিন্তু ভাইবায় ধরলে ম্যাপে দেখাতে পারবেন না। কাছেরই পূর্ব /দক্ষিণ চীন সাগর বিষয়ে তো রিটেন বা প্রিলিতে প্রশ্ন আসবেই। নাইন/ এলেভেন ড্যাস লাইন-ই তো এই অঞ্চলের ভূরাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু।
মুক্তিযুদ্ধে আমেরিকার ভূমিকা থেকে যদি সপ্তম নৌবহরের ভারত মহাসাগরীয় ঘাটি জিজ্ঞেস করে, হয়ত পারবেন না। কিন্তু আপনি ম্যাপ পড়লে চ্যাগোস দ্বীপপুঞ্জ( দিয়াগো গর্সিয়া) ঠিকই পারবেন।
আবার ধরেন, হিমালয় পর্বতমালার শৃঙ্গ মাউন্ডএভারেস্ট মুখস্থ করলেন। কিন্তু পর্বতমালার অবস্থান জানলেন না! তখন এর গুরুত্ব বলতে পারবেন না। অথচ হিমালয় না থাকলে বাংলাদেশ কিংবা ভারতের একটা বিশাল অংশ সৃষ্টিই হতো না। আবার জলবায়ুও হতো মরুময় চরমভাবাপন্ন।
কেন বাংলাদেশ সৃষ্টি হতো না? কারণ ভারত/ বাংলাদেশের বিশাল অঞ্চল গঙ্গা/ পদ্মার পলিতে সৃষ্টি। গঙ্গার( পদ্মা/ ভাগীরথী) সৃষ্টি কোথায়? এমনকি ব্রহ্মপুত্রও হিমালয় পর্বতমালায় সৃষ্টি।
আবার, চরমভাবাপন্ন কেন হতো? ভারত মহাসাগরের জলীয়বাষ্প সমৃদ্ধ বাতাস হিমালয়ে বাধা পেয়েই এই অঞ্চলে এত বৃষ্টিপাত ঘটায়। অন্যদিকে, শীত মৌসুমে রাশিয়া( সাইবেরিয়া), মধ্যে এশিয়ার হিমশীতল বাতাস এই পর্বতমালার বাধায়-ই এদিকে (দক্ষিণে) আসতে পারে না। তাই বরফ পড়ে না।
এভাবে কয়েকদিন লিখেও শেষ করা যাবে না।
তাহলে আপনিই ভেবে দেখুন কীভাবে পড়বেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.