HexaCore It BD

HexaCore It BD

Share

A one step solution to every IT problems

21/03/2026

প্রযুক্তির সেতুবন্ধনে আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে। আপনার জীবন হোক নিরবচ্ছিন্ন এবং ঈদের আনন্দে পরিপূর্ণ। হেক্সাকোর আইটি (Hexacore IT)-এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক!

20/03/2026

ওয়াইফাই এর ক্ষেত্রে ডুয়াল ব্যান্ড আসলে কি?

আমরা সকলেই ডুয়াল ব্যান্ড সিংগেল ব্যান্ড ওয়াইফাই টেক এর সাথে পরিচিত। বিশেষ করে আমাদের আইএসপি এর লোকের কাছে জীবনে একবার হলেও এই শব্দ শুনেছি, কিন্তু আসলে জিনিষটা কি?

কল্পনা করুন আপনি একটি গন্তব্যে পৌঁছাতে চাচ্ছেন এবং আপনার সামনে দুটি রাস্তা আছে:

----> 2.4 GHz ব্যান্ড (পুরানো গলি পথ): এটি একটি সরু গলি পথের মতো। এই রাস্তায় অনেক ভিড় থাকে কারণ পুরনো ফোন, ব্লুটুথ স্পিকার, এমনকি আপনার মাইক্রোওয়েভ ওভেনও এই একই গলি ব্যবহার করে। তবে এই রাস্তাটি অনেক লম্বা, অর্থাৎ এটি দেয়াল ভেদ করে অনেক দূর পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

----> 5 GHz ব্যান্ড (নতুন এক্সপ্রেসওয়ে): এটি একটি বিশাল চওড়া এক্সপ্রেসওয়ে। এখানে গাড়ি খুব দ্রুত চলতে পারে এবং ট্রাফিক জ্যাম নেই বললেই চলে। কিন্তু সমস্যা হলো, এই রাস্তাটি খুব বেশি লম্বা নয় এবং রাস্তায় বড় কোনো পাহাড় (বা দেয়াল) থাকলে এটি সহজে পার হতে পারে না।

আপনার ডিভাইসে যদি দুটি অপশন দেখায়, তবে নিচের নিয়ম মেনে কানেক্ট করুন:

➡️ 2.4 GHz ব্যবহার করবেন যখন:

> আপনি রাউটার থেকে অন্য ঘরে বা দূরে আছেন।

> আপনার ঘরে অনেকগুলো দেয়াল বা বাধা আছে।

> আপনি শুধু মেসেজিং বা হালকা কাজ করছেন।

➡️ 5 GHz ব্যবহার করবেন যখন:

> আপনি রাউটারের একই ঘরে বা খুব কাছাকাছি আছেন।

> আপনি ল্যাগ ছাড়া অনলাইন গেম খেলতে চান।

> আপনি 4K বা HD মুভি বা ভিডিও দেখতে চান।

পরবর্তী পোষ্টে ১০/১০০/১০০০ স্পিড নিয়ে আলোচনা করবো। ইনশাআল্লাহ্‌।

ফি আমানিল্লাহ।

13/03/2026

আপনার ওয়াইফাই কেন স্লো?

আপনার নিজের দোষেই আপনার ইন্টারনেট স্পিড স্লো হচ্ছে এর প্রধান কারন হচ্ছে মেইটেনেন্স।

মনে করেন আপনি আপনার পুরান নেট ওয়ালা(ISP) এর গুষ্টি উদ্ধার করে নতুন নেট কানেকশন নিলে দুইদিন যেতে না যেতেই আবার নেট এ সমস্যা দেখা দিল। কিন্তু কেন? কারন আপনি আপনার রাওটার মেইনটেইন করছেন না।

---> রাওটার নিয়মিত পরিস্কার রাখুন। ময়লা পরে গেলে অথবা অতিরিক্ত গরম হলে রাওটারের কার্জ ক্ষমতা কমে যায় আর ধুলা বালি রাওটারের ভেতরের বাতাস চলাচলে বাধা দেয়।

---> ডুয়াল ব্যান্ড ব্যাবহার করুন। 2.4G/5G উভয় ব্যান্ড যে রাওটারে থাকে তাকে ডুয়াল ব্যান্ড সাপর্টেড বলে। 2.4 হল আপনাকে বেশি রেঞ্জ দেবে এবং 5G বেশি স্পিডের জন্য।

পরবর্তী পোস্টে কেন ডুয়াল ব্যান্ড ব্যাবহার করবেন সেটা নিয়ে বলবো।

ফি আমানিল্লাহ।

08/03/2026

যে কোন নেটয়ার্ক এর জন্য সবচেয়ে বড় যে সমস্যা সেটা হল লুপ। এটা এতটাই মারাত্তক হয় যে নিঃশব্দে আপনার নেটওয়ার্ক ডাউন করে দিবে আর আপনি বুঝতেও পারবেন না।

সাধারনত নেটওয়ার্ক লুপ বলতে বুঝায় একটা নেটওয়ার্ক ডিভাইসের ইনপুট ও আউটপুট এক করে দেয়া। অনেকেই না বুঝে এমনটা করে থাকেন অথবা টপোলজি ঠিক মত ডিজাইন না করার কারনে এমন হয়। STP and RSTP এর মত ফিচার থাকলেও সেগুলো সঠিক কনফিগার না করলে খুব একটা উপকারে আসে না।

সুতরাং আপনার নেটওয়ার্ক ডিজাইন এর প্রতি সচেতন হন।

18/02/2026

Wishing You a Blessed Ramadan! 🌙✨

​As the holy month of Ramadan begins, we at Hexacore IT extend our warmest greetings to all our clients, partners, and colleagues around the world.

​This is a season of reflection, gratitude, and community. May this month bring peace, prosperity, and spiritual growth to you and your loved ones. We are honored to be part of your professional journey and look forward to a month filled with mindfulness and collaboration.

​Ramadan Mubarak! 🕌🤝

18/11/2025

# # আইপি অ্যাড্রেস কী?
IP Address হলো Internet Protocol Address। ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি ঠিকানা থাকে এ ঠিকানাকে বলা হয় আইপি অ্যাড্রেস (IP Address)
# # IP Address-এর ভার্সন
আইপি অ্যাড্রেসের দুইটি ভার্সন IPV4 ও IPV6 চালু আছে।
# # IPv4 (Internet Protocol Version 4) হলো সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত আইপি প্রোটোকল। এটি ৩২ বিট দীর্ঘ এবং ৪টি অকটেটে বিভক্ত থাকে। প্রতিটি অকটেটকে দশমিক সংখ্যার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয় এবং ডট (.) দ্বারা আলাদা করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, একটি IPv4 অ্যাড্রেস হতে পারে: 192.168.1.123।
# # IPv6 হলো ১২৮ বিট দৈর্ঘ্যের। এটি ৮টি ভাগে বিভক্ত থাকে, প্রতিটি ভাগ ১৬ বিটের। এই অ্যাড্রেসকে হেক্সাডেসিমাল ফরম্যাটে লেখা হয় এবং কোলন (:) দ্বারা আলাদা করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, একটি IPv6 অ্যাড্রেস হতে পারে: 2001:0db8:85a3:0000:0000:8a2e:0370:7334।
# # ৫ টি ক্লাস নিয়ে IP গঠিত। ক্লাস গুলো হচ্ছেঃ
Class A
Class B
Class C
Class D
Class E

1. Class A
*Range: 1.0.0.0 – 126.255.255.255
*First Octet Range: 1 – 126
*Example: 10.0.0.1

2. Class B
*Range: 128.0.0.0 – 191.255.255.255
*First Octet Range: 128 – 191
*Example: 172.16.0.1

3. Class C
*Range: 192.0.0.0 – 223.255.255.255
*First Octet Range: 192 – 223
*Example: 192.168.1.1

4. Class D (Multicast)
*Range: 224.0.0.0 – 239.255.255.255
*First Octet Range: 224 – 239
*Example: 224.0.0.5

5. Class E (Experimental)
*Range: 240.0.0.0 – 255.255.255.255
*First Octet Range: 240 – 255
*সাধারণ ব্যবহারকারীরা এটি ব্যবহার করে না।

# # আইপি এড্রেসকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়
প্রাইভেট আইপি ও পাবলিক আইপি

# # প্রাইভেট আইপি
এটা শুধু লোকাল নেটওয়ার্কে (বাড়ি/অফিসে) কাজ করে, ইন্টারনেটে দেখা যায় না।যেমন: Wi-Fi-তে ফোন, ল্যাপটপ, টিভি—সবগুলো প্রাইভেট IP পায়।রাউটার এর মাধ্যমে একটাই পাবলিক IP ব্যবহার করে ইন্টারনেটে যায়।
Class A 10.0.0.0 – 10.255.255.255
Class B 172.16.0.0 – 172.31.255.255
Class C 192.168.0.0 – 192.168.255.255

# # পাবলিক আইপি
এটা ইন্টারনেটে দেখা যায় — সবাই তোমার ডিভাইস বা সার্ভারে কানেক্ট করতে পারে।যেমন: ওয়েবসাইট চালানো, সিসিটিভি দেখা, রিমোট এক্সেস ইত্যাদি কাজে লাগেIPv4 ঠিকানার Private IP রেঞ্জ ছাড়া বাকি সব IP Public IP হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

# # Private IP রেঞ্জগুলো:
*Class A → 10.0.0.0 – 10.255.255.255
*Class B → 172.16.0.0 – 172.31.255.255
*Class C → 192.168.0.0 – 192.168.255.255

সুতরাং Public IP হলো: 0.0.0.0 – 255.255.255.255 এর মধ্যে Private IP ছাড়া সব ঠিকানা।

15/11/2025

ডেটা সিকিউরিটি এখন লাক্সারি না—অত্যাবশ্যক! 🔐

Cloud Post part -2: Cloud Storage

Cloud Storage কী?

আপনার ছবি, ভিডিও, ডকুমেন্ট বা অফিসের ডেটা নিজের কম্পিউটার/মেমোরি কার্ডে না রেখে, ইন্টারনেটে থাকা নিরাপদ সার্ভারে রাখা—এটাই Cloud Storage।

কেন Cloud এ রাখা সেফ?

ধরে নিন আপনার ফোন বা কম্পিউটা ডিভাইস নষ্ট হল অথবা হারিয়ে গেল। আপনার ডেটা কিন্তু সেফ থাকলো। অথবা আপনি কোথাও ঘুরতে গেলেন কিন্তু আপনার একটা ডেটা এক্সেস করা খুবই জরুরি, তখন আপনি কিন্তু আপনার হাতের মোবাই দিয়ে ই ডেটা ব্যাবহার করতে পারবেন যদি তা cloud এ রাখা থাকে।

🛠️ Cloud Storage কিভাবে ব্যবহার করবেন ?

মাত্র ৫টি ধাপে আপনি Cloud ব্যাবহার করতে পারবেন ➡️

1️⃣ একটা ক্লাউড সার্ভিসে অ্যাকাউন্ট খুলুন (Google Drive / OneDrive / Dropbox / Mega ইত্যাদি)
2️⃣ অ্যাপে লগইন করুন
3️⃣ যেসব ফাইল সেভ রাখতে চান সেগুলো Upload করুন
4️⃣ চাইলে Auto Backup অন করে দিন—ফাইল নিজে নিজে সেভ হবে
5️⃣ পরে যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে এগুলো আবার পেতে পারবেন

📌 কেন Cloud Storage ব্যবহার করবেন?
✔️ ডেটা হারানোর ভয় নেই
✔️ ফোন/ল্যাপটপ নষ্ট হলেও ডেটা থাকে
✔️ অফিসে টিমের সাথে ফাইল শেয়ার করা সহজ
✔️ CCTV ফুটেজ ব্যাকআপ রাখার জন্য দারুণ
✔️ মেমোরি ফুল? ক্লাউডে রেখে ফ্রি করে দিন

⭐ আমরা কোন কোন ক্লাউড স্টোরেজ সাজেস্ট করি?
Google Drive → সাধারণ ব্যবহারকারীর জন্য সেরা
OneDrive → Windows/Office ব্যবহারকারীর জন্য
Dropbox → ফাইল সিঙ্কিং খুবই দ্রুত
Mega → বড় ফাইল আপলোডে সুবিধা

📞 আপনার নেটওয়ার্ক/অফিস/দোকানে Cloud Backup সেটআপ করতে চাইলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

10/11/2025

“নেটওয়ার্কে কে কারে গোপনে ভালোবাসে — এই পোস্টে সব ধরা পড়বে!”

ণেটওয়ার্কিং পোষ্ট পার্ট - ২ঃ নেটওয়ার্ক টপোলজি

নেটওয়ার্ক মানে শুধু wire না — এটা একেকটা relationship system!

কেউ সবার সাথে ভালো আছে, কেউ একা কষ্টে আছে।

কোন topology তে কে বা কারা কাকে বা কাদেরকে নিয়ে আছে তা দেখি👇

1️⃣ Bus Topology: সবাই এক তারে ঝুলে, gossip group টাইপের আরকি 😅 — cheap but risky!

2️⃣ Star Topology: একটাই boss সে হল switch 👑 — সবাই ওর মাধ্যমে চলে, boss down মানে সব ডাউন 😏

3️⃣ Ring Topology: ডাটা ঘুরে ঘুরে যায় রিং বা সার্কেল এর মত — discipline আছে, কিন্তু একজনে ছিঁড়লেই সবাই silent 😬

4️⃣ Mesh Topology: সবাই সবার সাথে connect 🔥 — অনেকটা Its complicated রিলেশনশিপের মত।

5️⃣ Hybrid Topology: একটু Star, একটু Ring, একটু Mesh 🍲 — খিচুরি 😎

👉 Moral: Topology শুধু connection না — এটা নেটওয়ার্কের হার্ট বলা যায়! যেটার উপর ডেটা ট্রাস্ফার রেট, সিকিউরিটি অনেক কিছু ডিপেন্ড করে।

09/11/2025

সার্ভার পার্ট- ২ (সার্ভার হার্ডওয়্যার)
================

সার্ভার হলো একটি শক্তিশালী কম্পিউটার বা ডিভাইস, যা অন্যান্য কম্পিউটার বা ক্লায়েন্টের জন্য তথ্য, পরিষেবা বা রিসোর্স সরবরাহ করে। সার্ভার ২৪ ঘন্টা চালু রাখতে হবে, তা না হলে ক্লায়েন্ট সার্ভার থেকে কোন তথ্য, পরিষেবা বা রিসোর্স গ্রহন করতে পারবে না

হার্ডওয়্যার সার্ভারের কম্পোনেন্ট কী কী?

১. প্রসেসর (CPU):
সার্ভারে শক্তিশালী প্রসেসর ব্যবহার করা হয় কারণ এটি একসাথে অনেক ক্লায়েন্টকে সেবা প্রদান করে। সাধারণত, সার্ভার প্রসেসরগুলো উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এবং মাল্টি-কোর (মাল্টিপল প্রসেসিং) হতে পারে।

একাধিক কোর (Cores)
অধিক থ্রেড (Threads)
বেশি ক্যাশ মেমরি (Cache Memory)
উচ্চতর পারফরম্যান্স ও নির্ভরযোগ্যতা (Performance & Reliability)
Server Processor
====================
Intel Xeon: উচ্চ কোর সংখ্যা, ECC মেমরি সাপোর্ট, এবং ২৪/৭ স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে।
AMD EPYC: বেশি কোর ও থ্রেড থাকে মাল্টি-টাস্কিং পারফরম্যান্স দেয়।

২. র‍্যাম (RAM):
সার্ভার RAM হলো এমন একটি দ্রুত-গতি সম্পন্ন মেমরি, যেখানে সার্ভার অস্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে যাতে প্রসেসর (CPU) দ্রুত তা প্রক্রিয়া করতে পারে

একাধিক কাজ (multi-task) পরিচালনা করতে হয়,
ডাটাবেসের তথ্য দ্রুত লোড করতে হয়,
ভার্চুয়াল মেশিন ও ক্লাউড অ্যাপ্লিকেশন চালাতে হয়।
সার্ভারের জন্য ব্যবহৃত RAM হতে হয় স্থিতিশীল, দ্রুত, এবং নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করার উপযোগী।
Server Memory
===============
ECC RAM (Error-Correcting Code RAM): স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেমরির ত্রুটি (error) শনাক্ত ও ঠিক করতে পারে
Registered / Buffered RAM (RDIMM): এটি RAM এবং মাদারবোর্ডের মধ্যে একটি “রেজিস্টার” (buffer) ব্যবহার করে, যা সিগন্যাল স্থিতিশীল রাখে।
Load Reduced DIMM (LRDIMM): এটি "মেমরি লোড" কমিয়ে দেয়, ফলে বেশি RAM একসাথে ব্যবহার করা যায় (যেমন 2TB পর্যন্ত)

Note (ছোট অফিস সার্ভার-8GB – 32GB/ওয়েব সার্ভার-32GB – 128GB/ডাটাবেস সার্ভার-128GB – 1TB/ভার্চুয়ালাইজেশন সার্ভার-256GB – 2TB+/ক্লাউড/AI সার্ভার-512GB – 4TB+)

৩. স্টোরেজ (Hard Disk/SSD):
সার্ভার স্টোরেজের ক্ষেত্রে সাধারণত বৃহৎ সাইজের হার্ড ড্রাইভ বা SSD (Solid State Drive) ব্যবহার করা হয়, কারণ সার্ভারের ডেটা অনেক বড় হতে পারে এবং সেটি দ্রুত অ্যাক্সেস করতে হয়। সার্ভারের সমস্ত ডেটা, ফাইল, অ্যাপ্লিকেশন, ডাটাবেস ইত্যাদি সংরক্ষণ করে রাখে।

ডেটা সংরক্ষণ করা (Storage)
দ্রুত ডেটা পড়া ও লেখা (Read/Write Operations)
ডেটা ব্যাকআপ ও পুনরুদ্ধার (Backup & Recovery)
ডেটার নিরাপত্তা ও অখণ্ডতা নিশ্চিত করা (Data Protection)
Server Storage
===============================
RAID Storage:টি একাধিক হার্ড ড্রাইভ একসাথে ব্যবহার করে
Network Attached Storage (NAS): এটি এক ধরনের নেটওয়ার্ক-ভিত্তিক স্টোরেজ সিস্টেম। সার্ভার বা একাধিক ডিভাইস একসাথে NAS থেকে ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে।
Storage Area Network (SAN):বড় ডেটা সেন্টার বা ক্লাউড সার্ভারের জন্য ব্যবহৃত উচ্চগতির স্টোরেজ নেটওয়ার্ক

৪. মাদারবোর্ড (Motherboard):
সার্ভার মাদারবোর্ড (Server Motherboard) হলো সার্ভারের প্রধান সার্কিট বোর্ড — এটি সার্ভারের সব হার্ডওয়্যার উপাদান (CPU, RAM, Storage, Network, Power ইত্যাদি) একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত করে রাখে এবং একসাথে কাজ করায়।

সার্ভার মাদারবোর্ডে সাধারণত একাধিক CPU স্লট (Socket) থাকে
সার্ভার মাদারবোর্ডে সাধারণত 8, 12, 16 বা তারও বেশি RAM স্লট থাকে।
একাধিক SATA, SAS, NVMe পোর্ট থাকে (যেমন 8, 12 বা 24 পোর্ট পর্যন্ত)
অন্তত ২টি বা তারও বেশি Gigabit Ethernet বা 10G LAN Port থাকে।এতে অতিরিক্ত ফ্যান, কুলিং সেন্সর এবং পাওয়ার রিডান্ড্যান্সি সাপোর্ট থাকে।

৫. নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC):
সার্ভার নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (Network Interface Card - NIC) হলো এমন একটি হার্ডওয়্যার কম্পোনেন্ট, যা সার্ভারকে নেটওয়ার্কের (LAN, WAN বা Internet) সাথে সংযুক্ত করে এবং ডেটা আদান-প্রদানের কাজ করে।

Server Network Port
=====================
Ethernet Network Interface Card
Fiber Network Interface Card
SFP / SFP+ / QSFP NIC (Modular Port)
Wireless NIC (Wi-Fi Server Card)

৬. পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট (PSU):
সার্ভার পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট (Server Power Supply Unit - PSU) হচ্ছে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা সার্ভারের সমস্ত হার্ডওয়্যার (যেমন CPU, RAM, Motherboard, Storage, GPU ইত্যাদি)-কে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।

Server Power Supply
=============================
সার্ভারে AC (Alternating Current) বিদ্যুৎকে DC (Direct Current) তে রূপান্তর করা।
সার্ভারের প্রতিটি অংশে সঠিক ভোল্টেজ সরবরাহ করা।
সার্ভারের হার্ডওয়্যারকে বিদ্যুৎজনিত ক্ষতি থেকে রক্ষা করা।
সার্ভারকে ২৪/৭ নিরবচ্ছিন্নভাবে চালু রাখতে স্থিতিশীল পাওয়ার প্রদান করা।

৭. কুলিং সিস্টেম:
সার্ভারের কম্পোনেন্টগুলোর গরম হওয়ার কারণে সার্ভারে সাধারণত অনেক বেশি কুলিং সিস্টেম থাকে। এটি ভালোভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

06/11/2025

ক্লাউড কম্পিউটিং পার্ট-১

ক্লাউড কম্পিউটিং (Cloud Computing) --- হল এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার,
স্টোরেজ, নেটওয়ার্কিং ইত্যাদি পরিষেবাগুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রদান করা হয়।

অর্থাৎ, আপনি নিজের কম্পিউটার বা সার্ভারে ডেটা রাখার পরিবর্তে “ক্লাউড” বা অনলাইন সার্ভারে আপনার ডেটা ও অ্যাপ্লিকেশন সংরক্ষণ, ব্যবস্থাপনা ও ব্যবহার করতে পারেন।

সহযভাবে,

ক্লাউড কম্পিউটিং মানে হলো –
“ ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন-ডিমান্ড কম্পিউটিং রিসোর্স ব্যবহার করা, যেখানে আপনাকে হার্ডওয়্যার বা ইনফ্রাস্ট্রাকচারে বিনিয়োগ করতে হয় না ”

ক্লাউড কম্পিউটিং এর ধরন:

Public Cloud –
পরিষেবাগুলো সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত থাকে (যেমন: Google Drive, Microsoft Azure, Amazon AWS)

Private Cloud –
নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার জন্য ব্যবহৃত ক্লাউড (নিজস্ব সার্ভারে থাকে)।

Hybrid Cloud –
Public ও Private ক্লাউডের মিশ্রণ। কিছু ডেটা নিজস্ব সার্ভারে, কিছু ক্লাউডে রাখা হয়।

ক্লাউড সার্ভিস মডেল:

• IaaS (Infrastructure as a Service) –
ভার্চুয়াল সার্ভার, স্টোরেজ, নেটওয়ার্কিং সুবিধা দেয়।
উদাহরণ: AWS EC2, Google Compute Engine

• PaaS (Platform as a Service) –
অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্টের জন্য প্ল্যাটফর্ম দেয়।
উদাহরণ: Google App Engine, Heroku

• SaaS (Software as a Service) –প্রস্তুত সফটওয়্যার (যেমন Gmail, Google Docs,Microsoft 365)

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Dhaka
1219