UITSEEE-eve S2014

UITSEEE-eve S2014

Share

The University of Information Technology & Sciences is a university in Baridhara, Dhaka, Bangladesh. Its Professor Dr. Mohammed Solaiman

University of Information Technology and Sciences (UITS), the first IT-based private University in Bangladesh was founded in 7 August 2003 as a non-profit organization. INFORMATION SCIENCE AND TECHNOLOGY SOLUTION LTD. (ISTS), a concern of PHP group headed by Alhaj Sufi Mohamed Mizanur Rahman Chowdhury is the sponsor of UITS. The guiding spirit behind the endeavor is "divine blessings, mixed with h

11/02/2020

একজন পুরুষের জীবনে সবচেয়ে কঠিন ও যন্ত্রণাদায়ক বিষয়টি কী?
একজন পুরুষের জীবনে সবচেয়ে যন্ত্রণাদায়ক মুহূর্ত হলো সে যখন Catch-22 পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়।

Catch-22 বলতে বুঝানো হয় এমন একটি জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়া যেখান থেকে উত্তরণের কোনো যৌক্তিক উপায় খুঁজে পাওয়া যায় না।

আপনি সবেমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় শেষ করেছেন। হয়তো খুবই ভালো এবং চমকপ্রদ ফলাফল করেছেন। বাবা-মা এবং ভাই বোন অনেক স্বপ্ন নিয়ে বসে আছে আপনি একটা ভালো চাকরি করবেন। আপনিও অনেক দিন ধরে আশার জাল বুনে আসছেন- এবার হয়তো কপালটা ঘুচবে ।

এখন আপনি চাকরি খুঁজছেন পরীক্ষা আর ইন্টারভিউ দিচ্ছেন। ইন্টারভিউয়ের পর ইন্টারভিউ। অনেক তদবির চলছে। মাঝে মাঝে নিজের CV টার দিকে তাকিয়ে সেটাকে আরেকটু আপডেট করার চেষ্টা করছেন। চাকরির জন্য হয়তো নতুন দক্ষতাও অর্জন করছেন।

এভাবে অনেক দিন (কয়েক মাস) তো হয়ে গেলো। বন্ধুদের মধ্যে অনেকে ভালো চাকরি করছে অথবা প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে। কেউ হয়তো বিয়ে করে সংসার গুছিয়ে নিচ্ছে। এর মধ্যে আপনার ছয় মাস হয়ে যাচ্ছে, অথচ চাকরিটা জোগাড় হচ্ছে না। বাড়ি থেকে বাবার টাকা আনছেন। তারা কয়েকদিন পর পর জিজ্ঞেস করছে চাকরির কথা।

কোনো অনুষ্ঠানে গিয়েছেন? আত্মীয়রা জানতে চাইছে “কিরে চাকরি শুরু করোস নি এখনো?” আপনি হাসি দিয়ে সেবারের মতো তাঁর কাছ থেকে বেঁচে যাবেন।

এরপর একদিন আপনাকে কেউ ইন্টারভিউ এর জন্য ডাকলো। সব ঠিক আছে, কিন্তু তাদের দরকার কয়েক বছরের অভিজ্ঞতা। আপনি ভাবছেন নতুন পড়াশোনা শেষ করে অভিজ্ঞতা কোথা থেকে হবে। অভিজ্ঞতার জন্য তো কিছু শুরু করতে হবে, আবার কিছু শুরু করতে হলেও তো চাকরিদাতারা অভিজ্ঞতা চাচ্ছে। আপনার তাহলে এ অবস্থা থেকে উত্তরণের উপায় কি? আপনি সফলতার খুব কাছাকাছি গিয়েও ছুঁতে পারলেন না!

এরই মধ্যে বাড়ি থেকে আনা সব টাকা শেষ। আপনি আঙুলের কর গুনে হিসাব করছেন আর কত মাস পর্যন্ত এই টাকা দিয়ে চলবে? চাকরি তো পেতেই হবে। মনে মনে নিজেকে খুব অসহায় এবং যোগ্যতাহীন মনে হচ্ছে। বাসায় এসে সাদা দেয়ালের দিকে নির্বিকারে তাকিয়ে হয়তো মূর্তির দাঁড়িয়ে থাকেন, আর একটা দীর্ঘশ্বাস! হঠাৎ একদিন আর কিছুই ভালো লাগে না, ফোনটাও সুইচ অফ থাকে- "ধ্যাৎ, নিজের প্রতি কোনো আস্থা কাজ করছে না"।

উপরের যেই কল্প চিত্রটি বললাম, এটা একজন পুরুষের জন্য Catch-22 মুহূর্ত। সে জানে না তাকে কি করতে হবে? এমনকি কেউ সাহায্যের জন্যও এগিয়ে আসে না।

এমন Catch-22 এর মুখোমুখি আমরা সব পুরুষরাই হই জীবনের কোনো এক পর্বে। এই হতাশা এবং ব্যর্থতা প্রতিটি পুরুষকে মৃত্যুর চেয়ে বেশি যন্ত্রনা দেয়।

সকল চাকরি প্রাথীর্দের জন্য শুভকামনা। কখনো সাহস এবং আত্মবিশ্বাস হারাবেন না। জয় সবারই হয়, চাকরি অথবা জীবনে প্রতিষ্ঠিত আপনি হবেনই, সেটা শুধু সময়ের অপেক্ষা মাত্র।

11/12/2019
10/09/2019
20/05/2019

জীবনে দু'চারটা ব্যর্থতা এসে আপনাকে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে চাইবে, কখনো কখনো আপনি উপহাসের পাত্র হবেন, আপনার ব্যর্থতা দেখে সবচেয়ে অযোগ্য লোকটিও হয়তো একদিন আপনার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলবে। জীবনে হয়তো এমনদিনও আসবে আপনার সামনে দাঁড়ানোর যোগ্যতা না থাকা লোকগুলোও আপনার সাথে ভাব নিচ্ছে, আপনাকে পাত্তা দিচ্ছেনা। একটা সময় আপনার পরামর্শ নিয়ে চলা লোকগুলোও হয়তো আপনার ব্যর্থতা দেখে মুচকি হেসে আপনাকে উপদেশ দিতে চায়বে। জীবনে এমন কিছু ঘটবে যা দেখে ইচ্ছে হবে মাটির সাথে মিশে যেতে, বিষ খেয়ে মরে যেতে, সেকেন্ড টাইম নিজেকে অন্যের অবহেলার পাত্র না করে ডাইরেক্ট সুইসাইড করে ফেলতে। মানুষের জীবনে কখনো কখনো দু'চার বার এমন কঠিন সময় আসে।
আশেপাশের মানুষ আপনার সমালোচনা করতে করতে আত্মবিশ্বাস ভেঙ্গে দিবে। দু'একটা ব্যর্থতা আপনার মনকে বিষিয়ে দিয়ে ভাবতে বাধ্য করবে - আপনাকে দিয়ে কিছুই হবে না। চুন খেয়ে গাল পুড়ে গেলে তখন দই দেখলেও ভয় লাগে। দু'একটা জায়গায় হেরে গিয়ে আপনি আর কিছু করতেই চাইবেন না। মনে হবে পৃথিবীতে ভালো কিছু আপনার জন্য আসেনি। সবার অবহেলার জবাব, সব উপহাস, ব্যর্থতা আর তুচ্ছ তাচ্ছিল্যের জবাব একটা মাত্র সাকসেস দিয়ে দেয়া সম্ভব। ইয়েস! একটাবার, শুধু আর একটাবার কাউকে তোয়াক্কা না করে যদি কোমড় বেধে আদাজল খেয়ে নামতে পারতেন, তবে সেটাই হয়তো আপনার লাইফটাকে পুরোটাই চেঞ্জ করে দিত। ইয়েস, এই "আর একটাবার " যারা নিজেদের সুযোগ দেয়নি, ইতিহাসে তারাই আজকে ব্যর্থ। আপনি নিজেকে আরেকবার সুযোগ দিন ; নয়তো ইতিহাস আপনাকে আস্তাকুড়ে নিক্ষেপ করবে।
কেউ আপনার জন্য জায়গা ছেড়ে দিবে না, একটুও না, একটুকরোও না; এমনকি এক বিন্দুও না। মনে যদি জেদ থাকে, চ্যালেঞ্জ নেয়ার সাহস থাকে, পরিশ্রম করে সবকিছুকে ভেঙ্গেচুরে নতুন করে গড়ার ক্ষমতা থাকে ; তবে ফাইনাল হাসিটা আপনার ঠোঁটেই আসবে। শেষ হাসিটা আপনিই হাসবেন। কিছু একটা করার আগ পর্যন্ত You are nobody, কেউ আপনাকে দুই পয়সার পাত্তা দিবেনা। কারো কাছে সাহায্য চায়লে মুখ ফিরিয়ে নিবে, আত্মবিশ্বাস দেখালে তা ভেঙ্গে খানখান করে দিবে। আপনার এগিয়ে যাওয়ার পথে বাঁধা দেয়ার লোকের অভাব হবেনা। "চেষ্টা করো তুমিও পারবে" শুধু কাঁধে হাত রেখে এই কথা বলার লোকের অভাব হবে। ছোট্ট একটা লোহার টুকরাও পানিতে ভাসেনা; অথচ মানুষই একমাত্র প্রাণি যে লোহার তৈরি বিশাল জাহাজকে পানিতে ভাসিয়ে রেখেছে। আর আপনিও মানুষ। সবাইকে এভাবে হঠাৎ চমকে দেয়ার মত ম্যাজিক্যাল ক্ষমতাও আপনার আছে।
এখানে অসংখ্য বন্ধুর মাঝে শত্রু লুকিয়ে থাকে; অথচ হাজারজন শত্রু খুঁজেও এমন কাউকে পাবেন না, যার মাঝে বন্ধুত্ত্ব লুকিয়ে থাকে। জীবন আপনার, জীবনের ভাবনাগুলোও আপনার। পৃথিবীতে কাউকে দোষারোপ করে একটা সমস্যার ও সমাধান করা যায়নি। কিন্তু নিজের দোষ যে খুঁজে বের করতে পেরেছে, সে অসংখ্য সমস্যার সমাধান করতে পেরেছে।
জীবন আপনাকে একবার ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ দিবে। সেই দিনটি না আসা পর্যন্ত সব কিছু মুখ বুজে সহ্য করতে হবে, অনেক কিছু মেনে নিতে হবে, স্বপ্ন আর টার্গেটের পেছনে জোঁকের মত লেগে থাকতে হবে। লাইফকে চেঞ্জ করার মত দিনটি প্রত্যকের জীবনে একবার হলেও আসবে। আপনাকে শুধু সেই দিনটি পর্যন্ত টিকে থাকতে হবে।
কতজনেই তো পৃথিবীতে সুখে আছে। তাহলে আপনি কেন এত দুঃখী? হয় দুঃখটা মেনে নিয়ে স্বাভাবিক থাকুন নয়তো দুঃখের বিরুদ্ধে ফাইট করে সুখটা নিজের করুন। কাঁদতে কাঁদতে চোখের জল নিয়ে জন্মেছেন, অথচ সেই চোখের জল যদি এখনো পড়ে, তবে আপনি জন্মেছেনটা কেন? স্রষ্টা আপনাকে একটা জায়গা দিয়েছে। এখন সেই জায়গায় কোদাল দিয়ে একবার আঘাত করলে ছোট একটা গর্ত হবে, আরো বেশি সেখানে খনন করলে পুকুর হবে, এর চেয়ে বেশি খনন করলে আস্ত একটা দিঘী হবে। স্রষ্টা কিন্তু আপনাকে জায়গা দিয়েছে, শক্তি সামর্থ্যও দিয়েছে। এখন সেই জায়গায় নিজের শক্তি সামর্থ্য দিয়ে পুকুর বানাবেন নাকি দিঘী বানাবেন সেটা আপনার চয়েস।
আপনিই আপনার জীবনের শ্রেষ্ঠ স্থপতি। আপনার জীবনের ইতিহাস গড়ার দায়িত্ব আপনার। অন্য কেউ এসে আপনার জীবনের ইতিহাস গড়ে দিবেনা। সফলতার প্রথম সিঁড়ি হল ব্যর্থতা। ব্যর্থ সবাই হতে পারেনা। ব্যর্থ সে-ই হতে পারে যার সফল হওয়ার মত গুণাবলী আছে। নৌকা ডুবে যাবে এই ভয়ে যে নাবিক নদীতে কখনো নৌকাই ভাসাইনি, তার আবার ব্যর্থতা বা সফলতা কিসের? সে তো এক জীবন্ত লাশ! আপনি পৃথিবীর ইতিহাস জানেন, এবার সময় এসেছে আপনার ইতিহাস পৃথিবীকে জানানোর। পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু দালানটি প্রথমে মাটির সবথেকে নিচে ফাউন্ডেশন গড়েছিল। একটি ভবন কত উঁচু হবে সেটা নির্ভর করবে, ভবনটির ফাউন্ডেশন নিচে কতটুকু গেল তার উপর। একটি ফুটবল কত স্পিডে গোলপোস্টে যাবে, সেটা নির্ভর করবে আপনি কত পেছনে গিয়ে বলটি কিক করেছেন তার উপর।

05/04/2019

#বাস্তবতা😐
দিন রাত পড়াশুনা করেও যখন দেখবেন নন ক্যাডার জন্যও আপনি সিলেক্ট হন নাই তখন বুঝবেন জীবন কি জিনিস । মাটির সাথে মিশে যেতে ইচ্ছে করলেও পারবেন না ।
২৫/২৬ বছর বয়সী ইয়াং ট্যালেন্টেড ছেলেপেলে গুলোর পেছনে একটা ক্রাইসিস লেগে থাকে । মাসে তিনটা টিউশনি করিয়ে বাসায় ১০ হাজার টাকা পাঠালেও দেখবেন কারো মন ভরে না । বাকা কথা শুনতেই হবে । বাকা নজরটা মেনে নিতেই হবে ।
প্রাইভেট জব করবেন ?
কন্যার বাপ আগেই ভেটো দিয়ে বসবে , সরকারী চাকুরি পেলে না ? প্রাইভেট জব আজকে আছে তো কাল নাই। চল্লিশ হাজার টাকা বেতন পেয়েও তখন মনে হবে জীবনে কিছুই করতে পারলাম না ।
জীবনটা "'বড় ছেলে "" নাটকের মতো নয় । এতো কেয়ারিং প্রেমিকা এই যুগে পাবেন না , যে কিনা আপনাকে গাড়িতে বসে মুখে তুলে খাইয়ে দেবে ।
সামাজিক মান মর্যাদার মাপকাঠি এমন পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে যে লোকে আজকাল পায়ের জুতো দেখে বলে দিতে পারে এই ছেলে সেলসম্যান নাকি বিজনেসম্যান ।
মেয়েরা মানিব্যাগের ব্র্যান্ড দেখেই বলে দিতে পারে এর পকেটের অবস্থা আসলে কী !!
শার্টটা পিউর কটনের নাকি নিউমার্কেটের বাতিল মাল সেটাও ধরে ফেলা যায় চোখের নজরেই ।
পালাবি কোথায় ?
চোখের সামনেই দেখবেন আপনার খাতা কপি করে এক্সামে পাস করা বান্ধবীটা ঠিকই একটা বিজনেস ম্যাগনেটের গলায় ঝুলে গেছে । হাতে গোলাপ ফুল নিয়ে আপনিই শুধু রোড সাইড রোমিও হয়েছেন ।
পাশের বাসার ছেলেটিকে দেখে আপনার মা আপনার উপরে রাগ ঝাড়ে ।
নিজের বন্ধুর মেয়ের উদাহরন দিয়ে আপনার বাপে ফেলে দীর্ঘশ্বাস ।
জীবন আপনাকে পেনাল্টি শটের মতো আছড়ে ফেলেছে গোল পোস্টে । আপনি অসহায় । কিচ্ছু বলার নাই ।
একমাত্র ডিপ্রেশনের কবি হওয়া ছাড়া আপনার কাছে ভিন্ন কোন উপায় নাই । কি করবেন এখন ?
উপায় একটাই ।
দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে পেছানোর পথ বলে কিছু থাকে না । সামনেই এগিয়ে যেতে হয় ।
জাস্ট ২/৩ টা বছরের জন্য আত্মসম্মানের পোশাকটা শরীর থেকে খুলে ফেলেন। লজ্জা শরম বলে কিছু রা না । নিজের উপর কন্ট্রিবিউট করেন। রিলেশন থাকলে ভালো । না থাকলে আরো ভালো । কিন্তু যে চলে যেতে চায় তাকে হাতে ধরে বিদায় করেন । আটকে রাখেন না । মেয়ের বাপ সরকারী চাকুরীর ভেটো দিয়ে বসলে সেই পরিবারে গিয়ে নিজেকে বিক্রি না করাই উত্তম । পরিস্কার ভাষায় জানিয়ে দেন আপনি বিক্রির জন্য না । জীবন আপনাকে অনেক কিছু দেয়ার জন্য অপেক্ষা করছে । প্রেমিকার হাতের রান্না খাওয়ার চাইতে নিজের রান্না নিজে করতে পারাই উত্তম ।
জাস্ট একটু ধৈর্য
একটু পজিটিভ চিন্তা
সামান্য উইল পাওয়ার
আর নিজের প্রতি আসা অবহেলা গুলোকে এড়িয়ে যেতে পারার মনোভাবই আপনার ৩ বছর পরের জীবনটাকে সুন্দর করে দিতে পারে ।

07/10/2018

#রসিকতা

আমাদের দেশে একজন সদ্য পাশ করা ডিপ্লোমা/স্নাতক ছাত্র/ছাত্রীর সাথে বেশ কিছু নির্মম রসিকতা করা হয়। যেমন ধরুন, মাত্র পাশ করা একটি ছেলে/মেয়ে যখন কোথাও চাকুরীর জন্য অ্যাপ্লিকেশন করে তখন তাকে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট কাজের কোন অভিজ্ঞতা আছে কিনা? যদি বলা হয় মাত্র পাশ করেছি স্যার, কিভাবে কাজের অভিজ্ঞতা থাকবে? তবে ভার্সিটি জীবনে টুকটাক কিছু পার্টটাইম করেছি। তখন নিয়োগ দাতা নিমের রস খাওয়ার মত মুখ করে বলেন, ওহ পার্ট টাইম! না না, এটা আমরা কাউন্ট করি না। আমাদের দরকার অভিজ্ঞ একজনকে।

স্যার, আমি অনেক তাড়াতাড়ি শিখে নিতে পারব।

আরে তোমাকে শেখানোর টাইম কোথায়? যাও বাবা অন্য কোথায় চেষ্টা কর। এইখানে তোমার হবে না।

আহা যদি কোন চাকরীপ্রার্থী এই ধরনের নিয়োগদাতার মুখের উপর বলতে পারত, 'আরে বাইন****, একজন সদ্য পাশ করা ছাত্রের ফুলটাইম কাজের অভিজ্ঞতা কোথা থেকে আসবে? সব কিছুতে খালি অভিজ্ঞতা খুজিস? কাজ না দিলে অভিজ্ঞতা পাবো কোথায়? নিজের বিয়ের সময়ও কি তুই বিবাহিত জীবনে অভিজ্ঞ মেয়ে খুঁজেছিস?

একজন সদ্য পাশ করা তরুন এমনিতে অনাগত নতুন জীবনের প্রত্যাশার চাপে অনেক আতংকিত থাকে। আর আতংক মানুষকে ভীতু বানিয়ে দেয়। একজন ভীতু মানুষের পক্ষে এহেন অন্যায় কথার প্রতিবাদ করতে পারে না। তাই তারা একরাশ হতাশা নিয়ে চুপচাপ বের হয়ে চলে আসে।

তারপর দেখুন, হয়ত কোন একটি প্রতিষ্ঠানে জুনিয়র একজন অফিসার নিয়োগ করা হবে, যে পদটির হয়ত তেমন কোন কঠিন দায়িত্বই নেই, সাধারন একজন উচ্চমাধ্যমিক পাশ করা ছাত্রই কাজগুলো করতে পারবে, সেখানে চাওয়া হয় এমবিএ পাশ করা ছাত্র। সাথে আবার লেখা হয় সংশ্লিষ্ট কাজের অভিজ্ঞদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। ভালো কথা। তা বেতন কত? এই কথা জিজ্ঞেস করলে সংশিষ্ট নিয়োগকর্তা হয়ত বলেন, উত্তর সর্ব সাকুল্যে দশ থেকে বার হাজার। আর ভাব করেন, যেন অনেক বেশি বলে ফেলেছেন।

আপনারা হয়ত ভাবছেন আমি বানিয়ে বানিয়ে বলছি? উত্তর মোটেই না। এইগুলো সবই বাস্তবের গল্প।

এর মধ্যে ভালো প্রতিষ্ঠান যে নেই তা বলব না। অবশ্যই আছে। সেখানে হয়ত ভাগ্যবানরা তাদের মেধার কিছুটা হলেও দাম পাচ্ছেন। কিন্তু বাকিদের কথা কি কেউ ভেবে দেখেছেন? বাকিরা কোথায় যাচ্ছে, কি করছে? না, কেউ ভেবে দেখেন না। এই ব্যস্ত শহরে নিজের জন্যই সময় পাওয়া যায় না। পিছিয়ে পড়াদের জন্য সময় কোথায়? পিছিয়ে পড়াদের দায়ভার কেউ গ্রহন করতে চায় না। না সমাজ, না দেশ কেউ না, এমনকি পরিবারও না। সবাই শুধু পারে আমাদেরকে স্বপ্ন দেখাতে। বড় বড় স্বপ্ন। কারন কি জানেন? কারন স্বপ্ন দেখাতে টাকা লাগে না, পয়সা লাগে না, ভাত কাপড় কিচ্ছু লাগে না। ভাবতে অবাক লাগে কর্মক্ষম এবং পরিশ্রমী একটা জাতির তরুন প্রজন্মকে শুধু স্বপ্ন দেখিয়ে বড় করা হয়েছে।

আহ! স্বপ্ন। সেই ছেলেবেলা থেকে কত স্বপ্নই না আমরা দেখেছি। কত শুনেছি, লেখাপড়া করে যে, গাড়ি ঘোড়া চড়ে সে- তাই ভালো করে লেখাপড়া কর। আমরা অনেকেই বাবার হাতে, মায়ের হাতে কত মার খেয়েছি এই লেখাপড়ার জন্য। বেশি মেরে ফেললে বাবারা আদর করে মাথায় হাত দিয়ে বলেছেন, খোকা তোকে পড়াশুনা করে মানুষের মত মানুষ হতে হবে। আমি যা করতে পারিনি তোকে তা করে দেখাতে হবে। তোকে নিয়ে আমাদের অনেক স্বপ্ন।

এত সব স্বপ্নের দায়ভার নিয়ে আমরা আরো বড় বড় স্বপ্ন দেখি। কিন্তু বাস্তবে এসে যখন আমাদের এই স্বপ্ন গুলো কিছু নির্মম রসিকতায় নষ্ট হয়ে যায়, তখন বলতে ইচ্ছা করে প্রিয় বাবা, পড়ালেখা ঠিকই করেছি, মানুষও হয়ত হয়েছি কিন্তু গাড়িতে চড়তে পারি নি। চাকরী খুঁজতে খুঁজতে স্যান্ডেলের তলা যখন ক্ষয়ে যায় তখন বাবা সত্যি ভীষন গাড়িতে চড়তে ইচ্ছা করে। মানুষ হয়েও ঘোড়ার মত ভারবাহী জীবন ভালো লাগে না। কিন্তু বাস্তবতা হলো, প্রতিনিয়ত আমাদের দেশের শিক্ষিত তরুনরা এইভাবে অপমানের শিকার হয়ে যাচ্ছেন। নিজের যোগ্যতার চেয়েও অনেক নিচু কাজ তাদেরকে করতে হচ্ছে। আর যার জন্য দায়ী আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা। আমাদের দেশে কর্মমূখী শিক্ষা যদি থাকত এবং সরকার যদি তা প্রয়োগ করতে পারত, দেশে উচ্চ শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা অনেক কমে যেত। যেমন অস্ট্রেলিয়াতে, টেফ কোর্স করানো হচ্ছে। এটা এক ধরনের ডিপ্লোমা টু গ্রাজুয়েশন কোর্স। প্রথম বছর ডিপ্লোমা, দ্বিতীয় বছরকে এ্যাডভান্স ডিপ্লোমা এবং তৃতীয় বছর অনেক সময় ক্ষেত্র বিশেষে চতুর্থ বছর কমপ্লিট করাকে গ্রাজুয়েশন ডিগ্রী হিসাবে গ্রহন করা হয়। এতে মেধার মূল্যায়ন হয়। ছেলে পেলেরা আত্মবিশ্বাসী হয়ে গড়ে উঠে। যেমন মনে করুন, একজন ব্যাংকার যিনি কিনা জেনারেল ব্যাংকিং দেখেন কিংবা ক্যাশ কাউন্টার দেখেন। এই কাজ করার জন্য গ্রাজুয়েশন বা মাস্টর্স পাশ করার প্রয়োজন নেই। তার জন্য একটি ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের উপর একটি এ্যাডভান্স ডিপ্লোমাই যথেষ্ঠ। এতে সে যেমন তার ক্যারিয়ার অনেক আগে থেকে শুরু করতে পারবে, তেমনি একজন স্বনির্ভর হিসেবে বেকারত্বের কবল থেকেও মুক্তি পাবে।

01/08/2018

1. কারেন্ট কাকে বলে?
পরিবাহী পদার্থের মধ্যকার মুক্ত ইলেকট্রন সমূহ একটি
নিদ্রিষ্ট দিকে প্রবাহিত হওয়ার হারকেই কারেন্ট বলে। ইহাকে
I বা i দ্বারা প্রকাশ করা হয়, এর একক অ্যাম্পিয়ার (A বা Amp.)
অথবা কুলম্ব/সেকেন্ড ।

2. ভোল্টেজ কাকে বলে?
পরিবাহী পদার্থের পরমাণুগুলির মুক্ত ইলেকট্রন সমূহকে
স্থানচ্যুত করতে যে বল বা চাপের প্রয়োজন সেই বল বা
চাপকেই বিদ্যুৎ চালক বল বা ভোল্টেজ বলে। একে V দ্বারা
প্রকাশ করা হয় এর একক Volts.

3. রেজিষ্ট্যান্স কাকে বলে?
পরিবাহী পদার্থের মধ্য দিয়ে কারেন্ট প্রবাহিত হওয়ার সময়
পরিবাহী পদার্থের যে বৈশিষ্ট্য বা ধর্মের কারণে উহা
বাধাগ্রস্ত হয় উক্ত বৈশিষ্ট্য বা ধর্মকেই রোধ বা
রেজিষ্ট্যান্স বলে। এর প্রতীক R অথবা r, আর একক ওহম
(Ω)।

4. ট্রান্সফরমার
ট্রান্সফরমার একটি ইলেক্ট্রিক্যাল মেশিন যেটি পরিবর্তনশীল
বিদ্যুৎকে (Alternating current) এক ভোল্টেজ থেকে
অন্য ভোল্টেজে রূপান্তরিত করে। ট্রান্সফরমার স্টেপ
আপ অথবা স্টেপ ডাউন দুই ধরনের হয়ে থাকে এবং এটি
ম্যাগনেটিক ইন্ডাকশন (Magnetic induction) নীতি অনুসারে
কাজ করে। ট্রান্সফরমারে কোন চলমান/ঘূর্ণায়মান অংশ থাকে
না, এটি সম্পূর্ণ স্থির ডিভাইস। ট্রান্সফরমারে দুটি উইন্ডিং থাকে,
প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি উইন্ডিং । প্রাইমারি ওয়াইন্ডিয়ে
ভোল্টেজ প্রদান করলে ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি হয় এবং
ম্যাগনেটিক ফ্লাক্স আয়রন কোরের মধ্য দিয়ে
সেকেন্ডারি ওয়াইন্ডিয়ে যায় এবং সেখানে ম্যাগনেটিক
ফিল্ড তৈরি হয়। যার ফলশ্রুতিতে সেকেন্ডারি কয়েলে
ভোল্টেজ পাওয়া যায়। ট্রান্সফরমারের ভোল্টেজ
পরিবর্তনের হার প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচ
সংখ্যার হারের উপর নির্ভর করে। তবে মনে রাখবেন,
ট্রান্সফরমার শুধু ভোল্টেজের পরিবর্তন ঘটায় কিন্তু পাওয়ার
ও ফ্রিকুয়েন্সি অপরিবর্তিত থাকে। পাওয়ার ঠিক থাকে তাই
ভোল্টেজ পরিবর্তনের জন্য কারেন্টেরও পরিবর্তন হয়।

5. ট্রান্সফরমেশন রেশিও
উত্তরঃ ট্রান্সফরমারের উভয় দিকের ইন্ডিউসড ভোল্টেজ
এবং কারেন্ট ও কয়েলের প্যাচের সংখার সাথে একটি
নিদ্রিস্ট অনুপাত মেনে চলে, ইহাই ট্রান্সফরমেশন রেশিও বা
টার্ন রেশিও। ইহাকে সাধারণত a দ্বারা প্রকাশ করা হয়,
অর্থাৎ a = Ep/Es = Np/Ns = Is/Ip

6. ইন্সট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার
CT (Current Transformer) এটি সাধারণত কম রেঞ্জের মিটার
দিয়ে সার্কিটের বেশি পরিমান কারেন্ট পরিমাপ করার জন্য
ব্যবহার করা হয়। PT (Potential Transformer) এটি সাধারণত কম
রেঞ্জের মিটার দিয়ে সার্কিটের বেশি পরিমান ভোল্টেজ
পরিমাপ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। CT ও PT এভাবে ব্যবহার
করা হলে এগুলোকে ইন্সট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার বলে।

7. সার্কিট ব্রেকার
সার্কিট ব্রেকার হলো একটি বৈদ্যুতিক সুইচিং ডিভাইস যেটি দ্বারা
ইলেকট্রিক্যাল সার্কিটকে সাপ্লাই হতে সংযুক্ত ও বিচ্ছিন্ন করা
হয়। তবে এটি ইলেকট্রিক্যাল সার্কিটে নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষন
যন্ত্র হিসাবে কাজ করে। ওভার লোড বা শর্ট সাকিট দেখা
দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঐ ইলেকট্রিকাল সার্কিটকে সরবরাহ
থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। তবে সার্কিট ব্রেকার
স্বয়ংক্রিয়ভাবে সার্কিটে সংযোগ করেনা ।

8. আইসোলেটর
বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি বিশেষ করে
ট্রান্সফরমারকে নো-লোড অবস্থায় বা সামান্য লোড
অবস্থায় লাইন হতে বিচ্ছিন্ন করার জন্য আইসোলেটর
ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ আইসোলেটর এক ধরনের সুইস, যা
অফলাইনে অপারেটিং করা হয়।

9. সাব-স্টেশন কাকে বলে?
পাওয়ার সিস্টেম ব্যবস্থায় সাব-স্টেশন এমন এক কেন্দ্র
যেখানে এমন সব সরঞ্জামাদির ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিভিন্ন
প্রকার বৈদ্যুতিক বৈশিষ্ট্য যেমন- ভোল্টেজ, এসি/ডিসি
কনভার্সন, ফ্রিকুয়েন্সি, পাওয়ার ফ্যাক্টর ইত্যাদির পরিবর্তনে
সাহায্য করে, এ ধরনের কেন্দ্রকে সাব-স্টেশন বা বিদ্যুৎ
উপকেন্দ্র বলে।

10. পাওয়ার লাইন ক্যারিয়ার (PLC)
যে লাইনের মাধ্যমে পাওয়ার স্টেশন, সাব-স্টেশন, রিসিভিং
স্টেশনে নিজস্ব জরুরী যোগাযোগ ব্যবস্থাপনা
টেলিফোনের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয় তাকে পাওয়ার লাইন
ক্যারিয়ার (PLC) বলে।

11. Q-ফ্যাক্টর
AC সার্কিটে সিরিজ রেজোন্যান্সের সময় সার্কিটের L
অথবা C এর আড়াআড়িতে ভোল্টেজ প্রয়োগকৃত
ভোল্টেজের তুলনায় বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।
রেজোন্যান্সের কারনে সৃষ্ট এই ভোল্টেজ বেড়ে
যাওয়াকে সিরিজ রেজোনেন্ট সার্কিটের Q-ফ্যাক্টর
(Quality Factor) বলে।

12. পাওয়ার ফ্যাক্টর
পাওয়ার ফ্যাক্টরঃ পাওয়ার ফ্যাক্টর হল একটিভ পাওয়ার অর্থাৎ যে
পাওয়ার আমরা ব্যবহার করতে পারি এবং এ্যপারেন্ট পাওয়ারের
অনুপাত। ইহাকে cosθ দ্বারা প্রকাশ করা হয়, যার মান 0 হতে 1
পর্যন্ত।

13. লোড ফ্যাক্টর
গড় লোড এবং সর্বোচ্চ চাহিদার অনুপাতকে লোড ফ্যাক্টর
বলে। Load Factor = Average load/Max. Demand or Peak
load. এর মান ১ এর নিচে হয়।

14. প্লান্ট ফ্যাক্টর
কোন পাওয়ার প্লান্টের গড় লোড এবং নির্ধারিত রেটেড
ক্যাপাসিটির অনুপাতকে প্লান্ট ফ্যাক্টর বলে।
Plant Factor = Average load/ Rated capacity of the plant

15. ডিমান্ড ফ্যাক্টর
প্লান্টের সর্বোচ্চ চাহিদা এবং সংযুক্ত লোডের অনুপাতকে
ডিমান্ড ফ্যাক্টর বলে। Demand Factor = Max. Demand/
Connected Load.

16. ফরম ফ্যাক্টর
ফরম ফ্যাক্টর (Form Factor): কোন সাইন ওয়েভের
কার্যকরুনী মান (RMS value) এবং গড় মান (Average Value) এর
অনপাতকে ফরম ফ্যাক্টর (Form Factor) বলে। একে Kf
দ্বারা প্রকাশ করা হয় যার মান 1.11

17. পিক ফ্যাক্টর
পিক ফ্যাক্টর (Peak Factor): কোন সাইন ওয়েভের সরবচ্চ
মান (Max. value) এবং কার্যকরুনী মান (RMS value) এর
অনপাতকে পিক ফ্যাক্টর (Form Factor) বলে। একে Ka
দ্বারা প্রকাশ করা হয় যার মান 1.41

18. স্কিন ইফেক্ট
AC বিদ্যুৎ প্রবাহ কোন পরিবাহির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময়
সে পরিবাহির ভিতরে প্রবেশ না করে উহার সারফেস দিয়ে
প্রবাহিত হতে চেস্টা করে, এটাকে স্কিন ইফেক্ট বলে।
এই স্কিন ইফেক্ট এর ফলে লাইনের রেজিস্ট্যান্স বৃদ্ধি পায়
যার ফলে লাইন লসও বেড়ে যায়।

19. করুনোনা ইফেক্ট
যখন দুইটি কন্ডাক্টর এর স্পেসিং ব্যাসের তুলনায় বেশি
অবস্থায় রেখে তাদের আড়াআড়িতে AC ভোল্টেজ
প্রয়োগ করে ধিরে ধিরে বাড়ানো হয় তখন একটি পর্যায়
আসে। এই বিশেষ পর্যায় কন্ডাক্টরের চারপাশে বাতাস
ইলেক্ট্রস্ট্যাটিক স্ট্রেস হয়ে আয়নিত হয় এবং বাতাসের
ইন্সুলেশন স্ট্রেংথ ভেঙ্গে যায়। এই অবস্থায়
কন্ডাক্টরের চারপাশে জিম জিম শব্দসহ হালকা অনুজ্জ্বল
বেগুনী রস্মি দেখা যায় এবং ওজন গ্যাসের সৃষ্টি হয়, এই
অবস্থাটিকে করুনোনা নামে পরিচিত।

20. প্রক্সিমিটি ইফেক্ট
সমান্তরাল দুইটি পরিবাহীর কারেন্ট যদি পরস্পর বিপরীতমুখী
হয়, তাহলে উভয় পরিবাহীর নিকটবর্তী অংশে কারেন্ট
ডেনসিটি বেড়ে যায়। আবার একমুখী কারেন্ট হলে
দূরবর্তী অংশে কারেন্ট ডেনসিটি বেড়ে যায়। এ ঘটনাকে
প্রক্সিমিটি ইফেক্ট বলে। ইহার প্রভাবে অসম কারেন্ট
প্রবাহিত হয়, লাইনের রেজিস্ট্যান্স বৃদ্ধি পায় এবং সেলফ
রিয়াক্ট্যান্স এর মান কমে যায়।

21. ফ্যারান্টি ইফেক্ট
মিডিয়াম বা লং ট্রান্সমিশন লাইনে ওপেন সার্কিট বা লোড শুন্য
অবস্থায় কিংবা অল্প লোডে চলার সময় প্রেরন প্রান্ত
অপেক্ষা গ্রহন প্রান্তের ভোল্টেজের মান বেশি হতে
দেখা দেয়। এই ঘটনা বা phenomenon কে ফেরান্টি
ইফেক্ট বলে।

22. অটো ট্রান্সফরমার
অটো ট্রান্সফরমার এমন এক ব্যাতিক্রমি ট্রান্সফরমার যার
মধ্যে কেবল একটি ওয়াইন্ডিং থাকে। ইহার কিছু অংশ প্রাইমারি
আর কিছু অংশ সেকেন্ডারি, উভয় কয়েল ইলেকট্রিক্যাল ও
ম্যাগনেটিক্যালি সংযুক্ত থাকে। তারপরও একে ট্রান্সফরমার বলা
হয়, কারণ ইহার কার্যপ্রণালী দুই ওয়াইন্ডিং ট্রান্সফরমার এর মতই।

23. স্পেসিফিক রেজিস্ট্যান্স বা রেজিস্টিভিটি
নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় একক দৈর্ঘ্য ও একক প্রস্থচ্ছেদের
ক্ষেত্রফল বিশিষ্ট কোন একটি পরিবাহী পদার্থের অথবা
একক বাহু বিশিষ্ট কোন একটি ঘনক আকৃতির পরিবাহী
পদার্থের দুটি বিপরীত তলের মধ্যবর্তী রোধ বা
রেজিস্ট্যান্সকে উক্ত পরিবাহীর রেজিস্টিভিটি বা আপেক্ষিক
রোধ বলে।

24. R.M.S মান
একটি সার্কিটে একটি নির্দিস্ট সময়ে কোন নির্দিস্ট পরিমান ডিসি
(D/C) প্রবাহিত হলে যে পরিমান তাপ উৎপন্ন, সেই পরিমান তাপ
উৎপন্ন করতে ঐ সার্কিটে উক্ত নির্দিস্ট সময়ে যে পরিমান
এসি প্রবাহিত করা প্রয়োজন তাকে ঐ এসি (A/C) কারেন্টের
RMS মান বলে। RMS value = 0.707 x Max. Value

25. রেজোন্যান্ট ফ্রিকুয়েন্সি
একটি AC সার্কিটে ইনডাকট্যান্স ও ক্যাপাসিট্যান্স এর মান যাই
হোকনা কেন যে ফ্রিকুয়েন্সিতে ঐ সার্কিটের ইন্ডাকটিভ
রিয়েকট্যান্স (XL) এবং ক্যাপাসিটিভ রিয়েকট্যান্স (XC) সমান হয়,
সেই ফ্রিকুয়েন্সিকে রেজোন্যান্ট ফ্রিকুয়েন্সি বলে ।
একে fr দ্বারা প্রকাশ করা হয়

26. রীলে
রীলে এমন একটি সয়ংক্রীয় ডিভাইস, যেটি বৈদ্যুতিক সার্কিট এ কোন ফল্ট সংঘটিত হলে, সার্কিট এর প্রটেকটিভ ডিভাইস গুলো কে সয়ংক্রীয় ভাবে অপারেট করে এবং ফল্টযুক্ত অংশ কে ফল্টবিহীন অংশ হতে আলাদা করে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।

27. ১০ টি রিলের নাম
A। প্রাইমারি রিলে
B। সেকেন্ডারি রিলে
C। ডিরেকশনাল রিলে
D। ডিফারেন্সিয়াল রিলে
E। থার্মাল রিলে।
F। ইলেক্ট্র থার্মাল রিলে
G। রিভার্স পাওয়ার রিলে
H। সলিনয়েড এন্ড প্লাঞ্জার রিলে
I। ডিসট্যান্স রিলে
J। ওভার ভোল্টেজ ও ওভার কারেন্ট রিলে

28. রিভার্স পাওয়ার রীলে
প্যারালেল অপারেশনে কোন অল্টারনেটরের ইনপুট কোন কারনে বন্ধ হলে বা অন্য কোন ত্রুটিতে ঐ অলটারনেটর যদি বাসবার হতে পাওয়ার নেয় অর্থাৎ উল্টাদিক হতে পাওয়ার নিয়ে অল্টারনেটরটি মোটর হিসাবে কাজ করে তখন যে রিলের মাধ্যমে প্রটেকশন দেয়া হয় তার নাম রিভার্স পাওয়ার রীলে। এ রকম অবস্থায় রিভার্স পাওয়ার রীলে এনারজাইজড হয় এবং ঐ অল্টারনেটরের সার্কিট ব্রেকার ট্রিপ করে সিস্টেমকে রক্ষা করে।

29. থার্মাল রীলে
যে রীলে কারেন্ট বৃদ্ধির ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে সাড়া দেয়, তাকে থার্মাল রীলে বলে। এটা সাধারণত মোটর কন্ট্রোল সার্কিট, ব্যালান্স এবং আন-ব্যালান্স থ্রি-ফেজ সার্কিটে ব্যবহার করা হয়।

30. ডিফারেনশিয়াল রীলে
ডিফারেনশিয়াল রীলে এমন এক ধরনের ডিভাইস, যেটি দুই বা ততোধিক ইলেকট্রিক্যাল মান বা দিকের ভেক্টর পার্থক্য, যখন একটি আগে থেকেই নির্ধারিত মানের চেয়ে বেশি বা কম হয় তখন এই রীলে কাজ করে সিস্টেমকে বা ইলেকট্রিক্যাল যন্ত্রকে রক্ষা করে।

31. HRC ফিউজ
HRC= High Rupturing Capacity । উচ্চ কারেন্ট প্রবাহিত হয় এরকম লাইনে যে ফিউজ ব্যবহার হয় সেগুলো HRC ফিউজ। এতে চিনা মাটির তৈরি কেসিং এর মধ্যে ফিউজ তার সংযুক্ত থাকে। ফিউজ তারের চারদিকে বালু বা চক পাউডার এবং কেসিং এর দু-মাথায় দুটি পিতলের ঢাকনা থাকে। ফিউজ তার উভয় ঢাকনার সাথে সংযুক্ত থাকে।

32. বুখলজ রীলে
ট্রান্সফরমারের বিভিন্ন ত্রুটির প্রটেকশন ও সতর্কীকরুনণ ব্যবস্থার জন্য ট্রান্সফরমার ট্যাংক ও কনজারভেটর এর মাঝে পাইপে যে রীলে বসানো থাকে সেটাই বুখলজ রীলে। ত্রুটিজনিত অতিরিক্ত কারেন্ট হতে সৃষ্ট উত্তাপে ট্রান্সফরমার ট্যাংকে যে গ্যাসের সৃষ্টি হয়, তার চাপেই এই রীলে কাজ করে থাকে। অর্থাৎ শুধুমাত্র অয়েল কুলিং ট্রান্সফরমারে এই রীলে ব্যবহৃত হয়।

33. আর্থিং সুইস কি?
ট্রান্সমিশন লাইন রক্ষণাবেক্ষণের সময় লাইনে বিদ্যমান চার্জিং কারেন্টকে মাটিতে পাঠানোর জন্য যে সুইস ব্যবহৃত হয় সেটি আর্থিং সুইস (ES) নামে পরিচিত। আগে আইসোলেটর দিয়ে সার্কিট ডিসকানেক্ট করে আর্থ সুইস দ্বারা লাইনকে আর্থের সাথে সংযোগ করা হয়।

34. ওয়েভ ট্রাপ কি?
সাব-স্টেশনে ব্যবহৃত ক্যারিয়ার সরঞ্জামাদির মধ্যে ওয়েভ ট্রাপ অন্যতম একটি ডিভাইস, যার মাধ্যমে ট্রান্সমিশন লাইনের ওয়েভকে ফিল্টার করা হয়। পাওয়ার লাইনের মাধ্যমেই কমুনিকেশন ফ্রিকুয়েন্সিও পাঠানো হয়, পরবর্তীতে এই ওয়েভ ট্রাপ দিয়ে কমুনিকেশন ফ্রিকুয়েন্সিকে আলাদা করে শব্দ শক্তিতে রুপান্তর করে টেলিফোন বা যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পন্ন করা হয়।

35. সার্জ ভোল্টেজ কি?
পাওয়ার সিস্টেমে হঠাৎ করে খুব অল্প সময়ের জন্য অস্বাভাবিক ভোল্টেজ বৃদ্ধিকে সার্জ ভোল্টেজ বলে। একে ট্রানজিয়েন্ট ভোল্টেজও বলে।

36. কারেন্ট লিমিটিং রিয়াক্টর
কারেন্ট লিমিটিং রিয়াক্টর বা বিদ্যুৎ সীমিত করুনন রিয়াক্টর যথেষ্ট ইন্ডাক্টিভ রিয়াক্ট্যান্স বিশিষ্ট এক ধরনের ইন্ডাকটিভ কয়েল। শর্ট সার্কিট অবস্থায় কারেন্টের পরিমাণকে সীমিত রেখে ফল্ট কারেন্টের বিপদমাত্রা নিরাপদ সীমায় নিয়ে আসার জন্য এই রিয়াক্টর লাইনের সাথে সিরিজে সংযোগ করা হয়।

37. লোড শেডিং
যখন চাহিদার তুলনায় উৎপাদিত বিদ্যুৎ এর পরিমান কম হয়, তখন কোন কোন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রেখে অন্যান্য এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু রাখা হয়, যাতে ওভার লোডে পুরো সিস্টেম বন্ধ হয়ে না যায়। এ ব্যবস্থাকে লোড শেডিং বলে।

38. লোড শেয়ারিং
একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের উপর অর্পিত সকল লোড বিভিন্ন প্লান্টের সকল জেনারেটরের মধ্যে যুক্তিযুক্ত ভাবে বন্টন করাকে লোড শেয়ারিং বলে।

39. ‘ j ‘ operator কাকে বলে?
একটি operator যার মান √-1 কোন ভেক্টরের সহিত মাল্টিপ্লাইং ফ্যাক্টর হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে উক্ত ভেক্টর এর ৯০০ বামাবর্তে ঘূর্ণন নির্দেশ টাকা ‘ j ‘ operator বলে।

40. ওহমের সূত্র
ওহমের সুত্রঃ স্থির তাপমাত্রায় কোন বর্তনীর মধ্য দিয়ে যে কারেন্ট প্রবাহিত হয়, তাহা ঐ বর্তনীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের সহিত সরাসরি সমানুপাতিক এবং রেজিস্টেন্সের সহিত উল্টানুপাতিক। অর্থাৎ I αV or I α1/V or I =V/R.

41. কারশফের সূত্র
কারশফের কারেন্ট সুত্র (KCL) কোন বৈদ্যুতিক নেটওয়ার্কের এক বিন্দুতে মিলিত কারেন্ট সমুহের বীজগাণিতিক যোগফল শুন্য অথবা কোন বিন্দুতে আগত কারেন্ট = নির্গত কারেন্ট।
কারশফের ভোল্টেজ সুত্র (KVL) কোন বদ্ধ বৈদ্যুতিক নেটওয়ার্কের সকল ই.এম.এফ এবং সকল ভোল্টেজ ড্রপের বীজগাণিতিক যোগফল শুন্য।

42. ফ্যারাডের সূত্র
প্রথম সুত্রঃ একটি তার বা কয়েলে ই. এম. এফ আবিষ্ট হয় তখন, যখন উক্ত তার বা কয়েলের সাথে সংশ্লিষ্ট চৌম্বক ফ্লাক্স বা চৌম্বক বল রেখার পরিবর্তন ঘটে।

দ্বিতীয় সুত্রঃ আবেশিত বিদ্যুচ্চালক বল এর পরিমান চৌম্বক বল রেখার পরিবর্তনের হারের সাথে সরাসরি সমানুপাতিক।
উপরোক্ত সূত্র দুটি একত্রে এভাবে লেখা যায়ঃ একটি পরিবাহী এবং একটি চৌম্বক ক্ষেত্রে আপেক্ষিক গতি যখন এরুপভাবে বিদ্যমান থাকে যে, পরিবাহীটি চৌম্বক ক্ষেত্রটিকে করুন্তন করে, তখন পরিবাহিতে আবেশিত একটি বিদ্যুচ্চালক বল সংঘটিত করুন্তনের হারের সাথে সমানুপাতিক।

43. লেনজের সূত্র লিখ।
আবেশিত বিদ্যুচ্চালক বলের কারনে পরিবাহী তারে প্রবাহিত আবেশিত কারেন্ট পরিবাহী তারের চারপাশে একটি চৌম্বক ক্ষেত্র সৃষ্টি করে, যেটি দারা আবেশিত কারেন্টের উৎপত্তি, উহাকেই (অর্থাৎ পরিবর্তনশীল ফ্লাক্স) এ (সৃষ্ট চৌম্বক ক্ষেত্র) বাধা প্রদান করে । যেখানে পরিবাহী স্থির এবং চৌম্বক ক্ষেত্র গতিতে থাকে সেখানে লেনজের সূত্র ব্যবহার হয়।

44. ফ্লেমিং এর রাইট হ্যান্ড রুল কি?
দক্ষিণ হস্তের বৃদ্ধাঙ্গুলি, তর্জনী ও মধ্যমাকে পরস্পর সমকোণে রেখে বিস্তৃত করলে যদি তর্জনী চৌম্বক বলরেখার অভিমুখ এবং বৃদ্ধাঙ্গুলি পরিবাহী তারের ঘূর্ণনের অভিমুখ নির্দেশ করে, তবে মধ্যমা পরিবাহিতে প্রবাহিত আবেশিত কারেন্টের অভিমুখ নির্দেশ করেবে। ইহাই ফ্লেমিং এর রাইট হ্যান্ড রুল। যেখানে চৌম্বক ক্ষেত্র স্থির এবং পরিবাহী গতিতে থাকে, সেখানে ফ্লেমিং এর রাইট হ্যান্ড রুল ব্যবহার করা হয়।

45. মিউচুয়াল ফ্লাক্স কাকে বলে?
পাশাপাশি অবস্থিত দুটি কয়েলের একটিতে কারেন্ট প্রবাহের ফলে সৃষ্ট ফ্লাক্সের যে অংশবিশেষ অন্যটিতে সংশ্লিষ্ট হয়, তাকে মিউচুয়াল ফ্লাক্স বলে।

46. এডি কারেন্ট
যখন একটি বৈদ্যুতিক চুম্বকের কয়েলের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত কারেন্ট পরিবর্তিত হতে থাকে, তখন চৌম্বক ক্ষেত্রও পরিবর্তিত হতে থাকে। এই পরিবর্তনশীল ফ্লাক্স কয়েলের তারকে করুন্তন করে, ফলে কয়েলে একটি ভোল্টেজের সৃষ্টি হয়। একই সময়ে এই ফ্লাক্স লৌহ দণ্ডকেও করুন্তন করে। ফলে এই লৌহ দণ্ডেও ভোল্টেজের সৃষ্টি হয়। এই ভোল্টেজের কারনে লৌহ দণ্ডে একটি কারেন্ট আবর্তিত হতে থাকে, এই আবর্তিত কারেন্টকেই এডি কারেন্ট বলে।

47. স্যাগ
দুইটি পোল বা টাওয়ারের মধ্যে কন্ডাকটর লাগানো হলে কন্ডাকটরটি কিছুটা ঝুলে পড়ে। পোল বা টাওয়ার দুইটির যে বিন্দুতে কন্ডাকটর লাগানো হয়েছে সেই বিন্দু দুইটির সংযোগকারি কাল্পনিক রেখা হতে কন্ডাকটরটির সর্বোচ্চ ঝুলকে স্যাগ (SAG) বা ঝুল বলে।

48. তার ও ক্যাবল
তার খোলা বা হালকা ইন্সুলেশন যুক্ত হয় এবং সলিড বা স্ট্রান্ডেড হয়, কিন্তু ক্যাবল সব সময় ইন্সুলেটেড ও স্ট্রান্ডেড হয়।

49. A.C.S.R ক্যাবল
একে Steel cored aluminium-ও বলে। উচ্চ ভোল্টেজ পরিবহন করার জন্য অ্যালুমিনিয়াম কন্ডাকটরের কেন্দ্রে প্রলেপ যুক্ত ষ্টীল কোর ব্যবহার করে A.C.S.R তার তৈরি করা হয়। এতে অ্যালুমিনিয়াম তারের টান সহন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

50. লাইটিং এরেস্টার
লাইটনিং এরেস্টার বা সারজ ডাইভারটার এক ধরনের ইলেকট্রিক্যাল প্রটেকটিভ ডিভাইস, যেটি পাওয়ার সিস্টেমে হাই ভোল্টেজকে বা সারজ ভোল্টেজকে সরাসরি মাটিতে প্রেরন করে।

51. AC বা অল্টারনেটিং কারেন্ট কি?
যে কারেন্টের দিক সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয় তাকে অল্টারনেটিং কারেন্ট (AC) বলে।

52. সিস্টেম লস কি?
উৎপাদন কেন্দ্রের নিজস্ব ব্যবহার সহ যন্ত্রপাতির অপচয়, পরিবহন তারের রেজিসটেন্স জনিত অপচয় এবং অন্যান্য কারিগরি-অকারিগরি

53. ফিডার কি?
জনবহুল এলাকা, কারখানা বা আবাসিক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করার লক্ষে উচ্চ ভোল্টেজ উপকেন্দ্র বা গ্রিড উপকেন্দ্র হতে বিভিন্ন লোড সেন্টারে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রদানের জন্য যে untapped লাইন নির্মাণ করা হয় তাকে ফিডার বলে।

54. স্ট্রিং ইফিসিয়েন্সি কি?
সাসপেনশন ডিস্ক ইন্সুলেটর এর N-সংখ্যক ইউনিটের স্পার্ক ওভার ভোল্টেজ একটি ইউনিটের N-গুন স্পার্ক ওভার ভোল্টেজের অনুপাতকে স্ট্রিং ইফিসিয়েন্সি বলে।
স্ট্রিং ইফিসিয়েন্সি = N-সংখ্যক ইউনিটের SOV/ N x একটি ইউনিটের SOV (Max. Volts)
SOV= Spark Over Voltage

55. ট্রান্সফরমারের ব্রীদার কি?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমারের ট্যাংকে জলীয়বাস্পমুক্ত অর্থাৎ শুষ্ক বাতাস প্রবেশের জন্য ট্রান্সফরমারে যে প্রকোষ্ঠ ব্যবহার করা হয় তাকে ব্রীদার বলে।

56. মিনিয়েচার সার্কিট ব্রেকার কাকে বলে?
মিনিয়েচার শব্দের আভিধানিক অর্থ হল ক্ষুদ্রাকার। যে সার্কিট ব্রেকার অল্প কারেন্টে কাজ করে এবং আকারের দিক দিয়েও ছোট এই ধরনের সার্কিট ব্রেকারগুলোকে মিনিয়েচার সার্কিট ব্রেকার কাকে বলে।

57. বাসবার কি?
বাসবার এক ধরনের তামা বা এলুমিনিয়ামের তৈরি পরিবাহী পাত, বার বা রড, যেটি এক বা একাধিক সার্কিটে ইলেকট্রিক্যাল এনার্জি সংগ্রহ ও বিতরন করে।

58. এয়ার সার্কিট ব্রেকার কাকে বলে?
যে সার্কিট ব্রেকারে আর্ক নির্বাপণ এবং অপারেটিং স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডলের বাতাসের চাপে করা হয় তাকে এয়ার সার্কিট ব্রেকার কাকে বলে।

59. মোটর কাকে বলে ?
ইহা এক প্রকার ইলেকট্রিকাল মেশিন যেটি সরবরাহ থেকে ইলেকট্রিকাল শক্তি গ্রহন করে যান্ত্রিক শক্তিতে রুপান্তর করে তাকে মোটর বলে । ইহা AC ও DC এর হয়ে থাকে ।

60. জেনারেটর
জেনারেটর এমন একটি যন্ত্র বা মেশিন যার সাহায্যে যান্ত্রিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রুপান্তরিত করা হয় ।

61. কম্যুটেটর
প্রত্যেক ডিসি জেনারেটরের আর্মেচারে উৎপন্ন কারেন্ট সব সময় এসি হয়ে থাকে, ডিসি জেনারেটরের এই এসি ভোল্টেজকে বহিঃসার্কিটে ডিসি পাওয়ার জন্য যে ডিভাইস বা মেকানিজম ব্যবহৃত হয় তাকে কমুটেটর বলে।

62. এক্সাইটার
ফিল্ড তৈরি করতে এক্সাইটেশন ভোল্টেজ দরকার, যার মাধ্যমে অল্টারনেটরের ফিল্ডে এক্সাইটেশন ভোল্টেজ দেয়া হয় তাকে এক্সাইটার বলে। এটা একটি এক্সটারনাল ডিসি সাপ্লাই ব্যবস্থা (ব্যাটারি, ডিসি শান্ট জেনারেটর বা রেক্টিফায়ার) যার মাধ্যমে ফিল্ডে ডিসি সাপ্লাই দিয়ে অল্টারনেটরে চুম্বক ফিল্ড তৈরি করা হয়।

63. What is The difference between earth and neutral?
Neutral is the return path of the conductor through which current flows back to the system. However earth is used for protection against high fault current. When the current is very high it flows through earth and bypass the equipment or device thus protecting it.

64. মিউচুয়াল ফ্লাক্স কাকে বলে?
পাশাপাশি অবস্থিত দুটি কয়েলের একটিতে কারেন্ট প্রবাহের ফলে সৃষ্ট ফ্লাক্সের যে অংশবিশেষ অন্যটিতে সংশ্লিষ্ট হয়, তাকে মিউচুয়াল ফ্লাক্স বলে।

65. সিনক্রোনাইজিং
সার্কিটের লোড বৃদ্ধি পেলে এবং একটি অল্টারনেটর দ্বারা যদি সে বর্ধিত লোডের চাহিদা পুরন করা সম্ভব না হয় তাহলে দুই বা ততোধিক অল্টারনেটরকে কিছু শর্ত সাপেক্ষে একটি আরেকটির সাথে প্যরালেলে অপারেশন করা হয়, এই পদ্ধতিকে সিনক্রোনাজিং বলে।

66. মোটর স্লিপ
মোটরের এর সিনক্রোনাস স্পীড NS ও রোটর স্পীড Nr এর পার্থক্যকে সিনক্রোনাস স্পীড দ্বারা ভাগ করলে যে মান পাওয়া যায় তাকে ইন্ডাকশন মোটরের স্লিপ(S) বলে। ইহাকে শতকরায় প্রকাশ করা হয়। ইহার মান সাধারণত 4% থেকে 8% থাকে।

67. ব্যাক ই এম এফ
যখন কোন ডিসি মোটরের আর্মেচার ফিল্ড চুম্বক ক্ষেত্রের ভিতর ঘুরতে থাকে তখন ঐ আর্মেচারে কন্ডাকটর চুম্বক বল রেখাকে করুন্তন করে ফলে আর্মেচার কন্ডাক্টর বাহিরের কারেন্ট ছাড়াও ঘূর্ণনের জন্য ভোল্টেজ উৎপন্ন করে যার অভিমুখ সরবরাহ ভোল্টেজের বিপরীত, এই ভোল্টেজকে ব্যাক ই এম এফ বলে। Back e.m.f, Eb = φzNP/60A Volts or Eb = V-Ia Ra Volts

68. আরমেচার রিয়াকশন
কোন কন্ডাক্টরের ভিতর দিয়ে কারেন্ট প্রবাহিত হলে সে কন্ডাক্টরের চতুর্দিকে একটি চুম্বক ক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়। ডিসি মেশিনের পোলের চুম্বক ক্ষেত্রের উপর আর্মেচার কন্ডাক্টরের প্রবাহ জনিত চুম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবকে আর্মেচার রিয়াকশন বলে। এর ফলে কার্বন ব্রাশে স্পার্ক দেখা দেয় এবং টার্মিনাল ভোল্টেজ কমে যায়। Air Gap বাড়িয়ে, Compensating Winding এবং Interpole ব্যবহার করে আর্মেচার রিয়াকশন কমানো যায়।

69. সিনক্রোনাস মোটর
যে মোটর নো-লোড হতে ফুল লোড পর্যন্ত একটি নির্দিস্ট গতিবেগে ঘুরে তাকে সিনক্রোনাস মোটর বলে। এই মোটরের স্পীড সবসময় Ns = 120f/P হয়ে থাকে।

70. ট্রান্সমিশন লাইনের ট্রান্সপজিশনিং কি?
অসমান দূরত্বের আনব্যালান্স তিন ফেজ ওভারহেড লাইনের ব্যালান্স প্রতিষ্ঠা করার লক্ষে নির্দিষ্ট ব্যবধানে প্রতিটি তারের মধ্যে পারস্পারিক স্থান বিনিময়ের ব্যবস্থা কে ট্রান্সপজিশনিং বলা হয়।

71. সেমিকন্ডাক্টর
ইহা এমন একটি পদার্থ যাহার কন্ডাকটিভিটি কন্ডাক্টরের তুলানায় কম ও ইন্সুলেটর এর তুলনায়বেশি । অর্থাৎ যে পদার্থের আউটার অরবিটে ব্যালান্স ইলেকট্রনের সংখ্যা ইন্সুলেটর ও কন্ডাক্টরের মাঝামাঝি (৪টি) থাকে তাকে সেমিকন্ডাক্টর বলে । যেমন – জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদি ।

72. জেনার ডায়োড
যে সকল ক্রিস্টাল ডায়োড এমনভাবে ডোপিং করা হয় যার একটি শার্প ব্রেকডাউন ভোল্টেজ থাকে। জেনার ডায়োড সর্বদাই রিভার্স বায়াসে কাজ করে। ইহা ভোল্টেজ রেগুলেটর হিসাবে কাজ করে।

73. অ্যামপ্লিফায়ার
অ্যামপ্লিফায়ার বা বিবর্ধক এমন একটি ডিভাইস যার মাধ্যমে কোন দুর্বল বা ছোট সিগন্যালকে শক্তিশালী বা বড় সিগন্যালে রূপান্তরিত করা যায়।

74. ইলেকট্রনিক্স
ইঞ্জিনিয়ারিং এর যে শাখায় ভ্যাকুয়াম টিউব, গ্যাস টিউব এবং সেমিকন্ডাক্টর এর মধ্যে দিয়া ইলেকট্রন প্রবাহ সম্পর্কে আলোচনা ও গবেষণা করা হয় তাকে ইলেকট্রনিক্স বলে ।

75. অসিলেটর
ইহা এমন একটি ডিভাইস যার মাধ্যমে চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন রেঞ্জের বা মানের ফ্রিকুয়েন্সি জেনারেট করা যায়। ইহা মুলতঃ কোন ডিসি সোর্স থেকে প্রাপ্ত শক্তিকে পরিবর্তনশীল আউটপুটে রূপান্তরিত করে থাকে।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address

Holding 190, Road 5, Block J, Baridhara, Maddha Nayanagar, Vatara
Dhaka
1212