16/06/2026
মধ্যবয়সী একটা লোক সবার সামনে কাঁদছে! কেনো জানেন? কেপ ভার্দের সুপার ম্যান ভজিনহা খুব করে চেয়েছিলেন তার মা গ্যালারিতে বসে তার খেলা দেখবে কিন্তু টাকার অভাবে সেটা ম্যানেজ করতে দেরি হওয়ায় তিনি তার মাকে আনতে পারেননি৷ এ কথা বলতে গিয়েই তিনি কান্নায় ভেঙে পড়লেন৷
কেপ ভার্দের এক ছোট্ট দ্বীপে অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারে বড় হয়েছেন "ভজিনহা" | বাবা সেনাবাহিনীতে থাকায় এবং মা জীবিকার তাগিদে বাইরে কাজ করায় তার শৈশব কেটেছে নানা-নানির কাছে। এমনকি তার 'ভজিনহা' নামের অর্থই হলো "ছোট নানি" ছোটবেলায় পোলাপানের সাথে ঝগড়া করে নানির কাছে গিয়ে কাঁদতেন এরপর থেকে সবাই তাকে এ নামে ক্ষেপাতো৷
ছোটবেলায় অনেক ভালো কিপিং করলেও উচ্চতা কম হওয়ার কারণে তাকে বারবার দল থেকে বাদ দেওয়া হতো। যেখানে ফুটবলাররা ১৮-২০ বছর বয়সে ক্যারিয়ার শুরু করে, সেখানে চরম অভাব আর অবহেলার কারণে ভজিনহা পেশাদার ফুটবল শুরুই করেছেন ২৫ বছর বয়সে৷
নিজের ক্যারিয়ারে কখনো বড় কোনো ক্লাবে খেলার সুযোগ পাননি। পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগের দলসহ সলোভাকিয়া, অ্যাঙ্গোলা ও সাইপ্রাসের ছোট ছোট ক্লাবে যাযাবরের মতো খেলে বেরিয়েছেন। কিন্তু দেশের হয়ে একটা বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন তিনি কখনো ম-র-তে দেননি
২০২৬ সালের শুরুতে মার্কিন সরকার কেপ ভার্দের নাগরিকদের জন্য ভিসার ফি-র পাশাপাশি প্রায় ১৫,০০০ ডলারের (যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় সাড়ে ১৭ লাখ টাকা) একটি ফেরতযোগ্য বন্ডের নিয়ম চালু করে। একজন সাধারণ ফুটবলার হিসেবে ভজিনহার পক্ষে এত বিপুল পরিমাণ টাকা সময়মতো জোগাড় করা সম্ভব হয়নি। ফলে তার মায়ের আর ছেলের জীবনের সবচেয়ে বড় মুহূর্তটি মাঠে বসে দেখা হলো না।
আজ ভজিনহা শুধু স্পেনকে আটকাননি, তিনি প্রমাণ করেছেন পকেটে টাকা না থাকলেও, বুকে যদি জেদ আর সততা থাকে, তবে ৪০ বছর বয়সেও বিশ্ব জয় করা সম্ভব৷
স্যালুট ভজিনহা! তোমার মা মাঠে আসতে না পারলেও, আজ পুরো পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ তোমাকে মায়ের মতোই ভালোবাসা দিচ্ছে। 🇨🇻❤️
লেখা: তুলন-Tulon
15/06/2026
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বঞ্চনা আর সংগ্রামের ইতিহাস দীর্ঘদিনের। আমাদের প্রত্যাশা ছিল বর্তমান সরকারের সময়ে সম্ভবত এই বঞ্চনা থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রক্ষা পাবে।
কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হলো আমাদের বর্তমান প্রশাসন সরকারের অত্যন্ত আস্থাভাজন হলেও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য তেমন কোনো সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আসতে সক্ষম হয়নি।
এমনকি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী যে বৃত্তির টাকা দেওয়ার কথা ছিল, সে টাকাটাও পুরোপুরিভাবে নিয়ে আসতে পারেনি।
আবার আমরা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দেখলাম, যেখানে দেশের মোট বাজেট বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে, সেখানে আমাদের জন্য বরাদ্দকৃত বিগত সময়ের বাজেট থেকে কর্তন করে আমাদের বাজেট আরও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।
যেহেতু আমাদের ইতিহাস সংগ্রামের ইতিহাস, তাই যদি আমাদের অধিকার আমরা বুঝে না পাই, তাহলে ১৭ হাজার শিক্ষার্থীকে সাথে নিয়ে আবারও আন্দোলন করে আমাদের অধিকার বুঝে নেব ইনশাআল্লাহ।
14/06/2026
যেমন খুশি তেমন সাজো প্রতিযোগিতায় কুরাসাও আজ ব্রাজিল সাজছে।
14/06/2026
ঝরঝরে একটি ম্যাচ। প্রিয় দল ব্রাজিল হারলো না, মুসলিম ভাই মরক্কো হারলো না। পুরো ম্যাচে পেনাল্টি পেয়ে গোল দেওয়ার মতলবে এলিয়েন মার্কা কেউ ওঁৎ পেতে রইল না। হাত দিয়ে গোল দেওয়ার কলুষতা ছিল না। নেইমার না থাকার শূন্যতা বোঝা গেল না, কারণ ব্রাজিল এক তারকা কেন্দ্রিক কোনো দল নয়।
অভিনন্দন ব্রাজিল। এই বিশ্বকাপে তোমাদের পয়েন্ট এখন ১, আর্জেন্টিনার পয়েন্ট এখনও ০।
13/06/2026
ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।
স্থানঃ শহীদ মিনার, জবি
13/06/2026
ভোরের সূর্য উঠার সাথে সাথে মরক্কোর বিজয় উদযাপনের জন্য প্রস্তুত পুরো মুসলিম বিশ্ব। ইসলামিক, আলহামদুলিল্লাহ।
09/06/2026
প্রতিবাদলিপি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় গেইটের সামনে আজ নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের ঘটনায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করছে।
শাখা সভাপতি আব্দুল আলিম আরিফ ও শাখা সেক্রেটারি ইব্রাহিম খলিল এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন,দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রলীগের সন্ত্রাস, দখলদারিত্ব, শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিনষ্টের অসংখ্য ঘটনা দেশের মানুষ প্রত্যক্ষ করেছে। এমন একটি সংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রকাশ্যে কর্মসূচি পালন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক বার্তা বহন করে।আমরা মনে করি, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস কোনোভাবেই সন্ত্রাস, সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতার আশ্রয়স্থল হতে পারে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচিত এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
নেতৃদ্বয় আরো বলেন,একই সঙ্গে আমরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে আরও সজাগ ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে। ভবিষ্যতে যেন কোনো নিষিদ্ধ বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ক্যাম্পাসকে ব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সবসময় একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ, সন্ত্রাসমুক্ত ও শিক্ষাবান্ধব ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ লক্ষ্যে কাজ করে যাবে।
বার্তা প্রেরক
মোস্তাফিজুর রহমান
প্রচার সম্পাদক
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।
09/06/2026
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, উচ্চশিক্ষা সংস্কার এবং শিক্ষাক্রম পর্যালোচনার বিষয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা ও পর্যালোচনা চলছে। তবে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শনের মতো মৌলিক বিষয়গুলোতে অনার্স শিক্ষা বন্ধ করার কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত সরকার নেয়নি।
09/06/2026
বেগম খালেদা জিয়া জেলে থাকাকালীন ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসের কোন এক দুপুরে ওনার মুক্তির দাবীতে গুলশান-১ নাম্বারের দিকে ঢাকা মহানগর যুবদলের কোন একটা ইউনিটের শ-পাঁচেক নেতাকর্মী মিছিল নিয়ে বের হয়।
সবাই একসাথে মিছিলের সামনের সারিতে যাবার ধাক্কাধাক্কির মধ্যেই যুবদলের লড়াকু যোদ্ধারা আসমানের দিকে শূণ্যে মুষ্ঠিবদ্ধ হাত ছুড়ে “জেলের তালা ভাঙবো, খালেদা জিয়াকে আনবো” কিংবা “আমরা সবাই জিয়ার সেনা, ভয় করি না বুলেট বোমা” এমন আরো অজস্র জ্বালাময়ী স্লোগান দিতে দিতে সামনে এগিয়ে যাচ্ছিলো। আমার মনে হচ্ছিলো এই মিছিলটা গুলশান-১ এ না হয়ে চাঁনখারপুলের আশেপাশে হলে তাদের গলার স্বরের ওই তীব্রতাতেই জেলের তালা ভেঙ্গে চৌচির হয়ে যেতো।
যাই হোক, এভাবে প্রায় ৩০-৪০ সেকেন্ড মিছিল চলার পর হঠাৎ করে পুলিশের বাঁশির আওয়াজ শুনে মাত্র ১-২ সেকেন্ডের মধ্যে শ-পাঁচেক লোকের মিছিল হাওয়ায় মিলিয়ে গেলো।
কতক্ষণ পর দেখি যুবদলের লড়াকু যোদ্ধাদের জ্বালাময়ী পোস্টে ফেসবুক সয়লাব হয়ে গেলো “যুবদলের বিশাল বিক্ষোভ মিছিল পুলিশের হামলায় ছত্রভঙ্গ।” অন্য অনেকের সাথে আমিও ফেসবুকে লাইক এবং জ্বালাময়ী কমেন্ট করে বাকশালী হাসিনা এবং পুলিশের প্রতি চরম বিষোদগার করলাম, সেই সাথে ভবিষ্যতে কঠোর জবাব দেয়ার দীপ্ত শপথ নিলাম।
অথচ এই মহাবিশ্বের কেউ জানতেও পারলো না যুবদলের বিশাল মিছিল ছত্রভঙ্গ করে দেয়া ওই বাঁশি ছিলো গুলশান-১ গোলচত্বরের ডান পাশের বাণিজ্যিক ভবনের বয়স্ক সিকিউরিটি গার্ডের বাঁশি। ভবনের সামনে পার্ক করা রিকশাওলাদের বার বার সরে যাবার আদেশ দেয়ার পরও তারা সে আদেশ অমান্য করায় গার্ড বেচারা রাগে ক্ষোভে শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে বাঁশিতে ফুঁ দিয়েছিলেন। এবং এরপরের ফলাফল দেখে উনি নিজেই বিস্মিত হয়ে গেলেন। যদিও রাজপথের লড়াকু রিকশাওয়ালারা তখনও আগের জায়গাতেই ঠায় দাঁড়িয়েই ছিলো।
এমন সাহসের বাতিঘর হয়ে যেই যুবদল লীগের আমলে রাজপথ দখলে রেখে স্বৈরাচারী হাসিনারে উৎখাত করছে, ইদানীং সেই যুবদলের লড়াকু সৈনিকদের খুন-খারাবি, চাঁদাবাজি-তাফার্লিং দেখলে আমি বিগত দিনের কথা মনে কইরা আনমনে খালি হাসি আর হাসি।
এই জন্যই বোধ হয় গাঁও গেরামের প্রবাদে আছে,”বাঘ মরলে ছলিমুদ্দিও লাঠি মারে।"
Arif Ahmed