17/05/2026
তাইওয়ানের ন্যাশনাল হেলথ রিসার্চ ইনস্টিটিউটে প্রতি বছর দলে দলে ইন্ডিয়ান, ভিয়েতনামিজ, থাই, মালেশিয়ান, ইন্দোনেশিয়ান ছাত্রছাত্রী আসে। এখানকার রিসার্চ ফ্যাসিলিটি ওয়াল্ড ক্লাস। আমাদের দেশের ছাত্রছাত্রীদের জন্য খুব সম্ভাবনাময়।
বাংলাদেশের বায়োলজিক্যাল সায়েন্সের ছাত্র ছাত্রীরা, বিশেষ করে যারা এই ইনস্টিটিউটে মাস্টার্স/ পিএইচডি করতে ইচ্ছুক, তাদের জন্যে Thousand Scholars Initiative এর পক্ষ থেকে একটি ইনফরমেশন শেয়ারিংয়ের সেশন আয়োজন করবো। আমাদের সব আয়োজনের মতো এতেও কোনো রেজিস্ট্রেশন ফি নেই। তোমরা যারা ইচ্ছুক, আমার ইমেইলে তোমাদের ছোটো একটা সিভি পাঠাও। সিভি পাঠানোর শেষ সময় মে মাসের ৩০ তারিখ পযন্ত। শুধুমাত্র ২৫ জনকে প্রাথমিকভাবে সুযোগ দিবো।
ধন্যবাদ।
ইমেইল: [email protected]
#বদরুজ্জামান #বাংলাদেশ
24/03/2026
আগামীকাল ২৫ শে মার্চ বাংলাদেশ সময় রাত ৯ টায় আমরা আয়োজন করতে যাচ্ছি ড. মুবিনুর রহমান এর সাক্ষাৎকার। তার কাছে শুনুন প্রোটিনের গঠন ভিত্তিক ওষুধ আবিস্কারের গল্প
🔬 (২৫ মার্চ) ফিনল্যান্ডের বিজ্ঞানী ড. মুবিনুর রহমান এর কাছে শুনুন প্রোটিনের গঠন ভিত্তিক ওষুধ আব
ড. মুবিনুর রহমান প্রোটিনের গঠনভিত্তিক ওষুধ আবিষ্কার, কোলাজেন এনজাইম গবেষণা ও আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক ক্যারিয়ার ন.....
20/03/2026
Wishing you a blessed Eid.... Eid Mubarak 🎉
14/03/2026
দেশে নির্বাচনের বিরতির পর আজ আমরা অনলাইনে যুক্ত হয়েছি সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের Thousands Scholars Initiative ফিউচার কমিউনিটি মেম্বারদের সাথে। খুব শীঘ্রই আমাদের সংগঠন ওখানে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে।
(আপডেট)
14/03/2026
যাদের অনার্স বা মাস্টার্সের সিজিপিএ তেমন আশাব্যঞ্জক না, তারা কি স্কলারশিপ বা উচ্চশিক্ষায় সফল হতে পারবে?
আগের এক পর্বে বলেছিলাম (লিংক কমেন্টে দিয়েছি), স্কলারশিপ এবং বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সুযোগ পাওয়ার ক্ষেত্রে সিজিপিএ গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে সরকারি স্কলারশিপ এবং বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে এডমিশনের ক্ষেত্রে এটি সত্যি।
তবে প্রশ্ন হলো- যাদের রেজাল্ট খুব ভালো না, বা সহজ করে বললে, যাদের সিজিপিএ ৩.০ থেকে ৩.৫-এর মধ্যে, তাদের কি উচ্চশিক্ষার সুযোগ নেই?
এক্ষেত্রে আমার একটি মজার পর্যবেক্ষণ আছে। আমার দেখামতে, তুলনামূলক কম সিজিপিএধারী অনেক ছাত্রছাত্রী বিদেশের মাটিতে গিয়ে ভালো করে। শুরুতে তাদের কয়েক বছর বেশ স্ট্রাগল করতে হয়, এটা সত্যি। পড়াশোনার চাপ, নতুন বিষয় শেখার চাপ, আবার ফান্ডিং কম থাকলে লিভিং এক্সপেন্স সামলানোর চাপ।
তবে পজিটিভ দিক হলো-এই প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকতে গিয়ে তারা খুব পরিশ্রমী হয়ে যায়। ফলে এক-দেড় বছর পর দেখা যায়, এই গ্রুপে থাকা ছাত্রছাত্রীরা বেশ ভালো পারফর্ম করছে।
আমার পরিচিত একজন আছে- আন্ডারগ্র্যাজুয়েট লেভেলে টেনেটুনে পাশ করা ছাত্র। দেশে একটি কোম্পানিতে চাকরি করতো। পরে পরিচিত একজনের মাধ্যমে মোটিভেটেড হয়ে বিদেশে পিএইচডি করতে যায়। তারপর সেখান থেকে যায় যুক্তরাষ্ট্রে। কিছুদিন আগে শুনলাম, সে ইউএসতে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্যাকাল্টি মেম্বার হিসাবে জয়েন করেছে।
আবার এমন উদাহরণও আছে- খুব ভালো রেজাল্ট নিয়ে অনার্স শেষ করেছে। তারপর মাস্টার্সে পড়াকালীন সময়েই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে লেকচারার হিসেবে যোগ দিয়েছে। কিন্তু বিদেশে পিএইচডি করতে গিয়ে ছয় মাসের মধ্যেই দেশে ফিরে এসেছে! চাপ সামলাতে পারেনি।
(কাউকে ছোট করার জন্য বলছি না, বরং মোটিভেশন দেওয়াই উদ্দেশ্য।)
কারণটা খুব সহজ। আমাদের দেশে যেমন সিজিপিএ খুব বেশি গুরুত্ব পায়, উন্নত দেশগুলোতে ততটা না। ওখানে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় আউটপুটে। মাস্টার্স লেভেলে বিভিন্ন কোর্সওয়ার্ক থাকে, পাশাপাশি অ্যাডভান্সড রিসার্চে হাতেখড়ি হয়। আর পিএইচডি লেভেলে গভীরভাবে গবেষণায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ আসে। এখানেই আসল পার্থক্য।
বিদেশে আমাদের দেশ থেকে যারা যায়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাদের ফান্ডিং আসে প্রফেসরের বিভিন্ন প্রজেক্ট থেকে। তাই প্রফেসর এমন ছাত্র চান, যে তার প্রজেক্টে ভালো অবদান রাখতে পারবে। অনার্স বা মাস্টার্সের সিজিপিএ দেখে তার লাভ নাই!
তাহলে প্রফেসররা কী দেখে?
-পূর্বের গবেষণা অভিজ্ঞতা আছে কি না
-গবেষণায় মোটিভেটেড কি না
-গভীরভাবে যুক্ত হওয়ার প্যাশন আছে কি না
-গবেষণায় প্রয়োজনীয় টুলস বা সফটওয়্যার ব্যবহারে দক্ষ কি না
-ইতিমধ্যে কোনো রিসার্চ পেপার প্রকাশ করেছে কি না
সবশেষে কথা হলো-যাদের অনার্সে রেজাল্ট ভালো হয়নি, তাদের জন্য মাস্টার্সে ভালো করার সুযোগ আছে। আর যাদের মাস্টার্স শেষ, তাদের প্রতি পরামর্শ- রিসার্চ সম্পর্কিত বিভিন্ন টুলস ও স্কিল আয়ত্ত করো।
প্রফেসরকে অ্যাপ্রোচ করার সময় যেন তিনি বুঝতে পারেন- রিসার্চ এক্সপেরিয়েন্স কম হলেও, এই ছেলে বা মেয়েটির এডভান্সড রিসার্চ ফিল্ডে সম্ভাবনা খুবই বেশি!!
ড. বদরুজ্জামান খোকন
ভ্যাক্সিন সায়েন্টিস্ট, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ইনফেকশিয়াস ডিজিসেস এন্ড ভ্যাকসিনোলজি,
ন্যাশনাল হেলথ রিসার্চ ইনস্টিটিউট, তাইওয়ান
11/01/2026
🎓 Higher Study in Australia | Free Online Session 🇦🇺
Thousand Scholars Initiative is pleased to announce an informative online session on Higher Study in Australia, designed for students who are planning to pursue higher education abroad.
🗓 Date: 17 January 2026
⏰ Time: 8:00 – 9:00 PM (BD Time)
💻 Platform: Google Meet (Link will be provided later)
🎤 Speaker:
Mohammad Amjad Hossain
PhD Candidate, The University of Adelaide, South Australia
🔬 Research Focus: Molecular Immunology & Bone Biology
This session will cover: ✅ Opportunities for higher studies in Australia
✅ Scholarship and research pathways
✅ Real-life experience from an international PhD researcher
✅ Q&A with the speaker
📩 For more information:
📧 [email protected]
📘 Thousand Scholars Initiative
📢 Don’t miss this opportunity to get authentic guidance and insights!
(যারা এই সেশনে যুক্ত হতে আগ্রহী, তারা-
নাম:
ইউনিভার্সিটি:
সেশন/ইয়ার:
থাউজ্যান্ড স্কলারস ইনিশিয়েটিভের সাথে যুক্ত হতে চাও কিনা:
এই কয়েকটি তথ্য ইনবক্সে পাঠিয়ে দাও। ধন্যবাদ)