09/01/2020
১ম সমাবর্তন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদ, Education, 9-10, Chittaranjan Avenue, Dhaka.
09/01/2020
১ম সমাবর্তন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।
এই মাত্র পাওয়া****
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিট ২ এর রেজাল্ট প্রকাশিত হয়েছে।
লিংক:
06/10/2019
12/09/2019
"জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিট-৩ এর আসন বিন্যাস**
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ফাইনাল ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে আজ!
#পূর্ণাঙ্গ_সার্কুলার
👉আবেদন শুরু - ৫ আগষ্ট বিকাল ৪ টা থেকে।
👉আবেদন শেষ : ২৭ আগষ্ট রাত ১২ টা।
👉২০১৪ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত মাধ্যমিক পাশ এবং ২০১৯ সালে পাশকৃত উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার্থীরাই কেবল আবেদন করতে পারবে।
👉ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে আবেদনের যোগ্যতা :
👉ক ইউনিটে (বিজ্ঞান) ঃ এসএসসি এবং এইচএসসি তে আলাদাভাবে কমপক্ষে ৩.৫ করে টোটাল ৮.০০ পেলেই আবেদন করতে পারবে।
👉খ ইউনিটের(মানবিক) ঃ এসএসসি ও এইচএসসি তে আলাদাভাবে ৩.০০ করে টোটাল ৭.০০ পেতে হবে।
👉গ ইউনিটের (ব্যবসায় শিক্ষা)ঃ এসএসসি ও এইচএসসি তে আলাদাভাবে ৩.৫ করে টোটাল ৭.৫ পেতে হবে।
👉👉👉👉আর ঘ ইউনিটে আবেদনের ক্ষেত্রে নিজ নিজ ইউনিটের জিপিএ ই প্রযোজ্য হবে।
👉চ ইউনিটে আবেদনের ক্ষেত্রে মোট জিপিএ ৬.৫০ এবং আলাদাভাবে SSC ও HSC তে কমপক্ষে ৩.০০ করে থাকতে হবে৷
👉👉ঢাবিতে A, B এবং C ইউনিটে আবেদন করার জন্য সাব্জেক্ট ভিত্তিক কোন শর্ত নেই। তবে ডি ইউনিটের ক্ষেত্রে HSC তে ইংরেজিতে বা কোনো সাবজেক্ট এ B গ্রেডের নিচে থাকলে আবেদন করা যাবে না।
👉ঢাবিতে MCQ ৭৫ নাম্বার, রিটেন ৪৫ নাম্বার। মোট ১২০ নাম্বারের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
👉দেড় ঘণ্টায় ভর্তি পরীক্ষায় এমসিকিউ অংশের ৭৫ নম্বর এবং লিখিত ৪৫ নম্বরের উত্তর করতে হবে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের। মোট ১২০ নাম্বারের ভর্তি পরীক্ষা।
👉প্রতি ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষার সময় হবে দেড় ঘণ্টা। এমসিকিউ অংশে ৬০ প্রশ্নের জন্য সময় ৫০ মিনিট। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১.২৫। সর্বমোট ৭৫। পাস মার্ক ৩০। আর লিখিত অংশে সময় ৪০ মিনিট। পাস মার্ক ১২।
👉👉👉এমসিকিউ পরীক্ষায় ৩০ নম্বর পেলে লিখিত পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করা হবে। কেউ যদি এমসিকিউ অংশে পাস মার্কের বেশি পাওয়ার পরও লিখিত পরীক্ষায় ১২ নম্বরের কম পায় তাহলে সে ভর্তির অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।
👉ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে B এবং D ইউনিটের লিখিত প্রশ্ন আসবে বাংলা ও ইংরেজি থেকে। লিখিত অংশের জন্য বাংলা ও ইংরেজির বোর্ড বই পড়তে হবে। আর হ্যা রিটেন অংশে সাধারণ জ্ঞান থেকে কোন প্রশ্ন আসবেনা।
👉👉👉মোট ১২০ নম্বরের পরীক্ষার সঙ্গে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার জিপিএ যোগ করে সর্বমোট ২০০ নম্বরের ভিত্তিতে ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অর্থাৎ জিপিএতে থাকবে ৮০ নাম্বার৷ এসএসসি রেজাল্ট কে গুণ করবে ৬ দিয়ে। HSC রেজাল্ট কে গুণ করবে ১০ দিয়ে।
👉👉👉সকল ইউনিটের পরীক্ষা শুরু হবে সকাল ১০ টায়, শেষ হবে ১১:৩০ টায়।
ক ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২০ সেপ্টেম্বর।
খ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২১ সেপ্টেম্বর।
গ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ১৩ সেপ্টেম্বর।
ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২৭ সেপ্টেম্বর।
এছাড়া চ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা (সাধারণ জ্ঞান - ৫০ নাম্বার ) ১৪ সেপ্টেম্বর এবং ২৮ সেপ্টেম্বর (অংকন - ৭০ নাম্বার ) অনুষ্ঠিত হবে।
👉প্রতিবন্ধী কোটার ক্ষেত্রে দৃষ্টি বাক-শ্রবণ ও শারীরিক প্রতিবন্ধী বিষয়টি যুক্ত করা হয়েছে।
👉👉👉ভর্তি পরীক্ষার ফরমের মূল্য প্রতি ইউনিটে ৪৫০ টাকা।
😐 বি.দ্র: ভর্তি পরীক্ষায় মোবাইল, ক্যালকুলেটর সহ সকল ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহন নিষিদ্ধ।
☺সূত্র
প্রথম আলো, পেইজ ১৪ ( ১ আগষ্ট ২০১৯)
যুগান্তর, পেইজ ১৫ ( ১ আগষ্ট ২০১৯)
ও বাংলাদেশ প্রতিদিন।
02/08/2019
#জবি ভর্তি নোটিশ
23/07/2019
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা এবং আবেদনের তারিখ।
#আমিরুল_লাবু
SSC ও HSC-তে কত পয়েন্ট থাকলে
কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দেয়া যাবে-
► ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
→ Arts = 7.00
→ Commerce = 7.50
→ Science =8.00
► জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
→ Arts = 7.50
→ Commerce = 8.50
→ Science = 8.50
► জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
→ Arts = 6.00 - 8.50
→ Commerce = 6.00 - 8.50
→ Science = 7.00 - 8.50
★জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে Unit-এর উপর
GPA পরিবর্তন হয়।
► রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
→ Arts = 7.00
→ Commerce = 7.50
→ Science = 8.00
► চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
→ Arts = 5.25 - 6.75
→ Commerce = 5.25 - 6.75
→ Science = 5.25 - 6.75
★চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে Unit ভিত্তিক GPA গননা করা হয়।
► বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
→ Arts = 6.00
→ Commerce = 6.50
→ Science = 7.00
► ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
→ Arts = 6.50
→ Commerce = 6.75
→ Science =7.00 - 7.50
► কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
→ Arts = 6.50
→ Commerce = 7.00
→ Science = 7.00
► জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়
→ Arts = 6.00 - 6.50
→ Commerce = 6.50
→ Science = 6.50 - 7.00
★জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে
Unit ভিত্তিক GPA গননা করা হয়।
► বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
→ Arts = 6.50 - 7.00
→ Commerce = 6.50 - 7.50
→ Science = 6.50 - 7.50
★বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে Unit ভিত্তিক
GPA গননা করা হয়।
► খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
→ Arts = 7.00 - 8.00
→ Commerce = 7.00 - 8.00
→ Science = 7.00 - 8.00
★খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে Unit ভিত্তিক GPA গননা করা
হয়।
► সরকারী মেডিকেল
SSC and HSC = 9.00
► বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (BUET)
SSC and HSC = 10.00
★তবে আবেদনকারীদের মধ্যে SSC ও HSC এর GPA এর ভিত্তিতে সর্বমোট ৮৫০০ জনকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ প্রদান করা হবে।
► SUST A ইউনিটে আবেদন করার জন্য এইচ এস
সি/সমমান ও এস
এস সি / সমমান উভয় পরীক্ষাতে নুন্যতম জিপিএ ৩
সহ মোট ৬.৫
পেতে হবে
~B ইউনিটে আবেদন করার জন্য এইচ এস সি /
সমমান ও এস এস সি
পরীক্ষাতে নুন্যতম জিপিএ ৩ সহ মোট ৭ থাকতে
হবে।
সংগৃহীত
12/07/2019
কেমন হবে নতুন নিয়মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা?
২০১৮ সালের ভর্তি পরীক্ষা নোটিশে বলে দেয়া হয় ২০১৯ সাল থেকে বহু নির্বাচনী প্রশ্নের পাশাপাশি লিখিত প্রশ্নও থাকবে। অর্থাৎ কেবল বহু নির্বাচনী প্রশ্নের উপর ভিত্তি করে পরীক্ষা না নিয়ে, এবার বহু নির্বাচনীর পাশাপাশি উত্তর করতে হবে লিখিত প্রশ্নের। কীভাবে হবে এই পরীক্ষার প্রশ্নের মানবন্টন? বহু নির্বাচনী ও লিখিত পরীক্ষার জন্য আলাদা আলাদা সময় কীভাবে ভাগ করা হবে? জেনে নেয়া যাক সেই সকল তথ্য।
নতুন ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতির মান বন্টন:
প্রথমেই জেনে নেয়া যাক মান বন্টনের ব্যাপারে। পূর্বের নিয়ম অনুযায়ী মোট ২০০ নম্বরের পরীক্ষায় ১২০ নম্বর আসতো সরাসরি ভর্তি পরীক্ষা থেকে এবং বাকি ৮০ নম্বর আসতো পরীক্ষার্থীর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা এর সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ থেকে। এবার নতুন নিয়মেও মোট নম্বর ২০০ থাকলেও পরিবর্তন হয়েছে নম্বর বিভাজন। ২০০ নম্বরের মধ্যে ১০০ নম্বর আসবে পরীক্ষার্থীর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা এর সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ থেকে এবং বাকি ১০০ নম্বর আসবে ভর্তি পরীক্ষায় বহু নির্বাচনী এবং লিখিত পরীক্ষা থেকে।
মাধ্যমিক বা এর সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-কে গুণ করা হবে ৮ দিয়ে এবং উচ্চ মাধ্যমিক বা এর সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-কে গুণ করা হবে ১২ দিয়ে।
যদি তুমি মাধ্যমিকে জিপিএ ৫.০০ পাও, তাহলে এখান থেকে তুমি পাবে ৫*৮ = ৪০ নম্বর। যদি তুমি উচ্চ মাধ্যমিকে জিপিএ ৫.০০ পাও, তাহলে তুমি পাবে ৫*১২ = ৬০ নম্বর। এভাবে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক বা এর সমমানের পরীক্ষার জিপিএ মিলিয়ে তুমি পাবে ৪০+৬০ = ১০০ নম্বর।
মূল ভর্তি পরীক্ষা ও এর মানবন্টন:
এবার নজর দেয়া যাক মূল পরীক্ষার মান বন্টনের দিকে।
১০০ নম্বরের পরীক্ষায় ৬০ নম্বর আসবে বহু নির্বাচনী প্রশ্নের উত্তর থেকে এবং ৪০ নম্বর আসবে লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নের উত্তর থেকে।
৬০ নম্বরের বহু নির্বাচনী অংশে মোটি কয়টি প্রশ্ন হবে এবং প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক উত্তরের জন্য কতো মার্ক্স যোগ হবে ও প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য কতো মার্ক্স করে কাটা যাবে, তার উত্তর পেয়ে যাবে ভর্তি পরীক্ষার সার্কুলার প্রকাশিত হবার পর।
সেই সাথে ৪০ নম্বরের লিখত পরীক্ষায় কয়টি প্রশ্ন থাকবে সেটির উত্তরও পাবে তোমরা সার্কুলার থেকে।
তবে এখানে বলে রাখা ভালো, লিখিত পরীক্ষায় বড় আকারে উত্তর করতে হয় এমন কোনো প্রশ্ন থাকবে না। সংক্ষিপ্ত আকারে উত্তর দেয়া যায় এমন প্রশ্ন সেখানে করা হবে।
সময় বন্টন:
সময় বন্টনের ক্ষেত্রে আগের মতোই ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট রাখা হয়েছে। তবে এবার যেহেতু দুই ভাগে পরীক্ষা হবে, তাই সময়ের হিসাবে থাকছে কিছু ভিন্নতা।
বহু নির্বাচনী পরীক্ষার জন্য সময় রাখা হয়েছে ৪০ মিনিট। অর্থাৎ ৪০ মিনিট সময়ের মাঝে তোমার ৬০ নম্বরের বহু নির্বাচনী দাগাতে হবে।
আর লিখিত পরীক্ষার জন্য বরাদ্দ রয়েছে ৫০ মিনিট। লিখিত পরীক্ষার জন্য আলাদা কোনো উত্তরপত্র দেয়া হবে না। প্রশ্নের মাঝেই উত্তর লেখার জায়গা থাকবে।
অর্থাৎ প্রশ্ন থাকবে সকল সংক্ষিপ্ত উত্তরের জন্য। বহু নির্বাচনী এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য আলাদা আলাদা উত্তরপত্র সরবরাহ করা হবে। একটি পরীক্ষা শেষ হলে, তার উত্তরপত্র সংগ্রহ করে পরবর্তী পরীক্ষার জন্য প্রশ্ন ও উত্তরপত্র দেয়া হবে। তবে বহু নির্বাচনী পরীক্ষা আগে হবে নাকি লিখিত পরীক্ষা আগে হবে সেটি জানা যাবে ভর্তি পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ সার্কুলার প্রকাশের পর।
ইউনিটকথন:
প্রতিবারের মতো এবারো ৫টি ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ক-ইউনিটে সকল বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিবে। মানবিক বিভাগে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিবে খ-ইউনিটে এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিবে গ-ইউনিটে। ঘ-ইউনিট হলো বিভাগ পরিবর্তনের জন্য। তুমি যদি নিজের বিভাগ বদল করতে চাও, তাহলে এই ইউনিটে পরীক্ষা দিতে পারো। তবে এর জন্য রয়েছে কিছু নীতিমালা যা ভর্তির সার্কুলার থেকে দেখে নিতে হবে।
আর সর্বশেষ চ-ইউনিটে পরীক্ষা দিতে পারো যদি চারুকলা অনুষদে পড়ার ইচ্ছা থাকে। ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে হবে http://admission.eis.du.ac.bd/ এই ওয়েবসাইট থেকে। ভর্তি আবেদনের কার্যক্রম শুরু হলেই এই সাইটটি খুলে দেয়া হবে। এখানেই ভর্তি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য তোমরা পেয়ে যাবে।
অনলাইনে কাঙ্ক্ষিত ইউনিটে আবেদনের পর টাকা জমা দিতে হবে সোনালি ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, অগ্রনী ব্যাংক এবং জনতা ব্যাংকের যেকোনো একটিতে। ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৫০/= টাকা। অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হবে ৫ আগস্ট থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত এবং আবেদন ফি জমা দেয়ার শেষ দিন ২৮ আগস্ট। আর ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ৫টি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
১৩ সেপ্টেম্বর – গ-ইউনিট
১৪ সেপ্টেম্বর – চ-ইউনিট (সাধারণ জ্ঞান অংশ)
২০ সেপ্টেম্বর – ক-ইউনিট
২১ সেপ্টেম্বর – খ-ইউনিট
২৭ সেপ্টেম্বর – ঘ-ইউনিট
২৮ সেপ্টেম্বর – চ-ইউনিট (অঙ্কন অংশ)
সময় মেনে ঠিকঠাক প্রস্তুতি নিলে অবশ্যই স্বপ্নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অংশ হতে পারবে তুমি। মনে রাখবে, স্বপ্নের কখনও মৃত্যু হয় না।
(তথ্যসূত্র – দৈনিক প্রথম আলো)
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় Website for Online Admission in University of Dhaka for 2018. Applicants can Apply, download pay-in slip, download admit card, view their seat plan and exam results from this site. All the notices regarding the admission procedure will be posted in this site accordingly.