রাজনীতির শিক্ষার্থীদের কাজ রাজনৈতিক ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ বিশ্লেষন করে সমস্যার সমাধান করায় মনযোগ দেওয়া। কোন নির্দিষ্ট দলের চামচামি করা না। হ্যা সবার ই পছন্দের দল বা নেতা থাকবে। তবে যখন আমি রাজনৈতিক বিশ্লেষক তখন আমার কোন পছন্দ অপছন্দ নেই। আমি শুধু সত্য- মিথ্যা এবং ভালো - মন্দের পার্থক্য করব। এটাকে পেশাদারিত্ব বলে।
সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর এই বক্তব্যটি কীভাবে দেখেন ?
#মহিবুল_হাসান_চৌধুরী
#সাবেকশিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী
#আওয়ামীলীগ
#১৯জানুয়ারি২০২৬
#বাংলাদেশেররাজনীতি
Govt.Titumir College Dept.of Political Science
আমরা রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দ।
এই পেজটি শৃুধু মজা করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত। কখনও কখনও জ্ঞান বিতরণ ও করা যেতে পারে। তবে অবশ্যই যেসব বিষয় স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিখায় না। সেসব বিষয়ে জ্ঞান বিতরণ করা করতে হবে।
14/01/2026
যেসব কারণে আমি তাসনিম জারাকে বিশ্বাসযোগ্য মনে করি না-
১. তাসনিম জারা অনেকদিন ধরে আলোচনায় আসতে চাইছেন। ২০১৬'র ডিসেম্বরে উনার বিয়ে হয়। ২০১৭ র শেষ পর্যন্ত তীব্র জনসং্যোগ করে প্রচুর বিদেশী মিডিয়ায় উনার সাজ আর গয়না ছাড়া ছবি নিউজ হয়। এর মধ্যে হিন্দুস্তান টাইমস ছিল। এতে উনার যা খরচ হয়েছে। গয়না পরলে তার থেকে কম হতো।
এভাবে আলোচনায় থাকার চেষ্টা আমার কোনোদিন পছন্দ হয়নি। উনি অনেক আগে থেকেই আমি যা করি তাই সেরা প্রমাণে মরিয়া।
২. তাসনিম জারাকে আমরা কোনো নারীবাদের আলোচনায় বা আন্দোলনে পাই নাই। তাসনিম জারা একজন ভিকি। কোন ভিকি ২০১১ সালের ধর্ষক পরিমল কেসে সোচ্চার হয়নি আমার জানা নেই। শেখ হাসিনার কলিজায় পাড়া দিয়ে ভিকিরা প্রিন্সিপাল হোসনে আরাকে বিদায় করেছিল। এই আন্দোলনে তাসনীম জারা নিখোজ।
আমাদের বাড়িতে পুলিশ এসেছে। সাংবাদিক মুন্নি সাহা টক শো করেছেন, কোন ভদ্র ঘরের মেয়েরা এভাবে পথ আটকে আন্দোলন করে! আমরা করি! আমরা যারা অন্যায়কে অন্যায় বলতে পারি। তাসনিম জারা পারে না ।
৩. ২০১৭ সালে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন সংশোধন করে শিশু বিবাহের জন্য একটা ধারা যুক্ত করে আইন শিথিল করা হয়। সে বছর জারা ব্যস্ত ছিলেন তার মেকআপ ছাড়া বিয়ের ছবি দেশি বিদেশি মিডিয়ার প্রচারে।
দেশের অন্য নারীদের কী হয় এতে তার কিচ্ছুই যায় আসে না।
৪. ২০১৮ সালে নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাস্তায় নামা ছাত্রদের ছাত্রলীগের হেলমেট বাহিনী নির্মমভাবে পেটায়- জারার টিকিও দেখা যায়নি।
৫. ২০২০ সালে জারা আবার ফিরে আসে স্বাস্থয বিষয়ক কনটেন্ট নিয়ে।
৬. ২০২৪ সালে আন্দোলন পরবর্তী পূর্ববর্তী সময়ে নারীদের প্রচুর অবমাননা অনলাইনে অফলাইনে হয়েছে, জারার কোনো সংযোগ সেখানে ছিল না। সে শুধু সময়মতো এনসিপি জয়েন করেছে।
জারা যখন এনসিপি জয়েন করে তখনও এনসিপি এই ভেক ধরে ছিল তারা নিরপেক্ষ। পরে এনসিপি জামাতে জয়েন করে। এনসিপির নেতারা সব সময় জানত তাদের কেবলা কই। জারাও জানত।
যারা যদি বাই এনি চান্স এটা না জেনে থাকেন তবে জারার বোঝার সক্ষমতা আক্কেল বুদ্ধি হয়নি জনপ্রতিনিধি হওয়ার।
৭. জারা যখন এনসিপি জয়েন করেন তার স্বামী খালেদ সাইফুল্লাও এনসিপি জয়েন করেন। এর আগে দুইজনই ইউকে-টি ছিলেন বলে জানা যায়। এরপর জারা 'ভাইয়া আমি কারণ বলতে চাচ্ছি না' বলে স্বতন্ত্র হয়ে যান।
উনি কোন কারণে কোন আদর্শে এনসিপি জয়েন করেন আর কেনই বা ত্যাগ করেন এটা কোনোদিন উনি ব্যাখ্যা করেন নাই। এটা একটা জন প্রতিনিধির আচরণ না। একজন জনপ্রতিনিধিকে নিজের কাজ জনগণের কাছে ব্যাখা করতে হয়। একে জবাবদিহিতা বলে।
জারা জবাবদিহিতার বিষয়টা সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করেন। জনগণের সঙ্গে এটা একটা উদ্ধত আচরণ বৈকি!
৮. জারার স্বামী জারার সঙ্গেও ছায়ার মতো আছে। জারার কর্মীদের নির্দেশ দিচ্ছেন। তার সঙ্গে নির্বাচন কমিশনে দৌড়াচ্ছেন। খালেদ জারা পদত্যাগ করার পরেও জামাতে ছিলেন। এরপর সেও কোনো কারণ না দেখিয়ে পদত্যাগ করেন।
যথারীতি তাদের অবস্থান অজানাই থেকে যায়।
৯. আমরা জারার বাবার নাম কোনোদিন শুনি নাই। কার বাবার নাম লুকাতে হয় আর কেন লুকাতে হয় এটা একটা চিন্তার বিষয় বই কি।
আমি খুবই শুনতে আগ্রহী যারা জারাকে সাপোর্ট করছেন, কেন করছেন?
আপনার কাছে যুক্তি থাকলে আমাকে সেই যুক্তি দিয়ে বোঝান। ব্যক্তিগত আক্রমণ করলে আমি বুঝতে পারব আপনার কাছে যুক্তি নাই। সেক্ষেত্রে আলাদা করে বলা লাগবে না যুক্তি যে নাই।
লেখা: মাকসুদা আজিজ
08/01/2026
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই বিষয়ে আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামত জানতে চাই।
ক) নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে।
খ) নির্বাচন সুষ্ঠু হলেও গ্রহনযোগ্য হবে না।
গ) নির্বাচনই হবে সুষ্ঠু আর অনিয়ম কিছু যায় আসে না।
ঘ) নতুন করে তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।
মির্জাগালিব একদিন তিনি মসজিদে বসে মদ্যপান করছিলেন। মুসুল্লিরা তাতে বাধা দিয়ে বললেন এটা আল্লার জায়গা। এখানে মদ খাওয়া বারণ। অন্যখানে গিয়ে পান করুন। তখন গালিব মুসল্লিদের দিকে তাকিয়ে আরেক চুমুক দিয়ে বলেছিলেন..
‘শরাব পিনে দে মসজিদ ম্যা ব্যায়ঠ কার, ইয়া ও জাগা বাতা যাঁহা খুদা নেহি’
(মসজিদে বসে মদ পান করতে দাও, অথবা বলো এমন একটা জায়গা যেটা আল্লাহর নয় )
উপস্থিত মুসল্লিরা তার কথায় নিরুত্তর হয়ে গেলেন । ভাবলেন সত্যিই তো এমন কোন জায়গা পাওয়া কি সম্ভব যেটা আল্লাহর নয়।
গালিবের মৃত্যুর ৮ বছর পর ১৮৭৭ সালে পাঞ্জাবে শিয়ালকোটে জন্ম নেয় আল্লামা ইকবাল। ধীরে ধীরে তিনি উর্দূ ভাষার আরেক বিখ্যাত কবি ও দার্শনিক হয়ে ওঠেন। গালিব পৃথিবী থেকে বিদায় নেবার অনেক বছর পর তার সেই বিখ্যাত শেরের উত্তর দেন আল্লামা ইকবাল।
‘ ইয়া গালিব, মসজিদ খুদা কা ঘর হ্যায় পিনে কি জাগা নেহি , কাফির কে দিলমে যা ওঁয়াহা খুদা নেহি’
(হে গালিব, মসজিদ আল্লার ঘর, মদ খাবার জায়গা নয় , কাফিরের মনে যাও ওখানে আল্লাহ নাই’)
ইকবালের মৃত্যুর ছয় বছর আগে ১৯৩১ সালে জন্ম নেয় আরেক উর্দূ ভাষার কবি সৈয়দ আহমেদ শাহ। সবাই তাকে চেনে আহমদ ফারাজ নামে। এবার ফারাজ ইকবালের শের এর উত্তর দিলেন এই্ভাবে
‘কাফির কে দিল সে আয়া হু দেখ কার, খুদা মুওজুদ হ্যা ওঁয়াহা উসসে পাতা নেহি’
(কাফেরের মন থেকে ঘুরে এসেছি, দেখেছি ওখানেও আল্লাহ আছেন, কিন্তু তা সে জানেই না)
অনেক বছর পর আরেক উর্দূ কবি ওয়াসি এবারে ফারাজের শের এর উত্তর দিলেন..
‘খুদা তো মুওজুদ দুনিয়া মে হার জাগা, তু জান্নাত মে যা ওঁয়াহা পিনে সে মানা নেহি‘
(আল্লাহ তো দুনিয়ার সব জায়গায় আছে, তুমি বেহেস্তে যাও ওখানে পান করা মানা নাই)
এর অনেক কয়েক বছর পর ওয়াসির কবিতার উত্তর দেন সাকি ফারুকী। বেহেস্তে গিয়ে সুরা পান করার ইচ্ছে তার নাই। সাকি মারা যান ২০১৮ সালে। তিনি উত্তর দেন.
‘পীতা হু সাকি গাম-এ-দুনিয়া ভুলানে কে লিয়ে, জান্নাত মে কৌন সা গাম হ্যায়, ইস লিয়ে ওঁয়াহা মাজা নেহি’
(পানতো করি দুনিয়ার দু;খ কষ্ট ভুলে থাকার জন্য, বেহেস্তে কোন দু;খ নাই, এজন্য ওখানে পান করে কোন মজা নাই’)
কবিতার একটি লাইন কয়েকশ বছর ধরে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে প্রকাশিত হয়ে চলছে। এটা শিল্পের অন্যন্য সুন্দর এক দৃষ্টান্ত। সামনে হয়ত নতুন কোন কবি পরের উত্তরটি নিয়ে হাজির হবেন। সেই দিন পর্যন্ত অপেক্ষা।
মির্জা গালিব ছিলেন উর্দূ ভাষার সবচেয়ে প্রভাবশালী একজন কবি। তার জন্ম হয়েছিল ১৭৯৭ সালে মুঘল সম্রাজ্যের আগ্রায় । তিনি ছিলেন মুঘল রাজ দরবারের কবি। মাত্র ২৩৪ টি গীতিকবিতা লিখেছিলেন তিনি। আর তাতেই গালিব হয়ে ওঠেন উর্দূ কবিতার অধীশ্বর।
শুধু উপমহাদেশে নয় সারা বিশ্বে ছড়িয়েছে তার প্রতিভা। অনেকে বলে থাকেন কাব্য যদি ‘ধর্ম’ হয় তাহলে গালিবকে না বোঝা মানে ‘কাফের’ হওয়া।
মোঘলদের ক্ষমতা শেষের সময়টুকু ছিল উর্দূ কাব্যে শ্রেষ্ঠ যুগ। কারন এই সময় গালিব লিখছিলেন তার প্রিয় পঙতিগুলো । ৭২ বছর বয়সে অনেক আর্থিক কষ্টের মধ্যে দিয়েই মারা যান এই কবি। মৃত্যুর পর তার জনপ্রিয়তা আরো ছড়িয়ে পড়তে থাকে বিশ্বময়।
(সংগ্রহীত)
আজ সেই মহান দার্শনিক মির্জা গালিবের জন্মদিবস,
শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি সেই দার্শনিককে ll
26/12/2025
https://gemiini.org?ref=sayed39
On-Demand Therapy for Special Needs Individuals | Gemiini Systems Gemiini is an online program that aims to develop the speech, language, reading, life, and social skills of people with and without exceptionalities. Learn more here.
12/12/2025
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়েছে।
নির্বাচন সম্পর্কে কার কী মতামত এখানে লিখতে পারেন।
#জাতীয়নিবাচন
#১২ফেব্রুয়ারি২০২৬
#নির্বাচন
আগামীকাল নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা করবে নির্বাচন কমিশন। আগামী নির্বাচন নিয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের চিন্তা ভাবনা কী ?
তিতুমীর বিশ্ববিদ্যালয় কী হবে না ?
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নামক অভিশপ্ত প্রতিষ্ঠান থেকে মুক্ত হয়ে। সেন্ট্রাল নামক আরেক অভিশপ্ত প্রতিষ্ঠানেই তিতুমীরের ভাগ্য ঘুরপাক খাচ্ছে।
তিতুমীর বিশ্ববিদ্যালয় কী হবে না ?
29/10/2025
Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! নাজমুন নিসা, Khadija Akter
I gained 8,813 followers, created 5 posts and received 6 reactions in the past 90 days! Thank you all for your continued support. I could not have done it without you. 🙏🤗🎉
10/08/2025
In 1971, the world watched as the USA, China, and Pakistan stood against the USSR, India, and Bangladesh — a clash that reshaped South Asia.
Now, in 2025, a new board is set: the USA, Pakistan, and a hypothetical “East Pakistan” (Dr Yunus’s faction) face off against Russia, India, and Bangladesh (AL faction).
The air is tense. Alliances are shifting. All eyes turn to Beijing — for China’s choice may decide not just the winner of this contest, but the balance of power in the region for decades to come 🏆.
Click here to claim your Sponsored Listing.