Muslim Doctor

Muslim Doctor

Share

Anyone interested in learning the teachings of Islam & Medical Science are welcome here

16/05/2026

কিছু বলার নাই

20/04/2026

নার্ভ শক্ত না হলে মেডিকেলে পড়ারই দরকার নাই । বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মাত্র ১ বর্ষে ভর্তি হওয়া স্টুডেন্ট এরও কয়েকটা ব‍্যাপার জানা উচিৎ ।

একজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কারা ????

ধরুন আপনি ব্যাস্ত একজন প্র্যাকটিশানার । প্রতি ১০/১৫ মিনিট পর পর আপনার সামনে একটা নতুন মানুষ , নতুন এটেন্ডেন্ট , নতুন হিস্ট্রি , নতুন সাইকোলজি ।
চেয়ারে বসা আপনার মাথায় হাজারটা রোগের নাম ঘুরপাক খাচ্ছে । কিন্তু বাইরে আপনার কিছু শত্রু আছে -
১. সাংবাদিক
২. ঔষধ প্রতিনিধি
( বিশেষ করে যাদের ঔষধ লিখবেন না )
৩. আপনার কলিগ
( যখন তার রোগী এবং সুনাম আপনার চেয়ে কম )
৪. দালালরা
( যখনই তাদের রোগীর টেস্ট কম হবে যদি আপনি অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা না দেন )
৫ ঔষধের দোকানদার ,
এরা কারনে অকারনেই প্রসক্রিপশানের সমালোচনা করবে । ঔষধ বদলে দেবে ।
৬ . ভুয়া ডাক্তার
- এরা নিজেকে আপনার সমগোত্রীয় ভাবে ।
৮. রোগী নিজেও
ভিজিট দিয়ে অপেক্ষা করে রোগী আপনার সামনে এসেছে ।
৯. রোগীর লোক ,
পুরো সময় এরা আপনাকে অবজার্ভ করবে ।
১০. ক্লিনিক বা ডায়াগনোস্টিকের নন মেডিকেল কর্মচারীরাও ।
এদের কাজ আপনাকে জাস্টিফাই করা - কখনো পজেটিভ কখনো নেগেটিভ ।
১১. আম জনতা , ফেসবুকীয় বিপ্লবীগন ।
একবার যদি ছোট একটা ভুল পায় ... লাইভ ... তারপরই আপনাকে কোরবানী করে ভাইরাল , সেলিব্রেটি ।
১২. এলাকার আগাছা , পরগাছা , ডাল পালা , শাখা প্রশাখা , পাতি নেতা , উপরী নেতা , সহমত ভাই গ্রুপ , সহমত বইন গ্রুপ সবাই ।

১৩. বিনে পয়সায় পরামর্শ নেয়া পরিচিত অপরিচিত আত্মীয় , অনাত্মীয় সব ।

১৪. প্রশাসন

এতগুলো শত্রু মাথায় নিয়ে , বিনা নিরাপত্তায় চেম্বারে প্রতি ১০/২০ মিনিট পর পর নতুন সিনারিও , সমস্যা , সাইকোলজি , প্যাথলজি ডিল করে ডায়াগনোসিস, ট্রিটমেনেট , কাউনসেলিং ,ফলো আপ করে যাওটা মুখের কথা না ।

ভবিষ্যৎটা অনেক কম্পিটিটিভ এবং কঠিন । পাশ করা যেমন কঠিন তার চেয়েও কঠিন ফিল্ড তৈরি করা । আর সবচেয়ে কঠিন সেই ফিল্ড ধরে রাখা ।

পুরো জার্নিতে হতাশা হয়তো আপনার নিত‍্য দিনের সঙ্গী ... আছে ব‍্যাক্তিগত জীবন , আছে পারিবারিক দায়িত্ব ।

এই চ‍্যালেন্জ নিতে না পারলে মেডিকেলে ভর্তি হওয়ার দরকার নাই ।

- Dr Mustafizur Rahman

25/03/2026

নারীরা ক্যারিয়ারের মই বেয়ে যত উপরে ওঠে, তাদের রিয়েল লাইফ ডেটিং পুল বা অপশন তত ছোট হতে থাকে।

ফেমিনিস্টরা বা মডার্ন নারীরা নিজেদের একটা মিথ্যা সান্ত্বনা দেয়। তারা বলে, "পুরুষরা আসলে আমার সাকসেস দেখে ভয় পায়, ইন্টিমিডেটেড হয়।"

ভুল! ডাহা মিথ্যা কথা। এটা জাস্ট ওদের ইগো স্যাটিসফ্যাকশনের জন্য বানানো একটান্যারেটিভ। সত্যটা অনেক বেশি সিম্পল এবং ব্রুটাল।

নারীর স্ট্যাটাস, স্যালারি আর টাইটেল যত বাড়ে, তার স্ট্যান্ডার্ডও রকেটের গতিতে বাড়ে। হাইপারগ্যামি বা নারীমনস্তত্ত্ব অনুযায়ী, নারী সবসময় এমন কাউকে চায় যার দিকে সে Look Up করতে পারে। মানে যার স্ট্যাটাস, প্রেজেন্স, ইনকাম এবং লিডারশিপ কোয়ালিটি তার চেয়ে বেশি।

ফলে সে যখন জবে প্রমোশন পায়, তখন অটোমেটিক্যালি তার উপরের লেভেলের পুরুষের সংখ্যা কমতে থাকে। সে যদি তার চেয়ে বেশি ইনকাম করা পুরুষ খোঁজে, সে অলরেডি টপ ২০% পুরুষের পেছনে ছুটছে। বাকি ৮০% পুরুষ তার রাডারেই নাই, তারা অদৃশ্য। এর সাথে যোগ করুন হাইট, কনফিডেন্স, লুকস। ব্যাস! তার অপশন প্র্যাকটিক্যালি জিরো হয়ে যায়।

ধরে নিলাম সে অনেক খুঁজে একটা রেয়ার 'হাই ভ্যালু' পুরুষ পেল। কিন্তু রিলেশনশিপটা টেকে না। কেন জানেন?

কারণ ওই হাই ভ্যালু পুরুষের হাতে অপশন অঢেল। সে কেন একজন "কর্পোরেট বস" নারীকে চুজ করবে? নারীরা এটা ফেস করতে চায় না যে, হাই ভ্যালু পুরুষরা সচেতনভাবেই ক্যারিয়ার ওম্যানদের এড়িয়ে চলে। কারণটা ইনসিকিউরিটি না, কারণটা হলো এনার্জি।

কর্পোরেট ওয়ার্ল্ডে টিকে থাকতে হলে একজন নারীকে সারাদিন ম্যাসকুলিন মোডে থাকতে হয় - ডিরেক্ট, এসারটিভ, কম্পিটিটিভ, অলওয়েজ গেম অন। এই মোডটাই তার আইডেন্টিটি হয়ে যায়। সে বাসায় ফিরেও সেই মোড অফ করতে পারে না।

অথচ পুরুষ দিনশেষে কী চায়? সফট, রিসেপ্টিভ, ফেমিনিন এনার্জি। যে নারী তার লিডারশিপের সাথে পাল্লা দেবে না, বরং সেটাকে ন্যাচারালি রিসিভ করবে। স্ট্রং ম্যাসকুলিন পুরুষের দরকার সফট, নার্চারিং নারী। Polarity থাকতে হবে ভাই। প্লাসে-প্লাসে কারেন্ট ফ্লো হয় না। পুরুষরা ইয়াং মেয়েদের চুজ করে কারণ তাদের মধ্যে ওই ন্যাচারাল স্পার্কটা থাকে, যেটা কর্পোরেট গ্রাইন্ডে নষ্ট হয়নি।

তাহলে এরপর কী ঘটে?

ক্যারিয়ার ওম্যান তখন হেড দিয়ে ডিসিশন নেয়, হার্ট দিয়ে না। সে সেটেল করে। বিয়ে করে কোনো এক 'সেফ', 'ইজি গোয়িং', 'নাইস গাই' বা সোজা কথায় 'সিম্প' টাইপ পুরুষকে, যাকে সে সহজেই ম্যানেজ করতে পারবে।

শুরুতে সব শান্ত মনে হয়, ঝগড়া নেই। কিন্তু কয়দিন পরেই শুরু হয় বোরডম। সেখান থেকে আসে ডিসরেস্পেক্ট। আর শেষে স্বামীকে সে লিটারালি কুকুরের মত ট্রিট করে, চোখের মণি উল্টিয়ে কথা বলে। কারণ লজিক সিম্পল - নারীরা যার প্রতি সম্মান বা রেস্পেক্ট অনুভব করে না, তাকে ভালোবাসতেও পারে না।

বাসায় ফিরেও তার বসগিরি চলে। ভুল ধরা, অর্ডার দেওয়া, সব কন্ট্রোল করা। পোলারিটি মারা যায়। নারী হয়ে ওঠে সম্পর্কের পুরুষ, আর পুরুষ হয়ে যায় নারী। রেজাল্ট? ডিভোর্স বা চিটিং। এটা একটা লুপ।

পুরুষদের বলছি - সাবধান!

আপনি যদি কোনো হার্ডকোর ক্যারিয়ারিস্ট নারীর সাথে সিরিয়াস হতে চান, থামুন। ভাবুন। আপনি কোনো ওয়ার্ম পার্টনার পাবেন না, পাবেন একজন পার্ট-টাইম রুমমেট যে ২৪ ঘণ্টা বস মোডে থাকে। আপনি তার সাকসেস সেলিব্রেট করবেন, চিয়ার আপ করবেন - ফাইন। কিন্তু মনে রাখবেন, আপনি সবসময় হবেন নাম্বার টু।

তার ক্যারিয়ার ফার্স্ট। তার এনার্জি, ফোকাস সব অফিস খেয়ে ফেলে। আপনি পাবেন দিনশেষে চুষে নেওয়া এনার্জির উচ্ছিষ্টাংশ। রিয়েল টক হলো, তার মেইন ম্যান আপনি নন, তার অফিসের বস - যার অথরিটি সে মানে।

আর এই অবস্থায় পুরুষরা সবচেয়ে বড় ভুলটা করে - এটেনশন ভিক্ষা করা। একটু সময়ের জন্য সিম্পিং করা। ভাই, এটা করলে যেটুকু রেস্পেক্ট ছিল, সেটাও সেকেন্ডে ভ্যানিশ হবে। নারীরা এপ্রুভাল সিকারদের পছন্দ করে না।

অধিকাংশ পুরুষ এই সিচুয়েশনে মেনে নেয়। ভাবে ভালোবাসা মানেই সেক্রিফাইস। ভুল! এর ফলে ফ্রাস্ট্রেশন বাড়ে, আপনি ইনভিজিবল ফিল করেন। আর যখনই ডিমান্ড করবেন, উল্টো ট্যাগ খাবেন—"তুমি ইনসিকিউর", "তুমি আমার সাকসেস দেখে জেলাস"।

**আর ক্যারিয়ার ওম্যানদের জন্য শেষ কথা:
টাকা কামাও, এম্পায়ার বানাও, গো অ্যাহেড। কিন্তু মনে রেখো, সময় আর যৌবন কারো জন্য ওয়েট করে না। আপনি দুই নৌকায় পা দিয়ে চলতে পারবেন না। ক্যারিয়ার ফার্স্ট হলে লাভ লাইফ সেকেন্ড হবেই। বছর ঘুরবে, অপশন কমবে, স্পার্ক নিভে যাবে। আর দিনশেষে ওই এম্পায়ারে একা বসে কাঁদতে হবে।

চয়েস আপনার, কিন্তু প্রাইস তো পে করতেই হবে।

ক্রেডিট: Bold-Masculinity পুরুষতত্ত্ব

24/03/2026

BD medical colleges based on public impression

Inspired from memebrane

22/03/2026

আল্লাহর থেকে কাউকে বেশি ভালোবাসতে যাবেন না। যদি তেমনটা করতে থাকেন, there is a great chance that Allah will seize him/her from you.

20/03/2026

Eid Mubarak 🌙
تَقَبَّلَ اللهُ مِنَّا وَ مِنْكُمْ
তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম

May Allah accept our fasting, prayers, and good deeds, and grant us endless blessings. Amin ❤️

20/03/2026
19/03/2026

বিন্দুমাত্র বিকার নেই আমাদের।

05/03/2026

Aarong দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশবান্ধব রিসাইকেলড কাগজের ব্যাগ ব্যবহার করে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি শপিং ব্যাগ ফ্রি দেওয়ার পরিবর্তে চার্জ করার সিদ্ধান্তটি সাধারণ ক্রেতাদের মনে বেশ কিছু যৌক্তিক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

লজিকের অভাব - পরিবেশ বনাম খরচ
আড়ং যদি আগে প্লাস্টিক ব্যাগ দিত এবং এখন পরিবেশ রক্ষায় কাগজের ব্যাগ দিচ্ছে বলে টাকা চাইত, তবে তা গ্রহণযোগ্য হতো। কিন্তু তারা আগে থেকেই কাগজের ব্যাগ দিত এবং সেটি ফ্রিতেই দিত। এখন সেই একই ব্যাগ কেন টাকা দিয়ে কিনতে হবে?

হিডেন কস্ট বনাম ডিরেক্ট কস্ট - আগে ব্যাগের খরচ পণ্যের মূল্যের সাথে যুক্ত থাকত। এখন সেই খরচটি আলাদা করে ক্রেতার ওপর চাপানো হয়েছে, কিন্তু পণ্যের দাম সেই অনুপাতে কমেনি।

প্রফিট মার্জিন - প্রতিটি ব্যাগের দাম ১০-২০ টাকা মনে হলেও, প্রতিদিন হাজার হাজার ক্রেতার কাছ থেকে এই টাকা সংগ্রহ করলে মাস শেষে তা বিশাল অংকের লাভে পরিণত হয়।

কাস্টমার বিহেভিয়ার পরিবর্তনের অজুহাত
ব্র্যান্ডগুলো দাবি করে যে, ব্যাগের ওপর চার্জ ধরলে মানুষ অপ্রয়োজনে ব্যাগ নেওয়া কমাবে এবং বাসা থেকে ব্যাগ নিয়ে আসবে। এতে কাগজের অপচয় কমবে। তবে বাস্তবতা হলো, আড়ংয়ের মতো লাইফস্টাইল ব্র্যান্ডে মানুষ হুটহাট শপিং করে, তাই সবসময় বাসা থেকে ব্যাগ বহন করা সবার জন্য সম্ভব হয় না। ফলে অনেকটা বাধ্য হয়েই ক্রেতাকে ব্যাগ কিনতে হচ্ছে।

রিটেইল ব্যবসায়িক কৌশল (Micro-charging)
আধুনিক রিটেইল ব্যবসায় এখন 'মাইক্রো-চার্জিং' পলিসি খুব জনপ্রিয়। তারা পণ্যের গায়ে সরাসরি ৫০০ টাকা না বাড়িয়ে ব্যাগ বা প্যাকেজিংয়ের জন্য আলাদা ১০-২০ টাকা চার্জ করে। এতে কোম্পানির বার্ষিক অপারেটিং খরচ কমে।
ব্যাগ বিক্রি থেকে আসা টাকা সরাসরি নিট প্রফিটে যোগ হয়।
পণ্যের মূল দাম প্রতিযোগিতামূলক রাখা যায়। যদিও তারা ব্যাগ বাদ দিলেও পণ্যের দাম কমায়নি।

ক্রেতা হিসেবে আপনার অবস্থান
এখানে সেবার মান বাড়েনি, বরং আগে পাওয়া একটি সুবিধা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। কোম্পানিগুলো যখন বলে তারা খরচ কমানোর জন্য এটা করছে, তখন পণ্যের দাম না কমানোটা এক ধরনের অস্বচ্ছতা।

আড়ংয়ের এই সিদ্ধান্তের পেছনে পরিবেশ রক্ষার চেয়ে ব্যবসায়িক মার্জিন বাড়ানো এবং অপারেশনাল খরচ কমানোর তাড়না বেশি কাজ করছে। যেহেতু আগে থেকেই তারা পরিবেশবান্ধব ছিল, তাই হঠাৎ চার্জ বসানোটা স্রেফ একটি ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত, কোনো বৈপ্লবিক পরিবেশবাদী উদ্যোগ নয়।

- Zakia Rayhana

⭕ সচেতন মুসলিম হিসেবে আমাদের aarong বয়কট করা উচিত।

12/02/2026

১। আমি সহ যেসকল নন-ডেমোক্রেটিক ভাইয়েরা জামাতকে শুধুমাত্র প্রেফার করেছেন এই কারনে যে অন্তত মুসলিমদের কল্যান্যে এক দল আসুক, তাদেরকে বলছি।

যদি জামাত হেরেও যায়, তাহলে হতাশ হবার কিছু নেই। আমরা সাধ্যমত করেছি। আমাদের মধ্যে অনেকেই নিজেদের পরিবার সেক্যুলারদের ভোট দিলেও, আমরা জামাতকে প্রেফার করেছি শুধুমাত্র এই কারনে যে দেশে নতুন পরিবর্তন দরকার।

আমরা আগেই ক্লিয়ার করেছি যে আমরা গনতন্ত্র সমর্থন করিনা। তবে তুলনামুলক বেটার সরকারকে ক্ষমতায় আসতে সাহায্য করা আমাদের কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। সেটাই করেছি।

এখন সবার কাছে আমার একটা ম্যাসেজ।

২.১ যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে, তাহলে কি করবেন?

আগেও বলেছিলাম। যেই দল আসবে, তাকে দাওয়াহ দিবেন। কোরআন সুন্নাহর দিকে দাওয়াহ দিবেন। শারিআর গুরত্ব বুঝিয়ে দাওয়াহ দিবেন। সময় লাগবে। বিএনপি, জামাত, এনসিপি, সকলকেই কোরআন সুন্নাহর দাওয়াত দেন, শারিআর দাওয়াত দেন। আগামি কয়েকবছর টার্গেট নেন।

২.২ জামায়াতের ভাইয়েরা কি করবেন?

আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করবেন আপনাদের প্রোগ্রেসের জন্য। আলহামদুলিল্লাহ, জনগন আপনাদের চিনেছে, বুঝেছে। এটা ভালো দিক। সেই ক্ষেত্রে আপনাদের উচিত হবে বিরোধী দল হিসেবে সরকারকে বিভিন্ন ডিসিশন নিতে প্রেশার দেয়া। এইতো।

প্রত্যেক জায়গাতেই শিক্ষা আছে। মুসলিমরা কোনওদিন হারেনা। শিক্ষা নেন।

৩। বিএনপির যারা আছেন, তারা চেষ্টা করেন নিজ জায়গা থেকে বেটার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে। আওয়ামীর পতন থেকে শিক্ষা নেন।

আলেম ওলামাদের সহবতে থাকেন, তাদের দাওয়াতে সারা দেন। আপনাদের দলের ভেতরে কন্ট্রল বাড়ান। জুলুম যেন না হয় কারোও উপর তা খেয়াল করেন।

--------------------------------

যাদের কাছে মজা লাগবে, তাদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা। আমি আমার পজিশন বহু আগে থেকে বলে আসছি। খোলস বদলানো মানুষ আমি না, সুবিধাবাদী ও না।

আওয়ামীর টাইমে কখনো আওয়ামীদের সাথে ব্লেন্ড ইন করিনি। বিএনপি জেতার চান্স যেখানে বহুত, যেখানে পরিবারের একমাত্র আমি একাই এবার জামাতকে প্রেফার করেছি, নিজের বাবা মা, কাজিন, চাচা, মামা, সকলের বিপরীতে ছিলাম, এই ডিসিশনটা আমার জন্য কঠিন ছিলো।

তবুও শুধুমাত্র মুসলিমদের জন্য তুলনামুলক ইসলামপন্থী দলকে চুজ করতে হবে দেখেই এই ডিসিশান।

অনেকেই তাদের খোলস বদলিয়েছে। মানহাজী থেকে চাটাচাটি পার্টি হয়েছে।

তারা জিতেছে, কিন্তু মানুষের কাছে তাদের এক্সেপ্টেন্স কমে গেছে এই চাটাচাটির কারনে।

তো একবার বলেছিলাম, জেতা - হারা, এসব আল্লাহর কাছে। এটা নিয়ে টেনশনের কিছু নেই। বাপ একটা দল করে দেখে আমার ও সেটাই করতে হবে, এই তন্ত্রে বিশ্বাস করিনা। চাটাচাটি তো দূর কি বাত। তার উপর আমার এলাকায় দাড়ি পাল্লার কেউ নাই ও। স্টিল এই দলের বিষয়ে মানুষজনদেরকে এডুকেট করার ট্রাই করেছি। ব্যাক্তিগত ফায়দা হবার কিছুই নাই।

বরং বিএনপি জিতলে আমার ব্যাক্তিগত অনেক ফায়দা আছে, যেটা নিয়ে কোনওদিন চিন্তা করিনি।

We fought.....We tried.... And we're content with what Allah gives us.

- Muhammad Raqeeb

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Dhaka