اَلۡحَمۡدُ لِلّٰهِ رَبِّ الۡعٰلَمِیۡنَ ۙ﴿۲﴾
BCS Tips & Daily MCQ Model Test
নতুন কিছু জানতে ও শিখতে আমাদের সাথে থাকুন।
ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার আগ পর্যন্ত কুইজে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
بِسۡمِ اللّٰهِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ
اَلۡحَمۡدُ لِلّٰهِ رَبِّ الۡعٰلَمِیۡنَ ۙ﴿۲﴾
الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ ۙ﴿۳﴾
مٰلِكِ یَوۡمِ الدِّیۡنِ ؕ﴿۴﴾
اِیَّاكَ نَعۡبُدُ وَ اِیَّاكَ نَسۡتَعِیۡنُ
اِهۡدِ نَا الصِّرَاطَ الۡمُسۡتَقِیۡمَ
صِرَاطَ الَّذِیۡنَ اَنۡعَمۡتَ عَلَیۡهِمۡ ۬ۙ غَیۡرِ الۡمَغۡضُوۡبِ عَلَیۡهِمۡ وَ لَا الضَّآلِّیۡنَ ﴿۷﴾
بِسۡمِ اللّٰهِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ
পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে।
-আল-বায়ান
(আরম্ভ করছি) পরম করুণাময় অসীম দয়াময় আল্লাহর নামে।
-তাইসিরুল
পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে।
-আল-বায়ান
(আরম্ভ করছি) পরম করুণাময় অসীম দয়াময় আল্লাহর নামে।
-তাইসিরুল
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে (শুরু করছি)।
-মুজিবুর রহমান
In the name of Allah, the Entirely Merciful, the Especially Merciful.
-Sahih International
১. রহমান, রহীম(১) আল্লাহর নামে।(২)
১. সাধারণত আয়াতের অনুবাদে বলা হয়ে থাকে, পরম করুণাময়, দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি। এ অনুবাদ বিশুদ্ধ হলেও এর মাধ্যমে এ আয়াতখানির পূর্ণভাব প্রকাশিত হয় না। কারণ, আয়াতটি আরও বিস্তারিত বর্ণনার দাবী রাখে। প্রথমে লক্ষণীয় যে, আয়াতে আল্লাহর নিজস্ব গুণবাচক নামসমূহের মধ্য হতে ‘আর-রাহমান ও আর-রাহীম’ এ দু'টি নামই এক স্থানে উল্লিখিত হয়েছে। ‘রহম’ শব্দের অর্থ হচ্ছে দয়া, অনুগ্রহ। এই ‘রহম’ ধাতু হতেই ‘রহমান’ ও ‘রহীম' শব্দদ্বয় নির্গত ও গঠিত হয়েছে। রহমান শব্দটি মহান আল্লাহর এমন একটি গুণবাচক নাম যা অন্য কারও জন্য ব্যবহার করা জায়েয নেই। (তাবারী) কুরআন ও হাদীসে এমনকি আরবদের সাহিত্যেও এটি আল্লাহ ছাড়া আর কারও গুণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি। পক্ষান্তরে ‘রহীম’ শব্দটি আল্লাহর গুণ হলেও এটি অন্যান্য সৃষ্টজগতের কারও কারও গুণ হতে পারে। তবে আল্লাহর গুণ হলে সেটা যে অর্থে হবে অন্য কারও গুণ হলে সেটা সে একই অর্থে হতে হবে এমন কোন কথা নেই। প্রত্যেক সত্তা অনুসারে তার গুণাগুণ নির্দিষ্ট হয়ে থাকে। এখানে একই স্থানে এ দুটি গুণবাচক নাম উল্লেখ করার বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। কোন কোন তাফসীরকার বলেছেন যে, আল্লাহ ‘রহমান’ হচ্ছেন এই দুনিয়ার ক্ষেত্রে, আর ‘রাহীম’ হচ্ছেন আখেরাতের হিসেবে। [বাগভী]
২. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি সর্বপ্রথম ‘ইকরা বিসমে’ বা সূরা আল-আলাক এর প্রাথমিক কয়েকটি আয়াত নাযিল হয়েছিল। এতে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর নাম নিয়ে পাঠ শুরু করতে বলা হয়েছিল। সম্ভবত এজন্যই আল্লাহর এই প্রাথমিক আদেশ অনুযায়ী কুরআনের প্রত্যেক সূরার প্রথমেই তা স্থাপন করে সেটাকে রীতিমত পাঠ করার ব্যবস্থা করে দেয়া হয়েছে। বস্তুতঃ বিসমিল্লাহ প্রত্যেকটি সূরার উপরিভাগে অর্থ ও বাহ্যিক আঙ্গিকতার দিক দিয়ে একটি স্বর্ণমুকুটের ন্যায় স্থাপিত রয়েছে। বিশেষ করে এর সাহায্যে প্রত্যেক দু’টি সূরার মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টি করাও অতীব সহজ হয়েছে। হাদীসেও এসেছে, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সূরার শেষ তখনই বুঝতে পারতেন যখন বিসমিল্লাহ নাযিল করা হতো” [আবু দাউদ: ৭৮৮] তবে প্রত্যেক সূরার প্রথমে ও কুরআন পাঠের পূর্বে এ বাক্য পাঠ করার অর্থ শুধু এ নয় যে, এর দ্বারা আল্লাহর নাম নিয়ে কুরআন তিলাওয়াতে শুরু করার সংবাদ দেয়া হচ্ছে। বরং এর দ্বারা স্পষ্ট কণ্ঠে স্বীকার করা হয় যে, দুনিয়া জাহানের সমস্ত নিয়ামত আল্লাহর তরফ হতে প্রাপ্ত হয়েছে। এর মাধ্যমে এ কথাও মেনে নেয়া হয় যে, আল্লাহ তা'আলা আমাদের প্রতি যে দয়া ও অনুগ্রহ করেছেন বিশেষ করে দ্বীন ও শরীয়াতের যে অপূর্ব ও অতুলনীয় নিয়ামত আমাদের প্রতি নাযিল করেছেন, তা আমাদের জন্মগত কোন অধিকারের ফল নয়। বরং তা হচ্ছে আল্লাহ তা'আলার নিজস্ব বিশেষ মেহেরবানীর ফল।
তাছাড়া এই বাক্য দ্বারা আল্লাহর নিকট এই প্রার্থনাও করা হয় যে, তিনি যেন অনুগ্রহপূর্বক তার কালামে-পাক বুঝবার ও তদনুযায়ী জীবন যাপন করার তওফীক দান করেন। এ ছোট্ট বাক্যটির অন্তর্নিহিত ভাবধারা এটাই। তাই শুধু কুরআন তিলাওয়াত শুরু করার পূর্বেই নয় প্রত্যেক জায়েয কাজ আরম্ভ করার সময়ই এটি পাঠ করার জন্য ইসলামী শরীয়াতে নির্দেশ করা হয়েছে। কারণ প্রত্যেক কাজের পূর্বে এটি উচ্চারণ না করলে উহার মঙ্গলময় পরিণাম লাভে সমর্থ হওয়ার কোন সম্ভাবনাই থাকে না। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার বিভিন্ন কথা ও কাজে এই কথাই ঘোষণা করেছেন। যেমন, তিনি প্রতিদিন সকাল বিকাল বলতেন, بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ “আমি সে আল্লাহর নামে শুরু করছি যার নামে শুরু করলে যমীন ও আসমানে কেউ কোন ক্ষতি করতে পারে না, আর আল্লাহ তো সব কিছু শুনেন ও সবকিছু দেখেন।” [আবু দাউদ: ৫০৮৮, ইবনে মাজাহ: ৩৮৬৯]
অনুরূপভাবে যখন তিনি রোম সম্রাট হিরাক্লিয়াসের কাছে চিঠি লিখেন তাতে বিসমিল্লাহ লিখেছিলেন [বুখারী, ৭]
তাছাড়া তিনি যে কোন ভাল কাজে বিসমিল্লাহ বলার জন্য নির্দেশ দিতেন। যেমন, খাবার খেতে, [বুখারী ৫৩৭৬, মুসলিম: ২০১৭, ২০২২]
দরজা বন্ধ করতে, আলো নিভাতে, পাত্র ঢাকতে, পান-পাত্র বন্ধ করতে [বুখারী ৩২৮০]
কাপড় খুলতে [ইবনে মাজাহ ২৯৭, তিরমিযী: ৬০৬)
স্ত্রী সহবাসের পূর্বে [বুখারী: ৬৩৮৮, মুসলিম: ১৪৩৪],
ঘুমানোর সময় [আবু দাউদ: ৫০৫৪],
ঘর থেকে বের হতে [আবু দাউদ: ৫০৯৫],
চুক্তিপত্র/ বেচা-কেনা লিখার সময় [সুনানুল কুবরা লিল বাইহাকী: ৫/৩২৮],
চলার সময় হোঁচট খেলে [মুসনাদে আহমাদ: ৫/৫৯],
বাহনে উঠতে [আবু দাউদ: ২৬০২]
মসজিদে ঢুকতে [ইবনে মাজাহ: ৭৭১, মুসনাদে আহমাদ: ৬/২৮৩],
বাথরুমে প্রবেশ করতে [ইবনে আবি শাইবাহ: ১/১১],
হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করতে [সুনানুল কুবরা লিল বাইহাকী: ৫/৭৯]
যুদ্ধ শুরু করার সময় [তিরমিযী: ১৭১৫]
শক্র দ্বারা আক্রান্ত হয়ে ব্যাথা পেলে বা কেটে গেলে [নাসায়ী: ৩১৪৯]
ব্যাথার স্থানে ঝাড়-ফুঁক দিতে [মুসলিম: ২২০২]
মৃতকে কবরে দিতে তিরমিযী: ১০৪৬]।
এ ব্যাপারে আরও বহু সহীহ হাদীস এসেছে। আবার কোথাও কোথাও ‘বিসমিল্লাহ’ বলা ওয়াজিবও বটে যেমন, যবাই করতে [বুখারী: ৯৮৫, মুসলিম: ১৯৬০]
যেহেতু মানুষের শক্তি অত্যন্ত সীমাবদ্ধ, সে যে কাজই শুরু করুক না কেন, তা যে সে নিজে আশানুরূপে সাফল্যজনকভাবে সম্পন্ন করতে পারবে, এমন কথা জোর করে বলা যায় না। এমতাবস্থায় সে যদি আল্লাহর নাম নিয়ে কাজ শুরু করে এবং আল্লাহর অসীম দয়া ও অনুগ্রহের প্রতি হৃদয়-মনে অকুণ্ঠ বিশ্বাস জাগরুক রেখে তার রহমত কামনা করে, তবে এর অর্থ এ-ই হয় যে, সংশ্লিষ্ট কাজ সুষ্ঠুরূপে সম্পন্ন করার ব্যাপারে সে নিজের ক্ষমতা যোগ্যতা ও তদবীর অপেক্ষা আল্লাহর অসীম অনুগ্রহের উপরই অধিক নির্ভর ও ভরসা করে এবং তা লাভ করার জন্য তারই নিকট প্রার্থনা করে।
তাফসীরে জাকারিয়া
(১) অনন্ত করুণাময় পরম দয়ালু আল্লাহর নামে (আরম্ভ করছি)।
‘বিসমিল্লাহ’র পূর্বে ‘আক্বরাউ’ ‘আবদাউ’ অথবা ‘আতলু’ ফে’ল (ক্রিয়া) উহ্য আছে। অর্থাৎ, আল্লাহর নাম নিয়ে পড়ছি অথবা শুরু করছি কিংবা তেলাঅত আরম্ভ করছি। প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ আরম্ভ করার পূর্বে ‘বিসমিল্লাহ’ পড়ার প্রতি তাকীদ করা হয়েছে। সুতরাং নির্দেশ করা হয়েছে যে, খাওয়া, যবেহ করা, ওযু করা এবং সহবাস করার পূর্বে ‘বিসমিল্লাহ’ পড়। অবশ্য ক্বুরআনে করীম তেলাঅত করার সময় ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম’ পড়ার পূর্বে ‘আউযু বিল্লাহি মিনাশ্শায়ত্বানির রাজীম’ পড়াও অত্যাবশ্যক। মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘‘অতএব যখন তুমি ক্বুরআন পাঠ করবে, তখন বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা কর।’’ (সূরা নাহল ৯৮ আয়াত)।
09/09/2025
ভূমি মন্ত্রণালয়ে ২০৫ জনের নিয়োগপত্র প্রকাশ...
04/09/2025
৪৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার তারিখ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫। পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
আয়োজনকারী সংস্থা: বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।
৪৯তম বিসিএস (বিশেষ) এর বিষয়ভিত্তিক শূন্যপদ⤵️
১. বাংলা : ৬১+০৩
২. ইংরেজি: ৫০+০৪
৩. রাষ্ট্রবিজ্ঞান: ৫৫+০৪
৪. দর্শন: ৩০
৫. অর্থনীতি: ৪০
৬. প্রাণিবিদ্যা: ১৫
৭. ইতিহাস: ৩০
৮. সমাজকল্যাণ: ২৫
৯. রসায়ন: ৩০
১০. ইসলামী শিক্ষা: ১৫
১১. ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি: ৩২
১২. পদার্থবিদ্যা: ২৫
১৩. উদ্ভিদবিদ্যা: ২৪
১৪. সমাজবিজ্ঞান: ১৫
১৫. গণিত: ৩০+০২
১৬. ভূগোল: ১৬+০৩
১৭. হিসাববিজ্ঞান: ৩০
১৮. মার্কেটিং: ১০
১৯. ব্যবস্থাপনা: ৩২
২০. ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং: ২০
২১. মনোবিজ্ঞান: ১০
২২. কৃষিবিজ্ঞান: ৩৫
২৩. পরিসংখ্যান: ১৫
২৪. সংস্কৃত: ০৫
২৫. গার্হস্থ্য অর্থনীতি: ০৬+০২
২৬. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: ২৫
২৭. খাদ্য ও পুষ্টি: ০২
২৮: বিজ্ঞান: ০৩
২৯. শিক্ষা: ০৬
৩০. ইসলামিক আদর্শ: ০৩
________________________
মোট: ৬৮৩
আপনি কোন বিষয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন?
03/09/2025
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার মান বন্টন
02/09/2025
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০২৫
ব্যবসা করতে গিয়ে যা শিখেছিঃ
--------*----------**----------
১। সিস্টেমকে বিশ্বাস করুন, মানুষকে নয়, সে যেই হোক।
২। অযোগ্য মানুষকে হেল্প করার নিয়তে ব্যবসার দায়িত্ব দেবেন না।
বাঁশ খাবেন ঝাড় সহ।
৩। নেগেটিভ মানুষদের (যারা ভাইরাস ছড়ায়) কোনো চিন্তা না করেই ফায়ার করুন। এরা বিষাক্ত ও ছোঁয়াচে।
৪। আপনার স্বপ্নকে যে কর্মী বিশ্বাস করেনা, লালন করেনা , ফায়ার করুন।
৫। যে এমপ্লয়ী নিজেকে আপডেইট করেনা, NOKIA হয়ে আছে বছরের পর বছর, ফায়ার করুন।
৬। একজন এমপ্লয়ীকে যত বেতন দিচ্ছেন তার কমপক্ষে ১২ গুণ মুনাফা তার কাছ থেকে না পেলে ঐ কর্মী প্রতিষ্ঠানের বোঝা।
৭। নতুন এমপ্লয়ী নিয়োগ দিলে যদি পুরাতন কেউ আপনার ও প্রতিষ্ঠানের সমালোচনা করে, তাকে সাথে সাথে ফায়ার করুন।
৮। প্রতিষ্ঠানের একটি সংস্কৃতি গড়ে তুলুন। মানতে বাধ্য করুন।
৯। একবার কেউ চুরি করলে মাফ করবেন না। সুযোগ পেলে আবারো করবে। নিশ্চিত থাকুন।
১০। যতটা সম্ভব ক্যাশ লেনদেন থেকে বের হয়ে আসুন। কাউকে বিশ্বাস করবেন না। মরা মানুষও নাকি টাকা দেখলে হা করে।
১১। শর্টটার্মের জন্য এমপ্লয়ী নেবেন না।
১২। যে এমপ্লয়ী চাকরি করার মনোভাব রাখে, প্রতিষ্ঠানকে নিজের মনে করে না তাকে দিয়ে প্রতিষ্ঠানের কোনো উন্নয়ন সম্ভব নয়।
১৩। যে এমপ্লয়ী প্রতিষ্ঠানের অপচয় রোধে সচেতন নয় (বিদ্যুত/গ্যাস/পানি/খাবার/গ্যাস/স্পেইস/কাগজ/কলম ইত্যাদি) তাকে কিক আউট করুন।
১৪। যে এমপ্লয়ীরা গীবত করে তাদের কিক আউট করুন।
১৫। যে এমপ্লয়ীরা ভুল করার পর অযুহাত দাড় করায় বা অন্যের উপর দোষ চাপায়, কিক আউট করুন।
১৬। আত্মীয় হলেই বিশ্বাস করে টাকাপয়সা হ্যান্ডল করতে দেবেন না। তদারকির মধ্যে রাখবেন।
১৭। যাদের যে কোনো ধরনের নেশা আছে, তাদেরকে প্রতিষ্ঠানে যুক্ত না রাখাই ভালো। বেশ ভালো।
01/09/2025
সফল ভাইভা অভিজ্ঞতা
৪৪ তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের সুপারিশপ্রাপ্ত জনাব রাকিব উজ জামানের ভাইভা অভিজ্ঞতা
প্রার্থীর নাম রাকিব উজ জামান
বোর্ড: শ্রদ্ধেয় চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস
সময়:১৫-১৮ মিনিট
সিরিয়াল: ৩/১৫
সাবজেক্ট : অর্থনীতি
ফলাফল : প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত
(মেধাক্রম :৫১)
[তিনজন member দের মাঝে অনেক বেশি দূরত্ব থাকায়, প্রবেশ করে শুধুমাত্র ম্যাডামকে সালাম দিয়েছিলাম বাকীদের দিকে সম্মানসূচক দৃষ্টিতে তাকিয়েছিলাম]
চেয়ারম্যান : বাহিরে সবাই Cooperative ছিলো, সবকিছু ঠিকঠাক ছিলো তো?
আমি: জ্বি ম্যাডাম, আমি যদিও একটু দেরিতে এসেছিলাম, তবে সবাই বেশ cooperative ছিল,তাই আমার কোন সমস্যা হয় নি।
চেয়ারম্যান : দেরি হলো কেন?
আমি: আমি পিছনে ক্যানটিনে ছিলাম এবং ৯.৪৫ এ প্রবেশ করি, আপনার বোর্ড ১ নাম্বারে ডাকায় আমার মিস হয়ে যায়। পরবর্তী বোর্ডে আর রোল খুঁজে পাই নি।
চেয়ারম্যান : আমরা সকলেই আসলে তাড়াতাড়ি ভাইবা শুরু করতে চাই, তাই সবাই শুরুর দিকে বোর্ড নিতে চায়।
আপনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি থেকে পড়াশোনা করেছেন। আমি আপনাকে economics থেকে প্রশ্ন করব, এখন করবো, নাকি পরে?
আমি: ম্যাডাম, আপনার ইচ্ছে,আমি প্রস্তুত রয়েছি।
চেয়ারম্যান : Economics deals with..........?
আমি: Efficient use of resource.
চেয়ারম্যান : Resource is.......?
(উনি এককথায় জানতে চাচ্ছিলেন)
আমি: Something that belongs value.
চেয়ারম্যান: আচ্ছা, আমাদের যে development হচ্ছে তা আমরা কিভাবে বুঝতে পারবো?
আমি: Per Capita Income, GDP growth, Literacy rate, Standard of living পর্যবেক্ষণ করে, ম্যাডাম। (এরকম কিছু প্যারামিটার বলেছিলাম)
চেয়ারম্যান : একজন অর্থনীতির ছাত্র হিসেবে development কে কিভাবে ব্যাখ্যা করবেন আপনি?
আমি: এটিকে Rostow's growth Model এ ব্যাখা করতে পারি।
যার ৫ টি stage আছে। আমরা ২য় stage -pre take off period- এই পর্যায়ে রয়েছি। যেহেতু আমরা LDC graduation করতে যাচ্ছি, আমাদের অর্থনীতি maturity level এর দিকে ধাবিত হবে ধীরে ধীরে।
চেয়ারম্যান : এই অবস্থায় আমাদের LDC graduation করা উচিৎ কিনা?
আমি: অবশ্যই উচিৎ ম্যাডাম। আমাদের কিছু সংস্কার নিয়ে কাজ করা হচ্ছে, যা সঠিকভাবে করতে পারলে LDG graduation আশীর্বাদ হবে, আর তা করতে না পারলে ২০৩০ এর পরেও করে লাভ হবে না।
চেয়ারম্যান : LDC graduation করলে আমরা কি কি সমস্যায় পড়বো?
আমি: Official Development Assistant কমে যাবে, সুদের হার বেড়ে যাবে, TRIPS এর স্বত্তাধীকার হারিয়ে যাবে।
চেয়ারম্যান : এগুলো overcome করতে পারবো কিভাবে আমরা?
(ম্যাডাম আমাকে শেষ করতে দিচ্ছিলেন না, দ্রুত প্রশ্ন করে যাচ্ছিলেন। এমনকি নিজেই বলে দিলেন- আমি আপনাকে interrupt করছি কারন আপনাকে counter করাই আমার কাজ)
আমি: আমরা Demographic Dividend পাচ্ছি,এটিকে কাজে লাগাতে হবে। আমাদের Economic diplomacyর কর্যকারীতা বৃদ্ধি পেয়েছে। যেমন- ড. মোহাম্মদ ইউনুস স্যার এখন দাভোসে রয়েছেন(আমি অন্তর্জাতিক এর দিকে নিয়ে যেতে চেয়েছিলাম, ম্যাডাম ভ্রু কুচকে ফেলেছেন)
চেয়ারম্যান : Infrastructural কিছু আছে কিনা?
আমি: আমাদের বেশ কিছু mega project চলমান, যা ২০২৬ সাল নাগাদ operational mood এ যাবে।
চেয়ারম্যান : সংসদে নারীদের সংরক্ষিত আসন থাকা উচিৎ কিনা?
আমি: আমি মনে করি উচিৎ।
চেয়ারম্যান : কেন?
আমি: নারীরা decision making process এ এখনো পর্যাপ্ত অবদান রাখতে পারছে না, Women empowerment এর জন্য প্রয়োজন রয়েছে।
চেয়ারম্যান : কিন্তু ঘরের কাজ কে করবে তাহলে?
আমাদের সমাজে তো ধরেই নেয়া হয় নারীরা সংসার দেখবে, বাচ্চা-কাচ্চা মানুষ করবে।
আমি: ম্যাডাম ঘরে-বাহিরে নারী-পুরুষ উভয়কেই সমানভাবে কাজ করা উচিৎ। এছাড়া যদি দুজনই কর্মজীবী হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে কাজের লোক রাখা যেতে পারে। এতে করে নতুন করে employment generation হবে।
চেয়ারম্যান : একটা প্রবাদ আছে শুনেছেন তো -'The way of man's heart is through his stomach' ব্যখ্যা করুন।
আমি: Can you repeat the question Madam?
(ভেবেছিলাম এর মাঝে চিন্তা করে নিবো কি বলবো)
চেয়ারম্যান : বাংলায় বলতে গেলেন...!
আমি: আমি প্রবাদটি আগে শুনি নি,তবে ব্যাখ্যা করতে পারবো- Gender is a minor factor here. It's not necessary that only women will cook. If both are job holders then they can assign someone else that creates new job.
(আগের প্রশ্নের রেশ থেকে যাওয়ায় out of the box কিছু চিন্তা করতে পারি নি, ম্যাডাম একদম rapid fire প্রশ্ন করছিলেন)
[উত্তরটা খুব একটা পছন্দ না হওয়ায় উনি আমাকে আর প্রশ্ন করলেন না, external 1 কে দিয়ে দিলেন]
(সম্ভাব্য উত্তর : Sometimes people take advantage by implying culinary diplomacy / That is why every man has an affection to his wife & mother / some men are not affectionate about food, they prioritize skill rather than food এইগুলো better concept হতে পারতো)
Ex-1: আপনি Rostow's Model এর কথা বললেন আমি এখান থেকেই প্রশ্ন করি - ১ম ও ২য় ধাপের পার্থক্য কি বলতে পারবেন?
আমি: স্যার, প্রথম stage হলো primitive stage যেখানে agro based economy কিন্তু ২য় stage-এ এই economy -র উন্নয়ন হয়, employment generation হয়, Investment বৃদ্ধি পায়।
Ex-1: উহু, এখানে কিভাবে পরের ধাপে যায়? Agro থেকে যাওয়ার একটা system আছে।
আমি: স্যার, agro sector এর Marginal Productivity of Labour zero এরকম labour এর সংখ্যা বেশি থাকে যারা migration করে industrial sector এ যায়, তখন agro based business গুলো industrial এ contribution করে। যেমন: আমরা আগে ফল চাষ করতাম, এখন এগুলোকে ফ্রোজেন করে, preserve করি এবং দেশের বাহিরে রপ্তানি করি।
Ex-1: আমাদের কোন sector এ growth বেশি?
আমি: Industrial
Ex-1: আরো specific করেন, Manufacturing?
আমি: জ্বি, স্যার।
[ এটা সম্ভবত ট্রাপ ছিলো, Construction হতে পারে]
Ex-1: Real GDP এবং Nominal GDP এর পার্থক্য কি?
আমি: Real GDP Base year ধরে করা হয়, Nominal GDP current year এর price level এ করা হয়।
Ex-1: এখন base year কত?
আমি: ২০১৫
Ex-1: এটা কি পরিবর্তন দরকার আছে?
আমি: স্যার, সাধারণত এটি ১০ বছর পর পর পরিবর্তন করা হয়। গত base year ছিলো ২০০৫, তাই পরিবর্তন করা যেতে পারে। তবে ২০২৪ করা ঠিক হবে না, এক্ষেত্রে একটি stable year কে আদর্শ হিসেবে ধরে নিতে হয়।
Ex-1: Dollar এর exchange rate টা বেড়ে যাওয়ার কারন কি কি?
আমি: স্যার, Curb market এর সাথে real market এর rate parallel নয়, হুন্ডি, অভ্যন্তরীণ মূল্যস্ফীতির জন্য domestic currency devaluation, Import oriented economy, Debt payment, এছাড়াও অনেক দিন ৮৫ টাকায় কৃত্রিমভাবে exchange rate ধরে রাখা হয়েছিলো।
Ex-2: BERC তে কি কি কাজ করেন?
আমি: আমরা মূলত ৪ টি কাজ করি।
১) Energy খাতের dispute Settlement
২) লাইসেন্স দেয়া
৩) ট্যারিফ নির্ধারণ
৪) জ্বালানী খাতে সুশাসন নিশ্চিত করা
Ex-2: আপনারা consumer এর জন্য কি করেন? তারা তো আপনাদের উপর খুশি না।
(স্যার কিছুটা বিরক্ত ছিলেন)
আমি: স্যার, আমরা bridge হিসেবে কাজ করি একদিকে যেমন সরকারের interest দেখতে হয় অন্যদিকে Consumer এর interest-ও দেখতে হয়, তাই আমরা গণশুনানির মাধ্যমে সকল stakeholder, Caab, এমনকি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে একজন individual-এর মতামত নিয়ে fair price নির্ধারণ করি।
Ex-2: কাজ করতে গিয়ে কি কি difficulties face করতে হয়েছে?
আমি: বিগত কমিশনের সিন্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে কিছুটা প্রেশার তো ছিলোই। তবে BERC নিজের মত কাজ করে আসছে। বিগত সময় আমাদের নিকট হতে tariff করার ক্ষমতা কেড়ে নেয়া হয় এবং সম্প্রতি তা ফিরিয়ে দেয়া হয়। বর্তমান কমিশন বেশ স্বাধীনভাবেই কাজ করছে।
Ex-2: ২০১৬ সালের reserve চুরি হওয়ার কারন কি ছিলো?
আমি: Cyber security strong ছিলো না, স্যার।
Ex-2: কোথায় কোথায় ঝামেলা ছিলো ?
আমি: Off day তে প্রিন্টার অন থাকার কথা না, তারপরও কেন ছিলো তা প্রশ্নসাপেক্ষ। Real time observation কোন system ছিলো না। এত গুরুত্বপূর্ণ একটা area তে, যে কেউ যাওয়া আসা করতে পারতো। যা পরবর্তীতে restricted করা হয়েছে।
Ex-2: আপনি তো নারীদের জন্য কোটার কথা বললেন, এবং western culture কে promote করতে চাইলেন দেশে, আমাদের দেশের তো কিছু সংস্কৃতি আছে, আপনি তো এগুলোকে deny করছেন তাহলে?
আমি: দুঃক্ষিত স্যার, ম্যাডাম আমাকে সংসদে সংরক্ষিত আসনের কথা বলেছিলেন। Women empowerment এর জন্য যা আমাদের প্রয়োজন রয়েছে। তবে অন্য কোনো কোটার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না।
এছাড়া আমাদের দেশ developing stage এ রয়েছে এরকম অবস্থায় দেশের ৫০% জনসংখ্যাকে পিছিয়ে রেখে আমরা আমাদের কাঙ্খিত উন্নয়ন করতে পারবো না। Demographic Divident কে কাজ লাগাতে আমাদের সকলে সাথে নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে।
চেয়ারম্যান : ঠিক আছে, আপনি আপনার কাগজপত্র নিয়ে আসতে পারেন।
আমি: ধন্যবাদ, ম্যাডাম। সকলকে সালাম দিয়ে ex -2 থেকে কাগজপত্র নিয়ে বেরিয়ে এলাম।
31/08/2025
প্রাইমারির ২১৬৯ পদের প্রধান শিক্ষকসহ নন-ক্যাডার ৩,৫৫০ পদে মেগা সার্কুলার প্রকাশিত। ❤️❤️❤️
আবেদনের শেষ তারিখঃ ২০ অক্টোবর, ২০২৫
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka