With Shamim Shahriar – I just got recognized as one of their top fans!
My Job Prep Journey
আর কতো procrastination? চল আসি; একসাথে পড়ি ; নিজেকে গড়ি। �
• By confronting the damage left by the previous administration, the interim government has set the economy on a path of stabilisation, not collapse.
=পূর্ববর্তী প্রশাসনের রেখে যাওয়া ক্ষতির মুখোমুখি হয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অর্থনীতিকে পতনের পথে নয়, বরং স্থিতিশীলতার পথে পরিচালিত করেছে।
•The recent wave of pessimism surrounding Bangladesh’s economy under its interim administration, much of it amplified by selectively framed local commentary, offers an incomplete and often misleading portrait of the country’s actual economic trajectory.
= বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের অধীনে অর্থনীতি নিয়ে সাম্প্রতিক হতাশার ঢেউ, যার অনেকটাই স্থানীয়ভাবে বেছে বেছে উপস্থাপিত মন্তব্যের মাধ্যমে আরও জোরালো হয়েছে, দেশের প্রকৃত অর্থনৈতিক গতিপথের একটি অসম্পূর্ণ এবং প্রায়ই বিভ্রান্তিকর চিত্র তুলে ধরে।
•Much of this concern is overstated, as the headline indicators reflect a necessary structural correction rather than an economic collapse.
=এই উদ্বেগের অনেকটাই অতিরঞ্জিত, কারণ প্রধান সূচকগুলো অর্থনৈতিক পতনের পরিবর্তে একটি প্রয়োজনীয় কাঠামোগত সংশোধনকে প্রতিফলিত করছে।
•While elevated inflation and a battered banking sector are real an[ল্ল)0d serious challenges, they do not amount to evidence of an economy in free fall.
= উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংকিং খাত নিঃসন্দেহে বাস্তব ও গুরুতর চ্যালেঞ্জ, তবে এগুলো অর্থনীতি সম্পূর্ণ পতনের পথে রয়েছে—এমন প্রমাণ হিসেবে গণ্য করা যায় না।
• A more careful reading, one that accounts for the disruptive legacy of the previous administration and the corrective measures undertaken after the political transition, reveals a difficult but necessary period of structural rebalancing.
=আরও সতর্কভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, পূর্ববর্তী প্রশাসনের রেখে যাওয়া বিঘ্নসৃষ্টিকারী উত্তরাধিকার এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর গৃহীত সংশোধনমূলক পদক্ষেপগুলো মিলিয়ে এটি একটি কঠিন হলেও প্রয়োজনীয় কাঠামোগত পুনঃসমন্বয়ের সময়কালকে প্রকাশ করে।
অনুবাদ করুন।
সরকার যখন দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম ও উচ্চ সুদের হারে জর্জরিত মাইক্রোফাইন্যান্স খাত সংস্কারের উদ্যোগ নিচ্ছে, তখন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এসেছে: মাইক্রোফাইন্যান্স ব্যাংকের ঋণের সুদের হার কি সীমিত করা উচিত? সদ্য প্রণীত মাইক্রোফাইন্যান্স ব্যাংক অধ্যাদেশ অনুযায়ী যোগ্য মাইক্রোফাইন্যান্স প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশেষায়িত ব্যাংকে রূপান্তর করার প্রস্তাব করা হয়েছে, যা সামাজিক ব্যবসার মডেলে পরিচালিত হবে। এই কাঠামোয় বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ তাদের মোট বিনিয়োগের সীমায় আবদ্ধ থাকবে এবং মূলধন ফেরতের পর অতিরিক্ত মুনাফা সামাজিক উদ্দেশ্যে পুনঃবিনিয়োগ করা হবে। অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, এসব ব্যাংকের প্রধান লক্ষ্য হবে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করা—ঋণ দেওয়া হবে জামানতসহ বা জামানত ছাড়া—যাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য হ্রাস সম্ভব হয়। তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অধ্যাদেশে স্পষ্টভাবে অনুপস্থিত: এই ব্যাংকগুলো কত সুদ নিতে পারবে।
The settlement of maritime disputes with Myanmar and India way back in 2013 and 2014, though remarkable for Bangladesh with the establishment of its right to sea resources in the hugely expanded maritime zones, is yet to see any noticeable progress in setting out a work plan in that direction. Clearly, what the international court's verdict implied was a horizon waiting to be explored and exploited with well planned policies and matching actions. Nearly a decade later, progress in exploring and exploiting these resources remains elusive. The promise of a "blue economy" is yet to materialise into actionable policies and programmes.
২০১৩ ও ২০১৪ সালে মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধের নিষ্পত্তি বাংলাদেশের জন্য ছিল এক অসাধারণ অর্জন, কারণ এর মাধ্যমে ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত সামুদ্রিক অঞ্চলে সমুদ্রসম্পদের ওপর বাংলাদেশের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু সেই দিকনির্দেশনায় কার্যকর কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে এখনও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা যায়নি। আন্তর্জাতিক আদালতের রায় আসলে ইঙ্গিত দিয়েছিল এক নতুন দিগন্তের, যা সুপরিকল্পিত নীতি ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে অন্বেষণ ও ব্যবহার করা যেত। প্রায় এক দশক পরেও এসব সম্পদ অনুসন্ধান ও ব্যবহার করার ক্ষেত্রে অগ্রগতি অধরাই রয়ে গেছে। "নীল অর্থনীতি"র প্রতিশ্রুতি এখনও কার্যকর নীতি ও কর্মসূচিতে রূপ নিতে পারেনি।
28/01/2026
at BUTEXT
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধনে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের
পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞান বিষয়টি থাকছেনা। অর্থাৎ
🔺বাংলা ২৫ ,
🔺ইংরেজী ২৫,
🔺গণিত ২৫, এবং
🔺সাধারণ বিজ্ঞান ২৫
এই চার বিষয় থেকে ২৫ নাম্বার করে মোট ১০০ নাম্বার পরীক্ষা হবে এবং বাকি ১০০ নাম্বার বিষয়ভিত্তিক থেকে নেওয়া হবে।
🔳মোট মার্ক : ২০০
🔳পাস মার্ক: ৮০ ( ২০০ এর মধ্যে )
কিন্তু মাদ্রাসা পর্যায়ে জেনারেল ৬০ নাম্বারের পরীক্ষা হবে।
অর্থাৎ
🔺বাংলা ১৫ ,
🔺ইংরেজী ১৫,
🔺সাধারণ জ্ঞান ১৫ এবং
🔺গণিত, ও সাধারণ বিজ্ঞান দুই বিষয় মিলে মোট ১৫ নাম্বারে পরীক্ষা হবে।
বাকি ১৪০ নাম্বার বিষয়ভিত্তিক থেকে পরীক্ষা হবে।
🔳মোট মার্ক : ২০০
🔳পাস মার্ক: ৮০ ( ২০০ এর মধ্যে )
স্কুল পর্যায় ১, স্কুল পর্যায় ২ এবং মাদ্রাসা পর্যায়ের সকল পরীক্ষার পাস মার্ক ২০০ এর ৮০ মার্ক নির্ধারণ করা হয়েছে।
তবে সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো বিগত ১৮ টি নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রতিবার লিখিত পরীক্ষা হলেও এবার ১৯ তম নিবন্ধন পরীক্ষায় কোন লিখিত পরীক্ষা হবে না ।
প্রিলিমিনারি এবং ভাইভা পরীক্ষার উত্তীর্ণ হতে পারলেই চাকরি পেয়ে যাবেন।
-copied
আজ ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬
মঙ্গলবার
১৩ মাঘ, ১৪৩২
৭ শা'বান, ১৪৪৭
Click here to claim your Sponsored Listing.