বিশ্ব দিগন্তে

বিশ্ব দিগন্তে

Share

JobsVely.com Online Jobs Blogging Community

31/05/2026
04/12/2025
15/11/2025

Ctrl + Arrow Keys ব্যবহার করে আপনি বর্তমানে যে Cell এ আছেন সেখানে থেকে ডানে, বামে, উপর এবং নিচের প্রথম অথবা সর্বশেষ Cell এ যেতে পারবেন খুব সহজেই।

12/08/2025

ছবিতে কয়টি মুখ আছে, উত্তরই বলে দেবে আপনি কতটা বুদ্ধিমান?

01/08/2025

পৃথিবী নামের নীল গ্রহটা আসলে এক বিশাল জীবন্ত আশ্চর্য। এখানে যত প্রাণ আছে তা ভাবলেই অবাক হওয়া লাগে। বিজ্ঞানীরা নতুন এক গবেষণায় হিসাব কষে দেখেছেন, পৃথিবীতে যত জীবন্ত কোষ আছে, তার সংখ্যা আমাদের ধারণারও বাইরে। তাদের গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে, পৃথিবীর সব জীব মিলিয়ে মোট কোষের সংখ্যা প্রায় ১০³⁰—অর্থাৎ একের পর ত্রিশটা শূন্য! এ সংখ্যা পৃথিবীর সব বালুকণার সংখ্যার চেয়েও এক ট্রিলিয়ন গুণ বেশি এবং আকাশের তারার চেয়ে মিলিয়ন গুণ বেশি।
এ গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন ভূতত্ত্ববিদ পিটার ক্রকফোর্ড। তিনি ও তার দল খুঁজে দেখেছেন পৃথিবীর সব বন, সমুদ্র, নদী এমনকি মরুভূমিতেও জীবরা কীভাবে কার্বন ব্যবহার করে। বিশেষ করে ফটোসিনথেসিস বা আলোক-সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার দিকে প্রতক্ষ্য করে যেটা গাছপালা, শৈবাল আর সায়ানোব্যাকটেরিয়ার মতো ক্ষুদ্র জীবরা সূর্যের আলো দিয়ে খাবার বানায়। এই সায়ানোব্যাকটেরিয়া সবচেয়ে পুরোনো জীবগুলোর একটি, কয়েক বিলিয়ন বছর আগে তারাই পৃথিবীর বাতাসে প্রথম অক্সিজেন ছড়িয়েছিল।

গবেষণায় আরেকটা অবাক করা তথ্য মিলেছে—পৃথিবীতে ফটোসিনথেসিস শুরু হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত মোট ১০³⁹ থেকে ১০⁴⁰ কোষ জন্ম নিয়েছে। এসব কোষ পৃথিবীর কার্বন প্রায় ১০০ বার ব্যবহার করেছে। মানে আপনার শরীরের যে কার্বন এখন আছে, সেটি হয়তো কোটি বছর আগে কোনো সাগরের শৈবালের শরীরে ছিল! তবে খারাপ খবরও আছে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, প্রায় এক বিলিয়ন বছর পর সূর্য এত বেশি গরম হয়ে উঠবে যে বাতাস থেকে কার্বন-ডাইঅক্সাইড হারিয়ে যাবে। তখন ফটোসিনথেসিস বন্ধ হয়ে যাবে, আর জীবন থেমে যেতে পারে। যদিও এত দূরের ভবিষ্যৎ নিয়ে নিশ্চিত হওয়া কঠিন, তবু এই গবেষণা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, পৃথিবীর জীবন যত বিশাল ততটাই ভঙ্গুর।

01/08/2025

প্রতিদিন ৭,০০০ কদম হাঁটলেই বাঁচতে পারেন হৃদরোগ, ক্যান্সার আর ডিমেনশিয়ার মতো ভয়ংকর রোগ থেকে! শুনে অবাক হচ্ছেন তো? কিন্তু এটি একেবারে আধুনিক বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফল।

সম্প্রতি ৫৭টি গবেষণার বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন গড়ে ৭,০০০ কদম হাঁটেন, তাদের মৃত্যুঝুঁকি ৪৭ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়।
আরো চমকপ্রদ তথ্য হচ্ছে—তাদের মধ্যে হৃদরোগ, ক্যান্সার, ডিপ্রেশন এবং ডিমেনশিয়ার ঝুঁকিও অনেক কম থাকে!

আমরা প্রায়ই শুনি, প্রতিদিন ১০,০০০ কদম হাঁটা দরকার। কিন্তু জানেন কি—এই সংখ্যাটির পেছনে কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই!

এই ‘১০,০০০ কদম’ ধারণাটির জন্ম হয়েছিল ১৯৬০ সালের এক জাপানি বিজ্ঞাপন থেকে। একটি পেডোমিটার বিক্রির জন্য চালানো হয় এই প্রচারণা।

আজকের বিজ্ঞান বলছে—১০,০০০ না হাঁটলেও চলে। প্রতিদিন যদি আপনি মাত্র ৭,০০০ কদম হাঁটেন, সেটিই যথেষ্ট উপকার এনে দিতে পারে।

আর যদি সময় কম থাকে? ৪,০০০ কদম হাঁটার চেষ্টাই আপনার শরীরকে উপকার দেবে।

তাই আর বসে না থেকে আজই হাঁটা শুরু করুন। নিজের জন্য, পরিবারের জন্য, আর একটা সুস্থ জীবন উপভোগ করার জন্য।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

Dhaka