ইডেন নারীর অধিকার

ইডেন নারীর অধিকার উচ্চশিক্ষা স্তরে সহশিক্ষামুক্ত নিরাপদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দাবিতে ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত কন্ঠস্বর

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রেক্ষিতে DCU এর মাননীয় ভিসি স্যারের বক্তব্য ছিল বাস্তব ও প্রাসঙ্গিক। শিক্ষা ব্যবস্থার সংকটকে ত...
25/08/2026

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রেক্ষিতে DCU এর মাননীয় ভিসি স্যারের বক্তব্য ছিল বাস্তব ও প্রাসঙ্গিক। শিক্ষা ব্যবস্থার সংকটকে তিনি সঠিকভাবে চিহ্নিত করে মাননীয় মন্ত্রীর নিকট তুলে ধরেছেন।

শিক্ষা ক্যাডারদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানোর মতো যোগ্য শিক্ষক অবশ্যই আছেন। কিন্তু এই চাকরির ভেতরে দিয়ে তা সম্ভব না। একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের গবেষণা থাকে। বাংলাদেশের অনার্স কলেজগুলোতে যারা শিক্ষা প্রদান করছেন তাদের কজনের গবেষণা আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে? গবেষণার জন্য যে স্থিরতা দরকার তা ঘন ঘন বদলি ও কাজের চাপ, অতিরিক্ত আনুষ্ঠানিকতা ইত্যাদি কারণে সম্ভব নয়।

আমরা আমাদের শিক্ষকদের “শিক্ষক” মানি। পদ-পদবি আমাদের কাছে গণ্য নয়। কিন্তু শিক্ষা ক্যাডারগণ নিয়োগপ্রাপ্ত হন "অফিসার" হিসেবে। এর ফলে তারা কখনো নিজেদের "শিক্ষক", আবার কখনো "অফিসার" ভাবেন। অন্যদিকে একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের পরিচয় তিনি শুধুই "শিক্ষক"। ফলে একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তার চেতনায় কেবল শিক্ষাকে ধারণ করেন। অন্যদিকে একজন বিসিএস শিক্ষক খোলামনে শিক্ষকতা করতে চাইলেও "সরকারি চাকরির" কঠোর নিয়ম শৃঙ্খলে তারা সেটা পারেন না। এ কারণে '২৪ এ আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের শিক্ষার্থীর পাশে দেখলেও সাত কলেজ বা অন্যান্য কলেজগুলোতে শিক্ষকদের প্রকাশ্যে শিক্ষার্থীদের পাশে পাইনি। এর কারণ তাদের অনিচ্ছা নয়, বরং অপারগতা। এই অপারগতা অন্যান্য ক্ষেত্রেও প্রতিফলিত হয় যা উচ্চশিক্ষার জন্য হানিকর।

দেশের সর্বোচ্চ মেধাবী সন্তানেরাই বিসিএস ক্যাডার হন। কিন্তু জটিল ও গোঁজামিলে শিক্ষা ব্যবস্থার ভেতর ঢুকে তারা নিবিড় পড়াশোনা ও গবেষণার সাথে সম্পৃক্ত হতে পারেন না যা একজন অনার্সের শিক্ষকের অপরিহার্য। দীর্ঘসময় এই ব্যবস্থার ভেতরে কাটানোর ফলে তারা এটাকে স্বাভাবিক মনে করছেন। কিন্তু এটা যে একটা সংকট, সংকট হতে উত্তরণের প্রয়োজন রয়েছে এবং সেই পথ তৈরি করা সম্ভব ভিসি স্যার সেটিই স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন।

ভিসি স্যারের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় শিক্ষকদের আন্দোলন ও দাবি হতে পারতো গবেষণার সুযোগ বৃদ্ধি, অনার্স ও উচ্চমাধ্যমিকের জন্য আলাদা শিক্ষক নিয়োগ, পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ, সরকারি কলেজগুলোতে বাজেট বৃদ্ধি; শিক্ষক-অফিসার এই দ্বৈত পরিচয়ের অবসান, সর্বোপরি শিক্ষকদের স্বাধীনতা ও নিবিড় অধ্যাপনার সুযোগ বাড়ানোর জন্য। কিন্তু সমাধান দূরে থাক, তারা সমস্যাকে চিহ্নিত করতে পারছেন না। তাদের এই অপারগতা শিক্ষার্থী হিসেবে আমাদের মনে কষ্ট ও আক্ষেপের জন্ম দেয়।

বিসিএস শিক্ষকগণ দেশের বৃহত্তম জনগোষ্ঠীর শিক্ষা প্রদানে নিয়োজিত। মাননীয় ভিসি স্যার যে সমস্যাগুলোর কথা বলেছেন তা কেবল সাত কলেজের সমস্যা না, এগুলো জাতীয় সংকট। সমস্যা সমাধানের প্রথম স্টেপ হলো সমস্যাকে "সমস্যা" হিসেবে চিহ্নিত করা। কাজেই স্যারের বক্তব্যের একপাক্ষিক সমালোচনা না করে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে সমস্যা নিরসনের উদ্যোগ নিয়ে
উচ্চমাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষার জন্য আলাদা শিক্ষক নিয়োগ করে তাদের নিবিড় অধ্যয়ন ও গবেষণার সাথে যুক্ত করলে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে। এটি সম্ভব না হলে DCU তে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ অধিক উপযুক্ত। এতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে।

ভিসি স্যারের বক্তব্য নতুন না। দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষা বিশেষজ্ঞগণ এটি আলোচনা করছেন। একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি মন্ত্রীর নিকট এটি পেশ করেছেন যেটি দেশের জন্য প্রয়োজন ছিলো। এই সংক্রান্ত কিছু আলোচনা:

১। বিসিএস (শিক্ষা) : শুধুই শিক্ষকতা হলে সিভিল সার্ভিস ক্যাডার কেন? https://www.google.com/amp/s/www.prothomalo.com/amp/story/education/higher-education/i0f3fm3yts

২। শিক্ষা ক্যাডারদের কাজ কেবল চক–ডাস্টার হাতে শ্রেণিকক্ষে, না শিক্ষাব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনের নেতৃত্বে থাকা https://www.prothomalo.com/education/higher-education/7ntc3lbn7r

৩। শিক্ষা ক্যাডার অবহেলার পরিণতি
https://shikshabarta.com/225868/

৪। বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার সবচেয়ে অবহেলিত
https://thedailycampus.com/opinion/65030/বিসিএস-শিক্ষা-ক্যাডার-সবচেয়ে-অবহেলিত/amp

~ নওশী আঞ্জুম
ইডেন কলেজ

শিক্ষা ক্যাডারের সব কর্মকর্তা প্রশাসক হবেন—এমনটি যেমন কাম্য নয়, তেমনি সবাই সারা জীবন কেবল শ্রেণিকক্ষেই সীমাবদ্.....

সাত কলেজ বর্তমানে যেভাবে চলছে তা জাবি (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়!) এর অনুরূপ। বরং কিছু ক্ষেত্রে এর মান জাবির চেয়েও নিম্নমুখ...
23/08/2026

সাত কলেজ বর্তমানে যেভাবে চলছে তা জাবি (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়!) এর অনুরূপ। বরং কিছু ক্ষেত্রে এর মান জাবির চেয়েও নিম্নমুখী।

ইন্টামিডিয়েট স্তর রেখে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় সম্ভব না। আর একটা স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কখনো মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত থাকতে পারেন না।

আবার রাতারাতি ঐতিহ্যবাহী ৫টি সরকারি কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট স্তর তুলে দিলে তা ঢাকার বাসিন্দা ও সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থায় বাড়তি চাপ যোগ করবে।

সমস্যা বড়ই জটিল...
(ফটোকার্ড সংগৃহীত)

হাইব্রিড স্কুলিং সিস্টেম চালু হলে ইডেন ও তিতুমীর এ ইন্টারমিডিয়েট ঢুকবে। এর জন্য স্কুলিং না, স্বাতন্ত্র্য কলেজিয়েট সিস্...
22/08/2026

হাইব্রিড স্কুলিং সিস্টেম চালু হলে ইডেন ও তিতুমীর এ ইন্টারমিডিয়েট ঢুকবে। এর জন্য স্কুলিং না, স্বাতন্ত্র্য কলেজিয়েট সিস্টেম রাখা আবশ্যক। এই কথাগুলো বলে বিশ্ববিদ্যালয় বিরোধী হয়ে গেছিলাম। 🙂
তখন মানতে নারাজ ছিলেন। আজ সময় বলে দিচ্ছে, কথাগুলো সত্য ছিলো।

বাজারে পড়িয়া থাকে অমূল্য রতনচলে যায় চাষা তাই করিয়া দলনরত্ন ব্যবসায়ী যে সেই চিনে হীরেযতনে রতন তুলে রাখে বুক চিরে।**ব...
21/08/2026

বাজারে পড়িয়া থাকে অমূল্য রতন
চলে যায় চাষা তাই করিয়া দলন
রত্ন ব্যবসায়ী যে সেই চিনে হীরে
যতনে রতন তুলে রাখে বুক চিরে।
**
বুয়েট তার মুল্যায়ন না করলেও অক্সফোর্ড ঠিকই হীরা চিনেছে।

এদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় মেধাবীর মূল্যায়ন নেই। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা মুখস্ত নির্ভর। যোগ্যতা ও দক্ষতার মূল্যায়ন নেই। এ কারণে বিশ্ববিদ্যালয় পাশ করেও চিন্তা ও মননে সেই পাণ্ডিত্য প্রকাশ পায় না। না দেশ ও দশের কোনো উপকারে লাগে।

21/08/2026

মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয়তানিয়ে বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

21/08/2026

ইডেন মহিলা কলেজ নিয়ে শায়খ আহমাদুল্লাহর বক্তব্য

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি ভোটে "হ্যাঁ" ভোটের জয়।অভিনন্দন সবাইকে। সুন্দর ও কল্যাণময় হোক এই নবযাত্রা। পরম করুণাময়ের ন...
21/08/2026

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি ভোটে "হ্যাঁ" ভোটের জয়।
অভিনন্দন সবাইকে। সুন্দর ও কল্যাণময় হোক এই নবযাত্রা। পরম করুণাময়ের নিকট এই আমাদের প্রার্থনা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের ২০২১-২২, ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ঢাকা সেন্....

মাইগ্রেশন নিয়ে অনলাইন ভোট রানিং শিক্ষার্থীরা ঢাবি নাকি ডিসিইউ এর অধীনে শিক্ষাজীবন শেষ করতে চান অনলাইনে ভোট দিয়ে জানিয়ে দ...
17/08/2026

মাইগ্রেশন নিয়ে অনলাইন ভোট
রানিং শিক্ষার্থীরা ঢাবি নাকি ডিসিইউ এর অধীনে শিক্ষাজীবন শেষ করতে চান অনলাইনে ভোট দিয়ে জানিয়ে দিন।

মাইগ্রেশন ইস্যুতে ভোট নিচ্ছে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রশাসন। আগামী ১৬ থেকে ২০ আগস্ট নিজ নিজ কলেজের অধ্যক্ষের কক্ষে ...
12/08/2026

মাইগ্রেশন ইস্যুতে ভোট নিচ্ছে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রশাসন। আগামী ১৬ থেকে ২০ আগস্ট নিজ নিজ কলেজের অধ্যক্ষের কক্ষে গিয়ে ভোট দিয়ে পারবেন শিক্ষার্থীরা।

সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ঢাবির অধীনে ভর্তিকৃত রানিং ব্যাচগুলোর মাইগ্রেশন হবে কিনা।

Address

ইডেন মহিলা কলেজ
Dhaka
১২০৫

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইডেন নারীর অধিকার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category