07/07/2025
মির্জা গালিবের একটা কথা আছে না—
'সন্ধ্যা কাটে না অথচ বছর কেটে যায়'।
সময়ের সাথে আমরাও চলে যাচ্ছি । কোথায় যাচ্ছি জানি না । তবে বুঝতে পারছি কোথাও একটা যাচ্ছি। হয়তো সমুদ্রের দিকে– নয়তো নক্ষত্রের দিকে। নিয়ম করে আমাদের জ্বর, ঠান্ডা, অভিমান হচ্ছে। বিনা পারিশ্রমিকে দিনের পর দিন নিজের সাথে অভিনয় করে যাচ্ছি। নিরপরাধ দুটো চোখ ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছে। তবুও আমরা যাচ্ছি । প্রিয় মানুষ ফেলে, পরিচিত আকাশ ফেলে আমরা চলে যাচ্ছি। দূরে, বহুদূরে কোথাও!
#মির্জাগালিব
25/06/2025
বাংলাদেশে কি কখনও তুষারপাত হতে পারে?
বাংলাদেশে এত শীত পড়ে, কিন্তু বরফ পড়ে না। মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে, কখনো কি বাংলাদেশে তুষারপাত বা বরফ পড়া সম্ভব?
আকাশে তুষারকণা তৈরি হলে তা বাংলাদেশ বা সাইবেরিয়া চেনে না। সব দেশেই সমানভাবে পড়ে।
তাহলে বাংলাদেশে পড়তে দোষ কী? বাংলাদেশেও একটু পড়লে তো মন্দ হতো না।
কিন্তু তুষারপাত হওয়ার শর্ত হচ্ছে ঐ অঞ্চলের তাপমাত্রা নামতে হবে হিমাঙ্কের নিচে, অর্থাৎ শূন্য ডিগ্রির নিচে।
বাংলাদেশের তাপমাত্রা কষ্মিনকালেও হিমাঙ্কের নিচে নামেনি। দেশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২০১৮ সালে তেঁতুলিয়ায়, ২.৬ ডিগ্রি।
কিন্তু বাংলাদেশের স্বাভাবিক তাপমাত্রা যেহেতু ২০ ডিগ্রির ওপরে, তাই তুষারকণা গলে পানিতে পরিণত হয়। ফলে তুষারপাতের পরিবর্তে বাংলাদেশে হয় বৃষ্টি।
মূলত তুষারকণা ও বৃষ্টিকণা একই। কোনোটা বরফ আকারে পড়ে, আর কোনোটা পড়ে পানি হিসেবে। বাংলাদেশে তুষারপাত না হলেও শিলাবৃষ্টি হয় মাঝেমধ্যেই।
স্বাধীন বাংলাদেশের রেকর্ড অনুসারে, এ দেশে কোনো দিন তুষারপাত হয়নি। হওয়া সম্ভবও নয়। কারণ, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ওই ২.৬ ডিগ্রি।
বর্তমানে বৈশ্বিক জলবায়ুর যে অবস্থা, তাতে নিশ্চিতভাবে বলা যায় না যে দেশের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে নামবে না।
গবেষকদের মতে, ২০৩০ সাল নাগাদ পঞ্চগড়ের দিকে তুষারপাত হলেও হতে পারে। তবে তা সাইবেরিয়ার মতো ভারী তুষারপাত হবে না।
সূত্র: বিজ্ঞানচিন্তা
23/06/2025
Breaking news 😱😱
কাতারে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে ইরান
23/06/2025
"এখন হয়তো আমাকে ব্রিটিশদের হয়েই লড়তে হচ্ছে, তবে যুদ্ধ শেষ হলে আমি ভারতের স্বাধীনতার জন্যই লড়াই করব।"
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় দখলকৃত ইউরোপ এবং পরবর্তীতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অক্ষশক্তির বিরুদ্ধে গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা, গুপ্তহামলা এবং নজরদারির উদ্দেশ্যে ব্রিটিশরা নিয়োগ দিত স্পেশাল অপারেশন্স এক্সিকিউটিভ-দের।
এই পদে ইন্টারভিউ দেওয়ার সময়ই এরকম নির্দ্বিধায় সত্য কথা বলেছিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত, মহীশূরের বিখ্যাত শাসক টিপু সুলতানের বংশধর নূর-উন-নিসা ইনায়াত খান।
ইন্টারভিউ দিয়ে বের হয়ে তিনি সত্য বলে চাকরি না পাওয়ার আশঙ্কায় আফসোস করেছিলেন কিনা জানা নেই। কিন্তু চাকরিটা ঠিকই পেয়েছিলেন।
প্রথম নারী রেডিও অপারেটর হিসাবে নূর একজন SOE পদে জয়েন করেন।
১৯৪৩ সালের জুন মাসের এক রাতের ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর দুটো লাইস্যান্ডার অ্যারোপ্লেনে চড়ে দখলকৃত ফ্রান্সের উদ্দেশ্যে উড়াল দেন বেশ কিছু এসওই। এই দলেই ছিলেন নূর ইনায়াত খান।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের বছরেই (১৯১৪) জন্ম নূরের, তৎকালীন রাশিয়ান সাম্রাজ্যের মস্কোতে। তবে বাবার দিক থেকে নূরের গায়ে বইছিল ভারতের রক্ত।
তার বাবা ইনায়াত রেহ্মাত খান ছিলেন উত্তর ভারতের প্রখ্যাত ক্লাসিক্যাল মিউজিশিয়ান, যিনি হায়দারাবাদের নিজামের কাছ থেকে ‘তানসেন’ উপাধি লাভ করেছিলেন।
ইনায়াত রেহ্মাত খানের মা খাতিজাবি ছিলেন ‘ভারতের বিটোফেন’ খ্যাত ওস্তাদ মাওলা বক্স খানের কন্যা।
ওদিকে মাওলা বক্সের স্ত্রী কাসিম বিবি আবার ছিলেন ইতিহাসের বিখ্যাত বীর যোদ্ধা মহিশূরের শাসনকর্তা টিপু সুলতানের নাতনী।
১৯৪৩ সালের জুনে নূরের ফ্রান্স যাত্রার উদ্দেশ্য ছিল এসওই-র হয়ে রেডিও অপারেটর হিসেবে কাজ করা। দখলকৃত ফ্রান্সের বিভিন্ন খবরাখবর হেডোকোয়ার্টারে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করাই ছিল মূলত তার দায়িত্ব।
শুনতে যতটা সহজ মনে হচ্ছে, বাস্তবে ঠিক ততটাই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল এই কাজ। দেখা যেত, প্রতি এক-দেড় মাসের মাঝেই এসওই-র কোনো না কোনো রেডিও অপারেটর ধরা পড়ছেন।
এতকিছু জেনেও সংগঠনটির প্রথম নারী রেডিও অপারেটর হিসেবে কাজের দুঃসাহস দেখিয়েছিলেন নূর, যাচ্ছিলেন অক্ষশক্তির অধিকৃত একটি অঞ্চলে।
লো প্রোফাইল মেইনটেইন করে দুঃসাহস তিনি দেখিয়েছিলেন বটে! একসময় তিনিই হলেন প্যারিসে থাকা এসওই-র একমাত্র রেডিও অপারেটর। অন্য সবাই ততদিনে ধরা পড়ে গেছে।
নূর তখন তার পক্ষ থেকে যা যা করা সম্ভব সবই করছিলেন। অন্য এজেন্টদের প্রয়োজনীয় বার্তা পৌঁছে দেয়া, প্রতিরোধ বাহিনীর হাতে অস্ত্র পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করা, এমনকি যুদ্ধাহত পাইলটদের দেশে ফেরার ব্যবস্থাও তিনি করছিলেন।
কেবল তিনি নিজেই দেশে ফেরার চিন্তা মাথায় আনেননি।
শেষমেষ যখন দেশে ফিরবেন বলে ভাবলেন, তার আগের দিনই ধরা পড়লেন না জি দের কুখ্যাত পুলিশ বাহিনী গেস্টাপোর হাতে। তাকে নিয়ে যাওয়া হয় প্যারিসে গেস্টাপোর হেডকোয়ার্টারে।
দুরন্ত সাহসী নূর বেশ কয়েকবার পালানোর চেষ্টা করেন। প্রতিবারই শেষ মুহূর্তে ধরা পড়ে যান। তাকে বিপজ্জনক মনে করে পাঠিয়ে দেওয়া হয় জার্মানির ডাকাউ কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে। সেখানে রীতিমত শেকলে বেঁধেই আটকে রাখা হয় তাঁকে।
১৯৪৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর সেই ক্যাম্পেই গু লি করে নূর ইনায়াত খানের মৃ ত্যু দ ণ্ড কার্যকর করা হয়। তখন অসামান্য সুন্দরী ও সাহসী এই নারীর বয়স ছিল মাত্র ৩০।
মৃত্যুর আগে তার শেষ কথা ছিল, “Liberté!” যার অর্থ “স্বাধীনতা”।
মৃত্যুর পর নূর ইনায়াত খানের সাহসিকতা, হার-না-মানা মানসিকতা উপযুক্তি স্বীকৃতিই পেয়েছে। ১৯৪৯ সালে তিনি মরণোত্তর জর্জ ক্রস সম্মাননা অর্জন করেন।
যুক্তরাজ্যের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এই সম্মাননা কেবল তাদেরই দেয়া হয় যারা চরম বিপদের মুহূর্তে অসীম সাহসীকতার পরিচয় দিয়ে থাকেন।
এর পাশাপাশি তিনি রূপালী তারকা সম্বলিত ক্রইক্স দ্য গ্যেরে সম্মাননাও অর্জন করেন।
সূত্র: Roar Media, BBC
30/05/2025
India vs Bangladesh
~ বঙ্গবল্টু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা
30/05/2025
ধরুন
ড. ইউনূস আইতাছি বলে বিদেশ গিয়ে আসিফ নজরুলকে বললো তোরার দেশ তোরা এবার চালা। আমি এই বা* লের গ্যাঞ্জামে আর নাই ! 🐸