18/04/2026
ART
যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ ও ১৫ বছরে ১৫০০ কোটি ডলারের জ্বালানি কিনতে হবে।
বছরে ৩৫০ কোটি ডলারের কৃষিপণ্য আমদানি করতে হবে। সামরিক সরঞ্জামের ক্রয় বৃদ্ধি করতে হবে।
কিছু নির্দিষ্ট দেশ থেকে সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় সীমিত রাখার চেষ্টা করতে হবে।
অশুল্ক বাধা অপসারণে বাংলাদেশকে যা করতে হবে-যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে কোনো কোটা আরোপ করা যাবে না ও তাদের পণ্য আমদানিতে অশুল্ক বাধা দূর করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য প্রতিযোগিতার মুখে পড়বে না-বাংলাদেশকে এ রকম উদ্যোগ নিতে হবে।
শ্রমিকদের সংগঠন করার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। আর যুক্তরাষ্ট্র যা করবে-বাংলাদেশের পণ্যে পালটা শুল্ক ২০ থেকে ১৯ শতাংশে কমিয়ে আনবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সুতা ও তন্তু দিয়ে তৈরি পোশাকে পালটা শুল্ক না বসানোর প্রতিশ্রুতি থাকবে।
বাণিজ্যচুক্তির নামে বাংলাদেশের বিনিয়োগ, ডিজিটাল বাণিজ্য, শিল্প, কৃষি, জ্বালানি, প্রতিরক্ষাসহ বিস্তৃত ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যায় ও অন্যায্য হস্তক্ষেপ।
বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দেশীয় উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানকে প্রদত্ত সুবিধা মার্কিন কোম্পানিকেও দিতে হবে;
যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশকেও মেনে চলতে হবে,
আমদানি করা মার্কিন কোনো পণ্যের গুণগত মান পরীক্ষা করা যাবে না;
যুক্তরাষ্ট্র ব্যতিরেকে নতুন করে বাংলাদেশ অন্য কোনো দেশ থেকে পারমাণবিক প্রযুক্তি ক্রয় করতে পারবে না।
বাংলাদেশ এমন কোনো দেশ থেকে পারমাণবিক চুল্লি, জ্বালানি বা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কিনতে পারবে না, যা যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচিত হবে।
পরাশক্তির দ্বন্দ্ব-সংঘাতে বাংলাদেশ নিরপেক্ষ অবস্থান নিতে পারবে না। ‘কিছু নির্দিষ্ট দেশ’