দোলেশ্বর আব্দুল মান্নান আদর্শ মহাবিদ্যালয়ের সকল ছাত্রছাত্রীদের জন্য অনেক শুভকামনা রইল
দোলেশ্বর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশান
দোলেশ্বর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন
29/08/2022
16/12/2021
বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীতে সবাইকে মহান বিজয় দিবস এর শুভেচ্ছা।
05/03/2021
গতকাল দোলেশ্বর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন এর পাচ বছর পুর্তি উপলক্ষে একটি সভার আয়োজন করা হয়।সভায় আমাদের অতীতের সফলতা ও ব্যার্থতা পর্যালোচনা করে ভবিষ্যতে শিক্ষা ও সামাজিকতায় আমরা কি কাজ করতে পারি সেই বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
★আপনারা জেনে অত্যন্ত খুশি হবেন যে আমাদের সংগঠন থেকে যেই ৩০ শিক্ষার্থীদের এস.এস.সি পরিক্ষার রেজিষ্ট্রেশন ফি বাবদ যেই আর্থিক অনুদান দিয়েছি তারা সকলেই পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন।আমরা সকল শিক্ষার্থীদের সার্বিক সফলতা কামনা করছি।
★অতীতে আমরা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য একটি সচেতনতামূলক র্যালি ও সভার আয়োজন করি,যার ফলশ্রুতিতে আমাদের ঢাকা- ৩ আসনের সংসদ সদস্য জনাব নসরুল হামিদ বিপু ভাই অত্র এলাকার বাসা বাড়ির ময়লা ও আবর্জনা নিষ্কাশনের জন্য দোলেশ্বরবাসীকে ভ্যান উপহার দেন এবং তা পরিচালনা করার জন্য এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের নির্দেশনা প্রদান করেন।
★ ইভটিজিং বিরোধী একটি প্রোগ্রাম আমরা করেছি ইতিমধ্যে। দঃ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি ও কোন্ডা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব সাইদুর রহমান চৌধুরী ফারুক আমাদের সকল প্রকার প্রশাসনিক ভাবে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।পরিস্থিতি অনুযায়ী সে লক্ষে আমরা আগামীতে আপনাদের সকলের সহযোগিতা ও পরামর্শে আরোও কঠোর পদক্ষেপ নিবো ইনশাআল্লাহ।
★দোলেশ্বর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর চিকিৎসা ও চিকিৎসা পরবর্তী সেই পরিবারের ঋণ পরিশোধের জন্য আমরা প্রায় এক লক্ষ টাকা প্রদান করি।যদিও সেই শিক্ষার্থীকে বাচানো সম্ভব হয়নি,আমরা তার রুহের মাগফিরাত কামনা করছি।
★ ইতিমধ্যেই আমরা অনেক অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের বিভিন্নসময়ে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেছি,গোপনীয়তার স্বার্থে আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তা শেয়ার করিনি।
★অতি শীঘ্রই আমরা বৃক্ষ রোপন এর জন্য একটি কার্যক্রম পরিচালনা করবো।এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় আমরা বৃক্ষ রোপন করতে চাই।এই কার্যক্রম সম্পর্কিত যে কোন পরামর্শ ও মতামত এলাকাবাসী সকলের নিকট কাম্য।
★দোলেশ্বর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের কোন শিক্ষার্থীর পরিবার যদি তার সন্তানকে পড়াশোনা করার জন্য যদি আর্থিক সমস্যায় ভোগেন তাহলে আমাদের সভাপতি, মহাসচিব অথবা আমাদের যেকোন সদস্যের সাথে যোগাযোগ করবেন।আমরা আপনার পরিচয় গোপন রাখবো।আমরা বিশ্বাস করি শুধুমাত্র আর্থিক সমস্যা কোন শিক্ষার্থীর শিক্ষা গ্রহনে অন্তরায় হতে পারে না।
★এছাড়াও আমরা আমাদের সকল সদস্য ও সদস্যের পরিবার নিয়ে বার্ষিক পুণর্মিলনীর লক্ষ্যে বনভোজন এর আয়োজন করি।
★★★ যেকোন কার্যক্রম পরিচালনা করার আগে আমরা একটি সভার আয়োজন করি,আমাদের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম সাফল্যমণ্ডিত করার জন্য সভায় উপস্থিত থেকে আপনার মুল্যবান পরামর্শ ও মতামত প্রদানের জন্য আহবান জানাচ্ছি।
★ধন্যবাদ।
15/02/2021
হাতিরপুল, ঢাকা।
হাতিরপুলের নীচে ছিল একটি রেললাইন। তৎকালীন বৃটিশ সরকারের শেষ সময়ে ঐ স্থানে রেললাইন তৈরি করা হয়। এই পুল দিয়ে একসময় হাতি পারাপার হতো। হাতিদেরকে রেললাইনের উপরের পুল দিয়ে পিলখানা থেকে হাতিরঝিলে নিয়ে যাওয়া হতো গোসল করাতে। নুড়ি পাথর আর স্লিপারের কারণে রেললাইনের উপর দিয়ে হাতিরা হাঁটতে পারতো না। তাই তারা যেতো তৈরিকৃত উপরের পুল দিয়ে। আর সেই থেকেই এটির নাম হলো হাতিরপুল।
ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় মোঘল ও ইংরেজ আমলে ঢাকায় সরকারের মালিকানাধীন অনেক হাতি ছিল। পরিবহন আর যাতায়াত করা ছাড়াও এই হাতিগুলো নানাধরণের কাজে ব্যবহৃত হতো। #পিল মানে হাতি, আর #খানা মানে আশ্রম। সরকারের এই হাতিগুলো থাকতো #পিলখানায়। পিলখানা জায়গাটার নামের উৎপত্তি এভাবেই। বর্তমানে এটি এলাকাটি বিজিবি হেডকোয়ার্টার আর 'সীমান্ত স্কয়ার মার্কেট' নামেই অধিক পরিচিত।
পিলখানা থেকে বর্তমান হাতিরপুল এলাকায় হাতি চলাচলের জন্য ইস্টার্ন প্লাজা ও পরিবাগ বরাবর যে সেতু বা পাকা পুল নির্মাণ করা হয়েছিল হাতি পারাপারের জন্য, সেটিই হাতিরপুল। পিলখানা থেকে রমনা পার্কে হাতি চারণের জন্য নেয়া হতো। যে রাস্তা দিয়ে নেয়া হতো সেটাই #এলিফ্যান্ট রোড। গাউছিয়া মার্কেটের পাশ দিয়ে বাটা সিগনাল ক্রস করে হাতিরপুল দিয়ে পরিবাগ হয়ে রমনা থানার পাশ দিয়ে মগবাজার ওয়্যারলেস মোড় পেরিয়ে মধুবাগের দিকে যে রাস্তাটি গেছে - এই পুরো রাস্তাটির নাম ছিল এলিফ্যান্ট রোড, এটিই আদি ইতিহাস। ইতিহাস থেকে আরও জানা যায় আজকের জনবহুল এলিফ্যান্ট রোড এলাকাটি ১৮০০ সালে ছিলো বিশাল আকৃতির গাছ-গাছালিতে ঘেরা ছোটখাট বনাঞ্চল। পরবর্তীতে গাছ-পালা কেটে হাতি চলাচলের জন্য রাস্তা তৈরি করা হয়। এই এলিফ্যান্ট রোড দিয়েই শত শত হাতির পাল চড়িয়ে বেড়াতেন মাহুতরা। পরবর্তীতে সায়েন্স ল্যাব থেকে শাহবাগ পর্যন্ত 'নিউ এলিফেন্ট রোড' নামের আড়ালে আদি এলিফেন্ট রোডের পরিচয়টি হারিয়ে গেছে।
বর্তমানে এলাকাটি #হাতিরপুল নামেই পরিচিতি লাভ করে। তখন মানুষেরা এই পুল, হাতি আর ট্রেন দেখতে এখানে আসতো। পুলের নিচে এর নীচে কাছাকাছি অবস্থানে ছোট ছোট কয়েকটি খাবারের হোটেল ছিল। আর ছিলো ছোট্ট একটি বাজার। বাজার বলতে তখন রেল লাইনের উপর কয়েকটা অস্থায়ী দোকান। পঞ্চাশ এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে সেখানে বসতি গড়ে উঠতে শুরু করে। হাতিরপুল বাজার তখনও হয়নি। নূতন বাসিন্দারা নিজেদের প্রয়োজনে পুঁজি বিনিয়োগ করে কিছু লোককে এখানে বেচাকেনা করতে বলেন, সেখান থেকেই এ বাজারের গোড়াপত্তন। ১৯৬৯ থেকে ৭৪ পর্যন্ত পুলে ওঠার জন্য টাকা দিয়ে রিকশা ঠেলে দেয়ার জন্য লোক পাওয়া যেতো। এই পুল পারাপারের জন্য যে সব ছোট ছোট ছেলেরা ছিলো, তাদেরকে প্রতিবার পারাপারের জন্য দিতে হতো ২ থেকে ৩ আনা। এরা ৪/৫ জনে দলবেঁধে রিকশা ঠেলতো। এভাবে রিকশায় চেপে পুল পার হওয়া যেতো। এই পথেই ছিলো শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরীদের পৈতৃক বাড়িটা। হালকা হলুদ রঙের বাংলো প্যাটার্নের বাড়িটির নাম ছিল #দারুল_আফিয়া। হাতিরপুল পার হয়ে যাতায়াত করতে হতো দারুল আফিয়ায়, শহীদ মুনীর চৌধুরীর বাড়িতে। ১৯৭১ সালে সেখান থেকেই তাকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল রাজাকাররা।
তৎকালীন রমনা এলাকার চারপাশে বেশ কিছু খাল ছিল। যেগুলো এখন মানচিত্র আর কাগজে-কলমে আছে, বাস্তবে নেই। হাতিগুলোকে নেওয়ার জন্য খালের উপর নির্মিত হয়েছিলো সেতু। এগুলোকে উদ্ধার করে খালগুলোকে মুক্ত করে নগর পরিকল্পনা করলে শহরটি অনেক সুন্দর হয়ে উঠতে পারে। যেমনটা হয়েছে হাতিরঝিলের ক্ষেত্রে। সীমান্ত স্কয়ার থেকে হাতিরঝিল হয়ে একদিকে গুলশান পর্যন্ত অন্যদিকে ডেমরা পর্যন্ত নৌ চলাচল পথ তৈরি করা এখনো সম্ভব। হাতিরপুল ভেঙ্গে নীচের লাইন বরাবর যে রাস্তাটি নির্মাণ করা হয় সেই রাস্তার নাম রাখা হয়েছিলো পেনিট্রেটর রোড। কেন এমন একটা অদ্ভুত নাম রাখা হয়েছিল, আর কীভাবেই বা এলাকাটা হাতিরপুল বাজার হয়ে গেল জানা যায়নি।
এখন যেখানে মোতালেব প্লাজা টাওয়ার গড়ে উঠেছে, সেখানে ছিল একটি সুইপার কলোনি। নাম ছিল 'মোতালেব কলোনি'। মোতালেব কলোনির মধ্যে পাঁচটি দোতলা বাড়ি ছিল। কাঁঠালবাগানের ঢালে পরিত্যক্ত রেললাইন ছিল। ঢাকার নবাবরাও হাতি পার করার জন্য খাল ভরাট না করে বানিয়েছিলো হাতির পুল, আমরা তো আরো বড় নবাব, তাই খালটাই ভরাট করে দখল করে ফেললাম।
ওপাশে ছিল পরীবাগ মসজিদ, ছিল পাওয়ার হাউসটাও। সেসময় হাতিরপুল সংলগ্ন পরিবাগ এলাকায় অনেক গাছগাছালি ও খাল ছিলো। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীরা না-কি এই পুলের উপর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে গুলিবর্ষণ করেছিল। হাতিরপুলটি ছিল খাড়া এবং উঁচু যার ফলে দুর্ঘটনা লেগেই থাকতো।
৭০ এর দশকে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় একটি সচিত্র প্রতিবেদন ছাপা হয়েছিল (ছবি সংযুক্ত) এই হাতিরপুল ভাঙা নিয়ে। রিপোর্টে উল্লেখ করা আছে, ৫০ বছরের পুরোনো এই পুলটি ভাঙা হবে নগরে নতুন রাস্তা তৈরি করার জন্য। পৌরসভা এই পুল ভাঙ্গার কাজটি করছে। নতুন রাস্তা তৈরির জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে দেড় লক্ষ টাকা। ফুলবাড়িয়া-তেজগাঁও রেললাইনের উপর দিয়ে পরিবাগ ও ধানমন্ডি এলাকার মধ্যে যান চলাচলের সহজ উপায় ছিলো এই হাতিরপুল বা রেলওয়ে ওভার ব্রিজটি। নগর সংস্কারের জোয়ারে ও আকাশচুম্বি অট্টালিকা তৈরির জন্য এই পুলটি ভাঙ্গা হচ্ছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছিলো, 'যদিও এই পুলটি ঐতিহাসিক এবং স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যমন্ডিত ছিলো, কিন্তু সেসময়ের নগর পরিকল্পনাবিদরা বলেছিলেন রেলওয়ে স্টেশন কমলাপুরে সরিয়ে নেয়ার পর এই পুলের আর দরকার নাই।'
ছবিতে ঢাকার ৪০০ বছরের ইতিহাস পাতায় 'বিদায় হাতীরপুল' শিরোনামে ইত্তেফাকের সংবাদটি পড়ে আর যাদের শৈশব, কৈশোর, যৌবনের অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে এই হাতিরপুল, ভুতের গলির সাথে, সবার স্মৃতি রোমন্থনের উদ্দেশ্যে এই পোস্টের অবতারণা।
তথ্যসূত্রঃ শাহানা হুদা রঞ্জনা। সিনিয়র কো-অর্ডিনেটর, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন।
#ছবি: সংগৃহিত।
: JOB OPPORTUNITY:
NRBC Bank intends to recruits 500 employees in differents post. All eligible candided are requested to Apply for your deserved post within November 10; 2020. All information are available in the webside:www. nrbcommercialbank.com.
02/05/2020
📌ক্ষুধার্ত পেটে নাটক মুভি দেখে সময় কাটানোকে ‘সিয়াম’ বলে না।
💙✔️সংযমের জন্য মুভি দেখা থেকে বিরত থাকার নামই ‘সিয়াম’।
📌অনাহার থেকে মাথা গরম করে রিকশাওয়ালাকে থাপ্পর দেওয়াকে ‘সিয়াম’ বলে না।
💙✔️ ‘সিয়াম’ তো তাকেই বলে, যে চরম বাজে পরিস্থিতিতেও মানুষের সাথে সদয় ব্যবহার করে।
📌সারাদিন অনাহার থেকে সন্ধ্যাবেলায় গলা পর্যন্ত ডুবিয়ে খাওয়া ‘সিয়াম’ এর শিক্ষা নয়।
💙✔️ ‘সিয়াম’ তো পরিমিতিবোধ শেখায়।*
📌মাথা গরম করে কাউকে গালি দেওয়ার নাম ‘সিয়াম’ নয়।
💙 ✔️বরং কেউ গালি দিলে, “আমি রোযা” বলে গালি দেওয়া থেকে বিরত থাকার নামই ‘সিয়াম’।
📌অবসর পেয়ে “কে সিয়াম রাখে না”, “কার ছেলে-মেয়ে নষ্ট হয়ে গেছে” ইত্যাদিসহ অন্যের গীবত করে সময় কাটানোর নাম “সিয়াম” নয়।
💙 ✔️সব ধরনের গীবত করা থেকে বেঁচে থাকার নামই “সিয়াম”।
📌আসন্ন ঈদ উপলক্ষ্যে সেজে-গুজে মার্কেটে ঘুরে বেড়ানো “সিয়াম” এর শিক্ষা নয়।
💙✔️বরং নিজেকে হেফাজত করা আর চোখের গুনাহ থেকে বেঁচে থাকাই “সিয়াম” এর শিক্ষা।
📌আগেভাগে সেহরী খেয়ে নামাজ বাদ দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ার নাম “সিয়াম” নয় ।
💙 ✔️বরং সব ওয়াক্ত নামাজ পড়া /কোরআন তেলাওয়াত করা / এবং তাসবিহ তাহলীল পাঠ করে আল্লাহ্ কে স্মরণ করার নামই “সিয়াম”।
💓✔️✔️রমযান হলো মুমিনের জন্য সংশোধন হওয়ার ট্রেনিং কোর্স💓
*📚রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ❝ঐ ব্যক্তির জন্য ধ্বংস যে সিয়াম মাস পেল অথচ নিজেকে সংশোধন করতে পারলো না।❞*
[বায়হাকি শরীফ]
Covid 19 থেকে ফিরে আসা একজনের অভিজ্ঞতা:
1. ভিটামিন সি (যথাসম্ভব)
2. ভিটামিন ই (ট্যাবলেট পাওয়া যায়)
3. প্রতিদিন সকাল ১১টার মধ্যে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রোদ পোহানো.
4. কমপক্ষে একটি করে ডিম প্রতিদিন।
5. প্রতিদিন কমপক্ষে ৭-৮ ঘন্টা ঘুম।
6. প্রতিদিন কমপক্ষে ১.৫ লিটার পানি পান এবং প্রতি বেলায় গরম খাবার খাওয়া.
এই কাজ গুলোই হাসপাতালে করা হয়।
•• করোনা ভাইরাসের দেহের pH এর মান 5.5 থেকে 8.5
•• তাই এর চেয়ে বেশি pH level এর খাবার গ্রহনের মাধ্যমে আমরা এর রাসায়নিক গঠন ভেংগে দিতে পারি।
•• 5.5 থেকে 8.5 এর থেকে বেশি pH level এর কিছু খাবার হল :
* লেবু - 9.9 pH
* পাতিলেবু - 8.2 pH
*এভোকাডো - 15.6 pH
* রসুন- 13.2 pH *
* আম- 8.7pH
* ছোট কমলা - 8.5pH
* আনারস- 12.7 pH
* ডালিয়া ফুল - 22.7 pH
* কমলালেবু - 9.2 pH
•• আপনি কিভাবে বুঝবেন যে আপনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত?
1. গলা চুলকাবে
2. গলা শুকিয়ে আসবে
3. শুকনা কাশি হবে
4. তীব্র জ্বর
5. শ্বাস ছোট হয়ে আসবে
6. গন্ধ ও স্বাদের অনুভুতি চলে যাবে
•• তাই এই লক্ষনগুলো দেখার সাথে সাথে গরম পানি ও লেবুর রস খেতে শুরু করুন।
#নিজে সচেতন হন এবং পোস্ট টি শেয়ার করে অন্য কে দেখার সুযোগ করে দিন।
"দুমুঠো ভাতের জন্য শিয়ালদহে স্টেশানে রাত কাটানো এক কিশোরের হার না মানা জীবন কাহিনী"
১৯৪২-৪৩ সালের মহা মন্বন্তের যখন খাদ্যের জন্য হাহাকার। মৃত মানুষ পড়ে আছে রাস্তায়। তখন তাঁর বয়স মাত্র ১৩ বছর। খাদ্যের জন্য ঘর ছাড়েন। পেটে প্রচন্ড ক্ষুধা নিয়ে জীবিকার সন্ধানে উপস্থিত হন কলকাতায়। রাত যাপনের জন্য আশ্রয় নেন শিয়ালদহ রেলওয়ে স্টেশানে। দিনে কুলিগিরি করতেন আর রাতে মাথার নীচে ইট রেখে ঘুমাতেন। এভাবে কিছুদিন চলার পর কাজ শুরু করেন কলকাতার জাকারিয়া হোটেলের ক্লিনিং বয় হিসাবে। একদিন হোটেলের ক্লিনিং এর কাজ শেষ করতে করতে প্রায় ভোর হয়ে যায়। নিজ বস্তিতে ফেরার পথে দেখেন রামলোচান স্ট্রীটের ওপর অকশনে ফল বিক্রি হচ্ছে আর খুচরা বিক্রেতারা সেই ফল অন্যান্য জায়গায় বিক্রি করার জন্য কিনে নিয়ে যাচ্ছে। ব্যাপারটি তার পছন্দ হয়। রাতে কাজ শেষ করে দিনে আর ঘুমোবার ফুরসৎ পান না । হোটেলের ম্যানেজারে কাছ থেকে জমানো টাকা নিয়ে এসে নিজেই ফল কিনে রাস্তায় বের হয়ে পড়েন। শুরু হলো হার না মানা এক কিশোরের প্রথম ব্যবসায়িক জীবন।
মাথায় ফেরি করে ফল বিক্রি করার কয়েক মাস পর বেশ ভালো লাভ হয়। ফুটপাতের পাশেই এক ঝুপড়ি ঘর ভাড়া করে বসেন। দোকানের নাম দেন- "নীলামওয়ালা ছে আনা" মানে নীলামওয়ালার ছয় আনার দোকান। এই দোকানে যাই কেনা হোক না কেন- সবকিছুর দাম ছয় আনা। ভাগ্য খারাপ। বস্তির কয়েকজন গুণ্ডার সাথে চাঁদা না দেয়ার জের ধরে- মারামারি হয়। পুলিশ এসে থানায় ধরে নিয়ে যায়। তিনি দোকান বিক্রি করে দিয়ে সেই টাকায় জামিন নেন। সম্বল শেষ। নতুন ভাগ্যান্বেষনে পেশোয়ার গমন করেন। সেখানে আবার মুটেগিরির কাজ শুরু করেন। দুবছর কাটিয়ে কিছু অর্থ জমা করে আবার ফিরেন কলকাতায়। পরিবারের সাথে কোনো যোগাযোগ নেই। কলকাতায় এসে আবার সেই পুরানো ফলের ব্যবসা । বস্তিতে আগুন লেগে সেই ফলের দোকান, জমানো অর্থ সব পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তিনি আরেকবার নিঃস্ব হন।
কাজের সন্ধানে হন্য হয়ে ঘুরেন। শহর পরিচ্ছন্নতা কর্মি হিসাবে নর্দমা পরিষ্কারের কাজ শুরু করেন। কঠোর পরিশ্রমের কাজ। জ্বর নিয়ে পড়ে থাকেন- হাসপাতালের করিডোরে। একটুকু সুস্থ হওয়ার পর ভাবেন- আর নয় কলকাতা। মৃত্যু হলে দেশেই যেন হয়। নিজ শহর ফুলতলায় যখন ফিরে আসেন- তখন তার পকেটে মাত্র দশরুপি। ফুলতলায় ফিরে এসে পরিচয় হয় পিতৃবন্ধু বিদুভূষণের সাথে যার ছিলো বিড়ি কোম্পানি। সময় ১৯৫২ সাল। তিনি বিদুভূষন কাকার বিড়ি ফ্যাক্টরির পাশে একটা গ্রোসারি দোকান দিয়ে নিজের নামে বিড়ির লেভেল বানিয়ে বিক্রি করা শুরু করেন। শুরু হয় জীবনের নতুন টার্ণিং পয়েণ্ট। ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় হার না মানা সেই কিশোর মিঃ আকিজের আকিজগ্রুপ।
দুমুঠো ভাতের জন্য ঘরছাড়া, একটা ইটের ওপর মাথা রেখে রাতে রেলওয়ে স্টেশানে ঘুমানো ,কলকাতার স্ট্রীটে ছয়আনা নামের দোকান ঘরের মালিক মিঃ আকিজের আকিজ গ্রুপ এখন একটি দেশের পুরো বাজেটের ২% কন্ট্রিবিউটর। বছরে শুধু ট্যাক্সই প্রদান করে ৪৩২ মিলিয়ন ডলার , দেশের সবচেয়ে বেশী ট্যাক্স প্রদায়ক। শুধু তাই না স্বাস্থ্য, তথ্য , যোগাযোগ, টেকনোলজির বিভিন্ন ক্ষেত্রেও তাঁদের অবদান অতুলনীয়। ২০০৬ সালে মিঃ আকিজ মারা যান। কিন্তু তাঁর সেবা থেমে নেই। একটা বিশেষ কারণে - উনাকে নিয়ে আজকে লেখার কারণ হলো- নানা দুঃসংবাদের মাঝে একটা অত্যন্ত সুসংবাদ জানানো। আর তা হলো- করোনা রোগীদের জন্য আকিজগ্রুপ তৈরি করে দিচ্ছে দেশের সবচেয়ে বড় হাসপাতাল। চিকিৎসেবা হবে সেখানে সম্পূর্ণ ফ্রী। আগামী এক সপ্তাহের মাঝে এর নির্মান কাজ শেষ হবে। এই দুঃসময়ে যাদের আয় বন্ধ হয়ে গেছে তাদের জন্য দুইকেজি করে, আটা, চাল বিতরনের জন্য বিশাল ভাণ্ডার তৈরি করে রাখা হয়েছে। চিন্তা করে দেখলাম যারা লুট করে হুট করে বড় হয় তারা শুধু লুটের চিন্তাই করে। আর যারা নানা জীবন সংগ্রামের মাঝ দিয়ে বড় হয়- ক্ষুধা দুঃখ, কষ্টের যন্ত্রনা বুঝে এসব মানুষেরাই মানব সেবা দিয়ে জীবনকে মহিমান্বিত করে রাখে। আকিজ সাহেব বলতেন- প্রতিটি ক্ষুধাতুর শিশুর মাঝে আমি শিয়ালদহে স্টেশানে রাত কাটানো এক কিশোরকে দেখতে পাই। আকিজ সাহেবের মতো সবাই যদি এরকম দেখতে পেতেন তবে প্রতি চব্বিশ ঘন্টায় ২৫ হাজার মানুষকে ক্ষুধার যন্ত্রণা নিয়ে মারা যেতে হতোনা। পৃথিবীর নানা দেশে মানবসেবা করে যারা নীরবে, নিভৃতে এইভাবে আলোর পথ দেখিয়ে যাচ্ছেন- এইসব মানব সেবকদের জন্য লাল সেলাম।
©আরিফ মাহমুদ, ইউ,এস,এ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka
1311